Sunnah Circle

Sunnah Circle এখন দেশের যেকোন স্থান থেকে আপনার পছন্দের বই সংগ্রহ করুন ক্যাশ অন হোম ডেলিভারিতে।

08/03/2023

পরবর্তী ঘোষণা দেওয়া পর্যন্ত "সুন্নাহ সার্কেল" এর সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
টিম সুন্নাহ সার্কেল।

🛑 যে ভাই কুরআন শরীফ পড়তে জানেন না, তার জন্যই এ বই🛑 যে ভাই কুরআন শরীফ পড়তে ভুলে গেছেন, তার জন্যই এ বই🛑 যে ভাই কুরআন শরী...
02/01/2023

🛑 যে ভাই কুরআন শরীফ পড়তে জানেন না, তার জন্যই এ বই
🛑 যে ভাই কুরআন শরীফ পড়তে ভুলে গেছেন, তার জন্যই এ বই
🛑 যে ভাই কুরআন শরীফ পড়তে পারেন কিন্তু ভুল হয়, তার জন্যই এ বই
🎯 অসম্ভব মনে হতে পারে কিন্তু আপনি যদি আল্লাহর উপরে ভরসা করে আজ থেকে প্রতিদিন ১ ঘন্টা করে কুরআন শরীফ পড়া শিখতে শুরু করেন তবে আপনি মাত্র ২৭ দিন শেখার পর কুরআন শরীফ পড়তে পারবেন, ইনশাআল্লাহ। শর্ত হলো - পড়তে হবে, শূন্যস্থান পূরণ করে লিখতে হবে ও পরীক্ষা দিতে হবে।
🔥 এই বইটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য 🔥
✅ প্রতিটি আরবি লেখার নিচে বাংলা উচ্চারণ দেওয়া আছে।
✅ প্রচুর শূন্যস্থান পূরণ আছে। ভালো পেন্সিল ও ভালো রবার ব্যবহার করতে হবে, বইটি খাতা হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
✅ প্রতি ঘণ্টা পরার পর পরীক্ষা আছে। ফলে আপনি পরীক্ষা দিয়ে নিজেই বুঝতে পারবেন আপনার ওই ঘন্টার পড়া শেখা হয়েছে কিনা।
✅ প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে বইটি পড়ুন, মাত্র ২৭ দিনে কুরআন শরীফ পড়া শিখতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
🎉 সারা দেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বইটি পাঠানো হচ্ছে। আপনার কপিটি সংগ্রহের জন্য আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আগ্রহীগণ বইটি সংগ্রহ করতে দিয়ে ইনবক্স করুনঃ m.me/sunnahcircle22 , অথবা কল করুনঃ 0188 611 61 22 এই নাম্বারে ।

Photo Copyright ::  Islamography
26/11/2022

Photo Copyright :: Islamography

অন্য কারও দেয়ালে কিছু লেখা কিংবা কোনো প্রচারপত্র লাগানো, চাই এতে নসিহতের কথাই থাকুক না কেন। ওই ব্যক্তির অনুমতি ব্যতীত ত...
14/11/2022

অন্য কারও দেয়ালে কিছু লেখা কিংবা কোনো প্রচারপত্র লাগানো, চাই এতে নসিহতের কথাই থাকুক না কেন। ওই ব্যক্তির অনুমতি ব্যতীত তা জায়েয নয়, গোনাহ।
- মুফতি তাকি উসমানী হাফিজাহুল্লাহ।
উমেদ প্রকাশ Umed Prokash

আমরা যে নিম্নমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবার এবং সমাজে বেড়ে উঠে এখনো জীবন-যাপন করছি তার অনেক রং, রস ও রূপ রয়েছে। এসবের অন...
06/11/2022

