Ummah Book & Gift House

Ummah Book & Gift House Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ummah Book & Gift House, Book shop, Chittagong Road, Siddirgonj, Narayanganj, Dhaka.

30/06/2023
বুর্জোয়া কারা? বুর্জোয়া শব্দটি ফরাসি। এর শাব্দিক অর্থ মধ্যবিত্ত। সামন্তযুগের শেষ দিকে যখন শিল্পকারখানা ও ব্যাবসা-বাণিজ...
19/06/2023

বুর্জোয়া কারা?
বুর্জোয়া শব্দটি ফরাসি। এর শাব্দিক অর্থ মধ্যবিত্ত। সামন্তযুগের শেষ দিকে যখন শিল্পকারখানা ও ব্যাবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ ঘটছিল, সমাজে তখন শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের এক নতুন গোষ্ঠী গড়ে উঠতে থাকে।

এরা ভূমিদাসদের মতো নিঃস্ব ছিল না; বরং সকলেই ছিল কমবেশি বিত্তশালী। কিন্তু সামন্ত প্রভুদের বিশাল বিত্তের তুনায় এদের সম্পদ ছিল অনেক কম। তাই এদেরকে বলা হতো মধ্যবিত্ত বা বুর্জোয়া।

শিল্পবিপ্লব তথা শিল্পে যন্ত্রায়নের ফলে অসংখ্য বৃহদাকার কারখানা গড়ে উঠতে থাকে। ফলে একপর্যায়ে শিল্পপতি, ব্যবসায়ীদের সম্পদ সামন্ত প্রভুদের বিত্তকে ছাড়িয়ে যায়। এমনকি একপর্যায়ে সামন্তবাদী ব্যবস্থাও উচ্ছেদ হয়ে যায়। কিন্তু শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীরা যত অগাধ সম্পত্তিরই মালিক হোক না কেন, তাদের বুর্জোয়া নামকরণই বহাল থাকে। বর্তমানে বুর্জোয়া বলতে সমগ্র শিল্পপতি-ব্যবসায়ীর গোষ্ঠীকেই বোঝানো হয়।
প্রকাশিতব্য ‘লাল রাজনীতি’ বই থেকে...

প্রি-অর্ডার নেওয়া হচ্ছে লাগলে দ্রুত ইনবক্সে আসেন ☎️
17/06/2023

প্রি-অর্ডার নেওয়া হচ্ছে লাগলে দ্রুত ইনবক্সে আসেন ☎️

■■যে মেহমানদারিতা স্বয়ং আল্লাহকে হাসিয়েছে ‼️  ●● আবূ হুরাইরাহ(রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ-------"এক ব্যক্তি রসূল সল্লাল্...
16/06/2023

■■যে মেহমানদারিতা স্বয়ং আল্লাহকে হাসিয়েছে ‼️

●● আবূ হুরাইরাহ(রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ
-------"এক ব্যক্তি রসূল সল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বললোঃ "আমি খুব ক্ষুধার্ত। তখন তিনি তাঁর সহধর্মিণীদের নিকট(খবর) পাঠালেন; কিন্তু তাঁরা জানালেনঃ "আমাদের নিকট পানি ছাড়া কিছুই নেই!"
এরপর রসূল সল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ

-------"কে আছ যে, এই ব্যক্তিকে মেহমান হিসেবে নিয়ে নিজের সাথে খাওয়াতে পার?" তখন এক আনসারী সাহাবী [আবূ ত্বলহা (রাঃ)] বললেনঃ আমি। এ বলে তিনি মেহমানকে নিয়ে গেলেন এবং (বাড়িতে গিয়ে) স্ত্রীকে বললেনঃ "রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মেহমানকে সম্মান কর।" স্ত্রী বললেনঃ "বাচ্চাদের খাবার ছাড়া আমাদের ঘরে অন্য কিছুই নেই!" আনসারী বললেনঃ "তুমি আহার প্রস্তুত কর এবং বাতি জ্বালাও এবং বাচ্চারা খাবার চাইলে তাদেরকে ঘুম পাড়িয়ে দাও।"

-------সে বাতি জ্বালাল, বাচ্চাদেরকে ঘুম পাড়াল এবং সামান্য খাবার যা তৈরি ছিল তা উপস্থিত করল। বাতি ঠিক করার বাহানা করে স্ত্রী উঠে গিয়ে বাতিটি নিভিয়ে দিলেন। তারপর তারা স্বামী-স্ত্রী দু’জনই অন্ধকারের মধ্যে আহার করার মত শব্দ করতে লাগলেন এবং মেহমানকে বুঝাতে লাগলেন যে, তারাও সঙ্গে খাচ্ছেন।

