বই গুচ্ছ-Boi Guccho

Directions Contact the business

বই গুচ্ছ-Boi Guccho Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বই গুচ্ছ-Boi Guccho, Book shop, Bangla Bazar, Dhaka.

07/12/2021
আন্তঃমহাজাগতিক গবেষণাকেন্দ্র জানতে পেরেছে কয়েকদিনের মধ্যেই হাইবিন নামক বিশাল এক ধূমকেতু সূর্য আর পৃথিবীর মধ্যে দিয়ে ছুটে...
06/12/2021

আন্তঃমহাজাগতিক গবেষণাকেন্দ্র জানতে পেরেছে কয়েকদিনের মধ্যেই হাইবিন নামক বিশাল এক ধূমকেতু সূর্য আর পৃথিবীর মধ্যে দিয়ে ছুটে যাবে অজানা মহাশূন্যে। এই ধূমকেতুর কারণে তিন মাস সূর্যের আলো পৌঁছাবে না পৃথিবীতে। পৃথিবী ডুবে যাবে নিকষ কালো অন্ধকারে। আলোর অভাবে বন্ধ হয়ে যাবে উদ্ভিদের সালোক-সংশ্লেষণ প্রক্রিয়া, উৎপাদন হবে না অক্সিজেন। ফলে সংকট সৃষ্টি হবে খাদ্যের, অক্সিজেনের অভাবে মারা যেতে থাকবে ছোট বড় নানা প্রজাতির প্রাণী। আর সূর্যের আলো না থাকায় পৃথিবীতে থাকবে না দিন রাতের পার্থক্য, কমতে থাকবে তাপমাত্রা। একদিকে উদ্ভিদের মৃত্যু, অন্যদিকে প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে মানুষের অস্তিত্ব হবে হুমকির সম্মুখীন। এই বিপর্যয়ের নাম হবে হাইবিন মহাবিপর্যয়!
হাইবিন মহাবিপর্যয়ে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে ইফান আর ইনিশা। কিন্তু মহাবিপর্যয় শুরু হলে তারা বুঝতে পারল ভাগ্য তাদের পক্ষে নেই। একটার পর একটা বিপদের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। অন্ধকার আর তীব্র ঠান্ডা থেকে রক্ষা পেতে শেষ পর্যন্ত তারা আশ্রয় নেয় পহাড়ের গুহায়। অজানা এক বিস্ফোরণে ঐ গুহায়ই আটকা পড়ে যায় একসময়। বাঁচার জন্য একটার পর একটা পাথর সরাতে থাকে। একসময় ভেঙে যায় শেষ সম্বল ছুরিটা, নিভে যায় টর্চলাইটের আলো। তীব্র অন্ধকারে নিমজ্জিত হয় দুজন। তারপরও আশা ছাড়ে না। বাঁচতে যে তাদের হবেই। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। অক্সিজেন নিঃশেষ হয়ে আসছে গুহার মধ্যে। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে তাদের। অক্সিজেন স্যুটেও কাজ হচ্ছে না। দুজনেই বুঝতে পারছে মৃত্যু আসন্ন, কেউ আর তাদের বাঁচাতে পারবে না। তাই শেষ বারের মতো দুজন তাকাল দুজনের দিকে। বুঝল নতুন পৃথিবীতে নতুন জীবনের যে স্বপ্ন তারা দেখেছিল সেই স্বপ্ন্ আর তাদের পূরণ হবে না, কারণ মৃত্য যে কড়া নাড়ছে দরজায়!
শেষ পর্যন্ত কী ঘটেছিল ইফান আর ইনিশার জীবনে? তারা কী বাঁচতে পেরেছিল? নাকি পৃথিবীর অন্যসব মানুষের মতো তাদেরও আলিঙ্গন করতে হয়েছিল বিভীষিকাময় মৃত্যু?

"সবার জন্য Vocabulary"বইটির শেষের ফ্লাপের কিছু কথা: বইয়ের এতটুকু পর্যন্ত যদি পড়ে থাকেন তাহলে আপনার Vocabulary শেখার ধক...
06/12/2021

