Krishokbhai

Krishokbhai Eat more from the Earth, not from the lab. At Krishok Bhai, we bring you the finest natural foods.

বাংলাদেশের চামড়া শিল্প: সমস্যা কি আসলেই চামড়ার, নাকি ভ্যালু অ্যাডিশনের?প্রতিবছর কোরবানির ঈদের সময় আমরা একই আলোচনা শুন...
02/06/2026

বাংলাদেশের চামড়া শিল্প: সমস্যা কি আসলেই চামড়ার, নাকি ভ্যালু অ্যাডিশনের?

প্রতিবছর কোরবানির ঈদের সময় আমরা একই আলোচনা শুনি—“চামড়ার দাম নেই”, “চামড়া নষ্ট হয়ে যাচ্ছে”, “চামড়া বিক্রি করা যাচ্ছে না”। অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশের চামড়া শিল্প শেষ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন।

বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১ কোটির মতো গরু ও মহিষ জবাই হয় (কোরবানি ও সারা বছর মিলিয়ে)। অর্থাৎ কাঁচামালের কোনো ঘাটতি আমাদের নেই। বরং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বড় কাঁচামালের উৎস আমরা।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, যদি এত চামড়া থাকে, তাহলে আমরা কেন বিশ্বের বড় leather exporting দেশগুলোর তালিকায় অনেক পিছিয়ে?

আসল সমস্যাটা কোথায়?

সমস্যা কাঁচা চামড়ায় নয়, সমস্যাটা ভ্যালু অ্যাডিশন ও আন্তর্জাতিক কমপ্লায়েন্সে।

বর্তমানে বিশ্বের বড় বড় ব্র্যান্ডগুলো—Timberland, ECCO, Clarks, Dr. Martens, Ariat, Red Wing সহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান—চামড়া কেনার সময় একটি বিষয়কে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়:

LWG (Leather Working Group) Certification

LWG হলো বিশ্বের সবচেয়ে স্বীকৃত leather sustainability ও compliance standard।

আজকের বাস্তবতা হলো:

🇮🇹 ইতালিতে শত শত LWG-certified tannery আছে।

🇮🇳 ভারতে শত শত LWG-certified tannery আছে।

🇵🇰 পাকিস্তানেও বাংলাদেশের তুলনায় অনেক ভালো অবস্থান তৈরি হয়েছে।

কিন্তু বাংলাদেশে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত LWG-certified tannery-এর সংখ্যা এখনও অত্যন্ত সীমিত।

ফলে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর বড় অংশ বাংলাদেশের চামড়া কিনতে আগ্রহী হলেও compliance ও certification সমস্যার কারণে তারা অন্য দেশে চলে যায়।

রপ্তানির তুলনা

বর্তমান leather sector export:

🇮🇳 ভারত: প্রায় ৫.৫–৫.৭ বিলিয়ন ডলার

🇧🇩 বাংলাদেশ: প্রায় ১–১.৫ বিলিয়ন ডলার

🇵🇰 পাকিস্তান: প্রায় ০.৮–০.৯ বিলিয়ন ডলার

অর্থাৎ কাঁচামালের প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ এখনও তার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারেনি।

আমরা আসলে কী করছি?

আমরা এখনও অনেক ক্ষেত্রে:

* Raw hide বিক্রি করি
* Wet Blue export করি
* Low value leather export করি

অথচ সবচেয়ে বেশি লাভ হয়:
✅ Finished Leather
✅ Leather Footwear
✅ Leather Bags
✅ Wallets
✅ Belts
✅ Premium Leather Goods

এখানেই ইতালি, ফ্রান্স ও চীন বিশ্বের বাজার দখল করেছে।

সম্ভাবনা কত বড়?

ধরি, বছরে ১ কোটি গরু ও মহিষের চামড়া সঠিকভাবে সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাত করা গেল।

যদি প্রতিটি চামড়া থেকে গড়ে মাত্র $300 সমমূল্যের leather goods export করা যায়, তাহলে:

১ কোটি × $300 = $3 বিলিয়ন

যদি উন্নত মানের finished leather ও leather goods তৈরি করা যায়:

$5–10 বিলিয়ন ডলারের শিল্প গড়ে তোলা অসম্ভব নয়।

তাহলে করণীয় কী?

🔹 আরও LWG-certified tannery স্থাপন

🔹 আন্তর্জাতিক মানের ETP ও environmental compliance নিশ্চিত করা

🔹 Savar Leather Industrial Estate-এর অবকাঠামোগত সমস্যার দ্রুত সমাধান

🔹 উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ ঋণ ও বিনিয়োগ সুবিধা

🔹 Wet Blue export থেকে Finished Leather ও Leather Goods-এ রূপান্তর

🔹 আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের supply chain-এ প্রবেশ

🔹 Design, branding ও product development-এ বিনিয়োগ

শেষ কথা

বাংলাদেশের সমস্যা চামড়ার অভাব নয়।

বাংলাদেশের সমস্যা হলো:

* ভ্যালু অ্যাডিশনের অভাব,
* আন্তর্জাতিক কমপ্লায়েন্সের ঘাটতি,
* এবং পর্যাপ্ত LWG-certified tannery না থাকা।

যে দেশে বছরে কোটি কোটি টাকার কাঁচামাল তৈরি হয়, সেই দেশ চাইলে leather sector-কে আগামী দশকে ৫–১০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি খাতে পরিণত করতে পারে।

সময় এসেছে কাঁচা চামড়া বিক্রির মানসিকতা থেকে বের হয়ে “Made in Bangladesh” leather goods-কে বিশ্ববাজারে প্রতিষ্ঠিত করার।

একদম কড়া 😍😍
11/05/2026

একদম কড়া 😍😍

বিশ্বে সরিষার আবাদ ও সরিষার তেলের ব্যবহার: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটসরিষা বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্যসংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ...
05/05/2026

