Greentree BD

Greentree BD All types of indoor plants selling in Bangladesh

আলু খাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু খোসা ফেলে দিচ্ছেন?😲 তাহলে আপনি গাছকে বঞ্চিত করছেন দুর্দান্ত এক প্রাকৃতিক সার থেকে!✅ কেন আলুর খো...
17/08/2025

আলু খাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু খোসা ফেলে দিচ্ছেন?
😲 তাহলে আপনি গাছকে বঞ্চিত করছেন দুর্দান্ত এক প্রাকৃতিক সার থেকে!

✅ কেন আলুর খোসা উপকারী?

🔸 নাইট্রোজেন – গাছের বৃদ্ধি বাড়ায়
🔸 পটাশিয়াম – ফুল-ফল বেশি ধরে
🔸 ভিটামিন সি – গাছের রোগ প্রতিরোধ বাড়ায়
🔸 ক্যালসিয়াম – পাতাকে শক্ত ও স্বাস্থ্যবান রাখে

🧪 কীভাবে বানাবেন আলুর খোসার তরল সার?

✔️ ৩–৪টি আলুর খোসা
✔️ ১ লিটার পানি
✔️ একটি বোতল বা পাত্র

প্রস্তুতি ধাপ: 1️⃣ খোসা ধুয়ে ছোট টুকরো করুন
2️⃣ পানিতে ভিজিয়ে ৩–৪ দিন ঢেকে রাখুন
3️⃣ দিনে ১বার নাড়াচাড়া করুন
4️⃣ চাইলে ছেঁকে নিন

🌿 ব্যবহার করবেন যেভাবে:

১ অংশ তরল + ৪–৫ অংশ পানি মিশিয়ে গাছের গোড়ায় দিন

প্রতি ১০–১৫ দিন পর পর ব্যবহার করুন

🌼 অতিরিক্ত টিপস: ✔️ আলুর পচা অংশ দেবেন না
✔️ বীজতলায় ব্যবহার করলে গাছ মজবুত হয়
✔️ খোসা কম্পোস্টেও ব্যবহারযোগ্য

🪴 প্রাকৃতিক সার মানেই নিরাপদ বাগান
আজ থেকেই শুরু করুন বর্জ্য দিয়ে বাগানকে ভালোবাসা💚

©

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে তুলসীর ১৬ টি গুণাগুনঃ-তুলসী একটি মহা-মূল্যবান ঔষধিগাছ। তুলসী অর্থ যার তুলনা নেই। এর পাতা, বীজ, ডাল সব...
10/02/2025