"সবার জন্য Vocabulary"বইটির শেষের ফ্লাপের কিছু কথা: বইয়ের এতটুকু পর্যন্ত যদি পড়ে থাকেন তাহলে আপনার Vocabulary শেখার ধকলটা যে। অনেকখানিই কমেছে এটা নিশ্চিত। এবার দরকার শুধু নিয়মিত চর্চার, আর সেটা করতে থাকলেই আমার বিশ্বাস আপনি পরিস্থিতি অনুযায়ী কীভাবে কোন ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করা উচিত সেটাও ধরতে পারবেন। ইংরেজি শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করার এই যাত্রায় আপনার সঙ্গী হতে পেরে আমি আনন্দিত। আপনার সামনের দিনগুলাে যেন এই নতুন শেখ। স্কিলটার কারণে অনেক ভালাে হয় সেটা একজন। শিক্ষক নয়, একজন বন্ধ হয়ে সেই কামনা করছি। কোনাে একদিন দেখা হওয়ার প্রত্যাশা রইল। হয়তাে বইমেলায় কিংবা কোনাে ক্লাসে, নয়তাে নতুন কোনাে কোর্স টিউটোরিয়াল বা বইয়ের পাতায়। অভিনন্দন! বইটি শেষ করার মাধ্যমে Vocabulary শেখার Smart যাত্রায় আপনি। প্রথম ধাপ অতিক্রম করে ফেলেছেন। বইটি পড়ার সময়ে কি কখনও এমন মনে হয়েছে। “ইশ Vocabulary শেখার সাথে যদি Spoken English-টাও শিখে ফেলতে পারতাম?” কিন্তু কোচিং থেকে কোচিংয়ে দৌড়ানাের সময় কই? এর সমাধান পেতে । আমার ঘরে বসে Spoken English” কোর্সের মাধ্যমে ঘরে বসেই আপনার স্পােকেন। ইংলিশের দক্ষতাকে নিয়ে যান অ্যাডভান্সড লেভেলে।। এই বইয়ের মাধ্যমে Vocabulary শিখে, ও আমার স্পােকেন ইংলিশ। কোর্সের মাধ্যমে নিজের স্পিকিং স্কিল ঝালাই করে হয়ে উঠুন প্রাে।। আর কোর্স শেষে পাবেন সার্টিফিকেটও। ভিডিও লেকচারের সাথে কুইজ দিয়ে যাচাই করা যাবে নিজের প্রােগ্রেস।। আর শেখার সুবিধার্থে বাড়তি সংযােজন হিসেবে থাকছে। ট্রান্সক্রিপ্ট, নােটস ও অডিওবুক। এই বইয়ের মাধ্যমে। Vocabulary শেখার পরে আমার কোর্সে স্পােকেন। ইংলিশ শিখে ঘরে বসে দুটোতেই হয়ে যান এক্সপার্ট।

“ঘরে বসে স্পোকেন ইংলিশ বইয়ের সংক্ষিপ্ত কথাঃ১। কোথা থেকে ইংরেজি শিখবেন বুঝছেন না যারা।২। মুখে ইংরেজি শুনলে বন্ধুরা হাসাহা...
06/12/2021

“ঘরে বসে স্পোকেন ইংলিশ বইয়ের সংক্ষিপ্ত কথাঃ
১। কোথা থেকে ইংরেজি শিখবেন বুঝছেন না যারা।
২। মুখে ইংরেজি শুনলে বন্ধুরা হাসাহাসি করে যাদের।
৩। গ্রুপ প্রেজেন্টেশনে কেউ দলে নিতে চায় না যাদের।
৪। গ্রামার শেখার ধের্য্য নেই যাদের।
৫। অবসরে টুকটাক ইরেজি শিখতে চান যারা।
৬। IELTS স্পিকিং টেস্টে ভাল করতে চান যারা।

অনামিকা রঘুকে বলত- তুমি কি হাসতে জানো না? অন্তত ছবি তোলার সময় একটু কৃত্রিম হাসি দাও। রঘু কিছু বলত না। রঘু শুধু ভাবত হয়তো...
01/12/2021

