Learned Law Center

Learned Law Center Learning the Law to serve the world. For any legal support -01615873260

জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫
13/11/2025

জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫

ফ্রিতে এনআইডি সংশোধনের সুযোগ! ভোটার তালিকা হালনাগাদ – ২০২৫ খ্রি.🗓️ সংশোধনের সময়সীমা:১০ আগস্ট ২০২৫ খ্রি. থেকে ২১ আগস্ট ২০...
04/08/2025

ফ্রিতে এনআইডি সংশোধনের সুযোগ!
ভোটার তালিকা হালনাগাদ – ২০২৫ খ্রি.

🗓️ সংশোধনের সময়সীমা:
১০ আগস্ট ২০২৫ খ্রি. থেকে ২১ আগস্ট ২০২৫ খ্রি. পর্যন্ত

👉 যারা ইতোমধ্যে নিবন্ধিত ভোটার, কিন্তু নাম, ঠিকানা, বয়স, ছবিসহ কোনো তথ্য ভুল রয়েছে, তারা এই সময়ের মধ্যে বিনামূল্যে সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন।

⚠️ সতর্কবার্তা:
এই সুযোগ হাতছাড়া করলে ভবিষ্যতে ভোটার তথ্য সংশোধনে নানা জটিলতার সম্মুখীন হতে হতে পারেন।

📋 ভোটার তালিকা প্রদর্শন:
১০ আগস্ট ২০২৫ খ্রি. তারিখে ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে—
📍 উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে
📍 ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে
📍 পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলরের অফিসে

📝 কীভাবে সংশোধন করবেন:

সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস থেকে ফরম-১৪ সংগ্রহ করে সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।

সংশোধনের পক্ষে যথাযথ প্রমাণপত্র সংযুক্ত করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে, ২৬ আগস্ট ২০২৫ খ্রি. তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অফিস প্রয়োজনীয় সংশোধন সম্পন্ন করবে।

📢 নিজের ও পরিবারের সবার তথ্য যাচাই করে সময়মতো সংশোধন করুন!

◆ ওয়ারিশ সম্পতি বা পৈত্রিক সম্পত্তি বা এজমালী সম্পত্তি ক্রয়ের আগে যে চারটি ডকুমেন্ট দেখে নিবেন? চারটি ডকুমেন্ট না থাকল...
07/07/2025

◆ ওয়ারিশ সম্পতি বা পৈত্রিক সম্পত্তি বা এজমালী সম্পত্তি ক্রয়ের আগে যে চারটি ডকুমেন্ট দেখে নিবেন? চারটি ডকুমেন্ট না থাকলে ক্রয়, বায়নাপত্র, বা লেনদেন করবেন না। সম্পত্তি ক্রয় একদিনের, আর ঝামেলা সারা জীবনের, তাই আগে থেকেই সতর্ক থাকুন ঝামেলা ছাড়াই ক্রয় করতে চেষ্টা করুন।

◆ ডকুমেন্ট চারটি হলো: ১. ওয়ারিশ সনদ পত্র। ২. পারিবারিক ভাগ বন্টন রেজিস্ট্রেশন দলিল। ৩. নামজারি খতিয়ান। ৪. হালনাগাদ খাজনা। তারপর অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাগজপত্র দেখতে হবে।

◆ যেমনঃ- বিক্রেতা যে সুত্রে মালিক হলো, তার পূর্বের মালিক কোন সুত্রে মালিক হলো, দলিল,খতিয়ান কপি, দাগ নং, ভোগ-দখল যাচাই বাছাই করে নিবেন। এই চারটি ডকুমেন্ট যার কাছে থাকবেনা বা পারিবারিক মৌখিক বন্টনের মাধ্যমে তার কাছে জমি দখল থাকলেও তার থেকে ক্রয় করবেন না।

