ABS TraderS

ABS TraderS Trading Company

****Chia See****জারসহ পাবেন। একদম নিখুঁত ওজন পাবেন। 🍃Super Food কি?সাধারণত পুষ্টিগুণে ঠাসা উদ্ভিজ্জ খাদ্য বস্তু যেগুলো আ...
16/11/2021

****Chia See****
জারসহ পাবেন। একদম নিখুঁত ওজন পাবেন।

🍃Super Food কি?
সাধারণত পুষ্টিগুণে ঠাসা উদ্ভিজ্জ খাদ্য বস্তু যেগুলো আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপযোগী, তাদের বলা হয় SUPERFOOD। চিয়া বীজ হল এমনি একটি SUPERFOOD, যা বর্তমানে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
🍃চিয়া বীজ কি?
আসলে চিয়া বীজের জন্ম সুদূর মেক্সিকোতে। স্থানীয় “Salvia hispanica” নামক “mint” প্রজাতির গাছের বীজ এটি, তাই এর কোনও ভারতীয় নাম নেই, এটি চিয়া বীজ নামেই প্রচলিত। ছোট, সাদা, ধূসর, বাদামী ও কালো রঙের এই বীজটি পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং এর অনেক উপকারিতা আছে।
🍃 চিয়া বীজের পুষ্টিগুণ:
• দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশী ক্যালসিয়াম
• কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি
• পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশী আয়রন (লোহা)
• কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম
• স্যামন মাছের থেকে ৮ গুণ বেশী ওমেগা-৩
🍃Chia seed (চিয়া সীড)
চিয়া সিড হচ্ছে পৃথিবীর সুপার ফুড গুলোর মধ্যে অন্যতম।
প্রতি ২৮ গ্রাম চিয়া সিড এ আছে
👉 এনার্জি – ১৩৭ ক্যালোরি
👉 কার্বোহাইড্রেড – ৩ গ্রাম
👉 প্রোটিন – ৪ গ্রাম
👉 ফ্যাট – ৬ গ্রাম
👉 ফাইবার – ৬ গ্রাম
👉 ম্যাগজিন – ৬ মিলিগ্রাম
👉 ফসফরাস – ২৬৫ মিলিগ্রাম
👉 ক্যালশিয়াম – ১৭৭ মিলিগ্রাম
👉 জিঙ্ক – ১ মিলিগ্রাম
👉 তামা – ১ মিলিগ্রাম
👉 পটাশিয়াম – ৮ মিলিগ্রাম
এতে রয়েছে ওমেগা-৩ জাতীয় ফ্যাটি অ্যাসিড যে কারণে এটি হার্টের পক্ষে খুব ভালো। এটি আমাদের রক্তে HDL cholesterol বাড়ায় যা শরীরের জন্য ভালো। এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে রয়েছে প্রোটিন ও ফাইবার। রয়েছে আয়রন এবং ক্যালসিয়ামও।
দৈনিক এক আউন্স চিয়া বীজ খেলে ১৮% কালসিয়ামের চাহিদা, ২৭% ফসফরাসের চাহিদা এবং ৩০% ম্যাঙ্গানিজের চাহিদা পূরণ হতে পারে। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান গুলি পর্যাপ্ত পরিমাণে খাই না, সেক্ষেত্রে এই চিয়া বীজ খুবই উপকারী।
এই কারণে যারা ওজন কমাতে চান, বা রক্তে সুগারের সমস্যায় ভুগছেন বা যাদের হার্টের সমস্যা আছে তারা দিনে ১ টেবিল চামচ (১০ গ্রাম) করে চিয়া বীজ খেতে পারেন। এতে উপস্থিত ফাইবার অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেটে থাকে, ফলে খিদে অনেক দেরিতে পায়, এবং অন্যান্য খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমায় যা ওজন কমানোর ক্ষেত্রে উপযোগী।
🍃 চিয়া বীজ খাওয়ার 35 টি মজার উপায় 2020
• 1 চিয়া জল
• 2 জুস সাকেড চিয়া
• 3 চিয়া পুডিং
• 4 মসলাতে চিয়া
• 5 কাঁচা চিয়া শীর্ষস্থানের
• 6 চিয়া সিরিয়াল
• 7 চিয়া Truffles
• 8 একটি স্নেহপূর্ণ ফেরি মধ্যে
• 9 একটি সালাদ যোগ করা হয়েছে
• 10 সালাদ ড্রেসিং এ
• 11 রুটির মধ্যে বেকিং
• 12 মাংস বা মাছের জন্য একটি কাঁকড়া কুমির আবরণ হিসাবে
• 13 কেকের মধ্যে বেকড
• 14 অন্যান্য শস্য সঙ্গে মিশ্রিত
• 15 ব্রেকফাস্ট বারে
• 16 প্যানকেকস এর মধ্যে
• 17 জ্যামে
• 18 কুকিজে বেকড
• 19 চিয়া প্রোটিন বার
• 20 স্যুপ বা গ্লিভী
• 21 একটি ইগ সাবস্টিটিস্ট হিসাবে
• 22 Dips যোগ করা হয়েছে
• 23 হোমডেড মফিনে বেকড
• 24 ওটমিল এর মধ্যে
• 25 দই ইন
• 26 ক্র্যাকার তৈরি করতে
• 27 হোমড্রাইভ বার্গার এবং মাটবলের জন্য ঘোড়া হিসাবে
• 28 একটি হোমমডেন এনার্জি জেল হিসাবে
• 29 চা যোগ করা
• 30 টার্টিলাস তৈরি করতে
• 31 আইসক্রিম বা আইসক্রীম পোপের মধ্যে
• 32 একটি পিজা বেস করতে
• 33 ফালাফেল তৈরি করতে
• 34 হোমো গ্রানোনাতে
• 35 হোমডাম লিমোডেডে
🍃ওজন কমাতে চিয়া সীডের পানি
১ গ্লাস পানিতে ১ চা চামচ চিয়া বীজ দিয়ে নেড়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন। পরে ছেঁকে নিয়ে পানি পান করুন। স্বাদ বাড়াতে চাইলে এতে লেবুর রস, কমলার রস, গোল মরিচ গুড়ো, বা মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।
🍃সুপারফুড চিয়া সীডের ১৫টি উপকারিতা
১। এটা শক্তি এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে
২। চিয়া সীড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে
৩। চিয়া বীজ ওজন কমাতে সহায়তা করে
৪। চিয়া সিড ব্লাড সুগার (রক্তের চিনি) স্বাভাবিক রাখে, ফলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়
৫। চিয়া বীজ হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষ উপকারি
৬। চিয়া সিড মলাশয় (colon) পরিষ্কার রাখে ফলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়
৭। চিয়া সিড শরীর থেকে টক্সিন (বিষাক্ত পদার্থ) বের করে দেয়
৮। চিয়া সীড প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করে
৯। চিয়া সীড ভাল ঘুম হতে সাহায্য করে
১০। চিয়া বীজ ক্যান্সার রোধ করে
১১। চিয়া সিড হজমে সহায়তা করে
১২। চিয়া বীজ হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথা দূর করে
১৩। চিয়া সীড এটেনশান ডেফিসিট হাইপার এক্টিভিটি ডিসর্ডার (Attention deficit hyperactivity disorder ADHD) দূর করে
১৪। চিয়া সিড ত্বক, চুল ও নখ সুন্দর রাখে
১৫। চিয়া সীড গৃহপালিত পশুর খাদ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হয়
🍃 খাওয়ার নিয়ম
🌲Chia seed প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস পানিতে ২০ মিনিট ভিজানোর পর লেবুর রস, আধা চামচ মধু মিশ্রড করে খাবেন। তারপর আধঘণ্টা পর নাস্তা খাবেন। অবশ্যই হাঁটাহাঁটি করবেন। ৩ মাস রেগুলার খেলে ওজন কমবে ।
🌲যেকোন শরবত বা স্মুদির উপর ১ চা চামচ
ছিটিয়ে সরাসরি ব্যবহার করা যাবে।
🌲ফালুদা-পুডিং-কাস্টার্ড-ব্রেড-কেক-স্ন্যাক এ
সরাসরিও ব্যবহার করতে পারেন।
🌲বাচ্চাদের জন্য সুজি-খিচুরি-পায়েস-ফিরনি প্রভৃতিতে সরাসরি ব্যবহার করা যাবে।
🌲শিশুদের জন্য ১/২ বা ১ চা চামচ (বয়স ভেদে) আর বড়দের জন্য ১টেবিল চামচ যথেষ্ট।
🌲দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় খাবার আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমাদের ছোট্ট এই প্রচেষ্টা।
তথ্যসুত্রঃ ইন্টারনেট

