06/09/2021
মেহ রোগের আরও দাওয়াইঃ
যে সমস্ত ভাইদের বীর্য খুব বেশী পানির মতো পাতলা,খুব দ্রুত বীর্য বাহির হয়ে যায়।আপনি নিজেও সহবাসে তৃপ্তি পান না।আর আপনার স্ত্রীকেও তৃপ্তি দিতে পারেন না।অনেক টাকা খরচ করে আমার নিজের হাতের তৈরী করা গাছ গাছড়া ও লতাপাতার নির্জাসে ঔষধগুলোও নিতে পারবেন না।তাদের জন্য নিম্নে কিছু ফর্মুলা দিয়ে দিলাম যদি নিয়মিত আমার দেয়া ফর্মুলাগুলো চালিয়ে যেত পারেন।তাহলে আল্লাহর রহমতে অবশ্যই আপনার বীর্য খুব গাড়ো হবে। তাড়াতাড়ি বীর্যও বাহির হবে না।বীর্য ঘন করার প্রাকৃতিক উপায় হল মধু। প্রতিদিন তিন বেলা খাবার পর এক চা-চামচ বা তার কিছু কম খাবেন… তিন দিনের মধ্যে ফলাফল না পেলে অবশ্যই আমার পরামর্শ নিবেন।বীর্য ঘন করার প্রাকৃতিক উপায়
অনেকেই আমার কাছে ইনবক্সে জানতে চেয়েছেন বীর্য ঘন করার উপায় সম্পর্কে। অনেকে আবার ওষুধ খেয়ে ঘন করতে না পেরে অতিষ্ঠ । তারা জানতে চান আসলেই কি বীর্য ঘন করার কোন উপায় আছে কিনা! হাঁ প্রাকৃতিক কিছু জিনিস যা আমদের হাতের কাছেই পাওয়া যায় যেমন রসুন হতে পারে আপনার বিবাহিত জীবনের নতুন বন্ধু।“নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খেলে এমনিতেই পুরুষের বীর্য ঘন হয়ে থাকে। বীর্য ঘন করার প্রাকৃতিক উপায় হিসাবে প্রতিদিন দুধ, ডিম, মধু গ্রহণ”
প্রতিদিন নিয়ম করে কয়েক কোয়া কাঁচা রসুন খেলে শরীরের যৌবন দীর্ঘ স্থায়ী হয়। যারা পড়ন্ত যৌবনে চলে গিয়েছেন, তারা প্রতিদিন দু’কোয়া রসুন খাঁটি গাওয়া ঘি-এ ভেজে মাখন মাখিয়ে খেতে পারেন। তবে খাওয়ার শেষে একটু গরম পানি বা দুধ খাওয়া উচিত। এতে ভালো ফল পাবেন।যৌবন রক্ষার জন্য রসুন অন্যভাবেও খাওয়া যায়। কাঁচা আমলকির রস ২ বা ১ চামচ নিয়ে তার সঙ্গে এক বা দুই কোয়া রসুন বাটা খাওয়া যায়। এতে স্ত্রী-পুরুষ উভয়ের যৌবন দীর্ঘস্থায়ি হয়।তবে যাদের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, অতিরিক্ত রসুন খাওয়া তাদের জন্য বিপদ জনক। কারণ, রসুন রক্তের জমাট বাঁধার ক্রিয়াকে বাধা প্রদান করে।রাতে শুবার সময় ইসুপগুলের ভুসি পানি দিয়ে খাবেন ৭ দিন খান ফলাফল নিজেই পাবেন। কথায় আছে দাদা খেলে দাদি খুশি নানা খেলে নানি খুশি এরেই নাম ইসুপগুলের ভুসি।নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খেলে এমনিতেই পুরুষের বীর্য ঘন হয়ে থাকে। যেমন প্রতিদিন দুধ, ডিম, মধু গ্রহণ করলে সাধারণত আর কোনো কিছুরই দরকার পড়ে না। অনেকে আবার সরাসরি বিভিন্ন ধরনের এলোপ্যাথিক ওয়ান টাইম পার্শপ্রতিক্রিয়াযুক্ত ক্যাপসুল,ট্যাবলেট ঔষধ খাওয়া শুরু করে দেন।কিন্তু আসলে তারা জানে না এই ধরনের ঔষধ দীর্ঘদিন সেবন করলে আপনার যৌনশক্তি একেবারেই চিরদিনের জন্য ধ্বংশ হয়ে যাবে।তখন আর কোন কবিরাজি বা ডাক্তারি কোন ঔষধের মাধ্যমে আপনি স্থায়ীভাবে আপনার যৌনশক্তি ফিরে পেতে পারবেন না।এবং আস্তে আস্তে আপনার বিভিন্ন ধরনের রোগ,যেমন হার্টের সমস্যা,উচ্চরক্তচাপের সমস্যা,লিভার,কিডনি,মাব্যাথা,এরোকম আরো অনেক রোগে আপনাকে আস্তে আস্তে আক্রমন করবে।তাই এধরনের পার্শপ্রতিক্রিয়াযুক্ত কোন প্রকারের ঔষধ খাবেন না।আর যদি কিছু খেতেই মনে চায় তাহলে “শিমুল মূল চূর্ণ” এবং “শিলাজুত” প্রতিদিন ১ চামচ পরিমান সকালে পানিতে মিশিয়ে নিয়মিত ৬০ দিন পর্যন্ত খেতে পারেন। এতেই কাজ হয়ে যাবে ইনশায়াল্লাহ“শিলাজুত” আগের দিন পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়। এগুলো প্রাকৃতিক।
