AARIZ

AARIZ Quality? no compromise

মাথা ব্রেইন বা স্ট্রোক এর যেকোনো সমস্যায় মাত্র ১০ টাকায় বাংলাদেশের সেরা ডাক্তার দেখানো যায় এই হাসপাতালে জাতীয় নিউরোসাইন্...
30/04/2025

মাথা ব্রেইন বা স্ট্রোক এর
যেকোনো সমস্যায় মাত্র ১০ টাকায়
বাংলাদেশের সেরা ডাক্তার দেখানো যায় এই হাসপাতালে

জাতীয় নিউরোসাইন্স ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল: দেশের স্নায়ুরোগ চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বাংলাদেশের অন্যতম মাইলফলক হলো জাতীয় নিউরোসাইন্স ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল। রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত এ প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক স্নায়ুবিজ্ঞান গবেষণা, স্নায়ুরোগের চিকিৎসা এবং উচ্চমানের প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

২০১২ সালে যাত্রা শুরু করা এই হাসপাতালটি বর্তমানে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্নায়ুবিষয়ক চিকিৎসা কেন্দ্র। এখানে ব্রেইন স্ট্রোক, মেরুদণ্ডের সমস্যা, পারকিনসন ডিজিজ, মৃগী রোগ, ব্রেইন টিউমারসহ বিভিন্ন জটিল নিউরো রোগের উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়।

হাসপাতলের প্রধান সেবাসমূহ:

ব্রেইন স্ট্রোক চিকিৎসা ও রিহ্যাবিলিটেশন

মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের সার্জারি

নিউরোলজি ও নিউরোসার্জারির বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

আধুনিক আইসিইউ সুবিধা

এমআরআই, সিটি স্ক্যানসহ উন্নত ডায়াগনস্টিক সুবিধা

বিশেষ বৈশিষ্ট্য:

৫০০ শয্যার বিশাল চিকিৎসা সুবিধা

২৪ ঘণ্টা এমার্জেন্সি সেবা

অভিজ্ঞ নিউরোলজিস্ট, নিউরোসার্জন ও মেডিকেল টিম

সাশ্রয়ী চিকিৎসা ব্যয়

কেন এখানে চিকিৎসা নেবেন?
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল, বিশ্বমানের যন্ত্রপাতি, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসা এবং আন্তরিক সেবার মাধ্যমে নিউরোসাইন্স হাসপাতাল বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মাঝে আস্থা অর্জন করেছে। অসুস্থতা ও দুর্ভাবনার মুহূর্তে এই হাসপাতাল হতে পারে আপনার ভরসার আশ্রয়।

ঠিকানা:
জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসাইন্স ও হাসপাতাল,
শের-ই-বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭।

যোগাযোগ:
ফোন: +৮৮০২-৯১৪০৭৫২
ওয়েবসাইট: www.nins.gov.bd

সেবা নিন, সুস্থ থাকুন।

#নিউরোসাইন্সহাসপাতাল #স্নায়ুরোগচিকিৎসা #স্বাস্থ্যসেবা #বাংলাদেশ #নির্ভরযোগ্যচিকিৎসা

06/04/2025
একজন ধনী ব্যক্তি তার গাড়িতে কোথাও যাচ্ছিলেন। হঠাৎ তার গাড়ি খারাপ হয়ে যায়। তিনি খুব জরুরি কাজে যাচ্ছিলেন। চারপাশে দেখ...
31/12/2024

একজন ধনী ব্যক্তি তার গাড়িতে কোথাও যাচ্ছিলেন। হঠাৎ তার গাড়ি খারাপ হয়ে যায়। তিনি খুব জরুরি কাজে যাচ্ছিলেন। চারপাশে দেখে তিনি একটি গাছের নিচে একটি রিকশা দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন। কাছে গিয়ে দেখেন, রিকশাওয়ালা নিশ্চিন্তে তার আসনে শুয়ে গান গুনগুন করছে।