***জর্দা আলু***↪খুরমা থেকে একটু নরম কিন্তু ভেজা নয়। ↪হালকা মিস্টি। ↪অত্যন্ত উপকারী এবং সুস্বাদু।↪মাংসল অংশটুকু খেয়ে বীজ ...
14/11/2021

***জর্দা আলু***

↪খুরমা থেকে একটু নরম কিন্তু ভেজা নয়।
↪হালকা মিস্টি।
↪অত্যন্ত উপকারী এবং সুস্বাদু।
↪মাংসল অংশটুকু খেয়ে বীজ ফেলে দিবেন না। দাঁত দিয়ে বীজ ভেঙ্গে ভেতরে কাঠবাদামের মতো একটা বাদাম আছে সেটা অবশ্যই খাবেন। ঠিক বরইয়ের বীজের ভেতরে যেমন বাদাম থাকে সেরকমই কিন্তু একটু বড় বাদাম পাবেন।
↪বিদেশী ফল, বাংলাদেশে হয় না।

Health and Nutrition Benefits
💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠

▶রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়িয়ে তুলে রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে সাহায্য করে এপ্রিকট। যাদের Menstruation এর সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয় তাদের জন্য জর্দা আলু খুবই উপকারী।

▶জর্দা আলুতে/এপ্রিকটে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-বি২, ভিটামিন-বি৩, ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি রয়েছে।

▶রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, প্রোটিন ও উপকারী ফ্যাট।

▶জর্দা আলুর পেকটিন ও সেলুলোজ পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত এপ্রিকট খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

▶জ্বরের সময় জর্দা আলু মধুর সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

#জর্দা_আলু

**Black Raisin**কালো কিসমিস – কিসমিস জগতের রাজা। একটি সর্বোত্তম খাবার হিসাবে বিবেচিত।🔵 Health Benefits 🔵↪ বিশেষত যাদের ও...
13/11/2021

**Black Raisin**

কালো কিসমিস – কিসমিস জগতের রাজা। একটি সর্বোত্তম খাবার হিসাবে বিবেচিত।

🔵 Health Benefits 🔵

↪ বিশেষত যাদের ওজন বা অপুষ্টিজনিত, এবং এটি অনেকগুলি রোগ এবং স্বাস্থ্য সমস্যা নির্মূল করার জন্য খুব কার্যকর যকৃত এবং প্লীহা প্রভাবিত।
↪ কালো কিসমিসে ভিটামিন সি, ফসফরাস, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং পটাসিয়াম সমৃদ্ধ।
↪ এটিতে আপেল অ্যাসিড এবং বাদাম ইমলসিফায়ারের একটি ভাল অনুপাত রয়েছে।

↪ প্রাচীনকাল থেকেই বহু কালীন রোগের চিকিৎসায় কালো কিসমিসের ব্যবহৃত হয়েছে।
↪ ফুসফুসের রোগ, ম্যালেরিয়া, গাউট, জন্ডিস, মূত্রাশয় পাথর এবং মাইগ্রেন।
↪ কালো কিসমিসের রস রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়, যা ত্বকের বিশুদ্ধতা উন্নত করে এবং শরীরকে শক্তিশালী করতে, পাচনতন্ত্রকে পরিষ্কার করতে এবং ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষতিকারক জমাগুলি থেকে মুক্তি দিতে সহায়তা করে এবং এটি লিভারের উদ্দীপকও বটে।
↪ এটি কোষ্ঠকাঠিন্য ঠিক করে এবং খারাপ ডায়েট বা হজমে অসুবিধার ফলস্বরূপ; এটি মানুষের হজমে সহায়তা করতে সহায়তা করে।

↪ উচ্চ রক্তনালী সরবরাহ করে, কারণ এতে উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে।
↪ বিভিন্ন ধরণের অ্যালার্জির জন্য বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিমেটার ধারণ করে।
↪ প্রথমদিকে এথেরোস্ক্লেরোসিসের সূত্রপাত থেকে সুরক্ষা দেয়।
↪ এটি ক্লান্তি এবং অবসাদ দূর করতে ব্যবহৃত হয়, কারণ এতে প্রচুর পুষ্টিগুণ রয়েছে।

↪ ধমনী রক্তচাপ হ্রাস করে, কারণ এটি রক্তনালীগুলির নমনীয়তা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে, যা মানুষের রক্তচাপের ব্যাধিগুলি হ্রাস করে।
↪ এটি পেটের আলসারের চিকিৎসা করে কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে শর্করা এবং ক্যালসিয়াম রয়েছে।
↪ শ্বাসকষ্টের অনেক রোগের সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

↪ একটি ক্ষুধার্ত হিসাবে কাজ করে, যা বডি বুস্টার এবং একটি ক্ষুধার্ত হিসাবে ব্যবহৃত সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার আইটেম।
↪ পিত্ত নালী সংক্রমণ লোহা, ম্যাঙ্গানিজ এবং তামা জন্য চিকিত্সা করা হয়, যা পিত্ত নালী সংক্রমণ চিকিত্সার জন্য অত্যন্ত কার্যকর।
↪ অ্যানিমিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে খুব বেশি অবদান রাখে কারণ এতে থাকা খাবার দেহে রক্তের পর।

↪ কিসমিস পুরুষালি শক্তি বৃদ্ধি করে।
↪ কিসমিস কেবল স্বাদেই অতুলনীয় নয়, ছোট এই ড্রাই ফ্রুটে রয়েছে অনেক উপকারিতা। সমীক্ষা বলছে প্রত্যেক মানুষের দিনে নির্দিষ্ট পরিমাণ কিসমিস খাওয়া উচিত। এতে শরীর প্রয়োজনীয় ক্যালোরি পাবে কিন্তু কোন ফ্যাট থাকবে না।
↪ কিসমিসে পর্যাপ্ত পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে। আর এর মিষ্টত্ব শরীরকে শক্তি জোগায়। এতে কর্মক্ষমতা বাড়ে।

↪ বেশিরভাগ মহিলার শরীরে আয়রনের কমতি থাকে। তাঁরা রক্তাল্পতায় ভোগেন। এমন সমস্যায় কিসমিস ভীষণ উপকারে লাগে। এতে প্রচুর মাত্রায় আয়রন থাকে।
↪ ছোট্ট এই ড্রাই ফ্রুটে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়ামও থাকে। যা পেশি সংকোচনের হার কমিয়ে দেয়। আবার স্নায়ুতে রক্তপ্রবাহের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে।
↪ হৃৎপিণ্ডের সমস্যা যাঁদের রয়েছে তাঁদেরও কিসমিস খাওয়া উচিত। কারণ তা হৃৎস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। কিসমিস রক্তে সোডিয়ামের পরিমাণ কমিয়ে দিয়ে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। লিভার ও কিডনির সমস্যাতেও কিসমিস ভীষণ উপকারি। শুধু কিসমিস কেন কিসমিস ভেজানো পানি ( কিসমিস ডিটক্স ওয়াটার ) খেলে আরো বেশি উপকার পাওয়া যায় !

