Smart Life Collection

Smart Life Collection Welcome to Smart Life Collection! একটি অনলাইন বুক শপ

We bring quality gadgets and useful products at affordable prices.

✔ Premium Quality ✔ Cash on Delivery ✔ Fast Delivery ✔ Customer Satisfaction
Order Inbox Now.

29/08/2026

বিখ্যাত ট্রাভেল ডকুমেন্টারি ব্লগার রুহি চেনেট এর ইহুদিদের নিয়ে এই ডকুমেন্টারি দেখে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। ডকুমেন্টারিটি কমেন্ট বক্সে পাবেন।

ভিডিওতে উঠে আসা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সংক্ষেপে তুলে ধরছি :

১. তারা নিচের একটি কক্ষে দিনে তিনবার প্রার্থনা করে এবং সারাদিন গবেষণা ও পড়াশোনা করে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, তারা প্রতিদিন ১০ ঘণ্টারও বেশি পড়াশোনা করে। সেখানে প্রায় ৫০০ জন ছেলে রয়েছে, যাদের বেশিরভাগই ইসরাইল থেকে এসেছে। তারা বলছিল, একজন মা যেমন সন্তান প্রসবের সময় নয় মাসের মধ্যে শেষ মাসে সবচেয়ে বেশি কষ্ট করেন, তেমনি পৃথিবীও এখন শেষ সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের বিশ্বাস, খুব শিগগিরই মাসীহ (দাজ্জাল) আসবেন এবং পবিত্র ভূমিতে তৃতীয় মন্দির নির্মাণ করে তারা সেখানে ফিরে যাবেন।

২. তারা কেউ মোবাইল, ইন্টারনেট ইত্যাদি ব্যবহার করে না। কারণ, তারা বিশ্বাস করে এসব তাদের রুহানিয়াত ও ঈশ্বরের প্রতি মনোযোগ নষ্ট করে দেয়। সুতরাং, এসব থেকে বিরত না থাকলে ইবাদতের স্বাদ নষ্ট হবে এবং তাদের মধ্যে আধ্যাত্মিকতা অবশিষ্ট থাকবে না।

৩. তাদের আয়-রোজগার ও ক্যারিয়ার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তারা বলে, এসব নিয়ে এত চিন্তা করার কিছু নেই; ঈশ্বরই ব্যবস্থা করে দেবেন।

৪. তারা ইবাদতের শুরুতেই দান করে এবং জেরুজালেমের দিকে মুখ করে ইবাদত করে। তাদের ইবাদতখানায় স্কুল, কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দান বাক্স রয়েছে। তারা সেসব বাক্সে দান করে।

৫. তারা বারবার জিজ্ঞেস করছিল, ‘আপনি ইহুদি কি না?’ কারণ, তারা ইহুদি ছাড়া অন্যদের সঙ্গে কথা বলতে পছন্দ করে না। এমনকি যোগাযোগের জন্য তাদের আলাদা মোবাইলও রয়েছে। তারা ভিডিও ক্যামেরা পছন্দ করে না; প্রয়োজন হলে ছবি তোলে। ইন্টারনেটের কথা তো বাদই দিলাম — টিভি, সিনেমা ইত্যাদি সম্পর্কেও তাদের তেমন কোনো ধারণা নেই। কোনো খেলোয়াড় বা সেলিব্রিটির নামও তারা জানে না। তারা জানে কেবল তাদের রাব্বি বা ধর্মগুরু কী বলেছেন এবং তিনি কোথায় থাকেন।

৬. তারা সাধারণত ১০ জনের কম সন্তান নেয় না; অর্থাৎ তাদের পরিবারে সন্তানসংখ্যা অনেক বেশি। সন্তান নেওয়া বা সন্তান নেওয়া বন্ধ করার মতো বিষয়েও তাদের রাব্বি বা প্রধান ধর্মগুরুর কাছে যেতে হয়। কারণ, তারা তাঁর কথাকে ঈশ্বরের নির্দেশের মতোই বিশ্বাস করে। তাদের দাবি অনুযায়ী, প্রতি ২০ বছর পরপর তাদের জনসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়।