বিশ্বে সরিষার আবাদ ও সরিষার তেলের ব্যবহার: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট

সরিষা বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্যসংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। গ্রামবাংলার মাঠে শীতকাল এলেই হলুদ ফুলে ভরে ওঠা সরিষার ক্ষেত আমাদের চিরচেনা দৃশ্য। সরিষার তেল শুধু রান্নার উপকরণই নয়, বরং এটি পুষ্টি, স্বাস্থ্য এবং ঐতিহ্যের সাথে গভীরভাবে জড়িত।



বাংলাদেশে সরিষার আবাদ

বাংলাদেশ-এ প্রধানত শীতকালীন ফসল হিসেবে সরিষা চাষ করা হয়। সাধারণত নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাসে বপন করা হয় এবং ফেব্রুয়ারি-মার্চে ফসল তোলা হয়। দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলো—যেমন রংপুর, রাজশাহী, কুমিল্লা, ফরিদপুর—সরিষা চাষের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।

সরিষা চাষের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য:

* স্বল্প সময়ে উৎপাদনযোগ্য (৮০–১০০ দিন)
* কম খরচে চাষ করা যায়
* ধান কাটার পর জমি ফাঁকা না রেখে সহজেই চাষ করা সম্ভব
* মাটির উর্বরতা কিছুটা বৃদ্ধি করে



সরিষার তেলের ব্যবহার ও জনপ্রিয়তা

বাংলাদেশে সরিষার তেল রান্নার একটি অপরিহার্য উপাদান। বিশেষ করে ভর্তা, ভাজি, মাছের ঝোল এবং আচারে এর ব্যবহার বেশি দেখা যায়। এর ঝাঁঝালো স্বাদ খাবারে আলাদা একটা ঘ্রাণ ও স্বাদ এনে দেয়।

স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও সরিষার তেল উপকারী:

* এতে থাকে ভালো ফ্যাট (Omega-3 ও Omega-6)
* হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে
* ত্বক ও চুলের যত্নে ব্যবহৃত হয়
* প্রাচীনকাল থেকে মালিশ তেল হিসেবে ব্যবহৃত



বিশ্বে সরিষা উৎপাদনকারী দেশসমূহ

বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের অনেক দেশে ব্যাপকভাবে সরিষা চাষ হয় এবং সরিষার তেল ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু দেশ হলো:

* ভারত – বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সরিষা উৎপাদনকারী দেশ
* চীন – খাদ্য ও শিল্প উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহার
* কানাডা – ক্যানোলা (সরিষার একটি উন্নত জাত) উৎপাদনে শীর্ষে
* রাশিয়া – ঠান্ডা আবহাওয়ায় সরিষা চাষে সফল
* নেপাল – সরিষার তেল স্থানীয় খাদ্যে গুরুত্বপূর্ণ

বিশেষ করে ভারত ও বাংলাদেশে সরিষার তেল দৈনন্দিন রান্নায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে পশ্চিমা দেশগুলোতে ক্যানোলা অয়েল বেশি জনপ্রিয়।



সরিষার তেলের বৈশ্বিক গুরুত্ব

সরিষার তেল শুধু খাদ্য নয়, এটি একটি বহুমুখী পণ্য:

* রান্নার তেল হিসেবে
* প্রসাধনী শিল্পে
* ঔষধি কাজে
* পশুখাদ্য তৈরিতে (খৈল)

বর্তমানে স্বাস্থ্য সচেতনতার কারণে অনেক দেশেই সরিষার তেলের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।

নাবী সল্লল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সালাফ-সালিহীনের যুগে খাদ্য সংরক্ষণের পদ্ধতি রসূলুল্লহ সল্লল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের...
25/04/2026

নাবী সল্লল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সালাফ-সালিহীনের যুগে খাদ্য সংরক্ষণের পদ্ধতি

রসূলুল্লহ সল্লল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে কোনো কৃত্রিম রাসায়নিক ছিল না। তারা খাদ্য সংরক্ষণের জন্য সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি অনুসরণ করতেন, যা আজও অত্যন্ত কার্যকর।

১. লবণ ও রোদ ব্যবহার করে শুকানো

এটি ছিল মাংস সংরক্ষণের সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি। এই প্রক্রিয়ায় তৈরি মাংসকে আরবিতে "কদীদ" (قديد) বলা হতো।

• পদ্ধতি: মাংসকে পাতলা করে কেটে লবণ মাখিয়ে তীব্র রোদে শুকানো হতো। লবণ মাংসের ভেতর থেকে পানি বের করে দিত এবং রোদের তাপে তা পুরোপুরি শুকিয়ে যেত। পানি না থাকায় সেখানে অণুজীব জন্মাতে পারত না, ফলে মাংস দীর্ঘ সময় ভালো থাকত।

কুরবানির মাংস সংরক্ষণ নিয়ে একটি বিখ্যাত ঘটনা রয়েছে। প্রথমদিকে রসূলুল্লহ সল্লল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানির মাংস তিন দিনের বেশি জমিয়ে রাখতে নিষেধ করেছিলেন, যাতে মদিনায় আগত গরিব ও অভাবী মানুষেরা মাংস পেতে পারে। পরবর্তীতে যখন অভাব দূর হয়ে গেল, তখন তিনি তা সংরক্ষণের অনুমতি দেন।

আয়িশা রদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লহ সল্লল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

كنتُ نَهَيتُكم عن لُحومِ الأضاحيِّ فَوقَ ثلاثٍ ، ليتَّسعَ ذو الطَّولِ علَى مَن لا طَولَ لَهُ ، فَكلوا ما بدا لَكم وأطعِموا وادَّخِروا

"আমি তিন দিনের বেশি কুরবানির মাংস রাখতে তোমাদের নিষেধ করেছিলাম, যেন সবাই এর প্রাচুর্য লাভ করতে পারে। এখন আল্লাহ সচ্ছলতা দান করেছেন, সুতরাং তোমরা খাও, জমা করে রাখো এবং সদকা করো।"