↪ হজমে সাহায্য করে
↪ রক্তশূন্যতা দূর করে
↪ জ্বর নিরাময় করে

↪ ক্যান্সার ঝুঁকি কমায়
↪ এসিডিটি কমায়
↪ চোখের যত্নে উপকারী

↪ দাঁতের ও হাড়ের সুরক্ষা করে
↪ দেহে শক্তি সরবরাহকারী
↪ অনিদ্রা দূর করে

↪ উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্ট্রোরেল কমায়
↪ ইনফেকশন হতে বাধা প্রদান করে
↪ কাজে মনোযোগ বাড়ায়

↪ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
↪ শিশুর মানসিক বিকাশে কার্যকরী
↪ পুরুষালি শক্তি বৃদ্ধি করে

#কিসমিস

🍃 The method of storage 🍃
Please place it in a dry and shady and cool place and avoid direct sunlight.

বিশাল এই পোস্টে কি কি আছে তা এক নজরে দেখে নিন। 🔵 হিমালয়ান সল্ট কি? 🔵 হিমালয়ান সল্টের গঠন।🔵 সাধারণ লবনের সাথে হিমালয়ান সল...
13/11/2021

বিশাল এই পোস্টে কি কি আছে তা এক নজরে দেখে নিন।

🔵 হিমালয়ান সল্ট কি?
🔵 হিমালয়ান সল্টের গঠন।
🔵 সাধারণ লবনের সাথে হিমালয়ান সল্টের মূল পার্থক্য।
🔵 গাড় পিংক হলেই কি হিমালয়ানপিংক সল্ট বেশি ভাল?
🔵 হিমালয়ান সল্ট এর বিস্ময়কর উপকারিতা!
🔵 হিমালয়ান সল্ট এর বিস্ময়কর ব্যবহার!

🔵 হিমালয়ান সল্ট কি 🔵
হিমালয়ান সল্ট পৃথিবীতে পাওয়া সবচেয়ে বিশুদ্ধ লবণ যা বিষাক্ত ও দূষিত পদার্থ মুক্ত। পৃথিবীর জন্মের আদিলগ্ন থেকে এই লবন রয়েছে প্রকৃতির মধ্যে। লক্ষ লক্ষ বছর আগে এভারেস্ট থেকে একপ্রকার যৌগ এসে মেশে সমুদ্রের জলে। দীর্ঘদিন ধরে তা জমতে জমতে গোলাপি ক্রিস্টাল কণায় পরিণত হয়।

এর মধ্যে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত “হিমালায় পর্বত”ও অন্তভুক্ত আছে। হিমালয়ান সল্ট ভারত থেকে চীণের যে প্রসারিত পর্বতশ্রেণী রয়েছে তার মধ্যে পাওয়া যায়।।
হিমালয় পর্বতশ্রেণী থেকে এই লবণের দেখা পাওয়া যায় বলে একে হিমালয়ান সল্ট বলা হয়।

এই লবণের অনন্যতার কারণ হচ্ছে এর বিস্ময়কর গুনাগুন এবং গোলাপি বর্ণ যা আয়রন অক্সাইডের উপস্থিতির জন্য হয়ে থাকে। এ কারণে হিমালয়ান এই সল্ট পিংক সল্ট নামে খ্যাতি পায়।

🔵 হিমালয়ান সল্টের গঠন 🔵
প্রধানত হিমালয়ান সল্ট সোডিয়াম ক্লোরাইড নিয়ে গঠিত। তবে এতে আয়রন, সালফেট, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, কপার, জিংক, সেলেনিয়াম, আয়োডিন এবং ফ্লোরাইডসহ প্রায় ৮৪ টির মত উপাদান থাকে। এই লবণের খনিজ উপাদানগুলো আঠালো গঠনে থাকে এবং মানুষের শরীরের কোষে খুব সহজেই শোষিত হতে পারে। খনিজ লবণে সমৃদ্ধ হওয়ায় এই লবণ শরীর ও মনের নিরাময়ে বিস্ময়কর ভাবে কাজ করে।

🔵 সাধারণ লবনের সাথে হিমালয়ান সল্টের মূল পার্থক্য 🔵
আমরা সাধারণত খাবারে বা রান্নার সময় যে লবন ব্যবহার করি তা পরিশ্রুত লবন। অর্থাৎ প্রায় বিশুদ্ধ সোডিয়াম ক্লোরাইড। প্রাকৃতিক লবন থেকে সমস্ত মিনারেল ছেঁটে ফেলে দেওয়া হয় এই প্রক্রিয়ায়। অথচ এই প্রাকৃতিক মিনারেল আমাদের শরীরের পক্ষে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
আর হিমালয়ান সল্ট কোন প্রকার প্রসেস করা হয় না। একদম বিশুদ্ধ প্রাকৃতিক এই লবন। তাই এই লবনে থাকা ৮৪ টি খনিজই আমরা সরাসরি পাচ্ছি। তাই এই সল্টের গুনাগুন নিঃসন্দেহে সাধারণ লবনের তুলনায় অনেক বেশি।

🔵 গাড় পিংক হলেই কি হিমালয়ান সল্ট/পিংক সল্ট বেশি ভাল? 🔵
লবনের খনিতে সকল অংশে আয়রন অক্সাইডের পরিমান এক রকম থাকে না, যেখানে আয়রন অক্সাইডের উপস্থিতি বেশি সেখানকার ব্লক বেশি পিংক হয় আর যেখানে উপস্থিতি কম হয় সেখানকার ব্লক অপেক্ষাকৃত কম পিংক কালার হয়ে থাকে।

তারমানে হচ্ছে, গাড় পিংক হলে আয়রন অক্সাইড বেশি পাচ্ছেন আর কম পিংক হলে আয়রন অক্সাইড কম পাচ্ছেন।
খনিতে গাড় পিংক অনেক কম পাওয়া যার আবার ক্রেতার কাছে গাড় পিংকেরই গ্রহণযোগ্যতা বেশি। তাই স্বাভাবিকভাবেই গাড় পিংক সল্টের মুল্যটাও অনেক বেশি হয়ে থাকে।


🔵 হিমালয়ান সল্ট এর বিস্ময়কর উপকারিতা! 🔵

০১। সোডিয়ামের নিম্ন পরিমাণ - যদিও হিমালয় সল্ট আর সাধারণ লবণ একই উপাদান দিয়ে তৈরি তবুও হিমালয়ের ক্রিস্টাল গঠন সাধারণ লবণের তুলনায় বড়। এর মানে হল এতে ১/৪ টেবিল চামচ পরিমাণে কম সোডিয়াম থাকে সাধারণ লবণের তুলনায়।

০২। উচ্চ পরিমাণে খনিজ - হিমালয়ান সল্ট ৮৪ টি খনিজ নিয়ে গঠিত যা পৃথিবীর মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায়। এতে ৮৫% থাকে সোডিয়াম ক্লোরাইড আর ১৪% থাকে সালফেট, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, খাবার সোডা, বরিক অ্যাসিডের সল্ট, স্ট্রনশিয়াম এবং ফ্লোরাইড মত খনিজ পদার্থ। এই সকল খনিজ়ের নিজস্ব কিছু গুণ আছে যা হিমালয়ান সল্টের মধ্যে ও বিদ্যমান।

০৩। শরীরের তরলের ভারসাম্য রক্ষা করে
হিমালয়ান পিংক সল্টে বিভিন্ন ধরণের ইলেক্ট্রোলাইট থাকে যা শরীরের আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করে। শরীরের কোষগুলোর কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য শরীরের আর্দ্রতা বজায় থাকা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এই লবণে উপস্থিত প্রধান ইলেক্ট্রোলাইটগুলো হচ্ছে সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্লোরাইড। এই ইলেক্ট্রোলাইটগুলো পানির চেয়েও দ্রুত শরীরে শোষিত হয়।

০৪। শরীরকে বিষমুক্ত হতে সাহায্য করে
হিমালয়ান সল্ট গোসলের পানিতে ব্যবহার করলে শরীরের কোষগুলো পুনরুজ্জীবিত ও বিষমুক্ত হয়। এই লবণের খনিজ উপাদানগুলো পানিতে স্থানান্তরিত হয়। তাই যখন এই পানি দিয়ে গোসল করা হয় তখন শরীরের কোষ ও রক্তস্রোত থেকে বিষাক্ত পদার্থ বাহির হয়ে যায়।

