Go Legend go.com

Go Legend go.com Largest product search engine, maximum categorized online shopping mall and quickest home delivery sy
(1)

সমতায় শেষ সিটি-লিভারপুল মহারণশেষ মুহূর্তে রিয়াদ মাহরেজের শটটা যখন লিভারপুলের বারের উপর দিয়ে গেল, পুরো ইতিহাদ স্টেডিয়াম য...
11/04/2022

সমতায় শেষ সিটি-লিভারপুল মহারণ

শেষ মুহূর্তে রিয়াদ মাহরেজের শটটা যখন লিভারপুলের বারের উপর দিয়ে গেল, পুরো ইতিহাদ স্টেডিয়াম যেন একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল। ওই গোলটা হলে, দীর্ঘশ্বাসের বদলে যে গর্জন শোনা যেত, তাতে সন্দেহ নেই কোনো। সেটা হয়নি বলেই পয়েন্ট তালিকায় ব্যবধান বাড়াতে পারল না ম্যানচেস্টার সিটি। এগিয়ে যাওয়া হলো না লিভারপুলেরও। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে মৌসুমের সবচেয়ে বড় ম্যাচ বলা হচ্ছিল যেটিকে, সেটা শেষ হলো ২-২ সমতায়। ইতিহাদে ম্যাচের আগে পয়েন্ট তালিকায় দুই দলের ব্যবধান যা ছিল, পরেও সেটাই রয়ে গেল। ৩১ ম্যাচ শেষে সিটির পয়েন্ট ৭৪, লিভারপুলের ৭৩। লিগের দুই দলেরই ম্যাচ বাকি ৭টি করে।

শুরু থেকেই লিভারপুলের রক্ষণভাগকে অস্থির করে তোলা ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ম্যাচের প্রথম গোলটার মালিক হতে পারতেন রাহিম স্টার্লিংই। কিন্তু সহজ সুযোগ নষ্ট করা যে তাঁর অনেক দিনের অভ্যাস! পঞ্চম মিনিটে কেভিন ডি ব্রুইনার দুর্দান্ত পাস গ্যাব্রিয়েল জেসুসের পা ঘুরে তাঁর কাছে যখন এল, সেটা শুধু ফাঁকা জায়গা দিয়ে জালে ঠেলে দেওয়াটাই বাকি। স্টার্লিং সেই বলও লিভারপুল গোলরক্ষক আলিসনের কোলে তুলে দিয়ে এসেছেন। তাঁর ভরসায় থাকবেন না বলেই হয়তো ডি ব্রুইনা নিজেই দায়িত্ব নিলেন। ৩০ সেকেন্ড পরেই ফাবিনিওকে কাটিয়ে বেলজিয়ান প্লেমেকারের নেওয়া শট মাতিপের পায়ে লেগে লিভারপুলের জালে।

শোধ দিতে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল ১০ মিনিটও সময় নেয়নি। গোলটা হলো কিছুটা স্রোতের বিপরীতেই। সিটির খেলোয়াড়েরা তখনো লিভারপুলের রক্ষণেই বেশি সময় কাটাচ্ছেন। মো সালাহর শট বিপদমুক্ত করতে হেড করলেন জন স্টোনস, কিন্তু বল গেল অ্যান্ডি রবার্টসনের পায়ে। স্কটিশ ফুলব্যাক ক্রস বাড়ালেন ট্রেন্ট আলেকজান্ডার আরনল্ডের জন্য। বল মাঠের বাইরে চলে যাওয়ার আগে দৌড়ে এসে আরনল্ড আলতো ছোঁয়ায় দিলেন পেছনে থাকা দিয়েগো জোতার পায়ে। এরপর কী করতে হবে, জোতা জানতেন। ভুল হয়নি তাঁর।

সমতায় ফেরা লিভারপুলকে প্রায় এগিয়ে দিতে যাচ্ছিলেন সিটি গোলরক্ষক এদেরসন। স্টোনসের ব্যাকপাস তাঁর দিকে আসছিল। নিজের কাছে রাখবেন বল, না কি সরাসরি কাউকে পাস বাড়াবেন এই চিন্তা করতে করতেই এদেরসন দেখেন বল তাঁকে পেরিয়ে গোললাইন পার হচ্ছে প্রায়। শেষ মুহূর্তে বল ঠেকিয়ে এদেরসন হাস্যকর এক গোল খাওয়া থেকে বেঁচে যান।

জোতার গোলের সময় এবং নিজেই আরেকটা গোল খাওয়ার চেষ্টা ছাড়া এদেরসনকে প্রথমার্ধে খুব একটা পরীক্ষা দিতে হয়নি। ওপাশে বরং আলিসনই কিছুটা ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন। ডি ব্রুইনা-জেসুস জুটিকে সামলাতে হিমশিম খেতে হয়েছে তাঁকে। বছরের প্রথম দিনের পর এই প্রথম জেসুসকে সিটির একাদশে দেখে যে প্রশ্নটা জেগেছিল, সেটার উত্তরও ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড দিয়েছেন ম্যাচের ৩৬ মিনিটে। জোয়াও ক্যানসেলোর পাস থেকে বল পেয়ে সিটিকে আবার এগিয়ে দিয়ে জেসুস আস্থার প্রতিদান দেন গার্দিওলার।

পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়ার স্মৃতিটা প্রায় ভুলতেই বসেছিল লিভারপুল। কাকতালীয়ভাবে এক বছর আগে ঠিক এই দিনেই অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে মাঠ ছাড়া ইয়ুর্গেন ক্লপের দল আবার সেই স্বাদ পেল আজ। ওই ম্যাচটাও শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে জিতেছিল লিভারপুল। এটাও জিততে হবে, এই প্রতিজ্ঞা থেকেই কিনা, বিরতির পর মাঠে নেমেই ফেরাল সমতাও। সেটাও আবার পুরো প্রথমার্ধে ছায়া হয়ে থাকা সাদিও মানের গোলে! অবশ্য মো সালাহর পাসটাই এত দুর্দান্ত ছিল, সেটা গোল বানাতে না পারলে মানেকে শাস্তি দেওয়ার কথাও ভাবতে পারতেন ইয়ুর্গেন ক্লপ।

মানে তবু গোল করে মুখরক্ষা করেছেন, সিটির হয়ে ফোডেন-স্টার্লিংরা হতাশই করেছেন গার্দিওলাকে। স্টার্লিং অবশ্য ৬৩ মিনিটে লিভারপুলের জালে একবার বল পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায় সেটা। পরে তাঁকে বদলে রিয়াদ মাহরেজকে নামিয়েও কোনো লাভ হয়নি। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ডিবক্সের বাইরে থেকে ওই শটটাই নেওয়া ছাড়া তেমন কোনো মুহূর্ত উপহার দিতে পারেননি।

প্রথমার্ধের মতো এতটা দাপট পরে আর দেখাতে পারেনি সিটিও। বরং বিরতির পরের সময়টা লিভারপুলই কিছুটা ব্যস্ত রেখেছে সিটির রক্ষণভাগকে। তবে না হারাটা নিশ্চিত করতে গিয়ে শেষ দিকে দুই দলই কিছুটা ঝুঁকিহীন খেলতে চেয়েছে। তাতে ম্যাচের গতি হয়তো কিছুটা কমেছে, তবে শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনায় সফল হয়েছে দুই দলই।

Source : Prothom Alo Newspaper

বাতাসের শহরে আছে অন্য লড়াইওচিফ ডেভিড স্টারম্যান বিমানবন্দরে নামছে ফ্লাই সাফায়ারের বোয়িং। রানওয়ে স্পর্শ করার আগে বিমানটা ...
08/04/2022

বাতাসের শহরে আছে অন্য লড়াইও

চিফ ডেভিড স্টারম্যান বিমানবন্দরে নামছে ফ্লাই সাফায়ারের বোয়িং। রানওয়ে স্পর্শ করার আগে বিমানটা যেন একটু বেশিই দুলে উঠল। জেমি সিডন্সের সতর্ক হাত আঁকড়ে ধরল সামনের সিটটা। বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং কোচ অস্ফুস্ট স্বরে বলে উঠলেন, ‘এটা তো দেখি ওয়েলিংটনের মতো!’

নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটনে বিমান ওঠানামার সময়ের কাঁপাকাঁপি পৃথিবী বিখ্যাত। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বাতাসের শহর বলে কথা! পোর্ট এলিজাবেথে আসার আগেও অনেকে বলেছেন, ‘ওখানে যাবেন, অনেক বাতাস কিন্তু।’ সেই বাতাসের ঝাপটা বিমানে বসেই টের পাওয়া গেছে বাংলাদেশ দল যেদিন এই শহরে নেমেছে, সেদিন।

গত তিন দিনে ভারত মহাসাগরপারের আরেক শহর পোর্ট এলিজাবেথে, যেটির বর্তমান নাম গেবেহা, বাংলাদেশ দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনা এখানে বাতাস নিয়েই। অসম্ভব সুন্দর এক শহর, অনেকে বলেন কেপটাউনের পর পোর্ট এলিজাবেথই নাকি দক্ষিণ আফ্রিকায় সবচেয়ে মনোমুগ্ধকর। জনজীবনেও ব্যস্ততা নেই। মানুষ এই শহরে আসে ছুটি কাটাতে, অথবা কর্মজীবন থেকে অবসর নেওয়ার পর বাকি জীবনটা নিরুপদ্রবভাবে পার করে দিতে। দক্ষিণ আফ্রিকা বললেই মস্তিষ্কে নিরাপত্তাজনিত যে সতর্কঘণ্টা বেজে উঠতে চায়, সেটি অন্তত আয়েশি এই শহরের জন্য প্রযোজ্য নয়।

সমুদ্রের তীর ধরে একটাই বড় রাস্তা, সেটি থেকে শাখা–প্রশাখা ঢুকে গেছে ছবির মতো শহরের ভেতর। শহরটাকে দুই দিক থেকে ঘিরে রেখেছে সাগর, বাতাসের প্রবাহও তাই কখনো আপনাকে এদিকে টেনে নেবে তো কখনো ওদিকে। উঁচু ভবন তেমন একটা নেই বলে পুরো শহরেই প্রায় একই রকম হাওয়ার আলোড়ন। সেন্ট জর্জেস পার্ক তো তার বাইরে নয়–ই, বরং সাগরের বেশ কাছে বলে সেখানে মাঝেমধ্যে হাওয়ার মাতলামিটা একটু বেশিই অনুভূত হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আজ এ মাঠেই সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট খেলতে নামবে বাংলাদেশ। তার আগে দলের ভেতর পোর্ট এলিজাবেথের বাতাস নিয়েই বেশি অস্বস্তি। অন্য সব মাঠে সাধারণত প্রতিপক্ষ আর উইকেট মাথায় রেখে একাদশ সাজানো হয়, টসের সিদ্ধান্তেও সেসবই প্রভাবক হয়ে থাকে। সেন্ট জর্জেস পার্কে সঙ্গে বাতাসেরও একটা ঝাপটা থাকবে বলে মনে হচ্ছে। নিশ্চিত ছক্কার শটও এখানে বাতাসের বাধায় ধুপ করে মাটিতে পড়ে যায়, অথবা ক্যাচ উড়ে হয়ে যায় ছক্কা। বাতাসের ধাক্কায় এমনকি সূক্ষভাবে বদলে যেতে পারে বোলিংয়ের গতিপথও।

বাংলাদেশ দলের অবশ্য এর চেয়েও বেশি বাতাসের শহর ওয়েলিংটনে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। পোর্ট এলিজাবেথে আজই প্রথম খেলতে নামলেও বাতাসের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সূত্রটা তাই একেবারে অজানা নয়। আর খেলতে যেহেতু হবেই, আগে থেকেই বাতাসে কেঁপে তো লাভ নেই। কাল অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক মুমিনুল হকও বললেন কথাটা, ‘আপনি একেক জায়গায় একেক রকম পরিস্থিতিতে পড়বেন। ইংল্যান্ডে এক রকম, নিউজিল্যান্ডে আরেক রকম, দক্ষিণ আফ্রিকায় হয়তো অন্য রকম। এটার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে খেলাটাই হলো গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সেভাবেই মানসিক প্রস্তুতি নিয়েছি।’

সুস্থ হয়ে তামিম ইকবাল দলে ফিরছেন, ডারবান টেস্টে খেলা সাদমান ইসলামকে তাই এই টেস্টে বসতে হচ্ছে। একাদশ নিয়ে আর যা পরিকল্পনা তাতে দেশে ফিরে যাওয়া পেসার তাসকিন আহমেদের জায়গায় ঢুকতে পারেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। তবে মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে আরেকজন স্পিনার নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার আগে আজ সকালে বাতাসের হেলদোল আরেকটু বুঝতে চান বাংলাদেশ দলের কোচ এই শহরেরই মানুষ রাসেল ডমিঙ্গো। তা ছাড়া টেস্টটা শুরু হচ্ছে বৃষ্টির সম্ভাবনা মাথায় নিয়ে। অবশ্য টসে জিতলে এবার আর কোনো বিতর্কের সুযোগ না রেখে আগে ব্যাটিংই করার পরিকল্পনা। সেন্ট জর্জেস পার্ক ক্রিকেট মাঠের মন্থর উইকেটও সে রকম দাবিই জানাচ্ছে। ডমিঙ্গো যদিও সিদ্ধান্তটা মুমিনুলের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন, তাঁর নিজের ভোট কিন্তু এবারও ব্যাটিংয়ের ব্যালটেই।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে সেন্ট জর্জেস পার্কে হওয়া সর্বশেষ টেস্টে ইংল্যান্ডের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে সেই টেস্টে এক ইনিংস বোলিংয়ের সুযোগ পেয়েই ৫ উইকেট নিয়েছিলেন কেশব মহারাজ। ৫ উইকেট নিয়েছিলেন ইংলিশ অফ স্পিনার ডম বেসও। একজন পেসার কমিয়ে তাইজুলকে খেলানোর চিন্তায়ও প্রভাবক হচ্ছে সাম্প্রতিক অতীতে সেন্ট জর্জেস পার্কের উইকেটে স্পিনারদের সাফল্য। তবে এ নিয়ে শেষ কথা বলার আগে একটা কিন্তু রেখে দিয়েছেন অধিনায়ক, ‘আগে এখানে কী হয়েছিল, সেসব ভাবছি না। এবার অন্য রকমও হতে পারে। কাল (আজ) সকালে আরেকবার উইকেট দেখে সিদ্ধান্ত নেব একজন স্পিনার বেশি খেলবে নাকি একজন পেস বোলার বেশি খেলবে।’

ডারবানে টসে জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্তে সমালোচনার তির ছুড়েছেন খোদ বিসিবি সভাপতি। পোর্ট এলিজাবেথ টেস্টের আগে সেটা নিয়ে দলের মধ্যে একটা চাপা অস্বস্তি তো আছেই। সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারদের সঙ্গে হয়ে যাওয়া কথার লড়াইটাই বোধ হয় একটা বাড়তি চাপ হবে এখানে, নতুন করে উত্তেজনার স্ফুলিঙ্গও ছাড়াতে পারে সেটি।

মুমিনুল হক যদিও কাল তাঁর আগের অবস্থান থেকে কিছুটা সরে এসেছেন, স্লেজিং নিয়ে বাংলাদেশের ওজর–আপত্তি যে দক্ষিণ আফ্রিকা ভালোভাবে নেয়নি, সেটি কাল তাদের অধিনায়ক ডিন এলগারের কথায়ই পরিষ্কার। বাংলাদেশের অভিযোগের ভিত্তি নেই, বাংলাদেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলে অভ্যস্ত নয় বলে তিনি যেন ‘স্লেজিং’টাকে এবার আনুষ্ঠানিক রূপই দিয়ে দিলেন!