৭. তাদের নিজস্ব বিচারব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে তারা তাওরাত অনুযায়ী বিচার করে। এমনকি তারা নিজেদের মধ্যে একে অপরকে খুবই সহযোগিতা করে। নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ও পরস্পরকে সাহায্য করতে তারা খুব পছন্দ করে। তাদের নিজস্ব পুলিশবাহিনীও রয়েছে, যারা টহল দেয় এবং কোনো ইহুদি নারী অশালীন পোশাক পরেছেন কি না বা মাথা ঢেকে চলছেন কি না, সেদিকেও খেয়াল রাখে। তাদের নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্সও রয়েছে। এক কথায়, তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনার প্রায় সবকিছুই রয়েছে।

৮. তাদের নারীরা বেশি সন্তান নেওয়া কিংবা টিভি-সিনেমা দেখতে না পারা নিয়ে কোনো অভিযোগ করে না। তারাও শালীন পোশাক পরেন এবং ইবাদতের জন্য ইবাদতগাহে যান। তবে ইবাদতগাহে তাঁদের জন্য আলাদা জায়গা রয়েছে, যেখানে কাঁচ দিয়ে ঘেরা পৃথক অংশে তাঁদের ইবাদত করতে হয়।

৯.বিবাহিত নারীদের জন্য তাদের চুল ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক । অনেক নারী (বিশেষ করে সাতমার সম্প্রদায়ের) তাদের চুল সম্পূর্ণ কামিয়ে ফেলেন এবং বাইরে বের হওয়ার সময় পরচুলা (উইগ) বা স্কার্ফ ব্যবহার করেন । তারা মনে করেন চুল শরীরের অন্যান্য অংশের চেয়েও বেশি সংবেদনশীল, তাই এটি ঢেকে রাখা জরুরি । এছাড়া তাদের পোশাকের ক্ষেত্রে কনুই এবং হাঁটু ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক এবং উৎসগুলোতে 'মডেস্টি প্যাট্রোল' বা শালীনতা রক্ষাকারী দলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে যারা মানুষের পোশাকের ওপর নজর রাখে ।

১০. বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি তাদের স্থানীয় ম্যাগাজিনগুলোতেও কোনো নারীর মুখ বা ছবি ছাপানো হয় না, যা তাদের কঠোর 'শালীনতা' রক্ষারই একটি অংশ ।এই সম্প্রদায়ের বিজ্ঞাপনে সাধারণত কোনো নারীর মুখ বা ছবি দেখানো হয় না। এমনকি তাদের নিজস্ব বিভিন্ন সেবার বিজ্ঞাপনেও (যেমন তাদের ডায়াল-আপ সোশ্যাল মিডিয়া বা কোনো বিশেষ প্লাটফর্ম) শুধুমাত্র পুরুষদের ছবি ব্যবহার করা হয় ।

হাসিদিক পাড়ায় বাইরের আধুনিক ট্রাক বা যানবাহনের গায়ে থাকা "অশালীন বা অনুপযুক্ত বিজ্ঞাপন" (inappropriate advertisements) যাতে মানুষের চোখে না পড়ে, সেজন্য রাস্তার কিছু অংশে বিশেষ আড়াল বা ব্লকিংয়ের ব্যবস্থা করা হয় ।

এখন একবার আমাদের কথা চিন্তা করলে?
আমরা কতটা ধোঁকার মধ্যে পড়ে আছি?

🌺 হাতে বোনা, ভালোবাসায় গড়াপ্রতিটা পাপড়ি সুতো দিয়ে বোনা, প্রতিটা পাতা যত্নে তৈরি — এই ফুল কখনো শুকাবে না।আপনার পড়ার ট...
02/08/2026

🌺 হাতে বোনা, ভালোবাসায় গড়া
প্রতিটা পাপড়ি সুতো দিয়ে বোনা, প্রতিটা পাতা যত্নে তৈরি — এই ফুল কখনো শুকাবে না।

আপনার পড়ার টেবিলে থাকুক বাঙালিয়ানার ছোঁয়া।

তাই ঘর সাজাতে বা প্রিয়জনকে উপহার দিতে, এই ক্রোশে ফুলদানি সেটটা হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ।

☞Smart Life, Smart Collection: Then Be Happy Always.

