Sovereign Trade Link

Sovereign Trade Link we are providing the best Green product for your daily life.

এই কবির নাম হলধর নাগ। মাত্র তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন তিনি। সেই সময়টুকুও ঠিকমতো ক্লাসে গেছেন কি না তা নিয়ে সন্...
14/04/2025

এই কবির নাম হলধর নাগ।
মাত্র তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন তিনি। সেই সময়টুকুও ঠিকমতো ক্লাসে গেছেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ আছে। অথচ তাঁর লেখা কবিতা নিয়ে গবেষণা করে রীতিমতো পিএইচডি ডিগ্রি নিয়েছেন পাঁচজন।
তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে পদ্মশ্রী পুরস্কার। মূলত প্রাচীর কোসলি ভাষায় কবিতা লেখেন তিনি। মজার ব্যাপার হলো নিজের লেখা ২০টি মহাকাব্য এবং সব কবিতা হলধরের মুখস্ত।

৩১ শে মার্চ ১৯৫০ সালে উড়িষ্যার 'বরগড়' জেলার 'ঘেস' গ্রামে একটি হতদরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এই মানুষটি।...মাত্র ১০ বছর বয়সে বাবা মারা যাওয়ায় ক্লাস থ্রি পাস করেই পড়া ছেড়ে দিতে হয় তাকে।...পরিবারের মুখে ভাত তুলে দিতে সেই ঘেস গ্রামেই হাই স্কুলের হোস্টেলে রাঁধুনি হিসেবে তার জীবনসংগ্রাম শুরু করেন।

এই কাজের সময়ই তার সঙ্গে পরিচয় হয় মালতি নামে একটি মেয়ের, যে সেই হোস্টেলেই তাকে রান্নার কাজে সাহায্য করতে আসত।...ধীরে ধীরে মালতিকে ভাল লেগে যায় তার।মালতি বেশ সুন্দরী হওয়ায় মুখে ভালবাসার কথা বলতে না পারলেও রান্নাঘরের দেয়ালে কয়লা দিয়ে কবিতা লিখে মালতিকে ভালবাসার কথা বোঝাতে চাইতেন তিনি।...রান্না ঘরের দেয়াল ভরে উঠত শত শত কবিতায়। ...শেষে এই লাজুক প্রেমিকটির মনের গভীরতা ভাল লেগে যায় মালতির, বিয়েও করেন।...সংসার বড় হয়, আসে তাদের ভালবাসার প্রাপ্তি মেয়ে নন্দিনী। ...স্কুলের শিক্ষকদের পরামর্শে স্কুল গেটের পাশে একটি ছোট বইখাতার দোকান খোলেন তিনি, ছেড়ে দেন রান্নার কাজ।...এই প্রথম কলম হাতে ওঠে তার, আর সাদা পৃষ্ঠার তো কোন অভাব ছিল না দোকানে; শুরু হয় পুরোদমে কবিতা লেখা।..."কোশলি" ভাষায় কবিতা লিখতেন তিনি।...সেই শুরু তার প্রথম কবিতা "ধোদো বড়গাছ" (বুড়ো বটগাছ) প্রকাশ পায় ১৯৯০ সালে। ...এরপর "ভাব", "সুরত" একে একে শত শত কবিতা প্রকাশ পায় তার।...লিখে ফেলেন কোশলি ভাষায় ‘আচিয়া’, ‘বাছার’, 'মহাসতী উর্মিলা’, ‘তারা মন্দোদরী’, ‘শিরি সামালাই’, ‘প্রেম পইচান’, ‘বীর সুরেন্দ্র সাই’, ‘শান্ত কবি বিমাভাই’, ‘র“শি কবি গঙ্গাধর’ ইত্যাদি ২০ টি মহাকাব্য।

তার লেখাগুলি নিয়ে দেশে বিদেশে এখনও পর্যন্ত ৫ জন মানুষ "পিএইচডি" করেছেন, এবং ১৪ জন স্কলার এখনও গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন।...২০১৪ সালে তিনি "উড়িষ্যা সাহিত্য একাডেমী পুরস্কার" পেয়েছেন।...তার সেই বইখাতার স্টলটি এখন তার গুণমুগ্ধ স্কলারদের কাছে মন্দির স্বরূপ।...উড়িষ্যা সরকার সংরক্ষণ করেছে সেটিকে। ...এই অতি সাধারণ মানুষটির নাম "হলধর নাগ"।..সম্বলপুরী-কোশলি ভাষায় সাধারণ গ্রাম জীবনের মানুষের দুঃখবেদনার কথা, ভালবাসার কথা, প্রতিবাদের কথা, অতীত গৌরবের কথা, ধর্মের কথা- এতো সুন্দর আঙ্গিকে এর আগে কেউ তুলে ধরতে পারে নি।...তার লেখার কৌশল একটি নতুন কাব্য ধারা তৈরি করেছে যেটি তার নাম অনুযায়ী "হলধর ধারা" হিসেবে পরিচিত।...তার কাব্যগুলি সঙ্কলিত করে প্রকাশিত হয়েছে "হলধর গ্রন্থাবলী" এবং "হলধর গ্রন্থাবলি-২"।...এই বইগুলি সম্বলপুর ইউনিভার্সিটির মাস্টার্স সিলেবাসের পাঠ্যসূচিতে স্থান পেয়েছে।

তথ্য - উইকিপিডিয়া

এই মহিলাকে নিয়ে খুব একটা কিছু বলতে শুনি না কাউকে!অথচ তৃতীয় বিশ্বের এক উন্নয়নশীল দেশ, যেখানে আজও বছরে প্রায় আধাকোটির ...
14/03/2025