এলগারের কথার আগুন বলে দিচ্ছে বাতাসের শহর পোর্ট এলিজাবেথের টেস্টটাও উত্তাপ ছড়াতে যাচ্ছে মাঠে।

Source : Prothom Alo Newspaper

কাতার বিশ্বকাপে ৯০ মিনিটের ম্যাচই হবেসংবাদমাধ্যমে কদিন আগেই এসেছিল খবরটি। ২০২২ বিশ্বকাপের আগে ফিফা নাকি খেলার সময়সীমায় প...
07/04/2022

কাতার বিশ্বকাপে ৯০ মিনিটের ম্যাচই হবে

সংবাদমাধ্যমে কদিন আগেই এসেছিল খবরটি। ২০২২ বিশ্বকাপের আগে ফিফা নাকি খেলার সময়সীমায় পরিবর্তন আনার কথা ভাবছে। বল বেশি সময় মাঠে রাখতে খেলার সময় বাড়াতে চায় ফিফা।

কিন্তু ফিফা জানিয়েছে, কাতার বিশ্বকাপের আগে এমন কোনো পরিকল্পনা নেই।

ইতালিয়ান সংবাদমাধ্যম এর আগে জানিয়েছে, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো খেলার নির্ধারিত সময় ৯০ মিনিট থেকে অন্তত ১০০ মিনিট ধার্য করার কথা ভাবছেন। বল বেশি সময় মাঠে রাখতেই এই পরিকল্পনা।

সিআইইএস ফুটবল অবজারভেটরির গবেষণায় জানা গেছে, চ্যাম্পিয়নস লিগে নির্ধারিত সময়ের গড়ে ৬০.২ শতাংশ সময় বল মাঠে থাকে। কোনো কোনো ম্যাচে তা কমে আসে নির্ধারিত সময়ের অর্ধেকেও।

'কোরিয়েরে দেল্লো স্পোর্ত' জানিয়েছে, নতুন এই পরিকল্পনায় ম্যাচে যোগ করা সময় বাড়াতে রেফারিদের ক্ষমতাও বাড়ানো হবে। এখন চোট, ভিএআর এবং অন্যান্য কিছু বিষয়ের মধ্যে তা সীমাবদ্ধ।

ফিফার বিবৃতিতে বলা হয়, 'সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন ও গুঞ্জন তৈরি হওয়ার পর ফিফা জানাতে চায়, ২০২২ বিশ্বকাপে ম্যাচের নির্ধারিত সময় নিয়ে কোনো নিয়ম পাল্টানো হবে না।'

সংবাদমাধ্যমে এর আগে জানানো হয়, বিশ্বকাপের আগে সময় বাড়িয়ে কিছু ম্যাচ আয়োজন করতে চায় ফিফা। কিন্তু সেজন্য সবার আগে আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ডের (আইএফএবি) ছাড়পত্র লাগবে। এই সংস্থা খেলার আইন প্রণয়ন করে।

Source : Prothom Alo Newspaper

ভুল সিদ্ধান্ত আর ভুল রিভিউর টেস্টমারাইস এরাসমাসের মুখটা কতবার টেলিভিশন পর্দায় বড় করে দেখানো হলো, ডারবান টেস্ট নিয়ে কুইজে...
04/04/2022

ভুল সিদ্ধান্ত আর ভুল রিভিউর টেস্ট

মারাইস এরাসমাসের মুখটা কতবার টেলিভিশন পর্দায় বড় করে দেখানো হলো, ডারবান টেস্ট নিয়ে কুইজের একটা প্রশ্নই হতে পারে সেটি। ভদ্রলোক দক্ষিণ আফ্রিকার আম্পায়ার। ১৯৮৮ সাল থেকে প্রায় ১০ বছর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলে আম্পায়ারিংটাকেই পেশা হিসেবে নিয়েছেন। কিন্তু চলতি ডারবান টেস্ট আম্পায়ার হিসেবে তাঁর ‘নিরপেক্ষতা’ নিয়ে একটা প্রশ্নই তুলে দিয়েছে।

করোনা পরিস্থিতিতে এখন স্বাগতিক আম্পায়ারদের দিয়েই খেলা চালাচ্ছে আইসিসি। জিম্বাবুইয়ান ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট ছাড়া ডারবান টেস্টের বাকি সব ম্যাচ কর্মকর্তাই যেমন দক্ষিণ আফ্রিকান। তবে পেশাদারি যুগে এটা সরাসরি বলে দেওয়ার সুযোগ নেই যে আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনা করতে নেমে একজন আম্পায়ার তাঁর দেশের দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করবেন। প্রযুক্তিনির্ভর আম্পায়ারিংয়ের যুগে সেটি করলে বরং ওই আম্পায়ারের নামের পাশেই লাল দাগ পড়ে যাওয়ার কথা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তো আর ঢাকা লিগের খেলা নয়!

আম্পায়ারদের বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলোকে সাদাচোখে তাই ‘দেখা-বোঝার ভুল’ হিসেবেই ধরে নিতে হয়। আর ভুল তো যে কারও হতে পারে। সেই ভুল শোধরাতেই ক্রিকেটে প্রযুক্তির ব্যবহার। এখন মাঠে প্রযুক্তির সুবিধা নিতে গিয়ে যদি ক্রিকেটাররাও ভুল করে বসেন, তখন এরাসমাসদের ভুলগুলো তো ঢাকা পড়ে যাবেই।

কিংসমিডে কাল টেস্টের চতুর্থ দিনে ঘটে যাওয়া একটা ঘটনাই দেখুন। দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংসের ২৬তম ওভারে খালেদ আহমেদের বলে কিগান পিটারসেনের বিরুদ্ধে এলবিডব্লুর জোরালো আবেদন তোলে বাংলাদেশ। এরাসমাস যথারীতি হাসিমুখে সেটি নাকচ করে দেন। তার চেয়েও বিস্ময়কর, বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হক আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বদলাতে রিভিউ নেওয়ার প্রয়োজনই মনে করেননি! এমনকি খেলোয়াড়দেরও কেউ এগিয়ে এসে অধিনায়ককে বলেননি রিভিউ নিতে।

বোলার খালেদের শরীরী ভাষায় অবশ্য মনে হচ্ছিল, তিনি মোটামুটি নিশ্চিত ওটা আউট। কিন্তু অধিনায়কের সে রকম মনে না হওয়ায় বেঁচে যান পিটারসেন। পরে হক আইতে দেখা গেছে, বল নিশ্চিতভাবেই আঘাত করত স্টাম্পে। মাঠের বড় পর্দায় সেটি দেখে এরাসমাস শুধু স্মিত হেসেছেন।

প্রযুক্তির সুবাদে কাল আম্পায়ারের ভুল ধরা পড়েছে আরও। এর মধ্যে একবার রিভিউ নিয়ে বাংলাদেশ সফলও হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের ১৯তম ওভারে সারেল এরউয়ির বিরুদ্ধে ইবাদত হোসেনের এলবিডব্লুর আবেদনে এরাসমাস প্রথমে সাড়া দেননি। পরে রিভিউ নিয়ে দেখা গেছে, বল ব্যাটে স্পর্শ না করে সরাসরি আঘাত করেছে এরউয়ির প্যাডে, নইলে ভেঙে দিত স্টাম্পই। এবার আর সিদ্ধান্ত না বদলে পারেননি আম্পায়াররা।

তবে ‘আম্পায়ারস কল’ নামের ঢাল একবার বাঁচিয়েও দিয়েছে এরাসমাসকে। কাল দিনের দ্বিতীয় ওভারেই মেহেদী হাসান মিরাজের বলে ডিন এলগারের বিরুদ্ধে এলবিডব্লুর কড়া আবেদন তুলেছিল বাংলাদেশ। এরাসমাস আউট না দেওয়ায় রিভিউ চান মুমিনুল। বল ট্র্যাকিংয়ে দেখা গেছে, প্রায় অফ স্টাম্প বরাবর পিচ করে বাঁক খাওয়া বলটা এলগারের প্যাডে না লাগলে ছুঁয়ে যেত লেগ স্টাম্প। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে ‘আম্পায়ারস কল’ই যেহেতু শিরোধার্য, বাংলাদেশকে এরাসমাসের ভুল সিদ্ধান্তই মেনে নিতে হয়েছে।