خلاصة حكم المحدث : صحيح
الراوي : بريدة بن الحصيب الأسلمي | المحدث : الألباني | المصدر : صحيح الترمذي | الصفحة أو الرقم : 1510
| التخريج : أخرجه أبو داود (3698) مطولاً بنحوه، والترمذي (1510) واللفظ له، والنسائي (2033)، وأحمد (23005) مطولاً باختلاف يسير

এই "জমা করে রাখা"র পদ্ধতিটিই ছিল মূলত লবণ ও রোদের সাহায্যে মাংস শুকিয়ে "কদীদ" বানানো। সাহাবা কিরাম এই কদীদ বা শুকনা মাংস সফরে নিয়ে যেতেন এবং প্রয়োজনের সময় রান্না করে খেতেন।

২. খেজুর শুকিয়ে সংরক্ষণ

খেজুর ছিল আরবদের প্রধান খাদ্য। তারা খেজুরকে শুকিয়ে "তামার" (تمر) বানিয়ে সারা বছরের জন্য সংরক্ষণ করতেন।

• পদ্ধতি: পাকা খেজুর রোদে শুকিয়ে এর জলীয় অংশ দূর করা হতো। এর ফলে এটি সহজে পচত না এবং পুষ্টিগুণও অটুট থাকত।

রসূলুল্লহ সল্লল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পরিবারের জন্য এক বছরের খাদ্য (শুকনো খেজুর ও যব) সঞ্চয় করে রাখতেন।
كان يبيعُ نخلَ بني النضيرِ ، ويحبِسُ لأهْلِهِ قوتَ سنتِهم

উমার রদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, রসূলুল্লহ সল্লল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনু নাযীর গোত্রের প্রাপ্ত খেজুর বিক্রি করে দিতেন এবং তাঁর পরিবারের জন্য এক বছরের খাদ্য সঞ্চয় করে রাখতেন।

خلاصة حكم المحدث : صحيح
الراوي : عمر بن الخطاب | المحدث : الألباني | المصدر : صحيح الجامع | الصفحة أو الرقم : 4896
| التخريج : أخرجه البخاري (5357)، والبيهقي (15797)، والبغوي في ((شرح السنة)) (2127) واللفظ لهم.

এটি প্রমাণ করে যে, প্রাকৃতিক উপায়ে খাদ্য সংরক্ষণ করা শুধু বৈধই নয়, বরং এটি রসূলুল্লহ সল্লল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত।

৩. মধু ব্যবহার করে সংরক্ষণ

মধু নিজেই একটি উৎকৃষ্ট প্রিজারভেটিভ। এর মধ্যে কোনো অণুজীব জন্মাতে পারে না, তাই এটি হাজার হাজার বছর ধরে অবিকৃত থাকে।

আল্লাহ তাআলা বলেন, "তার (মৌমাছির) পেট থেকে নানা রঙের পানীয় নির্গত হয়, যাতে রয়েছে মানুষের জন্য নিরাময় (শিফা)।" (সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৬৯)

মধু শুধু ওষুধই নয়, এটি অন্যান্য খাবারকেও ভালো রাখতে সাহায্য করে। প্রাচীনকালে ফল বা অন্যান্য জিনিস মধুতে ডুবিয়ে সংরক্ষণ করা হতো।

৪. ভিনেগার বা সিরকা ব্যবহার করে সংরক্ষণ

ভিনেগার একটি অম্লীয় (acidic) পদার্থ, যা ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাধা দেয়। আচার বা অন্যান্য খাবার সংরক্ষণে এর ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকেই প্রচলিত। রসূলুল্লহ সল্লল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভিনেগারকে উত্তম তরকারি হিসেবে প্রশংসা করেছেন।

أنَّ النَّبيَّ صلَّى اللهُ عليه وسلَّم سَألَ أهلَه الأُدُمَ، فقالوا: ما عِندَنا إلَّا خَلٌّ، فدَعا به، فجَعَلَ يَأكُلُ به، ويقولُ: نِعمَ الأُدُمُ الخَلُّ، نِعمَ الأُدُمُ الخَلُّ

জাবির রদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লহ সল্লল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পরিবারের কাছে তরকারি চাইলেন। তারা বলল, আমাদের কাছে সিরকা (ভিনেগার) ছাড়া আর কিছু নেই। তিনি তা আনতে বললেন এবং খেতে খেতে বলতে লাগলেন, "সিরকা কতই না উত্তম তরকারি! সিরকা কতই না উত্তম তরকারি!"

خلاصة حكم المحدث : [صحيح]
الراوي : جابر بن عبدالله | المحدث : مسلم | المصدر : صحيح مسلم | الصفحة أو الرقم : 2052
| التخريج : من أفراد مسلم على البخاري

যেহেতু ভিনেগার এত প্রশংসিত একটি খাবার এবং এর সংরক্ষণ ক্ষমতা অনস্বীকার্য, তাই এটিকে প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভ হিসেবে ব্যবহার করা একটি উত্তম ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।

৫. তেল ব্যবহার করে সংরক্ষণ

তেল খাবারের ওপর একটি সুরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে, যা বাতাসের সংস্পর্শে আসতে দেয় না। ফলে জারণ প্রক্রিয়া (oxidation) ও অণুজীবের বৃদ্ধি রোধ হয়। জলপাই তেল (Olive Oil) ছিল তাদের মধ্যে অন্যতম। বিভিন্ন জিনিস, যেমন—পনির, তৃণ (herbs) ইত্যাদি তেলে ডুবিয়ে সংরক্ষণ করার রীতি প্রচলিত ছিল।

উপরের আলোচনা থেকে স্পষ্ট যে, ইসলামে খাদ্য সংরক্ষণের ধারণা বিদ্যমান এবং তা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে।

