Fatima's Shopヅ

Fatima's Shopヅ যে কোনো ধরনের ইসলামিক বই এবং কুরআন+কায়দা নিতে ইনবক্স করুন। 📲

  জাপানের।প্রাইস ১১৫০৳হোম ডেলিভারি চার্জ ৯০৳📌যেকোনো জিনিস পেস্ট/ভর্তা করার কাজে ব্লেন্ডারের কাজ করে।এটায় শুকনো কিছু গুড়া...
19/02/2025

জাপানের।

প্রাইস ১১৫০৳
হোম ডেলিভারি চার্জ ৯০৳

📌যেকোনো জিনিস পেস্ট/ভর্তা করার কাজে ব্লেন্ডারের কাজ করে।এটায় শুকনো কিছু গুড়া হবেনা।

আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন,দীর্ঘদিন যাবত পেইজের কার্যক্রম বন্ধ ছিল, এখন থেকে শুরু করতে চাচ্ছি ইন শা আল্লাহ।❤️সবাই ল...
01/05/2024

আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন,
দীর্ঘদিন যাবত পেইজের কার্যক্রম বন্ধ ছিল, এখন থেকে শুরু করতে চাচ্ছি ইন শা আল্লাহ।❤️
সবাই লাইক কমেন্ট করে সাথে করবেন আশা করি।

17/02/2024

নিরা নব্বই টাকা নিয়ে বাজারে গেলে,
তা থেকে ৬০ টাকা খরচ করলে আর কত টাকা থাকে?

19/01/2024

হঠাৎ দাম বেড়ে গেলে এড়িয়ে চলুন। হোক তা পিঁয়াজ অথবা মানুষ। দেখবেন পঁচে গলে আবার আগের জায়গায় ফিরে আসবে।

01/09/2023

✅রিমাইন্ডার
জুমাবারে সূরা কাহাফ তিলাওয়াত দোআ+দুরুদ +ইস্তেগফার
পড়বেন ইনশাআল্লাহ

29/08/2023

আপনারা যারা পবিত্র সফর মাসের আইয়্যামে বীজের রোজা রাখতে চান তারা আজ মঙ্গলবার রাতে সাহরী খেয়ে আগামী বুধ, বৃহস্পতি এবং শুক্রবার রোজা রাখবেন ইন শা আল্লাহ। সাহরীর শেষ সময় ৪ঃ১৯ মিনিট [ঢাকা]

29/08/2023

প র্নো গ্রা ফি

ঈমান ধ্বংসের অন্যতম কারণ ‌।

25/08/2023
03/08/2023

বড় ভয়ানক কথা

হযরত হামিদ লাফফাফ (রাহ) বলেছেন ,
আল্লাহ তা'লা যখন কাউকে ধ্বংস করতে চান তাকে ৩ টি পরীক্ষার সম্মুখিন করেন ।
১। তাকে ইল্ম দান করেন ; কিন্তু ইল্ম অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করেন না ।
২।তাকে নেককারদের সাহচর্যে থাকার তৌফিক দান করেন; কিন্তু তাঁদের মর্যাদা ও সম্মানের বুঝ থেকে বঞ্চিত করেন ।
৩। তাকে বহু নেক কাজ করার তৌফিক দান করেন ; কিন্তু খাঁটি নিয়ত থেকে বঞ্চিত করেন ।
ফকিহ আবুল লাইস সমরকন্দি (রাহ) বলেন ,
এর প্রকৃত কারন তার বদ নিয়ত ।
[ পৃষ্ঠা ১০-১১]
[ তাম্বিহুল গাফেলিন , এমদাদিয়া পুস্তকালয় ]
(সংগৃহীত)

লজ্জা লাগছে কেউ সাহায্য চাইলে আমরা ভাংতি খুঁজে পাই না.....চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানার বাজারে একটি হোটেলে বসলাম। লক্ষ্য ছি...
03/08/2023

লজ্জা লাগছে কেউ সাহায্য চাইলে আমরা ভাংতি খুঁজে পাই না.....

চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানার বাজারে একটি হোটেলে বসলাম। লক্ষ্য ছিলো সিংগাড়া খাবো। এই পদার্থটি আমার সহ্য হয় না। খাওয়ার সাথে সাথে এসিডিটি হয়। তবু লোভে পড়ে খাই। মাঝে মাঝে। সিংগাড়া শেষ করেই ঔষধ খাই।

আমি সব সময় হোটেল-রেস্টুরেন্টের এক কোণায় গিয়ে বসি। একটু লুকিয়ে থাকার ইচ্ছে আরকি। আমি অবশ্যই অন্তর্মুখী মানুষ।

গতকাল কোণার টেবিল ফাঁকা না থাকায় ম্যানাজারের খুব কাছের একটি টেবিলে বসলাম। তার সব কথা শুনতে পাচ্ছিলাম।

একজন বয়োঃবৃদ্ধা ভিক্ষুক এলেন। কাতর কন্ঠে বললেন, "বাবা, খুব ক্ষুধা লেগেছে। কিছু খেতে দিতে পারো?"

ম্যানেজার একটা টেবিল দেখিয়ে বললেন, "ঐ জায়গায় গিয়ে বসেন খালা।" তারপর চিৎকার দিয়ে বললেন, "খালাকে এক প্লেট খিচুড়ি দে।"

আমি মুগ্ধ হয়ে দেখছিলাম। ছোট্ট হোটেল। তেমন বেচাকেনা হয় বলেও মনে হলো না।

দুই তিন মিনিটের মধ্যেই আরো একজন বৃদ্ধা ভিক্ষুক ভিক্ষা নিতে এলেন। ম্যানেজার বললেন, "খাওয়া দাওয়া হয়েছে খালা?"

খালাকে নিশ্চুপ দেখে আগের খালার পাশের চেয়ারে বসালেন এবং তাকেও এক প্লেট খিচুড়ি দেওয়া হলো। দুই জন ক্লান্ত পরিশ্রান্ত বয়োঃবৃদ্ধাকে খেতে দেখে কী যে ভালো লাগছিলো!

এরপর আরো একজন বয়োঃবৃদ্ধা ভিক্ষুক এলেন। ম্যানাজারের সামনে দাঁড়ালেন। বললেন, "বাবা, ভিক্ষা করতে এসেছিলাম। তেমন ভিক্ষা পাইনি আজ। বাড়ি যাওয়ার ভাড়া নেই। ভাড়াটা দিতে পারো।"

ম্যানাজার বললো, "আমার তেমন বিক্রি হয়নি খালা। আপনি বরং একটু খেয়ে যান। দেখেন কেউ ভাড়াটা দিতে পারে কিনা।"

এতোক্ষণ যে বয়টি খাবার পরিবেশন করছিলো সে বললো, "খালা কয় টাকা ভাড়া লাগে বাড়ি যেতে?"
-১৫ টাকা বাবা।
হোটেল বয়টি পকেট থেকে ২০ টাকার একটা নোট বের করে খালার হাতে দিয়ে বললেন, "নেন, এটা রাখেন। একটু খিচুড়ি খেয়ে বাড়ি যান। আমি খিচুড়ি দিচ্ছি।"

হোটেল ম্যানাজার হাসতে হাসতে বললেন, "শালা যেমন ম্যানাজার, তেমন তার কর্মচারীরা! কেউ মানুষকে ফিরাতে জানে না।"

তারপর বললেন, "শোন, কোন ভিক্ষুক যেন খেতে এসে না ফিরে যায়। সবাইকে খাওয়াবি।"

আমি সব দেখছিলাম। মাথা নিচু করে বসে আছি। চোখ ঝাপসা হয়ে আসছে। মনের ভেতর তোলপাড় চলছে।

ম্যানাজারকে এক সময় কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বললাম, "ভাই, আপনার ঐ কর্মচারী ছেলেটি সম্পর্কে আমাকে একটু বলুন তো প্লিজ। কয় টাকা বেতন দেন ওকে।"

- ব্যবসা তো তেমন চলে না ভাই। সারাদিন হোটেল খোলা। রাত নয়টা পর্যন্ত। ওকে ১২০ টাকা দিই।

- বাড়িতে কে কে আছে ওর?