প্রথম ইনিংসে তো ঘটেছে আরও মারাত্মক ঘটনা। ইবাদত যে জন্য মাঠে মেজাজও হারিয়েছিলেন। তাঁর বলে লিজাড উইলিয়ামসকে এলবিডব্লু দিয়েও পরে সিদ্ধান্ত বাতিল করেন এরাসমাস। উইলিয়ামস রিভিউ নিলেও বল ট্র্যাকিং দেখে থার্ড আম্পায়ার তাঁকে আউটই ঘোষণা করেন। কিন্তু এর পরপরই ধরা পড়েছে মহা এক ভুল। বল ট্র্যাকিংয়ের কম্পিউটারে তথ্য দেওয়া ছিল উইলিয়ামস ডানহাতি ব্যাটসম্যান। বাস্তবে ডান হাতে বল করলেও ব্যাটিংটা তিনি করেন বাঁ হাতে। ওই ভুলের কারণেই উইলিয়ামসের লেগ স্টাম্পের বাইরে পিচ করা বলটাকে দেখানো হয়েছিল অফ স্টাম্পের বাইরে পিচ করেছে।

সব মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংসে ডিন এলগারের এলবিডব্লুর আউট পর্যন্ত ডারবানে রিভিউয়ের পর সাতটি সিদ্ধান্ত বদলাতে হয়েছে অন-ফিল্ডের দুই আম্পায়ারকে। ব্যর্থ হয়েছে দুই দলের নেওয়া ১০টি রিভিউ, এর মধ্যে চারটিতে ছিল আম্পায়ারস কল।

অতীতের কিছু অভিজ্ঞতার কারণে দক্ষিণ আফ্রিকায় এলেই ‘ষড়যন্ত্রে’র গন্ধ পায় বাংলাদেশ দল। এবার টেস্টের আগে কিংসমিডের মাঝ উইকেটে অনুশীলনের সুযোগও সেই সন্দেহ দূর করতে পারছে না। ডারবান টেস্টের ‘ভুলে’র ধারাবাহিকতা বরং সেটিকে এমনই জোরালোই করছে যে পারিবারিক সমস্যায় দল ছেড়ে যাওয়া সাকিব আল হাসানও ‘ডাল মে কুছ কালা’ দেখতে পাচ্ছেন। নইলে কি আর যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটেই পরিবর্তনের ডাক দেন তিনি!

ডারবানে আম্পায়ারদের একের পর এক ‘ভুল’ দেখে কাল সাকিবের টুইট, ‘ক্রিকেট খেলুড়ে বেশির ভাগ দেশেই যেহেতু এখন কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক, আমার মনে হয়, আইসিসির উচিত আবার নিরপেক্ষ আম্পায়ারে ফিরে যাওয়া।’

Source : Prothom ALo Newspaper

বোলিং করতে পারবেন তো তাসকিন?কাঁধের ব্যথায় ভুগছেন তাসকিন আহমেদ। ব্যথার কারণে কাল ডারবান টেস্টের তৃতীয় দিনে দক্ষিণ আফ্রিকা...
03/04/2022

বোলিং করতে পারবেন তো তাসকিন?

কাঁধের ব্যথায় ভুগছেন তাসকিন আহমেদ। ব্যথার কারণে কাল ডারবান টেস্টের তৃতীয় দিনে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতে বল করতে পারেননি বাংলাদেশ দলের এই পেসার। আজ বোলিং করতে পারবেন কিনা, সংশয় আছে সেটি নিয়েও।

বাংলাদেশ দল সূত্র জানিয়েছে, প্রথম ইনিংসে বোলিং করার পর থেকেই তাসকিনের ডান কাঁধের জোড়ায় ব্যথা হচ্ছে। বোলিং করলে ব্যথা আরও বেড়ে যেতে পারে বলেই বোলিং থেকে তাঁকে বিশ্রামে রাখা হয়েছে। খুব জরুরি প্রয়োজন না হলে দ্বিতীয় ইনিংসে হয়তো তাসকিনকে দিয়ে বোলিংই করাবেন না অধিনায়ক মুমিনুল হক। তাসকিনকে আইস থেরাপি দেওয়া হচ্ছে।

টেস্টের প্রথম ইনিংসে তাসকিন ২৩ ওভার বোলিং করে ৬৯ রান দিয়েছেন, কোনো উইকেট পাননি। প্রথম ইনিংসে ইবাদতের সঙ্গে তিনিই নতুন বলে বোলিং শুরু করেছিলেন।

কাল বিকেলে দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে যে ৪ ওভার ব্যাট করেছে তাতে পেসার খালেদ আহমেদ ও নাজমুল হোসেন করেছেন এক ওভার করে। বাকি দুই ওভার করেছেন অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ।

কোনো উইকেট না হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা দিন শেষে ৬ রান করেছে। বাংলাদেশের চেয়ে ৭৫ রান এগিয়ে থেকে আজ ব্যাটিং করতে নামবে তারা।

ওদিকে কাল সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হয়ে রাতেও ডারবানে টানা বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পূর্বাভাস আছে আজ এবং আগামীকাল টেস্টের শেষ দিনেও।

Source : Prothom Alo Newspaper

৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে কানাডা‘জীবনে এত সুন্দর দৃশ্য দেখিনি।’ধারাভাষ্যকারের কণ্ঠ থরথর করছে। গলা অন্য কারণেও কাঁপতে পারত। বসন...
28/03/2022

৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে কানাডা

‘জীবনে এত সুন্দর দৃশ্য দেখিনি।’

ধারাভাষ্যকারের কণ্ঠ থরথর করছে। গলা অন্য কারণেও কাঁপতে পারত। বসন্তের বাতাস হঠাৎ হারিয়ে গিয়েছিল। টরন্টোতে হঠাৎ হাজির তুষারবৃষ্টি, সে সঙ্গে পাগলা হাওয়া। না, ধারাভাষ্যকারের কণ্ঠের ওই কাঁপাকাঁপিতে আবহাওয়ার ভূমিকা নেই। ৩৬ বছর অপেক্ষার অবসান ঘটাতে এ আবহাওয়াতেই গ্যালারি উপচে পড়ছিল। পুরো গ্যালারিতে উড়ছে ম্যাপল লিফ। ক্ষণে ক্ষণে গর্জন উঠছে। আজ জ্যামাইকার কোনো সম্ভাবনাই ছিল না।

ঘরের মাঠে আজ ড্র করলেও চলত কানাডার। তাতেও সব ধরনের হিসাব–নিকাশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিশ্বকাপে চলে যেত কানাডা। কিন্তু তাহলে গ্যালারির এমন ভালোবাসার যে প্রতিদান দেওয়া হয় না। প্রতিপক্ষকে ৪-০ গোলে উড়িয়েই বিশ্বকাপে জায়গা করে নিল স্বাগতিক দল। ১৯৮৬ মেক্সিকো বিশ্বকাপের পর আবার কাতার বিশ্বকাপে দেখা যাবে কানাডাকে।

ম্যাচে পরিষ্কার ফেবারিট ছিল কানাডা। একদিকে কনকাকাফ অঞ্চলের বাছাইপর্বের শীর্ষে কানাডা, অন্যদিকে শেষ থেকে দ্বিতীয় জ্যামাইকা এরই মধ্যে বাদ পড়ে গেছে। পুরো বাছাইপর্বে যা দেখা গেছে, সেটাই হয়েছে আজ। গত ম্যাচে কোস্টারিকার কাছে হারের ধাক্কা সামলে আজ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে স্বাগতিক দল। তুষারবৃষ্টি আজ আর ঝড়ে রূপ নেয়নি, কিন্তু মাঠে জ্যামাইকার ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে গেছে। এর মধ্যে যে শুধু চারটি গোল হয়েছে, এতেই নিজেদের ভাগ্যকে ধন্যবাদ দিতে পারে উসাইন বোল্ট-ক্রিস গেইলদের দেশের ফুটবলাররা।

প্রথম গোলটা এসেছে ১৩ মিনিটে। স্টেফেন উস্তাকির থ্রু বলে ডি-বক্সের ভেতরে অনেকটা ফাঁকা জায়গা পেয়ে যান কাইল লারিন। চমৎকার ঠান্ডা মাথার শটে গ্যালারিকে উন্মাতাল করে দেন লারিন। প্রথমার্ধের একদম শেষ দিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে কানাডা। বক্সের ভেতর লিলের ফরোয়ার্ড জোনাথন ডেভিডের ক্রস ক্লিয়ার করতে পারেনি জ্যামাইকার রক্ষণভাগ। তাহোন বুকানন সুযোগ কাজে লাগাতে কোনো ভুল করেননি।