এই মহিলাকে নিয়ে খুব একটা কিছু বলতে শুনি না কাউকে!
অথচ তৃতীয় বিশ্বের এক উন্নয়নশীল দেশ, যেখানে আজও বছরে প্রায় আধাকোটির উপর শিশু একপ্রকার বিনাচিকিৎসায় মারা যায় সেখানে ওঁর প্রাপ্য ছিল সুপার সেলিব্রিটির সম্মান!
কিন্তু দেশটার নাম ভারত। এখানে ক্রিকেটার, অভিনেতা, রাজনীতিক যতটা সেলিব্রিটি ততটা আর কেউ নয়।
তাই রাস্তাঘাটে এলোপাথাড়ি জিজ্ঞাসা করে দেখুন! পলক মুচ্ছল'কে কেউ চেনেই না প্রায়। দুয়েকজন বলবে, গান-টান গায়।
অথচ মাত্র ৩২ বছর বয়সে পলক যা যা করেছেন তা সাধারণ মানুষের কল্পনারও বাইরে!

পলক মুচ্ছল গান করেন। মাত্র চারবছর বয়সে সঙ্গীত জগতে প্রবেশ কল্যাণজী-আনন্দজী লিটল স্টার গ্রুপের হাত ধরে। মাত্র নয়বছর বয়সে প্রথম অ্যালবাম! চোদ্দবছর বয়সে ছোট্ট শহর ইন্দোর থেকে বলিউডে আগমন। ততদিনে তিনটে অ্যালবাম বেরিয়ে গেছে হইহই করে। বলিউডে পা দিয়েই টি-সিরিজের হাত ধরে চতুর্থ অ্যালবাম। আর ঐ একই বছরে প্রথম প্লেব্যাক বলিউড সিনেমায়!
এরপর "বীর', 'এক থা টাইগার', 'আশিকি ২', 'প্রেম রতন ধন পায়ো', 'এম এস ধোনি'সহ একের পর এক সিনেমায় হিট গান। 'জুম্মে কি রাত', 'নাইয়ো লাগদা' সহ অন্তত একডজন ব্লকবাস্টার গান তাঁর ঝুলিতে!
বাংলা, পাঞ্জাবী, তামিল, গুজরাটি, তেলেগু, কন্নড়, ওড়িয়াসহ ১৭টা ভারতীয় ভাষায় গান গেয়েছেন ও গাইছেন পলক।
এসব শুনেও কেউ কেউ বলবেন বলিউডে এমন কত আসে আর যায়! উনি স্পেশাল কীসে?

হ্যাঁ, সেই স্পেশালিটির গল্প বলব বলেই তো এত শিবের গীত!
কার্গিল যুদ্ধের সময় মাত্র সাতবছর বয়সে নিজের শহর ইন্দোরে পথে পথে ঘুরে গান গেয়ে ২৫,০০০/- তুলে দিয়েছিলেন আহত সেনাদের চিকিৎসার জন্য!
কে? এক ছাপোষা মধ্যবিত্ত দম্পতির সাতবছর বয়সী মেয়ে পলক!
ঐ একই বছর, ১৯৯৯তে উড়িষ্যা সাইক্লোনে ত্রাণের জন্য ইন্দোরের দোকানে দোকানে ঘুরে গান গেয়ে তুলেছিলেন ৩৮,০০০/-!
পরেরবছর ইন্দোরের এক স্কুলছাত্রের হার্ট অপারেশনের জন্য আটবছরের পলক রাস্তায় শো করে তুলে দিয়েছিলেন ৫১,০০০/-! স্রেফ পলকের ঐ উদ্যোগের কথা শুনে ডঃ দেবী শেঠি সেই ছাত্রের অপারেশন বিনামূল্যে করার সিদ্ধান্ত নেন।
কেমন রূপকথার মত লাগছে না?

রূপকথা যখন বাস্তব হয় তা বোধহয় অনেক স্বপ্ন পূরণ করতে পারে।
সেই ছাত্র, লোকেশের চিকিৎসার হিল্লে হয়ে যাওয়ার আনন্দে তার মা-বাবা স্থানীয় খবরের কাগজে জানালে চোখের নিমেষে উঠে আসে আরও তেত্রিশজন হতভাগ্য শিশুর কথা যারা হার্টের দুরারোগ্য রোগে ভুগছিল!
ঐ ২০০০ সালেই আটবছরের পলক একের পর এক স্টেজশো করে তাদের জন্য তুলে দেন ২,২৫,০০০/- যা দিয়ে পাঁচজন শিশুর সফল হার্ট অপারেশন হয়।
সেই শুরু! ২০০১এ গুজরাত ভূমিকম্পপীড়িতদের জন্য পলক স্টেজ'শো করে তুলে দেন ১০ লক্ষ টাকা।
দুরারোগ্য হার্টের অসুখে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য তৈরি করেন ব্যানার - দিল সে দিল তক!
ঐ বয়সে তাঁর বন্ধুবান্ধব যখন স্কুলের পর পার্কে যাচ্ছে খেলতে, ছুটির দিনের সন্ধ্যায় যাচ্ছে আঁকার বা নাচের স্কুলে, সদ্য দশে পা দেওয়া পলক তখন স্টেজ শো করে চলেছেন সমবয়সী দুঃস্থ শিশুদের একটা সুস্থ জীবন দিতে!