আমরা যে নিম্নমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবার এবং সমাজে বেড়ে উঠে এখনো জীবন-যাপন করছি তার অনেক রং, রস ও রূপ রয়েছে। এসবের অন্যতম একটি হলো ঘরের কর্তার মাইনের টাকা বা সারা মাসের উপার্জন।
এই টাকাটা সাধারণত তিন পদ্ধতিতে বণ্টন ও ব্যয় করা হয়।
১. কর্তা মাসের সব বাজার বাকিতে করেন। বেতন পেয়ে সামান্য হাতখরচা রেখে বাকি সব টাকা মুদি দোকান, সবজিওয়ালা, ফার্মেসি, দুধওয়ালা আর ভাড়া ও বিল-বাট্টায় বিলিয়ে দিয়ে বসে থাকেন। এতে বাকির খাতা একটু একটু করে লম্বা হয়। বছর শেষে বোনাস আর এদিক-ওদিকের বাড়তি কিছু আয় দিয়ে তা শেষ করতে হয়।
২. কর্তা সব টাকা নিজের পকেটে রাখেন। বাসার যখন যা লাগে, এনে দেন। বাসার লোকজন তার আয়-রোজগার, ব্যয়ের পরিমাণ আর চলমান অবস্থা সম্পর্কে তেমন খোঁজখবর রাখে না। রাখতে চায়ও না। তারা শুধু তাদের প্রয়োজনটুকু জানান দিয়ে অপেক্ষায় থাকে।
৩. কর্তা তার নিজের হাতখরচা রেখে বাকিটা গিন্নির হাতে তুলে দেন। গিন্নি মাথা খাটিয়ে সেই টাকায় মাস পার করেন। এ ক্ষেত্রে কর্তার চেয়ে গিন্নির টেনশনটা থাকে বেশি।
এবার আসি আমার অভিজ্ঞতায়।
মোটামুটি বুঝ হওয়ার পর একটা সময়ে এসে খেয়াল করলাম, আব্বা তার উপার্জনের সব টাকা আম্মার হাতে তুলে দিচ্ছেন। প্রতিদিন বাজারে যাওয়ার সময় আম্মার কাছ থেকে বাজারের লিস্ট আর টাকা নিয়ে যান। বাজার শেষে ঘরে ফিরে হিসেব করে বাকি টাকা ফিরিয়ে দেন।
আমাদের বাসায় এখনো আমার দুই ভাই মাসের আয়-উপার্জন থেকে ব্যক্তিগত হাতখরচের টাকা রেখে বাকিটা আম্মার হাতে তুলে দেন। আমি আলাদা ও দূরে থাকি বলে এই নিয়মের বাইরে আছি।
তবে বাসায় আমি বউয়ের হাতে টাকা-পয়সা তুলে দিই না। চাইলে দিই।
ছোটকালে আব্বার সবকিছুই আমার ভালো লাগলেও এই বিষয়টা ভালো লাগত না। চিন্তা করতাম, পুরুষ মানুষ টাকা কামাবে, পকেটে নিয়া ঘুরবে, একাউন্টে রাখবে, খরচ করবে। বউয়ের হাতে টাকা দিতে যাবে কেন? বউকে হিসাব দিতে যাবে কেন?
কিন্তু চল্লিশ বসন্তের দোরগোড়ায় এসে বাপজানের সেই সিদ্ধান্তকে এখন বড় বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে হচ্ছে।
যখন উপার্জনের টাকা নিজের পকেটে থাকে তখন বাসার লোকজনের কাছে মাসের শুরু আর শেষ বলে কিছু থাকে না। ব্যাপারটা অনেকটা ‘লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন' পর্যায়ে চলে যায়। যখন তখন ফোন করে বলবে, আসার সময় এইটা নিয়া আইসেন। ছেলে ফোন করবে, মেয়ে ফোন করবে। এটা-ওটা লাগবে। এনে দিতে হবে। কীভাবে আসবে তা জানার দরকার নেই। আর বড় কিছু হলে আগে মায়ের কানে দেবে। মা এসে বাপের কানে দেবে। টাকা নেই বললে বলবে, ‘আমরা চাইলেই আপনার টাকা শেষ হয়ে যায়!”
আর আব্বা যখন আম্মার হাতে টাকা তুলে দিত। তখন আম্মার সামনে পুরো মাস টেনে নেয়ার চিন্তা থাকত। কোথায় খরচ না করলেই নয়, কোন জিনিসটা এ মাসে না হলেও চলে, কার কোন আবদার পূরণযোগ্য তা ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিয়ে আগাত।
আমি বলছি না, আপনারা বউয়ের হাতে টাকা তুলে দিন। এসব ব্যাপার একেক পরিবারে একেক রকম ফলাফল বয়ে আনে।
আমার বলার উদ্দেশ্য হলো সীমিত আয়ে সংসার চালাতে চাইলে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে হবে। এখন আপনার মা বা বউ যদি মধ্যবিত্তের সংগ্রাম দেখে উঠে আসে, তাহলে মাইনের টাকা ওনার হাতে তুলে দেয়া যেতেই পারে।
তবে কেউ যদি মনে করেন, বউয়ের হাতে টাকা তুলে দিলে সংসারে নিজেই গুরুত্বহীন হয়ে পড়বেন তাহলে এই পথে পা বাড়ানোর চিন্তা না করাই ভালো।
বি. দ্র. এই লেখা আমার মতো নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজনের জন্য। আপনার মতো উচ্চ বা উচ্চ মধ্যবিত্তের জন্য নয়।
বই: গল্প কল্প চিন্তা
লেখক: আহমাদ ইউসুফ শরীফ
Sanchalan Prokashoni - সঞ্চালন প্রকাশনী