রিকশাওয়ালার স্বাভাবিক আচরণ দেখে ধনী ব্যক্তি অবাক হয়ে যান। তিনি রিকশাওয়ালাকে জিজ্ঞেস করেন, "ভাই, আমাকে তাড়াতাড়ি পৌঁছাতে হবে। তোমার রিকশা নেব, যাবে?"
রিকশাওয়ালা হাসি মুখে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, "অবশ্যই, সাহেব। ২০ টাকা দেবেন তো নিয়ে যাব।"

পথে যেতে যেতে রিকশাওয়ালা গান গেয়ে যাচ্ছিল, যেন তার কোনো চিন্তাই নেই। ধনী ব্যক্তি ভাবলেন, এত অল্প আয়ের মধ্যেও এই মানুষ এত খুশি কীভাবে? কৌতূহলবশত ধনী ব্যক্তি তাকে রাতের খাবারে নিজের বাড়িতে নিমন্ত্রণ করলেন।

রিকশাওয়ালাকে তিনি দুর্দান্ত ভোজ দিলেন—সুপ, আইসক্রিম, মিষ্টি এবং নানান রকমের খাবারের আয়োজন। কিন্তু রিকশাওয়ালা সবকিছু একেবারে স্বাভাবিকভাবে খাচ্ছিল। তার মুখে কোনো চমকের ছাপ নেই, বরং গুনগুন করতে করতে খাচ্ছিল। ধনী ব্যক্তির অবাক হওয়ার মাত্রা বাড়ল।

এরপর ধনী ব্যক্তি তাকে কিছুদিন তার বড় বাড়িতে থাকার প্রস্তাব দিলেন। রিকশাওয়ালাকে সেখানে প্রতিটি বিলাসিতা দেওয়া হলো—নওকরের সেবা, বড় টিভি, আরামদায়ক বিছানা। কিন্তু রিকশাওয়ালা তখনও একই রকম ছিল। সেই হাসি, সেই গান গাওয়া।

ধনী ব্যক্তি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কি খুশি?"
রিকশাওয়ালা হাসিমুখে উত্তর দিল, "জি সাহেব, খুব খুশি।"

ধনী ব্যক্তি অবশেষে তাকে তার রিকশায় ফিরিয়ে নিয়ে গেলেন। তিনি ভাবলেন, "যখন এই লোক তার কঠিন জীবনে ফিরে যাবে, তখন তাকে এই বিলাসিতার অভাব বোধ হবে।"

ফিরে গিয়ে রিকশাওয়ালা তার রিকশাটি পরিষ্কার করল, নিশ্চিন্তে বসে আবার গান গাইতে শুরু করল।

ধনী ব্যক্তি তার সেক্রেটারিকে বললেন, "আমি বুঝতে পারছি না, এর কিছুতেই কোনো পরিবর্তন হলো না কেন।"
সেক্রেটারি হেসে বলল, "স্যার, এটাই একজন সফল মানুষের পরিচয়। তিনি তার বর্তমানকে পুরোপুরি উপভোগ করেন। ভালো দিনে তিনি খুশি থাকেন, কঠিন দিনেও। তার পরিস্থিতি তাকে প্রভাবিত করে না, কারণ তিনি সব অবস্থায় আনন্দ খুঁজে পান।"

জীবনের শিক্ষা:
আমাদের যা আছে, সেটাই আমাদের জন্য যথেষ্ট। ভালো দিনের প্রত্যাশায় বর্তমানকে নষ্ট করবেন না। কঠিন দিনে অতীতের ভালো সময় মনে করে কষ্ট পাবেন না। সর্বদা খুশি থাকুন এবং প্রতিটি পরিস্থিতিতে জীবনের স্বাদ নিন।

সংগৃহীত পোস্ট

📌 সেলস্ ফানেলিং প্রসেস কি?📌 পেজের ফানেলিং প্রসেস মানে হলো, কাস্টমারকে ধাপে ধাপে আপনার পেজে আগ্রহী করে তোলা এবং শেষ পর্যন...
04/12/2024

📌 সেলস্ ফানেলিং প্রসেস কি?

