21/05/2024
বাংলাদেশের যে কোন ইস্যুতে; যেমন ঢাকা ভার্সিটির মিলনায়তনে ভারতের জনা মনা ফনা তোলা গানে কিংবা বয়কট ইন্ডিয়া বা ভারত খেদাও প্রোগ্রামে অথবা ২৬ লক্ষ ভারতীয় নাগরিককে চাকরিচ্যুত করার কথায় কিংবা হাসিনা কেনো তিলক দিলো মাথায় সেই প্রসঙ্গে কিছু মাথা আকাঁটা ভারতের দখলে থাকা পশ্চিমবঙ্গের কিছু দালাল ঘরোনার মানুষ জন কে অযাচিত ভাবে পাশে পাওয়া যায়। এরা আসবে কমেন্টে কিংবা লাইভে, এসে কিছু ভুল আর মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াবে। রাস্তার ঝাড়ুদার থেকে শুরু করে ৯-৫টা চাকরি করা প্রথম সারির কিছু কর্মীও এই দলে সামিল, কি হিন্দু কি মুসলিম। এরা সকলেই পরাধীন, ২৪৭ বছর ধরে এরা পরাধীন।
মুম্বাই, ইউপি, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, বিহার, দিল্লী, কেরালা কিংবা তামিলনাড়ু এর শাসকগোষ্ঠী সহ সাধারণ মানুষেরা পশ্চিমবঙ্গের মানুষদের-কে ভারতের নাগরিকই মনে করেনা। পশ্চিমবঙ্গ হচ্ছে একটি গরীব রাজ্য। এদের না আছে শিক্ষার শক্তি না আছে অর্থনৈতিক শক্তি। এদের ৭০% বেশি মানুষ অন্যান্য রাজ্যে গিয়ে দিনমজুরী এবং গৃহপরিচারিকার কাজ করে, শুধু মাত্র দক্ষিণের মুভিগুলো দেখলেই বোঝা যায় ভাড়ায় খাটা সন্ত্রাসী, চোর, গৃহপরিচারিকা, দাড়োয়ান সবই মূলত কোলকাতার মানুষ। এক কথায় বলতে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ হচ্ছে মেথর জাতীয় বা অতি নিন্মশ্রেনীর মানুষ, যাকে রাষ্ট্রীয় ভাষায় বলে চতুর্থ শ্রেণীর নাগরিক।
রাজ্য হিসাবে শুধু কোলকাতার মাথাপিছু আয় বাংলাদেশের মাথাপিছু আয়ের তুলনায় ২.৩৮ ভাগ কম, অর্থাৎ বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় যেখানে ২৭৮৪ ইউএস ডালার সেখানে কোলকাতার মাথাপিছু আয় ১১৬৮.০৮ ইউএস ডলার;[সোর্স: উইকিপিডিয়া ]। ব্রিটিশ ভারতের ক্যাপিটাল শহরের রাজ্যের এমন অর্থনৈতিক দুরাবস্থা অবশ্যই তাদের ফ্রাস্ট্রেশনের কারন। পিস হিসাবে মিষ্টি কিংবা গ্রাম অনুযায়ী মাছ কিনে খাওয়া শ্রেনীর মানুষদের ফ্রাস্ট্রেশন থাকবে এটা খুবই স্বাভাবিক। এরা নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন ইস্যু নিয়ে মুখ খোলার সাহস রাখে না, একে তো এরা পরাধীন তারপরে মুখ খুললে আবার জেল হাজতের ঘানি টানতে হবে এটা নিয়েও এরা ফ্রাস্ট্রেটেড। কোলকাতাবাসীর এতো এতো ফ্রাস্ট্রেশনের আউটলুক ধরা পরে বাংলাদেশের যে কোন ইস্যুর এফবি পোস্টগুলোতে। যেমন বয়কট ইন্ডিয়া আন্দোলনে তাদের অকাট্য যুক্তি সমুহ:
১. ভারত পন্য রপ্তানী বন্ধ করলে বাংলাদেশ না খেয়ে মরবে অথচ গতো চারমাসে বাংলাদেশে ভারতের দেড় মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান রপ্তানি বন্ধ, বাংলাদেশের বন্দরগুলোতে আজকের তারিখ অনুযায়ী ৪-দিন ধরে ভারতীয় পিঁয়াজ খালাস হচ্ছে না; [সোর্স: বাংলাদেশী টিভি মিডিয়া]।
২. কোলকাতার নিউমার্কেটের কাপড় না হলে নাকি বাংলাদেশের মানুষের ঈদ হয় না, অথচ করোনার সময়ে এমনকি এই বছরের ইদুল ফিতরে বাংলাদেশের সময় চ্যানেলের কোলকাতার স্থায়ী সাংবাদিক নিউজ ভিডিওতে কোলকাতার নিউমার্কেট সহ বিভিন্ন কাপড় ব্যবসায়ীদের বয়কট ইন্ডিয়া নিয়ে আহাজারি তুলে ধরেছে।
৩. ভারতীয় কোলকাতাবাসী এফবিতে ফাটিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশীরা যেনো ভারতে চিকিৎসা করাতে কিংবা ঘুরতে না যায় যদিও বয়কট ইন্ডিয়ার কারনে বাংলাদেশীদের অনেকেই ভারত বিমুখী হয়েছে যার প্রভাব পরেছে ভারতের পর্যটন খাতে, ভারতীয় সরকার মাত্র একদিন আগেই অর্থাৎ ১৯/০৫/২০২৪ তারিখে বাংলাদেশকে জানিয়েছে পাসপোর্ট জমা দেয়ার মাত্র একদিন পরেই ভারতীয় ভিসা দিবে ভারতীয় হাই কমিশন। যদিওবা ভারত তাদের মেডিকেল ও পর্যটন খাত বাঁচাতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে কিন্তু আমাদের অকর্মা ভারতীয় তাবেদার বাংলাদেশ সরকার সেটাকে নিজেদের সাফল্য হিসাবে দেখছে; [সোর্স: এটিএন নিউজ, এইসময় ডট কম]।
এইসব হাস্যকর যুক্তি গুলো শুধু মাত্র জোকারদের দ্বারাই দেয়া সম্ভব।
কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সাথে তর্কবিতর্ক করে লাভ নেই, কারন তারা হচ্ছে ভারতের চতুর্থ শ্রেণীর নাগরিক। এরা বাংলাদেশের যেকোন অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাতে আসলে আসুক কিন্তু আমরা তাদের কোন কমেন্ট কিংবা ভিডিওতে রিপ্লাই না দিয়ে শুধু মাত্র হাহা রিএক্ট দিয়ে সেটাকে বাতিল ঘোষনা করবো। যারা নিজের দেশে চাকর বাকর ছাড়া কিছু না, তাদেরকে প্রায়োরিটি দিলে মাথায় উঠে যাবে পরে দেখা যাবে মাথা থেকে নামতে না পারায় কান্না জুঁড়ে দিবে।
#ভারত_খেদাও_বাংলাদেশ_মুক্ত_করো #শহীদ_আবরার ারত ্ডিয়া ারতীয়_পণ্য #ফেলানী