বিভিন্ন গান ও সঙ্গীতে প্রেম-ভালোবাসার পক্ষে নবী ইউসুফ আলাইহিস সালামের কথা উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, ইউসুফ আলাইহিস সালাম জ...
04/11/2022

বিভিন্ন গান ও সঙ্গীতে প্রেম-ভালোবাসার পক্ষে নবী ইউসুফ আলাইহিস সালামের কথা উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, ইউসুফ আলাইহিস সালাম জুলাইখার সাথে প্রেম করেছিলেন। জুলাইখার সাথে ইউসুফ আলাইহিস সালামের কল্পিত প্রেমকাহিনি নিয়ে অনেক উপাখ্যানও প্রচলিত আছে (নাউযুবিল্লাহি মিন হাযা)।
এগুলো সব কুফরী কথা। এর মাধ্যমে ইউসুফ আলাইহিস সালামের ওপর অপবাদ আরোপ করা হয় এবং তার পবিত্র চরিত্রে কালিমা লেপন করা হয়। কোনো মুসলিম এমন কথা বলতে পারে না। এটি তাঁর ওপর মিথ্যাচার। বরং ইউসুফ আলাইহিস সালামের জুলাইখার কুমতলবে সাড়া না দেওয়ার কারণে তাকে ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয় এবং অনেক বছর জেলে বন্দী অবস্থায় কাটাতে হয়।
বই : যেসব কথা বলতে মানা
লেখক : শাইখ আব্দুল্লাহ মাহমুদ
প্রকাশনী : আযান প্রকাশনী

মৃত্যুর সময়ে শয়তানের টোপমৃত্যুর সময়টা খুব যন্ত্রণাদায়ক। প্রচণ্ড কষ্টের। একদিকে ভালোবাসার সব জিনিস, প্রিয় মানুষ ছেড়ে যাওয়...
04/11/2022

মৃত্যুর সময়ে শয়তানের টোপ
মৃত্যুর সময়টা খুব যন্ত্রণাদায়ক। প্রচণ্ড কষ্টের। একদিকে ভালোবাসার সব জিনিস, প্রিয় মানুষ ছেড়ে যাওয়ার ব্যথা, অন্যদিকে মৃত্যুর বিভীষিকা, সম্পদের মায়া। শয়তান তাই এই সুযোগটার পূর্ণ ‘সদ্ব্যবহার’ করে।
সে কানপড়া দিতে শুরু করে: ‘কী অবস্থা তোমার! কেন মারা যাচ্ছ? খুব কষ্ট লাগছে? তোমার স্ত্রী-সন্তান ছেড়ে কোথাকার কোন মাটির নিচে জায়গা হবে তোমার!’
এগুলো বলে বলে সে মানুষকে তার প্রভুর প্রতি বিদ্বেষী করার টোপ ফেলে। আল্লাহর নির্ধারিত নিয়তির প্রতি ঘৃণা জাগাতে চায়। তাকে দিয়ে আপত্তিকর কথাবার্তা বলায়। কিংবা উইল করার সময় দেখা যায় তাকে দিয়ে অন্যায় পক্ষপাত করাচ্ছে। বংশধরদের একজনের চেয়ে অন্যকে হিস্সার চেয়েবেশি দিয়ে দিচ্ছে। এরকম আরও বহু বেইনসাফি কাজ করায়। এজন্য শয়তানের এই টোপ এড়ানোর উপায়, নিজেদের শুদ্ধ করার পন্থা জানা খুব খুব জরুরি।
আবূ আল-ইউস্‌ (রাদ্বি.) বলেছেন নবিজি (সা.) একটা দু‘আ প্রায়ই করতেন:
أعوذ بك أن يتخبطنى الشيطان عند املوت
আ‘ঊয্বুবিকা আন য়াতাখাব্বাত়নীশ-শাইত়ানু ‘ইনদাল-মাওত।' অর্থাৎ (আল্লাহ) আপনার কাছে আমি মৃত্যুর সময় শয়তানের ধোঁকা থেকে আশ্রয় চাই।'
অন্তিম সেই সময়ে শয়তান তার অনুচরদের বলে, “এই মরণের সময় যদি ওকে ভুল পথে নিতে না পারো, তা হলে আর জীবনেও পারবে না।”
কঠিন এই পরীক্ষায় উতরানোর উপায় হচ্ছে সুস্থ অবস্থায় আল্লাহর ব্যাপারে সচেতন থাকুন। তা হলে কঠিন সময়ে আল্লাহ ‘নিজে’ আপনাকে হেফাজত করবেন। আপনার চিন্তা চেতনায় যদি সব সময় আল্লাহকে স্থান দেন, তা হলে তিনি আপনার অঙ্গপ্রতঙ্গকে আজে বাজে কাজে জড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা করবেন।
এই প্রসঙ্গেই নবিজি (সা.) বলেছেন, 'আল্লাহকে স্মরণ রাখো। তিনি তোমাকে রক্ষা করবেন। আল্লাহকে স্মরণ রাখো, তোমার সামনে তাঁকে খুঁজে পাবে। ভালো সময়ে যদি তাঁকে চেনো, তা হলে তোমার কষ্টের সময়েও তিনি তোমাকে চিনবেন।' (আত-তিরমিযী ২৫১৬)
'মনের ওপর লাগাম' বই থেকে
লেখক: ইবনুল জাওযী (রহ.)
ওয়াফি পাবলিকেশন

