NS Fashion

NS Fashion We export our products in foreign country. We produce all types of gent's products. We always mainta

https://www.facebook.com/story.php?story_fbid=860015008819621&id=100044333894254&post_id=100044333894254_860015008819621...
09/09/2023

https://www.facebook.com/story.php?story_fbid=860015008819621&id=100044333894254&post_id=100044333894254_860015008819621&mibextid=Nif5oz

১৪৩টি বিজনেস আইডিয়া, বেছে নিন আপনার স্বপ্নের উদ্যোগ

1. প্যাকেটজাত পণ্য
2. মোবাইল এন্ড কম্পিউটার পার্স
3. অর্গানিক খাদ্য সরবরাহ। মাছ মাংস থেকে শুরু করে শাক সবজি ফলমূল, স্থানীয় উৎপাদিত পন্য শহুরে সরবারহ করা যেতে পারে ।
4. অনলাইনে বই বিক্রি
5. একটার সাথে আর একটার সেইন কানেকশান
6. বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও রিফাইন করে সেল
7. বোতল রিসাইকেলিং
8. ফরমালিন মুক্ত খাবার উৎপাদন থেকে শুরু করে পৌঁছে দেয়া
9. আবর্জনা দিয়ে বিদ্যুৎ, গ্যাস তৈরী করা
10. Cosmetics
11. Handcraft
12. বিভিন্ন জেলার বিখ্যাত খাবার
13. চা বাগানে কি কি বিজনেস সার্ভিস দেয়া যায়...
14. Export and Import
15. ঘি
16. মসলা জাতীয় গাছের চাষ
17. চকবাজার থেকে প্রডাক্টস কিনে
18. মাছ একোরিয়ামে
19. ইট
20. তাঁতের পোশাক শিল্প
21. ফুল
22. হোম মেড বিভিন্ন খাবারের আইটেম
23. অনলাইন ট্রেনিং সেন্টার: আইটি
24. চট্টগ্রাম পাহারী অন্চল থেকে হলুদ, মরিচ, পেয়াজ নিয়ে এসে ঢাকাতে বিক্রি করা,
25. ফ্রেস জুস
26. গিফট আইটেম
27. বিনোদন পার্ক
28. বাচ্চাদের যত আইটেম
29. অটো কার ওয়াশ
30. ইন্টরিয়র ডিজাইন
31. গ্যারেজ
32. কাগজের বাক্স, শপিং ব্যাগ ডিজাইন ও তৈরি
33. পার্লার
34. কুরিয়ার বিজনেস
35. গহনা
36. সিরামিক টাইলস
37. ফার্নিচার
38. দেশি মুরগীর খামার
39. প্লাস্টিক থেকে সুতা
40. ওয়ান টাইম প্লেট ও গ্লাস তৈরি
41. ট্রাভেল এবং ট্যুরিজম ব্যবসা
42. ডিটারজেন্ট
43. এলোব্যারা ও মাশরুম চাষ
44. ফুড কার্ট
45. এগ্রো ফার্ম
46. মসল্লার চাষ
47. সবজি রপ্তানি
48. ফল রপ্তানি
49. মাছ রপ্তানি
50. লাইভ ফিস
51. নিজ জেলায় ডাক্তার এপায়ন্টমেন্ট এপস
52. নিজ জেলায় অনলাইনে পণ্য বিক্রি
53. ককংক্রিটের ব্যবসা
54. ফুলের চাষ
55. তাত নিয়ে কাজ
56. হোম মেড খাবার নিয়ে কাজ
57. আইস্ক্রিম তৈরি
58. হাসের খামার
59. মুরগীর খামার
60. কবুতরের খামার
61. বায়োগ্যাস
62. কয়েলের ব্যবসা
63. মোমবাতি তৈরি
64. গিফট আইটেম সেল
65. বেবী খেলনা ইম্পোর্ট করা
66. নিজ জেলায় ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট
67. স্যানেটারি ন্যাপকিন
68. কসমেটিক্স ইম্পোর্ট
69. নিজ থানায় বাচ্চাদের আইটেম নিয়ে দোকান
70. ডেইরি ফার্ম
71. জুয়েলারি ব্যবসা
72. কার ওয়াশ
73. লন্ড্রি অনলাইন সার্ভিস
74. ইন্টরিয়ার ডিজাইন
75. ইলিশ মাছের বিভিন্ন আইটেম নিয়ে খাবারের দোকান
76. নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরি
77. কাগজের ব্যাগ তৈরি
78. কাগজের প্যাকেট তৈরি
79. প্রিন্টিং ব্যবসা
80. স্টক লটের ব্যবসা
81. আধুনিক ফার্মেসী
82. গুড়া মসল্লার ব্যবসা
83. ফার্নিচার তৈরি
84. ফার্নিচার হোলসেল
85. চিড়ার ফ্যাক্টরি
86. মুড়ির ফ্যাক্টরি
87. সিরামিক টাইলস এর দোকান
88. সিরামিক সামগ্রী
89. বিশুদ্ধ পানি সাপ্লাই ব্যবসা
90. ঠিকাদারি ব্যবসা
91. ম্যান পাওয়ার সাপ্লাই
92. বিভিন্ন ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং
93. চা পাতার ব্যবসা
94. ঘরে তৈরি খাবারের ব্যবসা
95. কফি শপ
96. ফাস্ট ফুড
97. লেদার নিয়ে কাজ করা
98. নিজ জেলায় বিভিন্ন পণ্য হোলসেল দেওয়া
99. ড্রাগন চাষ
100. খেজুর চাষ
101. নারিকেল চাষ
102. কাকড়া চাষ ও রপ্তানি করা
103. ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি
104. ভ্রাম্যমাণ রেস্টুরেন্ট
105. চকলেটের দোকান
106. চকলেট ইম্পোর্ট করা
107. বেকারি ব্যবসা
108. পুরাতন ঐতিহ্যবাহী খাবারের ব্যবসা
109. বিল্ডিং তৈরির বিভিন্ন সরজামাদি সাপ্লাই দেওয়া
110. শোপিস তৈরির ব্যবসা
111. নিজ এলাকায় আইটি ফার্ম
112. অনলাইনে রেল, এয়ার ও বাসের টিকেট ব্যবসা
113. স্পোর্টস আইটেমের দোকান
114. স্কুল ব্যাগের ব্যবসা
115. আধা রসুনের পেষ্ট তৈরি
116. পটেটো চিপস তৈরি
117. ডেলিভারি ম্যান বা সিকিউরিটি বয় সার্ভিস
118. এপসের মাধ্যমে ক্লিনার ও কাজের বুয়া সার্ভিস
119. ডিম উৎপাদনে মুরগির খামার
120. চেইন শপের ব্যবসা
121. মৌমাছি পালন
122. সেলুন ব্যবসা
123. একুরিয়াম শপ
124. খাতা বানানোর কারাখানা
125. মানি ব্যাগ তৈরি
126. ডে-কেয়ার সার্ভিস
127. বাঁশ ও বেতের তৈরি সামগ্রী
128. ঝিনুক থেকে চুন
129. বিভিন্ন ফলের বীজ সংগ্রহ ও বিক্রি
130. সবজির বীজ সংগ্রহ ও বিক্রি
131. জিম আইটেম সেল
132. জিমনিসিয়াম দেওয়া নিজ এলাকায়
133. পার্লার ব্যবসা
134. জি আই পাইপ তৈরি
135. মিনি সুগার মিল
136. আটা, ময়দা ও সুজির মিল
137. সয়াবিন রিফাইন
138. শতরঞ্জি, শাল, ব্যাগ, ফ্লোরম্যাটসহ বিভিন্ন পাটজাত পণ্য
139. শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবি, স্যুটের কাপড়
140. শর্ষের তেল,
141. পেপার মিল,
142. ইটভাটা
143. ঠিকাদারি ব্যবসা

