31/05/2022
#প্রি_অর্ডার (৫০% ছাড় এবং লেখকের অটোগ্রাফ)
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে এম.জে বাবুর 'দিমেন্তিয়া' বইপাড়ায় আবারো নতুন ভাবে পরিমার্জিত এবং বর্ধিত সংস্করণ আসছে।পাঠক আপনি রেডি তো?? ব তে বই তে অর্ডার করলেই পাবেন নিশ্চিত ৫০% ছাড় এবং লেখকের অটোগ্রাফ। সেই সাথে 'অ্যাবসেন্টিয়া' এবং 'জিন' বই দুটিও ৫০% ছাড়ে প্রি-অর্ডার করতে পারবেন।
১. বইঃ দিমেন্তিয়া
লেখকঃ এম.জে.বাবু
প্রকাশনীঃ গ্রন্থরাজ্য
🔴মলাট মূল্যঃ ৬০০ টাকা
🔴প্রি-অর্ডার মূল্যঃ ৩০০ টাকা।
রিলিজ তারিখ ১.০৬.২০২২
ইট-কাঠ-পাথরের ব্যস্ত নগরী ঢাকা শহরে হঠাৎ একটি খুন। ডাক পড়লো সিআইডির ডাকসাইটে কর্মকর্তা শফির। তদন্ত কাজ শুরু হতে না হতেই নির্দিষ্ট নিয়মে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটতে লাগলো। প্রত্যেককে নির্মম নির্যাতনের পর অত্যন্ত পৈশাচিক উপায়ে হত্যা করা হতে লাগলো। লাশের ভয়াবহতা দেখে শিউরে উঠে তদন্ত কর্মকর্তা। একটা খুনের সাথে আরেকটা খুনের বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই। এই জটিল রহস্য খুঁজে বের করতে গিয়ে সকলের গলদঘর্ম অবস্থা! কিছুতেই রহস্যের কোনো কূল-কিনারা মিলছে না। একের পর এক খুন হয়ে যাচ্ছে। দেশে প্রথমবারের মত সিরিয়াল কিলিং হচ্ছে। প্রত্যেকটি লাশকে দেখে শিউরে উঠছে সবাই। ঘটনাক্রমে এর সাথে দানিয়াল নামক একজন ওসি জড়িয়ে যায়। জটিল রহস্য ভেদ করে যাচ্ছে দানিয়াল যা ক্রমে ফাটল জন্ম দেয় শফী আর দানিয়ালের মধ্যে। খুনি তাদের এই বিয়োজনের সু্যোগ নিয়ে একের পর এক হত্যা করে যাচ্ছে। ক্রমান্বয়ে বুঝতে পারে নিছক কোন হত্যাকাণ্ড নয়। এর সাথে জড়িয়ে আছে বড় রহস্য। যার মায়াজালে জড়িয়ে পড়ে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত সবাই। রহস্যের সূত্র ধরতে না পেরে উত্তেজনার পারদ ক্রমেই তরতর করে চড়তে থাকে। কে করছে এত খুন? সে কি মানুষ না ধোঁয়াশা? লাশের মিছিল শেষ কখন? উত্তর পাওয়া এখনো বাকী।
উত্তেজনায় ঠাসা এই রহস্যময় যাত্রায় অন্ধকার জগতে আপনাকে স্বাগতম, প্রিয় পাঠক! আর ডার্ক সাইকোলজিক্যাল ফিকশনের সাথে না পরিচিত না হয়ে থাকলে নতুন এই জনরার বই নিঃসন্দেহে এক ভিন্নতার ছোঁয়া পাবেন গোয়েন্দা কাহিনীপ্রেমী পাঠকেরা। “welcome to the dark world”
২. বইঃ অ্যাবসেন্টিয়া( ২য় মুদ্রণ)
লেখকঃ এম.জে.বাবু।
প্রকাশনীঃ গ্রন্থরাজ্য
🔴 মুদ্রিত মূল্যঃ ৫৮০ টাকা৷
🔴প্রি-অর্ডার মূল্যঃ ২৯০ টাকা (৫০% ছাড়)
দেড় মাসের ট্যুর দিয়ে ফিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রতিষ্ঠিত অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের দায়িত্ব নেওয়ার পরে প্রথম দিনই দূর্ঘটনার মুখোমুখি হলেন ক্রিমিনাল সাইকোলজিস্ট আব্দুল মান্নান। বিভাগের একজন মনোবিদ মোস্তফা জামান নিজ অফিস কক্ষে করেছেন আত্মহত্যা। একজন সিনিয়র প্রফেসর ও মনোবিদ নিজেই আত্মহত্যা কেন করবেন এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ব্যক্তিগতভাবেই হালকা তদন্তে নামলেন আবদুল মান্নান সাহেব। কিন্তু এরপরেই বেরিয়ে এলো চমকপ্রদ সব তথ্য। এই একজনই শুধু নয়, ঢাকা চট্টগ্রাম মিলিয়ে অনেকেই আত্মহত্যা করেছেন নিজের বাসায় বা অফিসে, এবং প্রত্যেকেই ছিলেন মনোবিদ! আত্মহত্যাই ঘটছে নাকি সবটাই সাজানো? ডাক পড়লো সাবেক পিবিআই অফিসার এবং ভাগ্যের জেরে বর্তমানে তিন মাস ধরে কলাবাগান থানার ওসি পদে বসে থাকা দানিয়ালের।
শ্রদ্ধেয় প্রফেসরের অনুরোধ ফেলতে পারলো না দানিয়াল, খতিয়ে দেখতে শুরু করলো আত্মহত্যার কেসগুলো। কিন্তু আসলেই কী এগুলো আত্মহত্যা? কি ঘটছে দুই বছর ধরে গোপনে যে কারণে এতজন মনোবিদ আত্মহত্যা করলেন? কেন পোস্টমর্টেম-এ প্রতিটি লাশের শরীরেই পাওয়া গিয়েছে একই ড্রাগের উপস্থিতি? আত্মহত্যার কিছু দিন আগে কেন সকলেরই আচরণে ঘটেছিল পরিবর্তন?