৮৩ মিনিটে বিশ্বকাপ যাত্রা নিয়ে সব দুশ্চিন্তা শেষ করেছেন জুনিয়র হইলেট। আবারও ডি-বক্সের ভেতরে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে বেশি জায়গা দেওয়ার ভুল করে জ্যামাইকা। প্রথমে মনে হচ্ছিল, বলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছেন হইলেট। কিন্তু ওই অবস্থাতেই যে শট নিলেন, সেটা জালে চলে গেছে গোলকিপারকে স্তব্ধ করে। ৮৮ মিনিটে ম্যাচের আদর্শ এক হাইলাইটসের জন্ম দিয়েছে জ্যামাইকা। আবারও বাঁ প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠেছে কানাডা। স্যাম আদেকুগবে ক্রস করেছিলেন। ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠিয়েছেন আদ্রিয়ান মারিয়াপ্পা। পায়ের বাইরের দিক ব্যবহার করে অমন গোল যেকোনো স্ট্রাইকারকে ঈর্ষান্বিত করবে।

কনকাকাফ অঞ্চলে এবার কঠিন পরীক্ষা দিয়েছে কানাডা। যুক্তরাষ্ট্র, কোস্টারিকা, মেক্সিকো, জ্যামাইকা ও হন্ডুরাস যেখানে সরাসরি তৃতীয় রাউন্ডের বাছাইপর্ব খেলেছে, সেখানে কানাডাকে একদম প্রথম রাউন্ড থেকে খেলতে হয়েছে বাছাইপর্ব। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় রাউন্ড মিলিয়ে গত এক বছরে ২০টি ম্যাচ খেলতে হচ্ছে কানাডাকে। আজ ভোরে ১৯তম ম্যাচে নিজেদের বিশ্বকাপের জায়গা নিশ্চিত করেছে কানাডা।

তৃতীয় রাউন্ডে এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় দুই দল যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর কাছে হারেনি কানাডা। এ দুই দলের সঙ্গে দুই ম্যাচ থেকে চার পয়েন্ট করে পেয়েছে। অন্য প্রতিষ্ঠিত শক্তি কোস্টারিকার বিরুদ্ধে এক ম্যাচে হেরেছে। বাছাইপর্বে এটিই তাদের একমাত্র হার। এমন দাপুটে পারফরম্যান্সই ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে নিয়ে গেছে কানাডাকে। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্স, হাঙ্গেরি ও সোভিয়েত ইউনিয়নের গ্রুপে পড়া কানাডা সব কটি ম্যাচে হেরেছিল। কিন্তু এবারের কানাডাকে সমীহ করবে অনেক বড় দলই।

আজ কাগজে-কলমে কানাডাই শুধু বিশ্বকাপে জায়গা করে নিলেও কনকাকাফ অঞ্চল থেকে সরাসরি বিশ্বকাপে যাওয়া বাকি দুই দলের নামও প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে। পানামাকে ৫-১ গোলে হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওদিকে হন্ডুরাসকে ১-০ গোলে হারিয়েছে মেক্সিকো। দুই দলেরই পয়েন্ট এখন ২৫, ওদিকে এল সালভাদোরকে ২-১ গোলে হারানো কোস্টারিকার পয়েন্ট এখন ২২। বাছাইপর্বে এক ম্যাচ বাকি। শেষ ম্যাচে মেক্সিকো যদি এল সালভাদোরের সঙ্গে ড্র-ও করে, তবে তারা সরাসরি বিশ্বকাপে যাবে।

ওদিকে কোস্টারিকা ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরের মুখোমুখি। সে ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে অন্তত ৬ গোলের ব্যবধানে হারাতে হবে কেইলর নাভাসদের। অন্য উপায়ও আছে, সে ক্ষেত্রে মেক্সিকোকে হারতে হবে এবং দুই দলের মধ্যে +৪ গোল পার্থক্যের ব্যবধান ঘুচিয়ে নিতে হবে কোস্টারিকাকে। এ অঞ্চলের বাছাইপর্বের চতুর্থ দলের সরাসরি বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ নেই। তাদের ওশেনিয়া অঞ্চলের বিজয়ী দলের বিপক্ষে প্লে-অফ খেলতে হবে কাতার বিশ্বকাপের টিকিট কাটার জন্য।

Source : Prohom Alo Newspaper

৫০ ওভারের আইপিএলের প্রস্তাবও উঠেছিলকাল শুরু হয়েছে আইপিএলের ১৫তম আসর। ফ্র্যাঞ্চাইজি এ টুর্নামেন্ট মানেই ধুমধারাক্কার ক্রি...
27/03/2022

৫০ ওভারের আইপিএলের প্রস্তাবও উঠেছিল

কাল শুরু হয়েছে আইপিএলের ১৫তম আসর। ফ্র্যাঞ্চাইজি এ টুর্নামেন্ট মানেই ধুমধারাক্কার ক্রিকেট। ২০ ওভারের এ টুর্নামেন্টে ব্যাট-বলের সঙ্গে অন্যান্য বিনোদনেরও অভাব নেই। অবশ্য ২০ ওভারের লিগ বলেই হয়তো আনন্দের উপলক্ষ বেশি। তবে ২০ ওভারের এ ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ ৫০ ওভারের হলেও অবাক হওয়ার ছিল না। যাঁর হাত ধরে আইপিএলের শুরু, সেই লোলিত মোদিই ৫০ ওভারের আইপিএলের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

১৯৯৬ সালে বিদেশি খেলোয়াড়দের নিয়ে ঘরোয়া টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রথম প্রস্তাব নিয়ে আসেন লোলিত মোদি। কিন্তু তাঁর পরিকল্পনা পছন্দ হয়নি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তৎকালীন সভাপতি জগমোহন ডালমিয়ার। রত্নাকর শেঠির আত্মজীবনী ‘অন বোর্ড মাই ইয়ারস ইন বিসিসিআই’ বইয়ে বলা হয়েছে, এ কারণে ডালমিয়ার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন মোদি।

মোদি এখানে না থেমে হাঁটলেন ভিন্ন পথে। ৫০ ওভারের টুর্নামেন্টটি মাঠে নামাতে না পারলেও শেষ পর্যন্ত সেটিকে ২০ ওভারে রূপান্তরিত করলেন তিনি। ১৯৯৯ সালে হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনকে ২৫ লাখ টাকা দিয়ে সংস্থাটির প্রতিনিধি হন মোদি। সেবার তাঁর উদ্দেশ্য ছিল বিসিসিআইয়ের কর্মকর্তা আইএস বিন্দ্রার কাছাকাছি যাওয়া।

সে চেষ্টার ধারাবাহিকতায় কয়েক বছর পরই যুক্ত হন রাজস্থান ক্রিকেট সংস্থার সঙ্গে। সেখানে সভাপতি পদে নির্বাচনও করেন তিনি। নির্বাচনে এক ভোটের ব্যবধানে হেরে যান মোদি। তবে কিছুদিনের মধ্যেই সহসভাপতি নির্বাচিত হয়ে বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ দেওয়ার সুযোগ হয় তাঁর।

২০০৭ সালে সুযোগও চলে আসে মোদির সামনে। সেটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কল্যাণে। দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত সে বিশ্বকাপে ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। সে জয়ে এ সংস্করণ ভারতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়ে যায়।

এ সংস্করণে ভারতের উন্নতির জন্য বিসিসিআইয়ের কাছে টুর্নামেন্টের প্রস্তাব দেন মোদি। একই সঙ্গে মোটা অঙ্কের পৃষ্ঠপোষকতা, টিভি স্বত্ব বিক্রিরও দায়িত্ব নেন তিনি। বর্তমানে বিশ্ব ক্রিকেটের এটিই সবচেয়ে জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট। তবে এখন আর আইপিএলের সঙ্গে নেই নানা কারণে বিতর্কিত হয়ে পড়া এই কর্মকর্তা।

Source : Prothom Alo Newspaper

রংধনুর দেশে নতুন সূর্যোদয়সেঞ্চুরিয়নে বাংলাদেশের জয়োৎসব দেখতে দেখতে ২০ বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশের প্রথম সফরের ওই ...
24/03/2022