📩 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন
🚚 সারাদেশে ডেলিভারি available
দাম: জানতে ইনবক্স করুন

#হ্যান্ডমেড #ক্রোশেফুল #হোমডেকর #বাংলাদেশ

07/07/2026

و خلق الإنسان ضعيفا

এই অসহনীয় গরমে কোন প্রোডাক্টটি আপনাদের বেশি প্রয়োজন... জানাতে পারেন। আমাদের কাছে না থাকলে আর আপনাদের চাহিদা যদি বেশি থাক...
21/05/2026

এই অসহনীয় গরমে কোন প্রোডাক্টটি আপনাদের বেশি প্রয়োজন...

জানাতে পারেন। আমাদের কাছে না থাকলে আর আপনাদের চাহিদা যদি বেশি থাকে, তাহলে আমরা চায়না থেকে ইমপোর্ট করে আনবো ইনশাআল্লাহ।

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Ahmad Hassan, محمد مهدي حسن
26/02/2026

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Ahmad Hassan, محمد مهدي حسن

21/10/2025

আমি আসলে বামদের মনস্তত্ত্ব বুঝতে চাইছিলাম। এরা কারা? মুসলমানের সন্তানরাও কিভাবে নাস্তিক হয়? কিভাবে আল্লাহকে অস্বীকার করে?

আমার হলের এক বড়ভাই আমারে ভ্যানগার্ড পত্রিকা দিত। মানে বিক্রি করত। শিবিরের মত এরাও টার্গেট বেইজড কাজ করত। যেহেতু আমি এর আগেই মোটামুটি তিনটা রাজনৈতিক দলরে কাছ থিকা দেখছি, বড়ভাইর মোটিভ আমি বুইঝা গেলাম। কিন্তু সে যে এইভাবে আমারে শিকার করব সেইটা বুঝি নাই।

যেহেতু কালচার করি। আবৃত্তি, অভিনয়ে নাম কামাইছি। তাদের সহজ টার্গেটে পইড়া গেলাম। এক বান্ধবী একদিন হল গেটে আইসা আমার জন্য চিরকুট পাঠাইল। গেলাম দেখা করতে। বান্ধবী দেখতে যেমন তেমন সাথে কইরা যেইটারে নিয়া আসছে সে মাশাল্লাহ রকমের সুন্দ্রি।

প্রথম দুইদিন শুধু তিনজনই আড্ডা দিছি। আড্ডা বলতে দুইজন আমার আবৃত্তি হুনত। আর নিজেরা একটু গান গাইত। আর কোন কোন ছেড়া ওদের পিছে ঘোরে সেই গল্প। তৃতীয় দিন সুন্দ্রি মেয়েটা বলল, চল টিএসসি যাই। কেন টিএসসি কি? মেয়েটা বলল, গেলেই দেখতে পাবি। সেইখানে গিয়া দশ বারোজনের একটা গ্রুপের লগে পরিচয় হইল। এরা পুরা প্রফেশনাল গায়ক গাইকা। দারুণ গান করে। বাজনা বাজায়। আবৃত্তিও করে। কয়েকটা আবার সাহিত্য এবং দর্শন এক্সপার্ট।

প্রায় মাসখানেক এদের সাথে মেশার পর একদিন নাইট স্টে নিমন্ত্রণ। ধানমণ্ডিতে এক বড় ভাইয়ের বাসায়। কোনও একটা উদ্দেশ্যে ভাইয়ের বাসার ছাদে খানাপিনা আর গানের আয়োজন। সেখানে বাইরের গায়করাই গাইল। এরা গাইল আয়োজন শেষে ঘরোয়া পরিবেশে। কয়েকজনের গান গাওয়ার পর সেই সুন্দ্রি বান্ধবী হঠাৎ আমার আবৃত্তি শুনতে চাইল। যেই ভাইয়ের বাসা সেও খুব আগ্রহ দেখাইল। কিন্তু আমি বুঝতেছিলাম, এত দুর্দান্ত গানের পর এই আসরে আমার আবৃত্তি ম্রিয়মাণ লাগবে। তবু সবার জোরাজুরিতে আবৃত্তি শুরু করলাম।

বাইশ মিনিটের একটা আবৃত্তি। যখন পারফরম্যান্স শেষ হইল, প্রফেশনাল গায়ক এবং আবৃত্তিশীল্পিরা হা কইরা আমার দিকে তাকায়া থাকল। এইটা কি ছিল ভাই? তুমি এই মাপের আবৃত্তিকার সেইটা তো আগে বুঝি নাই। হেরা নিজেদের মইদ্যে কানাঘুসা করতে থাকল।

গান আবৃত্তি নাচ কৌতুক ইত্যাদির মইদ্যেই চানাচুর ডাল চাটনি ইত্যাদি পরিবেশিত হইল। সাথে বোতলে করে পানি। সবাই একটু একটু কইরা পানি নিতেছে গ্লাসে। গ্লাসগুলাও ছোটো ছোটো। আমার কাছে বোতল আসল। আমি গ্লাস ভইরা পানি নিলাম। গলা আগে থেকেই শুকাইয়া ছিল। ঘ্যাট কইরা মুখের মইদ্যে পানি চালান কইরা....