◆অনেকেই আছেন, মৃত পিতা-মাতার সম্পত্তি অন্যান্য ভাই-বোনদের না জানিয়ে এবং ওয়ারিশদের সম্পত্তিও গোপনে বিক্রি করে দেয়। আবার অনেকেই যতটুকু পাবে তারচেয়ে ও বেশি বিক্রি করে দেয়। এছাড়াও অনেকেই ভালো পজিশনের জায়গা বিক্রি করে দেয়, অনেকেই আবার ওয়ারিশদের সম্পত্তি না জানিয়ে বিক্রি করে দেয়। মৌখিক বন্টনের মাধ্যমে অনেক জমি বিক্রি করে দেয়। মৌখিক ভাগ কোন দলিল নয়। মৌখিক বন্টনের কোন মূল্য নেই এবং এর কোন ভিত্তি নেই।

◆ এক লোক মৌখিক বন্টনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন একটা জমি ভোগ করে আসছে, হঠাৎ জমিটার মূল্য বেড়ে গেলে সবার চোখে পড়ে। এমন সময় তার অন্য ভাইরা এই জমির ভাগ দাবি করে।

◆ তাহারা যদি মৌখিক বন্টন না করে, পারিবারিক বন্টন রেজিস্ট্রেশন করতো তাহলে তার ভাইয়েরা ঐ জমি দাবি করতে পারতো না।

◆ ওয়ারিশ সনদ, বন্টন রেজিস্ট্রেশন দলিল যার আছে, তার সম্পত্তিতে কখনোই কোন ওয়ারিশগন ঝগড়া বিবাদ বা দাবি করতে পারবে না। ওয়ারিশ সনদ প্রমাণ করে প্রত্যেক ওয়ারিশ সম্পত্তির মালিক। বন্টন রেজিস্ট্রেশন দলিল দ্বারা প্রমাণ হয় প্রত্যেক ওয়ারিশগণের সম্মতিতে এই দলিল করা হয়েছে। তবে আবার দেখতে হবে ওয়ারিশ সনদ সঠিক কিনা, প্রত্যেক ওয়ারিশের নাম সঠিকভাবে উল্লেখ আছে কি না? সবার নাম ঠিকানা এবং স্বাক্ষর সঠিক ভাবে আছে কি না?

◆ অনেকেই বোনের অংশ না দিয়ে বিক্রি করে দেন, যিনি ক্রয় করেন সেই লোক বিপদে পড়েন। ভুল তথ‍্যে জমি কিনলে ওয়ারিশরা অভিযোগ, সালিশ, মামলা করলে আপনার জমি ছেড়ে দিতে বাধ্য হবেন।

আইনগত সহয়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ।
03/07/2025

আইনগত সহয়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ।

03/07/2025

প্রশ্ন হল,
যিনি নালিশ করবেন তিনি জেলখানায় আছেন। এদিকে চেক ডিজঅনার নালিশি মামলা করার নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম হয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে করনীয় কি?
উত্তর হল,
সে ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের জন্য পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি কাউকে দেয়া যেতে পারে। পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি নিযুক্ত করতে হবে এ কারণে যে ২০০ ধারায় জবানবন্দী দিতে হবে।
যেহেতু নালিশকারী জেলখানায় আছেন ২০০ ধারার জবানবন্দী দিতে পারবেন না তাই তাকে অবশ্যই মামলা পরিচালনার জন্য অন্য কাউকে অ্যাটর্নি নিযুক্ত করতে হবে। তিনি ২০০ ধারার জবানবন্দী দেবেন।
নালিশি দরখাস্ত নালিশকারী হিসেবে জেলখানায় যিনি আছেন তার নাম লিখবেন এবং তার পক্ষে অ্যাটর্নি মামলা দায়ের করবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর সামনে জবানবন্দী দিবেন।

দেওয়ানি কার্যবিধি'র সংশোধনীCode of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025
02/07/2025

দেওয়ানি কার্যবিধি'র সংশোধনী
Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025

02/07/2025

এখন থেকে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোতে সরাসরি বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে না।

