Nazeel Corporation

Nazeel Corporation The Joy of Positivity

What do u miss about us?Dress/hijab/cosmetics/Beauty products/bags??? Let us know ❤️❤️
20/11/2025

What do u miss about us?
Dress/hijab/cosmetics/Beauty products/bags???
Let us know ❤️❤️

Kodak কোম্পানির কথা মনে আছে? ১৯৯৮ সালে কোড্যাক কোম্পানিতে ১ লক্ষ ৭০ হাজার কর্মচারী কাজ করতেন এবং বিশ্বে ছবি তোলার ৮৫%ই ক...
21/09/2025

Kodak কোম্পানির কথা মনে আছে? ১৯৯৮ সালে কোড্যাক কোম্পানিতে ১ লক্ষ ৭০ হাজার কর্মচারী কাজ করতেন এবং বিশ্বে ছবি তোলার ৮৫%ই কোড্যাক ক্যামেরায় তোলা হত। গত কয়েক বছরে মোবাইল এবং ডিজিটাল ক্যামেরার বাড়বাড়ন্ত হওয়ায় এমন অবস্থা হয় যে Kodak কোম্পানিটাই উঠে যায়। এমনকি Kodak সম্পূর্ণ দেউলিয়া হয়ে পড়ে এবং এদের সমস্ত কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক ছাঁটাই করা হয়।

ওই একই সময়ে বা এর কিছু আগে পরে আরো কতগুলি বিখ্যাত কোম্পানি তাদের ঝাঁপ পাকাপাকি বন্ধ করতে বাধ্য হয়। যেগুলো এখনও কোনমতে টিকে আছে তাদের অবস্থাও নিভু নিভু। যেমন:

১. National (টিভি)
২. Raledy (ক্যাসেট প্লেয়ার)
৩. Casio (ঘড়ি)
৪. Ambassador (গাড়ি)
৫. Nokia (মোবাইল)
৬. Murphy (রেডিও)
৭. Compaq (পিসি ব্র্যান্ড)
৮. Oldsmobile (গাড়ি নির্মাতা)
৯. Pan Am (বিমান সংস্থা)
১০. Blockbuster (ভিডিও চেইন)
১১. Borders (বই বিক্রেতা)
১২. Toys "R" Us (খেলনা বিক্রেতা)
১৩. Enron (বৈশ্বিক জ্বালানি কোম্পানি)
১৪. Woolworth's (বিশ্বের বৃহত্তম খুচরা বিক্রেতা)
১৫. Tower Records (মিউজিক স্টোর)

এই কোম্পানিগুলোর মধ্যে কারুরই কোয়ালিটি খারাপ ছিল না। তবুও এরা উঠে গেল কেন? কারণ, সময়ের সাথে নিজেকে বদলাতে পারেনি।

এখনকার সময়ে দাঁড়িয়ে আপনি হয়তো ভাবতেও পারছেন না যে সামনের ১০ বছরে দুনিয়া কতটা পাল্টে যেতে পারে! আজকের ৭০ থেকে ৯০% চাকরিই সামনের ১০ বছরে সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত হতে চলেছে। আমরা ধীরে ধীরে ঢুকে পড়েছি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে।

আমার কথা বিশ্বাস হচ্ছে না? আজকের বিখ্যাত কোম্পানিগুলোর দিকে তাকান।

Uber কেবলমাত্র একটি software এর নাম। এদের নিজস্ব কোনো গাড়ি নেই। তবুও আজ তারা পৃথিবীর বৃহত্তম ট্যাক্সিভাড়ার কোম্পানি।

Airbnb হল আজকে দুনিয়ার সবথেকে বড় হোটেল কোম্পানি। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, পৃথিবীর একটি হোটেলও তাদের মালিকানায় নেই। একইভাবে Paytm, Ola Cabs, Oyo rooms ইত্যাদি অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে।