পুরাই জইমা গেলাম। এইটা আবার কিরাম পানি। এমন বিস্বাদ কেন। তড়াক কইরা খাড়ায়া গেলাম। পানি এখনও মুখে। দ্রুত ওয়াশরুমে গিয়া বেসিনে মুখের পানি ঢাইলা দিলাম। বার কয়েক কুলি কইরা বাইরে আসলাম। সবার হাতে হাতে বোতল আর গ্লাস। একটু কইরা গলায় ঢালতেছে আর চানাচুর, ডাল, চাটনির স্বাদ নিতাছে।

কিছুক্ষণ পর আসলো আসল চাটনি। ফার্মের মুরগি ফ্রাই কইরা মাংস আলাদা করছে প্রথমে। তারপর কাচা মরিচ, ধনে পাতা, লেবুর রস সহযোগে অন্যন্য মশলা দিয়া বানানো চাটনি। আমি পানি ছাড়া আর সবগুলারই স্বাদ নিতে থাকলাম। এক পর্যায়ে সেই সুন্দ্রি বান্ধবী আমারে পাশের রুমে ডাইকা নিল।

রুমে কেউ নাই। সবাই পাশের রুমে আড্ডা দিতাছে। বান্ধবী প্রথমে আমার হাত ধরল। তারপর হুট কইরাই জড়াই ধরল। সাথে সাথে আমার শরীরে যেন এক হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ প্রবাহিত হই গেল।

রুমের ফ্যান ঘুরতাছে। আমার কপাল বেয়ে ঘামের একটা স্রোতধারা নেমে আসছে। বান্ধবী আমারে এখনও ধইরা রাখছে। আমার হাত দুইটা শরীরের দুইপাশে এতিমের মত পইড়া আছে। একবার মনে হইতাছে আমিও ওর মত জড়াই ধরি। আবার মনে হইতাছে, কেউ দেইক্কালাইবো। আবার মনে হইতাছে, এইটা কোনও ফাঁদ না তো!

মেয়ে এইবার আমার হাত ধইরা বারান্দায় নিয়া গেল। বারান্দায় একটা বেড পাতা। বাইরের দিকে পর্দা টানানো। মেয়েটা বারান্দার দরজার ছিটকিনি আটকে দিল। বলল, সবাই এখন খেয়ে টাল হয়ে থাকবে। কেউ এদিকে আসবে না। তাড়াতাড়ি কর।

আমি বেকুবের মত জিজ্ঞেস করলাম, কি করব? মেয়েটা আবারও আমাকে জড়িয়ে ধরল। তারপর কানের কাছে মুখ এনে জিজ্ঞেস করল, এখন তোমার কি করতে ইচ্ছে করছে? বললাম, তোমাকে জড়িয়ে ধরতে। ও বলল, ব্যস এইতো। ধর এবার। কেউ দেখবে না। বললাম, কিন্তু আল্লাহ তো দেখবে।

মেয়েটা একলাফে দুই হাত সরে গেল। বলল, এতকিছুর পরও এই সময়ে একটা লোক কতটা আহাম্মক হইলে আল্লাহর নাম মুখে আনতে পারে! তারপরই জিজ্ঞেস করল, তুমি মদ খাওনি? বললাম, ওই বাল মাইনসে খায়? একটুও মিস্টি না। কেমন সালসার মত ঘ্রাণ। মেয়েটা জিজ্ঞেস করল, সালসা আবার কি? বললাম, টনিক। আমাদের গ্রামে এক কবিরাজ ষাণ্ডার তেল আর কেঁচো দিয়া একটা টনিক বানাইত। তার বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় সেই টনিকের ঘ্রাণ নাকে বাড়ি মারত। এসব টনিকরে আমরা সালসা বলতাম। লোকটা কৃপন ছিল বলে আমরা তাকে বকখিল সালসা বলে ক্ষেপাতাম। মেয়েটা বলল, থাকো তোমার বকখিলারে নিয়া। আমি গেলাম। তারপর দ্রুত হাতে ছিটকিনি খুলে বারান্দা থেকে চলে গেল। আমি স্থানুর মত সেইখানেই দাঁড়ায়া থাকলাম।

