Prior Closet

Prior Closet We are an online shop to serve you priority based comfortable and qualityful products.

17/11/2022

আসুন একটু জেনে রাখি, আরেকটু মেনে চলার চেষ্টা করিঃ

১. একটানা দু'বারের বেশি কাউকে কল করবেন না। যদি তারা আপনার কলটি গ্রহণ না করে,, তার অর্থ হল,, তারা হয়তো আপনার ফোনটির থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজে ব্যাস্ত আছে।

২. কারো থেকে কিছু ধার করে থাকলে,, দ্বিতীয় ব্যক্তি চাওয়ার আগে তার ধার শোধ করুন। এতে আপনার কর্তব্যপরায়ণতা ও চরিত্র প্রকাশ পায়।

৩. কেউ যখন আপনাকে মধ্যাহ্নভোজ বা রাতের খাবারের জন্য আমন্ত্রন করে তখন,,কখনই মেনুতে ব্যয়বহুল খাবারটি অর্ডার করবেন না। সম্ভব হলে তাদের পছন্দমতো খাবারের অর্ডার করতে বলুন।

৪. কারো কথার মাঝখানে কথা বলে বাঁধা সৃষ্টি করবেন না। আগে মনযোগ দিয়ে শুনুন,, তারপর সময় নিয়ে উত্তর দিন।

৫. কেউ আপনাকে সহায়তা করলে তাকে ধন্যবাদ বলুন। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন।

৬. যখন কেউ আপনাকে তাদের ফোনে একটি ছবি দেখাতে চাইবে, তখন ফোনের বাম বা ডানদিকে সোয়াইপ করবেন না। কারন আপনি জানেন না এর পরে কি আছে। ...

৭. যদি আপনার কোনো বন্ধু আপনাকে বলে যে তার ডাক্তারের সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে, তবে তাদের কখনোই আ্যপয়েন্টমেন্ট এর কারন বা রোগ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন না, শুধু বলতে পারেন,, আশা করি দ্রুত সুস্থ হও। যদি তারা এ বিষয়ে কথা বলতে চান, তবে তারা আপনাকে নিজে থেকেই বলবে। তাদের ব্যক্তিগত অসুস্থতা সম্পর্কে জানতে চেয়ে অস্বস্তিকর অবস্থার সৃষ্টি করবেন না ..

৮. অফিস কিংবা রাস্তায় একজন ক্লিনার কে ঠিক ততোটাই সম্মান দিয়েই কথা বলুন,, যতোটা আপনি আপনার অফিসের CEO কে দেন।

৯. দীর্ঘ সময় পরে কারও সাথে দেখা হলে,, তাদের বয়স এবং বেতন জিজ্ঞাসা করবেন না,, অবশ্যই যদি তারা এ ব্যাপারে কথা বলতে না চায়।

১০. রাস্তায় কারও সাথে কথা বলার সময় সানগ্লাসটি চোখ থেকে খুলে নিন। এটি শ্রদ্ধার নিদর্শন,, তাছাড়া চোখের যোগাযোগ বা আই কন্টাক আপনার বক্তব্যের মতোই গুরুত্বপূর্ণ ...

ধন্যবাদ।

(সংগৃহীত)

কত অল্প ব্যয়ে কত সওয়াব পাওয়া যায়| সুবহান আল্লাহ‌‌!!
16/10/2022

কত অল্প ব্যয়ে কত সওয়াব পাওয়া যায়| সুবহান আল্লাহ‌‌!!