২০০১ থেকে ২০০৬, পাঁচবছরে পলক তাঁর ছোটভাই পলাশকে সঙ্গে নিয়ে হাজারেরও বেশি স্টেজ'শো করে তুলেছিলেন ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা যা দিয়ে বাঁচানো গেছিল ২৩৪ জন শিশুর প্রাণ!
ততদিনে কিশোরী পলক নিজেই তৈরি করে ফেলেছেন 'পলক মুচ্ছল হার্ট ফাউন্ডেশন'!
আঠারোয় পা দেওয়ার আগেই পলক মুচ্ছল আয় করেছেন মোট পৌনে দু'কোটি টাকা। প্রাণ বাঁচিয়েছেন প্রায় ৩৫০ জন শিশুর!
আজ বত্রিশে পা দিয়েও পলক মুচ্ছল ঐ এক সাধনায় মেতে আছেন! ক্লান্তি নেই, অবসাদ নেই, প্রচারের ঢক্কানিনাদ নেই কোথাও!
ইন্দোর, মুম্বাই ও বেঙ্গালুরুর হার্ট স্পেশালিস্টদের হিসেব অনুযায়ী ২০২৪এর শেষ অবধি এযাবৎ ৩,০০০এরও বেশি শিশুর হৃদযন্ত্রের অপারেশন হয়েছে পলক ও পলাশের অর্জিত অর্থে!
৩,০০০এর বেশি শিশু আজ পড়ছে, খেলছে, গাইছে, নতুন স্বপ্ন নিয়ে বাঁচছে পলকের হাত ধরে!

তবু পলক মুচ্ছলকে নিয়ে কথা হয় না! এ পোড়া দেশে পলক কোনও সেলিব্রিটি নন!
ওঁর একটা ইন্টারভিউতে প্রশ্ন করা হয়েছিল, 'আপনি তো এখন একজন প্রতিষ্ঠিত প্লেব্যাক সিঙ্গার! তাও এত কনসার্ট বা স্টেজ শো করেন কেন?'
নির্দ্বিধায় উত্তর দিলেন - 'আমার কাছে একটা কনসার্ট মানে ১০ - ১২টা বাচ্চার হার্ট অপারেশন। করব না?'
শৈশব থেকে হাজারো অন্ধকার বুকের খাঁচায় নিরলস আলো জ্বালিয়ে যাওয়া পলক মুচ্ছল হয়ত নিজেই চান না অমন প্রচারের আলোয় আসতে! যার ছটায় আড়ম্বর থাকলেও প্রাণ নেই!

Palak Muchhal 🙏🙏

অজানাকে জানার চেষ্টা করি।আমি তোমাদের ই লোক--মো: জান্নাত।"একই জায়গা, দুই দিন!" – সময়ের সীমানায় দুটি দ্বীপদুই দ্বীপ—বিগ দি...
09/03/2025

অজানাকে জানার চেষ্টা করি।
আমি তোমাদের ই লোক--মো: জান্নাত।

"একই জায়গা, দুই দিন!" – সময়ের সীমানায় দুটি দ্বীপ

দুই দ্বীপ—বিগ দিয়োমিড (রাশিয়া) ও লিটল দিয়োমিড (যুক্তরাষ্ট্র)—মাত্র ৪.৮ কিমি (৩ মাইল) দূরে, কিন্তু তাদের সময়ের ব্যবধান ২১ ঘণ্টা!

⏳ বিগ দিয়োমিড (Tomorrow Island, রাশিয়া) – সময় লিটল দিয়োমিডের ২১ ঘণ্টা এগিয়ে

⏳ লিটল দিয়োমিড (Yesterday Island, যুক্তরাষ্ট্র) – সময় বিগ দিয়োমিডের ২১ ঘণ্টা পিছিয়ে

অর্থাৎ, এক দ্বীপ থেকে অন্যটি দেখলে মনে হয় যেন অতীত বা ভবিষ্যৎ দেখছেন!

❄️ শীতকালে বেরিং প্রণালী জমে গেলে বরফের ওপর দিয়ে হাঁটা সম্ভব, তবে এটি আইনগতভাবে নিষিদ্ধ।

🏝️ বিগ দিয়োমিডে কেউ বসবাস করে না—এটি রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটি।

🏡 লিটল দিয়োমিডে প্রায় ৮০-১০০ জন ইনুপিয়াক উপজাতির মানুষ বাস করেন।

🔗 মাত্র ৩ মাইল দূরত্ব, কিন্তু একপাশে "গতকাল" আর অন্যপাশে "আগামীকাল"!

🔴 কাঠের হিসাব কিভাবে করতে হয় এবং চেরাই কাঠ ও গোল কাঠ হিসাবের সহজ পদ্ধতিঃ-✅ কাঠের হিসাব:কাঠের হিসাব করা অনেক সহজ। কাঠ মাপ...
08/01/2025

🔴 কাঠের হিসাব কিভাবে করতে হয় এবং চেরাই কাঠ ও গোল কাঠ হিসাবের সহজ পদ্ধতিঃ-
✅ কাঠের হিসাব:
কাঠের হিসাব করা অনেক সহজ। কাঠ মাপার হিসাবকে অনেকে কঠিন মনে করে। কিন্ত কাঠ মাপার হিসাব একদম সহজ। শুধু কয়েকটি কথা মনে রাখলেই চলবে।
আপনি যদি কাঠের মাপ না জানেন তাহলে কাঠ ব্যবসায়ী আপনাকে ভুলভাল হিসাব দিয়ে আপার থেকে বেশি টাকা নিয়ে নিতে পারে। অনেক কাঠ ব্যবসায়ী এরকমটা করে থাকে।

ব্যবসায়ীরা এই চিটিং সহজেই করতে পারে, কারণ বেশিরভাগ মানুষ কাঠের হিসাব করতে পারেনা। তাই কাঠ ব্যবসায়ী যত কিউবিক ফিট (কেবি) বলে, মানুষ বিশ্বাস করে তত কিউবিক ফিট (কেবি) টাকা দিয়ে আসে।

ব্যবসায়ীরা সাধারণ মানুষের এই অজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। আপনি যদি একটু সচেতন হতেন তাহলে আপনার থেকে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিতে পারত না।

