22/04/2026
বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বলছে বাংলাদেশে দশ হাজারের অধিক স্থানীয় জাতের ধান ছিল যেগুলো প্রায় হারিয়ে গেছে। বন্যা, খরা, লবণাক্ততা সহনশীল ধানের অসংখ্স য এদেশের কৃষকের সংগ্রহ ছিল। এই জাতগুলো পাচার হয়েছে নতুবাৱ হারিয়ে গেছে উচ্চ ফলনশীল ধানের চাপে পিষ্ঠ হয়ে। বন্যা প্রবন অঞ্চলে এদেশে এক সময়ে চাষ হতো
সাইটা, ভাতুরী, কালামানিক, ঘুনি, সোনামুখী, পারঙ্গী, সূর্যমুখী, সাত্তাভোগ, পঙ্খীরাজ, বিন্যাফুল, সরিষাফুল, দুধেকটকি, কটকতারা, করচামুড়ি, হাইটা, কাউরা, কালাভাতুরী, ঘৈরাল, কানাইভোগ, চাপিলা, বাদামফুল, ধলাবকরী, ছিটকাধান, আশাকুমরি, হুয়াফুল, মশরুম, নারিকেলঝোপা, হাঁসফুল। এছাড়াও ছিল হাসাকুমারী, ধইরাইল, বাইলাবকরী, মাধবজাত, মাটিয়া, নারিকেলবাদি, কাটাখড়ি, চাপালো, ফুল চাপালো, জামিরসোপ, ফুলবাদাম, আগল, কইয়াজুরী, বাইশমুন্ডরী, লাঙ্গিজটা, মানিকমন্ডল, হাঁসকুমর, চাঁনমানিক, মাটিচাক, লক্ষ্মীলতা, কালিতারা, বীমন্ডল, বোয়ালিয়া, ঝটা, গয়াল, সবরিভোগ, কাচিলন, কাথবগি, কয়রাপরাঙ্গী, ভাঙ্গাপরাঙ্গী, কৈঝুড়ি, বৌপাগল, কুমচারাল, সন্ধ্যামনি, মানিকমোড়ল, বলিয়ান, গাজল, গাড়িয়া, মহিষদল, পাজরা, হাসাবোয়ালিয়া, সেচিমোলকি, ভাঁগচাপরী, ভাগরকতুলী, বৈলাম, বিন্নামুড়ি, মতিচাক, ধলিসাইটা, বীরকোনা, জামির মাতচাল, দত্তরভোগ, পোখরাজ। বোনা আমন ধানের জাত হিসেবে ছিল চামারাদিঘা, হরিঙ্গাদিঘা, বাওইঝাক, মরিচফুল, মধুশাইল, লোহাডাং, কার্তিকশাইল, ভাওয়ালিয়া, বাঁশীরাজ, ঝুলদিঘা, সোনাদিঘা, ভাওয়ালিয়াদিঘা, মালভোগ, বকঝুল, সাদাবাজাল, বাজাল, বাওয়াল, কালোবাজাল, ইঞ্জলদিঘা, সোনাজলি, পাটনল, ঢেপা, ধলামোটা, জলঢেপা, দুধবাজাল, ঢেপাশাইল, লালচামারা, পানিশাইল, সোনাআঞ্জল, কালোঢেপা, লক্ষ্মীদিঘা, অশানি, ডিঙ্গামতি, মোরাবাজাল, ভাওয়াল, পানিয়ামোটা, বাঁশনল, দুধশাইল, বাঁশমোটা, পানিডাঙ্গা, দুধরাজ, গনকরায়, বাঁশমালতি, ওমরচামারা, লালঢেপা, আড়াইরাল, হিয়াল, খমন. গোরি, কাজল, কার্তিকঝুল, লানি, দুলন, বিলডুবি, মালিকাশাইল, সোনাগিরি, কাজলগিরি, ডুমরাজ, জলডুবি, বাসনা, লতামোটা, লাইটা। ছিল