০৫। পরিপাক নালীকে পরিষ্কার করে
প্রাকৃতিকভাবে পরিপাক নালীকে পরিষ্কার হতে সাহায্য করে পিংক সল্ট। এটি জোলাপ হিসেবে কাজ করে এবং পরিপাক তন্ত্রের জমে থাকা টক্সিনকে বর্জ্য পদার্থ হিসেবে বাহির হয়ে যাওয়ার জন্য সাহায্য করে।

০৬। শরীরের pH এর ভারসাম্য রক্ষা করে
হিমালয়ান সল্ট শরীরের ক্ষারীয় অবস্থা বজায় থাকতে সাহায্য করে। এটি দেহের তরলের হাইড্রোজেন আয়নের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। সীসা, মার্কারি ও আর্সেনিকের মত ভারী ধাতু শরীর থেকে বাহির করে দিতে সাহায্য করে।

০৭। শ্বাসতন্ত্রের রোগ থেকে মুক্তি দেয়
সাইনুসাইটিস, অ্যাজমা, ব্রংকাইটিস বা অ্যালার্জি থেকে নিরাময়ে সাহায্য করে হিমালয়ান সল্ট। শ্বসনতন্ত্রকে পরিষ্কার হতে ও ক্ষতিকর পদার্থ বাহির হয়ে যেতে সাহায্য করে। এই লবণের অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান অতিরিক্ত মিউকাসকে নরম ও আলগা হতে সাহায্য করে এবং মিউকোসিলিয়ারি পরিবহণের গতি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এই লবণের উপাদানগুলো ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে ক্ষতিগ্রস্থ টিস্যুকে নিরাময়ে সাহায্য করে। গরম পানিতে পিংক সল্ট দিয়ে এর ভাপ নিন।

০৮। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
০৯। সাইনাসের সমস্যা কমিয়ে দেয়।
১০। মাসল ক্র্যাম্প কমায়।
১১। শরীরে বিভিন্ন জয়েন্ট বা গাঁট-কে সুস্থ রাখে।
১২। হাড় শক্তিশালীকরণ।
১৩। ঘুম ভালো হয়।
১৪। হজমশক্তি বাড়ে।
১৫। যৌন ক্ষমতা বাড়ায়।
১৬। মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।
১৭। বলিরেখা কমায়।
১৮। শরীরকে detoxify করে ফলে লোহিত রক্ত কনিকার পরিমান বাড়ে।
১৯। এনার্জিতে ভরপুর রাখে।
২০। কিডনি, লিভার ভালো থাকবে।
২১। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
২২। শরীরে সোডিয়ামের পরিমাণ ঠিক থাকবে।
২৩। শরীর ও মন শান্ত থাকে। গুড ফিল হরমোনের ক্ষরণ বেশি হয়। ফলে ঘুম ভালো হয়।
২৪। পেশির সংকোচন প্রসারণ ভালো হয়।
২৫। প্রতিদিন ইষদুষ্ণ গরমজলে এই নুন ফেলে খেতে পারলে হজমের সমস্যা দূর হয়।
২৬। যাদের ক্রনিক অ্যাজমার সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য উপকারী।
২৭। নিম্ন রক্তচাপ দূরীকরণ।
২৮। মাইগ্রেইনের ব্যথা দূরীকরণ।
২৯। পেশী ব্যাথারোধ।
৩০। শরীরে পানির পরিমাণ ঠিক রাখে
৩১। একটি ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য তৈরি
৩২। ওজন হ্রাসে সাহায্য করে।

🔵 হিমালয়ান সল্ট এর বিস্ময়কর ব্যবহার! 🔵

🎯 সকালে কিভাবে খাবেন? 🎯
সকালে খালিপেটে এই জলের উপকারিতা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

↪ একটি পরিষ্কার কাঁচের জারে ২৫০ মিঃলিঃ ফোটানো ঠান্ডা করা জল নিন।
↪ এবার তাতে বেশ খানিকটা (১ ইঞ্চি টুকরো) হিমালয়ান লবন ঢেলে দিন। ২৪ ঘণ্টা রেখে দিন।
↪ যখন দেখবেন আর লবন জলে দ্রবীভূত হচ্ছে না তখন বুঝবেন আপনার সলিউশনটি প্রাথমিকভাবে তৈরি হয়েছে।
↪ পড়ে থাকা লবন ছেঁকে লবন-জল ভরা জারটি ফ্রিজে রেখে দিন।
↪ প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালিপেটে জার থেকে এক চামচ জল নিয়ে তা এক গ্লাস পরিষ্কার জলে মেশান। এই জল ‘SOLE’ (সোলে) নামে পরিচিত।

✅ তবে এই দ্রবণটি তৈরি করার সময় ধাতব ঢাকনা বা চামচ ব্যবহার করবেন না।

🎯 স্নানে হিমালয়ান সল্ট 🎯

স্নানে শুনে অবাক হলেও এই লবন স্নানেও ব্যবহৃত হয়। বাথটাব বা বালতির পানিতে এক টুকরো হিমালয়ান লবণের চাক ছেড়ে দিন। এটি মাংস পেশীকে রিল্যাক্স করে। মাসল ক্র্যাম্প কমায়। প্রাকৃতিকভাবে এতে রয়েছে পুষ্টি উপাদান যা ত্বকের চামড়া কুঁচকানো দূর করার সাথে সাথে মন ও শরীরকে রাখে সজীব আর প্রাণবন্ত।

🎯 মাইগ্রেনের ব্যথা দূর করতে 🎯

মাইগ্রেইনের ব্যাথা দূর করার জন্য ১ কাপ পানিতে ২ চা চামচ হিমালয়ান লবন, ২ চা চামচ লেবুর রস ও সামান্য কুড়ানো লেবুর খোসা একসাথে মিশিয়ে পান করুন এবং দেখুন কিভাবে এক নিমিষে দূর হয়ে যায় আপনার মাইগ্রেইনের ব্যাথা।

🎯 দৈনন্দিন খাবারে 🎯

↪ দৈনন্দিন রান্নার কাজে। প্রতিদিনের রান্নায় সাদা লবণের পরিবর্তে পিংক সল্ট ব্যবহার করা মানে হচ্ছে আপনি প্রতিদিন ৮৪ টি খনিজ পাচ্ছেন।
↪ খাবারের স্বাদ বৃদ্ধিকরণ।
↪ বিভিন্ন খাবারের উপর অল্প পরিমাণে এই লবণ ছিটিঁয়ে দিন এবং দেখুন খাবারের স্বাদের কি আমূল পরিবর্তন আসে।
↪ হিমালয়ান লবণ ফ্রুট সালাদ,সুশী, ভেজিটেবল সালাদ, বিভিন্ন খাবারে ব্যবহার করা যায়।
↪ লেবুর সরবত বা তেতুঁলের সরবতের মধ্যে ব্যবহার করুন এই লবন, এটি আপনার খাবার মজাদার করার সাথে সাথে খাবারকে করবে স্বাস্থ্যকর।

#হিমালয়ান_সল্ট
#পিংক_সল্ট
#সৈন্ধব_লবন

সামান্য এই কুমড়োর বিচির আছে হাজারো গুণঃবেলা ১১টা নাগাদ পেটে ছুঁচো নাচে? কিংবা বিকেল বেলায় কুড়মুড়ে মুচমুচে কিছু খেতে ইচ্ছ...
02/11/2021

সামান্য এই কুমড়োর বিচির আছে হাজারো গুণঃ

বেলা ১১টা নাগাদ পেটে ছুঁচো নাচে? কিংবা বিকেল বেলায় কুড়মুড়ে মুচমুচে কিছু খেতে ইচ্ছে করে? আর সে ক্ষুধা—হোক না সেটা পেট কিংবা মনের, মেটাতে গেলা হয় গুচ্ছের শিঙাড়া-সমুচা না হয় ওরকমই কিছু একটা। কাল থেকে এ অভ্যাস বদলে ফেলা যাক, এখন থেকে নাশতায় সঙ্গী হোক কুমড়োর বিচি।

