Knowledge Share

Knowledge Share Book is the store house of knowledge. 'Knowledge Share' is the page that will take u to the store of

🌿✨ জানো কি? ✨🌿আমাদের ঘরের বাতাসেও থাকে লুকানো টক্সিন—যেমন formaldehyde, benzene ইত্যাদি।👉 এগুলো শরীরের জন্য ক্ষতিকর, নিঃ...
16/08/2025

🌿✨ জানো কি? ✨🌿

আমাদের ঘরের বাতাসেও থাকে লুকানো টক্সিন—যেমন formaldehyde, benzene ইত্যাদি।
👉 এগুলো শরীরের জন্য ক্ষতিকর, নিঃশ্বাসে ঢুকে স্বাস্থ্যে আঘাত করে।

কিন্তু সুখবর হলো—
🚀 NASA গবেষণা বলছে, ঘরে কয়েকটা গাছ রাখলেই বাতাস অনেকটাই বিশুদ্ধ হয়ে যায়!

🌱 অ্যালোভেরা – ত্বক ও বাতাসের বন্ধু
🌱 মানি প্ল্যান্ট – সৌভাগ্য আর অক্সিজেন দুটোই আনে
🌱 স্পাইডার প্ল্যান্ট – ধুলো-টক্সিন খেয়ে ফেলে

এই গাছগুলো হলো ঘরের প্রাকৃতিক এয়ার পিউরিফায়ার। 💚

তাহলে মেশিন নয়, প্রকৃতির গাছই হোক তোমার ঘরের রক্ষাকবচ 🌬️✨

11/08/2025

!!! আপনি কি জানেন!!!

মৌমাছি মানুষের মুখ চিনতে পারে!
যেভাবে আমরা আমাদের বন্ধু বা পরিবারের মুখ চিনে রাখি, ঠিক সেভাবেই মৌমাছিরা মুখের নকশা মনে রাখতে পারে — পুরো চেহারাকে একসাথে প্রক্রিয়া করে, আলাদা আলাদা অংশ হিসেবে নয়। বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন যে, মৌমাছি মানুষের মতোই মুখ চেনার কৌশল ব্যবহার করে — যা সত্যিই অবাক করা, কারণ তাদের মস্তিষ্কের আকার মাত্র একটি তিলের দানার মতো!

আরও ৫টি অজানা তথ্য 🐝

1. মৌমাছি বিস্ফোরক সনাক্ত করতে পারে 💣
প্রশিক্ষিত মৌমাছি বিস্ফোরকের রাসায়নিক গন্ধ কুকুরের থেকেও ভালোভাবে ধরতে পারে। তাই কিছু ক্ষেত্রে তাদের বোমা শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহার করা হয়।

2. তারা পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র অনুভব করতে পারে 🧭
মৌমাছির শরীরে ক্ষুদ্র চৌম্বক কণিকা থাকে, যা তাদের পৃথিবীর চৌম্বক টানের মাধ্যমে দিক নির্ধারণে সাহায্য করে — যেন তাদের শরীরেই প্রাকৃতিক GPS আছে।

3. মৌমাছি “বিদ্যুৎ ক্ষেত্র” দিয়ে যোগাযোগ করতে পারে ⚡
যখন একটি মৌমাছি কোনো ফুলে বসে, তখন সেটি এক ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক চার্জ রেখে যায় যা অন্য মৌমাছিকে জানায়, “এই ফুলে ইতিমধ্যেই এসেছে কেউ।” এতে অযথা ফুলে যাওয়া এড়ানো যায়।

4. কিছু মৌমাছি কয়েকদিন পর্যন্ত জিনিস মনে রাখতে পারে 🧠
মস্তিষ্ক ছোট হলেও তারা কয়েকদিন ধরে মনে রাখতে পারে কোন ফুলে সবচেয়ে বেশি মধু আছে এবং আবার সেখানে ফিরে যায়।

5. মৌমাছি ফুলের ভিতরে ঘুমায় 🌸💤
কিছু একাকী মৌমাছি রাতে ফুলের ভেতর গুটিয়ে শুয়ে থাকে, পাপড়িগুলোকে নরম কম্বল হিসেবে ব্যবহার করে। এটা দেখতে সত্যিই দারুণ মিষ্টি।

-----------------------------------------------------------------------------
!!! Do we know about bees !!!

Bees can recognize human faces!
Just like we remember and recognize friends or family members, bees can remember patterns of faces by processing them as a whole image, not just individual parts. Scientists found that bees use the same technique our brains do to recognize faces — which is pretty impressive for a brain the size of a sesame seed!