-----তাঁরা উভয়েই সারা রাত অভুক্ত অবস্থায় কাটালেন। ভোরে যখন তিনি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গেলেন, তখন রসূল সল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ "আল্লাহ্ তোমাদের গত রাতের কান্ড দেখে হেসে দিয়েছেন অথবা বলেছেন খুশী হয়েছেন এবং এ আয়াত নাযিল করেছেন।" ইরশাদ হচ্ছেঃ

-------‘‘তারা অভাবগ্রস্ত সত্ত্বেও নিজেদের উপর অন্যদেরকে অগ্রগণ্য করে থাকে। আর যাদেরকে অন্তরের কৃপণতা হতে মুক্ত রাখা হয়েছে, তারাই সফলতাপ্রাপ্ত।’’ [সূরা হাশরঃ ৯]

সুবহানাল্লাহ! আল্লাহু আকবার!

সুত্রঃ (বুখারীঃ ৩৭৯৮,৪৮৮৯, মুসলিমঃ ২০৫৪)

ফেসবুকে ঢুকলে দেখা যায় সবাই জ্ঞানি মহাজ্ঞানী। আচ্ছা আপনার জ্ঞান মাশাআল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ কিন্তু গীবত, সমালোচনা করা, পর...
16/06/2023

ফেসবুকে ঢুকলে দেখা যায় সবাই জ্ঞানি মহাজ্ঞানী। আচ্ছা আপনার জ্ঞান মাশাআল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ কিন্তু গীবত, সমালোচনা করা, পরনিন্দা করা , পরের বিষয় নিয়ে এত মাতামাতি নাচানাচি করার কী মানে হয়?
নাকি আপনার সওয়াবের ইনকাম বেশি হয়ে গেছে এজন্য অন্যের গুনকীর্তন করে তার সওয়াবের পাল্লা ভারী করতে চান?
আচ্ছা যেহেতু করেনই তাহলে মতামত ও পরামর্শ হচ্ছে এই উলামায়ে কেরামের সমালোচনার নেপথ্যে বইটি পড়ে তারপর করুন।
তাহলে কোথায় কি আলোচনা করতে চাচ্ছেন সহজেই অনুমান করতে পারবেন।
এই বইটি পড়ার পর করলে নিজেরও উপকার হবে, যার আলোচনা করবেন তাঁরও উপকার হবে ইন শা আল্লাহ

বই: উলামায়ে কেরামের সমালোচনার নেপথ্যে

অডার করতে ইনবক্স করুন 👉

বুক রিভিউ  দ্য প্রফেট মুল : লেজলি হ্যাজেলটনভাষান্তর : আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ লেজলি হ্যাজেলটন একজন অ্যাগনস্টিক ইহুদী। অ্য...
15/06/2023

বুক রিভিউ দ্য প্রফেট

মুল : লেজলি হ্যাজেলটন
ভাষান্তর : আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

লেজলি হ্যাজেলটন একজন অ্যাগনস্টিক ইহুদী। অ্যাগনস্টিক শব্দের অর্থ হচ্ছে অজ্ঞেয়বাদী। অর্থাৎ যারা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত না। এই তথ্য শোনার পরেই যেকোনো মুসলমানের মনে হতে পারে, এমন একজন ব্যক্তি, যিনি একে ইহুদী, তার উপর অ্যাগনস্টিক, তিনি যখন রাসুল (সা) এর জীবনী লিখবেন, সেই জীবনী কি পড়া উচিত হবে? সেখানে তো নিশ্চয়ই বিশ্বাস-অবিশ্বাসের মিশ্রণ থাকবে, থাকবে ইহুদী দৃষ্টিভঙ্গি!
কিন্তু বইটি পড়লে বোঝা যায়, এই সন্দেহ পুরাই অমূলক। লেজলি হ্যাজেলটন এমনভাবে রাসুল (সা)-এর জীবনী তুলে ধরেছেন, অল্প কিছু জায়গা বাদে অধিকাংশ সময় পাঠকের মনেই হবে না যে তিনি ভিন্নধর্মী বা সংশয়বাদী কারো লেখা পড়ছেন।

