Black Hole Library

Black Hole Library বইয়ের আলো ছড়িয়ে,
আলোকিত হোক জীবন 🌸🌿
𝑩𝒍𝒂𝒄𝒌 𝑯𝒐𝒍𝒆 𝑳𝒊𝒃𝒓𝒂𝒓𝒚

07/10/2024

বই সম্পর্কিত অবাক করা তথ্য সংক্ষিপ্ত আলোচনা

যদি মন কাঁদেতুমি চলে এসো এক বরষায়।~ হুমায়ূন আহমেদㄒㄚ卩ㄖ:
16/04/2022

যদি মন কাঁদে
তুমি চলে এসো এক বরষায়।
~ হুমায়ূন আহমেদ

ㄒㄚ卩ㄖ:

03/03/2022

বই পর্যালোচনাঃ তবু বেঁধে রাখি মন

এই সমাজে একটা মেয়ের ডিভোর্স মানে সে সকল কলঙ্কের মূল, অশুভ ছায়া, অশুভ শক্তি। এর পেছনে যা কিছু হোক, জানার প্রয়োজন নেই। মেয়ের অপরাধ শূন্য হলেও সব দোষ তাকে চাপিয়ে সমাজ পূণ্য করতে চায়। সমাজ যে কেবল বর্বর নিয়মে পুরুষতান্ত্রিক হয়ে আছে, তাতে পুরুষদের বুলিতে মেয়েটি দুশ্চরিত্রা, তা নয়। বরং ভয়ংকর ভাবে এই সমাজের নারীদের কাছেই তাদের জাত ডিভোর্সি মেয়েরা কলঙ্কিত হয়। এমন কি বহু বছর সংসারের পর যে নারীর ডিভোর্স হলো, তার থেকেও হতে হয়। কি ভয়ংকর এই রূপ! নারী তার জাতকে মুখের বুলেটে ক্ষতবিক্ষত করতে কুণ্ঠাবোধ করে না। এসব উপেক্ষা করে না পারে ডিভোর্স প্রাপ্ত মেয়ে চলতে, আর না পারে নতুন করে জীবন সাজাতে স্বচ্ছ এবং নতুন কারো হাত ধরতে। সমাজের এমন গল্প নিয়েই সুহাসিনী আপুর হাত ধরে রচিত ‘তবু বেঁধে রাখি মন’ উপন্যাসটি।

দুই বছর সংসারের পর ডিভোর্স। অথচ রূপকথা রাহাতকে পছন্দ করে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করে। এই ছেলেটার প্রতি রূপকথার ভালো লাগা হতে হলো, যে কি না দীর্ঘস্থায়ী ভালোবাসার নিশ্চয়তা দিতে জানে না! যাইহোক, এটা মেয়েদের একটা দোষ। যে ছেলেটা তাদের সম্মানের সাথে ভালোবেসে নিজের করতে চায়, এরা তাকে অবহেলায় একটা জনম পার করাবে। শেষমেষ পড়তে হয় অসুন্দর মনের কাছে। অয়ন তাকে খুব ভালোবাসতো; ফুফাতো ভাই রূপকথার। কিন্তু ওরা পারিবারিক ভাবে কানাডা চলে যাওয়াতে আর যোগাযোগ হয়নি। তাতে একটা অধ্যায় হারিয়ে রাহাতের সাথে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। সেই রাহাতই কি না দেড় বছরের মাথায় অন্যের আকাশে সুখ বিলায়! সেই আকাশের জন্য রাহাত দেশে চাকরি না নিয়ে সুইজারল্যান্ডে চাকরি নেয় তার পাশে থাকার জন্য। আবার না ছাড়ছে রূপকথাকে পারিবারিক কিংবা সামাজিক ভয়ে। প্রিয় মানুষ অন্যের সুখে নিবিড় হয়ে থাকলে এভাবে কোনো মেয়ে সংসার করতে পারে! সবে তো তাদের পথচলা শুরু ছিলো।