5 more unknown facts
Bees can detect explosives 💣
Trained bees can smell chemicals from explosives, even better than some sniffer dogs. This makes them useful for bomb detection in certain situations.

2. They can sense the Earth's magnetic field 🧭
Bees have tiny magnetic crystals in their bodies that help them navigate by feeling the planet’s magnetic pull — like an inbuilt GPS!

3. Bees can communicate through “electric fields” ⚡
When a bee lands on a flower, it leaves a tiny electric charge that tells other bees, “This flower has been visited.” This helps avoid wasted trips.

4. Some bees can remember things for days 🧠
Despite their tiny brains, bees can remember where the best flowers are located for several days and return to them.

5. Bees sleep in flowers 🌸💤
Some solitary bees curl up inside flowers at night, using petals as a soft blanket. It’s as cute as it sounds.

05/08/2025

Celebrating my 5th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

05/08/2025

Mind-Blowing Ant Facts You Never Knew!

Ants can build living bridges using their own bodies.

Some species of ants, like army ants, work together to form "living bridges" by linking their bodies. These bridges help the colony cross gaps or obstacles such as water, holes, or branches. What’s even more fascinating is that the ants continuously adjust the bridge structure — shortening or lengthening it depending on traffic and distance — just like an engineer would!

🐜 1. Ants Don’t Have Lungs!
Ants can’t breathe like us because they don’t have lungs. Instead, they have tiny tubes or pores called spiracles through which oxygen enters their bodies and carbon dioxide exits.

🐜 2. Ants Can Recognize Dead Bodies!
When an ant notices another ant isn't moving and detects a specific chemical called oleic acid coming from its body, it knows the ant is dead. Then, it removes the body from the colony.

🐜 3. Ants Do Farming!
Yes, you read that right! Leafcutter ants collect leaves, but not to eat. They use those leaves to grow fungus, and that fungus is their actual food. It's a form of farming!

🐜 4. Ants Can Make Boats With Their Bodies!
During floods, certain ants—especially fire ants—cling to each other to form a floating raft. This way, the entire colony can stay above water and survive.

🐜 5. Ant Colonies Have Soldiers and Workers!
Each ant colony has roles divided perfectly. Some are soldiers (for protection), some are workers (for gathering food), and some are queens (for laying eggs). Every ant knows its job and works in harmony.

🐜 পিপঁড়েরা নিজেদের শরীর দিয়ে জীবন্ত সেতু বানাতে পারে!
বিশেষ কিছু প্রজাতির পিপঁড়ে, যেমন আর্মি অ্যান্ট, একসাথে কাজ করে নিজেদের শরীর জুড়ে "জীবন্ত সেতু" তৈরি করে। এই সেতুগুলো তারা ব্যবহার করে গর্ত, জল বা ডালপালার মতো বাধা পার হতে।
আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো—এই জীবন্ত সেতুগুলো চলাচলের উপর ভিত্তি করে নিজে থেকেই ছোট-বড় হয়! অর্থাৎ পিপঁড়েরা একসাথে সিদ্ধান্ত নেয় কখন কোথায় শরীর জুড়ে রাখতে হবে বা সরাতে হবে, যেন দল সহজে পার হতে পারে।
এটা প্রমাণ করে, যদিও একটি পিপঁড়ের মস্তিষ্ক খুব ছোট, পুরো কলোনি কিন্তু একসাথে অনেক বুদ্ধিমান!

🐜 ১. পিপঁড়ের ফুসফুস নেই!
পিপঁড়েরা আমাদের মতো শ্বাস নিতে পারে না কারণ তাদের ফুসফুস (lungs) নেই। তারা ছোট ছোট টিউব বা ছিদ্র (spiracles) দিয়ে শরীরে অক্সিজেন প্রবেশ করায় এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইড বের করে দেয়।

🐜 ২. পিপঁড়েরা মৃতদেহ চিনে ফেলতে পারে!
পিপঁড়েরা যখন দেখে যে অন্য পিপঁড়ে নড়াচড়া করছে না এবং তার শরীর থেকে নির্দিষ্ট এক ধরনের কেমিক্যাল (oleic acid) বের হচ্ছে, তখন তারা বুঝে যায় সে মারা গেছে। এরপর তারা সেই মৃত পিপঁড়েটিকে কলোনি থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।

🐜 ৩. পিপঁড়েরা চাষবাস করে!
হ্যাঁ, তুমি ঠিক পড়েছো! পাতা কাটা পিপঁড়ে (leafcutter ants) পাতা কেটে আনে, কিন্তু সেটা খাওয়ার জন্য নয়। তারা সেই পাতাগুলোকে ব্যবহার করে ছাঁচ বা ফাঙ্গাস জন্মায়, আর সেই ফাঙ্গাস খায়। এটা একধরনের কৃষিকাজ!