• স্বাস্থ্যকর: লবণ, রোদ, মধু, ভিনেগার বা তেলের মতো প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং অনেক ক্ষেত্রে উপকারী।

• পরিবেশবান্ধব: এই পদ্ধতিগুলো পরিবেশের কোনো ক্ষতি করে না।

• অপচয় রোধ: খাদ্য সংরক্ষণ করে অপচয় রোধ করা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।

অতএব, কৃত্রিম ও ক্ষতিকর রাসায়নিক প্রিজারভেটিভ পরিহার করে রসূলুল্লহ সল্লল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সালাফ সালেহীনের শেখানো প্রাকৃতিক পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করাই আমাদের জন্য নিরাপদ, কল্যাণকর এবং সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত।


সলিহ আলগাযী

[প্রিয় পাঠক!
জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়া সাদাকাহ। তাই প্রতিদিন অন্তত একজনের কাছে “আততিববুন নাবাউই” এর এ জ্ঞান ছড়িয়ে দিন।]

বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বলছে বাংলাদেশে দশ হাজারের অধিক স্থানীয় জাতের ধান ছিল যেগুলো প্রায় হারিয়ে গেছে। ‍বন্যা, খরা, লবণাক্তত...
22/04/2026

বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বলছে বাংলাদেশে দশ হাজারের অধিক স্থানীয় জাতের ধান ছিল যেগুলো প্রায় হারিয়ে গেছে। ‍বন্যা, খরা, লবণাক্ততা সহনশীল ধানের অসংখ্স য এদেশের কৃষকের সংগ্রহ ছিল। এই জাতগুলো পাচার হয়েছে নতুবাৱ হারিয়ে গেছে উচ্চ ফলনশীল ধানের চাপে পিষ্ঠ হয়ে। বন্যা প্রবন অঞ্চলে এদেশে এক সময়ে চাষ হতো
সাইটা, ভাতুরী, কালামানিক, ঘুনি, সোনামুখী, পারঙ্গী, সূর্যমুখী, সাত্তাভোগ, পঙ্খীরাজ, বিন্যাফুল, সরিষাফুল, দুধেকটকি, কটকতারা, করচামুড়ি, হাইটা, কাউরা, কালাভাতুরী, ঘৈরাল, কানাইভোগ, চাপিলা, বাদামফুল, ধলাবকরী, ছিটকাধান, আশাকুমরি, হুয়াফুল, মশরুম, নারিকেলঝোপা, হাঁসফুল। এছাড়াও ছিল হাসাকুমারী, ধইরাইল, বাইলাবকরী, মাধবজাত, মাটিয়া, নারিকেলবাদি, কাটাখড়ি, চাপালো, ফুল চাপালো, জামিরসোপ, ফুলবাদাম, আগল, কইয়াজুরী, বাইশমুন্ডরী, লাঙ্গিজটা, মানিকমন্ডল, হাঁসকুমর, চাঁনমানিক, মাটিচাক, লক্ষ্মীলতা, কালিতারা, বীমন্ডল, বোয়ালিয়া, ঝটা, গয়াল, সবরিভোগ, কাচিলন, কাথবগি, কয়রাপরাঙ্গী, ভাঙ্গাপরাঙ্গী, কৈঝুড়ি, বৌপাগল, কুমচারাল, সন্ধ্যামনি, মানিকমোড়ল, বলিয়ান, গাজল, গাড়িয়া, মহিষদল, পাজরা, হাসাবোয়ালিয়া, সেচিমোলকি, ভাঁগচাপরী, ভাগরকতুলী, বৈলাম, বিন্নামুড়ি, মতিচাক, ধলিসাইটা, বীরকোনা, জামির মাতচাল, দত্তরভোগ, পোখরাজ। বোনা আমন ধানের জাত হিসেবে ছিল চামারাদিঘা, হরিঙ্গাদিঘা, বাওইঝাক, মরিচফুল, মধুশাইল, লোহাডাং, কার্তিকশাইল, ভাওয়ালিয়া, বাঁশীরাজ, ঝুলদিঘা, সোনাদিঘা, ভাওয়ালিয়াদিঘা, মালভোগ, বকঝুল, সাদাবাজাল, বাজাল, বাওয়াল, কালোবাজাল, ইঞ্জলদিঘা, সোনাজলি, পাটনল, ঢেপা, ধলামোটা, জলঢেপা, দুধবাজাল, ঢেপাশাইল, লালচামারা, পানিশাইল, সোনাআঞ্জল, কালোঢেপা, লক্ষ্মীদিঘা, অশানি, ডিঙ্গামতি, মোরাবাজাল, ভাওয়াল, পানিয়ামোটা, বাঁশনল, দুধশাইল, বাঁশমোটা, পানিডাঙ্গা, দুধরাজ, গনকরায়, বাঁশমালতি, ওমরচামারা, লালঢেপা, আড়াইরাল, হিয়াল, খমন. গোরি, কাজল, কার্তিকঝুল, লানি, দুলন, বিলডুবি, মালিকাশাইল, সোনাগিরি, কাজলগিরি, ডুমরাজ, জলডুবি, বাসনা, লতামোটা, লাইটা। ছিল হরহরী, ইজল, রাজামোড়ল, হামুজতা, কইতরমনি, ধলাদিঘা, জলিবরন, কইয়ামুগরী, গনকরায়, সোনানজুল, রাজালাল, বেনীজাল, বারোগাদি, রাজদীঘা, লক্ষ্মীকাজল, রাজভোগ, দুলিয়াবরন, বনহেস, বোগাহুল, আশফুল, ডুবরাজ, কিরণদিঘা, মইরস, ঢেপা, কৈকা, অঞ্জল, নলোজ, যাত্রামুকুট, গদামন, অলিরাজ, কাজলা, আঁড়াইল, হালই, জলঢেপা, রাজামন্ডল, হরিলক্ষ্মী, বাওয়ালিয়া, তিলবাজাল, নেপা, খামা, দুলাই, আশমতি, হেচিআমন, হলুদজারন, শামুকাটা, বগঝুল, ইজলদিঘা, কাইকা, হলদেকাটা, বাইলাবেত, মেঘশাইল, কেচলাবরন, লোচিবরন, মোল্লাদিঘা, গোদাআমন, বাজাইল, লইটা, খাঁদি, আসিনা, আজলদিঘা, বোরন, সরসরি, দুধকলম, মালভোগ, ঝিংগাশাইল, ডালকচু, মুক্তার, গিলামাতিয়া, গৌরকাজল, বুড়ালক্ষ্মী, কাহিয়া, বেড়াজাল, বিল্লামুড়ি, ওকরাশাইল, লেতপাশা, বেতক, লোথা, বেতলী, বানরজটা, ধলাদিঘা, হিজলদিঘা, কেরানীশাইল, খৈয়ামুগরী, পালাবীর, মধুমালা, আশ্বিনাদিঘা, শিয়াললেজী, কাফিদিঘা, রায়েদা, কাউয়াঝুড়ি, রাঙ্গাদিঘা, ভোজনকুরকুরি, কালাদিঘা, ভরলতা, কুমারভোগ, কমলভোগ, লোকীদিঘা, কৈয়ামটর, গিলামেথী, গাজীভোগ, মুকতারা, বনগাঁজা। রোপা