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে তুলসীর ১৬ টি গুণাগুনঃ-তুলসী একটি মহা-মূল্যবান ঔষধিগাছ। তুলসী অর্থ যার তুলনা নেই। এর পাতা, বীজ, ডাল সবকিছুই মানুষের উপকারে লাগে। আয়ুর্বেদে তুলসীকে ভেষজের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছে।
তুলসী সর্দি, কাশি, কৃমি ও বায়ুনাশক এবং মুত্রকর, হজমকারক ও এন্টিসেপটিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বুদ্ধি ও স্মরণশক্তি বাড়াতে প্রতিদিন ৫-৭টা তুলসী পাতা খেতে পারেন। আসুন জেনে নিন এর ১৬ টি পুষ্টিগুণ-
১. জ্বর প্রতিরোধে-
জ্বর হলে পানির মধ্যে তুলসী পাতা, গোল মরিচ এবং মিশ্রী মিশিয়ে ভাল করে সেদ্ধ করুন। তুলসী পাতা, গোল মরিচ এবং মিশ্রী মিশিয়ে সিরাপ তৈরি করুন। দিনের মধ্যে তিন-চার বার সিরাপ খেলে জ্বর খুব তাড়াতাড়ি সেরে যাবে।
২. ডায়রিয়া হলে-
পেট খারাপ হলে তুলসীর ১০ টা পাতা সামান্য জিরের সঙ্গে পিষে ৩-৪ বার খেলে পায়খানা বন্ধ হয়ে যাবে।
৩. ত্বকের বলীরেখা ও ব্রন দূর করতে-
ত্বকের চমক বাড়ানো, ত্বকের বলীরেখা এবং ব্রন দূর করার জন্য তুলসী পাতা পিষে মুখে লাগান। স্মরণশক্তি বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন ৫-৭ টা তুলসী পাতা চিবান। ত্বকের সমস্যা দূর করতে তিল তেলের মধ্যে তুলসী পাতা ফেলে হালকা গরম করে ত্বকে লাগান।
৪. মূত্রাশয়ের জ্বালা যন্ত্রনায়-
প্রস্রাবে জ্বালা হলে তুলসী পাতার রস ২৫০ গ্রাম দুধ এবং ১৫০ গ্রাম জলের মধ্যে মিশিয়ে পান করুন। তুলসীর বীজ পানিতে ভিজালে পিচ্ছিল হয়। এই পানিতে চিনি মিশিয়ে শরবতের মত করে খেলে প্রস্রাবজনিত জ্বালা যন্ত্রনায় বিশেষ উপকার হয়।
৫. সর্দি-কাশিতে তুলসী-
ছেলেমেয়েদের সর্দি-কাশিতে তুলসী পাতার রস ব্যাপক ভাবে ব্যবহৃত হয়। এসব ক্ষেত্রে কয়েকটি তাজা তুলসী পাতার রসের সাথে একটু আদার রস ও মধুসহ খাওয়ানো হয়। বাচ্চাদের সর্দি-কাশিতে এটি বিশেষ ফলপ্রদ। তাজা তুলসী পাতার রস মধু, আদা ও পিঁয়াজের রসের সাথে এক সাথে পান করলে সর্দি বের হয়ে যায় এবং হাপানিতে আরাম হয়।
৬. আমাশয়, রক্ত-
তুলসী পাতার রসে মধু মিশিয়ে খাওয়ালে বাচ্চাদের পেট কামড়ানো, কাশি ও লিভার দোষে উপকার পাওয়া যায়। এটি হজমকারক। প্রতিদিন সকালে ১৮০ গ্রাম পরিমান তুলসী পাতার রস খেলে পুরাতন জ্বর, রক্তক্ষয়, আমাশয়, পায়ু পথে রক্ত পরা রোগ ভালো হয়ে যায়।
৭. চর্মরোগে-
তুলসী পাতা ও দুর্বার ডগা বেটে গায়ে মাখলে ঘামাচি ও চুলকানি ভাল হয়। যে কোনো চর্মরোগ বা ঘা দ্রুত কমাতে তুলসী পাতা এবং ফিটকিরি একসঙ্গে পিষে ঘা এর স্থানে লাগান, কমে যাবে।
