01/05/2024
সরিষা - হাজার হাজার বছর ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসা একটি তৈলবীজ। বিভিন্ন রান্নায় রয়েছে এর ব্যবহার। এছাড়া সরিষা ভর্তা আর সরিষার কাসুন্দি তো ব্যপক সমাদৃত আমাদের দেশে।
যাকগে, অনেক হলো সরিষা কথন। এবার নাহয় বলি সরিষার বীজ থেকে তৈরি তেলের কথা।
খৃষ্টপূর্ব ৩০০০ হাজার বছর আগে থেকেই প্রাচীন ভারতে ব্যবহার ছিল সরিষা তেলের। রান্নায় কিংবা ময়েশ্চারাইজার হিসেবে এর ব্যবহার ছিল। আবার কোনো কোনো অসুখের দাওয়াই হিসেবেও সরিষা তেল ব্যবহৃত হত। এখনো মানুষের মাঝে এর ব্যবহার দেখা যায়।
মাঝে নানারকম রিফাইন্ড অয়েল এসে কিছুটা ভাটা পড়েছিল সরিষা তেলের ব্যবহারে। তবে এখন মানুষ আগের চেয়ে স্বাস্থ্য সচেতন হওয়ায় আবার ঝুঁকছে খাঁটি সরিষা তেলের দিকে।
মূল রান্নায় হয়তো কিছু বছর সরিষা তেলের ব্যবহার দেখা যায়নি তবে আচার, ভর্তা এসবের অনুষঙ্গ হিসেবে সরিষা তেলের তেমন বিকল্পও দেখা যায়নি কখনো।
সরিষা তেলে রয়েছে নানাবিধ উপকারিতা। রক্তের ব্যাড কোলেস্টেরল কমিয়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। সর্দিকাশি সারিয়ে তোলে। সরিষার তেল পরিপাক, রক্ত সংবহন ও রেচনতন্ত্রের শক্তিশালী উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। ভিটামিন 'ই' সমৃদ্ধ এই তেল বলি রেখা ও বয়সের ছাপ দূর করে, সূর্যের ক্ষতিকর অতি বেগুনি রশ্মির ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। সরিষা তেল চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে, প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায় চুলে ও এর গোড়ায়। কারো কারো ক্ষেত্রে মারাত্মক ঠোঁট ফাটা দেখা যায় বাজারে থাকা পেট্রোলিয়াম জেলি কাজ করে না, তারা সরিষা তেল ব্যবহার করতে পারেন।
আজকের মতো বলা শেষ সরিষা তেলের কথা। এবার আর কী করা, নাকে সরিষার তেল দিয়েই ঘুমাই।
ওহ, ভালো কথা! নাকে কিন্তু সত্যি তেল দিয়ে ঘুমাতো আগেকার মানুষ। এতে করে নাক বন্ধ হয়ে যেত না। শান্তিতে নিশ্বাস নিয়ে আরামে ঘুমিয়ে রাত পার করে ভোর করে ফেলত তারা। আর আজকাল তো অনেকেই বলছে নাকে তেল দিলে সর্দি-কাশি জনিত ভাইরাস থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।
সরিষা তেল থেকে এতসব উপকারিতা তখনই পাবেন যখন তেলটি খাঁটি হবে। মোটর দিয়ে ঘুরানো কিন্তু কাঠের ঘানিতে ভাঙানো সরোবরের শতভাগ খাঁটি সরিষা তেল খারদাল তো আছেই। সেটি অর্ডার করে আপনিও নাকে সরিষার তেল দিয়ে ঘুমাতে পারেন৷
#সরিষারতেল