02/10/2020
বাংলাদেশের বরগুনায় চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির মৃত্যুদণ্ড হলেও শুরুতে তিনি ছিলেন ওই মামলার এক নম্বর সাক্ষী।
কিন্তু পুলিশের তদন্তের পর মামলার চার্জশিটে মিন্নির নাম যুক্ত করা হয় অভিযুক্তের তালিকায়।
তদন্তের এক পর্যায়ে গত বছরের ১৭ই জুলাই আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেপ্তার করা হলে তিনি প্রায় দেড় মাস জেলে ছিলেন।
পরে তিনি হাইকোর্টের আদেশে শর্তসাপেক্ষে জামিনে মুক্ত ছিলেন।
আজ সকালেই মিন্নি বরগুনা জেলা দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়েছিলেন তার বাবার সাথে, মোটরসাইকেলে করে ।
তবে মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ড ঘোষিত হওয়ার পর তাকে আদালত থেকে কড়া পুলিশী পাহারায় কারাগারে নেয়া হয়।
রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের পর তার বাবা যে মামলা করেছিলেন, সেখানে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি ছিলেন এক নম্বর সাক্ষী। তবে পুলিশের তদন্তের পর, স্বামীর হত্যা মামলার সাক্ষী থেকে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে চার্জশিটে ৭ নম্বর অভিযুক্ত করা হয়।
এখন তার মৃত্যুদণ্ড হলো। বিষয়টি ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
মিন্নি ছাড়াও এই মামলায় আরো পাঁচ আসামীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।
তবে বাদি এবং বিবাদি- দুই পক্ষের আইনজীবীদের পক্ষ থেকে রায় নিয়ে যে সব প্রতিক্রিয়া দেয়া হয়েছে, সেখানেও আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির প্রসঙ্গই প্রাধান্য পেয়েছে।
তার মৃত্যুদণ্ড দেয়ার ক্ষেত্রে আদালত রায়ে কি বলেছেন- তা নিয়েও বক্তব্য তুলে ধরেছেন দুই পক্ষের আইনজীবীরা।