মেয়েটা কিন্তু আবার এলো। এসে বলল, এইখানেই দাঁড়ায়া থাকবা? জিজ্ঞেস করলাম, সবাই কি করতেছে? মেয়েটা অসভ্যের মত বলে উঠল, কি আর করবে? লাগালাগি করতেছে। সবাই তো আর তোমার মত বেকুব না। এমন সুযোগ কেউ হাতছাড়া করে?

মেয়েটাকে পাশ কাটিয়ে আড্ডার রুমে এসে দেখি কেউ নাই। কই গেছে সবাই? ছাদে নাতো? মেয়েটাও ততক্ষণে আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। ফিসফিস করে বলল, ভাইয়ের রুমে সবাই মুভি দেখতেছে। গেলেই বুঝবি। মুভি দেখার ফাঁকে অন্য কাজ চলছে। আবারও বেকুবের মত জিজ্ঞেস করলাম, কি কাজ? মেয়েটা মুখে ঝামটা মেরে বলল, সবাই তোর মত মিস্টার টি নাকি?

সেই রাতের পর সুন্দ্রি মেয়েটার সাথে আর কখনও আমার দেখা হয়নি। তবে অন্য বান্ধবীটাকে কয়েকবার সেই ভ্যানগার্ড ভাইয়ের সাথে দেখেছি। তারপর একদিন হুট করেই দুইয়ে দুইয়ে বামপন্থা মিলে গেল।

আরিশশালা। হ্লায় তো আমারে টার্গেট কইরা সুন্দ্রি ছেড়ি লেলাই দিছিল। আরেট্টু হইলেই তো আমি আল্লা খোদা সব ভুইলা নাস্তিক হই গেছিলাম! আমরা যতই বলি ওদের ছেড়িগুলা ক্লা। ওরা কিন্তু কখনোই ওদের আসল ছেড়িদের সামনে আনে না। এইটাই ওদের পলিসি। বাট এইখানে শিবির হইলে এতদিনে মাইনসের ট্রলে ক্ষিপ্ত হইয়া ওরা নিজেরাই নিজেদের কৌশল ফাঁস কইরা দিতো।

যেভাবে জুলাইয়ের আসল ঘটনা ফাঁস কইরা নিজেরাই নিজেদের রাজনীতির বারোটা বাজাই দিছে!

গল্প: দুইয়ে দুইয়ে বামপন্থা।
গল্পকার: দিপ্র হাসান।
প্রথম প্রকাশ: ৩০ মে, ২০২৫।

11/09/2025

পারমাণবিক অস্ত্র বলে কিছু নেই ?
শুনুন মিঃ ট্রাম্প কি বলছেন......

হোয়াইট হাউসে ফক্স নিউজের একজন উপস্থাপিকাকে ট্রাম্প অভ্যর্থনা জানালেন, এবং তাকে তার অফিসে ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি একটি লাল বোতামের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন:

“তারা মনে করে আমি যদি এটি চাপি তাহলে পৃথিবী শেষ হয়ে যাবে"|

তারপর তিনি তার সামনে এটি চাপলেন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের মতে, এই বোতামটি ডায়েট কোকের বোতল অর্ডার করার একটি উপায় ছাড়া আর কিছুই ছিল না। (আমরা যাকে বলি কলিং বেল)

11/09/2025

হোয়াইট হাউসে ফক্স নিউজের একজন উপস্থাপিকাকে ট্রাম্প অভ্যর্থনা জানালেন, এবং তাকে তার অফিসে ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি একটি লাল বোতামের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন:

“তারা মনে করে আমি যদি এটি চাপি তাহলে পৃথিবী শেষ হয়ে যাবে"|

তারপর তিনি তার সামনে এটি চাপলেন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের মতে, এই বোতামটি ডায়েট কোকের বোতল অর্ডার করার একটি উপায় ছাড়া আর কিছুই ছিল না। (আমরা যাকে বলি কলিং বেল)