আমন ধানের মৌসুমে দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও পাওয়া যেত চিনিসাগর, আবছায়া, পাটিশাইল, লালবিন্নী, তুলসীমালা, শালি, পানকাইচ, তিলকাজল, চিকনল, জেলাগঞ্জ, ইকনল, চাপামনি, দুধকচু, পাটজাগ, ধলাশাইল, বাঁশফুল, আরগোল, আরিয়া, রাজাভোগ, সোনাজলি, মানিক, আগরসন্ধি, যশা, শুংদাওয়াই, গোপালভোগ, লালবুচকা, কাইকা, মটুঙ্গা, কানাইবাঁশ, সোনাগড়াই, দুধশাইল, সাদাবিন্নি, হিরাচিকন, লুঙ্গা, লতা, কাদিশাইল, আলই, সাদাশাইল, মালামোটা, ফুলমতি, ফুলগাইন, লাসিম, লালগাছি, রূপস্বর, গুতক, মাটিসল, চিনিকাবাই, বউজামাই, বাঁশমতি, কদমফুল, গিরিনশাইল, রাজামন্ডল, মুকুটশাইল, পাইজাম, সোমাগঞ্জল, মিপল, মহারাণী, মোটাযশোয়া, বাঁশফুল, সুরমাশাইল, জবসিরি, মধুমালা, দলকচু, কালিজিরা, সালই, বাঁশিরাজ, রঘুশাইল, বকুলবিচি, কাইসাফুল, ময়নামতি, রসুনভোগ, কৃষ্ণচুড়া, সীতাভোগ, লতিশাইল, পাটজাগ, কইকী, গাতিশাইল, চিনিগুড়ি, গহিঞ্জা, গৈঞ্জা, হালই, গুয়ামুড়ি, মালতী, চপল, মালঞ্চী, গারোবিন্নি, কৈয়াসাগুন, জলকুমরী, দুধসাগর, কাঁশিয়াবিন্নী, জলদুসরী, আসন, বুচী, সকালমুখী, জমা, রায়মুখী, যশা, কুমারী, ধয়নুস, গোলাপী, চাকলী, লক্ষ্মীদিঘা, লোহাগড়া, নোয়াটি, বাঁশীরাজ, নুনিয়া, দুধসাগর, দুধলতিয়া, শ্যামরস, কালিজিরা, সাদাচিকন, দুধশাইল, চিকন ধান, রোপামোটা, কার্তিকশাইল, কলম, বাঁশপাতা, ঢেপাশাইল, সোনাশাইল, চিনিচক্র, বাদশাভোগ, মুগী, পাকরী, মালশিরা, শীলফসল, সাদাভোগ, লালভোগ, বাঁশীকোলন, ঘিটকা হাইটা, বোরোজবা, বোরোচালান, বোরোচিকন, বোয়ালীবোরো, বেরো ভাওয়া, বাওলাআউশ।
এদেশে পাওয়া যেত জাগলীবোরো, লাইকইল, বরবোরো, বোয়ালীবোরো, কুনাইল, আমবোরো, সাদাবোরো, কালীবোরো, খেয়ালীবোরো, চন্দন, টেপীবোরো, খৈল, নরশাইল, কুইনাল, বাঁশফুল, বগলী, জামির, লাকী, বৈশাখী, খইয়া, কাউকাবোরো, কাকুয়াবোরো, খৈয়াবোরো, শাইলবোরো, সোনালীবোরো, গেমামুড়ি, কাঁচাবোরো। খরা অঞ্চলে আউশ মৌসুমে চাষ হত শনি, সাইটা, ভইরা, কালাবকরী, ঠাকুরভোগ, লক্ষ্মীবিলাস, বিন্নাফুল, কর্চামুড়ি, দুধকটকী, খরাজামরী, মুলকে আউশ, শংকপেটি, কাদোমনি, কানাই বকরী, সাদাবকরী, জাগল, কটকবিচি, সাদাআউশ, বুড়িরতন, জামিরশাইল, পঙ্খীরাজ, নয়নমনি, সাদাবকরী, কুচি, কুমরি, ভাদই, সলই, শংকবটি, কালোবজরা, মানিকজোড়, চৈলদম, লেচামনি, লালজামির, গর্ভা, কইতুরমনি, কবুলত, কমরভোগ, কাঁচানলী, ইন্দা, ভোরা, হরিণজলা, লরই, পিঁপড়াশাইল, হিজলি, সন্ধ্যামনি, চাকলাগরি, দুধিচাকলা, কটকী, লক্ষ্মীপুরা, জবাফুল, কালাপাকরী, কুমড়া, পাথরকুচি, সোনাবটি, খুঁইদাবরন, চকোলতোয়া। এই অঞ্চলের বোনা আমন ধান হিসেবে চাষ হত কালিরায়, লাউজান, কালোকচু, বেতো, জটা, মাটিয়া, বেতি, আজলদিঘা, ধলামোটা, মোল্লাদিঘা, আশ্বিনা, ভাদুই, ঝিংগাশাইল, চেংগুল, উজল, নাড়াআমন, শুংগলা আমন, জগদলা, গরল, শুলি, আশনাদিঘা, জনাডালা, মুক্তাহার, রাঙ্গলদারি, শুলনজটা, উরিরাজ, চান্দাআমন, কাটমারা, মাইটা গরাল, কালার, লালকালারা, ভরিয়ালতা, কালোবয়রা, কেদারাদন, মইশবাদাম, কাজলগর, দুলাই, ধলাগোটা, কালিআমন, গুয়াশুলি, ঝামরাজা, উড়াবেত, হাঁসকোল, ভজনকর্পূর, বধুশাইল, বোরনী, রাজাবদল, হরিগাছি, করঞ্জা, ধরারাজ, মৈতগড়ল, কিচর, দুধসর, হিয়ালী, চিনিআতব, ইন্দুশাইল, চিনিসাগর, বাওইঝাক, কনকচুড়, চিনিসাক্কর, রঘুশাইল, জটাবাঁশফুল, সোনাশাইল, পাকরী, বাদশাভোগ, চিনিগুড়ি, মোহনভোগ, নাজিরশাইল, ময়নাগুড়ি, বেগুনবিচি, লক্ষ্মীবিলাস, লালহিদা, বুচি, মোহিনি, নয়ারাজ, বকশাইল, বাঘাই, কাটাখালি, সাপাহার, মালতি, কানাইফুল, পাটনাই, গঙ্গামানিক, বিরুপাক, বকমালতি, দুধলতি, মাধবলতা, দাদখানি বাঁশকলম, কার্তিকা, মরিচবিচি, খুশবুচিকন, কাচিপানা, মুক্তাহার, ধলবদল, হিলিমতি, বেতিশাইল, সোনাজলি, বেগুনবিচি, ঝিংগাশাইল, ক্ষিরসাপাত, রাধুনিপাগল, বিরই, বিরুপাক, ভবানীভোগ, হিদা, চিনিসর।