📌 পেজের ফানেলিং প্রসেস মানে হলো, কাস্টমারকে ধাপে ধাপে আপনার পেজে আগ্রহী করে তোলা এবং শেষ পর্যন্ত ক্রয় সিদ্ধান্তে আনা। এটি একটি প্রক্রিয়া, যেখানে ভিজিটরকে লিড এবং পরবর্তীতে ক্রেতায় রূপান্তরিত করা হয়।

নিচে ফানেলিং প্রসেসের প্রধান ধাপগুলো তুলে ধরা হলো:

১. Awareness (সচেতনতা তৈরি)
উদ্দেশ্য: আপনার পেজের বা ব্র্যান্ডের সম্পর্কে মানুষের জানাশোনা বাড়ানো।

কৌশল:
আকর্ষণীয় পোস্ট বা ভিডিও তৈরি করা।
সোশ্যাল মিডিয়া বিজ্ঞাপন চালানো (Facebook, Instagram Ads)।
রিলেটেড কনটেন্ট বা ব্লগ শেয়ার করা।
আপনার পণ্যের গুণগত মান সম্পর্কে তথ্য দেওয়া।
---

২. Interest (আগ্রহ সৃষ্টি)
উদ্দেশ্য: ভিজিটরকে আপনার পণ্য বা পরিষেবার প্রতি আগ্রহী করা।

কৌশল:
প্রোডাক্টের ফিচার ও বেনিফিট তুলে ধরা।
কাস্টমার রিভিউ বা টেস্টিমোনিয়াল শেয়ার করা।
ডেমো ভিডিও বা ব্যবহারের উদাহরণ দেখানো।
ফ্রি ট্রায়াল বা গিফট অফার দেওয়া।
---

৩. Consideration (পণ্য বিবেচনা করা)
উদ্দেশ্য: কাস্টমারকে আপনার পণ্য কেনার জন্য চিন্তা করতে বাধ্য করা।

কৌশল:
পণ্যের দামের সাথে যুক্ত মূল্য অফার করা (Value for Money)।
ডিসকাউন্ট বা প্রোমো কোড দেওয়া।
পেমেন্ট ও ডেলিভারি প্রসেস সহজ করা।
FAQ-এর মাধ্যমে ক্রেতার প্রশ্নের উত্তর দেওয়া।
---

৪. Purchase (ক্রয়)
উদ্দেশ্য: ক্রেতাকে ক্রয় সিদ্ধান্তে আসতে সাহায্য করা।

কৌশল:
Call-to-Action (CTA): “অর্ডার করুন এখনই” বা “আজই কিনুন”।
সহজ এবং দ্রুত অর্ডার প্রক্রিয়া।
সুরক্ষিত পেমেন্ট সিস্টেম প্রদান।
ফাস্ট ডেলিভারি সুবিধা নিশ্চিত করা।
---

৫. Retention (পুনরায় কাস্টমার ধরে রাখা)
উদ্দেশ্য: একবার ক্রয় করা গ্রাহককে দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখা।

কৌশল:
ফলো-আপ মেসেজ পাঠানো।
পরবর্তী ক্রয়ে ডিসকাউন্ট বা পয়েন্ট অফার।
ভালো কাস্টমার সার্ভিস।
লয়ালটি প্রোগ্রাম চালু করা।
---

কিভাবে ফানেলিং প্রসেস কার্যকর করবেন?
1. আপনার পেজের জন্য নির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করুন।
2. টার্গেটেড অডিয়েন্স নির্ধারণ করুন।
3. প্রতিটি ধাপে ক্রেতার অভিজ্ঞতা সহজ এবং মসৃণ রাখুন।
4. ফলাফল বিশ্লেষণ করে দুর্বল জায়গাগুলো চিহ্নিত করুন।

ফানেলিং প্রসেস সফলভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে আপনি আপনার বিক্রয় এবং কাস্টমার লয়াল্টি উভয়ই বাড়াতে পারবেন।