আজকে উন্নত দেশগুলোতে জুনিয়র আইনজীবীদের জন্য কোনো কাজ নেই, কারণ Clio, My Case, Practice Partner নামের সফটওয়্যারগুলো যে কোনো নতুন উকিলের থেকে অনেক ভালো ওকালতি করতে পারে। নতুন ডাক্তারদেরও চাকরি যেতে বসেছে। Medscape, Merative, Telemedicine, eClinicalWorks, Doctor on Demand নামের অ্যাপগুলো মানুষের থেকে ৪ গুণ নিখুঁতভাবে ক্যান্সার এবং অন্যান্য রোগ শনাক্ত করতে পারে।

পরের ১০ বছরে ৯০% মানুষের কোনো চাকরি থাকবে না। বাকি থাকবে কেবল ১০%। এই ১০% হলো বিশেষ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। ২০৩০ সালের মধ্যে AI এর বুদ্ধিমত্তা এক অন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাবে, যার ফলে কর্মী হিসেবে মানুষের প্রয়োজনীয়তা একেবারেই কমে যাবে।

সামনের ২০ বছরে আজকের ৯০% গাড়িই রাস্তায় দেখা যাবে না। বেঁচে থাকা গাড়িগুলো হয় ইলেক্ট্রিকে চলবে অথবা হাইব্রিড হবে। রাস্তাগুলো ক্রমশ ফাঁকা হতে থাকবে। পেট্রোলের ব্যবহার কমবে এবং পেট্রোল উৎপাদনকারী দেশগুলি ক্রমশ অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে।

তখন গাড়ি লাগলে, উবারের মত কোনো software এর কাছেই গাড়ি চাইতে হবে। আর গাড়ি চাইবার কিছুক্ষণের মধ্যেই সম্পূর্ণ চালক বিহীন একটা গাড়ি আপনার দরজার সামনে এসে দাঁড়াবে। আপনি যদি অনেকের সাথে ওই একই গাড়িতে যাত্রা করেন, তাহলে মাথাপিছু গাড়িভাড়া বাইকের থেকেও কম হবে।

গাড়িগুলো চালকবিহীন হবার ফলে ৯৯% দুর্ঘটনা কমে যাবে। এবং সেই কারণেই গাড়ি বীমা করানো বন্ধ হবে এবং গাড়ি বীমার কোম্পানিগুলো সব উঠে যাবে।

গাড়ি চালানোর মতো কাজগুলো আর বেঁচে থাকবে না। ৯০% গাড়িই যখন রাস্তা থেকে উধাও হয়ে যাবে, তখন ট্রাফিক পুলিশ এবং পার্কিং এর কর্মীদেরও কোনো প্রয়োজন থাকবে না।

ভেবে দেখুন, আজ থেকে ১০ বছর আগেও রাস্তার মোড়ে মোড়ে STD বুথ ছিল। দেশে মোবাইল বিপ্লব আসার পর, এই সবকটা STD বুথই কিন্তু পাততাড়ি গুটাতে বাধ্য হলো। যেগুলো টিকে রইল, তারা মোবাইল রিচার্জের দোকান হয়ে গেল। এরপর মোবাইল রিচার্জেও অনলাইন বিপ্লব এল। ঘরে বসেই অনলাইনে লোকে মোবাইল রিচার্জ করা শুরু করল। এই রিচার্জের দোকানগুলোকে তখন আবার বদল আনতে হল। এরা এখন শুধুই মোবাইল ফোন কেনাবেচা এবং সারাইয়ের দোকান হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সেটাও বদলাবে খুব শিগগিরই। কারণ Amazon, Flipkart থেকে সরাসরি মোবাইল ফোন বিক্রি দিনকে দিন বাড়ছে।

টাকার সংজ্ঞাও পাল্টাচ্ছে। একসময়ের নগদ টাকা আজকের যুগে প্লাস্টিক টাকায় পরিণত হয়েছে। ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ডের যুগ ছিল কদিন আগেও। এখন সেটাও বদলে গিয়ে হয়ে যাচ্ছে মোবাইল ওয়ালেট এর যুগ। bKash, Nagad, Paytm, GoodLeap, Brex, Plaid এর রমরমা বাজার — মোবাইলের এক টিপে টাকা এপার ওপার।