আপনার কোনটা?

ও ১৪টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া:
ব্যবসা? পুঁজি লাগবে না? না, এই অনলাইনের যুগে একটি কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশন থাকেন পুঁজি ছাড়াই আজ থেকেই আপনি ব্যবসায় নামতে পারেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক এমন ১৪টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া।

০১. এসইও কনসালটেন্ট : আপনি কি সার্চ ইঞ্জিনের বিষয়ে অভিজ্ঞ? মানে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে জানেন; কিন্তু কোথাও কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন না। প্রতিষ্ঠানের আশায় বসে না থেকে অনলাইনেই শুরু করুন এসইও সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া। অনেক প্রতিষ্ঠান পাবেন যারা আপনার পরামর্শ নেওয়ার জন্য বসে আছে। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স সাইটে এমন কাজ পাবেন। না হলে সোজা গুগল সার্চ দিন।

০২. বিজনেস প্রশিক্ষণ : আপনার ব্যবসা সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকতেই পারে। কিন্তু পয়সার অভাবে নিজের স্বপ্ন অনুযায়ী একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে পারছেন না। আপনার এই অভিজ্ঞতা বসে বসে নষ্ট করার কোন মানে নেই।
অনলাইনে এমন অনেককে পাবেন যারা নতুন ব্যবসা শুরু করতে চাইছে। লিংকডইনে যান, সেখানে আপনি ব্যবসা সংক্রান্ত আর্টক্যাল লিখতে পারবেন। এর দ্বারা সেখানে আপনি অনেক ক্লায়েন্ট পাবেন। তাদের সদুপদেশ দিয়ে নিজের মেধা এবং অভিজ্ঞতা ঝালিয়ে নিতে পারবেন। সেই সঙ্গে টু-পাইস ইনকাম তো আছেই।

০৩. স্পেশালাইজড রিটেইলার : বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও অনলাইনে পণ্য কেনাবেচা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখন দেশের সব বড় শহরগুলোতেই স্পেশালাইজড শপ বা সুপারশপ আছে। এদের মধ্যে অনেক ছোট বড় প্রতিষ্ঠান আছে যারা অনলাইনে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের প্রচার এবং বিজনেস শুরু করতে ইচ্ছুক। সেই সব প্রতিষ্ঠানের কোন একটির সঙ্গে চুক্তি করে আপনি তাদের পণ্যসম্ভার দিয়ে একটি অনলাইন শপ চালু করে ফেলতে পারেন। ঘরে বসে হয়ে যান রিটেইলার শপার।

০৪. সোশ্যাল মিডিয়া পরামর্শক : তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সোশ্যাল সাইটগুলো চরম উত্কর্ষ অর্জন করেছে। জীবনের সব সমস্যার সমাধান যেন হয়ে উঠছে ফেসবুকের মত মাধ্যমগুলো। নিত্য নতুন ফিচারের পাশাপাশি বাড়ছে সোশ্যাল সাইট হ্যাক করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করার মত ঘটনা। আপনার যদি সোশ্যাল সাইটগুলোর ব্যবহারবিধি, নিরাপত্তাসহ ফ্রেন্ড-ফলোয়ার বৃদ্ধির বিভিন্ন ট্রিকস জানা থাকে হবে আপনি হয়ে যেতে পারেন সোশ্যাল মিডিয়া কনসাল্টেন্ট। এমনটা করলে অনেক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাজ পেতে পারেন।

০৫. ওয়েব ডিজাইন : বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত বিজনেস এটা। এখন একটি ছোটখাট প্রতিষ্ঠানও চিন্তা করে তাদের একটা ওয়েবসাইট থাকা দরকার। আপনার যদি ওয়েব ডিজাইন জানা থাকে তবে বসে থাকার কোন মানে নেই। ফ্রিল্যান্স সাইটগুলোতে নিজের পোর্টফোলিও পোস্ট করুন। একটি নমুনা ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে রাখুন। বাজারদর বিবেচনা করে সাশ্রয়ী পারিশ্রমিক ঘোষণা করুন। আপনাকে আর ঠেকায় কে?