আত্মহত্যাই কী ঘটছে প্রতিবার নাকি খুন করা হচ্ছে মনোবিদদের? ঘাড়ের পেছনে শীতল শিহরণ বয়ে গেল দানিয়ালের এক বছর আগের সিরিয়াল কিলিং কেসের কথা মনে করে। আবার কী আগমন ঘটেছে অদৃশ্য কোনো শত্রুর?... নাকি পুরনো কেউই...!!
পাঠক, এত সব প্রশ্নের জবাব পেতে হলে বসে পড়ুন সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার "দিমেন্তিয়া"র দ্বিতীয় কিস্তি "অ্যাবসেন্টিয়া" নিয়ে। নেমে পড়ুন দানিয়ালের সাথে আরেকবার অদৃশ্য শত্রুর বিরূদ্ধে দুর্বার লড়াইয়ে।
৩. বইঃ জিন
লেখকঃ এম. জে. বাবু
জনরাঃ অকাল্ট থ্রিলার
প্রকাশনা : গ্রন্থরাজ্য
প্রচ্ছদ : সজল চৌধুরী
🔴 মলাট মূল্যঃ ৫৮০ টাকা
🔴প্রি-অর্ডার মূল্যঃ ২৯০ টাকা (৫০% ছাড়)
কাহিনি সংক্ষেপ : স্ত্রী তারিন এবং মেয়ে মাহাকে নিয়ে এমপি সাজেদের পরিবার। বেইলি রোডে বসবাসরত এই পরিবারটির দিন সুখেই কাটছিল। কিন্তু হঠাৎ করে তারিন অদ্ভুত সব আচরণ শুরু করল। পরিস্থিতি ক্রমে খারাপের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রাণভ্রমর স্ত্রীকে বাঁচাতে সাজেদ মরিয়া। তারিনের এমন অবস্থার কারণ কী? অসুখ না ষড়যন্ত্র।
মুয়াজ্জিন হাফেজ মিয়ার জীবন বেশ নির্বিঘ্নেই কাটছিল। তবে, নিতান্তই সহজ-সরল এই মানুষটির জীবন পালটে যেতে আরম্ভ করে, যখন তার সাথে এক সৌম্যদর্শন হুজুরের সাক্ষাত হয়। তিনি বুঝতে পারেন জগৎ সম্পর্কে তিনি কতটা অজ্ঞ, কত রহস্যই তার অজানা। কিন্তু, এই অজানাকে জানার আকাঙ্ক্ষা যেন আবার তাঁর কাল না হয়ে দাঁড়ায়।
ভার্সিটি পড়ুয়া আসলান কস্মিনকালেও ধারণা করেনি এমন ঘটনার মুখোমুখি হতে হবে। তিলে তিলে গড়ে তোলা বিশ্বাসের ভিত্তিটা দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সে এর শেষ দেখেই ছাড়বে। তবে, নতুন জীবনের এই যাত্রার শেষটা যে কতটা অবিশ্বাস্য ও ভয়ংকর তা খোদ আসলানও জানে না।
তিনজন ভিন্ন শ্রেণির মানুষ, ভিন্ন ভিন্ন তাদের জীবনধারা। কিন্তু তারা যেন একই সূত্রে গাঁথা। বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দ্বন্দ্ব নিয়ে তিনজন জীবন শংকা পার করে কি পারবে তাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে? নাকি তারাও হবে অন্ধকারের অধিপতির শিকার? ভালো-মন্দের দ্বন্দ্ব জগতের আদিম নিয়ম। আরও একবার হচ্ছে ভালো ও মন্দের লড়াই। শেষমেষ কে বিজয়ী হবে? নাকি এর কোনো শেষই নেই?
জানতে হলে অবশ্যই আপনাকে পড়তে হবে কুরআন-হাদীস ও নির্ভরযোগ্য সূত্রে সমৃদ্ধ হরর আর অকাল্ট থ্রিলার “জিন”। সুতরাং পাঠক, প্রস্তুতি নিন জিন, কালো জাদু, অকাল্টিজমের অদ্ভুত দুনিয়ার সাক্ষী হতে।
বিঃদ্রঃ এই বইগুলোতে এমন ছাড় ভবিষ্যতে আর কখনো পাবেন কিনা সন্দেহ আছে। তাই যারা এখনো সংগ্রহ করেননি তারা এই সুযোগে সংগ্রহ করে ফেলুন।