যারা সময়ের সাথে বদলাতে পারে না, সময় তাদেরকে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়। তাই টিকে থাকতে চাইলে ক্রমাগত নিজেকে আপডেট করতে থাকুন।

থাইরয়েড, অনেকেই ভাবেন সিরিয়াস কিছু না, আসেন মন্তব্যের আগে কিছু  কথা জানুন :- থাইরয়েড  দুই প্রকার হয়। হাইপো ও হাইপার। এটি...
28/08/2025

থাইরয়েড, অনেকেই ভাবেন সিরিয়াস কিছু না, আসেন মন্তব্যের আগে কিছু কথা জানুন :-

থাইরয়েড দুই প্রকার হয়। হাইপো ও হাইপার। এটি এমন একটি সমস্যা, যেটা বাইরে থেকে দেখা যায় না, কিন্তু ভেতর থেকে জীবনটাকে নষ্ট করে দেয়। ঘন ঘন মুড সুইং হয়, হঠাৎ করেই মানুষ রেগে যায়।
শরীরে অনেক ক্লান্তি থাকে অথচ ঘুম ঠিকমতো হয় না। অনেক সময় মাথা ঘোরায়, হাত পা থর থর করে কেঁপে উঠে। চোখে অন্ধকার দেখা, শরীরে হুটহাট ব্যাথা অনুভব করা। মাথা কাজ করে না, ভুলে যাওয়া, এক রকম উপস্বর্গ দেখা দেয়। কখনও ওজন বাড়ে, আবার কমে। খাওয়ার অভ্যাসেও পরিবর্তন আসে।
চুল পড়ে, ত্বক শুকিয়ে যায়, কিন্তু সবাই ভাবে হয়তো নিজের যত্ন নেয়া হচ্ছেনা।
মন খারাপ থাকে, কিছুতেই আনন্দ লাগে না, কিন্তু কেউ ভাবে না এটা হরমোনাল ইম্বব‍্যালেন্স কারণেও হতে পারে।
অন্যরা ভাবে “অলস”, অথচ প্রতিদিন নিজের শরীরের বিরুদ্ধে কতটা লড়াই করে চলতে হয়।
যাদের থাইরয়েডের সমস্যা নেই সেই মানুষ গুলো সামাজিকভাবে বুঝতে পারে না বা বুঝতে চায় না যে এটা কতটা কষ্টদায়ক। তারা ভাবে,
“হাঁটা চলা, খাওয়া দাওয়া সবইতো ঠিকঠাক আছে!!!
“তোমার কষ্ট কিসের?”
“কম খাও, বেশি হাঁটো, সব ঠিক হয়ে যাবে!”
এরা জানে না যে, হাইপোথাইরয়েডিজমে মেটাবলিজম স্লো হয়ে যায়, ঘুমের চক্র নষ্ট হয়ে যায়, এমনকি মনের শক্তিও কমে যায়।।
এটা ঠিক যে, বাইরে থেকে মানুষ না বুঝলেও, হাজার হাজার মানুষ এই অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য যে- বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে থাইরয়েডের রোগী যে পরিবারে থাকে সেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কাউন্সিলিং করানো হয়। রোগীর সাথে কেমন আচরন করলে তারা স্বাভাবিক থাকবে সে বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়। কি খেতে পারবে কি খাবে না সব॥অথচ আমাদের বাঙ্গালী বেশীরভাগ পরিবারই এই মুডসুইং,ডিপ্রেশনকে ঢং বলে উড়িয়ে দেয়, মানুষ না জেনে নানান ভাবে জাজ করে।এরজন‍্য রোগীর আশেপাশের শুভাকাঙ্খী এবং পরিবার পরিজন সবার সচেতনতা দরকার ॥