24/09/2022

♣নীচের শব্দগুলো দেখুনঃ

প্রথমে আমি খুব বেশি পড়তে পারিনি, ২য় বার চেষ্টায় ১০০% সফল হয়েছি..... আলহামদুলিল্লাহ্‌♥ দেখুনতো আপনি কতটুকু পড়তে পারেন 😊

প্রাথমিকভাবে, এগুলো পড়তে আপনার অসুবিধা হবে। তবে ধীরে ধীরে আপনার মস্তিষ্ক শব্দগুলো সঠিকভাবে বুঝতে পারবে।

7H15 M3554G3 53RV35 7O PR0V3 H0W 0UR M1ND5 C4N D0 4M4Z1NG 7H1NG5
1MPR3551V3 7H1NG5!
1N 7H3 B3G1NN1NG 17 WA5 H4RD BU7
N0W, 0N 7H15 LIN3,
Y0UR M1ND 1S R34D1NG 17 4U70M471C4LLY
W17H0U7 3V3N 7H1NK1NG 4B0U7 17,
B3 PROUD!
0NLY C3R741N P30PL3 C4N R3AD 7H15.
PL3453 F0RW4RD 1F U C4N R34D 7H15

এটি মস্তিষ্ককে পরীক্ষা-নিরীক্ষার একটি খুব ভাল উদাহরণ। আপনি যদি এটি পড়তে পারেন তবে আপনার মন এখনও তরুণ এবং পার্কিনসন রোগ থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

এটি একটি প্রকৃত নিউরোলজিকাল স্ক্রিনিং টেস্ট।
সংগৃহীত

11/09/2022

প্রচলিত জাল হাদিস
==============================
১) "স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর বেহেশত"।
এই হাদিসটি জাল এবং বানোয়াট হাদিস।

২) "শহীদের রক্তের চেয়ে জ্ঞানীর কলমের কালি উত্তম"।
(এটি জাল এবং বানোয়াট হাদিস)

৩) "খাদ্য গ্রহণের সময় কথা বলা নিষেধ" ।
(এটি একটি জাল/বানোয়াট হাদিস৷ শুধু তাই নয়, এটি সহীহ হাদিসের বিপরীত)

কেননা বিভিন্ন সহীহ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ও সাহাবীগণ খাদ্য গ্রহণের সময় বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলতেন ও গল্প করতেন।

৪) "তুমি যখন খাদ্য গ্রহণ করবে তখন লবণ দিয়ে শুরু করবে এবং লবণ দিয়ে শেষ করবে কারণ লবণ ৭০ প্রকারের রোগের প্রতিষেধক"।
(মুহাদ্দিসগণ একমত যে এই কথাটি মিথ্যা ও বানোয়াট)

৫) "যে ব্যক্তি তার চক্ষুদ্বয়কে ভালোবাসে সে যেন আসরের পর না লেখে" । (কথাটি হাদিস নয়৷ এর কোনো ভিত্তি নেই বরং মিথ্যা বানোয়াট)

৬) "তিন ব্যক্তির পানাহারের হিসাব গ্রহন করা হবেনা, ইফতার-কারী,সাহরির খাদ্যগ্রহণকারী ও মেহমানসহ খাদ্য গ্রহণকারী।"
(এটি মিথ্যা এবং বানোয়াট হাদিস)

৭) লাশ বহনের সময় সশব্দে কালিমা, দোয়া বা কোরআন পাঠ করা।
(এটি একটি বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও সুন্নাত বিরোধী কর্ম। লাশ বহনের সময় পরিপূর্ণ নীরবতাই সুন্নাত)

প্রসিদ্ধ ফকীহ আল্লামা কাসানী বলেন, লাশ বহনের সময় সশব্দে জিকর করা মাকরুহ।

কাইস ইবনু উবাইদা বলেন, রসুলুল্লাহ (ﷺ) তিন সময়ে শব্দ করতে অপছন্দ করতেনঃ যুদ্ধ, জানাযা এবং যিকর।

৮) আল্লাহ বলেন, "মুহাম্মদ (ﷺ) না হলে আমি আসমান-জমিন বা মহাবিশ্ব সৃষ্টি করতাম না" ।
(এটি একটি মিথ্যা এবং বানোয়াট হাদিস)

আরো কিছু জাল কিংবা বানোয়াট কথাঃ

১. শূকর বা শুয়র বললে ৪০ দিন মুখ নাপাক থাকে।
২. পুরুষেরা জুমুআা/শুক্রবারের নামাজ পড়ে না এলে, মহিলারা নামায পড়বে না ।