রংধনুর দেশে নতুন সূর্যোদয়

সেঞ্চুরিয়নে বাংলাদেশের জয়োৎসব দেখতে দেখতে ২০ বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশের প্রথম সফরের ওই ঘটনাটা খুব মনে পড়ছিল। ইস্ট লন্ডনে প্রথম টেস্টে টসে জিতে বাংলাদেশ অধিনায়ক খালেদ মাসুদ প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরদিন দক্ষিণ আফ্রিকার এক পত্রিকায় লেখা হলো, ‘বাংলাদেশ টসে জিতেছে এবং প্রথম ব্যাটিং করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।’

কথাটা খুবই অপমানজনক, তবে খুব বেশি প্রতিবাদী হওয়ার উপায় ছিল না। খালেদ মাসুদের ওই সিদ্ধান্তের মূল কারণ তো আসলেই দক্ষিণ আফ্রিকার বাউন্সি উইকেটে দক্ষিণ আফ্রিকান ফাস্ট বোলারদের মুখোমুখি হতে ঘোরতর অনিচ্ছা। যে অনিচ্ছুক দলের তালিকায় বাংলাদেশ মোটেই নিঃসঙ্গ ছিল না।

বাউন্সে চিরকালীন দুর্বলতা ক্রিকেটের সেই আদিকাল থেকেই উপমহাদেশীয় ব্যাটসম্যানদের জন্য কঠিনতম পরীক্ষার মঞ্চ বানিয়ে রেখেছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়াকে।

স্লো–লো উইকেটে খেলে বেড়ে ওঠা ব্যাটসম্যানরা এই দুই দেশে ব্যাটিং করতে নেমে দেখেছেন, বল কখনো পাঁজরে ছোবল হানছে, কখনো বা মুখে। উইকেট বাঁচানোর মতোই, কখনোবা তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে শারীরিক নিরাপত্তা। বাউন্সে এক–দুই ইঞ্চি পার্থক্যই যেখানে ব্যাটিংয়ের কাজটাকে অনেক কঠিন করে তোলে, সেখানে দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যাপারটা মোটেই এক–দুই ইঞ্চিতে সীমাবদ্ধ থাকে না। এসব মনে রাখলে বাংলাদেশের এই সিরিজ জয়কে শুধু ‘ঐতিহাসিক’ বলেও যেন সেটির পুরো মহিমা বোঝানো যাচ্ছে না। তাহলে কীভাবে যায়?

কিছু তথ্য হয়তো কাজে আসবে। দক্ষিণ আফ্রিকায় উপমহাদেশীয় দলগুলোর চ্যালেঞ্জের কথা বলছিলাম। যেটির প্রমাণ, সেখানে প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জিততে ভারতের ২৬ বছর লেগেছে। সিরিজ খেলতে হয়েছে ৫টি। পাকিস্তানের অপেক্ষা ১১ বছরেই শেষ হলেও খেলতে হয়েছে বাংলাদেশের মতোই ৪টি সিরিজ। উপমহাদেশের অন্য দেশ শ্রীলঙ্কা তো পাঁচবারের চেষ্টাতেও জিততে পারেনি এখনো। এই বছরের শুরুতেই ভারত ৩–০তে সিরিজ হেরে এসেছে। এই তিনটি দলই যে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছে, এটা মনে করিয়ে দেওয়াটাও একটু কর্তব্য বলে মনে হচ্ছে।

এর সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশের অতীত ইতিহাসটাও যোগ করে নিতে বলি। এবারের আগে যেখানে বাংলাদেশের সবচেয়ে ‘সম্মানজনক’ পরাজয়টাও আসলে রীতিমতো অসম্মানজনক। কারণ, রানের হিসাবে তা ৬৮, উইকেটের হিসাবে ৭। এক শ রানের বেশি ব্যবধানে চারটি হার আছে, একটা তো ২০০ রানেও, ১০ উইকেটে ৩টি। সেই দক্ষিণ আফ্রিকায় সিরিজ জয়, সেটিও সিরিজ–নির্ধারক ম্যাচে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে, অনায়াসেই যা ১০ উইকেটে হতে পারত...অভূতপূর্ব–অদৃষ্টপূর্ব তো বটেই; অবিশ্বাস্য আর অভাবনীয়ও কি নয়!

অঙ্কের কচকচানিতে একটু বিরক্ত হতেই পারেন। কিন্তু বাংলাদেশের এই জয়ের মহিমা বোঝাতে যে এসব লাগে। সেই মহিমা এমনই যে, মনে এমন প্রশ্নও জাগছে—এটাই কি ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সেরা সাফল্য? ২০১৫ সালে পরপর তিন সিরিজে পাকিস্তান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় তারস্বরে দাবি জানায়; দাবি জানায় ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল আর ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনাল খেলার কৃতিত্বও।

কিন্তু ওই তিনটি সিরিজ জয়ই তো দেশের মাটিতে। বিশ্বকাপ আর চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সাফল্য মূলত একটা বড় জয়ের ওপর ভর করে। ২০১৫ বিশ্বকাপে বড় দল বলতে তো এক ইংল্যান্ডকেই হারিয়েছিল বাংলাদেশ, ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডকে। এসব মনে রাখলে এর আগে অজেয় ভূমিতে এই সিরিজ জয় বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসে সেরা সাফল্যেরই স্বীকৃতি পেয়ে যায়।

রংধনুর দেশে এটাকে যদি বাংলাদেশের ক্রিকেটের নতুন সূর্যোদয় বলেন, তা অনেক দিক থেকেই নতুনত্বের দাবিদার। সিরিজ জয়ের ম্যাচের নায়ক এক পেসার, যাঁর হাতে ম্যাচ–সেরার সঙ্গে সিরিজ–সেরার ট্রফিও—তাসকিন আহমেদ যেন নতুন বাংলাদেশের প্রতিনিধি। দেশের বাইরে ম্যাচ জেতানোর মতো ফাস্ট বোলার কই—এই হাহাকার ঘোচানোর কারণেও স্মরণীয় হয়ে থাকবে এ সিরিজ।

অনেক দিন ধরেই পুনর্জন্মের যে ইঙ্গিত দিয়ে আসছিলেন তাসকিন, সেটিরও যেন পূর্ণতা এখানে। পাঁচ বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় সর্বশেষ সফরে তিন ম্যাচে ওভারপ্রতি ৮.২৫ রান খরচে উইকেট পেয়েছিলেন মাত্র ২টি। এবার বাংলাদেশের দুটি জয়েই তাঁর বড় ভূমিকা। আট বছর আগে স্মরণীয় অভিষেককে মনে করিয়ে দিয়ে যেটির সমাপ্তি। মাঝখানে ৪৬ ম্যাচ পর আবারও ৫ উইকেট।

দক্ষিণ আফ্রিকা যাওয়ার আগে নেওয়া তামিম ইকবালের সাক্ষাৎকারটার কথাও মনে পড়ছে। যেখানে একটা প্রশ্ন ছিল, যে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ কখনো জেতেনি, সেখানে বাস্তবসম্মত লক্ষ্যটা আসলে কী? তামিম উত্তর দিয়েছিলেন, ‘আমরা এমন কিছু করতে চাই, যা আমরা আগে কখনো করিনি। নিজে ভালো করতে চাই, দল হিসেবে ভালো করতে চাই। ভালো করা মানে জেতা, এটা তো আর বলার দরকার নেই। জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবার সুযোগ নেই।’

আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎকার যখন শেষ, একটু হালকা চালেই জিজ্ঞেস করেছিলাম, অধিনায়ককে এমন বলতে হয় বলে কি এমন বলেছেন, নাকি বিশ্বাস করেন বলেই? তামিম একটা হাসি দিয়ে বলেছিলেন, ‘কয়েকটা দিন অপেক্ষা করুন না, উত্তরটা পেয়ে যাবেন।’

সেই উত্তর দেওয়াতে অধিনায়ক অগ্রণী ভূমিকাতেই থাকলেন। জয়ের মুহূর্তে উইকেটে সঙ্গী সাকিব আল হাসান, জয়সূচক রানও তাঁর ব্যাট থেকেই। প্রায় পুরো পরিবার হাসপাতালে—এই বিষম মানসিক চাপ নিয়েও সাকিব যে এই ম্যাচটা খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে গেলেন, উইনিং স্ট্রোকটাকে মনে হলো সেটির পুরস্কার। যা শুধু সাহসীদের জন্যই বরাদ্দ থাকে।