করোগদী, বালাশোলী, দমফেরো, মুগী, খাটোচালানী, বগঝুল, বড়চালানী, ছোটচালানী, বাতরাজ, কাজলকুঁড়ি, মেঘী, সাদাবোচা, কোলামুচা, হিদা, কালপত, কেকী, কাজলগৌরি, তিলকাউর, বোটাকলম, বিলাসকলম, পাথরকুচি, হরমা, ঝুলন, গুজিএলাই, নাঙ্গাবাঁশফুল, উকুনমধু, মালসারা, কাইশাফুলি, চেঙ্গুল, ভাসামানিক, পারিজাত, কালোজিরা, রাধুনিপাগল, সোনাকাঠি, সোনাশাইল, বোটাশাইল, নিদানশাইল, আশরিশাইল, গুচিরোপা, লালগুচি, খেজুরঝুপি, গান্ধিরোপা, ঢেঁকিশাইল, বানকলম, কদমশাইল, টেপী, বনজিরা, পশুশাইল, বেতোশুলি, খেজুরদিঘা, মোল্লাদিঘা, রঙ্গবদল, মালবয়, কাটারীভোগ, বেত, জিরাশাইল। হাওর অঞ্চলের আউশ ধানের মধ্যে রয়েছে বোয়ালিয়া, গোয়াই, জামিরশাইল, গোয়ালমুরি, আবজাই, চেংরীমুরলী, কচিলুইন, দুবাই, মুরালি, উষা, রাইমুরলী, তেরপলি, হলদিমোরা, মুনশীমুরলী, খইয়ামনি, আড়াই, বউরাশ, কালাচেংরী, তারাবালি, ডুমাই, কাচালতা, কালাআড়াই, হরিনাআড়াই।
বোনা আমন ধানের তালিকায় রয়েছে বাদল, পানিতরঙ্গ, ভাসান, জলকুমড়, হোগলাপাতা, জলঢেপা, খাগা, খামা, গঙ্গাসাগর, পাটনল, লারনল, রঙ্গিখামা, দিগমালতী, লতিরাজ, হাতিয়ামোটা, লক্ষ্মীদিঘা, পানিতারং, চাপলাশ, পানিলডি, আশকল, পুথিবিরণ, ঝড়াবাদল, নাপতা, মুকবাদল, কটকটিয়া, খামা, খাগা, জোয়ালভাংগা, কালামাকানি, ধলামাকনি, লাকিআমন, কালোকোডা, কালিমিকরী, চিত্রাকচু, মোরাবাদাল, মোপাইয়া, বাগদা, চিরমুইন, পলিনলি, ঋতুবালাম, গোয়ালগাদা, জলবাগদান, খোসালত, আফগাচিয়া, লালবিরন, সাদাবিরন, মধুমাধব, নুনিয়াশাইল, ফুলমালতী, তুলসীমালা, মধুমালতি, খইয়াশাইল, ঠাকুরভোগ, মালতি, ময়নাশাইল, গঙ্গামালতি, আলাই মালতি, লাঠিশাইল, জলকুমারী, খিরনলী, লাউজান, আলিফ, আরগোল, জলমোটা, হাতিবান্ধা, শৈবাল, ময়নাগুড়ি, কনকমালতি, জয়ামালতি, ঝুলমালতী, কমল, যদুবিরন, মধুবিরন, গান্ধীশাইল, লোটাংগ, হালিনদামেথী, পুতিবিরন, হলদেমন, কলাহিরা, সোনারঝড়ি, হাতকড়া, বেতিশাইল, লাতমা, ধোলমেঘ, হাতিরমোডা, বিরইল, ইকরা, ঝরিয়া, আরফা, নাগরাশাইল, পাটিশাইল, বিরুইন, বাংগাজিরা, শাবেলশাইল, মনিপুরি, চক্কশাইল, বথুবালাম, মুলাশাইল, ধুরিশাইল, তেরফনি, আচরাবালাম, মতিচিকন, মনবিরইন, বিনকাজল, জুয়ারচর, ঢেঁকীশাইল, মটরশাইল, মিয়াফুল, কইরং, চোনধোয়া, নিআলু। উপকূলীয় অঞ্চলের আউশ ধানের তালিকায় রয়েছে বড়ধান, চিন্নাল, সোনামই, খোয়াশ, চাকুলে, চমকা, হাসনাচিকন, তোতামনি, সোনালী পাইজার, বউআদুরী, মুখকালালী, নারিকেলঝোপা, চিকনল, বৈলাম, ডালিআউশ, লুমাব্রো, কেরনদল, গুটিরইলাম, ফুলবাদাম, আউশখেসরী, আউশবালাম, নরই, বাওই, লেবুষৈল, বোলন, ইয়াসিন, চিরতী, মহিষদল। আমন ধানের তালিকায় আশাইল, লেম্বুরু, খন্ডেইল্ল্যা, নোনাশাইল, নাগপেচী, লাতুরী, লালমতি, দুধরাজ, কালোমেঘ, মইধান, নাতিজি, চিকনল, চাবিচি, গড়া, মিজরী, লালবিন্নি, মোগিচিকন, মসলাচিকন, রায়চিকন, বালাম, রাজকুমারচিকন, সড়কী, কুমড়াবৈলাম, চককল, চাঁদমনি, দুলবেতি, সাদাবিন্নি, পর্বা, লালমোটা, হিয়ালীবরন, স্বাক্ষরখোড়া, জুটিবালাম, জামরুল, সোনামুখী, সাহেবচিকন, বেলেম্বু, গাইঞ্জলী, বেতিবালাম, মোতাধান, বরিশাল, নোয়াখালী, রাজাশাইল, আশানল, জামাইআদুরী, খিরনলী, পোলাও, রাইচালাল, গোপালভোগ, লালধান, বাতনখিজ, কাঁচামোটা, মনডুলাচিকন, জগাবেতি, হোসনাচিকন, চপ্পল, ঝামগাবিথী, কাঁচাবিথী, কাঁগাইট, আজববিথী, গোড়াধান, গইটাচিকন, জামাইচিকন, গেলন, লেমবুড়া, চক্কল, কানগৈদে, খাঁদোলাচিকন, রায়চপ্পল, লাডুম, ভিয়াগধান, গিরিধান, কষ্টমনি, জিরাধান, গাচা, রাজভোগ, সাহেবচিকন, ধুলরবীজ, সুন্দরশাইল, ক্ষেতকুমরা, বোয়ারা, আকুন্দি, হরিভোগ, সরকচু, গোপালভোগ, রাঙ্গহোগলা, চুনসী, কইজুড়ি, বুকডা, চিনিকলাই, কাঁকনচরকী, লালু, বতরা, গরামুড়ী, বুয়ারবত, নেরাসিডিয়ার, হলুদগোতা, শৈলেরপানা, আমলজুর, মঈদল, দুইধাভোগ, চন্দ্রহার।