উপরোক্ত সমস্ত কথাই জাল, বানোয়াট, ভিত্তিহীন। কুরআন এবং হাদীসের সাথে এসব কথার কোনো সম্পর্ক নেই। অথচ আমরা না জেনে না বুঝে এসব বিশ্বাস করি এবং মেনে চলি। যারা এ কথাগুলো মেনে চলেন তাদেরকে বলছি দ্রুত তওবা করে সঠিক পথে ফিরে আসুন।

মহান আল্লাহ যেন আমাদের সঠিক বুঝ দান করেন, ক্ষমা করেন, হেদায়েত করেন এবং সবসময় হেফাজত করেন।

জাযা-কাল্লা-হু খইরান।
_________________________
বইঃ হাদিসের নামে জালিয়াতি।
ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রঃ)
(সংগৃহীত)

29/07/2022

পৃথিবীর সবচেয়ে বিষধর সাপের কামড়ে হাতি মারা যায়, কিন্তু একটা প্রাণী মরে না।

প্রাণীটির নাম ঘোড়া। সাপের কামড়ে কোনদিন ঘোড়া মরে না। তিনদিন অসুস্থ থাকে। তারপর সুস্থ হয়ে যায়। আর এই ঘোড়া থেকে আসে দুনিয়ার সব সাপের বিষের প্রতিষেধক anti venom

কোনএকটি সাপ, ধরেন কিং কোবরা’র anti venom তৈরি করতে হলে যা করা লাগে তা হল, ওই সাপের বিষ ঘোড়ার শরীরে ঢুকিয়ে দিতে হয়। একগাঁদি পরিমাণ ঢুকালেও সমস্যা নেই। ঘোড়ার কিছু হবে না। কিছু হবে না বলতে, ঘোড়া মরবে না।

ঘোড়া তিনদিন অসুস্থ থাকবে। এরপর সুস্থ হয়ে যাবে। এই তিনদিনে ঘোড়ার রক্তে ওই সাপের বিষের anti venom তৈরি হয়ে গেছে।

এবার ঘোড়ার শরীর থেকে কিছু পরিমাণ রক্ত নিয়ে তার লাল অংশ আলাদা করা হয়। সাদা অংশ অর্থাৎ ম্যাট্রিক্স থেকে অ্যান্টি ভেনাম আলাদা করা হয়। এরপর তা প্রক্রিয়াজাত করে বাজারে পাঠানো হয়।
মানুষ’কে সাপে কামড়া’লে ডাইরেক্ট ইনজেকশন দিয়ে পুশ করা হয়।

খোদ ইন্ডিয়াতে গাদা গাদা অ্যান্টি ভেনাম প্রস্তুতকারক কোম্পানি আছে। পালের পর পাল ঘোড়া তাদের মূল সম্বল। ঘোড়া না থাকলে সাপের কামড় খেয়ে মানুষের আর বাঁচা লাগত না। এক ছোবলে ডাইরেক্ট উপরে।

