22/12/2021
🔥১২% ছাড়ে কিনুন আফতাব ফ্রোজেন ফুড🔥
😮বিপনি অনলাইন শপিং এর সাথে আফতাব ফুড যৌথভাবে
"সুবর্ণ জয়ন্তী"অফারে দিচ্ছে ১২% ফ্লাট ডিসকাউন্ট😮
তাই দেরি না করে এখনই অর্ডার করুন এবং ঘরে বসে পেয়ে যান সঠিক দামে সঠিক পণ্য
অর্ডার করতে নিচের নাম্বারে কল করুন বা পেজের ইনবক্সে মেসেজ করুন।।
মেসেজ করুনঃ http://m.me/biponionline
❄️যোগাযোগ❄️
Phone: 013 244 33 248 এবং 013 244 33 239
Email: [email protected]
❤️🔥এখন আসি ফ্রোজেন ফুড কাদের জন্য ভালো এবং কাদের জন্য ক্ষতিকর।
কর্মব্যস্ততায় বদলে যাচ্ছে মানুষের জীবনের অনেক কিছুই বিশেষ করে খাদ্যাভ্যাস। বিশেষ করে করোনাকালে মানুষের খাদ্যাভ্যাসে ফ্রোজেন ফুডের খাদ্যের চাহিদা বেড়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে নাশতা কিংবা খাবার তৈরির ঝামেলা থেকে বাঁচতে ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে ফ্রোজেন খাবার। ফ্রিজ থেকে প্যাকেট বের করে ঝটপট পকোড়া ভেজে ফেলা বা 'ফ্রোজেন' মাছ বা মাংস চটজলদি রেঁধে ফেলার সুবিধার কারণেই দ্রুত চাহিদা বেড়েছে এই সব প্যাকেটজাত 'ফ্রোজেন ফুড'-এর। সসেজ, সালামি, নাগেটস, ফিশ ফিলে কিংবা প্রি-কাট মাছ বা মাংস খান সবই এখন পাওয়া যায়।
অনেকের আবার ধারণা দীর্ঘ দিন ফ্রোজেন ফুড খেলে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে কঠিন রোগবালাই। পুষ্টিবিদরা কী বলছেন, জেনে নেওয়া যাক—
টাটকা সবজির মতো বা তার থেকেও বেশি স্বাস্থ্যকর হয় ফ্রোজেন সবজি। কারণ এই সব সবজি ফলনের সেরা সময় তুলে ফ্রিজ করা হয়।
প্যাকেজড দুধ এমন ভাবে প্রসেস করা হয় যাতে বেশি দিন ফ্রেশ থাকে। এই সব দুধ স্কিমড, টোনড ও অনেক সময়ই টাটকা দুধের থেকে বেশি হাইজিনিক হয়।
বাড়িতে তৈরি ইয়োগার্টের থেকে প্যাকেজড ইয়োগার্ট বেশি স্বাস্থ্যকর। কারণ এতে মিনারেল ও প্রোবায়োটিক বেশি থাকে। ফ্লেভারড না কিনে প্লেন ইয়োগার্ট কিনুন।
যে কোনও ফার্মেন্টড ফুডে স্বাস্থ্যকর ব্যাকেটেরিয়া থাকে। যা শরীরের জন্য খুবই উপকারি। আচার, কিমচির মতো ফার্মেন্টেড খাবার অনেক দিন ফ্রিজে রেখে দিলেও ভালো থাকে।
পুষ্টিবিদদের মতে, খাবার কীভাবে প্রিজার্ভ করা হচ্ছে, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সংস্থাই প্রিজারভেটিভ বা অ্যাডিটিভস ব্যবহার করে না। আবার প্রিজাররভেশনের সময়ে পুষ্টিগুণ কিছুমাত্রায় নষ্ট হয়ে গেলে তা সংযোজনও করা হয়। সে দিক দিয়ে দেখলে ফ্রোজেন ফুড কিন্তু খারাপ নয়। তাজা আনাজপাতির সঙ্গে তুলনা করলে ফ্রোজেন ফুড পিছিয়ে থাকবে। কিন্তু ধরুন আপনার স্থানীয় বাজারে বেরি পাওয়া যায় না। সেখানে ফ্রোজেন বেরি খেলে তার স্বাদ, পুষ্টি তো পাবেন। তা হলে সে ক্ষেত্রে ফ্রোজেন ফুড খাওয়া যেতেই পারে।
তবে ভিটামিন কিছু ক্ষেত্রে যে সংরক্ষণ পদ্ধতিতে নষ্ট হয়। সংরক্ষণ করার আগে কড়াইশুঁটি বা কিছু আনাজ ব্লাঞ্চ করা হয়। তাপমাত্রায় কিছুটা ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যায়। তাই খাওয়ার আগে একটু পাতিলেবুর রস দিয়ে ব্যালান্স করে নিতে পারেন।
পুষ্টিবিদরা বলেন, যে ভাবে তা প্রিজার্ভ করা হয়, তাতে এর মধ্যে ব্যাকটেরিয়ার গ্রোথ হতে পারে না। তবে ফ্রোজেন ফুড কিনে বাড়িতেও সংরক্ষণ করতে হবে ডিপফ্রিজে। তাপমাত্রা যেন সেখানে শূন্যের নিচে থাকে। বরফ জমার তাপমাত্রায় রাখতে হবে ফ্রোজ়েন ফুড। এত ঠান্ডায় ব্যাকটেরিয়ার বাড়বৃদ্ধি হয় না। ফলে যে আনাজ এমনিতে হয়তো দুই-তিন দিন ভাল থাকত, ফ্রোজেন ফুডের ক্ষেত্রে সেটিই সপ্তাহখানেক ভাল থাকে। তাই এই খাবার খেলেই যে শরীর খারাপ করবে বা ফুড পয়জিনিং হবে, তা কিন্তু নয়। বরং ঠিক মতো সংরক্ষণ করতে পারলে ফ্রোজেন ফুডে ক্ষতি নেই।
পুষ্টিবিদদের মতে, শূন্য ডিগ্রির নিচে স্টোর করা হয় খাবার, তাই পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়। উচ্চ তাপমাত্রায় রান্না করে খেলে যেমন খাবারের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়, ঠিক তেমনই এত নিম্ন তাপমাত্রায় তা স্টোর করলেও খাবারের পুষ্টিগুণ কিছুটা নষ্ট হয়ে যায়। যেমন ভিটামিন সি ও ডি-র ঘাটতি দেখা যায় ফ্রোজেন ফুডে। কিছু ফ্রোজেন ফুডে সোডিয়াম একটু বেশি মাত্রায় ব্যবহার করা হয়। মুখে দিলে নোনতা স্বাদ পাওয়া যায়। তাই কার্ডিয়াক ও কিডনির রোগীদের ফ্রোজেন ফুড না দেওয়াই ভাল।