🐜 ৪. পিপঁড়ে নিজেদের দেহ দিয়ে 'বোট' তৈরি করতে পারে!
বন্যার সময় কিছু পিপঁড়ে, বিশেষ করে ফায়ার অ্যান্ট, একে অপরকে আঁকড়ে ধরে ভেসে থাকার মতো বোট বা ভেলা তৈরি করে। তারা পানির উপর এমনভাবে ভাসে যেন পুরো কলোনি ডুবে না যায়।

🐜 ৫. পিপঁড়েরা 'সোলজার' ও 'ওয়ার্কার' ভাগে বিভক্ত!
একটি পিপঁড়ের কলোনিতে আলাদা আলাদা দায়িত্ব থাকে—কেউ সোলজার (রক্ষা করে), কেউ ওয়ার্কার (খাদ্য সংগ্রহ করে), আবার কেউ কুইন (ডিম পাড়ে)। এরা সবাই নিখুঁতভাবে নিজেদের কাজ জানে।

21/07/2023

ভূমি বিষয়ক নিম্নের তথ্যাবলী প্রত্যেকেরই জানা উচিত! “পর্চা”, “দাগ”, “খতিয়ান”, “মৌজা”, “জমা খারিজ”, “নামজারি”, “তফসিল” ইত্যাদি বিষয়ের ডেফিনেশন এবং জেনে নিন ভূমি বিষয়ক জরুরী সব তথ্য।

১!“নামজারী” বা মিউটেশন কাকে বলে?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।

২!“জমা খারিজ”কাকে বলে?
যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।

৩!“খতিয়ান” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “খতিয়ান” বলে।
খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক। আমাদের দেশে CS, RS, SA এবং সিটি জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। এসব জরিপকালে ভূমি মালিকের তথ্য প্রস্তত করা হয়েছে তাকে “খতিয়ান” বলে। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান…
ভূমি জরিপ: CS, RS, PS, BS কি?

৪!ভূমি বা Land কাকে বলে?
“ভূমি কাকে বলে?”- এর আইনী সংজ্ঞা রয়েছে। The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- এর ২(১৬)- ধারা মতে, “ভূমি (land) বলতে আবাদি, অনাবাদি অথবা বছরের যেকোন সময় পানিতে ভরা থাকে এবং ভূমি হতে প্রাপ্ত সুফল, ঘরবাড়ি বা দালান কোঠা বা মাটির সঙ্গে সংযুক্ত অন্যান্য দ্রব্য অথবা স্হায়ীভাবে সংযুক্ত দ্রব্য এর অন্তর্ভুক্ত বুঝাবে।”

৫! ভূমি জরিপ/রেকর্ড কাকে বলে? ভূমি জরিপ হচ্ছে ভূমির মালিকানা সম্বলিত ইতিহাসের সরেজমিন ইতিবৃত্ত।
আইনী সংজ্ঞা হচ্ছে, The Survey Act, 1875 এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী সরকারের জরিপ বিভাগ সরেজমিন জরিপ করে ভূমির মালিকানার যে বিবরণ
এবং নকশা তৈরী করে তাই রেকর্ড বা জরিপ। অর্থাৎ রেকর্ড বা জরিপ হচ্ছে মালিকানার বিরবণ এবং নকশার সমন্বয়। একটি ভূমির মালিক কে এবং তার সীমানা কতটুকু এটা ভূমি জরিপের মাধ্যমে নকশা/ম্যাপ নির্ণয় করা হয়। এই নকশা এবং ম্যাপ অনুসারে মালিকানা সম্পর্কিত তখ্য যেমন ভূমিটি কোন মৌজায় অবস্থিত, এর খতিয়ান নাম্বার, ভূমির দাগ নাম্বার, মালিক ও দখলদারের বিবরণ ইত্যাদি প্রকাশিত হয় যাকে খতিয়ান বলে। রেকর্ড বা জরিপ
প্রচলিতভাবে খতিয়ান বা স্বত্ত্বলিপি বা Record of Rights (RoR) নামেও পরিচিত। রেকর্ড বা জরিপের ভিত্তিতে ভূমি মালিকানা সম্বলিত বিবরণ খতিয়ান হিসেবে পরিচিত। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান, ইত্যাদি। আমাদের দেশে পরিচালিত ভূমি জরিপ বা রেকর্ড গুলো হচ্ছে;
1. CS -Cadastral Survey
2. SA- State Acquisition Survey (1956)
3. RS -Revitionel Survey
4. PS – Pakistan Survey
5. BS- Bangladesh Survey (1990)