সহ্য করা যায় না আবার ফেলে দেয়াও যাচ্ছে না, এমন সম্পর্ক থেকে রাহাতকে মুক্তি দিতে দু’জনই মধ্যস্থতা করে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেয়। তাছাড়া আর কি করা! প্রিয় মানুষটার পরোকীয়া দেখে সয়ে যাওয়া? সম্ভব না কারো পক্ষে। এরচেয়ে মৃত্যু ভালো। কিন্তু এই সিদ্ধান্তে আসার পর পরিপূর্ণ ডিভোর্সের আগে পর্যন্ত রূপকথাকে কথার তীরে বারবার বিদ্ধ করতে একটুও তার অনুশোচনা জাগেনি। ডিভোর্স পেপারে সই করে যখন রূপকথা বাইরে এক কোণে বসে ঝাপসা চোখে অন্ধকার দেখছিলো, রাহাত তখন সই করে হুট করে চলে যায়। দুই বছর সংসার করা মানুষটাকে বলে যাবার প্রয়োজন বোধটুকু জাগলো না। কতো ভালোবাসতো রূপকথা তাকে, এটা তার মূল্য! অথচ এই অসহায়ত্ব সময়ে একজন সরল মানুষের আবির্ভাব ঘটে। রূপকথা তার মনে স্বচ্ছতাও দেখতে পায়। কিন্তু কিছু করার নেই।

একা সব সামাল দিয়ে বাড়ি আসলো, পরিজনদের পরে জানালে শোকের মাতম কম বইবে ভেবে ধীরে জানানোর পরিকল্পনায় নিজেকে পাথর বানাবার চেষ্টা। এরপর চাচাতো বোন তিন্নির বিয়ের উপলক্ষে অয়নকে ফিরে পেলে, অয়নের তীব্র আকাঙ্ক্ষা থাকা সত্তেও কিছু করার ছিলো না। কারণ রূপ কথা তো ডিভোর্সি মেয়ে। এই ডিভোর্সের গল্প তিন্নির বিয়ের আমেজ নষ্ট না হওয়ার জন্য আপাতত সময় আড়াল রাখতে চেয়ে সম্ভব হয়নি। এখন সমাজ তার বিপক্ষে। পুরো পৃথিবী নিষ্ঠুর হয়ে তাকে বারবার জখম করতে থাকে, গুটিকয়েক অংশ ব্যতীত। অয়ন সব প্রতিকূলতায় রূপকথার পাশে আপ্রাণ থেকে আপন করতে পারেনি।

নিশীকথার আবদারে রূপকথার প্রশান্তির জন্য ভ্রমণের পরিকল্পনায় কক্সবাজার আসা। এই সুবাদে মাস চারেক পর সেই সরল মানুষ তবুও’র মুখোমুখি হয়ে, তাকে পরিপূর্ণ সমর্পিত হতে দেখে রূপকথার সরে আসতে হলো। অপরাধ, সমাজের চোখে সে ডিভোর্সি অশুভ শক্তি। না পারে কাউকে ধরতে, না পারে রাহাতের অস্তিত্ব মুছতে। অজস্র যন্ত্রণা সয়ে সয়ে তবু বেঁধে রাখে মন।

মুহাম্মদ উমর ফরহাদ

বইঃ তবু বেঁধে রাখি মন
লেখকঃ Suhasini - সুহাসিনী
প্রচ্ছদঃ সাহাদাত হোসেন
প্রকাশনাঃ চন্দ্রভুক প্রকাশন
#বইরিভিউ

 #বিজ্ঞানআবিস্কারের পেছনের গল্পঅনেকগুলো দ্বীপ নিয়ে সিসিলি গঠিত। তেমনি একটি দ্বীপ সিসিলির বন্দরনগরী, নাম সিরাকুস। খ্রিষ্...
04/10/2021