🎭কী সুন্দর উত্তর!দুই "জেনারেশন" এর মধ্যে তুলনা.......একজন যুবক তার বাবাকে জিজ্ঞাসা করেছিল: "আপনারা আগে কীভাবে থাকতেন-শীত...
22/10/2024

🎭কী সুন্দর উত্তর!
দুই "জেনারেশন" এর মধ্যে তুলনা.......
একজন যুবক তার বাবাকে জিজ্ঞাসা করেছিল: "আপনারা আগে কীভাবে থাকতেন-
শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যানবাহন নেই
ওয়াইফাই নেই
কোন ইন্টারনেট নেই
কম্পিউটার নেই
অনলাইন শপিং নেই
টিভি নেই
মোবাইল ফোন নেই?
শপিং মল নেই
মাল্টিপ্লেক্স নেই।"

তার বাবা উত্তর দিলেন:
"ঠিক যেমন তোমাদের প্রজন্ম আজকের
সাথে জীবনযাপন করে: -

প্রার্থনা নেই
সমবেদনা নেই
সম্মান নেই
কোনো শ্রদ্ধাবোধ নেই
কোন চরিত্র নেই
লজ্জা নেই
বিনয় নেই
সময় পরিকল্পনা নেই
খেলাধুলা নেই
পড়া নেই"
আমরা যারা 1940-1980 সালের মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছি তারাই ধন্য। আমাদের জীবন একটি জীবন্ত প্রমাণ:

👉 স্কুলের পর সন্ধ্যা পর্যন্ত খেলতাম। আমরা কখনো টিভি দেখিনি।
👉 আমরা প্রকৃত বন্ধুদের সাথে খেলতাম, ইন্টারনেট বন্ধুদের সাথে নয়।
👉 আমরা যদি কখনও তৃষ্ণার্ত অনুভব করি, আমরা বোতলের জল নয় কলের জল পান করি।
👉 আমরা কখনই অসুস্থ হইনি যদিও আমরা চার বন্ধুর সাথে একই গ্লাস জুস শেয়ার করতাম।
👉 আমাদের কখনই ওজন বাড়েনি যদিও আমরা প্রতিদিন প্রচুর ভাত খেতাম।
👉 খালি পায়ে ঘোরাঘুরি করেও আমাদের পায়ের কিছুই হয়নি।
👉 আমাদের মা ও বাবা কখনোই আমাদের সুস্থ রাখার জন্য কোনো সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করেননি।
👉 আমরা নিজেদের খেলনা তৈরি করতাম এবং সেগুলো দিয়ে খেলতাম।
👉 আমাদের বাবা-মা ধনী ছিলেন না। তারা আমাদের ভালবাসা দিয়েছেন, পার্থিব উপকরণ নয়।
👉 আমাদের কখনই সেলফোন, ডিভিডি, প্লে স্টেশন, এক্সবক্স, ভিডিও গেম, ব্যক্তিগত কম্পিউটার, ইন্টারনেট চ্যাট ছিল না - তবে আমাদের প্রকৃত বন্ধু ছিল।
👉 আমরা আমাদের বন্ধুদের বাড়িতে বিনা আমন্ত্রণে যেতাম এবং তাদের সাথে খাবার উপভোগ করেছি।
👉 আমরা হয়ত কালো এবং সাদা ফটোতে ছিলাম কিন্তু সেই ফটোগুলিতে রঙিন স্মৃতি খুঁজে পেতাম।
👉 আমরা একটি অনন্য এবং, সবচেয়ে বোধগম্য প্রজন্ম, কারণ *আমরা শেষ প্রজন্ম যারা তাদের পিতামাতার কথা শুনেছি*। আর *প্রথম প্রজন্ম যারা তাদের সন্তানদের কথা শুনতে হচ্ছে।*
আমরা একটি *সীমিত* ​​সংস্করণ!
🙏লেখাটি যদি কারো ভালো লাগে অবশ্যই শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
সংগৃহীত।

15/09/2024

আগেই কি ভালা ছিলাম!!!