জেনে নিন কীভাবে চেরাই কাঠ ও গোল কাঠের হিসাব করতে হয়।

✅চেরাই কাঠের মাপ:
চেরাই কাঠ পরিমাপ করা একদম সহজ। আপনি দুইটি সূত্র মুখস্ত রাখতে পারলেই চেরাই কাঠ ও গোল কাঠের হিসাব করতে পারবেন।

চেরাই কাঠ পরিমাপের জন্য একটি সূত্র এবং গোল কাঠ পরিমাপ করার জন্য একটি সূত্র।

নিম্নের ১ম ছবিটি লক্ষ্য করুন এবং বুঝার চেষ্টা করুন। এখানে দৈর্ঘ্য ১০০ ফিট, প্রস্থ ১৪ ইঞ্চি এবং উচ্চতা বা পুরত্ব ২ ইঞ্চি রয়েছে। এখন সবগুলোকে গুণ করে ১৪৪ দিয়ে ভাগ করলে বের হয়ে যাবে এখানে কত কিউবিক ফুট বা ঘন ফুট কাঠ রয়েছে। এখন আসুন বাস্তবে হিসেব করে দেখি এখানে কতটুকু কাঠ রয়েছে।

(একটি জিনিস সব সময় মনে রাখতে হবে, দৈর্ঘ্য হবে ফুটে এবং প্রস্থ ও উচ্চতা বা পুরত্ব হবে ইঞ্চিতে, না হয় হিসেব মিলবে না।)

সূত্র: (দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × পুরত্ব ) ÷ ১৪৪
= কিউবিক ফিট বা কেবি
সূত্রমতে (দৈর্ঘ্য ১০০ ফুট × প্রস্থ ১৪ ইঞ্চি × পুরত্ব ২ ইঞ্চি ) ÷ ১৪৪
= (১০০ × ১৪ × ২) ÷ ১৪৪
= ২৮০০ ÷ ১৪৪

২৮০০ কে ১৪৪ দিয়ে ভাগ করলে হয় ১৯.৪৪ কিউবিক ফিট বা কেবি প্রায়।
অর্থাৎ ১৯.৪৪ কিউবিক ফিট বা কেবি কাঠ রয়েছে এখানে।

✅গোল কাঠের হিসাব:
নিম্নে ২য় ছবিটি লক্ষ্য করুন এবং বুঝার চেষ্টা করুন।
এখানেও একটি জিনিসি মনে রাখতে হবে, দৈর্ঘ্য হবে ফুটে এবং গোল বেড় হবে ইঞ্চিতে।
সূত্র: ( দৈর্ঘ্য × গোলবেড়ি × গোলবেড়ি) ÷ ২৩০৪ = কিউবিক ফিট বা কেবি
সূত্রমতে: (দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট × ২০ ইঞ্চি × ২০ ইঞ্চি) ÷ ২৩০৪
বা ( ৪০ × ২০ × ২০ ) ÷ ২৩০৪
বা ১৬,০০০ ÷ ২৩০৪
এবার ১৬,০০০ কে ২৩০৪ দিয়ে ভাগ করলে হয় ৬.৯৪ ।
অর্থাৎ ৬.৯৪ কিউবিক ফিট বা কেবি কাঠ আছে

বি:দ্র: গাছ যদি একদিকে মোটা ও অপরদিকে চিকন হয় তাহলে মাঝামাঝি গোলবেড়ির মাপ নিতে হবে বা মোটা অংশে একটি মাপ, মাঝে একটি মাপ এবং চিকন অংশে একটি মাপ নিয়ে গড় করতে হবে।

যেমন: মোটা অংশ ৪০ ইঞ্চি, মাঝে ২০ ইঞ্চি এবং চিকন অংশ ১৪ ইঞ্চি মোট ৭৪ ইঞ্চি। অর্থাৎ ৪০+২০+১৪ = ৭৪ ইঞ্চি। এই ৭৪ ইঞ্চিকে ৩ দিয়ে ভাগ করে গড় বেড় করলে হবে ২৪.৬৭ ইঞ্চি।

আমেরিকার ওয়াইওমিংয় অঙ্গরাজ্যের আই-৮০ নামক হাইওয়ের এই অংশটি 'হাইওয়ে টু হেভেন বা স্বর্গের মহাসড়ক' নামে পরিচিত কারন রা...
11/12/2024

আমেরিকার ওয়াইওমিংয় অঙ্গরাজ্যের আই-৮০ নামক হাইওয়ের এই অংশটি 'হাইওয়ে টু হেভেন বা স্বর্গের মহাসড়ক' নামে পরিচিত কারন রাস্তাটি এখানে এমনভাবে উপরে উঠে গেছে দেখে মনে হবে যে এটি গিয়ে আকাশ স্পর্শ করেছে, এরকম একটি অত্যাশ্চর্য ভিজ্যুয়াল এফেক্ট তৈরি করে!
প্রসারিত এই এলাকাটি ঘূর্ণায়মান এবং অসমতল পাহাড় এবং বিস্তৃত সমভূমির মত নৈসর্গিক সৌন্দর্যের জন্য বেশ পরিচিত!

আর দুই হাজার নয়শ মাইল (৪৬৬৭ কিলোমিটার) দীর্ঘ আই-এইটটি নামক এই হাইওয়েটি সেই নিউ জার্সি থেকে শুরু হয়ে ১১টি স্টেট পারি দিয়ে ক‍্যালিফোর্নিয়াতে গিয়ে পৌঁছেছে! এটি ঐতিহাসিক লিঙ্কন হাইওয়ের পথ অনুসরণ করে তৈরী হয়েছে যা ছিলো আমেরিকার প্রথম মহাসড়ক!