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

"অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?" 💚

(সূরাহ আর-রহমান,আয়াত-১৩)
_____

সংগৃহীত

12/06/2022

সিজদার কত দাম ধৈর্য ধরে পড়ুন...💓
জিবরাঈল (আঃ)কে আল্লাহ তায়ালা তৈরী করলেন।
জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালাকে জিজ্ঞাসা করলেন আল্লাহ আপনি কিসে খুশি হন??
আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হই আমার বান্দা যখন আমাকে সিজদা করে। অত:পর জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে সিজদা করলেন ৩০ হাজার বছর ধরে।
জিবরাঈল (আঃ) মনে মনে খেয়াল করলেন আমার থেকে এত বড় দামি, এত বড় লম্বা সিজদা দুনিয়ার আর কেউ করতে পারবে না।
আল্লাহ তায়ালা নিশ্চয় আমার প্রতি খুশি হবেন।
জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালার দিকে মুতাহজ্জির হয়ে রইলেন কিন্তু আল্লা তায়ালার পক্ষ থেকে কোন খুশির বাণী জানান হল না, জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে জিজ্ঞাসা করলেন আল্লাহ আমি যে এত লম্বা সিজদা করলাম আপনি কি আমার সিজদার প্রতি কোন খুশি হন নাই? আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন - জিবরাঈল তোমার জবাব আমি দেব তার আগে তুমি একটু আরশে আজিমের দিকে তাকাও, জিবরাঈল (আঃ) তাকিয়ে দেখলেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আরশে আল্লাহর কুদরতী নূর দ্বারা লিখা রয়েছে- ''লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ''
জিবরাইল (আঃ) জিজ্ঞাসা করলেন- হে আল্লাহ্!! আমার সিজদার সংগে এই কালিমার কি মিল?? আল্লাহ তায়ালা বললেন, ও জিবরাইল শোন আমি আল্লাহ এ দুনিয়া তৈরী করব ওই দুনিয়ার মানব জাতি ও জিন জাতির হিদায়াতের জন্য লক্ষাধিক নবি-রাসূলগনকে পাঠাব সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ কে পাঠাব
এই নবীর উম্মতের উপরে আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরয করব আর প্রতি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে সতেরটা করে রাকাত আমার জন্য ফরয করব প্রত্যেকটা রাকাতের মধ্যে দুটি করে সিজদা হবে আর প্রত্যেকটা সিজদার মধ্যে ওই নবির উম্মত তিনবার করে "সুবহা-না রাব্বিয়াল আলা-" পাঠ করবে। জিবরাইল তুমি জেনে রাখ আমার ওই মাহবুব নবীর উম্মত যখন সিজদায় গিয়ে "সুবহা-না রাব্বিয়াল আলা-" বলে আমাকে ডাক দিবে, জিবরাইল তুমি ৩০ হাজার বছর সিজদা করে যে নেকি পেয়েছ, আমি আল্লাহ্ আমার বান্দার আমল নামায় এর থেকেও ৪০ হাজার গুন বেশি নেকি লিখে দিব, সুবহানাল্লাহ...!!
এই জন্য মুসা (আঃ) কাঁদছেন, আল্লাহ!! আমাকে ওই নবীর উম্মত বানাইয়া দাও, যে নবীর উম্মত এক সিজদায় জিবরাঈল (আঃ) এর সারা জীবনের ৩০ হাজার বছরের সিজদার নেকি নিয়ে গেল।।
আমরা সেই নবীর উম্মত আমাদের কি করা উচিত আর আমরা কি করছি...?
আল্লাহ আমাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার তৌফিক দিন।
আমিন..🤲🤲

সংগৃহীত

16/05/2022

আমার প্রিয় ভাই এবং বোনেরা, নামাজ পড়ুন। আপনার জীবনে যাই ঘটুক না কেন নামাজ পড়ুন। আপনি যে পাপই করেন না কেন যত পরিমাণই করেন না কেন, নামাজ পড়ুন। কোন অজুহাত দেখাবেন না।

কোন কোন বোন এসে বলেন, ভাই আমি তো হিজাব পরি না। আমি তাকে বলি, নামাজ পড়ুন। সে বলে, দেখুন, আমি শালীন পোশাকও পরি না। আমি তাকে বলি, নামাজ পড়ুন। ভাই আমি মদ খাই, নামাজ পড়ুন। ভাই আমি তো মাদক বিক্রি করি, নামাজ পড়ুন। আমি মাদক গ্রহণ করি, নামাজ পড়ুন। আমার মেয়ে বন্ধু আছে এবং আমি তার সাথে রাত্রি যাপন করি, আমি তাকে বলি, নামাজ পড়ুন। আপনার জীবনে যাই ঘটুক না কেন, নামাজ পড়ুন।