০৬. আবেদনপত্র/কভার লেটার লেখা : আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে অনেক শিক্ষিত মানুষ সুন্দর করে একটি চাকরির আবেদনপত্র লিখতে জানে না। কিন্তু চাকরিক্ষেত্রে একটি সুন্দর গ্রহণযোগ্য আবেদনপত্র কিংবা কভার লেটার অন্যদের সঙ্গে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আপনার এই বিষয়ে অভিজ্ঞতা থাকলে লিংকডইন কিংবা সোশ্যাল সাইটগুলোয় এই বিষয়ে ক্লায়েন্ট খুঁজতে পারেন। ক্লায়েন্ট যে পাবেন এতে কোন সন্দেহ নেই।

০৭. টাস্ক ম্যানেজার/সহকারী : আপনার যদি ভাল অর্গানাইজিং দক্ষতা থাকে তবে আপনি এই ব্যবসার উপযুক্ত। আপনি কি অনলাইনের বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধান দিতে পারেন? তবে আপনার এই দক্ষতা একজন ব্যাক্তিগত সহকারী কিংবা অনলাইন টাস্ক ম্যানেজার হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন। TaskRabbit কিংবা Zirtual এর মত কোম্পানীগুলো টাকার বিনিময়ে আপনার মত মানুষকেই খুঁজে থাকে। এসব সাইটে আপনি ডাটা রিসার্চ, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট সহ বিভিন্ন কাজে সহকারীর দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

০৮. প্রফেশনাল ফ্রিল্যন্সার : ফ্রিল্যান্সিং বলতে সাধারণত অবসর সময়ের কাজকেই আমরা বুঝে থাকি। কিন্তু সময়ের পাশাপাশি ধারণাও পাল্টে গেছে। এখন প্রচুর বেকার তরুণ-তরুণী ফ্রিল্যান্সিংকে মূল পেশা হিসেবে গ্রহণ করছেন। আপনি চাইলে পার্টটাইম কাজও করতে পারেন। বেকার বসে না থেকে আজই যুক্ত হোন ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে।

০৯. অনলাইন মার্কেটিং : আপনি যদি আমাজানের মত সাইটগুলোতে পণ্যের রিভিউ লেখায় অভ্যস্ত থাকেন তবে এখনই তা বন্ধ করুন। কারণ বিনামূল্যে কেন আপনি কোন পণ্যের মার্কেটিং করবেন? ওয়ার্ড অব মাউথ-এর মত অনেক কোম্পানী আছে যারা নিজেদের প্রোডাক্ট অনলাইনে প্রমোট করার জন্য আপনাকে পয়সা দেবে। আপনার যদি প্রচুর ফলোয়ার সমৃদ্ধ সাইট কিংবা সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট থাকে তবে তো সোনায় সোহাগা। আজই লেগে যান কাজে।

১০. ই-বুক লেখক : আপনার লেখালেখির হাত, ভাষার দক্ষতা এবং টাইপিং স্পীড যদি ভাল থাকে তবে আপনি অনায়াসে একজন ই-বুক রাইটার হতে পারেন। এটি অনেক সহজ একটা কাজ। ই-বুকের চাহিদা এত পরিমাণে বাড়ছে যে ই-বুক রাইটার খুঁজতে পাবলিকেশন্সগুলো হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। অনলাইনে এমন গ্রাহক খুঁজে নিতে পারেন সহজেই।

১১. প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান : অনেক ছোটখাট কোম্পানী আছে যাদের কোন আইটি স্পেশালিস্ট নেই। তাদের প্রযুক্তিগত কোন সমস্যা হলে বাইরের লোক ডাকতে হয়। আপনি এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে বসেই শুরু করতে পারেন প্রযুক্তগত পরামর্শ প্রদান। সমস্যা হলে তারা আপনাকে জানাবে এবং আপনি ঘরে বসেই সমাধান দিয়ে দেবেন। আর কী চাই?

১২. ভার্চুয়াল চালান : শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এই কাজটি আপনি নিজেই অহরহ করে থাকেন ব্যাংক কিংবা কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে। আপনার একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে সেখানে গুগল চেকআউটের মত ট্রানজেকশন হ্যান্ডল করতে পারেন। বিভিন্ন ব্র্যান্ড তাদের অনলাইন চালানসমূহ অর্গানাইজ করার জন্য আপনাকে খুঁজে নেবে। আপনি তাদের সাইট থেকে পণ্যের ছবি বিবরণ কপি করে নিজের ওয়েবসাইটে আনুন। তারপর নির্দিষ্ট আর্থিক চুক্তির বিনিময়ে নেমে পড়ুন পণ্য বিক্রয়ে।

১৩. হস্তশিল্প বিক্রেতা : অটোমেটিক মেশিনের যুগে হস্তশিল্পের কদর মোটেই কমেনি। বরং প্রচারের অভাবে এই প্রাচীণ শিল্প মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে না। আপনি এমন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে পারেন। তাদের পণ্য আপনি অনলাইনে বিক্রি করবেন। গ্রাহকের কাছ থেকে নির্দিষ্ট সার্ভিস চার্জ নিয়ে আপনি কুরিয়ারের মাধ্যমে পণ্য পৌঁছে দিতে পারেন তাদের কাছে।

১৪. অ্যাপ ডেভলপার : স্মার্টফোনের যুগে অ্যাপের ছড়াছড়ি। মানুষ এখন কম্পিউটারে বসে সাইট ব্রাউজ করার চাইতে স্মার্টফোন অ্যাপেই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এখন অ্যাপ ডেভলপিংয়ে আগ্রহী। আপনি যদি কোডিং সম্পর্কে ভাল জেনে থাকেন তবে লেগে পড়ুন অ্যাপ ডেভলপিংয়ে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন সফওয়্যার ডেভলপার কোম্পানীও অনলাইনে ডেভলপার চায়। প্রথমে নিজে একটি আকর্ষণীয় অ্যাপ তৈরি করে নমুনা হিসেবে দেখান এবং যৌক্তিক পারিশ্রমিক দাবি করুন। আপনার কাজ পাওয়া নিশ্চিত।

#উদ্যোক্তা

#নিজের_বলার_মতো_একটা_গল্প_ফাউন্ডেশন

http://www.onnoekdiganta.com/article/detail/7969
06/05/2020

http://www.onnoekdiganta.com/article/detail/7969

জীবনে মাত্র আঠারো মাসের বেশি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ পাননি। কোনো কলেজ…

30/03/2020

3-layer of mask is now available.