যেমন ধরা যাক রাসুল (সা)-এর নবুওয়্যাত প্রাপ্তির ঘটনাটি। ব্যক্তিগতভাবে লেজলি নিজে যা-ই বিশ্বাস করুন না কেন, বইয়ে তিনি একাধিকবার বলেছেন, সেদিন রাসুল (সা) ওহী লাভের যে অভিজ্ঞতা প্রত্যক্ষ করেছেন, তা মিথ্যা হতে পারে না। তা ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত সত্য।

বইটির ভেতরেও তার এরকম মন্তব্য বার বার উঠে এসেছে, যেখানে তিনি রাসুল (সা)-এর বক্তব্যকে দ্বিধাহীনভাবে সত্য বলে রায় দিয়েছেন। আর দশজন পশ্চিমা লেখকের বিপরীতে গিয়ে রাসুল (সা)-কে তিনি তুলে ধরেছেন একজন সৎ, ধর্মপ্রাণ, সকলের শ্রদ্ধাভাজন মানুষ এবং নেতা হিসেবে।

ইউরোপ-আমেরিকার ওরিয়েন্টালিস্ট ইতিহাসবিদগণ যেভাবে আধুনিক পশ্চিমা সমাজ ব্যবস্থার আলোকে ইসলামকে এবং রাসুল (সা)-কে বিচার করে, তার কঠোর সমালোচনা করেছেন লেজলি। এবং সেটা করতে গিয়ে তিনি রাসুল (স)-এর বিভিন্ন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, একের পর এক যুদ্ধ, একাধিক বিয়ে, নয় বছর বয়সী আয়েশা (রা)-কে বিয়েসহ এমন সব বিষয়কে সমর্থন জানিয়েছেন এবং সেগুলোর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছেন, যেগুলো এমনিতে অন্যান্য পশ্চিমা ইতিহাসবিদদের ইসলামবিরোধিতার প্রধান অস্ত্র।

লেজলির বইয়ের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এখানে তিনি ধর্মীয় দৃষ্টিকোণের বাইরে থেকে মানবিকভাবে রাসুল (সা)-কে দেখার চেষ্টা করেছেন। জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে রাসুল (সা) এর মানসিক অবস্থা কীরকম ছিল, কোনো ঘটনায় তার অনুভূতি কীরকম ছিল, সেগুলো অনুমান করার চেষ্টা করেছেন। এছাড়া রাসুল (সা)-এর সাথে মক্কার কুরাইশদের যে দ্বন্দ্ব, সেটাকেও তিনি নিছক ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখিয়ে বরং মক্কার আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটের বিচারে তুলে ধরেছেন, যেই দৃষ্টিভঙ্গিটা অন্যান্য জীবনীকারদের লেখায় খুব বেশি উঠে আসে না।

তবে লেজলি হ্যাজেলটনের লেখা পুরোপুরি ত্রুটিমুক্তও নয়। বইটিকে ঠিক সিরাত গ্রন্থ বলা যায় না। এটা বরং এক ভিন্নধর্মের অনুসারী এক পর্যটকের মুগ্ধ দৃষ্টিতে উঠে আসা ইসলামের নবীর জীবনের সংক্ষিপ্ত বিবরণ। বইয়ে কিছু কিছু ঘটনার বর্ণনা সুন্নি ইসলামিক সিরাত গ্রন্থগুলোতে যেভাবে এসেছে, তার চেয়ে একটু ভিন্নভাবে এসেছে। কেউ যদি এর আগে রাসুল (সা)-এর কোনো জীবনী না পড়ে থাকেন, তাহলে তার জন্য এই বইটি না পড়াই ভালো হবে। কিন্তু যদি ইসলামের মূল বিষয়গুলো সম্পর্কে কারও পরিষ্কার ধারণা থাকে, এবং অন্তত একটি সিরাত গ্রন্থ পরিপূর্ণভাবে পড়া থাকে, তাহলে একজন বিধর্মীও যে রাসুল (সা)-এর জীবনকে কত মুগ্ধ দৃষ্টিতে দেখতে পারেন, সেটা জানার জন্য হলেও এই বইটি অবশ্যপাঠ্য।

তাদের তরে_যারা হবেন ই*মাম মা*হদীর সৈনিক আল্লাহ তায়ালা মুমিনদের দাজ্জাল ও ইয়াজুজ-মাজুজের সর্বগ্রাসী রক্ষা করুন। ঈমান ও ইয়...
15/06/2023