বাসা থেকে বাইরে বের হয়েছিল মেয়েটা। বাসা থেকে খুব বেশি দূর যেতেও পারিনি। হঠাৎই মাইক্রোবাসে করে ৪-৫ জনের মতো হিন্দু ছেলে এ...
05/09/2025

বাসা থেকে বাইরে বের হয়েছিল মেয়েটা। বাসা থেকে খুব বেশি দূর যেতেও পারিনি। হঠাৎই মাইক্রোবাসে করে ৪-৫ জনের মতো হিন্দু ছেলে এসে মুখে রুমাল চাপ দিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে মেয়েটাকে।

তারপর ধ্বস্তাধস্তি করে মাইক্রোবাসে করেই তুলে নিয়ে যায় লক্ষ্মীপুুরের একটা পুরনো বাসায়।

ওই বাসায় নেয়ার পর জ্ঞান ফিরে মেয়েটার। জ্ঞান ফিরার পর দেখতে পায় তার চারপাশে ৪-৫ জনের মতো ছেলে ঘেরাও করে আছে।

মুখটাও বাঁধা ছিল তার যাতে চিৎকার করতে না পারে।

এরপর কিছু বুঝে উঠার আগেই একে একে সবগুলো ছেলে ঝাপিয়ে পড়ে মেয়েটার উপর। মেয়েটার কাপড়চোপড় ছিড়ে অমানবিক নির্যাতন এবং ধ*র্ষণ করতে থাকে অনবরত।

মেয়েটা জোরে জোরে চিৎকার করছিল আর আর্তনাদ করে ছেড়ে দিতে বলেছিল কিন্তু ছেলেগুলো ছাড়েনি।

এমনকি ধ*র্ষণের একপর্যায়ে মেয়েটা ধর্মের দোহাই দিয়েও অনুনয় করে বলেছিল ছেড়ে দিতে কিন্তু হিন্দু ছেলেগুলো ধর্মের কোন তোয়াক্কাই যেন করেনি।

মেয়েটার ভাষ্যমতে- পৈশাচিক হাসি দিয়ে হিন্দু ছেলেগুলো বলেছিল - তোদের মতো মুসলিম মেয়েগুলারে ভোগ করে শাস্তি না দেওয়া পর্যন্ত আমাদের মনে শান্তি পাব না।

তারপর এভাবেই লক্ষ্মীপুরের ওই পুরনো বাসায় টানা ৭ দিন আটকে রেখে মুসলিম মেয়েটাকে ধ*র্ষণ করে হিন্দু ওই ছেলেগুলো।

মেয়েটার ভাষ্যমতে- মুভিতে ভিলেনরা যেভাবে নিদারুণ কষ্ট দিয়ে দিয়ে মেয়েদেরকে নির্যাতন করে তার চেয়েও জঘন্যভাবে ধ*র্ষণ এবং নির্যাতন করা হয়েছিল তার উপর।

টানা ৭ দিনের অমানবিক নির্যাতন এবং ধ*র্ষণে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে মেয়েটা।

মুখ দিয়ে তখন শুধু চাপা আর্তনাদ করতো মেয়েটা, আর ছেলেগুলোর পা ধরে বলেছিল তাকে ছেড়ে দেয়ার কথা কিন্তু ওরা ছাড়েনি।

এভাবেই ৪-৫ টা হিন্দু ছেলে মিলে টানা ৭ দিন নির্মমভাবে ধ*র্ষণের পর যখন মেয়েটার খোঁজে চারদিকে আলোড়নের সৃষ্টি হয়

তখন ছেলেগুলো লক্ষ্মীপুরের রায়পুর শহরের মৎস্য প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে অসুস্থ অবস্থায় ফেলে দিয়ে যায় মেয়েটাকে।

সাথে মেয়েটাকে হুমকি দিয়ে বলে যায় -এ ঘটনার বিন্দুমাত্র কথা যদি কাউকে বলে তাহলে তাকে এবং তার পরিবারের বাকিদেরকেও এভাবে ধ*র্ষণ করা হবে।

মেয়েটাকে নির্জন রাস্তায় ফেলে যাওয়ার পর মেয়েটার গোঙানির শব্দে একজন পথচারী মেয়েটাকে দেখতে পায়।

মেয়েটার করুণ এ অবস্থা দেখে লোকটা তাড়াহুড়ো করে মেয়েটাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

পরে পরিবারের লোকজনও মেয়েটার খোঁজ পেয়ে হাসপাতালে আসার পর যখন জিজ্ঞেস করছিল -কি হয়েছিল? কারা এ অবস্থা করলো?