৮. ম্যালেরিয়া জ্বর-
তুলসীর পাতা ও শিকড় ম্যালেরিয়া জ্বরের জন্য বেশ উপকারী। ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক হিসেবে প্রতিদিন সকালে গোল মরিচের সাথে তুলসী পাতার রস খেতে দেয়া হয়। বসন্ত, হাম প্রভৃতির পুঁজ ঠিকমত বের না হলে তুলসী পাতার রস খেলে তাড়াতাড়ি বের হয়ে আসবে।
৯. বক্ষপ্রদাহ ও উদারাময়-
তুলসী পাতার রসের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ক্রিমি রোগে বেশ উপকার পাওয়া যায়। শুষ্ক তুলসী পাতা সর্দি, স্বরভঙ্গ, বক্ষপ্রদাহ, উদারাময় প্রভৃতি রোগ নিরাময় করে থাকে।
১০. কানের ব্যথায়-
তুলসী পাতার রস ফোঁটা ফোঁটা করে কানে দিলে কানের ব্যথা ও কান থেকে পুঁজ পড়া রোগ সেরে যায়।
১১. বাত ব্যথায়-
অর্শ এবং অজীর্ণ রোগ সেরে যায়। বাত ব্যথায় আক্রান্ত স্থানে তুলসী পাতার রসে ন্যাকড়া ভিজিয়ে পট্টি দিলে ব্যথা সেরে যায়।
১২. বিষাক্ত কীট-পতঙ্গ কামড়ালে-
বোলতা, ভীমরুল, বিছা প্রভৃতি বিষাক্ত কীট-পতঙ্গ কামড়ালে ঐ স্থানে তুলসী পাতার রস গরম করে লাগালে জ্বালা-যন্ত্রণা কম হয়।
১৩. যৌনদূর্বলতা-
তুলসী পাতার রস, এলাচ গুঁড়া এবং এক তোলা পরিমাণ মিছরী মিশ্রণ পান করলে ধাতু পরা সমস্যা ভালো হয়। এটি অত্যন্ত ইন্দ্রিয় উত্তেজক। প্রতিদিন এক ইঞ্চি পরিমাণ তুলসী গাছের শিকড় পানের সাথে খেলে যৌনদূর্বলতা রোগ সেরে যায়।
১৪. শ্লেষ্মা ও মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে-
তুলসী পাতা গরম পানিতে সেদ্ধ করে সে পানিতে গড়গড়া করলে মুখ ও গলার রোগজীবাণু মরে, শ্লেষ্মা দূর হয় ও মুখের দুর্গন্ধও দূর হয়। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে ৪-৫ বার তুলসী পাতা চেবান ৷
১৫. উচ্চ রক্তচাপ কমাতে-
এটি উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে হৃদপিণ্ডের রক্ত সরবরাহের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এটি যকৃতের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
১৬. পোড়া দাগ-
শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায় তাহলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগান, এতে জ্বালা কমবে। পোড়া জায়গাটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। সেখানে কোন দাগ থাকবে না।
এই ওষধি পাতা সারাবছরই ব্যবহার করা যায়। এমন গুরুত্বপূর্ণ ঔষধি গাছ আমাদের পরিবেশে, বনে-ঝোপে প্রাকৃতিক পরিবেশে খুব বেশি আর টিকে নেই। তুলসী গাছের বাতাস ও যথেষ্ট উপকারী। আসুন পরিবেশ বাঁচাতে গাছ রক্ষায় প্রতিরোধ গড়ে তুলি।
"Collected"