এক লোক প্রচুর কুরআন পড়ত। কুরআন নিয়েই ডুবে থাকতে ভালবাসত। কিন্তু কেন যেন কুরআনের কিছুই সে মুখস্থ রাখতে পারত না। একদিন ...
22/08/2025

এক লোক প্রচুর কুরআন পড়ত। কুরআন নিয়েই ডুবে থাকতে ভালবাসত। কিন্তু কেন যেন কুরআনের কিছুই সে মুখস্থ রাখতে পারত না। একদিন লোকটির ছোট ছেলে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলল, 'বাবা, আপনি যে এত কুরআন পড়েন, কিছুই তো মনে রাখতে পারেন না।
এতে কী লাভ হচ্ছে ??
— তোমার এই প্রশ্নের উত্তরটা দিবো। তার আগে এক কাজ করো, তুমি এই বেতের ঝুড়িটা সমুদ্র তীরে নিয়ে যাও এবং পানি ভরে নিয়ে আসো।
— এটা তো বেতের তৈরি, পানি কীভাবে ধরবে?
— আহা, চেষ্টা করে দেখো না!
সাধারণত কয়লা আনা-নেওয়ার কাজে তারা এই ঝুড়ি ব্যবহার করে। তবুও বাবার কথায় ছেলেটি ঝুড়ি নিয়ে তীরে গেল এবং পানি ভরল। কিন্তু বাড়ি ফিরে আসতে আসতে সব পানি পথেই শেষ। পড়তে পড়তে একদম খালি হয়ে গেছে।
'দেখলেন ? কোনো লাভ হলো ?
পানি একটুও বাঁচেনি।' ছেলে আফসোস নিয়ে বলল।
লোকটি আশ্বাস দিলো, 'চেষ্টা চালিয়ে যাও সোনা। আরও কয়েকবার চেষ্টা করো।'
এভাবে দুইবার, তিনবার, চারবার, সবশেষে পাঁচবার পর্যন্ত চেষ্টা করল ছেলেটি। কিন্তু এক মুঠো পানিও আনতে পারল না। অবশেষে হাল ছেড়ে দিয়ে বাবাকে বলল, 'এই ঝুড়ি দিয়ে আমার পক্ষে পানি আনা অসম্ভব।'
এবার লোকটি শান্ত গলায় বলল, 'আচ্ছা, তবে তুমি কি ঝুড়িটার ভিতরের দিকে খেয়াল করেছ?
ভিতরের অবস্থার কোনো পরিবর্তন দেখেছ?'
— হ্যাঁ, এটা পানি ধরে রাখতে না পারলেও বার বার পানি ভরার কারণে কয়লার ময়লাগুলো সাফ হয়ে গেছে। ভিতরটা বেশ পরিষ্কার দেখাচ্ছে এখন।
— ঠিক ধরেছ। এবার বলি, কুরআনও ঠিক এই কাজটাই করে তোমার অন্তরের ভিতরে। দুনিয়ার পেছনে ছুটতে ছুটতে তোমার অন্তর যখন কলুষিত হয়ে পড়ে, তখন কুরআন সমুদ্রের পানির মতোই তোমাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে দেয়। অন্তরে মুখস্থ রাখতে না পারলেও সে তোমাকে পবিত্র করে দেয়। (আলহামদুলিল্লাহ)

বাবারে, একটা কথা মনে রেখো, কুরআনের প্রথম অবতীর্ণ আয়াত হলো 'পড়ো'।
কাজেই মুখস্থ করতে না পারার কারণে শয়তান যেন তোমাকে ধোঁকায় না ফেলে, কুরআন পড়া থেকে দূরে সরিয়ে দিতে না পারে

ছেলেদের একটা আউটফিট আইডিয়া দেই!!গত বছরের পাঞ্জাবিটা উল্টো করে পরে ফেলেন Taaga  র ব্রান্ড নিউ ঈদ কালেকশন হয়ে যাবে!🙂 🤣🙃
15/03/2025