কলমি শাক, কলমি শাক আমরা প্রায় খাই। এ শাকের গুনাবলী অনেক। কলমি শাকের রস ৩ চামচ এবং অশ্বদন্ধার মূলের গুড়া (কবিরাজী দোকানে পাওয়া যায়) দেড় গ্রাম গরুর এক কাপ দুধে মিশিয়ে রাতে শোবার সময় একবার করে খেলে বীর্য গাঢ় হবে এবং স্বপ্নদোষও বন্ধ হবে।
রামতুলসী, রামতুলসী পাতার রস ধ্বজভঙ্গের খুবই উপকারী। মাত্র দুই সপ্তাহ নিয়মিত খেরে রোগীর স্বাভাবিক যৌন ক্ষমতা ফিরে আসে।
বেল, যৌবন উত্তেজনা উম্মচিত হয়ে তরুন যুবক কু-পথে চালিত হয়ে শুক্রক্ষয় করে থাকে। তিন থেকে চারটি বেলপাতা ভালোভাবে বেটে তার রস আধাকাপ ঠান্ডা পানির সাথে মিশিয়ে কিছুদিন খেলে শরীরে তীব্র কাম উত্তেজনা হ্রাস পায়। তবে একটা দীর্ঘদিন খাওয়া মোটেই উচিত নয়। দম্পত্য জীবনে বীপরীত ফল হতে পারে।
আলকুশী, যৌবনে নানা প্রকার কু-অভ্যাসের ফলে অতিরিক্ত শুক্র ক্ষয়ের জন্যে মহামূল্যবান বীর্য তরল হয়ে যায়। আলকুশীর পাকা বীজ চার থেকে পাচটি আগের রাতে এক কাপ গরম দুধে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে বীজগুলোর কোসা ছাড়িয়ে শিলে মিহি করে বেটে নিয়ে সামান্য গাওয়া গিয়ে বাটা বীজকে ভেজে নেয়া দরকার। তবে ভাজাটা খুব কড়াভাবে ভাজা চলবে না। ঠান্ডা হলে এক চামচ মিসরীগুড়া অথবা সমপরিমান চিনি মিশিয়ে দিনে একবার করে খেলে তরল বীর্য ঘন হয়ে যাবে। অন্তত ৬০ দিন করে খেয়ে যেতে হবে এবং পথ্য হিসেবে গরুর দুধ ২৫০ মি.লি. থেকে ৫০০ মি.লি ঔষুধ চলাকালীন খেয়ে যেতে হবে।
শতমুলী, দেহে যৌবন আসার সাথে কু-অভ্যাসের ফলে বীর্য পাতলা হয়ে যায়। তাছাড়া কুচিন্তা এবং কুদৃশ্য ঐসব কুভাবনা চিন্তা দৃশ্য দেখে ঘুমের মধ্যে পাতলা বীর্য সহজেই বের হয়ে যায়। শতমূলীর রস ৫০ মিলি লিটার একটি স্টিলের পাত্রে রেখে তাতে ১০০ মিলিলিটার গাওয়া ঘিয়ে দিয়ে আচে পাক করতেহবে। এ ঘি তিন গ্রাম আধা কাপ সামান্য গরম দুধের সাথে মিশিয়ে সকালে বিকেলে খেলে বীর্য গাঢ় হবে। তবে নিজেকেও কিছুটা সংযত হতে হবার চেষ্টা করতে হবে।
লতাকস্তুরী,লতাকস্তুরী বীজের গুড়া দেড় গ্রাম, এক গ্লাস ঠান্ডা পানির সাথে খেলে ধীরে ধীরে শুক্র বেড়ে যায়। তবে নিয়মিত ৬০ দিন ধরে খাওয়া উচিত। জল-যমানী (ছিলি-হিন্টি), অনেকের প্রসাবের আগে অথবা পরে প্রস্রাবের সাথে বীর্য বেরিয়ে আসে। এ অবস্থায় এ গাছের পাতা নিয়ে থেতো করে আধাপোয়া পানিতে চটকে ছেকে নিন। তারপর তাতে অল্প চিনি মিশিয়ে শরবত করে খান, বীর্য গাঢ় হবে।
বকুল ফুল, অপুষ্টিজনিত কারণে শুক্রতরল্য দেখা দিলে পাকা বকুল ফলের সিরাপ প্রতিদিন দুপুরে আহারের পর ১ চা-চামচ নিয়ে ঠান্ডা পানি মিশিয়ে ২ থেকে ৩ সপ্তাহ খাবেন বীর্য গাঢ় হবে।
রসুন, শুক্রতারল্য দেখা দিলে সামান্য গরম দুধের সাথে ১ কোয়া বা ২ কোয়া রসুন বাটা মিশিয়ে খাবেন বীর্য গাঢ়।
শিমুল গাছ, চারা শিমুলগাছের মুল থেতো করে বা বেটে ৭ থেকে ১০ গ্রাম নিয়ে তার সাথে একটু চিনি মিশিয়ে দু’বেলা খেলে বীর্য গাঢ় হবে।
উপরে যে কোন একটি পদ্ধতি অনুসরণ করে নিয়মিত ওষুধ খেলে বীর্য গাঢ় হবে। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মিলন হবে অটুট, মনে আসবে শান্তি এবং টাকাও বাঁচবে, বাঁচবে সময়ও।আপনার প্রয়োজনে আমার নিজের হাতের তৈরী করা গাছ গাছড়া ও লতাপাতার নির্জাসে বানানো বীর্য ঘন করা সহ,সব ধরনের যৌন সমস্যা থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি পাওয়ার জন্য দারুন কিছু ঔষধ রয়েছে যেগুলির কোনো প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই এবং সারা বছরই আপনি খেতে পারবেন।সেগুলো আমার কাছ থেকে সংগ্রহ করে নিয়ে খেতে পারেন।