অনামিকা রঘুকে বলত- তুমি কি হাসতে জানো না? অন্তত ছবি তোলার সময় একটু কৃত্রিম হাসি দাও। রঘু কিছু বলত না। রঘু শুধু ভাবত হয়তো অনামিকা জানে না; হাসি প্রতিটি মানুষের একান্ত খোরাক। নিজের মনের আপন ইচ্ছা কিংবা প্রিয় মানুষ যখন ভালো থাকে তখন হাসি আসে। দেখতে আট-দশটা মানুষের মতো রঘু চরিত্রের ভেতরে বাস করে আরেক রঘু । পোশাক-আশাক, চলনেবলনে দেখতে ও ভাবতে উদ্ভট মনে হলেও যান্ত্রিক শহর ঢাকায় তারও একটি স্বপ্ন আছে। কী সেই স্বপ্ন- যে স্বপ্ন তাকে দিনের পর দিন ক্লান্ত শরীর নিয়েও পায়ে হাঁটতে ক্যালসিয়াম জোগায়? জীবন থেমে যাবে, তাই বলে- একটা অন্ধকারের ভেতর দিয়ে! কী আর হবে? রঘুর, চলার পথ পরিবর্তন, চেনা মানুষগুলো অচেনা। এক কথায় শেষ হয়ে যাবে। কেউ মনে রাখবে না, এই রঘু আর রঘুর প্রজাপতিকে। আজ অন্ধকারকে আমন্ত্রণ জানিয়ে সমস্ত পৃথিবীটা যেন রঘুর সাথে বলছে, ‘হে অন্ধকার, তুমি এসো। জীবনপ্রদীপের শেষ রেখা টেনে দাও সুন্দরভাবে, সুন্দরের মাঝে আমি ফুল হয়ে যেন ফুটতে পারি পরে কিংবা এক আলোকবর্ষ পরে। আমি আজ থেকে তোমার প্রতীক্ষায় অন্ধকার তুমি এসো। কিন্তু অন্ধকার আসে না, একটি গল্পের ভেতর আরেক গল্প। যে গল্পটি সমাজ বাস্তবতার দর্পণ হয়ে পাঠকের করোটিতে বারবার প্রশ্ন জাগাবে, ভাবাবে এবং পাঠক এ উপন্যাসের শেষ পৃষ্ঠার শেষ লাইন পড়ে গল্পের বাকি অংশ খুঁজবেন তার চারপাশে।

‘ভালোবাসার দিগন্ত ছেড়ে যাওয়া মানুষকে দেখতে চাওয়ার ইচ্ছের কথা লিখতে চাইনি,বিদগ্ধ মনের নীরবতাকে বলতে চেয়েছিবারান্দায় দাঁড়ি...
01/12/2021

‘ভালোবাসার দিগন্ত ছেড়ে যাওয়া মানুষকে
দেখতে চাওয়ার ইচ্ছের কথা লিখতে চাইনি,
বিদগ্ধ মনের নীরবতাকে বলতে চেয়েছি
বারান্দায় দাঁড়িয়ে অধীর অপেক্ষার দৃষ্টিতে
কাউকে খোঁজার অধিকার কাজল চোখের আছে।
পুরোনো সেই ডায়ারির পাতাগুলো
অযত্নে কি হলদে হয়েছে?’

রিপন বড়োবাবুকে পরিষ্কার গøাসে পানি দেয়। পানি খেতে গিয়ে তিনি দেখেন, তাতে রক্ত পঁচা দুর্গন্ধ। কীভাবে সম্ভব! ট্যাংকি পরিদর্...
01/12/2021

রিপন বড়োবাবুকে পরিষ্কার গøাসে পানি দেয়। পানি খেতে গিয়ে তিনি দেখেন, তাতে রক্ত পঁচা দুর্গন্ধ। কীভাবে সম্ভব! ট্যাংকি পরিদর্শন করা হলো। ট্যাংকির পানি পরিষ্কার। রহস্য উন্মোচনে পানির নমুনা ল্যাবে পাঠানো হয়।
এদিকে গতরাতে সন্ত্রাসী নাইড়াবাবু খুন হয়েছে। খুনিরা দেহ থেকে মাংস কেটে নিয়ে গেছে। নাইড়াবাবুর সর্বশেষ মামলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল রঘুকে।
রঘু এ উপন্যাসের নায়ক। রঘু বুদ্ধিমান, পরিশ্রমী, সাহসী, বিনয়ী। অসুস্থ মায়ের জন্য আনা রক্ত দিয়ে বড়োবাবুর স্ত্রীর অপারেশনের সুযোগ করে দেয় রঘু। সেই সুবাদে বড়োবাবুর সাথে তার পরিচয়।
ডিবি অফিসে চাকরি পাওয়ার পর থেকে অনেকগুলো অপারেশনের সফলতা এখন রঘুর ঝুলিতে। রিপন ও রঘু খুবই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। একজনের আরেকজনকে ছাড়া চলে না। মহিউদ্দিন বড়োবাবুর সেবক। রঘুকে খুবই পছন্দ করে।
ঘটনার পরদিন ডিবি অফিসের পাশের ডাস্টবিন থেকে ব্যাগভরতি মানুষের কাটা শরীর উদ্ধার হয়। এ নিয়ে মিডিয়াপাড়া তোলপাড়। নড়েচড়ে বসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-সহ আইনব্যবস্থা। সিসিক্যামেরার ফুটেজ দেখে রঘুকে গ্রেফতার করা হয়। নানান চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অবশেষে রঘু জামিনে বের হয়।
প্রজাপতি এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। প্রজাপতি রূপবতী। যার রূপ দেখে রিপন রঘুর এত বছরের বন্ধুত্বকে জলাঞ্জলি দেয়। তাকে বিয়ে করার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করে। চাকরি ছাড়ে। অবৈধ টাকা দিয়ে গাড়ি কেনে। বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যায়। কিন্তু রিপন কিছুতেই প্রজাপতিকে মুগ্ধ করতে পারে না।
এদিকে এক পাহাড় কষ্ট বুকে নিয়ে প্রজাপতি নিজেকে মেরে ফেলতে চায়। তার সাথে রঘুর পরিচয় ফেসবুকে। মুখোমুখি দেখা হয়নি কখনো। রঘু প্রজাপতিকে নিয়ে সংসার করতে চায়। প্রজাপতি না চাইলেও, রঘুর দর্শনীয় কথাগুলো ওর ভালো লাগে।
দুজন সিলেটে দেখা করে প্রজাপতি তার কষ্টের কারণ বলে এবং নিজেকে খুন করার জন্য রঘুকে অনুরোধ করে। রঘু প্রজাপতিকে জীবনঘনিষ্ঠ দারুণ কিছু কথা বলে। এরই নেপথ্যে শুরু হয় নতুন কাহিনি।