#বিজ্ঞান
আবিস্কারের পেছনের গল্প

অনেকগুলো দ্বীপ নিয়ে সিসিলি গঠিত। তেমনি একটি দ্বীপ সিসিলির বন্দরনগরী, নাম সিরাকুস। খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে সিরাকুস ছিলো ব্যবসা, কলা এবং বিজ্ঞানের প্রাণকেন্দ্র। সিরাকুসে’র একজন জ্যোতির্বিদ এবং গণিতবিদ “ফিডাসের” ঘরে ২৮৭ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে একটি পুত্রসন্তান জন্মগ্রহন করেন। আর এই শিশুপুত্রটিই হলেন আর্কিমিডিস। আর্কিমিডিসের শিশুকাল সম্পর্কে খুব বেশী তথ্য জানা যায় না। আর্কিমিডিস ছিলেন জ্ঞান পিপাসু। তিনি জ্ঞানের পূণ্যভূমি মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায় পাড়ি জমান বিদ্যা লাভের আশায়। ৩৩১ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে আলেকজান্দার দ্যা গ্রেট কর্তৃক আলেকজান্দ্রিয়া নগর প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময়ে আলেকজান্দ্রিয়ায় ইউক্লিড নাম্নী প্রখ্যাত গণিতবিদ বাস করতেন। তিনি গ্রীসের জ্যামিতি বিষয়ক সূত্র, সম্পাদ্য, উপপাদ্য সংগ্রহ করে একটি বই লেখেন। সেই বই “দ্যা এলিমেন্টস” দুইহাজার বছর ধরে জ্যামিতি শিক্ষার মৌলিক বই হিসেবে অভিহিত হয়ে আসছে। বিদ্যালাভ শেষ করে আর্কিমিডিস সিরাকুসে ফিরে আসেন।

আর্কিমিডিসের স্ক্রুঃ সিরাকুসের রাজার নাম দ্বিতীয় হিয়েরো। গ্রীক লেখক এথেনাস অফ নক্রেতিসের লেখা থেকে জানা যায়, রাজা বিশাল এক জাহাজ নির্মান করেন। সেই সময়ে সেই জাহাজে ছয়শত লোক আরোহন করতে পারত। জাহাজে বাগান, জিমনেসিয়াম এবং দেবী আফ্রোদিতির মন্দির ছিলো। একবার রাজা হিয়েরোর জাহাজের খোলে বেশ বৃষ্টির পানী জমে গেলো। এতবড় জাহাজ থেকে পানি সেঁচা বেশ ঝামেলা হয়ে যাচ্ছে। কিং হিয়েরো আর্কিমিডিসকে ডেকে পাঠালেন। সমস্যার সমাধান করে দাও পন্ডিত। আর্কিমিডিস একটা মেশিন তৈরী করলেন। তিনি একটি ফাঁপা টিউব নিলেন। টিউবের ভিতর একটি দন্ড রাখা হলো। দন্ডের গায়ে সর্পিলাকার প্যাচানো মোটা কয়েল লাগানো। দন্ডের একমাথায় হাতল লাগানো। হাতল ঘোরালে পানি জাহাজের খোল থেকে টিউব বেয়ে বাইরে এসে পড়ছে। উন্নয়নশীল দেশে চাষাবাদের জন্য ভূগর্ভ থেকে পানি উত্তোলনের জন্য আর্কিমিডিসের সুত্র আজো ব্যবহার করা হয়। ভিট্রুভিয়াসের বর্ণনা থেকে জানা যায় রোমানরা আর্কিমিডিসের স্ক্রুর ব্যবহার জানতেন। পৃথিবীর সপ্তাচার্য্যের অন্যতম আশ্চর্য্য ব্যবিলনের ঝুলন্ত উদ্যানে স্ক্রু পাম্পের সাহায্যে পানি সেঁচ দেয়া হত। ১৮৩৯ সালে পৃথিবীর প্রথম স্টিম চালিত জাহাজ জলে ভাসে। সে জাহাজে আর্কিমিডিসের স্ক্রু’র মত স্ক্রু প্রোপেলার ব্যবহার করা। আর্কিমিডিসকে সম্মনা দেখিয়ে জাহাজের নামকরণ করা হয় এসএস আর্কিমিডিস।