Source : Prothom Alo Newspaper

‘রহস্যজনক’ অপরাধে নিষিদ্ধ জেসন রয়‘রহস্যজনক’ কারণে শাস্তি পেয়েছেন ইংল্যান্ড ব্যাটসম্যান জেসন রয়। তিনি ঠিক কী করেছেন, কবে ...
23/03/2022

‘রহস্যজনক’ অপরাধে নিষিদ্ধ জেসন রয়

‘রহস্যজনক’ কারণে শাস্তি পেয়েছেন ইংল্যান্ড ব্যাটসম্যান জেসন রয়। তিনি ঠিক কী করেছেন, কবে করেছেন—খোলাসা করে কিছুই বলা হয়নি। তবে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে রয়কে। নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে ২ হাজার ৫০০ পাউন্ড জরিমানাও গুনতে হবে তাঁকে।

আজ এক বিবৃতিতে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড জানায়, রয়কে শাস্তি দিয়েছে ‘ক্রিকেট ডিসিপ্লিন কমিশন’-এর একটি ডিসিপ্লিনারি প্যানেল। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ক্রিকেটের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর, ক্রিকেট খেলাকে অসম্মান করতে পারে—এমন আচরণ স্বীকার করার পর ক্রিকেট ডিসিপ্লিন কমিশন জেসন রয়কে শাস্তি দিয়েছে। ইসিবির নির্দেশনার ৩.৩ নম্বর ধারা ভঙ্গ করা হয়েছে।’

ইসিবির বিবৃতিতে শুধু রয়ের শাস্তির বিস্তারিত বর্ণনা আছে, অপরাধের নয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সব রকম সাক্ষ্য–প্রমাণ উপস্থিত থাকা অবস্থায় ডিসিপ্লিনারি শুনানির পর রয়কে দুই ধরনের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের জন্য বিবেচ্য হবেন, পরের এমন দুই ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকবেন তিনি। তবে আগামী ১২ মাস তাঁর সদাচরণের ওপর ভিত্তি করে থাকবে স্থগিত নিষেধাজ্ঞা।

অবশ্য জরিমানাটা দ্রুতই দিয়ে দিতে হবে রয়কে। ৩১ মার্চের মধ্যেই ২ হাজার ৫০০ পাউন্ড দিতে হবে। আপাতত মালদ্বীপে পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটাচ্ছেন রয়।

২৬ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া আইপিএলে গুজরাট টাইটানসের হয়ে খেলার কথা ছিল রয়ের। তবে ২ কোটি রুপির চুক্তি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন তিনি। কারণ হিসেবে পরিবারের সঙ্গে আরও সময় কাটানোর কথা বলেছিলেন। এর আগে পিএসএলে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের হয়ে খেলেছেন রয়।

৩০ জানুয়ারি ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন রয়, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে।

আপাতত নিজ কাউন্টি সারের হয়েও খেলবেন না রয়। সারে জানিয়েছে, খেলা থেকে সংক্ষিপ্ত কিন্তু অনির্দিষ্টকালের বিরতি নিয়েছেন তিনি।

Source : Prothom Alo Newspaper

এত কাছে, তবু এত দূর!দেশের মাটিতে এশিয়া কাপ। ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ফাইনালে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্...
22/03/2022

এত কাছে, তবু এত দূর!

দেশের মাটিতে এশিয়া কাপ। ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ফাইনালে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই ফাইনালেও হাতছানি দিচ্ছিল জয়। মরীচিকার মতো তা মিলিয়ে যাওয়ার পর ম্যাচশেষে মাঠেই বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের কান্না ছোঁয়াচে হয়ে ছড়িয়ে পড়ে পুরো দেশে।

অঝোরে কাঁদছেন মুশফিকুর রহিম। অধিনায়ককে বুকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিচ্ছেন সাকিব আল হাসান। ঠোঁটে অদ্ভুত একটা হাসির রেখা। চিকচিক করতে থাকা চোখ আর ওই হাসি মিলিয়ে এমন একটা বেদনার্ত ছবি, যা হৃদয়কে এফোঁড়-ওফোঁড় করে দেয়।

একটু আগেও প্রাণোচ্ছ্বাসে মাতোয়ারা মিরপুর স্টেডিয়ামে তখন শ্মশানের নীরবতা। সারি সারি শোকস্তব্ধ মুখ। এত কাছে, তবু এত দূর...!

মিরপুরে তো মাত্র হাজার পঁচিশেক দর্শক। পুরো দেশই তো কাল ‘মিরপুর’! বিজয়োৎসবে মেতে ওঠার অপেক্ষায় প্রতিটি প্রহর গোনা। উল্টো মুশফিকের কান্না ছোঁয়াচে হয়ে ভিজিয়ে দিল কোটি কোটি চোখ। স্বপ্নের মৃত্যু এমন কষ্ট হয়েই বাজে বুকে!

পুরস্কার বিতরণী শেষে হঠাৎ মিরপুরের সব আলো নিভে যায়। মাঠে লেজারের আলো পড়ে। আকাশে শুরু হয় আতশবাজির খেলা। বাংলাদেশ জিতলে গ্যালারি তখনো পূর্ণই থাকত। হেরেছে বলে সেটি তখন ভাঙা হাট। প্রায় শূন্য সেই গ্যালারির ওপর আতশবাজি নেচে নেচে বেড়ায় আর অনুচ্চারে বলতে থাকে, স্বপ্ন আর বাস্তব জীবনে খুব কমই মেলে!

আবেগকে নির্বাসনে পাঠিয়ে শুধু ক্রিকেটীয় দৃষ্টিকোণ দিয়ে দেখলে কী দুর্দান্ত একটা ফাইনালই না হলো! শেষ বলে নিষ্পত্তি। যে বলে বাংলাদেশের দরকার চারটি রান! কিন্তু হায়! উইকেটে তখন ১০ নম্বর ব্যাটসম্যান শাহাদাত হোসেন। তা হোক, ব্যাটের কানায়টানায় লেগেও তো কত চার হয়ে যায়! হলো না। হলো মাত্র এক রান।

মাহমুদউল্লাহ হতাশায় বসে পড়লেন মাঠে। চোখে অবিশ্বাস নিয়ে বিমূঢ় তাকিয়ে দর্শকেরা। হঠাৎ নেমে আসা স্তব্ধতায় মিরপুর স্টেডিয়াম যেন এক প্রেতপুরী।
শেষ ১০ ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৮৪ রানের। শেষ ৫ ওভারে ৪৭। ৪৭তম ওভারে ১৪ রানে হঠাৎই সমীকরণটা অনেক সহজ-শেষ ৩ ওভারে ২৫ রান।

হতে হতেও যা হলো না। ৮ বলে ১৮ করে ফেলার পর মাশরাফির আউটটাকে তখন মনে হতে থাকল অনেক বড়! আফসোস হয়ে আরও কত ‘যদি’-ই না তখন উড়ে বেড়াচ্ছে বাতাসে! ইশ্, তামিম যদি আর চারটা ওভার থাকতেন অথবা সাকিব! সাকিব আউট হওয়ার দুই বল পরই যদি মুশফিক আউট হয়ে না যেতেন! ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ হওয়ার বদলে ছয়ও তো হয়ে যেতে পারত ওই শটটি! তা হলেই তো হয়ে যায়!