আমাদের হোস্টেলের সদস্য সংখ্যা ৩২ । শৃঙ্খলার স্বার্থে একজনকে ম্যানেজার বানানো হলো, বানানো হবে বললে আসলে ভুল হবে উনি নিজেই ম্যানেজারের পদ সিস্টেমে দখল নিলেন । পদটা তো আর মাগনা না, বেতন আছে,আলাদা রুম আছে, সাথে অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ।

মাসে মাসে সবাই যে টাকা পয়সা দেয়, সেই অনুপাতে বাজার সদাই করা হয়, ইন্টারনেট বিল , বিদ্যুৎ বিল,বাবুর্চি বিল প্রভৃতি দেয়া হয়। ওমা কিছু দিন পর দেখি ম্যানেজার বলা শুরু করছে, আমি তোমাদের খাওয়াই, দাওয়াই। বেশী তেরিবেরি করলে খাওন বন্ধ করে দিবো, বিদ্যুৎ, পানি বন্ধ করে দিবো। যাই হোক শেষমেশ বিক্ষুব্ধ হোস্টেলের সদস্যদের দৌড়ানি খেয়ে ম্যানেজার হোস্টেল ছেড়েই পালালো।

সবাই মিলে শলাপরামর্শ করে নতুন একজন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ দিলেন। নতুন তত্ত্বাবধায়ক হোস্টেলের সদস্যদের জন্য বাজার করতে গিয়ে জানলেন, দোকানদারের কাছে আগের ম্যানেজারের লাখ লাখ টাকা বাকী। তারা নতুন করে সদাই দিবেন না। পরদিন বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন আসলো হোস্টেলে বিদ্যুৎ লাইন কেটে দেওয়ার জন্য। বিদ্যুতের লোকজন জানালো, আগের অনেক বিল বকেয়া। সেসব শোধ না করলে বিদ্যুৎ মিলবে না৷ হোস্টেলের সদস্যরা এখন খেয়ে না খেয়ে আধা পেটে অন্ধকার জীবন যাপন করছেন।

ওদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার থেকে সাবেক ম্যানেজারের চ্যালা চামুণ্ডা এই বলে হুঁক্কা হুয়া রব তুলছে 'আগেই ভালো ছিলাম,বলছিলাম না, উনারা কোন বিকল্প নাই'

সংগৃহীত...

জামাল নজরুল ইসলামের কাছে আমি কিছুই না - স্টিফেন হকিং আজকের টাঙ্গাইল প্রকাশিত: ১৫ জুলাই ২০২১ছবি: দ্যা ডেইলি ষ্টারবাংলাদেশ...
15/05/2024

জামাল নজরুল ইসলামের কাছে আমি কিছুই না - স্টিফেন হকিং
আজকের টাঙ্গাইল
প্রকাশিত: ১৫ জুলাই ২০২১

ছবি: দ্যা ডেইলি ষ্টার
বাংলাদেশের একজন বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলাম, যার সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে স্টিফেন হকিং বলেছিলেন, "সে সেরা। আমি তার কাছে কিছুই না।"

“সায়েন্স ওয়ার্ল্ড" নামে একটি বিজ্ঞান ম্যাগাজিন ২০০৭ সালে জামাল নজরুল ইসলামকে নিয়ে একটি ফিচার ছাপিয়েছিল। বাংলাদেশের কোনো ম্যাগাজিনে উনাকে নিয়ে লেখা এটিই ছিলো প্রথম ও শেষ ফিচার।

"কৃষ্ণবিবর" নামে উনার একটি বই আছে যেটা বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া কষ্টকর। শুধু এটাই নয়, কৃষ্ণবিবর" "দ্য আল্টিমেট ফেইট অব ইউভার্স 'রোটেটিং ফিল্ডস ইন জেনারেল রিলেটিভিটি' বইগুলো অক্সফোর্ড কেমব্রিজ আর হার্ভার্ড এর মত বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও ১০০ টারও বেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো পড়ানো হয়। কিন্তু যে দেশে তিনি জন্মেছিলেন, সেই বাংলাদেশের কোন একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার বই থেকে কোন লেকচার দেয়া হয় বলে জানা নেই।