রাজা হিয়েরো আর্কিমিডিসকে খুব পছন্দ করতেন। পৃথিবীর অধিকাংশ শাসকই শিল্প সাহিত্যের কদর করতেন। কিন্তু তাদের একটা বদ স্বভাব ছিলো। কোন কিছুর নির্দেশ দিলে বলতেন, এটা তোমাকে করতে হবে নাহলে তোমার গর্দান নেবো। রাজা আর্কিমিডিস’কে বললেন মুকুটের খাদ নির্ণয় করতে কিন্তু মুকুটটিকে ভাঙা যাবে না। আর্কিমিডিস খুব টেনশানে পড়ে গেলেন। টেনশানে পড়লে আমাদের অনেকেই নাওয়া খাওয়া ছেড়ে দেয়। আর্কিমিডিস খাওয়া ছেড়েছিলেন কিনা জানিনা কিন্তু নাওয়া ছাড়েন নাই। স্নান করা ছেড়ে দিলে ভরের এই বিখ্যাত নিত্যতা সুত্র আবিষ্কৃত হত কিনা তা বলা যায় না। আর্কিমিডিস হাম্মাম খানায় গোসল করতে গেলেন। তখনকার দিনে মানুষ হাম্মামখানায় গোসল করতে যেত। সকল কাপড় খুলে রেখে উদোম গায়ে বাথটাবে শুয়ে গোছল করত। আর্কিমিডিস চিন্তায় ডুবে ছিলেন। কানায় কানায় টইটুম্বুর বাথটাবে তিনি নামলেন। কিছু জল উপচে পড়ল।

আর্কিমিডিসের মাথায় বিদ্যুৎ খেলে গেলো। তিনি সহসা তার সমস্যার সমাধান করে ফেললেন। তিনি সোনার মুকুটের আয়তন বের করতে পারবেন মুকুটটি দ্বারা অপসারিত পানির পরিমান দ্বারা। বস্তুর দ্বারা অপসারিত পানির আয়তন এবং বস্তুর আয়তন সমান। আর্কিমিডিস তার নিজের আবিষ্কারে মুগ্ধ হলেন। তার আর তর সইছিলো না। সে তখনি রাজ প্রাসাদে ছুটলেন। তার খেয়াল ছিলোনা যে তার পরনে কোন পোষাক নাই। সিসিলির রাস্তা দিয়ে নগ্ন আর্কিমিডিস “ইউরেকা” “ইউরেকা” বলে চিৎকার করে দৌড়াতে লাগলেন। গ্রীক ভাষায় ইউরেকা বলতে বোঝানো হয় আমি পেয়েছি। গ্রীকঃ "εὕρηκα"। সোনার সাথে যদি অন্য কোন কম ঘনত্বের ধাতু মেশানো হয় তবে অপসারিত পানির পরিমান সমপরিমান খাঁটি সোনা দ্বারা অপসারিত পানির পরিমানের থেকে কম হবে। আর্কিমিডিস পরীক্ষা দ্বারা প্রমান করলেন মুকুটে রূপা মিশিয়ে ভেজাল দেয়া হয়েছে। চতুর্থ অথবা পঞ্চম শতাব্দীতে লিখিত লাতিন কবিতা “কারমেন দে পনদেরিবাস এট মেনসুরিস”য় আর্কিমিডিসের সোনার মুকুটের খাঁদ নির্ণয়ের কথা বলা হয়েছে।

ভরের নিত্যতা সুত্রঃ ভিট্রুভিয়াসের বর্ণনানুসারে, সিরাকুসের রাজা হিয়েরো দেবতার মন্দিরে উৎসর্গ করার জন্য নতুন একটি রাজমুকুট তৈরী করতে চাইলেন। নবনির্মিত রাজমুকুটটি হতে হবে নিখাদ সোনার। স্বর্নকারকে ডাকা হলো। স্বর্নকার রাজী হলো। রাজার হুকুমে গররাজী হবার সাহস রাজ্যে কার আছে রাজার দেয়া স্বর্নের সমান ওজনের এই মুকুট। তবু রাজার মনে সন্দেহ হতে লাগলো। স্বর্ণকারদের স্বভাব হলো চুরি করা। সে নিশ্চিত কিছু সোনার সাথে রূপা মিশ্রিত করে এই মুকুটের ওজন ঠিক রেখেছে। ফাঁকি দিয়ে সে যাবে কোথায়। ডাকো আর্কিমিডিসকে। আর্কিমিডিসকে ডাকা হলো। রাজার মুকুটটি খুব পছন্দ হয়েছে। তিনি এটা ভাঙতে রাজী নন।