Special Criteria : Surgical, waterproof & Non-Woven.
Retail & Wholesale, We provide home delivery as well to each & every place of Dhaka.

N.B: Minimum order quantity should be 4 Box(200 Pcs)

Medical infared tharmal পৌছেছে। যাদের প্রয়োজন কন্টাক্ট করতে পারেন।
30/03/2020

Medical infared tharmal পৌছেছে।
যাদের প্রয়োজন কন্টাক্ট করতে পারেন।

30/03/2020
Whole sale.. with home delivery.PPE...imported from china...reusable.. Authentic quality.. Only gown with huddie.. WHO c...
28/03/2020

Whole sale.. with home delivery.

PPE...imported from china...reusable.. Authentic quality.. Only gown with huddie.. WHO certified..
Price 3500 Tk

GOGGLE... imported from China..virus protetive....
Price 2000 Tk

Dhaka theke collect korte parben...
Call 01915130998

19/12/2019

গামেন্টস ব্যবসাঃ আজকের লেখাটি গার্মেন্টস স্টকলট ব্যবসা সম্পর্কিত।

গার্মেন্টস শিল্পে বেশ কয়েকটি কারনেই পোষাক স্টক হয়ে যায়। তন্মধ্যে শিপমেন্ট ক্যান্সেল, শিপমেন্ট ডিলে, কন্টিনিউয়াস রি-চেক, এলসি প্রব্লেম অন্যতম। কিছু কিছু বায়ার বিভিন্ন অযুহাতে শিপমেন্ট ক্যান্সেল করে, যাতে সে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কমমূল্যে পন্যগুলো ক্রয় করতে পারে। মূলত কোন পন্য স্টক হয়ে গেলে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে দাম কমে যায়। এর এ সুবিধাটা বিভিন্ন মহল ভোগ করে। বর্তমানে বিদেশী বায়াররা স্টকলটের প্রতি খুব বেশি ঝুঁকে পরেছে।

স্টকলট বিভিন্ন সংখ্যার হতে পারে। একে আমরা দুভাগে ভাগ করতে পারি। শর্ট কোয়ান্টিটি স্টকলট এবং লং কোয়ান্টিটি স্টকলট। শর্ট আর লং এর মাঝে পার্থক্য নিশ্চয়ই আর ব্যাখ্যা করতে হবে না। যাই হোক, এই খাতে বিনিয়োগ খুব লাভজনক। প্রথমত এই পন্য পঁচে না, যত্ন নিলে নষ্ট হয় না। উপরন্তু এর চাহিদা অত্যাধিক। স্টকগুলোকে আমরা আরো দুটি ভাগে ভাগ করতে পারি। ব্র্যান্ডেড ও নন-ব্র্যান্ডেড। সমগ্র বিশ্বে যে ব্র্যান্ডগুলো সু-পরিচিত সেগুলোকে বলা হয় ব্র্যান্ডেড আর যেগুলো তেমন একটা পরিচিত নয় সেগুলো নন-ব্র্যান্ডেড। ব্র্যান্ডেড স্টকলট ক্রয় করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ আর এতে লাভও বেশি হয়।

আপনি নতুন হয়ে থাকলে প্রথমে ক্ষুদ্র বিনিয়োগ দিয়ে আরম্ভ করতে পারেন। এই যেমন: এক লক্ষ টাকা থেকে পাঁচ লক্ষ টাকার মধ্যে। আপনি শর্ট কোয়ান্টিটির স্টক ক্রয় করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে লং কোয়ান্টিটির পন্যেরও কিছু অংশ ক্রয় করতে পারেন, যদি সেই লট পার্শাল কোয়ান্টিটি সেল সাপোর্ট করে।

ধাপ : ১

স্টকলট কি তা নিশ্চয়ই আপনারা বুঝে গেছেন। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার হচ্ছে বায়ারের অর্ডারকৃত পণ্য কোন কারনে বায়ার না নিলে তখনই সেটা স্টকে পরিনত হয়। ভালো বায়াররা সাধারনত পণ্য স্টক হতে দেয় না। ডিসকাউন্ট দিয়ে হলেও পণ্য তারা ইমপোর্ট করে নিয়ে যায়। তাহলে বোঝা যাচ্ছে সব সময়ই যে স্টক পাওয়া যাবে, এটা আশা করা যায় না। আর স্টক হলেই যে সেটা আপনি পাবেন, সেটা ভাবারও কোন কারন নেই। প্রচুর লোক বর্তমানে স্টকলট ব্যবসার সাথে জড়িত। তাদের অনেকেরই নিজস্ব বায়ার রয়েছে। তারা স্টক কিনেই এক্সপোর্ট করে দেয়। তাহলে এখন উপায়? আপনারা নিশ্চয়ই প্রশ্ন করবেন, “আরে ভাই, ব্যবসার আশা জাগিয়ে এখন এগুলো কি বলছেন?” আসলে কোন ব্যবসা আরম্ভ করার আগে সেটার প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে জেনে নিতে হয়। আপনারা জানলেন স্টক সবসময় পাওয়া যায় না, তারমানে “বারো মাসি” ব্যবসা নয়। কিন্তু আমরা চাচ্ছি বারো মাস ব্যবসা করতে, সেটা কিভাবে সম্ভব বা আদৌ সম্ভব কিনা?

আমার কথা, হ্যা সম্ভব।
কিন্তু কিভাবে?