"কিন্তু ভাই, এটা কীভাবে সম্ভব যে আমি এতো সব পাপ করা সত্ত্বেও নামাজ পড়বো!! এটা অসম্মানজনক, এর ফলে তো আমি মুনাফিক হয়ে গেলাম। "আমি তাকে বলি, না, ঠিক এজন্যই আমরা নামাজ পড়ি। কারণ আমরা কেউই নিখুঁত নই, আমরা সবাই কম বেশি পাপ করি। আমরা ভুল কাজ করি। নামাজ পড়ুন। আল্লাহ বলেন, ‘’নিশ্চয় সালাত অশ্লীল ও মন্দকাজ থেকে বিরত রাখে।" নামাজ পড়ুন।

কখনো কখনো মানুষ বলে, ‘’ আগে আমার জীবন ঠিক করে নিই, তারপর ইনশাল্লাহ, আমি নামাজ পড়া শুরু করবো।"

প্রিয় বন্ধু, আপনি কোন কিছুই ঠিক করতে পারবেন না, যদি আপনি নামাজ না পড়েন। এজন্যই আমরা নামাজ পড়ি, আমাদের জীবনকে সঠিক পথে নিয়ে আসার জন্য। কোন কিছুকেই, কোন মানুষকেই আপনার এবং আল্লাহর মাঝে আসতে দিবেন না। নামাজ পড়ুন। আপনার জীবনে যাই ঘটুক না কেন, নামাজ পড়ুন। আপনি যেখানেই থাকেন না কেন, নামাজ পড়ুন।

মাঝে মাঝে মানুষ এসে আপনাকে বলে, "ভাই/বোন, আপনি তো একটা মুনাফিক। আপনি হিজাব পরেন না, আবার নামাজ পড়েন। তাকে বলুন," ধন্যবাদ বোন। আমি একটা মুনাফিক। আল্লাহ আপনাকে উত্তম পুরস্কার দান করুন। কিন্তু আমার নামাজ হলো আমার এবং আল্লাহর মাঝে। এটা অন্য কারো বিজনেস না।

রাসূল (সঃ) বলেছেন, "আমাদের এবং কাফেরদের মাঝে পার্থক্য হলো নামাজ।" কিয়ামাতের দিন আপনি প্রথম যে বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবেন, তা হলো নামাজ। এখানে আপনি যদি পাশ করেন, এরপরের সব কিছু সহজ হয়ে যাবে। কিন্তু যদি আপনি ফেইল করেন, এরপরের সব কিছু আপনার জন্য অনেক কঠিন হয়ে পড়বে।

তাই, নামাজ পড়ুন, প্রিয় ভাই এবং বোনেরা, আপনি আল্লাহর ভালবাসা লাভ করতে পারবেন। নামাজ পড়ুন, তাহলে আপনি তাঁর করুণা এবং ক্ষমা লাভ করতে পারবেন।

একবার ভাবুন, আল্লাহ সুব হানাহু ওয়া তায়ালা হলেন আপনার বন্ধু। জানেন তো, এই পৃথিবী এবং মহাবিশ্বের মালিক তিনি। আপনি হয়ে পড়বেন এক অদম্য শক্তি যখন আল্লাহ আপনার পাশে থাকবেন। তাই প্রিয় ভাই এবং বোনেরা, আপনার জীবনে যাই ঘটুক না কেন, নামাজ পড়ুন। কেউ যেন আপনাকে আল্লাহর কাছে থেকে দূরে সরিয়ে দিতে না পারে। জানেন, যখন আপনার কপাল মাটি স্পর্শ করে, তখনই আপনি আল্লাহর সবচেয়ে নিকটে থাকেন।

তাঁর নিকট কান্না করুন, কাকুতি মিনতি করুন। আল্লাহর কাছে হেদায়াত প্রার্থনা করুন। আপনি আপনার নামাযের মাধ্যমে প্রশান্তি খুঁজে পাবেন।

আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন আমাদের এমন মানুষে পরিণত করেন যারা সর্বাবস্থায় নামাজ প্রতিষ্ঠা করে, যাই ঘটুক না কেন নামাজ পরিত্যাগ করে না।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

--- উস্তাদ মোহাম্মদ হোবলোস

আমাদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য দুটো সুরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সে দুটো হলো, সুরা ফালাক ও সুরা নাস। এই সুরা দুটো সম্পর্কে হা...
12/04/2022

আমাদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য দুটো সুরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সে দুটো হলো, সুরা ফালাক ও সুরা নাস। এই সুরা দুটো সম্পর্কে হাদিসের বর্ণনাগুলো জেনে নিই।
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
❖ সুরা ফালাকে আছে গুরুত্বপূর্ণ দু‘আ:
উকবাহ ইবনু আমির (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে হাঁটছিলাম। তখন তিনি আমাকে বললেন, “হে উকবাহ, বলো।’’ আমি বললাম, ‘আমি কী বলব, ইয়া রাসুলাল্লাহ?’ এরপর তিনি কয়েকবার একই প্রশ্ন করে বললেন, “বলো, ক্বুল আউযু বি রাব্বিল ফালাক্ব” (সুরা ফালাক্ব)। এরপর আমি এই সুরার শেষ পর্যন্ত পাঠ করলাম। সে সময় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “এই সুরার অনুরূপ কোনো প্রার্থনাকারীর প্রার্থনা এবং কোন আশ্রয় প্রার্থনাকারীর আশ্রয় প্রার্থনা নেই।” [দারিমি, আস-সুনান: ৩৪৭৯; বাইহাকি, শু‘আবুল ঈমান: ২৫৬৪; হাদিসটি সহিহ]
❖ প্রত্যেক ফরজ নামাজ শেষে:
উকবাহ ইবনু ‘আমির (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে প্রত্যেক (ফরজ) নামাজের পর সুরা নাস ও সুরা ফালাক্ব পাঠের আদেশ করেছেন। [তিরমিযি, আস-সুনান: ২৯০৩; আলবানি, সিলসিলা সহিহাহ: ১৫১৪; আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৫২৩; হাদিসটি সহিহ]
❖ প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায়:
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘সকাল-সন্ধ্যায় সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস তিনবার পাঠ করো; তা হলে সবকিছুর মোকাবেলায় এগুলোই তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।’’ [তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৫৭৫; হাদিসটি হাসান]
❖ ঘুমানোর পূর্বে:
আয়িশা (রা.) বলেন, ‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি রাতে ঘুমানোর সময় তাঁর দু’হাতের তালু জড়ো করে তাতে ফুঁ দিতেন এবং তাতে সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস পাঠ করতেন। এরপর দুই হাতের তালু দিয়ে দেহের যেখানে সম্ভব, সেখানে মুছে দিতেন। শুরু করতেন মাথার উপরিভাগ দিয়ে; এরপর চেহারা ও দেহের সামনের অংশ। এই কাজ তিনি তিনবার করতেন।’’ [বুখারি, আস-সহিহ: ৫০১৭]
❖ এই দুটো সুরার অন্যরকম গুরুত্ব:
উকবাহ ইবনু ‘আমির (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘‘তুমি কি দেখোনি, আজ রাতে (এমন) কিছু আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে, যার নজির পূর্বে কখনো দৃষ্টিগোচর হয়নি? সেগুলো হলো, ক্বুল আ‘উযু বি রাব্বিন নাস (সুরা নাস) এবং ক্বুল আ‘উযু বি রাব্বিল ফালাক্ব (সুরা নাস)।’’ [মুসলিম, আস-সহিহ: ৮১৪]
অন্য বর্ণনায় এসেছে, সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাসের মতো কোনো সুরা তাওরাত, যাবুর, ইঞ্জিল, এমনকি কুরআনেও আর নেই। [আলবানি, সিলসিলা সহিহাহ: ২৮৬১; হাদিসটি সহিহ]
সংগৃহীত

Take your time, make your time and value your time...
27/03/2022

Take your time, make your time and value your time...

Be silent and keep smiling...
15/02/2022

Be silent and keep smiling...

Allah Alone is sufficient for us...
03/02/2022

Allah Alone is sufficient for us...

Be patient and keep moving...
02/02/2022

Be patient and keep moving...

Address

Mirpur, Pallabi , Section/12
Dhaka
1216

Telephone

+8801675119603

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Prior Closet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share