ভুল শোনেননি, আসলেই নাশতা হিসেবে কুমড়ার বিচি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে নিতে পারেন। ১০০ গ্রাম কুমড়ার বিচি থেকে ৫৬০ ক্যালরি পাওয়া যায়, তার মানে ক্ষুধা মেটানোর কাজটা ভালোই পারে এ বস্তু। আর সামান্য এই খাবারে পুষ্টিও গিজগিজ করছে। প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদানের ‘পাওয়ার হাউস’ মিষ্টি কুমড়ার বিচিতে আছে ভিটামিন বি, ম্যাগনেশিয়াম, প্রোটিন ও আয়রনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সব খাদ্য উপাদান।

ভারতের ডি কে পাবলিশিং হাউসের একটি বই ‘হিলিং ফুডস’-এ বলা হয়েছে, কুমড়ার বিচি (বীজ) ভিটামিন বি, ম্যাগনেশিয়াম, লোহা ও প্রোটিনের ভালো একটি উৎস। বিচিগুলোতে অপরিহার্য ফ্যাটি অ্যাসিড উচ্চমাত্রায় রয়েছে। এই ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তে অস্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে।

ওজন কমানো, চুলের বৃদ্ধিসহ কুমড়োর বিচির নানা গুণ জেনে নেওয়া যাক—

১. ‘হৃদ্‌যন্ত্র’ ভালো রাখতে
কুমড়োর বিচিতে আছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় চর্বি, ফাইবার এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সবই হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য উপকারী। এতে আছে ফ্যাটি অ্যাসিড, যা খারাপ রক্তের কোলেস্টেরল কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায়। ম্যাগনেশিয়ামের উপস্থিতি ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

২. ভালো ঘুম
কুমড়োর বিচিতে আছে সেরোটোনিন। স্নায়ু নিয়ন্ত্রক এই রাসায়নিক বস্তুকে প্রকৃতির ঘুমের বড়ি বলা হয়। ট্রাইপটোফ্যান নামের অ্যামিনো অ্যাসিড শরীরে গিয়ে সেরোটোনিনে রূপান্তরিত হয়, যা ঘুম নিশ্চিত করে। ঘুমানোর আগে মুঠভর্তি কুমড়োর বিচি এনে দেবে পুরো রাত্রির শান্তি।

৩. জ্বালাপোড়ার অনুভূতি কমায়
পেশির জ্বালাপোড়ার অনুভূতি কমানোর ক্ষমতা আছে কুমড়োর বিচির। এ ছাড়া বাতের ব্যথাও কমায় এটি। অস্থিসন্ধির ব্যথা কমাতে এর তেলও ভালো কাজে দেয়।

৪. রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
প্রচুর পরিমাণে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ফাইটোকেমিক্যাল শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া ভাইরাসের সংক্রমণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয় এটি।

৫. ভালো রাখে প্রোস্টেট
কুমড়োর বিচিতে আছে জিংক। যা পুরুষের উর্বরতা বাড়ায় ও প্রোস্টেটের সমস্যা প্রতিরোধ করে। এতে আছে ডিএইচইএ (ডাই-হাইড্রো এপি-অ্যান্ড্রোস্টেনেডিয়ন), যা প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

৬. ডায়াবেটিসেও উপকারী
শরীরে নিয়মিত ইনসুলিন সরবরাহ করে এবং ক্ষতিকর অক্সিডেটিভ চাপ কমায়। এ ছাড়া হজমে সাহায্য করে এমন প্রোটিনও সরবরাহ করে কুমড়োর বিচি, ফলে রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৭. ওজন কমাতে সাহায্য করে
ওজন কমাতেও সাহায্য করে কুমড়োর বিচি! ছোট্ট এই খাবারেই পেট পূর্ণ থাকে অনেকক্ষণ। আর আশজাতীয় খাবার বলে হজমেও সময় লাগে। ফলে ক্ষুধা পায় না, শুধু শুধু বাড়তি খাবার শরীরে ঢোকার সুযোগ পায় না।

৮. দীর্ঘ চুলের নিশ্চয়তা
এতে আছে কিউকুরবিটিন, এমন এক অ্যামিনো অ্যাসিড যা চুলের বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া ভিটামিন সিও আছে কুমড়োর বিচিতে, যা চুলের বৃদ্ধি বাড়ায়।

কীভাবে খাবেন কুমড়োর বিচি
১. কাঁচা খেতে পারেন কিংবা একটু টেলে নিয়েও খাওয়া যায়।
২. কুমড়োর বিচি দিয়ে কেক, স্যুপ ও সালাদ বানিয়েও খেয়ে নিতে পারেন। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

অশ্বগন্ধার উপকারিতা- Benefits of Ashwagandha tree in increasing male fertility:পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি ছাড়াও আর ক...
02/11/2021

অশ্বগন্ধার উপকারিতা- Benefits of Ashwagandha tree in increasing male fertility:

পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি ছাড়াও আর কি কি কাজে লাগে?
এই অশ্বগন্ধা খোঁজ তিন হাজার বছর বা তারও বেশি বছর আগে। তখনকার বিভিন্ন মনীষীরা এই সমস্ত আয়ুর্বেদিক ঔষধ তৈরি করতেন আর এইরকম আয়ুর্বেদিক খুঁজে তার বিভিন্ন নামকরণ করতেন।

এই অশ্বগন্ধা গাছটিকে হার্বস বলা হয় কেন?
বলা হয় তার কারণ এই অশ্বগন্ধার মূলের মধ্যে থেকে অশ্বের অর্থাৎ ঘোড়ার মতন এক রকমের গন্ধ বের হয়। শুধু এটাই না এই অশ্বগন্ধা ঘোড়ার মত বল সম্পন্ন। আর বল দ্রুততায় কাজ করে এই অশ্বগন্ধা।

এই অশ্বগন্ধার বৈজ্ঞানিক নাম হল উলানিয়া সম্নিফেরা (Withania somnifera)

তবে এটিকে আর একটা নামেও বলা হয় তা হল ইন্ডিয়ান জিনসেং তার কারণ হল এই জিংসেন টা হল একটা চায়না হার্বস। আর এটা আমাদের গোটা পৃথিবীতে ছড়িয়ে আছে। পুরো পৃথিবীতে এটি প্রচারিত এবং পরিচিত হয়ে আছে। এই জিংসেন টা সম্পূর্ণরূপে বলপূর্বক এবং পুরুষালী শক্তি বৃদ্ধিকারক একটা হার্বস।এর সঙ্গে পুরোপুরি লড়াই করতে পারবে সবার পরিচিত অশ্বগন্ধা।

অশ্বগন্ধা কিভাবে খেতে হবে?
বাজারে পাউডার বা ট্যাবলেট পাওয়া যায় অনেক সময় এর মূল টাও পাওয়া যায়। বাজারে যে কোন আয়ুর্বেদিক কোম্পানির এই অশ্বগন্ধা চূর্ণ হিসাবে পাওয়া যায় অথবা ট্যাবলেট হিসেবে পাওয়া যায়।

প্রথমে এটি দুধের সঙ্গে ৪-৫ গ্রাম মত পাউডার মিশিয়ে খেতে হবে এবং দুধটা হালকা গরম রাখতে হবে। এর সঙ্গে কিছুটা মধু মিশিয়েও খেতে হবে অথবা মিশ্রী ও মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

আর ট্যাবলেট রাতের বেলায় একটা করে খেতে হবে।এছাড়াও অশ্বগন্ধার যে মূল আছে, সেটাকে চায়ের মতো করে জলের মধ্যে ফুটিয়ে ছেঁকে নিয়ে খেতে হবে তবেই অশ্বগন্ধার থেকে উপকারিতা পাওয়া যাবে।

