15/06/2021
।। নির্ভেজাল হাতে তৈরি লাল চিনি ।।
(ব্রাউন সুগার)
ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়ার, হাতে তৈরি বিখ্যাত
"লাল চিনি"। (হরলিক্স এর গুড়ার মতো পাউডার চিনি)
লাল চিনির পুষ্টি গুণ বাজারের সাদা চিনির চেয়ে অনেক বেশি। খনিজ উপাদানে ভরপুর। এই চিনি দিয়ে পিঠা, পায়েস থেকে শুরু করে যেকোনো বানানো আইটেম এর স্বাদ হয় অতুলনীয়। চায়ে স্বাদ হয় ভিন্ন ফ্লেভারের। লাল চিনির শরবত হয় অতুলনীয়। যা খেলে শরীরকে রাখে ঠান্ডা। মূলত এটা আখের চিনিই।
সাদা চিনির নামে যে চিনি আমরা খাচ্ছি তা আসলে সোডিয়াম সাইক্লামেট, বোনচারকোল, ফসফোরিক এসিড, ডি-কালারিং এজেন্ট, রেজিসন ইত্যাদি ব্যবহার করে বানানো হয়।
লাল চিনিতে ভিটামিন, মিনারেল, প্রোটিন, এনজাইম এবং অন্যান্য উপকারির পুষ্টি উপাদান থাকলেও সাদা চিনিতে একেবারেই নাই বললেই চলে!
বাজারে আরেক ধরনের মেশিনে প্রস্তুতকৃত দানাদার লাল চিনি পাওয়া যায়, যার দাম ৬৫-৭০ টাকার মধ্যে, যার স্বাদ সাদা চিনির মতই। তবে আমি যেটা বলছি সেটা হাতে তৈরি, স্বাদ অনেকটা খাঁটি গুড়ের মত। ঐ অঞ্চলের মানুষ এটাকে মধুর সাথে তুলনা করে, যদিও টেস্ট তা নয়, তবে অতুলনীয়। সবচেয়ে বড় কথা এর পুষ্টিগুণ অনেক অনেক বেশি, যা বাচ্চাদের জন্য যথেষ্ট উপকারি। সাদা চিনির মত ক্ষতিকর নয়। দাম নয়, যারা পুষ্টি গুণ নিয়ে চিন্তা করেন, তাদের প্রথম পছন্দ-‘‘হাতে তৈরি লাল চিনি’’
লাল চিনি ১০০% নির্ভেজাল এবং কেমিক্যাল মুক্ত এবং স্বাস্থ্য সম্মত। লাল চিনি সাদা চিনির চেয়ে অধিক মিষ্টি এবং উপকারী।
লাল চিনির উপকারীতা........ঃ
চিনি কার্বোহাইড্রেট বা শর্করাজাতীয় খাবার, যা আমাদের দেহে শক্তির জোগান দেয়। আমরা প্রধানত উদ্ভিজ্জ উৎস যেমন_আখ, মিষ্টি বিট থেকে চিনি পাই। এ ছাড়া প্রাকৃতিক কিছু খাবার যেমন দুধ, ফল, মধুও চিনির উৎস। সাধারণত চিনি সাদা এবং লাল বা বাদামি_এ দুই রঙের হয়। সুন্দর পরিষ্কার রঙের জন্য সাদা চিনি জনপ্রিয় হলেও পুষ্টিগুণের দিক থেকে লাল চিনি উৎকৃষ্ট।
লাল চিনি মোলাসেস নামক এক প্রকার আঠাল উপাদানের জন্য চিনি লাল বা বাদামি রং ধারণ করে। এ মোলাসেস আখ থেকে চিনি উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে উৎপন্ন হয়। অপরিশোধিত ও আংশিক পরিশোধিত চিনিতে প্রায় ৩.৫ শতাংশ মোলাসেস থাকে। তাই একে প্রাকৃতিক চিনিও বলা হয়ে থাকে। সাদা চিনি লাল চিনিকে বেশি পরিশোধিত করে সাদা চিনিতে রূপান্তর করা হয়। যে চিনির রং যত বেশি সাদা, তত বেশি পরিশোধিত, তত কৃত্রিম এবং তত কম পুষ্টিসম্পন্ন।
সাদা ও লাল চিনির পুষ্টিতত্ত্ব স্বাদ ও গন্ধের দিক থেকে লাল চিনি সাদা চিনি অপেক্ষা উন্নত। লাল চিনি দিয়ে তৈরি খাবার সুস্বাদু ও পুষ্টিকর।
লাল চিনির গুণের কথা-
* লাল চিনির মোলাসেস অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।
* এতে বিদ্যমান ফলিক এসিড দেহে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে।
* এ চিনি দেহে রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে।
* লাল চিনির খাদ্য উপাদান অন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখে এবং ক্ষুধামান্দ্য দূর করে।
* এ চিনির উপাদান হজমে সহায়তা করে।
* আয়রনসমৃদ্ধ হওয়ায় প্রসব-পরবর্তী সময়ে মায়েদের জন্য উপকারী।
* লাল চিনি ত্বক চর্চায় ব্যবহার হয়।
*সর্দিজ্বর হলে লাল চিনি এক কাপ গরম পানির সঙ্গে আদা কুচি ও লাল চিনি মিশিয়ে খেলে
সর্দিজ্বর দ্রুত ভালো হয়।
*ত্বক পরিচর্যায় লাল চিনি লাল চিনি ও দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে ফেসিয়াল মাস্ক হিসেবে
ব্যবহার করা যায়।
*প্রতিদিন একবার করে এ মাস্ক ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর হয় এবং
ত্বক উজ্জ্বল হয়।
কতটুকু খাবেন?
একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও মহিলাকে তার সারা দিনের গৃহীত খাদ্যশক্তির ৬-১০ শতাংশ চিনি থেকে গ্রহণ করা উচিত। তবে পুষ্টিবিদের পরামর্শ ছাড়া বেশি চিনি গ্রহণ করা উচিত নয়।
সাদা চিনির ক্ষতিকরণ দিক গুলোঃ....
যদি সুস্থ্য থাকতে চান তাহলে আর সদা চিনি নয়, তার পরিবর্তে লাল চিনি খান :
সাদা চিনি মানব শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। সাদা চিনি নিয়মিত গ্রহন করলে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেশার ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হয়।
তাই সাদা চিনিকে বলা হয় হোয়াইট পয়জন।
উন্নত বিশ্বে সাদা চিনির বদলে লাল চিনি বা Brown Sugar এর ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু আমাদের দেশে এই ব্যাপারে সচেতনতা এখনও তেমন একটা বৃদ্ধি পায়নি। বাংলাদেশে লাল চিনি হিসাবে যা পাওয়া যায় তা হচ্ছে সাদা চিনির সাথে চিটাগুড়ের মিশ্রণ। এর দামও অনেক বেশি।
সাদা চিনি তামাক, এলকোহলের মত আসক্তি সৃষ্টি করে। সাদা চিনি যত খাওয়া হয় তত এটি ব্রেইনকে উদিপ্ত করে আরও বেশি খাবার জন্য । সাদা চিনি খওয়ার ফলে গ্রেলিন, লেপটিন, ডোপামিন, ইত্যাদি হরমোনের স্বাভাবিক ছন্দ প্রবাহ কিছুটা বাধা প্রাপ্ত হয় যা ব্রেইনে ক্ষুধার অনুভুতি বাড়িয়ে দেয় ফলে আমরা অতিরিক্ত পরিমানে খাবারে অভ্যস্ত হয়ে পরি যা স্থুলতার সৃষ্টি করে ।
আর আমরা সবাই জানি শারীরিক স্থুলতা হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেশার ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হয়।
দেশি খাঁটি পণ্যের উৎসের সন্ধানে আমরা এবার ফুলবাড়িয়ায়।
যেভাবে তৈরি করা হয় লাল চিনি:
আখ মাড়াইয়ের মৌসুমে আখ থেকে সরাসরি তৈরি হয় এই চিনি যা স্বাদে কিছুটা আখের গুড়ের মতো কিন্তু জলীয় অংশ কম থাকায় এটা গুড়ের মতো স্বল্পায়ু নয় বরং শুষ্ক আবহাওয়ায় এটা অনেকদিন সংরক্ষণ করা যায়। তাই এই এলাকায় বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু এটা ঠিক চিনির মতো স্ফটিকাকার নয় বরং আরো ক্ষুদ্র দানাদার। (হরলিক্সের মত)
আখকে পরিষ্কার করে এর রস সংগ্রহ করে মাটির চুলায় জ্বালানো হয়। আঠালো হয়ে এলে লাঠি দিয়ে ঘুটে তৈরি করা হয় হাতে তৈরি চিনি। এর মধ্যে আখের ছিবড়ে এবং ময়লা থাকে তাই শিমুলের রস পরিমাণ মতো মিশিয়ে এটাকে প্রাকৃতিক উপায়ে পরিশোধিত করে পরিষ্কার করা হয়। কিন্তু ইদানিং কালে কষ্ট বাঁচাতে কিছু ব্যবসায়ী এটাকে ধবধবে পরিষ্কার করার জন্য রাসায়নিক মিশিয়ে থাকে। তাই সঠিক এবং ভালো হাতে তৈরি চিনি পেতে irsal.com আস্থা রাখুন।
প্রতি কেজি:১৩০৳
বি:দ্র:সারা দেশের জেলা শহরগুলোতে কন্ডিশনে মাল পাঠিয়ে থাকি,তবে কুরিয়ার খরচ অগ্রিম পে করতে হবে।
আর থানা পর্যায়ে পুরো টাকা অগ্রিম পে করতে হবে।
বিকাশ/রকেট পারসোনাল:01841454188
আমাদের কাছে আরোও পাবেন-
১.প্রাকৃতিক চাকের মধু।
২.কালোজিরার তৈল
৩.হলুদ.
৪.মরিচ ইতাদি।
প্রধান অফিস:
ফুলবাড়ীয়া,ময়মনসিংহ।
মোবা: 01639 34 71 16
শাখা অফিস:
৩১২ দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী,ঢাকা।
মোবা: 01841 45 41 88
প্রো: মুফতি জাকির হুসাইন।