হয়ে যায় নাজিমউদ্দিন ৫২ বলে ১৬ রানের ওই অতিপ্রাকৃত ইনিংসটি না খেললে! অথবা নাসির ২৮ রান করতে ৬৩ বল লাগিয়ে না ফেললে! আরেকটু পিছিয়েও গেল অনেকের মন—শাহাদাত শেষ ওভারে এসে অমন দানছত্র খুলে না বসলেও তো হতো। শেষ ওভারে দুটি নো বলসহ ১৯ রান। ম্যাচের ময়নাতদন্তে সেটিই হয়ে যাচ্ছে ইতিহাসের চৌকাঠ থেকে বাংলাদেশের শূন্য হাতে ফিরে আসার কারণ।

সাকিব বরাবরের মতোই দুর্দান্ত। বাংলাদেশ ৩ উইকেটে ৮১ হয়ে যাওয়ার পর নেমে ৭২ বলে ৬৮। এর আগে বোলিংয়ে ২ উইকেট। এশিয়ার বাকি তিন পরাশক্তির কত বড় বড় তারাকে মিটমিটে করে দিয়ে টুর্নামেন্ট-সেরার আলোয় উদ্ভাসিত বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে দামি অলংকার।

তামিমের ব্যাট থেকে টানা চতুর্থ ম্যাচে পঞ্চাশ পেরোনো ইনিংস। ব্যাটিংয়ের মতো তাঁর উদ্‌যাপনেও অনেক উদ্ভাবনী ব্যাপার থাকে। কাল যেমন হাফ সেঞ্চুরি করার পর এক এক করে হাতের চারটি আঙুল দেখিয়ে মনে করিয়ে দিলেন, টুর্নামেন্টের চার ম্যাচে এটি তাঁর চতুর্থ ফিফটি। সঙ্গে কি এটাও নয় যে, এশিয়া কাপের দল থেকে তাঁকে বাদই দিয়ে দিয়েছিলেন বোর্ড সভাপতি!

ফাইনাল জিতলে ট্রফি নিয়ে উদ্‌যাপনটাও হয়তো ভেবে রেখেছিলেন। কিন্তু সেটি আর দেখা হলো কই! শেষে এসে যে চোখের জলেই স্বপ্নের সমাধি। অথচ ফাইনালটা শুরু থেকেই যেন এগোচ্ছিল বাংলাদেশের পছন্দমতো পাণ্ডুলিপি মেনে। আগের দুই ম্যাচে রান তাড়া করে জয়। জয়ের পাপড়ি ছড়ানো পথেই যাত্রা শুরু করতে টস জেতাটা খুব জরুরি ছিল। মুশফিকুর ঠিকই জিতলেন। টুর্নামেন্টে টানা চতুর্থ ম্যাচে।

বড় ভয় ছিল ‘ফাইনাল’ শব্দটি না বিষম বোঝা হয়ে চেপে বসে মুশফিকদের কাঁধে। সেই ভয়ও উধাও উজ্জীবিত বোলিং-ফিল্ডিংয়ে। একটু পরপরই তাই ‘বাংলাদেশ, বাংলাদেশ’ চিৎকারে গলা ফাটানোর সুযোগ পেলেন দর্শকেরা। দেখতে দেখতে ৩৫তম ওভারে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ১৩৩।

এরপরও ভয় হয়ে ছিলেন শহীদ আফ্রিদি। টুর্নামেন্টে শুধু নামেই ‘বুম বুম’, আজ কিছু করে ফেলবেন না তো! সরফরাজের সঙ্গে আফ্রিদির জুটিটি জমেও গেল। কিন্তু সংশয়ে-বিপদে বাংলাদেশের উদ্ধারকর্তা হয়ে সাকিব আল হাসান আছেন না! আফ্রিদিকে ফেরালেন তিনি। লং অফে নাসিরের দুর্দান্ত ক্যাচে আবারও যেন ঘোষণা-‘হবে, আজও হবে।’ যদিও সরফরাজের ৫২ বলে অপরাজিত ৪৬, শেষ উইকেট-জুটিতে ৩০ রান আর শাহাদাতের শেষ ওভার মিলিয়ে ইনিংসের শেষে মনে একটা খচখচে অনুভূতি।

তার পরও এই উইকেটে ২৩৬ কোনো রান হলো! মাত্র কদিন আগেই না ২৮৯ তাড়া করে জিতেছে বাংলাদেশ! কিন্তু ক্রিকেট-দেবতা যে এ রাত অন্যভাবে লিখে রেখেছিলেন। এ রাতে বাংলাদেশ স্বপ্ন ছুঁতে ছুঁতে হারিয়ে ফেলবে!

Source : Prothom Alo Newspaper

সব দোষ নিজের ঘাড়ে তুলে নিলেন আনচেলত্তিচিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের মাঠ থেকে এত বড় জয় বোধ হয় বার্সেলোনাও আশা করেনি!জাভি তো বলেই দ...
21/03/2022

সব দোষ নিজের ঘাড়ে তুলে নিলেন আনচেলত্তি

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের মাঠ থেকে এত বড় জয় বোধ হয় বার্সেলোনাও আশা করেনি!

জাভি তো বলেই দিয়েছেন, ম্যাচের ফলাফল দেখে তিনি নিজেই বিস্মিত। তিন পয়েন্ট পাওয়ার লক্ষ্যে খেলবেন বলেছিলেন, তাই বলে এমন? রিয়ালের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে গিয়ে চার গোল দিয়ে আসা, তা–ও আবার এমন সময়ে, যখন বার্সেলোনা আর আগের মতো নেই বলে চারদিকে রব উঠে গিয়েছে। প্রশ্ন উঠতেই পারে, নিজেদের ইতিহাসের অন্যতম বাজে সময়েই যদি বার্সেলোনা রিয়ালের মাঠে গিয়ে এমন দুর্দান্তভাবে জিতে আসতে পারে, পুরোপুরি ফর্মে ফিরলে কী হবে?

সেটা নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ আপাতত চিন্তা করতে চাইবে না। আগে নিজেদের ভাঙা ঘর সামলানো যাক, তারপর না প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা!

বার্সেলোনা আক্ষরিক অর্থেই গত রাতে রিয়াল মাদ্রিদের ঘর ভেঙে দিয়ে এসেছে। নস্যাৎ করে এসেছে কার্লো আনচেলত্তির যত কৌশল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বার্সেলোনাকে টানা পাঁচ ম্যাচ হারানোর পর এভাবে নিজেদের মাঠে পর্যুদস্ত হওয়ার দায় আনচেলত্তি অবশ্য নিজেই নিচ্ছেন। স্বীকার করছেন, এমন অদ্ভুতুড়ে ফলাফলের পেছনে দোষ তাঁরই।

আনচেলত্তি মানছেন, শিষ্যদের খেলা দেখে মনে হয়নি, তাঁরা রিয়াল মাদ্রিদের মতো ক্লাবের হয়ে খেলে। তাই বলে শিষ্যদের ঘাড়ে দোষ চাপাননি এই ইতালিয়ান কোচ, ‘আমাদের খেলা দেখে চেনা যায়নি। যা যা ভেবেছিলাম, সব ভুল প্রমাণিত হয়েছে। এই ফলাফলের কথা ভুলে গিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে আমাদের। আমি খেলোয়াড়দের বলেছি, আমি কোচ, আমারই ভুল সব। যদিও লিগে এখনো আমরা বেশ বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছি।’

বার্সেলোনার মতো দলের বিপক্ষে এভাবে হেরে যাওয়াটা নিঃসন্দেহে আনচেলত্তিকেও পোড়াচ্ছে, ‘হারটা মেনে নেওয়া কষ্টকর। কারণ, এটা ক্লাসিকো। ভক্তদের জন্য তো বটেই। কারণ, আমরা বার্সার বিপক্ষে খেলছি। আমরা লড়াইয়ে হেরে গিয়েছি। আমাদের জন্য অনেক বড় এক ধাক্কা। যদিও লিগে আমাদের আধিপত্য আছে এখনো। চোটে পড়া খেলোয়াড়েরা যেন তাড়াতাড়ি ফিরে আসে, সেটাই এখন আশা করতে পারি।’

লিগে এখনো দ্বিতীয় স্থানে থাকা সেভিয়ার চেয়ে ৯ পয়েন্টে এগিয়ে রিয়াল। হাতে আছে আরও ৯ ম্যাচ। এক ম্যাচ কম খেলা বার্সেলোনা পিছিয়ে ১২ পয়েন্টে। কিন্তু বার্সেলোনা যেভাবে মৌসুমের এ পর্যায়ে এসে ফর্ম ফিরে পেয়েছে, আধিপত্য ধরে রাখতে পারবে তো?

Source : Prothom ALo Newspaper

Address

Baridhara DOHS
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Go Legend go.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Go Legend go.com:

Share