অশ্বগন্ধা কিভাবে কাজ করে?
যাদের ব্লাড সুগার আছে অর্থাৎ যাদের সুগারের মাত্রাটা অনেকখানি বেশি আছে। তাদের ক্ষেত্রে, এই অশ্বগন্ধা খুবই কার্যকরী। যার ফলে ব্লাড সুগার মাত্রাটা অনেকখানি কম করে দেয়। তবে এক্ষেত্রে, যাদের সুগারের মাত্রাটা অনেক বেশি। তারা যদি সুগারের ওষুধ খায় অথচ তার সঙ্গে সঙ্গে যদি খুব বেশি পরিমাণে এটা খায় তাহলে সুগার কিছুটা কমে যাবে।

তাই ওষুধ খাওয়ার ব্যাপারে একটু সচেতন হতে হবে। খুব বেশিদিন টানা এই ওষুধ খাওয়া উচিত নয়।

এক মাসে ১৫ দিন মত খেলে তারপরে অন্ততপক্ষে ৩-৪ মাস খাওয়া উচিত নয়। আবার ৩-৪ মাস পর ১৫ দিন মত এটা খাওয়া যায়। একবারে এই ঔষধ খেয়ে গেলে হবে না। এটা কোলেস্টেরল মাত্রাটাকে অনেকখানি কমাতে সাহায্য করে।শুধু কোলেস্টেরল না তার সঙ্গে সঙ্গে টি.জি. র মাত্রাটা কেও কমাতে সাহায্য করে।

যারা মানসিক চাপে ভুগছে।
যারা ডিপ্রেশন এর মধ্যে আছে বা ভীষণভাবে যারা চিন্তার মধ্যে আছে। তারা যদি অশ্বগন্ধা খায়। তবে তাদের ক্ষেত্রে, বেশ ভালো উপকার হবে। খাওয়ার বিধি একই রকমই।
কুসুম কুসুম দুধের মধ্যে ৪-৫ গ্রাম মতো দিয়ে খেতে হবে। আবার হালকা গরম জলের মধ্যে ওই একই পরিমাণ ৩-৪ গ্রাম মিলিয়ে খেতে হবে। এতে খুবই ভালো রকম ঘুম আসবে। কিন্তু যাদের ঘুমের কোন সমস্যা নেই তাদের খাওয়া উচিত নয়।

Benefits of Ashwagandha in men

পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অশ্বগন্ধা (Horse odor to increase male fertility)
পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অশ্বগন্ধা স্পার্মের গুণ বা গুনাগুন এবং পরিমাপ দুটোই বাড়াতে সাহায্য করে।
টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রাটা অনেকখানি বাড়িয়ে দেয়।
এমনকি এটা পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা টা কেউ বাড়িয়ে দিতে সাহায্য করে।
যেসব পুরুষের স্বপ্নদোষে ভুগছে। তাদের ক্ষেত্রে এটা কমিয়ে দিতে সাহায্য করে।
যদি এক মাস বা ১৫ দিন মত টানা খাওয়া যায়।
তাহলে এই ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

বন্ধ্যাত্ব নারীর ক্ষেত্রে অশ্বগন্ধার উপকারিতা (Benefits of horse odor in infertility women)
এই অশ্বগন্ধার উপকারিতা- বন্ধ্যাত্ব নারীদের ক্ষেত্রে খুবই উপকারী।

এই অশ্বগন্ধার কাচা মূল এর অংশ ২৫ গ্রাম মত নিতে হবে।
তারপর সেটা ৪ কাপ জল আর ১ কাপ দুধের মধ্যে নিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে।
ফুটানোর পর যখন চার ভাগের এক ভাগ হয়ে গেল তখন সেটা গাওয়া ঘি এর মধ্যে করে ঋতু স্নানের পরের দিন থেকে আবার পুনরায় ঋতুস্রাব শুরু হওয়া পর্যন্ত খেয়ে যেতে হবে। তবেই উপকারিতা পাওয়া যাবে।
তবে এটি শিশুদের ক্ষেত্রে খাওয়ানো যায়।
কিন্তু ওই একই পরিমাণ ৪-৫ গ্রাম খাওয়াতে হবে। যেসব শিশুরা খুবই দুর্বল প্রকৃতির হয়। তাদের ক্ষেত্রে, এটা খুব ভালো কাজ করে।
এমনকি পুরুষদের মাংসপেশি গঠনে অনেক খানি সুস্থ ও ভালো ভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।
যেহেতু টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
তবে এত কিছু ভালো হওয়া সত্বেও।কিছু কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
যারা গর্ভবতী মহিলা তাদের ক্ষেত্রে এটা একদমই খাওয়া উচিত নয়।
আর যেসব মহিলাদেরকে বাচ্চাদের বুকের দুধ খাওয়াতে হয়। তাদের ক্ষেত্রে,এই ঔষধ খাওয়া উচিত নয়।
আবার, কিছু কিছু মানুষ আছে,যারা কঠিন অসুখে ভুগছেন। তাদেরকে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খেতে হবে।
অনেক সময় এটা হাইটকে বাড়াতেও সাহায্য করে। যেহেতু, টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রাটা বেড়ে যায়।
সেই জন্য মাংস উৎপন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাইট টাকেও বাড়িয়ে দেয়।
তবে হাইট বাড়ানোর ক্ষেত্রে খাওয়া- দাওয়া ঠিক রাখতে হবে।তার সঙ্গে সঙ্গে হালকা ব্যায়ামও করা দরকার।

এরপর অনেক সময় এটা জানা গেছে যে,

অশ্বগন্ধার পাতা Benefits of Ashwagandha tree থেকে ওজন কমানোও যায়।
তবে খেয়াল রাখতে হবে,অশ্বগন্ধার পাতা ঠিকভাবে চিনে খেতে হবে। অর্থাৎ পর পর ৩ দিন ৩ টে করে পাতা খেতে হবে।
সকালে, দুপুরে এবং রাতের দিকে একটা করে খেতে হবে। অর্থাৎ পর পর সেটা ৩ দিন খেতে হবে।
তার সঙ্গে সঙ্গে পরিমিত খাবার খেতে হবে।
ওজনের ওপর বেশ খানিকটা কাজ করবে।তবে সেক্ষেত্রে, অশ্বগন্ধা পাতাকে চেনা খুবই প্রয়োজন।
মূল গাছটি শনাক্ত করুন (Identify the original plant)
এই অস্বগন্ধ পাতা দু ধরনের হয়। জঙ্গলী আর সাধারণ অশ্বগন্ধা। জংলি অশ্বগন্ধার পাতাটা একটু মোটা ধরনের হয়। আর সাধারন অশ্বগন্ধার পাতাটা পাতলা ও নরম হয়। আর এর ফলটা সাধারণত লাল চেরির মতো হয়ে থাকে। সুতরাং অশ্বগন্ধা পাতা চিনে নিয়ে ব্যবহার করতে হবে। তবেই উপকৃত হওয়া যাবে।

হাজারো রোগের মহৌষধ সূর্যমুখী:সূর্যমুখী এক ধরনের একবর্ষী ফুলগাছ। মিষ্টি বাদাম জাতীয় এই বীজে রয়েছে প্রচুর স্বাস্থ্য উপাদান...
30/10/2021

হাজারো রোগের মহৌষধ সূর্যমুখী:
সূর্যমুখী এক ধরনের একবর্ষী ফুলগাছ। মিষ্টি বাদাম জাতীয় এই বীজে রয়েছে প্রচুর স্বাস্থ্য উপাদান। যেমন- খনিজ পদার্থ, ভিটামিন ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড।
সূর্যমুখীর বীজ শরীরের নানা রোগ সারিয়ে তোলে ও নানাভাবে শরীরকে সুরক্ষিত রাখে। ১৯৭৫ সাল থেকে সূর্যমুখী একটি তেল ফসল হিসেবে বাংলাদেশে চাষাবাদ হচ্ছে। তেলের উৎস হিসেবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সূর্যমুখীর ব্যাপক চাষ হয়।