Alhamdulillah 🤲 Mashallah 💚
08/02/2025

Alhamdulillah 🤲 Mashallah 💚

শখের বাগানী:  এখনকার এমন কোন বিষয় নিয়ে যেটা নিয়ে ফেসবুকে কোন গ্রুপ নেই তার মধ্যে অন্যতম গ্রুপ হচ্ছে গাছের গ্রুপ। গাছ ...
04/02/2025

শখের বাগানী:
এখনকার এমন কোন বিষয় নিয়ে যেটা নিয়ে ফেসবুকে কোন গ্রুপ নেই তার মধ্যে অন্যতম গ্রুপ হচ্ছে গাছের গ্রুপ। গাছ প্রেমীদের গ্রুপ।
ফেসবুক এবং গাছপ্রেমীদের গ্রুপের অবদানে আজকাল প্রায় সবাই বাগানী। হাতে গোনা একজন কি দুজন ছাড়া প্রত্যেকের বাসায় কমপক্ষে পাঁচ থেকে ছয়টি হলেও টব দেখতে পাওয়া যায়।
সেই সাথে নতুন নতুন অনেক বাগানীও তৈরি হচ্ছে। সবার দেখাদেখি তারাও গাছ কেনায় বেশ আগ্রহ প্রকাশ করছে।
সবার দেখাদেখি নার্সারি থেকে একগাদা গাছপালা কিনে নিয়ে আসলেন, গাছ টবে লাগালেন, পানি দিলেন ব্যাস আপনার দায়িত্ব শেষ যদি এটা ভেবে থাকেন তাহলে আপনি সবথেকে বড় বোকামি করেছেন। এবং আপনার টাকাগুলো এবং সেই সাথে সময়ও নষ্ট করেছেন। আর আমার পরামর্শ আপনার গাছ কেন এখানেই বন্ধ করে দেওয়া উচিত।
এবার চলুন এই কথার কারণ বিশ্লেষণে যাই:
১. আমার কাছে বাগান মানেই হলো একটি সংসারের মতো আমার বাসায় আমার বাগান আমার দ্বিতীয় সংসার। সংসারে যেমন সম্পর্ক থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা আসবাবপত্রের যত্ন, কার্যকারিতা এবং পরিষ্কার করা একেক রকম ঠিক তেমনি একটি বাগানের একটি গাছের যত্ন খাবার দাবার এবং পরিষ্কার করার ধরনটাও একেক রকম।
২. যে কোন গাছ কেনার আগে আপনাকে অবশ্যই সেই গাছটি সম্পর্কে ভালো মতন জানতে হবে। আপনার বাসার পরিবেশ সম্পর্কে এবং সেই সাথে গাছের জন্য যে ধরনের সার বা খাবার প্রয়োজন সেগুলো আপনার আশেপাশের আছে কিনা।
৩. এবং আপনার দৈনন্দিন কাজকর্মের পরে আপনি সে গাছগুলোর যত্ন নেয়ার মতন সময় পাবেন কিনা এবং সেই সাথে আপনার মানসিক এবং শারীরিক কোন প্রতিবন্ধকতা আসবে কিনা সেটাও মাথায় রাখবেন।
৪. যেহেতু আমরা শহরের বেশিরভাগ ছাদ এবং বারান্দাবাদ বাগানী তাই আমাদেরকে একটু বেশি এ ব্যাপারগুলো নিয়ে ভাবতে হয়। কারণ মাটিতে একটা গাছ লাগিয়ে দিলে গাছটি প্রয়োজন মতন আশেপাশে শিকড় ছড়িয়ে থাকে এবং তার প্রয়োজনীয় খাদ্য সংগ্রহ করে নেয়। সে ক্ষেত্রে তেমন একটা যত্নের প্রয়োজন পড়ে না যেটা টবে লাগানো গাছের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৫. টবে লাগানো গাছে নিয়মিত পানি থেকে শুরু করে 10 থেকে 15 দিন পর পর প্রয়োজনীয় খাবার দিতে হয়। তা না হলে মাটি তার উর্বরতা হারায়। ফলে গাছের ফুল বা ফলের পরিমাণ কমে যায় অথবা আকারে ছোট হয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে গাছ অপুষ্টিহীনতায় মারা যায়।
৬. পানির পরিমাণ নিয়মিত রাখতে হয় এবং পরিমাণ মতোই দিতে হয়। এর থেকে বেশি বা কম হলে গাছ মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৭. পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে করতে হয় না হয় নিয়মিত পানি দেয়ার কারণে টবের নিচে পানি জমে গিয়ে শিকড় পচে গিয়ে গাছ মারা যেতে পারে।
৮.শুকনো ডালপালা এবং পাতা থাকলে সেগুলো পরিষ্কার করে ফেলতে হয় এবং সেই শুকনো ডালপালা এবং পাতাগুলো জমিয়ে জৈব সার তৈরি করা যায় যেটা পরবর্তীতে গাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
৯. ছাদ ও ঘরের গাছপালাগুলোতে প্রথম সমস্যা হচ্ছে মিলিবাগ। সাধারণত সব ধরনের গাছেই মিলিবাগ হয়ে থাকে।গাছে মিলিবাগের আক্রমণ হলে একটি স্প্রের বোতলে পানির সাথে ভীম লিকুইড অথবা লেবুর রস অথবা নিম তেল মিশিয়ে প্রতিদিন স্প্রে করতে হবে তাহলে মিলিবাগ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।
সাধারণত এ কাজগুলো আপনাকে নিয়মিত করতে হবে।এছাড়াও যদি দামি অন্যান্য কোন গাছ পালা থাকে তাদের যত্নটা অন্যভাবে করতে হবে। তাই যাদের সময় খুবই কম কিন্তু গাছ লাগাতে চাচ্ছেন এই নিয়মগুলো মেনে চললে খুব সহজেই করতে পারবেন। প্রথমে হয়তো পড়ে অনেক বেশি মনে হতে পারে কিন্তু আপনি যখন শুরু করবেন তখন আর এত বেশি বোঝা মনে হবে না। তবে যত কিছুই করেন প্রতিদিন অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিট আপনাকে গাছে সময় দিতেই হবে। আর এই সময়টা আপনি যখন দিতে পারবেন তখনই দেখতে পারবেন আপনার ঘরে গাছগুলো শোভা বর্ধন করছে। আমার মতে আপনার বাসায় খুব বেশি গাছের প্রয়োজন নেই মাত্র দুটো গাছ থাকুক, তবে এ গাছ দুটোই যেন দেখতে সুন্দর এবং স্বাস্থ্যবান হয়। জরাজীর্ণ আধমরা গাছগুলো ঘরে সৌন্দর্য বর্ধন করে না বরঞ্চ কমিয়ে দেয় আর প্রকাশ করে আপনি কতটা অলস।