ছেলেদের একটা আউটফিট আইডিয়া দেই!!
গত বছরের পাঞ্জাবিটা উল্টো করে পরে ফেলেন Taaga র ব্রান্ড নিউ ঈদ কালেকশন হয়ে যাবে!🙂 🤣🙃

আমরা রমজান বলতাম, সেহরি আর ইফতার বলতাম। এখন রামাদান হয়ে গেছে, সেহরিকে অনেকে সাহুরও বলে। ইফতার মাহফিল হয়ে গেছে ইফতার পার্...
11/03/2025

আমরা রমজান বলতাম, সেহরি আর ইফতার বলতাম। এখন রামাদান হয়ে গেছে, সেহরিকে অনেকে সাহুরও বলে। ইফতার মাহফিল হয়ে গেছে ইফতার পার্টি, সেহরি নাইট নামে শুরু হইছে আরেক উপদ্রব। কত কিছুই যে বদলায় গেলো!

অথচ আমাদের সময়ে রোজা শীতের দিনে হত। দিন ছোট থাকতো। দুপুরের রোদ মিষ্টি লাগতো। ইফতারে আগে হালকা কুয়াশা পড়তো। সেহরীর সময় ঠান্ডায় কাঁপতে কাঁপতে মন ভর্তি আনন্দে ভাত খেতাম।

এখন অনেক গরম পড়ে। দর দর করে ঘামতে থাকি দুপুরের রোদে। ইফতারের আগে গুমোট গরমে নিস্তেজ হয়ে যাই। সেহরীর সময় খুব শীতে কাঁপতে মন চায়। জ্যাকেট সোয়েটার গায়ে দিয়ে বসতে হতো ইফতারে। টিভি ছেড়ে দিয়ে কোরআন তেলাওয়াত এবং ওয়াজ শুনতেন বাসার মুরব্বিরা। দূর থেকে আজান শোনা গেলেও কাছের মসজিদে আজান না দিলে সবাই পানি খেতো না। আবার শিওরও হতো জিজ্ঞেস করে, আজান দিছে না?

আমাদের সময় দূরপাল্লার বাস গুলোর যাত্রীরা সবাই ফেরিঘাটে কিংবা ফেরিতে বসে ইফতার করতো। শসা কিনতো, একটু লবন ও নিতো সাথে। বালতিতে আনা ঠান্ডা পানি কিংবা পেপসি দিয়ে সবাই যে যার মত করে ইফতার আয়োজন করতো। কোন ঠান্ডা ফল কিংবা চানাচুর চিপস। পেট ভরে যেত বিশ্বাস করুন। কোন অজানা কারনে, কোন এক খুশীতে আবার বাস ছাড়তো। মুখে পান দিয়ে ড্রাইভারের মনে কি খুশী। হেলপার লুকিয়ে গেটে সিগারেট ধরাতো। এখন বাস সেই খুশীর জ্যামে পড়ে না, ফেরিতে ওঠে না। জীবন জ্যামে পড়ে গেছে, ফেরি মিস করেছে অনেক আগে।

আমাদের সময় মা বাবাকে নিয়ে ইফতারে বসতাম। দুপুরের পর পর মায়েরা রান্না ঘরে ঢুকতেন। সেই চিরচেনা ময়দা ভেসন পেয়াজ আলুর খুব সহজ কিন্তু অদ্ভুত কারুকাজে মত্ত হতেন। অফিস থেকে আসার পথে কত কিছু নিয়ে বাবারা আসতেন, প্যাকেট ভরা জিলাপী কিংবা প্যাকেট ভরা মায়া, প্যাকেট ভরা স্নেহ, একটু ভালোবাসা।

বাবারা রান্না ঘরে অনেকে ঢুকে সাহায্য করতে গিয়ে ছ্যাড়া ব্যাড়া করে ফেলতেন এবং ধমক খেয়ে সুড়সুড় করে চলে আসতেন। বাবারা কেউ আছেন, কেউ ছেড়ে চলে গেছেন। কেউ থেকেও নেই। দূরত্বের সৃষ্টি হয়েছে সেই সম্পর্কে।