১️⃣ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৫-তে উল্লিখিত বিষয়সমূহ
২️⃣ বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী বিরোধ
৩️⃣ সহকারী জজ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত সম্পত্তি বন্টন সংক্রান্ত বিরোধ
৪⃣ State Acquisition & Tenancy Act, 1950 এর ধারা ৯৬ অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের বিরোধ
৫⃣ Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ধারা ২৪ অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের বিরোধ
৬⃣ পিতামাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩ এর ধারা ৮ অনুযায়ী বিরোধ
৭⃣ Negotiable Instruments Act, 1881 এর ধারা ১৩৮ অনুযায়ী **পাঁচ লক্ষ টাকার নিচে চেক ডিজঅনার** মামলা
৮⃣ যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩ ও ৪ অনুযায়ী অভিযোগ
৯⃣ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১(গ) অনুযায়ী যৌতুকের জন্য নির্যাতনের অভিযোগ

এখন এসব বিষয়ে প্রথমে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে মধ্যস্থতার চেষ্টা করতে হবে। যদি মধ্যস্থতায় সমাধান না হয়, তখন মামলা দায়ের করা যাবে।
⚠️ মধ্যস্থতার সময়কাল তামাদি মেয়াদ (limitation period) থেকে বাদ যাবে।

বি:দ্র:- পরবর্তী গেজেট হওয়ার পর থেকে কার্যকর
©

22/06/2025

জমির মাপের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন এককঃ
১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট
১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার
জমি কেনার আগে আপনাকে যা যা জানতে হবে
বিভিন্ন পরিমানে জমির হিসাবঃ
১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ শতক = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতক ৪০.৪৬ বর্গমিটার
১ শতক = ১৯৪.৬০ বর্গহাত
১ শতক ১০০০ বর্গলিংক
১ কাঠা = ১.৭৫ শতক (৩৫ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৬৫ শতক (৩৩ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৫০ শতক (৩০ এর মাপে)
১ একর = ৬০.৬০ কাঠা
১ একর = ৩.০৩ বিঘা
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ একর = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৬ বর্গমিটার
১ একর = ১৯৪৬০ বর্গহাত
১ একর = ১০০০০০ বর্গলিংক।
উদাহরণঃ একটি জমির দৈর্ঘ্য উত্তর আইল ৫০ ফুট, দক্ষিণ আইল ৫৪ ফুট, প্রস্থ পশ্চিম আইল ৩০ ফুট, ভিতরে এক অংশে ৩৪ ফুট, এক অংশে ৩৮ ফুট এবং পূর্ব আইল ৪০ ফুট জমিটির পরিমাণ কত ?
জমিটির দৈর্ঘ্য ৫০+৫৪ = ১০৪ (দুই দিকের দৈর্ঘ্য যোগ করা হলে) তাই ২ দিয়ে ভাগ করলে দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় (১০৪ ভাগ ২) = ৫২ ফুট।
জমিটি প্রস্থে অসম হওয়ায় এর ২ দিকের বাউন্ডারীর প্রস্থ ছাড়াও ভিতরের দিকে অন্তত ২ টা প্রস্থ পরিমাপ এবং তা গড় করে মূল প্রস্থ বের করা যায় ৩০+৪০+৩৪+৩৮ = ১৪২ (ফুট) এর গড় (১২৪ ভাগ ৪) ৩৫.৫ ফুট।
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ = ৫২ x ৩৫.৫ = ১৮৪৬ বর্গফুট (জমিটির ক্ষেত্রফল)
সূত্র মতে ৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ১ শতাংশ।
অতএব উপরের জমিটির পরিমাণ (১৮৪৬ ভাগ ৪৩৫.৬০) = ৪.২৪ শতাংশ।