কু পিতার সু পুত্র নাহি হয় ভবে,পিতা যদি ভাল হয়, পুত্র ভালো হবে।                 --সক্রেটিস গ্রিকরা বিয়ের প্রস্তাব দেয়...
06/10/2024

কু পিতার সু পুত্র নাহি হয় ভবে,
পিতা যদি ভাল হয়, পুত্র ভালো হবে।
--সক্রেটিস

গ্রিকরা বিয়ের প্রস্তাব দেয় আপেল দিয়ে। আপেল হলো ভালোবাসার প্রতীক। একটি আপেলকে মাঝখানে কাটলে হৃদয়ের মতো দুটি খণ্ড হয়। তার মানে একটি আপেলে দুটি হৃদয় মিশে আছে। প্রেমের জন্য এর চেয়ে ভালো প্রতীক আর হয় না। কোনো মেয়েকে পছন্দ হলে গ্রিকরা তার দিকে ছুড়ে দেয় একটি আপেল। মেয়েটি যদি আপেলটি ধরে মিষ্টি হাসি দেয়, তার মানে মেয়েটি রাজি। আর আপেল না ধরলে মেয়েটি রাজি না।

সক্রেটিস আপেল হাতে তাকিয়ে আছে জেনথিপির দিকে। জেনথিপি শব্দটির মানে হলুদ ঘোড়া। মেয়েটি ঘোড়ার মতোই, ঘাড়টা অনেক লম্বা। সক্রেটিস ভাবছে আপেলটি ছুড়বে, নাকি ছুড়বে না? জেনথিপি সক্রেটিসকে চিনে। শুনেছে এই লোক খুব জ্ঞানী, তবে কোনো কাজ করে না। খালি পকেটে জ্ঞান নিয়ে ঘোরে। জেনথিপির বুক কাঁপছে। এই লোক তো জ্ঞানী, প্রেমিক না। তো তার হাতে আপেল কেন! জ্ঞানী লোক কি ভালোবাসতে পারে? জ্ঞান আর প্রেম কি এক ঘরে থাকতে পারে? জেনথিপির বুকের কাঁপন বেড়ে যাচ্ছে। সে কী করবে? পালিয়ে যাবে? কিন্তু পা তো নড়ছে না। এখন তার সারা শরীর কাঁপছে। তবু কেন যেন কাঁপতে তার খুব ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে মহাসাগরের অতল থেকে একটি সুর ভেসে আসছে। খুব মিষ্টি সে সুর। মন বলছে এই সুর যেন কোনোদিন বন্ধ না হয়। সে চোখ বন্ধ করে ফেলেছে। ভাবছে, চোখ খুলে দেখবে সামনে সক্রেটিস।'

পৃথিবীর শেষতম রাস্তা! এখানেই এসে থেমেছে উত্তরমেরু, কী আছে ‘ই ৬৯’-এর ওপারে❓উত্তর মেরু। পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তর প্রান্ত (Las...
06/08/2024

পৃথিবীর শেষতম রাস্তা! এখানেই এসে থেমেছে উত্তরমেরু, কী আছে ‘ই ৬৯’-এর ওপারে❓

উত্তর মেরু। পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তর প্রান্ত (Last Road of The World)। উত্তরমেরু পেরিয়ে আরও উত্তরে গেলে কি পৃথিবী শেষ❓

গোলাকৃতি বস্তুর আসলে কোনও অন্ত নেই। মানচিত্রের ভাষা বলছে, উত্তরমেরু পেরিয়ে আরও উত্তরে এগোতে চাইলে কখনও হয়তো দক্ষিণমেরুর দেখা মিলবে। কিন্তু পৃথিবীর উত্তরপ্রান্ত তো এখানেই শেষ! এখানেই তাই রয়েছে পৃথিবীর শেষতম রাস্তা।
উত্তরমেরুর দেশ নরওয়ে (Norway)। পৃথিবীর শেষ রাস্তাটাও এখান থেকেই শুরু হয়েছে। এ রাস্তার নাম ই-৬৯ (E 69)। পৃথিবীর শেষ প্রান্তগুলি সংযুক্ত করে তৈরি হয়েছে এই রাস্তা। সারা বিশ্বের সমস্ত কোলাহল, ঘটনাপ্রবাহ এই পথেই এসে এক্কেবারে থমকে যায়। ই-৬৯’এ দাঁড়িয়ে কারও আর বলার উপায় নেই ‘এই পথ যদি না শেষ হয় তবে কেমন হত…’ এ রাস্তার ওপারে আর কোনও রাস্তা নেই। কেবল দীগন্ত বিস্তৃত সাদা বরফ আর উথালপাথাল সমুদ্র।
ই-৬৯ আসলে ঠিক রাস্তা নয়, এটা একটা হাইওয়ে। দৈর্ঘ্য ১৪ কিলোমিটার। নরওয়ের বাসিন্দারা এই রাস্তা ব্যবহার করেন বটে, তবে পৃথিবীর শেষতম এই রাস্তায় একা একা হাঁটাচলা বা গাড়ি চালানো নিষিদ্ধ। দুজন বা তিনজনকেও এ রাস্তায় চলার অনুমতি দেওয়া হয় না। কেবল অনেকে একসঙ্গে থাকলে তবেই এই রাস্তায় পা রাখা যায়।
ই-৬৯ এমন একটা রাস্তা যার চারদিকে বরফের গুঁড়ো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে সারাক্ষণ। শুনশান এই রাস্তা দিয়ে একা হাঁটা বিপজ্জনক। পা পিছলে তো যেতেই পারে। তার চেয়ে বড় কথা, এ রাস্তা দিয়ে একা চলতে গিয়ে হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তাই একসঙ্গে দল না বাঁধলে ই-৬৯’এ পা রাখা মুশকিল।
নরওয়ের নিয়ম অনুযায়ী ই-৬৯’ও ঘড়ির কাঁটা মেনে চলে না। এ রাস্তায় তাই শীতকালে কখনও রাত শেষ হতে চায় না, দিনের পর দিন দেখাই দেয় না সূর্য। আর গরমকালে এই রাস্তায় দিনরাত সূর্য জ্বলে থাকে উজ্জ্বল আলোয়। টানা ৬ মাস সূর্য ডোবে না।
শীতের সময় পৃথিবীর এই শেষ প্রান্তে তাপমাত্রা কখনও কখনও পৌঁছে যায় -৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আর গ্রীষ্মে ই-৬৯’এ তাপমাত্রার পারদ থাকে শূন্য ডিগ্রি ছুঁয়ে।
পৃথিবীর এই শেষ প্রান্তেও কিন্তু মানুষ বসবাস করে। আগে এখানে শুধু মাছের চাষ হত। এখানকার বাসিন্দাদেরও ওই একটিই জীবিকা ছিল। ১৯৩০ সালের পর থেকে এই অঞ্চলটি একটু একটু করে উন্নত হয়। এখানে পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা হয় সেই তখন থেকেই।
আজ নরওয়েতে পৃথিবীর এই শেষতম রাস্তায় পা রাখতে দূর-দূরান্ত থেকে আসেন পর্যটকরা। উত্তরমেরুর ঠান্ডা সেই উৎসাহের কাছে তুচ্ছ। পৃথিবীর শেষ প্রান্তে পৌঁছতে পারার রোমাঞ্চ গায়ে কাঁটা দেয় সকলের