সূর্যমুখীর তেল ঘিয়ের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যা বনস্পতি তেল নামে পরিচিত। এই তেল অন্যান্য রান্নার তেলের চেয়ে ভালো। এতে কোলেস্টেরলের মাত্রা অত্যন্ত কম থাকায় হৃদরোগীর জন্য বেশ কার্যকর। এছাড়া এতে ভিটামিন এ, ডি ও ই রয়েছে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সূর্যমুখী ফুলের যত গুণ সম্পর্কে-

সূর্যমুখীর বীজের উপকারিতা

> সূর্যমুখীর বীজে রয়েছে উন্নতমানের ভিটামিন ই যা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। নিয়মিত এটি খেলে অস্টিওআর্থারাইটিস, অ্যাজমা ও বাতরোগ নিরাময় হয়।

> হাড়ের সুস্থতার জন্য ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালশিয়াম দুটোই খুব জরুরি। সূর্যমুখীর বীজ খনিজ পদার্থের খুব ভালো উৎস, তাই এটি সুস্থ হাড় গঠনে সহায়তা করে।

> সূর্যমুখীর বীজে আছে উচ্চমানের ফাইটোস্টেরল ও লিগন্যানস যা ক্যান্সার কোষ তৈরি হতে দেয় না।

> সূর্যমুখীর বীজে রয়েছে ভিটামিন বি-৬ যা মাথার ত্বকে অক্সিজেন সরবরাহ করে। এতে করে চুল পড়া কমে ও স্বাস্থ্য উজ্জ্বল নতুন চুল জন্মায়।

> এতে থাকা ম্যাগনেশিয়াম শরীরের অতিরিক্ত ক্যালশিয়ামের মাত্রা কমিয়ে স্নায়ুতন্ত্রকে সঠিকভাবে কাজ করাতে সাহায্য করে।

> এই বীজ আমাদের দেহের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল দূর করে আমাদের হৃদপিণ্ডকে ভালো রাখে।

সূর্যমুখী তেলের উপকারিতা

> হাড়ের জোড়ায় ব্যথা, গ্যাস্ট্রিক আলসার, দেহের চামড়ায় জ্বালা-পোড়া, হাঁপানি ইত্যাদি রোগ সারিয়ে তুলতে সূর্যমুখীর তেল খুবই উপকারী।

> প্রচুর পরিমাণে খাদ্যশক্তি থাকায় সূর্যমুখী বীজের তেল দুর্বলতা কাটাতে কার্যকরী। সেইসঙ্গে দেহের কার্যক্ষমতা বাড়াতে এবং দীর্ঘদিন কর্মক্ষম রাখতেও সূর্যমুখীর ভূমিকা অনন্য।

> সূর্যমুখী তেলে থাকা ম্যাগনেসিয়াম উপাদান মানসিক চাপ দূর করে। মাইগ্রেনের সমস্যা এবং মস্তিষ্ককে শান্ত রাখতে সাহায্য করে এই তেল।

শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করেতরমুজের বীজে গ্লোবুলিন এবং অ্যালবামিন থাকে, যা সম্মিলিত ভাবে আমাদের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ...
28/10/2021

শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে

তরমুজের বীজে গ্লোবুলিন এবং অ্যালবামিন থাকে, যা সম্মিলিত ভাবে আমাদের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, যে কোনও প্রকার সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা করে এবং মানবদেহে রক্তপ্রবাহের গতি বজায় রাখে। বীজের মধ্যে ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন এবং জিঙ্ক জাতীয় খনিজও রয়েছে যা আমাদের হজমশক্তিকে বাড়ানোর পাশাপাশি ভিটামিন সি, বি কমপ্লেক্স এবং অ্যামিনো অ্যাসিডের জোগান দেয়।

হার্ট সুস্থ রাখেউচ্চ মাত্রার এলডিএল-কোলেস্টেরল মানব-ধমনীতে ফ্যাট বাড়িয়ে দিয়ে ধমনী ব্লকেজ এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। তরমুজের বীজে মনোস্যাচুরেটেড এবং পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা রক্তপ্রবাহে এলডিএল-কোলেস্টেরল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করেযাঁদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের জন্য তরমুজের বীজ অনেক উপকারী। তরমুজের বীজে উচ্চ মাত্রায় ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে যা উচ্চ রক্তচাপ কমিয়ে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করেতরমুজের বীজের একটি উল্লেখযোগ্য উপাদান হল ম্যাগনেসিয়াম, যা ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। গবেষণায় দেখা যায় যে, তরমুজের বীজে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম দেহে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা পরিচালনা করে। যার ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।

ক্ষত ঠিক করেএতে অনেক বেশি পরিমাণে অ্যামিনো অ্যাসিড এল-আরজিনাইন রয়েছে। গবেষকদের দাবি, এল-আরজিনাইন দেহে নাইট্রিক অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি করে। যা শরীরের যে কোনও ক্ষতকে দ্রুত ঠিক করতে সাহায্য করে।

প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদানের ‘পাওয়ার হাউস’ মিষ্টি কুমড়ার বিচিতে আছে ভিটামিন বি, ম্যাগনেশিয়াম, প্রোটিন ও আয়রনের মতো গুরুত্বপ...
28/10/2021

প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদানের ‘পাওয়ার হাউস’ মিষ্টি কুমড়ার বিচিতে আছে ভিটামিন বি, ম্যাগনেশিয়াম, প্রোটিন ও আয়রনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সব খাদ্য উপাদান।
ভারতের ডি কে পাবলিশিং হাউসের একটি বই ‘হিলিং ফুডস’-এ বলা হয়েছে, কুমড়ার বিচি (বীজ) ভিটামিন বি, ম্যাগনেশিয়াম, লোহা ও প্রোটিনের ভালো একটি উৎস। বিচিগুলোতে অপরিহার্য ফ্যাটি অ্যাসিড উচ্চমাত্রায় রয়েছে। এই ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তে অস্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে।
ওজন কমানো, চুলের বৃদ্ধিসহ কুমড়োর বিচির নানা গুণ জেনে নেওয়া যাক—
১. ‘হৃদ্‌যন্ত্র’ ভালো রাখতে
কুমড়োর বিচিতে আছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় চর্বি, ফাইবার এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সবই হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য উপকারী। এতে আছে ফ্যাটি অ্যাসিড, যা খারাপ রক্তের কোলেস্টেরল কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায়। ম্যাগনেশিয়ামের উপস্থিতি ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
২. ভালো ঘুম
কুমড়োর বিচিতে আছে সেরোটোনিন। স্নায়ু নিয়ন্ত্রক এই রাসায়নিক বস্তুকে প্রকৃতির ঘুমের বড়ি বলা হয়। ট্রাইপটোফ্যান নামের অ্যামিনো অ্যাসিড শরীরে গিয়ে সেরোটোনিনে রূপান্তরিত হয়, যা ঘুম নিশ্চিত করে। ঘুমানোর আগে মুঠভর্তি কুমড়োর বিচি এনে দেবে পুরো রাত্রির শান্তি।
৩. জ্বালাপোড়ার অনুভূতি কমায়
পেশির জ্বালাপোড়ার অনুভূতি কমানোর ক্ষমতা আছে কুমড়োর বিচির। এ ছাড়া বাতের ব্যথাও কমায় এটি। অস্থিসন্ধির ব্যথা কমাতে এর তেলও ভালো কাজে দেয়।
৪. রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
প্রচুর পরিমাণে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ফাইটোকেমিক্যাল শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া ভাইরাসের সংক্রমণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয় এটি।
৫. ভালো রাখে প্রোস্টেট
কুমড়োর বিচিতে আছে জিংক। যা পুরুষের উর্বরতা বাড়ায় ও প্রোস্টেটের সমস্যা প্রতিরোধ করে। এতে আছে ডিএইচইএ (ডাই-হাইড্রো এপি-অ্যান্ড্রোস্টেনেডিয়ন), যা প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।
৬. ডায়াবেটিসেও উপকারী
শরীরে নিয়মিত ইনসুলিন সরবরাহ করে এবং ক্ষতিকর অক্সিডেটিভ চাপ কমায়। এ ছাড়া হজমে সাহায্য করে এমন প্রোটিনও সরবরাহ করে কুমড়োর বিচি, ফলে রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
৭. ওজন কমাতে সাহায্য করে
ওজন কমাতেও সাহায্য করে কুমড়োর বিচি! ছোট্ট এই খাবারেই পেট পূর্ণ থাকে অনেকক্ষণ। আর আশজাতীয় খাবার বলে হজমেও সময় লাগে। ফলে ক্ষুধা পায় না, শুধু শুধু বাড়তি খাবার শরীরে ঢোকার সুযোগ পায় না।
৮. দীর্ঘ চুলের নিশ্চয়তা
এতে আছে কিউকুরবিটিন, এমন এক অ্যামিনো অ্যাসিড যা চুলের বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া ভিটামিন সিও আছে কুমড়োর বিচিতে, যা চুলের বৃদ্ধি বাড়ায়।
কীভাবে খাবেন কুমড়োর বিচি
১. কাঁচা খেতে পারেন কিংবা একটু টেলে নিয়েও খাওয়া যায়।
২. কুমড়োর বিচি দিয়ে কেক, স্যুপ ও সালাদ বানিয়েও খেয়ে নিতে পারেন। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