আমাদের সময়ে আমরা তারাবীর নামাজের সময় ঘুরতে বের হতাম। স্যান্ডেল জায়গা মত রাখা থাকতো। কয়েক রাকাত পরই একজন করে করে আস্তে আস্তে করে গায়েব হতো। জড়ো হত সবাই একটা নির্দিষ্ট জায়গায়।

ঘুরতাম ফিরতাম, আড্ডা হত, গল্প হতো কত। এখনকার ছেলেরা কেমন জানি, এরা মসজিদেও আসে ফোন নিয়ে। সময় পেলেই ফোন টিপে। কী এক অবস্থা! আমাদের আগের সেই বন্ধুরাও আর নেই আগের মত। তাদের খুঁজতে দেয় না বাস্তবতা। খুব ইচ্ছা করে সেই সব দিনের মত একজন একজন করে গায়েব হয়ে জড়ো হই কোন নির্দিষ্ট সময়ে।

সেহরিতে এখন আর দল বেধে গান গাইতে গাইতে কেউ ওঠায় না। হারিয়ে গেছে এই জিনিসটা। মসজিদের মাইকে মুয়াজ্জিন সুরেলা কন্ঠে গজল গাইতেন, মায়েরা সেসব শুনে শুনে রান্না বসাতেন চুলার উপরে। এখন কই হারালো সেসব সোনালী দিন!

ফজরের নামাজ শেষে ছেলেরা দলবেঁধে হাঁটতে বের হতাম। এরপর বাসায় গিয়ে ঘুম, হায়রে আমাদের নানা রঙের দিনগুলো… রমজান মাস এখন একটা স্বাভাবিক মাস হয়ে গেছে। অথচ আমরা আগে রমজান এলে পড়ে থাকতাম মসজিদে, ঈমাম সাহেব দারুল ক্বেরাত পড়াতেন, বাচ্চারা সবাই সুর মেলাতো সেই সুরে, যেই সুর মিলে যেতো আকাশে, বাতাসে, কে জানে, হয়তো ছুয়ে আসতো বেহেশতের বাতাসকেও… রমজান এলেই পণ্যের দাম বাড়ানোর এই প্রতিযোগিতা আমাদের সময়ে ছিল না। কিন্তু এখন বাজারেই যাওয়া যায় না ভয়ে…

আমাদের সময়ে ২০,০০০ টাকা কেজির জিলাপি ছিলো না, কিন্তু ঈদের তিন- চারদিন আগে গ্রামের বাড়ি যাবার ঝোক ছিলো। বড় কোন রেস্তারায় ইফতার করে চেক ইন ছিলো না, তবে পাশের বাড়ি কিংবা খালা চাচাদের বাড়িতে ইফতারে দাওয়াত ছিলো, অন্যরকম উৎসব উৎসব ভাব ছিলো। দামী কোন ইফতারের প্লাটার ছিলো না, খুব সাধারণ সব সরবত, বুটমুড়ি এসব দিয়ে আমরা আমাদের ইফতার করতাম অসাধারণভাবে।

বড় হয়ে গেছি, এখন স্মৃতিচারন করি। বলতে শিখেছি- 'আমাদের সময়ে এরকম ছিলো।' কি অদ্ভুত প্রতিশোধ নিলো সময়!

copied

শৈশব এর মত নিষ্পাপ সুন্দর আর কিছু নাই!!
10/03/2025

শৈশব এর মত নিষ্পাপ সুন্দর আর কিছু নাই!!

10/03/2025
সুবহানাল্লাহ!
09/03/2025

সুবহানাল্লাহ!

অতুলনীয়!
07/03/2025

অতুলনীয়!

😞😞😞
06/03/2025

😞😞😞

থাক কিছু আর না বলি🤣🤣🤣
05/03/2025

থাক কিছু আর না বলি🤣🤣🤣

Address

Kakrail
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nazeel Corporation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nazeel Corporation:

Share