হরহরী, ইজল, রাজামোড়ল, হামুজতা, কইতরমনি, ধলাদিঘা, জলিবরন, কইয়ামুগরী, গনকরায়, সোনানজুল, রাজালাল, বেনীজাল, বারোগাদি, রাজদীঘা, লক্ষ্মীকাজল, রাজভোগ, দুলিয়াবরন, বনহেস, বোগাহুল, আশফুল, ডুবরাজ, কিরণদিঘা, মইরস, ঢেপা, কৈকা, অঞ্জল, নলোজ, যাত্রামুকুট, গদামন, অলিরাজ, কাজলা, আঁড়াইল, হালই, জলঢেপা, রাজামন্ডল, হরিলক্ষ্মী, বাওয়ালিয়া, তিলবাজাল, নেপা, খামা, দুলাই, আশমতি, হেচিআমন, হলুদজারন, শামুকাটা, বগঝুল, ইজলদিঘা, কাইকা, হলদেকাটা, বাইলাবেত, মেঘশাইল, কেচলাবরন, লোচিবরন, মোল্লাদিঘা, গোদাআমন, বাজাইল, লইটা, খাঁদি, আসিনা, আজলদিঘা, বোরন, সরসরি, দুধকলম, মালভোগ, ঝিংগাশাইল, ডালকচু, মুক্তার, গিলামাতিয়া, গৌরকাজল, বুড়ালক্ষ্মী, কাহিয়া, বেড়াজাল, বিল্লামুড়ি, ওকরাশাইল, লেতপাশা, বেতক, লোথা, বেতলী, বানরজটা, ধলাদিঘা, হিজলদিঘা, কেরানীশাইল, খৈয়ামুগরী, পালাবীর, মধুমালা, আশ্বিনাদিঘা, শিয়াললেজী, কাফিদিঘা, রায়েদা, কাউয়াঝুড়ি, রাঙ্গাদিঘা, ভোজনকুরকুরি, কালাদিঘা, ভরলতা, কুমারভোগ, কমলভোগ, লোকীদিঘা, কৈয়ামটর, গিলামেথী, গাজীভোগ, মুকতারা, বনগাঁজা। রোপা আমন ধানের মৌসুমে দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও পাওয়া যেত চিনিসাগর, আবছায়া, পাটিশাইল, লালবিন্নী, তুলসীমালা, শালি, পানকাইচ, তিলকাজল, চিকনল, জেলাগঞ্জ, ইকনল, চাপামনি, দুধকচু, পাটজাগ, ধলাশাইল, বাঁশফুল, আরগোল, আরিয়া, রাজাভোগ, সোনাজলি, মানিক, আগরসন্ধি, যশা, শুংদাওয়াই, গোপালভোগ, লালবুচকা, কাইকা, মটুঙ্গা, কানাইবাঁশ, সোনাগড়াই, দুধশাইল, সাদাবিন্নি, হিরাচিকন, লুঙ্গা, লতা, কাদিশাইল, আলই, সাদাশাইল, মালামোটা, ফুলমতি, ফুলগাইন, লাসিম, লালগাছি, রূপস্বর, গুতক, মাটিসল, চিনিকাবাই, বউজামাই, বাঁশমতি, কদমফুল, গিরিনশাইল, রাজামন্ডল, মুকুটশাইল, পাইজাম, সোমাগঞ্জল, মিপল, মহারাণী, মোটাযশোয়া, বাঁশফুল, সুরমাশাইল, জবসিরি, মধুমালা, দলকচু, কালিজিরা, সালই, বাঁশিরাজ, রঘুশাইল, বকুলবিচি, কাইসাফুল, ময়নামতি, রসুনভোগ, কৃষ্ণচুড়া, সীতাভোগ, লতিশাইল, পাটজাগ, কইকী, গাতিশাইল, চিনিগুড়ি, গহিঞ্জা, গৈঞ্জা, হালই, গুয়ামুড়ি, মালতী, চপল, মালঞ্চী, গারোবিন্নি, কৈয়াসাগুন, জলকুমরী, দুধসাগর, কাঁশিয়াবিন্নী, জলদুসরী, আসন, বুচী, সকালমুখী, জমা, রায়মুখী, যশা, কুমারী, ধয়নুস, গোলাপী, চাকলী, লক্ষ্মীদিঘা, লোহাগড়া, নোয়াটি, বাঁশীরাজ, নুনিয়া, দুধসাগর, দুধলতিয়া, শ্যামরস, কালিজিরা, সাদাচিকন, দুধশাইল, চিকন