বলছি। মন দিয়ে শুনুন। সবচেয়ে ভালো হয় মনে গেঁথে নিন।

ধাপ – ২

যতই প্রতিবন্ধকতা থাকুক আমি ধরে নিচ্ছি আপনি ব্যবসা করতে চাচ্ছেন। কোন ব্যবসা শুরু করার পূর্বে সঠিক পরিকল্পনা করলে সেই ব্যবসার প্রায় ৮০% কাজ সম্পন্ন হয়ে যায়। কয়েকজন মিলে ব্যবসা আরম্ভ করুন। কয়েকজন কেন বলছি? নতুনরা এতে উপকৃত হবেন বেশি। একেক জনের মাথায় একেক রকম বুদ্ধি। আপনি একা হলে একই সময় বিভিন্ন জায়গায় যেতে পারবেন না। তাছাড়া প্রাথমিক বিনিয়োগের একটি ব্যাপার রয়েছে। কয়েকজন বলতে বন্ধু-বান্ধব হতে পারে আবার আত্মীয়-স্বজনও হতে পারে। সম্পূর্ণ ব্যাপারটি নিয়ে নিজেরা আলোচনা করুন। আপনাদের নিজ নিজ অঞ্চলের (থানা, জেলা) চাহিদা বুঝুন। হ্যা, ঠিকই ধরেছেন, আমি প্রথমে লোকাল ব্যবসার কথাই বলছি যেহেতু আমরা বারো মাস ব্যবসা করতে চাচ্ছি। লোকালের পরই আন্তর্জাতিক পেয়ে যাবেন।

ধাপ- ৩

নিজেরা বা অন্যকে দিয়ে কিছু কাপড়ের (টি-শার্ট, পোলো শার্ট, বেসিক শার্ট, পাইলট শার্ট ইত্যাদি) ডিজাইন করান। ইন্টারনেট সার্চ করে লেটেস্ট কিছু ডিজাইন বের করুন, হতে পারে কোন বিখ্যাত ব্যক্তির উক্তি, ছবি, দৃশ্য, বিশেষ দিবসের কোন ছবি বা বার্তা ইত্যাদি। এবার ছবিগুলো টি-শার্টের মধ্যে বসিয়ে পাঠিয়ে দিন এমন কারো কাছে যারা পোষাক তৈরী করে। তারা আপনাকে এর খরচ জানাবে। এখন আপনি বেশ কয়েকটি কালার ও স্টাইলের স্যাম্পল বানিয়ে নিন।

ধাপ - ৪

তো আমাদের হাতে স্যাম্পল আছে। এখন বায়ার পাব কোথায়? ভালো প্রশ্ন। বায়ারকে আপনি দুইটি শ্রেনীতে ভাগ করতে পারেন।

১. স্থানীয় বায়ার ও

২. বিদেশী বায়ার।

স্থানীয় বায়ার আবার দুই প্রকার।

১. আপনি শো-রুম দিয়ে কাপড় বিক্রি করলে ও

২. আশপাশের কাপড়ের দোকান, শো-রুম ও অন্যান্য দোকানে কাপড় বিক্রি করলে।

আপনি আপনার স্যাম্পলগুলো নিয়ে নিজ এলাকা, থানা, জেলার বড় বড় মার্কেটগুলোতে ঘুরে আসুন। আনুমানিক লিস্ট করুন কোন দোকানদার কত পিস পোষাক প্রতি মাসে আপনার কাছ থেকে নিতে পারবে। সে অনুযায়ী আপনি অর্ডার দিন।

বিদেশী বায়ারকে দুই ভাগে ভাগ করতে পারি।

১। বিদেশে থাকা আপনার আত্মীয়-স্বজন ও

২। প্রকৃত বিদেশী বায়ার।

এবার আপনি আপনার কাছে থাকা স্যাম্পলগুলোর ছবি বা স্যাম্পলগুলোই (১ পিস করে) কুরিয়ার সার্ভিসে পাঠিয়ে দিন আপনার বিদেশে থাকা আত্মীয়ের কাছে। এর পূর্বে ওনার সাথে সামগ্রিক ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা সেরে নিতে পারেন। এসব ক্ষেত্রে সাধারনত শর্ট কোয়ান্টিটির পোষাক রপ্তানী করা লাগে। সেক্ষেত্রে তাদের চাহিদা অনুযায়ী আপনি ১০০০-৫০০০ পিস অর্ডার দিতে পারেন।

এবার হচ্ছে প্রকৃত বিদেশী বায়ার খোঁজার কাজ। এই কাজটি খুব একটা কঠিন নয়।

প্রথমেই রেজিষ্ট্রেশন করুন

http://www.alibaba.com

http://www.linkedin.com

এই দুটি সাইটে। সাইট দুটি বায়ার ও সেলারদের স্বর্গক্ষেত্র বলা যেতে পারে। আপনি alibaba-র Buying Leads সেকশনে অসংখ্য স্টক বায়ার খুঁজে পাবেন। আর linkedin এর বিভিন্ন গ্রুপে যোগ দিন। নিজেই দেখবেন বায়াররা এসব গ্রুপে নিজেদের চাহিদার কথা আলোচনা করছে। আপনি এভাবে বায়ার খুঁজে নিয়ে তাদেরকে আপনার স্যাম্পলগুলোর ছবি, মেজারমেন্টসহ যাবতীয় বিস্তারিত তথ্য মূল্যসহ (অবশ্যই ডলারে) মেইল করুন। এভাবে আপনি হয়ত খুব ভালো ভালো নিয়মিত বায়ারও পেয়ে যেতে পারেন।

ধাপ - ৫

আপনার স্যাম্পলগুলোর মেজারমেন্ট বা মাপ কি হবে? আপনি যদি দেশের মার্কেট বা এশিয়ার কোন দেশে পোষাক পাঠাতে চান সেক্ষেত্রে সেগুলোর মাপ হবে ‘এশিয়ান’। আমেরিকার গুলো হবে ‘ইউএসএ মেজারমেন্টে’। বাদবাকীগুলো হবে ‘ইউরোপ মেজারমেন্টে’। আপনি চাহিদা অনুযায়ী সবসময় স্যাম্পল তৈরী রাখুন। মনে রাখবেন স্যাম্পল তৈরী কোন খরচের মধ্যে পরে না বরং এটা ইনভেস্ট বা বিনিয়োগ।