📎 বর্তমান মানবসমাজ সেই মাছের মতো ছটফট করে জীবনযাপন করছে, যার জীবন এক মুষ্টি পানির ছোঁয়া পেতে চাচ্ছে। সেই জমিনের ন্যায় চৌ...
31/10/2022

📎 বর্তমান মানবসমাজ সেই মাছের মতো ছটফট করে জীবনযাপন করছে, যার জীবন এক মুষ্টি পানির ছোঁয়া পেতে চাচ্ছে। সেই জমিনের ন্যায় চৌচির হয়ে আছে, যেই জমিন আসমান থেকে এক ফোঁটা বৃষ্টির পানি অধিগ্রহণের জন্য মরিয়া হয়ে আছে। মানবজীবনে সেই প্রশান্তিময় বারিধারা হলো ইসলামি শরিয়ত। একমাত্র ইসলামি শরিয়তের ছোঁয়াতেই অস্থির মানবহৃদয়গুলো প্রশান্তি লাভ করতে পারে।
📎 বিশ্ববাসী আজ তাদের জীবনের সবচেয়ে বড় নিয়ামত থেকে বঞ্চিত। সেই নিয়ামত হচ্ছে ইসলামের সামগ্রিকতা। সাধারণ মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে সবার চিন্তা থেকে ইসলামের নাম প্রচ্ছন্ন হয়ে যায়নি। ইসলাম নামক ধর্মের কথা প্রায় সবাই নিজেদের জ্ঞানজগতে সংরক্ষণ করে। কিন্তু ইসলামের পূর্ণাঙ্গ মর্ম ও সামগ্রিক চিত্র আজ তাদের সকলের চিন্তা থেকেই প্রচ্ছন্ন বলা যায়।
📎 প্রিয় পাঠক, ফিকহি মাসায়িলের পরিবর্তে বক্ষ্যমাণ বইটি রচনায় আমাদের প্রধান মনোযোগ ছিল ইসলামের সৌন্দর্য, যথার্থতা, উপযোগিতা, কল্যাণ ও মহত্ত্বের প্রতি। আশা করি, বইটি মুসলিম ও অমুসলিম নির্বিশেষে সকলের জন্যই ইসলামের মর্মবাণী অনুধাবনে সহায়ক হবে ইনশাআল্লাহ।

জান্নাতিদের সাজসজ্জার মধ্যে আরও একটি হলো তাজ বা মুকুট।সুনানে তিরমিজি ও সুনানে ইবনে মাজাহতে মিকদাম বিন মাদিকারাব রাদিয়াল...
31/10/2022

জান্নাতিদের সাজসজ্জার মধ্যে আরও একটি হলো তাজ বা মুকুট।সুনানে তিরমিজি ও সুনানে ইবনে মাজাহতে মিকদাম বিন মাদিকারাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জান্নাতে শহিদদের মর্যাদা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, শহিদের মাথায় মর্যাদার টুপি পরিয়ে দেওয়া হবে। এর একটি ইয়াকুত দুনিয়া ও তার মধ্যকার সবকিছুর চেয়ে উত্তম।
-
ব‌ই: জান্নাত জাহান্নাম
লেখক: ড. উমর সুলাইমান আল আশকার
অনুবাদক: হাসান মাসরুর
পৃষ্ঠা: ৩৮২