ধান, রোপামোটা, কার্তিকশাইল, কলম, বাঁশপাতা, ঢেপাশাইল, সোনাশাইল, চিনিচক্র, বাদশাভোগ, মুগী, পাকরী, মালশিরা, শীলফসল, সাদাভোগ, লালভোগ, বাঁশীকোলন, ঘিটকা হাইটা, বোরোজবা, বোরোচালান, বোরোচিকন, বোয়ালীবোরো, বেরো ভাওয়া, বাওলাআউশ।
এদেশে পাওয়া যেত জাগলীবোরো, লাইকইল, বরবোরো, বোয়ালীবোরো, কুনাইল, আমবোরো, সাদাবোরো, কালীবোরো, খেয়ালীবোরো, চন্দন, টেপীবোরো, খৈল, নরশাইল, কুইনাল, বাঁশফুল, বগলী, জামির, লাকী, বৈশাখী, খইয়া, কাউকাবোরো, কাকুয়াবোরো, খৈয়াবোরো, শাইলবোরো, সোনালীবোরো, গেমামুড়ি, কাঁচাবোরো। খরা অঞ্চলে আউশ মৌসুমে চাষ হত শনি, সাইটা, ভইরা, কালাবকরী, ঠাকুরভোগ, লক্ষ্মীবিলাস, বিন্নাফুল, কর্চামুড়ি, দুধকটকী, খরাজামরী, মুলকে আউশ, শংকপেটি, কাদোমনি, কানাই বকরী, সাদাবকরী, জাগল, কটকবিচি, সাদাআউশ, বুড়িরতন, জামিরশাইল, পঙ্খীরাজ, নয়নমনি, সাদাবকরী, কুচি, কুমরি, ভাদই, সলই, শংকবটি, কালোবজরা, মানিকজোড়, চৈলদম, লেচামনি, লালজামির, গর্ভা, কইতুরমনি, কবুলত, কমরভোগ, কাঁচানলী, ইন্দা, ভোরা, হরিণজলা, লরই, পিঁপড়াশাইল, হিজলি, সন্ধ্যামনি, চাকলাগরি, দুধিচাকলা, কটকী, লক্ষ্মীপুরা, জবাফুল, কালাপাকরী, কুমড়া, পাথরকুচি, সোনাবটি, খুঁইদাবরন, চকোলতোয়া। এই অঞ্চলের বোনা আমন ধান হিসেবে চাষ হত কালিরায়, লাউজান, কালোকচু, বেতো, জটা, মাটিয়া, বেতি, আজলদিঘা, ধলামোটা, মোল্লাদিঘা, আশ্বিনা, ভাদুই, ঝিংগাশাইল, চেংগুল, উজল, নাড়াআমন, শুংগলা আমন, জগদলা, গরল, শুলি, আশনাদিঘা, জনাডালা, মুক্তাহার, রাঙ্গলদারি, শুলনজটা, উরিরাজ, চান্দাআমন, কাটমারা, মাইটা গরাল, কালার, লালকালারা, ভরিয়ালতা, কালোবয়রা, কেদারাদন, মইশবাদাম, কাজলগর, দুলাই, ধলাগোটা, কালিআমন, গুয়াশুলি, ঝামরাজা, উড়াবেত, হাঁসকোল, ভজনকর্পূর, বধুশাইল, বোরনী, রাজাবদল, হরিগাছি, করঞ্জা, ধরারাজ, মৈতগড়ল, কিচর, দুধসর, হিয়ালী, চিনিআতব, ইন্দুশাইল, চিনিসাগর, বাওইঝাক, কনকচুড়, চিনিসাক্কর, রঘুশাইল, জটাবাঁশফুল, সোনাশাইল, পাকরী, বাদশাভোগ, চিনিগুড়ি, মোহনভোগ, নাজিরশাইল, ময়নাগুড়ি, বেগুনবিচি, লক্ষ্মীবিলাস, লালহিদা, বুচি, মোহিনি, নয়ারাজ, বকশাইল, বাঘাই, কাটাখালি, সাপাহার, মালতি, কানাইফুল, পাটনাই, গঙ্গামানিক, বিরুপাক, বকমালতি, দুধলতি, মাধবলতা, দাদখানি