এভাবে আপনি বেশ কয়েকধাপে ব্যবসা করতে পারেন। দেশের মার্কেটে এবং বিদেশে। আপনারা ৫ জন বন্ধু মিলে ব্যবসা শুরু করলে দেখা যাবে ১০ জন বা ততোধিক আত্মীয় বা পরিচিত পেয়ে যাবেন যারা বিদেশে থাকে। এদের মধ্যে অন্তত চারজন হলেও আগ্রহ দেখাবে। তন্মধ্যে দুইজনও যদি আপনাদের কাছ থেকে পোষাক নেয় তাহলেই হবে। দেশীয় মার্কেট আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে এবং বিদেশী বায়ারদেরকে শর্ট কোয়ান্টিটির পণ্য দিতে দিতে দেখবেন যে ১২ মাসই আপনি ব্যবসা করছেন। আজ এ পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকবেন।

(সংগ্রহকৃত পোস্ট)

Find quality Manufacturers, Suppliers, Exporters, Importers, Buyers, Wholesalers, Products and Trade Leads from our award-winning International Trade Site. Import & Export on alibaba.com

08/12/2019

চট্টগ্রাম থেকে কখনও রাজধানী শহর ঢাকা আবার কখনও বা উত্তর বঙ্গের জনপদে। দিনের পর দিন ঘুরে বেড়িয়েছেন ব্যবসার খোঁজে। কি করবেন কি করবেন। কোথা থেকে শুরু করবেন কিভাবে শুরু করবেন ভাবতে ভাবতে এক সময় রাজশাহীতে ছোট্ট একটি সাহসী উদ্যোগ নিয়ে এক একরের একটি আম বাগান তিন বছরের জন্য লীজ নিয়ে ফেললেন মাত্র ৫৭,০০০ হাজার টাকায়। কিন্তু যার চোখে বড় হওয়ার স্বপ্ন সে কিভাবে থেমে থাকবেন মাত্র একটি সিজনের ক্ষুদ্র ব্যবসা নিয়ে।

আবার ঢাকার পথে, নারায়নগঞ্জের পথে প্রান্তরে, অলিতে গলিতে একটি ব্যবসার খোঁজে যেখান থেকে বড় হওয়ার স্বপ্নটাকে বাস্তবে রুপ দিতে পারবেন। মাদ্রাসায় পড়াশুনা করলেও বর্তমানে ঢাকা কলেজে অনার্স করছেন এ উদ্যোক্তা। আর এগিয়ে চলেছেন স্বপ্ন বাস্তবে রুপ দেওয়ার সাহসী পথে। শুরুটা খুব বেশী ভাল ছিল তা নয়। গার্মেন্টস ব্যবসার কোন রকম পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও আরও দুই জনকে সাথে নিয়ে নেমে পড়েন কাজে।

শুরুটা ছিল মাত্র তিনটি মেশিন দিয়ে। না ছিল কাপড় সম্পর্কে আইডিয়া না জানা ছিল কাপড় তৈরীর পুরো প্রক্রিয়া। কোথা থেকে প্রয়োজনীয় সুতা বোতাম কিনতে হয়, কিভাবে কোথা থেকে কাজ পাবে সে সম্পর্কেও ভাল ধারনা ছিল না। সহযোগী দুই জন আর এই ব্যবসায় জড়িতদের কাছ থেকে এক এক করে শিখেছেন সবই। সবকিছু গুছিয়ে যখন শুধুই এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশ্যায় পা বাড়িয়েছেন ঠিক তখনই এক ধাক্কা।

মাঝপথে সহযোগীদের অসহযোগীতা শুরু। এক পর্যায়ে সহযোগী দুই জন ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার তাগিদ দিতে থাকে। কিন্তুু সেই দুঃসময়েও হাল ছাড়েননি তরুন উদ্যোক্তা বেলাল হোসেন। সমস্ত বাধা মোকাবেলা করে আরও নতুন উদ্যোমে শুরু করেন এগিয়ে চলা। তার সাহসী উদ্যোগের সহযাত্রী হয়ে হাতে হাত রেখে নতুন করে এগিয়ে আসে আরও দুজন স্বপ্নোজ্বল তরুন সাখাওয়াৎ হোসেন ও মীর মোবাশশীর।

এগিয়ে চলার এ সময়ে যুক্ত হতে থাকে নতুন নতুন মেশিন। বাড়তে থাকে কর্মযজ্ঞ। নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে এগোতে থাকেন সামনের দিকে। কিন্তু বড় অর্ডার না পাওয়ায় বেশ বেগ পোহাতে হয় ফ্লোর চালাতে। শ্রমিকদের পর্যাপ্ত কাজ দিতে না পারায় ক্ষতির সম্মূখীন হতে হয়। তার পরও থেমে থাকেননি। মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালাতে থাকেন কিভাবে বড় অর্ডার পাবেন। বড় বড় গার্মেন্টস ও বায়িং হাউজ গুলোর সাথে যোগাযোগ বাড়াতে থাকেন প্রতিনিয়ত।

তারই ফসল হিসেবে তাদের আগ্রহ দেখে সাহস করে প্রথম বড় অর্ডারটি এনে দেন রাশিয়ান বায়িং হাউজ থেকে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ হাসান। আর প্রথম পাওয়া এ অর্ডারের কাজ করার কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকায় বেগ পোহাতে হলেও সঠিক সময়ে কাজটি ডেলিভারী করতে সক্ষম হন। এর পর থেকে আর বড় ধরেনের কোন বেগ পোহাতে হয়নি। এগিয়ে চলেছেন বেশ সাচ্ছন্দেই। দেড় বছরের ব্যবসায়িক সময়ের ব্যবধানে এখন মেশিনের সংখ্যা ১৭টি। কর্মসংস্থানের তেরী হয়েছে প্রায় অর্ধশত লোকের। যেকোন ধরনের নীট আইটেম এর প্রোডাক্ট তৈরী করতে সক্ষম বেলাল হোসেনের বিএসএম ফ্যাশন।