এসকল ধান বিলুপ্ত করে বর্তমানে দু তিনটি জাতের ধান আমাদের খাদ্য তালিকায় যুক্ত হয়েছে আর হারিয়ে গেছে দেশের ধান বৈচিত্র্য।

১ কেজি সরিষা কিংবা লিচু ফুলের মধু বিক্রি করে সব খরচ বাদে লাভ থাকে ১০০-১৩০ টাকা।এখন শুধুমাত্র মোড়কের লাইসেন্সের জন্য সরকা...
14/04/2026

১ কেজি সরিষা কিংবা লিচু ফুলের মধু বিক্রি করে সব খরচ বাদে লাভ থাকে ১০০-১৩০ টাকা।

এখন শুধুমাত্র মোড়কের লাইসেন্সের জন্য সরকারি ফি ১১৫০০ টাকা!!!

প্রায় দুই মন মধুর লাভের টাকা লাইসেন্স ফি বাবদ সরকার নিয়ে যায়।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রতি এটা একটা চরম জুলুম।

আবার আমাদের দেশে প্রায় ১১ ধরনের মধু আছে। এই ১১ ধরনের মধু নিয়ে টুকটাক ব্যবসা করতে চাইলে লাইসেন্স ফি কত লাগবে? তাও আবার প্রতি বছর নবায়ন!!!!

এখন আসল কথা হলো নতুন কোন ছোট ব্যবসায়ি এই লাইসেন্স ফি দিয়ে নামতে পারবে না।

বড় কর্পোরেট পারবে। তাদের ফান্ড আছে। যারা মৌমাছি চাষ করে তারা বোতলজাত করতে পারবে না। বড় ব্যবসায়ীদের কাছে বেচে দিতে বাধ্য কম দামে!!!