আর্কিমিডিসের মৃত্যুঃ ভৌগলিক ও রাজনৈতিক কারণে সিসিলি গুরুত্বপূর্ন অবস্থানে ছিলো। রোমান এবং কার্থেজদের মধ্যে ভয়াবহ দ্বিতীয় পুনিক যুদ্ধ শুরু হয়। দুই দেশের মাঝখানে অবস্থিত হওয়ায় স্বভাবতই সিসিলি যুদ্ধকে এড়িয়ে যেতে পারলো না। আর্কিমিডিসের গাণিতিক কৌশলে দুই বছরের মত সিরাকুস আত্মরক্ষা করতে সমর্থ হয়। আর্কিমিডিস সমুদ্র উপকূলে বিশাল বিশাল দর্পণ স্থাপন করেন। সূর্য্যরশ্মিকে দর্পণে প্রতিফলিত করে তিনি শত্রুজাহাজে আগুন ধরিয়ে দিতেন। তখনকার সময়ে জাহাজ নির্মিত হত কাঠ দিয়ে। কাঠ আর আগুনের সম্পর্ক তো আমাদের সবার জানা। কোথাও কিছু নেই। হঠাৎ গরম হাওয়া এসে জাহাজে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। ভৌতিক এই ব্যাপারে শত্রুপক্ষ কাবু হয়ে গেলো। তারপর একসময় রোমানরা শহর দখল করে নেয়। বিখ্যাত ইতিহাসবিদ প্লুতার্কের বর্ণনা অনুসারে খ্রিষ্টপূর্বাব্দ ২১২ সালে “মারকুস ক্লডিয়াস মারসেলাস” সিরাকুস দখল করে নেন।

মারসেলাস গণিতবিদ আর্কিমিডিসকে খুব শ্রদ্ধা করতেন। তিনি মহামান্য এই মনিষীকে দেখতে চাইলেন। তিনি সৈন্যদের বললেন আর্কিমিডিসকে তার দরবারে হাজির করতে। রাজানুগত সৈন্যদের স্বভাবটাই এরকম যে ধরে আনতে বললে বেঁধে আনে। দেশে এই দূর্যোগ চলছে আর্কিমিডিসের সেদিকে কোন খেয়াল নেই। তিনি গণিতের জটিল কোন সমস্যার সমাধানে মগ্ন ছিলেন। সৈন্য আর্কিমিডিসকে আদেশ দিলো তার সঙ্গে মারসেলিয়াসের গৃহে যাওয়ার জন্য। আর্কিমিডিস সৈন্যের আদেশ প্রত্যাখান করে আবার গাণিতিক সমস্যার সমাধানে নিমগ্ন হলেন। অনেকে বলে থাকেন আর্কিমিডিসের শেষ উক্তি ছিলো “আমাকে বিরক্ত করো না।” [ইংরেজীঃ "Do not disturb my circles" (গ্রীকঃ μή μου τοὺς κύκλους τάραττε), (ল্যাতিনঃ "Noli turbare circulos meos,")] আর্কিমিডিস যে শেষ মূহুর্তে এই কথাটি বলেছিলেন সে বিষয়ে গ্রহনযোগ্য কোন উৎস খুঁজে পাওয়া যায় না। হাতে অস্ত্র থাকলে মানুষের স্বভাব এমনিতেই হিংস্র হয়ে যায়। সৈন্য তার মেজাজকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেন না। কোষ থেকে তরবারি উন্মুক্ত করে আর্কিমিডিসের গর্দান বরাবর চালিয়ে দিলেন। পৃথিবী এক মহা মানবকে চিরতরে হারালো। পঁচাত্তর বছর বয়সে। ঠিক হারিয়ে যায় নি। আমি তুমি আমরা সবাই একদিন নেই হয়ে যাবো। অনাগত ভবিষ্যত আর্কিমিডিসের মত কিছু জ্ঞানপিপাসু মহামানবকে চিরদিন মনে রাখবে।