স্কুলজীবনে The monkeys paw গল্পটা অনেকেই হয়তো পড়েছেন, যারা পড়েননি তাদের জন্য .....এক খনি শ্রমিক কয়লা খাদানে পেয়েছিল শু...
16/06/2024

স্কুলজীবনে The monkeys paw গল্পটা অনেকেই হয়তো পড়েছেন, যারা পড়েননি তাদের জন্য .....

এক খনি শ্রমিক কয়লা খাদানে পেয়েছিল শুকিয়ে যাওয়া একটা বাঁদরের থাবা । অজ্ঞাত কারণে সেটাকে ফেলে না দিয়ে যত্ন করে রেখে দিয়েছিল । এটা দেখে কোন এক তান্ত্রিক বলেছিল থাবাটা মন্ত্রপূত এবং এর কাছে যা চাওয়া যায় তাই পাওয়া যাবে ! যদিও এটা সে কোনদিন পরীক্ষা করেনি ।
কেটে গেছে অনেক বছর , শ্রমিকটি অবসর নিয়েছে আর তার ছেলে বেছে নিয়েছে একই পেশা।

একবার দারুন অর্থ সংকটে পড়লো বুড়ো । কোথাও কিছু না পেয়ে যখন হতাশ তখনই তার মনে পড়লো সেই থাবার কথা । এক দুপুরে আলমারী থেকে বের করে সবাইকে লুকিয়ে ওটা নিয়ে সটান ছাদে .... উঁচু করে তুলে ধরে চীতকার করে বললো, একলাখ ফ্রাঁ !
মুহূর্তের জন্যে মনে হলো হাতের মাঝে জীবন্ত হয়ে উঠলো থাবাটা আর তারপর .......
দিনের শেষে কড়া নাড়ার শব্দে দরজা খুললো বুড়ো । দেখে সামনে দাঁড়িয়ে খনি ম্যানেজার , নীচু স্বরে বললো আজ দুপুরে খনির দেয়াল চাপা পড়ে মারা গেছে তার ছেলে । ক্ষতিপূরণ স্বরূপ যে খামটা এগিয়ে দিলো তাতে ছিলো ঠিক একলাখ ফ্রাঁ !

আমাদের জীবনেও বোধহয় রয়ে গেছে অদেখা সেই থাবার প্রভাব আর তাই একদিকের অপূর্ণতা পূরণ হয় নিঃস্ব করে দিয়ে অন্যদিক । সুখের খোঁজে হারানোর ভয়ে শুধু উদভ্রান্তের মতো ছুটে চলা ...... হেথা নয় হোথা নয় অন্য কোথা অন্য কোনোখানে !

সুখ আসলে কী?বিখ্যাত এক তুর্কি কবি তার বিখ্যাত চিত্রশিল্পী বন্ধুকে অনুরোধ করেন, সুখ কী তা যেন এঁকে দেখান। তিনি এই ছবিটা আ...
11/06/2024

সুখ আসলে কী?

বিখ্যাত এক তুর্কি কবি তার বিখ্যাত চিত্রশিল্পী বন্ধুকে অনুরোধ করেন, সুখ কী তা যেন এঁকে দেখান। তিনি এই ছবিটা আঁকেন।

একটা ভাঙা খাটের ছোট বিছানায় শান্তিতে ঘুমাচ্ছে একটি বড় পরিবার। খাটের একটা পায়া নেই, সেখানে দুটি ইট রাখা। জরাজীর্ণ বাড়ির ছাদের ফুটো থেকে পানি পড়ছে, ওখানে তাই ছাতা রাখা। বাড়ির কুকুরটিও বিছানায় শান্তিতে ঘুমায়। কপাটবিহীন জানালায় পাখি বসেছে। মুরগি শেয়ালে নেবারও দুর্ভাবনা নেই।

ছবিটা দেখার পর মনে হলো, সুখ মানে সমস্যা না থাকা নয়, কষ্টের পরিস্থিতিকে স্বাচ্ছন্দ্যে মেনে নেওয়ার মধ্যেই সুখ। যা আছে তা নিয়েই খুশি থাকি, শান্তিতে ঘুমাই।

বীরশ্রেষ্ট মতিউর রহমানের চিঠি | হয়তআপনি এর আগেও পড়েছেন ! বিশ্বাসকরেন চিঠিটা যতবারই পড়া হোক নাকেন,এক অন্যরকম শিহরণ কাজ...
31/05/2024

