03/10/2026
আমি বরাবর চা টা পছন্দ করতাম, পড়াশোনায় মোটামুটি মনোযোগী ছিলাম আলহামদুলিল্লাহ।
পরিক্ষার সময় একটু রাত জেগে পড়তাম আবার আজানের সময় উঠতাম তখন মা রং চা ফ্লাক্স ভরেই বানিয়ে দিতেন খাইতাম আর পড়তাম সকাল ও সন্ধ্যা ২ ফ্লাক্স খাইতাম।
ইউনিভার্সিটির লাইফে প্রথম যেদিন আব্বা হোস্টেলে দিয়ে যায় একটা ছোট্ট পাতিল চা পাতা,চিনি,দুধ এক কৌটা দিয়ে যায়।
জীবন বদলায় ধীরে ধীরে প্রথম প্রেগনেন্সি মিসক্যারেজ😭😭
লং টাইম ৩ বছর পরে আবার প্রেগনেন্সি জার্নি ডাঃ পুরাই চা, কোল ড্রিংস নিষেধ বিশেষ করে দুধ চা।
গেলো শখ হারিয়ে ধীরে ধীরে ও সাথে সময় পেলে শরৎচন্দ্রের বই পড়তাম খুব ভালো লাগতো।
মেয়ে হওয়ার পরে কই বই কই আমি আহা জীবন তবুও আলহামদুলিল্লাহ।
তবে এখন মাঝে মধ্যে বিষন্নতায় ভুগি সবাই আছে তবুও কেনো জানি কি নাই।
আগে ডায়েরির পাতায় লিখতাম দৈনন্দিন পথ চলা নিয়ে এখন ফেসবুক পাতায় লিখি😁😁😁পার্থক্য এটুকুই।
বিঃদ্রঃ স্মৃতি হয়ে থাক নিজের মনের শৈশব কৈশোর এর কথা গুলো।
দিনশেষে নিজেকে ভালোবাসুন সময় দিন ধীরে ধীরে কবরের দিকে ছুটছি বা এখনই যেতে পারি তাই ধর্ম জ্ঞানে মনোযোগী হতে হবে সবার আগে।