এদেশে ব্যবসা সহজ করার জন্য সরকারের কোন বিশেষ উইং নাই।
সহজে ব্যবসা করার জন্য কেউ ভাবেই না। কিভাবে আরোও প্যাচানো যায় তা নিয়ে গবেষনা করা হয়।

BSTI এর যে কোন লাইসেন্স ১ হাজার টাকা করে দেয়া সময়ের দাবী।

টেস্টের খরচ দেশের স্বার্থে সরকার ভর্তুকি দিবে।

এতে করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়িরা লাইসেন্স নিয়ে নিয়ম মেনে ব্যবসা করতে পারবে।

দাবী উঠুক।

পাকানোর তাড়াহুড়া নেই। মোটামুটি এই সবজিটা নিরাপদ। চাহিদাও ভালো
31/03/2026

পাকানোর তাড়াহুড়া নেই। মোটামুটি এই সবজিটা নিরাপদ। চাহিদাও ভালো

পার্ল মিলেট বা বাজরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Pennisetum glaucum) একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর, গ্লুটেন-মুক্ত শস্য, যা প্রধানত এশিয়া ও ...
30/03/2026

পার্ল মিলেট বা বাজরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Pennisetum glaucum) একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর, গ্লুটেন-মুক্ত শস্য, যা প্রধানত এশিয়া ও আফ্রিকার শুষ্ক ও উষ্ণ অঞ্চলে চাষ করা হয়। এটি শুধু একটি সাধারণ খাদ্যশস্য নয়, বরং আধুনিক পুষ্টিবিদদের কাছে “সুপারফুড” হিসেবে পরিচিত।

পুষ্টিগুণ

বাজরায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ডায়েটারি ফাইবার, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, জিঙ্ক এবং ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে এর পুষ্টিমান গমের তুলনায় বেশি, যা এটিকে দৈনন্দিন খাদ্যের জন্য একটি শক্তিশালী বিকল্প করে তোলে।

স্বাস্থ্য উপকারিতা

এই শস্যটি হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে, কারণ এতে উচ্চমাত্রার ফাইবার রয়েছে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এছাড়া এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ায় এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। নিয়মিত খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখতে পারে।

চাষাবাদ ও পরিবেশগত গুরুত্ব

পার্ল মিলেট অত্যন্ত খরা-সহনশীল একটি ফসল। কম বৃষ্টিপাত এবং উচ্চ তাপমাত্রাতেও (প্রায় ৪৫°C পর্যন্ত) এটি সহজে জন্মাতে পারে। এজন্য এটি জলবায়ু পরিবর্তনের যুগে টেকসই কৃষির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, বিশেষ করে শুষ্ক অঞ্চলে।

ব্যবহার ও খাদ্যরূপ

বাজরা সাধারণত রুটি, জাউ (পোরিজ), বা বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। গ্লুটেন-মুক্ত হওয়ার কারণে এটি স্বাস্থ্যসচেতন ও বিশেষ খাদ্যাভ্যাস অনুসরণকারীদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

অন্যান্য নাম

ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এটি ‘বাজরা’ নামে পরিচিত, আবার তামিলনাড়ুতে ‘কাম্বু’ নামেও পরিচিত।

সংক্ষেপে, পার্ল মিলেট একটি পুষ্টিকর, সহজে চাষযোগ্য এবং স্বাস্থ্যবান্ধব শস্য, যা ভবিষ্যতের খাদ্য নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

30/03/2026

ঈদে ওয়েবসাইটে যারা ওর্ডার করেছিলেন, তাদের প্রডাক্ট পেতে কিছুটা দেরী হয়েছে। ক্ষমাপার্থি।

সরিষার তেল নিয়ে যারা নেগেটিভ কথাবার্তা বলে তাদের এই আর্টিকেল দেখিয়ে দিন১. Healthline (বিশ্বের সবচেয়ে ট্রাস্টেড হেলথ ব্লগ...
20/03/2026

সরিষার তেল নিয়ে যারা নেগেটিভ কথাবার্তা বলে তাদের এই আর্টিকেল দেখিয়ে দিন

১. Healthline (বিশ্বের সবচেয়ে ট্রাস্টেড হেলথ ব্লগ)
Mustard oil-এর উপকারিতা নিয়ে বিস্তারিত বলা আছে।
লিংক: https://www.healthline.com/nutrition/mustard-oil-benefits

২. Medical News Today
মেডিকেল গবেষণাভিত্তিক তথ্য দিয়ে উপস্থাপন করেছে mustard oil-এর উপকারিতা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি।
লিংক: https://www.medicalnewstoday.com/articles/324686

৩. PubMed (NIH - বিশ্বের সবচেয়ে বড় মেডিকেল গবেষণা ভাণ্ডার)
এই গবেষণায় বলা হয়েছে, mustard oil নিয়ে যেসব বিতর্ক আছে, তার বেশিরভাগই অতিরঞ্জিত এবং সঠিক প্রেক্ষাপটে দেখা উচিত।
লিংক: https://pubmed.ncbi.nlm.nih.gov/34924350

৪. PMC (PubMed Central)
এই গবেষণায় বলা হয়েছে যে mustard oil ইনসুলিন রেজিস্টেন্স কমাতে পারে ও হৃদরোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারে।
লিংক: https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC7864507

৫. Another PMC Review Article
Erucic Acid-এর উপকারিতা এবং ক্ষতিকর সম্ভাবনার ভারসাম্যপূর্ণ পর্যালোচনা।
লিংক: https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC9962393

৬. ResearchGate (একাডেমিক রিসার্চারদের প্রকাশনা)
সরিষার তেলের ঔষধি গুণাবলী ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা নিয়ে লেখা গবেষণা।
লিংক: https://www.researchgate.net/publication/336118318_Medicinal_Qualities_of_Mustard_Oil_and_Its_Role_in_Human_Health_against_Chronic_Diseases_A_Review
আমরা যেন ব্যক্তিগত আক্রমণের বদলে যুক্তি ও গবেষণার আলোকে আলোচনা করি। বিতর্ক হোক তথ্যনির্ভর ও ভদ্র।

PDF | Fats in its saturated and unsaturated form play an important role in our daily diet. Its overconsumption in either form can be lethal to our body.... | Find, read and cite all the research you need on ResearchGate

Address

জামিজুরি, দোহাজারি, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম। Https://goo. Gl/maps/tYZd66snvAVq4bqb 7
Chittagong
4200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Krishokbhai posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Krishokbhai:

Share