14/04/2026
অনলাইন জুয়া আসলে কে কোটিপতি হয়?
বেশিরভাগ জুয়ার সাইট ফেক।
প্রথম দিকে ৫:১ রেশিও করে চালায় এর পর এক সময় ৯:১ করে।
জুয়ার স্ক্রিপ এবং গেমস কিনতে পাওয়া যায়, সেটাই কোন ধান্দাবাজ ব্যবসায়ী ( প্রতারক ব্যবসায়ী কেনে)। এই একমাত্র মানু যে জুয়ার সাইটে কোটিপতি হয়, যদিও প্রচুর মানুষকে ম্যানেজ করতে হয় তাতে মোটা টাকা খরচ হয়।
জুয়ার মালিক প্রথমে যখন কনফিগার করে তখন এভাবে সেট করে একজন প্লেয়ার প্রতি ৫ বার খেললে ১ বাজ জিতবে এঁর ৪ বার হারবে। আরও নানা ভাবে এলগরিদম সাজানো যায়।
এর পর যখন অনেক ইউজার পেয়ে যায় তখন এই রেশিও ৯:১ করে ফেলে। মানে একজন ১০ বারে ১ বার জিতবে।
আমি আমার অভিজ্ঞতা বলতে চাইনা তবে একসময় দেশের সবথেকে বড় জ্যার নেটওয়ার্ক ব্যাকএন্ড ইঞ্জিনিয়ারের সাথে আড্ডা হতো। উনি এই কাজ ছেড়ে দেশ ছেড়েছেন তাও প্রায় ৩ বছর।
রিক্সাওয়ালা, কুলি, কৃষক, মুদি দোকানি, সবাই অনলাইন জুয়ায় আসক্ত।
সরকারের কাছে আকুল আবেদন নগদ আর বিকাশের মাধ্যেমে জুয়ার টাকা লেনদেনের উপর বিধি নিশেদ আরোপ করেন।
বিকাশ নগদ চাইলেই এটা বন্ধ করতে পারে। সরকারের ইন্টিলিজেন্স এর সাথে বিকাশ আর নগদ কাজ করলে ১ দিনে এই লেনদেন বন্ধ করা সম্ভব।
বিকাশ পেমেন্ট করলে একটা ট্রানজেকশন আইডি পাওয়া যায়, সেই ট্রানজেকশন আইডি কোন মার্চেন্ট এর এটা বিকাশ কয়েক সেকেন্ডে বলতে পাড়ার কথা।
পুরো জুয়ার নেটওয়ার্ক বন্ধ করতে জুয়ার সাইটের লিস্ট আর একটা বিকাশ নগদ নাম্বার এবং মিনিমাম রিছারজের জন্য কিছু টাকা এই বেসিক জিনিস দিয়েই দেশের এই হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য বন্ধ করা যায়।
এটা রকেট সাইন্স না, কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘণ্টা কে বাধবে?