বীরশ্রেষ্ট মতিউর রহমানের চিঠি | হয়ত
আপনি এর আগেও পড়েছেন ! বিশ্বাস
করেন চিঠিটা যতবারই পড়া হোক না
কেন,এক অন্যরকম শিহরণ কাজ করে, তাই
শেয়ার করলাম......
-------

প্রিয়তমা মিলি,
একটা চুম্বন তোমার পাওনা রয়ে
গেলো...সকালে প্যারেডে যাবার
আগে তোমাকে চুমু খেয়ে বের না
হলে আমার দিন ভালো যায় না | আজ
তোমাকে চুমু খাওয়া হয় নি | আজকের
দিনটা কেমন যাবে জানি না... এই
চিঠি যখন তুমি পড়ছো, আমি তখন
তোমাদের কাছ থেকে অনেক দূরে |
ঠিক কতোটা দূরে আমি জানি না |
মিলি, তোমার কি আমাদের বাসর
রাতের কথা মনে আছে? কিছুই বুঝে
উঠার আগে বিয়েটা হয়ে গেলো |
বাসর রাতে তুমি ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে যখন
কাঁদছিলে,আমি তখন তোমার হাতে
একটা কাঠের বাক্স ধরিয়ে দিলাম |
তুমি বাক্সটা খুললে... সাথে সাথে
বাক্স থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে জোনাকী
বের হয়ে সারা ঘরময় ছড়িয়ে গেলো |
মনে হচ্ছিলো আমাদের ঘরটা একটা
আকাশ... আর জোনাকীরা তারার ফুল
ফুটিয়েছে! কান্না থামিয়ে তুমি
অবাক হয়ে আমাকে জিজ্ঞেস
করলে,"আপনি এতো পাগল কেনো!?"
মিলি,আমি আসলেই পাগল...নইলে
তোমাদের এভাবে রেখে যেতে
পারতাম না | মিলি, আমার জীবনের
সবচেয়ে আনন্দময় দিন প্রিয় কন্যা
মাহিনের জন্মের দিনটা | তুমি যন্ত্রণায়
কাতরাচ্ছিলে | বাইয়ে আকাশ ভাঙ্গা
বৃষ্টি... আমি বৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে
কষ্টে পুড়ে যাচ্ছি | অনেকক্ষণ পরে প্রিয়
কন্যার আরাধ্য
কান্নার শব্দ... আমার হাতের মুঠোয়
প্রিয় কন্যার হাত! এরপর আমাদের
সংসারে এলো আরেকটি ছোট্ট পরী
তুহিন.... মিলি, তুমি কি জানো...আমি
যখন আমার প্রিয় কলিজার টুকরো দুই
কন্যাকে এক সাথে দোলনায় দোল
খেতে দেখি, আমার সমস্ত কষ্ট - সমস্ত
যন্ত্রণা উবে যায় | তুমি কি কখনো
খেয়াল করেছো, আমার কন্যাদের
শরীরে আমার শরীরের সূক্ষ একটা ঘ্রাণ
পাওয়া যায়?মিলি... আমাকে ক্ষমা
করে দিও | আমার কন্যারা যদি কখনো
জিজ্ঞেস করে,"বাবা কেনো
আমাদের ফেলে চলে গেছে?"
তুমি তাঁদের বলবে, "তোমাদের বাবা
তোমাদের অন্য এক মা'র টানে চলে
গেছে...যে মা'কে তোমরা কখনো
দেখো নি।সে মা'র নাম 'বাংলাদেশ' |
মিলি...আমি দেশের ডাককে উপেক্ষা
করতে পারি নি |আমি দেশের জন্যে
ছুটে না গেলে আমার মানব
জন্মের নামে সত্যিই কলঙ্ক হবে | আমি
তোমাদের যেমন ভালোবাসি,তেমনি
ভালোবাসি আমাকে জন্ম দেওয়া
দেশটাকে | যে দেশের
প্রতিটা ধূলোকণা আমার চেনা | আমি
জানি... সে দেশের নদীর স্রোত
কেমন... একটি পুটি মাছের হৃৎপিন্ড
কতটা লাল, ধানক্ষেতে বাতাস
কিভাবে দোল খেয়ে যায়....!
এই দেশটাকে হানাদারের গিলে
খাবে,এটা আমি কি করে মেনে নিই?
আমার মায়ের আচল শত্রুরা ছিড়ে
নেবে...
এটা আমি সহ্য করি কিভাবে মিলি?
আমি আবার ফিরবো মিলি... আমাদের
স্বাধীনদেশের পতাকা বুক পকেটে
নিয়ে ফিরবো | আমি, তুমি, মাহিন ও
তুহিন... বিজয়ের দিনে স্বাধীন
দেশের পতাকা উড়াবো সবাই |
তোমাদের ছেড়ে যেতে বুকের
বামপাশে প্রচন্ড ব্যথা হচ্ছে... আমার
মানিব্যাগে আমাদের পরিবারের
ছবিটা উজ্জ্বল আছে...
বেশি কষ্ট হলে খুলে দেখবো বারবার
ভালো থেকো মিলি... ফের দেখা
হবে |
আমার দুই নয়ণের মণিকে অনেক
অনেক আদর |
ইতি,
মতিউর |
২০ আগস্ট, রোজ শুক্রবার, ১৯৭১
সংগ্রহীত

*"আমি তোমার মুখ মনে রাখতে চাই যাতে স্বর্গে তোমার সাথে দেখা হলে আমি তোমাকে চিনতে পারি এবং আবারো ধন্যবাদ দিতে পারি।"* ভারত...
24/05/2024

*"আমি তোমার মুখ মনে রাখতে চাই যাতে স্বর্গে তোমার সাথে দেখা হলে আমি তোমাকে চিনতে পারি এবং আবারো ধন্যবাদ দিতে পারি।"*

ভারতীয় ধনকুবের স্যার রতনজি টাটাকে যখন টেলিফোন সাক্ষাত্কারে রেডিও উপস্থাপক জিজ্ঞাসা করেছিলেন:
"স্যার, আপনি যখন যখন জীবনের সবচেয়ে সুখী হয়েছেন, সেই সেই সময় গুলি আপনার কী মনে আছে"?