২০০১ সালে যখন পৃথিবী ধ্বংস হবার একটা গুজব উঠেছিল তখন জামাল নজরুল ইসলাম অংক কষে বলেছিলেন পৃথিবী তার কক্ষপথ থেকে ছুটে চলে যাবার কোনো সম্ভাবনা নেই।

স্টিফেন হকিং কে চিনে না এমন মানুষ খুব কম আছে। উনার লেখা "আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম' বইটি এক কোটি কপিরও বেশী বিক্রি হয়েছে সারাবিশ্বে। সে বইটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৮ সালে।

কিন্তু এই বইটি প্রকাশের প্রায় ৫ বছর আগেই ১৯৮৩ সালে জামাল নজরুল ইসলাম "দ্যা আল্টিমেট ফেইট অব দ্য ইউনিভার্স বইটি লিখেছিলেন। দুটো বই-ই প্রায় একই সব টপিকের উপর লিখা। ব্লাকহোল, ওয়ার্ম হোল, সুপারনোভা, কসমিক রেডিয়েশন, প্যারালাল ইউনিভার্স, বাটারফ্লাই ইফেক্ট ইত্যাদি সব জোতি পদার্থ বিজ্ঞানীয় ব্যাপারগুলোই ঘুরে ফিরে দুটো বইতেই উঠে এসেছে। কিন্তু তুলনামূলক বিচারে জামাল নজরুল ইসলামের বইটিকেই বিশ্বখ্যাত বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকগন অধিক মূল্যায়ন করেছেন, যেটি প্রকাশিত হয়েছিল হকিং এর বইয়েরও প্রায় ৫ বছর পূর্বে। অথচ হকিং এর বই নিয়ে যতটা না মাতামাতি সারাবিশ্বে হয়েছে, তার ছিঁটেফোটাও হয়নি জামাল নজরুল ইসলামের কোন বই নিয়ে... কেনো?বলছি।

বলা হয়ে থাকে, বিশ্বের ৭ জন শ্রেষ্ট বিজ্ঞানীর নাম বলতে গেলে সে তালিকায় নাকি জামাল নজরুলের নামও চলে আসবে। বিশ্বের বুকে বাংলার গর্ব জামাল নজরুল ইসলাম।

বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের মধ্যে মৌলিক বিজ্ঞানে তাঁর মতো অবদান আর কারও নেই। তেমনি বিশ্ব বিজ্ঞানের সারস্বত সমাজে তাঁর মতো সমাদর ও খ্যাতিও কারও ছিল না।

সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ কখনো এক সরলরেখায় এলে পৃথিবীর ওপর তার প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে কাজ করেছেন তিনি। তবে গবেষণায় প্রফেসর ইসলাম আশার কথাই শুনিয়েছিলেন—সে রকম ঘটার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কেমব্রিজ এবং পশ্চিমে শিক্ষার গবেষণা ও অধ্যাপনায় থাকাকালে তাঁর বন্ধু ও সুহৃদমহল গড়ে ওঠে বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের নিয়ে। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন তাঁর শিক্ষক ফ্রিম্যান ডাইসন, পদার্থবিজ্ঞানী রিচার্ড ফাইনম্যান, ভারতের সুব্রহ্মনিয়াম চন্দ্রশেখর, পাকিস্তানের আবদুস সালাম, ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ও অমিয় বাগচী, তাঁর সহপাঠী জয়ন্ত নারলিকার, ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জিম মার্লিস প্রমুখ। হকিংয়ের কথা তো আগেই এসেছে।