আজাদ আর শারমীনের সুখের সংসার। এখনো সন্তান না হওয়ায় কিছুটা দুঃখ আছে বইকি, তবে আজাদ বিশ্বাস করে আজ হোক কাল হোক, সংসারে সন্...
30/11/2021

আজাদ আর শারমীনের সুখের সংসার। এখনো সন্তান না হওয়ায় কিছুটা দুঃখ আছে বইকি, তবে আজাদ বিশ্বাস করে আজ হোক কাল হোক, সংসারে সন্তান আসবে। সুখের এই সংসারটা আচমকাই এলোমেলো হয়ে গেল মায়াস্বর্গের প্রভাবে। শারমীন হঠাৎ হঠাৎ হারিয়ে যেতে শুরু করল মায়াস্বর্গ নামক অদ্ভুত এক কাল্পনিক জগতে। মায়াস্বর্গে শারমীনের দ্বিতীয় স্বামী আছে, তার নামও আজাদ, চেহারাও একইরকম। আর রয়েছে ফুটফুটে এক মেয়ে, নাম নওমি। দিন যতই পার হতে থাকে, মায়াস্বর্গের প্রতি শারমীনের মোহ তত বাড়তে থাকে। এক সময় ভুলে যেতে থাকে বাস্তব জীবনের স্বামী, সংসারকে।
গভীর এই সংকট থেকে মুক্তি পেতে আজাদ শরণাপন্ন হয় ডাক্তার তরফদারের। ডাক্তার তরফদার প্রথমে ভেবেছিলেন শারমীনের অসুস্থতাটা বোধহয় সিজোফ্রেনিয়া হবে। কিন্তু যখন নিশ্চিত হলেন মায়াস্বর্গের সবকিছু কাল্পনিক নয়, অনেক অজানা আর গোপন সত্য রয়েছে মায়াস্বর্গের ধূম্রজালে, তখন সিজোফ্রেনিয়ার ধারণা থেকে বের হয়ে এলেন তিনি। ধীরে ধীরে বুঝতে পারলেন শারমীনের জীবনের অনেক ঘটনাই অজানা রয়েছে আজাদের। পাশাপাশি শারমীনের রয়েছে এক অতিপ্রাকৃত ক্ষমতা। দূর থেকে হলেও সে সবার অলক্ষে যোগাযোগ করতে পারে, সময় কাটাতে পারে প্রিয়, অতিপ্রিয় আর ভালোবাসার মানুষের সাথে। পৃথিবীর খুব অল্পসংখ্যক মানুষের এই ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু শারমীনের সময় যে শেষ! মৃত্যু তার দরজায় কড়া নাড়ছে! আর কয়েকটা দিন মাত্র!
ডাক্তার তরফদার কি শেষ পর্যন্ত পেয়েছিলেন মায়াস্বর্গের সন্ধান? আর কী পরিণতি হয়েছিল শারমীন আর আজাদের সংসারের? শারমীনের ঐশ্বরিক ক্ষমতারই বা ব্যাখ্যা কী ছিল?

Address

Bangla Bazar
Dhaka
1100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বই গুচ্ছ-Boi Guccho posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to বই গুচ্ছ-Boi Guccho:

Shortcuts

Share

Category