তাদের তরে_যারা হবেন ই*মাম মা*হদীর সৈনিক আল্লাহ তায়ালা মুমিনদের দাজ্জাল ও ইয়াজুজ-মাজুজের সর্বগ্রাসী রক্ষা করুন। ঈমান ও ইয়াকিনের সকল পরিক্ষায় মহান রব সকলকে উত্তীর্ণ করুন। (আমীন)

পড়াশোনায় মেধাবী হলেও কিশোরোচিত দুরন্তপনা ও দুঃসাহসিক কার্যকলাপের প্রতি ঝোঁক ছিল ক্ষুদিরাম বসুর। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ বিরো...
15/06/2023

পড়াশোনায় মেধাবী হলেও কিশোরোচিত দুরন্তপনা ও দুঃসাহসিক কার্যকলাপের প্রতি ঝোঁক ছিল ক্ষুদিরাম বসুর।

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী ও স্বদেশি আন্দোলন ক্ষুদিরামের মতো স্কুলের ছাত্রদেরও প্রভাবিত করে এবং পরিণামে তিনি পড়াশোনা ছেড়ে সত্যেন বসুর নেতৃত্বে এক গুপ্ত সমিতিতে যোগ দেন। আরও কয়েকজনের সঙ্গে সেখানে তিনি শারীরিক কসরত শেখেন, একইসাথে নৈতিক ও রাজনৈতিক শিক্ষা পেতে শুরু করেন। এ সময়ে পিস্তল চালনাতেও তাঁর হাতেখড়ি হয়।

বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে ইংল্যান্ডে উৎপাদিত কাপড় পোড়ানো ও ইংল্যান্ড থেকে আমদানিকৃত লবণে বোঝাই নৌকা ডোবানোর কাজে ক্ষুদিরাম অংশগ্রহণ করেন।

১৯০৬ সালের মার্চে মেদিনীপুরের এক কৃষি ও শিল্পমেলায় রাজদ্রোহমূলক ইস্তেহার বণ্টনকালে ক্ষুদিরাম প্রথম পুলিশের হাতে ধরা পড়লেও পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। পরবর্তী মাসে অনুরূপ এক দুঃসাহসী কর্মের জন্য তিনি পুলিশের হাতে ধরা পড়েন এবং আদালতে বিচারের সম্মুখীন হন। কিন্তু অল্প বয়সের বিবেচনায় তিনি মুক্তি পান।

১৯০৭ সালে হাটগাছায় ডাকের থলি লুট করেন এবং ১৯০৭ সালের ৬ ডিসেম্বর নারায়ণগড় রেল স্টেশনের কাছে বঙ্গের ছোটোলাটের বিশেষ রেলগাড়িতে বোমা হামলার সাথে জড়িত থাকেন তিনি। ইউরোপীয় ক্লাবের গেটের কাছে কিংসফোর্ডের গাড়ির ভেবে অন্য একটি গাড়িতে বোমা হামলা করেন। এতে গাড়ির ভেতরে থাকা একজন ইংরেজ মহিলা ও তাঁর মেয়ে নিহত হন। এভাবে তিনি বোমা হামলার সমস্ত দায়িত্ব নিজের ওপর নিয়ে নেন।

এ ঘটনার পর ক্ষুদিরাম ওয়ানি রেলস্টেশনে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। কিন্তু অপর কোনো সহযোগীর পরিচয় দিতে বা কোনো গোপন তথ্য প্রকাশ করতে অস্বীকার করেন। ফলে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য অনুসারে ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট মুজফ্ফরপুর কারাগারে তার ফাঁসি কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র :
শৈলেশ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় : বাংলাপিডিয়া (খণ্ড-৩), (সিরাজুল ইসলাম সম্পা.) বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি, ঢাকা, ২০০৪, পৃ. ১৩।
আশরাফ কায়সার, বাংলাদেশে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, মাওলা ব্রাদার্স, ঢাকা; ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৫, পৃ. ১৯।
কানাইলাল দত্ত রাজসাক্ষী নরেন্দ্রনাথ গোস্বামী ওরফে নরেন গোঁসাইকে হত্যা করতে

(গার্ডিয়ানের আপকামিং বই ‘লাল রাজনীতি’ থেকে...)

Address

Chittagong Road, Siddirgonj, Narayanganj
Dhaka

Telephone

+8801632187136

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ummah Book & Gift House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ummah Book & Gift House:

Share

Category