18/01/2025
শুভ সকাল 💥
17/01/2025

শুভ সকাল 💥

Good morning 🌞 Best indoor plants to purifye air🪴🌴🌳
16/01/2025

Good morning 🌞
Best indoor plants to purifye air🪴🌴🌳

শীতকালে মানুষের মতো গাছেরও প্রয়োজন বাড়তি যত্ন। শীত এলেই বেড়ে যায় ধুলো-বালি। প্রচুর ধুলোবালির কারণে গাছ মলিন হয়ে পরে।চলু...
14/01/2025

শীতকালে মানুষের মতো গাছেরও প্রয়োজন বাড়তি যত্ন। শীত এলেই বেড়ে যায় ধুলো-বালি। প্রচুর ধুলোবালির কারণে গাছ মলিন হয়ে পরে।চলুন জেনে নিই শীতকালে গাছের পরিচর্যা বিষয়ে।
1. নতুন গাছ বা গাছের চারা কিনে কিনে সঙ্গে সঙ্গে টবে বসাবেন না। মাটি থেকে সতর্কভাবে শেকড়গুলো আলাদা করুন। টবে অর্ধেক মাটি ভরে সদ্য আনা গাছের চারা পুঁতে দিন। গাছের ছেঁড়া বা আধখাওয়া পাতা ছেঁটে দিন। গাছে আগে থেকে ফুল বা কুঁড়ি থাকলে তাও কেটে দিন। এতে গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।
2. শীতকাল এমনিতেই শুষ্ক। গাছের কচি পাতায় ধুলাকণা জমে যায় খুব তাড়াতাড়ি। নিয়মিত পানি দেওয়া পর্যাপ্ত নয়। পাতায় পাতায় পানি স্প্রে করুন। পারলে হালকা টিস্যু দিয়ে পাতাগুলো মুছে দিন। গাছের গ্রোথ স্বাভাবিক থাকবে।
3.শীতকালীন যেকোনো গাছ পরিচর্যার অন্যতম শর্তই হলো বেশিক্ষণ রোদে রাখা। ফুলগাছ বা সবজির গাছ, দিনে কমপক্ষে ৩-৪ ঘণ্টা রোদ প্রয়োজন। শীতকালীন রোদে তেমন প্রাবল্য থাকে না, যা গাছের ফুল-ফল বাড়তে সাহায্য করে।
4.গাছের পাতা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে গেলে বা ঝরে গেলে চিন্তা করবেন না। শীতের বদলে যাওয়া আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিতে সময় লাগে গাছেরও। ঝরে যাওয়া পাতা টব থেকে সরিয়ে রাখুন। অথবা সেই পাতাই টবের মাটিতে বিছিয়ে রাখুন। শীতে মাটির আর্দ্রতা এমনিতেই কমে যায়। পাতা বিছিয়ে রাখলে সেই আর্দ্রতা অনেকটা বজায় থাকে।
5.ইনডোর প্লান্ট বাড়িতে আনলে মাথায় রাখতে হবে আরও কিছু বিষয়। প্রথমত, বাড়ির ভেতরের একটা সমস্যা হলো রোদের অভাব। তাই গাছ যা-ই হোক না কেন, রাখুন খোলামেলা জায়গায়। যেখানে অন্তত এক বেলা রোদ পড়ে। খোলা বারান্দা বা জানালার ধার হতেই পারে আদর্শ স্থান। তবে সরাসরি রোদে বেশিক্ষণ না রাখাই ভালো। খোলা বাতাসে গাছ থাকবে সতেজ।
শীতকালে গাছ পরিচর্যায় সঠিক সারের ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইউরিয়া ও পটাশ সমৃদ্ধ যেকোনো সার ফুলের গ্রোথে খুবই কার্যকর।
6.পানির পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে দিন। টবের মাটিতে সপ্তাহে এক দিন সার দিন। মাথায় রাখবেন, সার যেন কখনওই গাছের গোড়ায় না পড়ে।

**ছবি Greentree BD এর নিজস্ব ছাদ বাগানের**

" নিয়নের আলোয় " আলোকিত সকাল 💥
15/11/2024

" নিয়নের আলোয় " আলোকিত সকাল 💥

Address

Balughat, Dhaka Cantonment
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Greentree BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category