পরচা, দাখিলনামা, জমাবন্দি, দাখিলা, দাগ নাম্বার, ছুটদাগ কি?
ক্ষেত্রফল আকৃতির জমির মাপঃ
প্রথমেই সুত্রগুলো জেনে নেয়া যাক-
ক্ষেত্রফল = বাহু X বাহু
কর্ন = ১ বাহু X ১.৪১৪
পরীসিমা= ১ বাহু X ৪
এখন যদি প্রশ্ন হয় একটি বর্গক্ষের বাহুগুলির দৈর্ঘ্য ১২০ লিংক করে হলে উহার ক্ষেত্রফল এবং জমির পরিমাণ বের কর।
তাহলে আমরা জেনেছি যে, ক্ষেত্রফল= বাহু X বাহু = ১২০ X ১২০= ১৪৪০০ বর্গলিংক (যদি ক্ষেত্রফলের একেকটি বাহু ১২০ লিংক হয়)।
এখন আমরা আগেই জেনেছি যে, ১ শতাংশ = ১০০০ বর্গ লিংক তাহলে জমির পরিমান,
১০০০ বর্গ লিংক = ১ শতাংশ
১ বর্গ লিংক = ১০০০ ভাগের ১ ভাগ
১৪৪০০০ বর্গ লিংকে কত হবে?
সুতরাং ১৪৪০০০ বর্গ লিংকে ১০০০ দিয়ে ভাগ দিলে যা হবে তাই হচ্ছে তার ফল অর্থাৎ ১৪.৪০ শতাংশ হবে।

জমি মাপের সহজ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতিঃ
গ্যান্টার জরিপঃ
ইংরেজ বিজ্ঞানী গ্যান্টার জরিপ কাজে ব্যবহৃত চেইন আবিস্কার করেন। তাই তার নামানুসারে এ চেইনের নামকরন করা হয়েছে “গ্যান্টর্র্স চেইন”। এ চেইনের দের্ঘ্য ২২ গজ বা ৬৬ ফুট। এতে ১০০টি লিংক আছে। প্রতি লিংকের দৈর্ঘ্য ৭.৯২ ইঞ্চি এর দু মাথায় দুটো হাতল এবং দশম লিংক একটি করে “পেন্ডিল” বা পুলি আছে।
ইদানিং ফিতা/টেপ ব্যবহার করেও জমি পরিমাপ করা হয়। সার্ভেয়ার বা আমিন সব সময় পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হিসাব ও পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি নিজেই জমি পরিমাপ করতে পারবেন।
হিসাবটি হলোঃ
১০০০ বর্গ লিংক (৩১.৬২x৩১.৬২ লিংক) ১ শতাংশ।
১৯৪.৬ বর্গ হাত (১৩.৯৫x১৩.৯৫ হাত) = ১ শতাংশ।
১০.০০০ বর্গ লিংক (১x১ চেইন) = ১০ শতাংশ।
৩৩.৩ শতাংশ কার্যত ৩৩ শতাংশ = ১ বিঘা। (ষ্টান্ডার্ড বিঘা)
১০০ শতাংশ বা ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর।
৪৮৪০x৯ (৯ বর্গফুট = ১ বর্গ গজ বলে = ৪৩৫৬০ বর্গফুট।
৪৩৫৬০ ১০০ (১০০ শতাংশ ১ একর বলে)= ৪৩৫.৬ বর্গফুট।
অতএব ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট বা ৪০.৪৬ বর্গমিটার (প্রায়)।

আমাদের দেশে কোথাও ৩৫ শতাংশে ১ বিঘা, কোথাও ৩৩ শতাংশে ১ বিঘা আবার ইদানিং ৩০ শতাংশে ১ বিঘা বলা হচ্ছে।
যদিও সরকারি বিঘা ৩৩ শতাংশেই করা হয়। অপরদিকে কাঠার পরিমাণ শতাংশের পরিমাণে স্থান বিশেষ পার্থক্য হলেও ২০ কাঠায় ১ বিঘার হিসেবে সর্বত্র প্রচলিত ও স্বীকৃত আছে।

ডায়াগনাল স্কেলঃ
ডায়াগনাল স্কেল একটি চার কোনা বিশিষ্ট তামা ব্রোঞ্জের তৈরি স্কেল। ইহার চার পাশে ১০ টি ঘর বা কক্ষ থাকে প্রতিটি ঘরের মান ১০০ লিংক। ১৬”=১ মাইল স্কেলে ইহা তৈরি করা হয়। এবং গান্টার চেইনের সাথে মিল আছে বলে একে গান্টার স্কেলও বলা হয়।