১৯৮১ সালের দিকে লন্ডনের লাখ টাকা বেতনের চাকরি এবং উন্নত সুযোগ-সুবিধা ছেড়ে দেশে ফিরে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিতের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। এ সময় তার বেতন ছিল আটাশ শ’ টাকা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট কিছুতেই রাজি হয়নি তাকে তিন হাজার টাকা বেতন দিতে। এই বেতনেই তিনি অধ্যাপনা করে যান।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বছর অধ্যাপনা করার পর গবেষণার কাজে এবং পারিবারিক প্রয়োজনে আবার লন্ডনে ফিরে যাবার প্রয়োজন দেখা দেয় তার। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা গবেষণার জন্য বাইরে গেলে কর্তৃপক্ষ ছুটি প্রদান করে এবং ফিরে আসা পর্যন্ত চাকরি বলবৎ থাকে। এর জন্য তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে ছুটির আবেদন করেন, কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাকে ছুটি দিচ্ছিল না। উপায় না দেখে চাকরি ছেড়ে চলে যান তিনি।

লন্ডনে তিনি গবেষণায় ব্যস্ত থাকেন ও দুই বছর গবেষণা সম্পন্ন করে ১৯৮৪ সালে তিনি সেখানকার বাড়ি-ঘর বিক্রি করে স্থায়ীভাবে দেশে চলে আসেন। এরপর অবশ্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার বেতন বাড়িয়ে তিন হাজার টাকায় উন্নীত করে আর মাঝখানের সময়টিকে শিক্ষা ছুটি হিসেবে গ্রহণ করে।

বাংলাদেশের বিজ্ঞান শিক্ষা এবং বিজ্ঞান গবেষণার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন তিনি। তাই সব সুযোগ সুবিধা ছেড়ে দেশে চলে এসেছিলেন।

বাংলাদেশে ফিরে এসে জামাল নজরুল ইসলাম গড়ে তুলেছেন উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণাগার আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান গাণিতিক ও ভৌতবিজ্ঞান গবেষণাকেন্দ্র বা রিচার্স সেন্টার ফর ম্যাথমেটিক্যাল অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্স (আরসিএমপিএস), যেটি সম্পর্কে বলতে গিয়ে দেশের প্রবীণ পদার্থবিজ্ঞানী প্রফেসর এ এম হারুন-অর রশিদ ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে এখানে আগত খ্যাতিমান পদার্থবিজ্ঞানী, আপেক্ষিকতত্ত্ববিদ এবং বিশ্ব সৃষ্টি তাত্ত্বিকদের অবদান’ স্মরণ করে এ প্রতিষ্ঠানকে প্রফেসর ইসলামের শ্রেষ্ঠ কীর্তি আখ্যা দিয়েছিলেন। এখানে তিনি উচ্চতর গবেষণার ছাত্রদের সহায়তার পাশাপাশি অনেক আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজন করেছেন, যাতে অনেক নোবেলজয়ীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের পণ্ডিতজন যোগ দিয়েছেন।

তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞান ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে গবেষণার জন্য উন্নত মানের একটি গবেষণাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। এর অধীনে অনেক শিক্ষার্থী মাস্টার্স ও পিএইচ.ডি. করেছে এবং তাদের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো অবকাশ নেই।

দেশের জন্য, দেশের বিজ্ঞানচর্চার জন্য তিনি যে পরিমাণ আন্তরিকতা দেখিয়েছেন, তা সত্যিই অনন্য। নিভৃতচারী ও প্রচারবিমুখ এই গুণী বিজ্ঞানী ২০১৩ সালে ৭৪ বছর বয়সে পরলোকগত হন। তার মৃত্যুতে এই দেশ তথা এই পৃথিবী আসলেই একজন আলোকিত নক্ষত্রকে হারিয়েছে।

ঢাকা ও আশপাশের এলাকার জন্য সেহরী ও ইফতারের সময় সূচী
11/03/2024

ঢাকা ও আশপাশের এলাকার জন্য সেহরী ও ইফতারের সময় সূচী

Address

Zerogoli, Dokkhingaon, Sobujbag
Dhaka
1214

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AARIZ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to AARIZ:

Share