আর্কিমিডিসের মৃত্যুর খবর পেয়ে মারসেলাস বড়ই ব্যথিত হলেন। সেকালে শত্রু পক্ষের লােকের লাশকে নানাভাবে নিঃগৃহিত করা হত। মারসেলাস যথাযথ সম্মান সহকারে আর্কিমিডিসের শেষকৃত্যু সম্পাদনের নির্দেশ দিলেন। আর্কিমিডিসের পূর্ব ইচ্ছা অনুযায়ী তার সমাধিতে একটি সিলিন্ডারের ভিতরে গােলক রাখা হয়। এটি আর্কিমিডিসের বিখ্যাত একটি আবিষ্কার। স্কুলে পড়ার সময় আমরা অনেকেই পড়েছি। গােলকের আয়তন সিলিন্ডারের আয়নের দুই তৃতীয়াংশ। কিন্তু কখনাে কি জানার চেষ্টা করেছি সর্বপ্রথম কে এটা প্রমান করেন? খ্রিষ্ট্রপূর্ব ৭৫ অব্দে আর্কিমিডিসের মৃত্যুর ১৩৭ বছর পর সিসিলি শাসন করতেন রােমান রাজা ওরাতাের সিসেরাে। তিনি আর্কিমিডিসের সমাধি সম্পর্কে অবগত হলেন। কিন্তু এর অবস্থান সম্পর্কে সঠিক কোন তথ্য জানতেন না। স্থানীয় লােকেরা কোন তথ্য জানাতে পারলাে না। সিরাকুসের এগরিগেন্টেন গেটের কাছাকাছি জায়গায় তিনি আর্কিমিডিসের পরিত্যক্ত সমাধি খুঁজে পান। ভগ্ন সমাধির গায়ে বুনাে লতা জন্মেছে প্রচুর পরিমানে। সিসেরাে সমাধিকে পরিচ্ছন করেন। তিনি সমাধি গাত্রে লেখা কিছু লিপি'র পাঠোদ্ধার করতে সক্ষম হন। তারপর একসময় কালের গর্ভে আর্কিমিডিসের সমাধি আবার হারিয়ে যায়। ১৯৬০ সালে সিরাকুসের এক হােটেলের উঠোনে পরিত্যক্ত এক সমাধিকে আর্কিমিডিসের সমাধি বলে দাবি করা হয়।

#সংগৃহিত

বইয়ের আলো ছড়িয়ে,
আলোকিত হোক জীবন 🌸🌿
𝑩𝒍𝒂𝒄𝒌 𝑯𝒐𝒍𝒆 𝑳𝒊𝒃𝒓𝒂𝒓𝒚

আমাদের দ্বিতীয় ফ্রেম [২]"বইয়ের আলো ছড়িয়ে আলোকিত হোক জীবন"।Black Hole Library
13/04/2021

আমাদের দ্বিতীয় ফ্রেম [২]
"বইয়ের আলো ছড়িয়ে আলোকিত হোক জীবন"।
Black Hole Library

আমাদের প্রথম ফ্রেম [১]"বইয়ের আলো ছড়িয়ে আলোকিত হোক জীবন"।Black Hole Library
13/04/2021

আমাদের প্রথম ফ্রেম [১]
"বইয়ের আলো ছড়িয়ে আলোকিত হোক জীবন"।
Black Hole Library

01/04/2021

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ

খুব ইচ্ছে ছিলো একটি অন্তত গ্রন্থাগার নির্মাণ করা। নাম হবে 𝑩𝒍𝒂𝒄𝒌 𝑯𝒐𝒍𝒆 𝑳𝒊𝒃𝒓𝒂𝒓𝒚. যেখান হতে যেকেউ নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিনামূল্যে বই পড়তে পারবে। কিন্তু ভাবতে গেলে সে আন্দোলন সংকীর্ণ। কেনোনা ক’জন জানবে? মানুষকে জানাতে এবং এর আন্দোলন আরও সক্রিয় করতে বিনামূল্যে বইয়ের পাশাপাশি অনলাইন গ্রন্থাগার এবং শিক্ষা সাহিত্য সংক্রান্ত টি-শার্ট স্টোর এর সমন্বয়ে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলা হচ্ছে। যাদের সম্ভব বিনামূল্যে বই পড়া কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং যারা সম্ভাবনা হীন দূরত্বে, তারা অনলাইন লাইব্রেরি থেকে অর্ডার করতে পারবে।

আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহে অনলাইন ও বিনামূল্য লাইব্রেরির কাজ সম্পন্ন।

“বইয়ের আলো ছড়িয়ে আলোকিত হোক জীবন” 🌱🌻
মুহাম্মদ উমর ফরহাদ

Address

Kazla, Jatrabari
Dhaka

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Saturday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00

Telephone

+8801309172787

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Black Hole Library posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Black Hole Library:

Share

Category