- কেউ নেই তেমন। মা মারা গেছে। বাবা আরেকটি বিয়ে করেছে। ওর নানা-নানি বয়স্ক হয়ে গেছে। কোন কাজ করতে পারে না। এই ছেলেটি কাজ করে নানা-নানিকে খাওয়ায়।

আমার কাছে এবার অনেক কিছু পরিস্কার হয়ে গেল। সারাজীবন ভালোবাসা, মায়া, স্নেহ বঞ্চিত বলেই, এই ছেলেটার হৃদয় ভালোবাসা আর মায়ায় পরিপূর্ণ।

ছোট্ট ছেলেটিকে কাছে ডাকলাম। বললাম, "লেখাপড়া করেছো?"
- না স্যার।
- ঢাকার দিকে কোন কাজ ম্যানেজ করে দিলে যাবা? একটু বেশি বেতনের?

- নানা-নানি চলতে পারে না। তাদের গোসল করার পানি তুলে দিতে হয়। টয়লেটের, অযুর। খাওয়ার রান্না করতে হয়। আমি এদের রেখে যেতে পারবো না স্যার।

আরো কিছুক্ষণ কথা বলে ফিরে এসেছি। মনটা কেমন ভার হয়ে আছে। ছেলেটা সারাদিন কাজ করে একশত কুড়ি টাকা পায়। তিন জন মানুষের সংসার। কীভাবে চলে! এর থেকে সে আবার অসহায়দের দান করে!

মন খারাপ হলে আমি আল-কুরআন খুলে বসি। আজও কুরআনুল কারীম খুলতেই সূরা আল-বাকারার একটি আয়াতে চোখ আটকে গেল। "এরা নিজেদের রিজিক থেকে অসহায়দের দান করে.. "

আমি আয়াতটির তাফসীর পড়া শুরু করলাম। সেখানে লেখা, "মানুষের এমন পরিমাণ দান করা উচিত, যাতে তার নিজের খাবারে টান পড়ে।"

মনের মধ্যে তোলপাড় হচ্ছে। নিজের খাবারে টান পড়া মানে, গোশত খেতাম, দান করার কারণে এখন মাছ খেতে হচ্ছে। দুই প্লেট ভাত খেতাম এখন এক প্লেট খেতে হচ্ছে।

কী অদ্ভুতভাবে আয়াতটি আমার কাছে খুলে যাচ্ছে! তাবুক যুদ্ধের সময় আল্লাহর রাসূল মুহাম্মদ(সাঃ) বললেন, "আজ কে বেশি দান করতে পারো দেখি?"
উসমান (রাঃ) একশত উট দিয়েছিলেন। উমর (রাঃ) তার সম্পদের অর্ধেক দিয়েছিলেন। আবু বকর (রাঃ) দিয়েছিলেন এক মুষ্টি খেজুর বা একটু যব জাতীয় কিছু আর তার বাড়িতে ঐটুকু সম্পদই ছিলো।

রাসূল (সাঃ) যা বলেছিলেন তার সারমর্ম হলো, আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) দানে প্রথম হয়েছে। সে তার সম্পদের শতভাগ দিয়েছে।

আমার চোখে ইসলামের ইতিহাসের সেই সোনালী দিন, আজকের ঐ হোটেল কর্মচারী আর আল-কুরআনের আয়াত "তারা রিজিক থেকে অসহায়দের দান করে" এই বিষয়গুলো এক অসহ্য ভালোলাগার এবং পরিতাপের বিষয় হয়ে উঠলো। কী করতে পারলাম জীবনে ভাবতে গিয়ে চোখ থেকে টপ টপ করে কয়েক ফোঁটা পানি পড়লো আল-কুরআনের পাতায়। আমি তাড়াতাড়ি কুরআনুল কারীম বন্ধ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকলাম। আরশে আজীম থেকে আল্লাহ তায়ালাও নিশ্চয় আমার দিকে তাকিয়ে আছেন। কোন কিছুই তো তার দৃষ্টির আড়ালে নয়।
সংগ্ৰহীত লেখা।
নারীদের দ্বীনি আমল ঘর🥀꧂

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fatima's Shopヅ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category