কঠিন অন্তরের ব্যক্তিকে মৃত্যুর কথা স্মরণ করিয়ে দিলে বা সে কোনো মৃত ব্যক্তি দেখলে তার কোনো ভাবান্তর হয় না। এমনকি নিজে লাশ...
31/10/2022

কঠিন অন্তরের ব্যক্তিকে মৃত্যুর কথা স্মরণ করিয়ে দিলে বা সে কোনো মৃত ব্যক্তি দেখলে তার কোনো ভাবান্তর হয় না। এমনকি নিজে লাশ কাঁধে বহন করে নিয়ে তাতে মাটি দিলেও নির্লিপ্ত থাকে। কবরস্থানের নিকটে হাঁটার সময় তার কাছে মনে হয় সাধারণ কিছু পাথরের পাশ দিয়ে যাচ্ছে।
ঈমান দুর্বল হলে ইবাদাতে মনোযোগ থাকে না. সালাত, তিলাওয়াত, দু’আ যদি নিয়মিত করেও, সেগুলো একঘেয়ে রুটিনের মত করে। কী আওড়াচ্ছে তার অর্থের দিকে কোনো খেয়াল থাকে না। আল্লাহ “সে ব্যক্তির দুআ কবুল করেন না যার অন্তর তাঁর প্রতি গাফেল।” (তিরমিযি, ৩৪৭৯)
তাই ঘুমিয়ে পড়া ঈমানকে জাগিয়ে তুলতে হয়, পরিচর্যা দ্বারা এর অসুস্থতা কাটিয়ে উঠাতে হয়।
ঈমানের যাবতীয় দুর্বলতা এবং এসবের চিকিৎসা নিয়ে শায়খ সালেহ আল মুনাজ্জিদের বই “ঈমানের দুর্বলতা” বেশ ফলদায়ক।
ঈমানের দুর্বলতা
লেখক : মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ
প্রকাশনী : রুহামা পাবলিকেশন

31/10/2022

বর্তমান মানবসমাজ সেই মাছের মতো ছটফট করে জীবনযাপন করছে, যার জীবন এক মুষ্টি পানির ছোঁয়া পেতে চাচ্ছে। সেই জমিনের ন্যায় চৌচির হয়ে আছে, যেই জমিন আসমান থেকে এক ফোঁটা বৃষ্টির পানি অধিগ্রহণের জন্য মরিয়া হয়ে আছে। মানবজীবনে সেই প্রশান্তিময় বারিধরা হলো ইসলামি শরিয়ত। একমাত্র ইসলামি শরিয়তের ছোঁয়াতেই অস্থির মানবহৃদয়গুলো প্রশান্তি লাভ করতে পারে।
বিশ্ববাসী আজ তাদের জীবনের সবচেয়ে বড় নিয়ামত থেকে বঞ্চিত। সেই নিয়ামত হচ্ছে ইসলামের সামগ্রিকতা। সাধারণ মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে সবার চিন্তা থেকে ইসলামের নাম প্রচ্ছন্ন হয়ে যায়নি। ইসলাম নামক ধর্মের কথা প্রায় সবাই নিজেদের জ্ঞানজগতে সংরক্ষণ করে। কিন্তু ইসলামের পূর্ণাঙ্গ মর্ম ও সামগ্রিক চিত্র আজ তাদের সকলের চিন্তা থেকেই প্রচ্ছন্ন বলা যায়৷
প্রিয় পাঠক, ফিকহি মাসায়িলের পরিবর্তে বক্ষ্যমাণ বইটি রচনায় আমাদের প্রধান মনোযোগ ছিল ইসলামের সৌন্দর্য, যথার্থতা, উপযোগিতা, কল্যাণ ও মহত্ত্বের প্রতি। আশা করি, বইটি মুসলিম ও অমুসলিম নির্বিশেষে সকলের জন্যই ইসলামের মর্মবাণী অনুধাবনে সহায়ক হবে ইনশাআল্লাহ।
-
বই: ইসলামের মর্মকথা
সংকলক: ইফতেখার সিফাত
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩০০
প্রচ্ছদ মূল্য: ৪১৪৳

Address

House/25/A, Mohakhali, Dhaka/1212
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sunnah Circle posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sunnah Circle:

Share

Category