আভার অফসেটঃ
এটি একটি প্লাষ্টিকের তৈরি স্কেল এই স্কেলের সাথে গান্টার স্কেলের মিল আছে। ইহার দৈর্ঘ্য ২ ” এবং প্রস্ত .৫” (ইঞ্চি) এই স্কেলের সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব সহজে মাপা যায়। এটা ছাড়া অফনেট নেয়ার ক্ষেত্রে ইহা বিশেষ সুবিধাজনক। গুনে গুনে সংখ্যা হিসাব করা যায় বলে একে গুনিয়া বলা হয়।

ডিভাইডার বা কাটা কম্পাসঃ
ইহা একটি জ্যামিতিক কম্পাস। ইহার সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব নিয়ে ডাইগোনাল স্কেলে মাপ নেয়া যায় এবং দুরত্ব গুনিয়া গুনিয়া সংখ্যা বুঝা যায়।

জোনাল জরিপঃ
ভূমি সংস্কার কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রিভিশনাল সেটেলমেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তে ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে স্থায়ী পদ্ধতির জোনাল সেটেলমেন্ট আরম্ভ হয়। ১০ টি বৃহত্তর জেলায় জরিপ কাজ হয় এবং এ জরিপে সৃষ্ট খতিয়ানকে বাংলাদেল সার্ভে বা বি. এস. খতিয়ান বলে। কেউ আবার একে আর. এস. খতিয়ান বলে।
দিয়ারা জরিপঃ দরিয়া শব্দ থেকে দিয়ারা শব্দের উদ্ভব। যে সকল এলাকায় নদী বা সাগরের কারনে জমির ভাঙ্গাগড়া বেশী হয় সে অঞ্চলে দিয়ারা জরিপ পরিচালিত হয়।
বিঘা থেকে কাঠা ও শতাংশ বের করার পদ্ধতি :
১ কাঠা = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট x৩৫ (৩৫ শতাংশে বিঘা হিসাবে) ২০ (২০ কাঠায় বিঘা বলে)। ১ কাঠা = ১৫২৪৬২০ = ৭৬২.৩ বর্গ ফুট, ১ কাঠা ৭৬২.৩ ৪৩৫.৬ = ১.৭৫ শতাংশ। অনুরুপভাবে ৩০ শতাংশে ১ বিঘা ধরলে ১ কাঠা সমান = ১.৫০ শতাংশ।

বাংলাদেশের আদালতসমূহের স্তর
22/06/2025

বাংলাদেশের আদালতসমূহের স্তর

21/06/2025

ডিএনএ পরীক্ষার গুরুত্ব:-

পিতৃত্ব কিংবা মাতৃত্ব অথবা ব্যক্তিপরিচয় নির্ধারণের
জন্য ডিএনএ পরীক্ষা আমাদের দেশে তুলনামূলক
নতুন প্রযুক্তি এবং সচরাচর ব্যবহার হয় না। কিন্তু
পিতৃত্ব-মাতৃত্ব নির্ধারণসহ নানাবিধ উদ্দেশ্যে বর্তমানে
পুরো বিশ্বে এটি একটি নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক
প্রক্রিয়া। [বিউটিফুল বিবি বনাম মোঃ সায়েদুর
রহমান, ৬৭ ডিএলআর (২০১৫) ১]

17/06/2025

মৃত ব্যক্তির আগে তার সন্তান মারা গেলে, মৃত সন্তানের ওয়ারিশগণ কি সম্পত্তি পাবে?

মুসলিম পারিবারিক আইন অর্ডিন্যান্স ১৯৬১ (১৫ জুলাই ১৯৬১) এর ৪ ধারা মতে যাহার সম্পত্তি বন্টিত হইবে, তাহার মৃত্যুর পূর্বে কোন কন্যা বা পুত্র মারা গেলে, তাহার সম্পত্তি বন্টনের সময় তাহার উক্ত (মৃত) পুত্র বা কন্যার কোন সন্তান সন্ততি জীবিত থাকিলে, তাহারা একত্রে সম্পত্তির সেই অংশ পাইবে, যাহা তাদের পিতা বা মাতা জীবিত থাকিলে পাইতো।

Address

Link Road, Cox's Bazar
Cox's Bazar

Telephone

+8801888030769

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Learned Law Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share