09/07/2021
ইভ্যালী ১০০/১৫০% ক্যাশব্যাক ৪০/৫০% ডিসকাউন্ট দিয়ে আসছে, এখন পর্যন্ত প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা সেল করছে, যদি গড়ে ৫০%ডিসকাউন্ট দেয় তাহলে ইভ্যালীর ঘাটতি কথা ছিলো ৩ হাজার কোটি টাকা, নিশ্চয়ই তাদের ব্যবসা হয়েছে এজন্যই তিনশ' কোটি , তারপর কোম্পানির ব্র্যান্ড ভ্যালু বাড়াতে গিয়ে, বিভিন্ন টিভি পত্রিকা বিজ্ঞাপন,জাতীয় দলের স্পন্সর ও সরকারের বিভিন্ন কাজে স্পন্সর হয়েছে, অফিস ভাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বর্তমান ঘাটতি রয়েছে ৩ শ কোটি, তবে ব্যবসা করতে পারলে এই ঘাটতি থাকবে না, বাংলাদেশে তো অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান আছে,কোন প্রতিষ্ঠানের আয় ব্যয় হিসাব করা হয়েছে,? দেখবেন নিজের লোন প্রতিষ্ঠানের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লোন এরপর সম্পদ হিসাব করতে গেলে জিরো.. দেশের সরকার গঠন হয় দেশ ও জাতির উন্নয়ন করার জন্য সরকার ও স্বপ্ন দেখে মেট্রোরেল হবে, বড় বড় মেগা প্রকল্প হবে কিন্তূ কোনো সরকার কোন পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য নয়,আর সম্ভব ও না, কিন্তু বাংলাদেশের পরিবারের স্বপ্ন পূরণের নাম রাসেল এর পাশাপাশি , মিঠুন খন্দকার,রিপন মিয়া, আরো অনেকেই এগিয়ে এসেছে, হয়তো অনেকেই বলবেন ইভ্যালীর ,দালাল ,আসলে দালাল না ভাই, আমি ও আপনাদের মতো একজন, এই করোনাকালীন সময়ে ইভ্যালীতে অনেকই কর্ম করে পরিবারের অন্য যুগিয়েছে , অনেকেই স্বপ্ন পূরণ করেছে,তবে হ্যা ইভ্যালীর প্রতি রাগ ক্ষোভ আমারও আছে কল সেন্টারে কথা বললে রোবটিক অ্যানসার ছাড়া কোন কিছু শুনতে পাওয়া যায় না, প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে, কনসালটেন্ট কে ফরওয়ার্ড করে দিচ্ছি, মাসের পর মাস চলে যায় কোনো সুরাহা হয় না, ইভ্যালীর , আরেক টা জিনিস লক্ষ্য করলাম, কথায় কথায় এমআরপি রিফান্ড কেন??হবে যেমন ১ লাখ টাকার কোক আবার ১ লাখ ক্যাশব্যাক, পরে ৩ মাস পর পণ্য না দিয়ে এমআরপি আমরা বাঙ্গালী দিতে পারলেই ভালো, সঠিক সময়ে না দিলে গালি, এটাই আমাদের চরিত্র ই-কমার্স সাইট গুলো কাছে বিশেষ ভাবে অনুরোধ, প্রয়োজন ডিসকাউন্ট কমিয়ে দিন, সঠিক সময়ে ডেলিভারি করুন গ্রাহকসেবা থেকে পজিটিভ উত্তর দিন,(কথার কথায় কাজ চলছে এগুলো বন্ধ করুণ, গ্ৰাহক সেবার প্রতিনিধি কোন তথ্য দিতে না পারলে যিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আছে ওনার কাছে কল ট্রান্সফারের ব্যবস্থা করুন যাতে গ্রাহক পজেটিভ কথা শুনতে পায়। সকল ই-কমার্স সিইও কাছে আমার প্রশ্ন, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের বড় সংগঠন এফবিসিসিআই, গার্মেন্টস ব্যবসা যারা করে বিজিএমইএ, উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে নির্বাচনের মাধ্যমে সভাপতি সেক্রেটারি নির্বাচিত হয় তারা তাদের ব্যবসার স্বার্থে সরকারের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলে, ই-কমার্সের সংগঠন ই-ক্যাব,এরা কারা কোন ই-কমার্স এর সাথে জড়িত আছে একটু জানতে চাই, যিনি কোনো ই-কমার্স ব্যবসার সাথে জড়িত না,ওনারা ই-কমার্সের স্বার্থ নিয়ে কিভাবে কথা বলবেন। বাংলাদেশে ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের নিয়ে কমিটি করা উচিত, উক্ত কমিটির সভাপতি সেক্রেটারি থাকবেন ই-কমার্সের সিইও মধ্যে, যারা নিজেদের ব্যবসার স্বার্থে সরকারের সাথে বনিবনা করবেন। আমরা কিছু লোক আছি একটা ই-কমার্স আসলে বলি, আপনি /আপনার প্রতিষ্ঠান কি ই-ক্যাবে সদস্য, একবারও জানতে চাই না , ই-ক্যাব এর প্রতিনিধি যারা আছে তারা কারা... একটা প্রতিনিধি আছে যারা ই-কমার্স ব্যবসার সাথে সরাসরি জড়িত???? অনেক বললাম, আশা করি ইভ্যালী সকল প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠবে, আবারো আগের মত পুরোদমে ব্যবসা-বাণিজ্য করবে, আগামী টি10 ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করুন, অন্তত এক হাজার টাকার পণ্য কিনুন, একটা ই-কমার্স এর প্রতি ধাক্কা আসলে প্রতিটা ই-কমার্সের গায়ে লাগবে....