মেয়েটা বলতে ভয় পাচ্ছিল, সারাক্ষণ ট্রমাটাইজড হয়ে ছিল। তারপর ডাক্তাররা যখন তাকে আইনি ভরসা দেয় তখন মেয়েটা বিস্তারিত ঘটনাগুলো জানায়।

সাথে এটাও জানায় ধ*র্ষণের সময় জয় কুরি নামের একটা ছেলে সবাইকে লিড দিয়েছিল। তার সাথেই বাকিরা মিলে ধ*র্ষণ করেছিল।

ডাক্তারদের ভরসায় পরিবারের লোকজন পরে রায়পুর থানায় একটা মামলা করে। মামলা নিতেও পুলিশ গড়িমসি করছিল।

কারণ যে জয় কুরি ধ*র্ষণ করেছে তার বাবা অনন্ত কুরি নোয়াখালীর লক্ষীপুরের বিশিষ্ট স্বর্ণ ব্যবসায়ী, টাকা পয়সার অভাব নেই।

পুলিশ যখন মামলার তদন্ত করতে জয় কুরির বাসায় গিয়েছিল তখন তার বাবা-মাও পুলিশের সাথে যা তা ব্যবহার করেছে।

মেয়েটাকে তুলে নেয়া হয়েছিল ২৫ আগস্টে। তারপর টানা ৭ দিন ধ*র্ষণ করা হয়েছে। আই রিপিট- ৭ দিন!

আজকে প্রায় ৮ দিন হয়ে গিয়েছে অথচ কোন মিডিয়াতে ঘটনাটা আসে নাই, কোন রাজনৈতিক নেতারা মেয়েটার পাশে দাঁড়ায় নাই।

টাকা আর রাজনৈতিক পাওয়ার দিয়ে যেন সবাইকে কিনে ফেলা হয়েছে!

অথচ আজকে কোন মুসলিম ছেলে হিন্দু মেয়েকে ধ*র্ষণ করলে বিশাল আলোচনা হতো, চারদিকে তোলপাড় হয়ে যেত।

প্রতিবছরই হিন্দু ছেলেদের লাভ জিহাদের শিকার হয় মুসলিম মেয়েরা। তারপর তাদেকরকে বিক্রি করে দেয়া হয় ভারতের পতিতালয়ে। পরিবারের কাছেও আর ফিরা হয়না তাদের।

লক্ষীপুরের এই মেয়েটাও টানা ধ*র্ষণ এবং নির্যাতনের কারণে এখনো ট্রমাটাইজড হয়ে বাসায় পড়ে আছে। সমাজে আর কারো কাছে মুখ দেখাবে কি করে সেসব নিয়ে ভাবছে।

অথচ আসামিরা এখনও ফুর্তি করে ঘুরে বেড়াচ্ছে, পুলিশও ধরতে পারেনি কাউকে।

মেয়েটার পরিবারের লোকজনও সঠিক বিচারের জন্যে বিভিন্ন দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। একবার পুলিশের কাছে যাচ্ছে, একবার রাজনৈতিক নেতাদের কাছে যাচ্ছে কিন্তু কোন কাজই হচ্ছে না।

সমাজের লাঞ্চনা আর ধিক্কার মাথায় নিয়েই চুপচাপ ৮ টা দিন পার করেছে মেয়েটা। বাকি দিনগুলোও হয়তো কাটবে সমাজের অবহেলায়।

একদিকে আসামি ফুর্তি করে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর অন্যদিকে মেয়েটা শুধু ভাবছে বাকি দিনগুলো সে বাঁচবে কি করে!

তথ্য সংগ্রহ এবং লেখা- Ibrahim Khalil Shawon

(ঘটনাটার সব আপডেট নেয়া হচ্ছে, সামনে বিস্তারিত আরও ইনফো জানাব..)

Address

19/E, North Madartek, Goran, Sabujbagh, Khilgaon
Dhaka
1214

Telephone

+8801673240749

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Smart Life Collection posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Smart Life Collection:

Shortcuts

Share