রতনজি টাটা বলেছিলেন:
"আমি জীবনে সুখের চারটি ধাপ অতিক্রম করেছি, এবং অবশেষে আমি প্রকৃত সুখের অর্থ বুঝতে পেরেছি।"
প্রথম পর্যায়ে ছিল সম্পদ ও সম্পদ আহরণ।
কিন্তু এই পর্যায়ে আমি যে সুখ চেয়েছিলাম তা পাইনি।
এরপর আসে মূল্যবান জিনিসপত্র সংগ্রহের দ্বিতীয় পর্যায়।
কিন্তু বুঝলাম এই জিনিসের প্রভাবও সাময়িক এবং মূল্যবান জিনিসের দীপ্তি বেশিদিন থাকে না।
এরপর আসে বড় প্রকল্প পাওয়ার। তৃতীয় পর্ব। তখন ভারত ও আফ্রিকায় আমার 95% ডিজেল সরবরাহ হত।
আমি ভারত ও এশিয়ার বৃহত্তম ইস্পাত কারখানার মালিকও ছিলাম। কিন্তু এখানেও যে সুখ কল্পনা করেছিলাম তা পাইনি।
চতুর্থ ধাপটি ছিল যখন আমার এক বন্ধু আমাকে কিছু প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য হুইলচেয়ার কিনতে বলেছিল।
প্রায় 200 শিশু।
এক বন্ধুর নির্দেশে সাথে সাথে হুইলচেয়ার কিনলাম।

কিন্তু বন্ধুটি জোর দিয়েছিল যে, আমি যেন তার সাথে যাই এবং বাচ্চাদের হুইলচেয়ারগুলি হস্তান্তর করি। আমি রেডি হয়ে ওর সাথে গেলাম।
সেখানে এই শিশুদের আমি নিজ হাতে এই হুইল চেয়ার দিয়েছি। এই শিশুদের মুখে এক অদ্ভুত আনন্দের আভা দেখলাম। আমি তাদের সবাইকে হুইলচেয়ারে বসে হাঁটতে এবং মজা করতে দেখেছি।
যেন তারা একটি পিকনিক স্পটে পৌঁছেছে, যেখানে তারা একটি বিজয়ী উপহার ভাগ করছে।
আমি আমার ভিতরে প্রকৃত সুখ অনুভব করলাম। যখন আমি চলে যাবার সিদ্ধান্ত নিলাম, তখন একটা বাচ্চা আমার পা চেপে ধরল।
আমি ধীরে ধীরে আমার পা ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করলাম, কিন্তু শিশুটি আমার মুখের দিকে তাকিয়ে আমার পা শক্ত করে ধরে রাখল। আমি ঝুঁকে শিশুটিকে জিজ্ঞাসা করলাম: তোমার কি আর কিছু দরকার?
এই শিশুটি আমাকে যে উত্তর দিয়েছিল তা আমাকে শুধু হতবাক করেনি বরং জীবনের প্রতি আমার দৃষ্টিভঙ্গিও পুরোপুরি বদলে দিয়েছিল।
ওই শিশুটি বলেছিল :

*"আমি তোমার মুখ মনে রাখতে চাই যাতে তোমার সাথে স্বর্গে দেখা হলে আমি তোমাকে চিনতে পারি এবং তোমাকে ধন্যবাদ দিতে পারি।"*
🙏🙏🙏
।। সংগৃহীত ।।

এই মূর্তিটির নাম - "Emptiness"  বা শূন্যতা।এটা তৈরীর পিছনে উদ্দেশ্য হল বৃদ্ধ অবস্থায় সন্তানদের অনুপস্থিতিতে বাবা-মা কি স...
05/04/2024

এই মূর্তিটির নাম - "Emptiness" বা শূন্যতা।

এটা তৈরীর পিছনে উদ্দেশ্য হল বৃদ্ধ অবস্থায় সন্তানদের অনুপস্থিতিতে বাবা-মা কি সীমাহীন মানসিক শুন্যতায় ভোগেন তার প্রকাশ।

আজকাল সন্তানরা আলাদা থাকতে চায় বা থাকে অথবা প্রবাসী হয়।

বৃদ্ধ বয়সে বাবা-মা’রা শিশুর মতই অসহায় হয়ে যান।

এ বাবা-মা’ই একদিন সব উজাড় করে দিয়ে সন্তানকে শিশু বয়স থেকে মানুষ হিসেবে যোগ্য করে তুলে ছিলেন।

কিন্তু স্বার্থপর ভোগবাদী সমাজ ব্যবস্থায় অতি আধুনিকতার দাবীদার সন্তানেরা মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষায় শিক্ষিত না হওয়ার কারনে বাবা-মা'য়ের সংস্পর্শতার মুল্য বোঝেনা।

তাঁদের জন্য বৃদ্ধাশ্রম বা কেয়ার টেকার রেখে দিচ্ছেন।

ব্রোঞ্জ নির্মিত মূর্তিটি সুইজারল্যান্ডের জেনেভা লেকের পারে স্থাপন করেছেন শিল্পী- এলবার্ট জর্জ।

Address

South Mugda
Dhaka
1214

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sovereign Trade Link posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share