বাঁশকলম, কার্তিকা, মরিচবিচি, খুশবুচিকন, কাচিপানা, মুক্তাহার, ধলবদল, হিলিমতি, বেতিশাইল, সোনাজলি, বেগুনবিচি, ঝিংগাশাইল, ক্ষিরসাপাত, রাধুনিপাগল, বিরই, বিরুপাক, ভবানীভোগ, হিদা, চিনিসর।
করোগদী, বালাশোলী, দমফেরো, মুগী, খাটোচালানী, বগঝুল, বড়চালানী, ছোটচালানী, বাতরাজ, কাজলকুঁড়ি, মেঘী, সাদাবোচা, কোলামুচা, হিদা, কালপত, কেকী, কাজলগৌরি, তিলকাউর, বোটাকলম, বিলাসকলম, পাথরকুচি, হরমা, ঝুলন, গুজিএলাই, নাঙ্গাবাঁশফুল, উকুনমধু, মালসারা, কাইশাফুলি, চেঙ্গুল, ভাসামানিক, পারিজাত, কালোজিরা, রাধুনিপাগল, সোনাকাঠি, সোনাশাইল, বোটাশাইল, নিদানশাইল, আশরিশাইল, গুচিরোপা, লালগুচি, খেজুরঝুপি, গান্ধিরোপা, ঢেঁকিশাইল, বানকলম, কদমশাইল, টেপী, বনজিরা, পশুশাইল, বেতোশুলি, খেজুরদিঘা, মোল্লাদিঘা, রঙ্গবদল, মালবয়, কাটারীভোগ, বেত, জিরাশাইল। হাওর অঞ্চলের আউশ ধানের মধ্যে রয়েছে বোয়ালিয়া, গোয়াই, জামিরশাইল, গোয়ালমুরি, আবজাই, চেংরীমুরলী, কচিলুইন, দুবাই, মুরালি, উষা, রাইমুরলী, তেরপলি, হলদিমোরা, মুনশীমুরলী, খইয়ামনি, আড়াই, বউরাশ, কালাচেংরী, তারাবালি, ডুমাই, কাচালতা, কালাআড়াই, হরিনাআড়াই।
বোনা আমন ধানের তালিকায় রয়েছে বাদল, পানিতরঙ্গ, ভাসান, জলকুমড়, হোগলাপাতা, জলঢেপা, খাগা, খামা, গঙ্গাসাগর, পাটনল, লারনল, রঙ্গিখামা, দিগমালতী, লতিরাজ, হাতিয়ামোটা, লক্ষ্মীদিঘা, পানিতারং, চাপলাশ, পানিলডি, আশকল, পুথিবিরণ, ঝড়াবাদল, নাপতা, মুকবাদল, কটকটিয়া, খামা, খাগা, জোয়ালভাংগা, কালামাকানি, ধলামাকনি, লাকিআমন, কালোকোডা, কালিমিকরী, চিত্রাকচু, মোরাবাদাল, মোপাইয়া, বাগদা, চিরমুইন, পলিনলি, ঋতুবালাম, গোয়ালগাদা, জলবাগদান, খোসালত, আফগাচিয়া, লালবিরন, সাদাবিরন, মধুমাধব, নুনিয়াশাইল, ফুলমালতী, তুলসীমালা, মধুমালতি, খইয়াশাইল, ঠাকুরভোগ, মালতি, ময়নাশাইল, গঙ্গামালতি, আলাই