বিএসএম ফ্যামিলির পথচলার এ সল্প সময়ে রাজধানীর গুলিস্তানে বিএসএম লাইফষ্টাইল নামে নিজস্ব শোরুম পরিচালিত হচ্ছে অক্টোবর থেকে। এখানে নিজস্ব ব্যান্ডের সতন্ত্র ডিজাইনের এক্সপোর্ট কোয়ালিটির তৈরী পোশাক বিক্রি হচ্ছে খুচরা ও পাইকারী দামে।

বিএসএম ফ্যামিলির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও তরুন উদ্যোক্তা বেলাল হোসেনের সাথে কথোপকথনের সময় বলেন যারা আগামীর উদ্যোক্তা হতে চায় তাদের সাহস ও বুদ্ধিমত্তার সাথে প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে জানতে হবে। তিনি আরও বলেন হাজার হাজার ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে দিনের পর দিন চিন্তা ভাবনা না করে লক্ষ ঠিক করে একটা ব্যবসা শুরু করে দিন। ধৈর্য্য আর সততা নিয়ে এগোতে থাকুন। সফলতা অবশ্যই হাতের মুঠোয় আসবে।

বেলাল হোসেনের আর এক বড় সহযোদ্ধা সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন শুধু চোখে স্বপ্ন রেখে হাত পা গুটিয়ে বসে থাকলে সাফল্য আসবে না। সাফল্যের জন্য প্ররিশ্রমী হতে হবে। এগিয়ে যেতে হতে হলে অবশ্যই প্রতিটা সম্পর্ককে সম্মান করতে হবে। কারও সাথে খারাপ আচরন করা চলবে না।

তাদের আরেক সহযোগী মীর মোবাশশীর হোসেন নতুন উদ্যোক্তাদের উদ্যেশ্যে বলেন যেকোন কাজে ধৈয্য ধরার কোন বিকল্প নেই। প্রতিটা কাজে আল্লাহর সাহায্য পার্থনা করে শুরু করলে তাতে সফলতা মিলবেই। আর ইতিবাচক মনোভবের লোকদের সাথে ‍চলার পরামর্শ দেন তিনি। আত্মবিশ্বাসের সাথে বলেন ভাল চিন্তার ফলাফল সবসময় ভালই হয়।

Bangladeshi Rags to Riches Story! #হাট থেকে নারকেল কিনে নৌকায় করে এনে বিক্রি করতাম...খালাতো ভাই হাসানের ছিল ২০ টাকা আর আ...
07/12/2019

Bangladeshi Rags to Riches Story!

#হাট থেকে নারকেল কিনে নৌকায় করে এনে বিক্রি করতাম...
খালাতো ভাই হাসানের ছিল ২০ টাকা আর আমার ছিল ১০টাকা মোট ৩০ নিয়ে শুরু করলাম নারকেলের ব্যবসা। একদিন নৌকা ডুবে নারকেল ভেসে গেল সব। শেষমেশ তিন মাসের ব্যবসায় লাভ হলো ২৫ আর মূলধন ৫৫ টাকা।

বাবা ফরিদপুরে প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক চেয়েছিলেন ছেলেও শিক্ষক হোক। মামার টাকায় পড়াশোনা চলছিল হঠাৎ একদিন মামা বললো, আমি আর তোমার খরচ দিতে পারছি না। পরে গেলাম মহা বিপদে। সিদ্ধান্ত নিলাম বাড়ি ছেড়ে পালাবো!

আমাদের গ্রামে এক হুজুর ছিলেন তিনি ঢাকায় থাকেন, একটা মসজিদে ইমামতি করেন। তিনি গ্রামে আসলে একদিন সুযোগ বুঝে উনাকে বললাম 'আমাকে ঢাকা নিয়ে যাবেন? কিন্তু ওদিকে বাবা হুজুরকে নিষেধ করে দিলেন। গোপনে হুজুরের স্ত্রীরর কাছে ঢাকা যাওয়ার দিকক্ষণ শুনে নির্ধারিত লঞ্চে চড়ে বসলাম। লঞ্চ মাঝ নদি আসলে হুজুরের সামনে গিয়ে বললাম আমি কিন্তু আপনার সাথে ঢাকা যাচ্ছি। আমার অদম্য ইচ্ছার কাছে হার মানলেন হুজুর। ঠিক করে দিলেন লজিং ডেমরায় এক নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে। কিছুদিন পর আশ্রয় দাতা রফিক সাহেব আমারে চালাতে অপারগতা প্রকাশ করলেন কিন্তু উনার আর এক আত্মীয়র কাছে লজিং ঠিক করে দিলেন।

দিন কাটতে লাগলো! বি এ পাস করার পর নতুন চিন্তা, কে দেবে চাকরী? বড় ছেলে আমি। দিন যায় জুতার সুকতলা ক্ষয় হয় চাকুরী জোটে না। ততদিনে বুঝে গেলাম আর চাকুরীর পেছেন ঘুরে লাভ নেই আত্মকর্মসংস্থানের চেষ্টা করতে হবে। কিন্তু কিভাবে কি করবো?

টিউশনি করে চলি আরর সারাদিন পথে পথে ঘুরি- সদরঘাট, নিউমার্কেট, বায়তুল মোকাররম, গুলিস্তান, মতিঝিল। উদ্দেশ্য, কে কিভাবে জীবিকা নির্বাহ করছে, তা অবলোকন করা। কাঙ্ক্ষিত মডেলের সাথে দেখা হয়ে গেলো সংসদ ভবনের ডান পাশে। স্কেল বিক্রি করছে। চিন্তা করলাম এ ব্যবসা আমিও করতে পারি। কাছে গিয়ে জানতে চাইলাম ভাই স্কেল বিক্রি ছাড়া আপনি আর কি করেন?

#বিক্রেতা জবাব দিলো, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি। সঙ্গে সঙ্গে স্কেল ব্যবসায়ের চিন্তা মন থেকে বাদ দিয়ে দিলাম। কারণ আমার মনে হলো, এ ব্যবসা করে একজন শিক্ষার্থী, যার গ্রামে দু'জন ভাইবোন আছে, যাদের লেখাপড়ার খরচ এখান থেকে চলে!