আখরোট খাওয়ার উপকারিতা:আখরোট একপ্রকার বাদাম জাতীয় ফল । এটি ফাইবার , আন্টিঅক্সিডেন্ট ,ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ এক...
27/10/2021

আখরোট খাওয়ার উপকারিতা:

আখরোট একপ্রকার বাদাম জাতীয় ফল । এটি ফাইবার , আন্টিঅক্সিডেন্ট ,ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ একটি পুষ্টিকর খাবার । স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা নিয়মিত আখরোট খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কারণ আখরোট এর ভেতরে থাকা নানাবিধ উপাদান মানুষের শরীরের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বিশেষভাবে উপকারী।

চিকিৎসকদের বক্তব্য অনুযায়ী আখরোট খাওয়ার কয়েক ঘন্টা পর থেকেই মানুষের শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমান কমে যায় এবং ব্লাড ভেসেলের নমনীয়তা বেড়ে যায় । এছাড়া গবেষণা বলছে দৈনন্দিন জীবনের মানসিক চাপ কমাতে আখরোটের ভূমিকা অনস্বীকার্য । তাহলে আজ জেনে নেওয়া যাক আখরোট খাওয়ার উপকারিতা –


১) হার্ট ভালো রাখে :-
হার্ট সুস্থ রাখতে আখরোট বিশেষ ভূমিকা পালন করে । এতে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড যা শরীরে খারাপ কোলেস্টোরলের মাত্রা কমিয়ে ভালো কোলেস্টোরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে । ফলে হার্টের রোগের সম্ভাবনা কমে যায় আর হার্ট সুস্থ এবং ভালো থাকে।

২) ডায়াবিটিসের ঝুঁকি কমায় :-
যারা ডায়াবিটিসের সমস্যায় ভোগেন তাদের জন্য চিকিৎসকরা আখরোট খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন । একটি গবেষণা মতে , যে নারীরা সপ্তাহে ২দিন ২৮ গ্রাম আখরোট খেয়েছে তাদের টাইপ- ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ২৪ শতাংশ কমে গিয়েছে । যদিও গবেষণাটি শুধু নারীদের ওপর করা হয়েছিল কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে ছেলেদের ক্ষেত্রেও কোনো হেরফের ঘটবে না।

৩) ওজন নিয়ন্ত্রণ করে :-
আখরোটে প্রোটিন , ফাইবার ও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এর পরিমান যথাযথ ভাবে রয়েছে । এই ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডকে ‘গুড ফ্যাট ‘ বলা হয় , যা ওজন কমাতে সাহায্য করে । তাই ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে খাদ্য তালিকায় অবশ্যই আখরোট রাখবে ।

৪) অনিদ্রা দূর করে :-
আখরোটে মেলাটোনিন নামক এক প্রকার যৌগ থাকে । এই মেলাটোনিন ঘুমের পক্ষে বিশেষ সহায়ক । কারণ শরীরে মেলাটোনিন এর মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ঘুম ভালো হয়। যারা অনিদ্রা রোগে ভুগছেন তারা নিয়মিত আখরোট খেলে এর হাত থেকে রক্ষা পাবে।

৫) স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল পেতে :-
আখরোটে থাকে বায়োটিন ( ভিটামিন বি সেভেন ) যা চুলকে শক্তিশালী করে । এই ভিটামিন চুল পড়া কমিয়ে চুলের গোড়া মজবুত করে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

জেনে রাখুন : তুলসী পাতার উপকারিতা ও গুণাগুণ

৬) ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে :-
ত্বক উজ্বল ও টানটান রাখতে নিয়মিত আখরোট খান কারণ আখরোটে থাকে ভিটামিন ডি এবং প্রচুর পরিমানে আন্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বককে free radical এর হাত থেকে রক্ষা করে এবং বলিরেখা ও বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না ।

৭) মানসিক অবসাদ দূর করে :-
আখরোট মানসিক অবসাদ দূর করতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে । পুষ্টিবিদদের মতে , একমুঠো আখরোট কর্টিসল হরমোনের মাত্রা কমায় । এই হরমোন মানসিক চাপের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত । এছাড়া এতে থাকে ‘পলিঅ্যানস্যাচুরেটেড ফ্যাট ‘ যা দুশ্চিন্তাগ্রস্থ অবস্থায় রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে । তাই মনে অবসাদ এলে আখরোট অবশ্যই খেতে ভুলবে না।

আখরোট খাওয়ার উপকারিতা
৮) মস্তিস্ক ভালো রাখতে :-
আখরোটে বেশ কয়েকটি নিউরোপ্রোটেক্টিভ যৌগ যেমন – ভিটামিন ই ,ফোলেট , মেলাটোনিন ,ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে আখরোট খাওয়া মস্তিস্ক স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী। আখরোট এ থাকা উপাদান পারকিনসন্স রোগ এবং আলজাইমার’স হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয় । স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে মস্তিষ্কের ফাংশন ভাল রাখে ।

৯) ক্যান্সার প্রতিরোধ :-
আখরোট খেলে তা ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয় বিশেষত অগ্ন্যাশয় , প্রস্টেট ও মলদ্বারের। আখরোটে থাকা গামা ,টোকোফেরল ,ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও ইলেজিক গ্যালিক অ্যাসিড শরীরে ক্যান্সার প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ।

১০) পেটের সমস্যা দূর করে হজম ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে :-
পেট পরিষ্কার রাখতে শরীরে ফাইবার থাকা অত্যন্ত জরুরি। সাধারণত যে খাবারগুলি থেকে শরীরে প্রোটিন আসে ,সেগুলিতে ফাইবারের পরিমান অত্যন্ত কম । আখরোটে থাকা ফাইবার হজম ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

১১) গর্ভাবস্থায় উপকারী :-
গর্ভবতী নারী যাদের ডায়েটে উচ্চমাত্রায় ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে তাদের খাদ্যতালিকায় আখরোট রাখা উচিত । এটি গর্ভের শিশুর এলাৰ্জি প্রতিরোধে সাহায্য করে ।

জেনে রাখুন : আমলকি ও হরিতকির অসাধারণ উপকারিতা

১২) হাড় শক্ত করে :-
আখরোটে উপকারী ক্যালসিয়াম রয়েছে যা হাড়ের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে । আখরোট আর্থারাইটিস এর হাত এর হাত থেকেও মুক্তি দান করে থাকে ।


১৩) দীর্ঘায়ু লাভ :-
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে , প্রতি সপ্তাহে তিন দিন আখরোট খেলে দীর্ঘ এবং সুস্বাস্থ্য জীবন উপভোগ করতে পারবে ।

Address

Banasree
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ABS TraderS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category