মালতি, লাঠিশাইল, জলকুমারী, খিরনলী, লাউজান, আলিফ, আরগোল, জলমোটা, হাতিবান্ধা, শৈবাল, ময়নাগুড়ি, কনকমালতি, জয়ামালতি, ঝুলমালতী, কমল, যদুবিরন, মধুবিরন, গান্ধীশাইল, লোটাংগ, হালিনদামেথী, পুতিবিরন, হলদেমন, কলাহিরা, সোনারঝড়ি, হাতকড়া, বেতিশাইল, লাতমা, ধোলমেঘ, হাতিরমোডা, বিরইল, ইকরা, ঝরিয়া, আরফা, নাগরাশাইল, পাটিশাইল, বিরুইন, বাংগাজিরা, শাবেলশাইল, মনিপুরি, চক্কশাইল, বথুবালাম, মুলাশাইল, ধুরিশাইল, তেরফনি, আচরাবালাম, মতিচিকন, মনবিরইন, বিনকাজল, জুয়ারচর, ঢেঁকীশাইল, মটরশাইল, মিয়াফুল, কইরং, চোনধোয়া, নিআলু। উপকূলীয় অঞ্চলের আউশ ধানের তালিকায় রয়েছে বড়ধান, চিন্নাল, সোনামই, খোয়াশ, চাকুলে, চমকা, হাসনাচিকন, তোতামনি, সোনালী পাইজার, বউআদুরী, মুখকালালী, নারিকেলঝোপা, চিকনল, বৈলাম, ডালিআউশ, লুমাব্রো, কেরনদল, গুটিরইলাম, ফুলবাদাম, আউশখেসরী, আউশবালাম, নরই, বাওই, লেবুষৈল, বোলন, ইয়াসিন, চিরতী, মহিষদল। আমন ধানের তালিকায় আশাইল, লেম্বুরু, খন্ডেইল্ল্যা, নোনাশাইল, নাগপেচী, লাতুরী, লালমতি, দুধরাজ, কালোমেঘ, মইধান, নাতিজি, চিকনল, চাবিচি, গড়া, মিজরী, লালবিন্নি, মোগিচিকন, মসলাচিকন, রায়চিকন, বালাম, রাজকুমারচিকন, সড়কী, কুমড়াবৈলাম, চককল, চাঁদমনি, দুলবেতি, সাদাবিন্নি, পর্বা, লালমোটা, হিয়ালীবরন, স্বাক্ষরখোড়া, জুটিবালাম, জামরুল, সোনামুখী, সাহেবচিকন, বেলেম্বু, গাইঞ্জলী, বেতিবালাম, মোতাধান, বরিশাল, নোয়াখালী, রাজাশাইল, আশানল, জামাইআদুরী, খিরনলী, পোলাও, রাইচালাল, গোপালভোগ, লালধান, বাতনখিজ, কাঁচামোটা, মনডুলাচিকন, জগাবেতি, হোসনাচিকন, চপ্পল, ঝামগাবিথী, কাঁচাবিথী, কাঁগাইট, আজববিথী, গোড়াধান, গইটাচিকন, জামাইচিকন, গেলন, লেমবুড়া, চক্কল, কানগৈদে, খাঁদোলাচিকন, রায়চপ্পল, লাডুম, ভিয়াগধান, গিরিধান, কষ্টমনি, জিরাধান, গাচা, রাজভোগ, সাহেবচিকন, ধুলরবীজ, সুন্দরশাইল, ক্ষেতকুমরা, বোয়ারা, আকুন্দি, হরিভোগ, সরকচু, গোপালভোগ, রাঙ্গহোগলা, চুনসী, কইজুড়ি, বুকডা, চিনিকলাই, কাঁকনচরকী, লালু, বতরা, গরামুড়ী, বুয়ারবত, নেরাসিডিয়ার, হলুদগোতা, শৈলেরপানা, আমলজুর, মঈদল, দুইধাভোগ, চন্দ্রহার।
এসকল ধান বিলুপ্ত করে বর্তমানে দু তিনটি জাতের ধান আমাদের খাদ্য তালিকায় যুক্ত হয়েছে আর হারিয়ে গেছে দেশের ধান বৈচিত্র্য।