সুতরাং, আরেকজনের ব্যবসায় ভাগ না বসিয়ে অন্য কিছু খুঁজে নিতে হবে। ঘুরতে ঘুরতে চলে এলাম একদিন স্টেডিয়ামের কাছে। হঠাৎ চোখে পড়লো একটি লোক স্টেডিয়ামের লোহার গেইটে সঙ্গে লম্বা করে দড়ি টানিয়ে বিভিন্ন পোস্টার বিক্রি করছে। মুহূর্তেই সিদ্ধান্ত নিলাম, এই ব্যবসাটাই করবো আমি।

সারাদিন বিক্রি শেষে পোস্টার বিক্রেতা যখন বাড়ী ফিরছিলো তাকে দূরথেকে অনুসরণ করে মিরপুর পর্যন্ত গেলাম। মিরপুর যে জায়গায় পোস্টার বিক্রেতা নামলো, পরদিন খুব সকালে ওই জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলাম। লোকটা একটা সময় এখানে এসে বাসে উঠলো। পিছু নিয়ে বাসে করে চলে গেলাম সদরঘাট কোর্টকাছারি। দোকান চেনার পর আনন্দে বুকটা কাঁপছে তখন। লোকটা পোস্টার কিনে যাওয়ার পরে ইতিউতি তাকিয়ে ঐ দোকানে জিজ্ঞেস করি আপনারা কি সবার কাছে বিক্রি করেন পোস্টার?

উনি হ্যাঁ বলতেই সুজা চলে এলাম বাসায়। পুরানো সব বইখাতা বিক্রি করে হলো ৪৫০ টাকা। পরদিন পোস্টার কিনতে গেলে দোকানী ৫০ টাকার বেশি পোস্টার দিলো। সোজা চলে আসলাম স্টেডিয়ামেরর পাশে। মোহামেডান ক্লাবের পাশে একটি জায়গায় দড়ি বেঁধে পোস্টার গুলো সাজালাম।

কিন্তু ঐ বিক্রেতা দেখে আমাকে শাসিয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর পুলিশ এসে আমার দোকান তছনছ করে ফেললো। দড়ি ছিঁড়ে ফেললো। এখানে নাকি দোকান করা যাবে না। পুলিশ বললো ওই বিক্রেতার সাথে চুক্তি আছে!

কিছুটা দমে গেলাম আমি, পরক্ষণেই নিজেকে সামলে নিলাম, না নিরাশ হওয়া যাবে না। নতুন একটা বুদ্ধি বের করলাম। একটা ছেলে জোগাড় করলাম, যে একটি লাঠির সঙ্গে পোস্টার টাঙিয়ে সারা শহরময় ঘুরবে। শুরু হলো নতুন সাধনা। ছেলেটা লাঠির সঙ্গে পোস্টার বেঁধে হাঁটে আর আমি পেছনে পেছনে গুছানো পোস্টার নিয়ে হাঁটি।

#এ একক অদ্ভুত নেশা- ব্যবসা করার নেশা। গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি থাকলেও ফুটপাতে দাঁড়িয়ে পোস্টার বিক্রি করতে দ্বিধা করিনি।

তার পর জায়গা হলো বাইতুল মোকাররমের কে এল জুয়েলারির সামনে। মাঝে মাঝে বিভিন্ন মেলাতে ও যেতাম। ভিতরে ঢুকতে না দিলে গেটে দাঁড়িয়ে বিক্রি করতাম। প্রচন্ড শারীরিক পরিশ্রম হতো। তবু হাল ছাড়িনি, দিন শেষে বিক্রির টাকা হাতে এলে সব কষ্ট ভুলে যেতাম। সৎভাবে বেঁচে থাকার জন্য কিছু একটা করছি - এ সান্ত্বনায় বুক বাঁধতাম।

ততদিনে হাজার পঁচিশেক টাকার মালিক আমি। সৈ টাকায় ভর করে ব্যাংকক যাত্রা করলাম। পৌঁছে পোস্টার বিক্রির জায়গটা খুঁজে পেলাম। দাম শুনে চমকে উঠলাম। শুরু হলো ব্যাংকক থেকে পোস্টার এনে বিক্রি।

তখনকার সময়ের সেরা নায়েক নায়িকার জুটির ছবি ব্যাংকক থেকে প্রসেস করে পোস্টার আর ভিউকার্ড ছাপালাম। কয়েকটি পত্রিকা রিপোর্ট হলো- আজাদ নামে এক ছেলে পোস্টার ভিউকার্ড ছাপানোর নামে দেশে অপসংস্কৃতি আমদানি করছে! কিন্তুু ব্যাপারটা শাপেবর হয়ে দাঁড়ালো -হু হু করে বিক্রি হতে লাগলো পোস্টার আর ভিউকার্ড।

তারপর ১৯৮২ সালে এসে প্রতিষ্ঠিত হলো আজাদ প্রোডাক্টস।

#আমার পুঁজি ছিল অল্প, কিন্তু সততা, নিষ্ঠা, শ্রম,আর বুদ্ধির সংযোগ আমাকে এতদূর এনেছে।

#আমি সবসময় পাওনা শোধ করতাম চাওয়ার আগেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে। পণ্যের মান রক্ষায় আমি বরাবরই আপোষহীন।

#আমি মনে করি, সবার সব ধরনের কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে। কোন কাজ ই ছোট নয়, অবহেলা নয়, এই চিন্তা একদিন আপনাকেও পোঁছে দিতে পারে সাফল্যের সর্বোচ্চ শিখরে :)

আবুল কালাম আজাদ স্যার|
এম ডি |:আজাদ প্রোডাক্টস, হা মিম গ্রুপ, চ্যানেল-২৪, দৈনিক সমকাল।
চেয়ারম্যান:| শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকক।
সাবেক প্রেসিডেন্ট: | এফবিসিসিআই।

সূত্র: বাংলাদেশ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ওয়েব পোর্টাল।

Address

Dhaka
1217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NS Fashion posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share