ক) সি.এস. জরিপ/রেকর্ড (Cadastral Survey)
“সিএস” হলো Cadastral Survey (CS) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। একে ভারত উপমহাদেশের প্রথম জরিপ বলা হয় যা ১৮৮৯ সাল হতে ১৯৪০ সালের মধ্যে পরিচালিত হয়। এই জরিপে বঙ্গীয় প্রজাতন্ত্র আইনের দশম অধ্যায়ের বিধান মতে দেশের সমস্ত জমির বিস্তারিত নকশা প্রস্তুত করার এবং প্রত্যেক মালিকের জন্য দাগ নম্বর উল্লেখপুর্বক খতিয়ান প্রস্তুত করার বিধান করা হয়। প্রথম জরিপ হলেও এই জরিপ প্রায় নির্ভূল হিসেবে গ্রহণযোগ্য। মামলার বা ভূমির জটিলতা নিরসনের ক্ষেত্রে এই জরিপকে বেস হিসেবে অনেক সময় গণ্য করা হয়।
খ) এস.এ. জরিপ (State Acquisition Survey)
১৯৫০ সালে জমিদারী অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হওয়ার পর সরকার ১৯৫৬ সালে সমগ্র পূর্ববঙ্গ প্রদেশে জমিদারী অধিগ্রহনের সিদ্ধান্ত নেয় এরং রায়েতের সাথে সরকারের সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে জমিদারদের প্রদেয় ক্ষতিপুরণ নির্ধারন এবং রায়তের খাজনা নির্ধারনের জন্য এই জরিপ ছিল।
জরুরী তাগিদে জমিদারগন হইতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই জরিপ বা খাতিয়ান প্রণয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল।
গ) আর.এস. জরিপ ( Revisional Survey)
সি. এস. জরিপ সম্পন্ন হওয়ার সুদীর্ঘ ৫০ বছর পর এই জরিপ পরিচালিত হয়। জমি, মলিক এবং দখলদার ইত্যাদি হালনাগাদ করার নিমিত্তে এ জরিপ সম্পন্ন করা হয়। পূর্বেও ভুল ত্রুটি সংশোধনক্রমে আ. এস জরিপ এতই শুদ্ধ হয় যে এখনো জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে আর, এস জরিপের উপর নির্ভর করা হয়। এর খতিয়ান ও ম্যাপের উপর মানুষ এখনো অবিচল আস্থা পোষন করে।
ঘ) সিটি জরিপ (City Survey)
সিটি জরিপ এর আর এক নাম ঢাকা মহানগর জরিপ। আর.এস. জরিপ এর পর বাংলাদেশ সরকার কর্তিক অনুমতি ক্রমে এ জরিপ ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। এ যবত কালে সর্বশেষ ও আধুনিক জরিপ এটি। এ জরিপের পরচা কম্পিউটার প্রিন্ট এ পকাশিত হয়।

৬!“পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হ তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।

৭!“মৌজা” কাকে বলে?
যখন CS জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।
৮!“তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।

৯!“দাগ” নাম্বার কাকে বলে? যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়।

১০!“ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাকে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।

১১!“খানাপুরি” কাকে বলে? জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।

১২!“আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিযুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।

১৩!“কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।

১৪!“খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।

১৫!“দাখিলা” কাকে বলে?
ভূমি কর/খাজনা আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফর্মে ( ফর্ম নং১০৭৭) ভূমি কর/খাজনা আদায়ের প্রমান পত্র বা রশিদ দেওয়া হয় তাকে দাখিলা বলা হয়।

১৬!"DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।

১৭!“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।

১৮!“নাল জমি” কাকে বলে?
২/৩ ফসলি সমতল ভূমিকে নাল জমি বলা হয়।

১৯!“খাস জমি” কাকে বলে?
সরকারের ভূমি মন্ত্রনালয়ের আওতাধিন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর বা ডিসি তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে।

২০!“চান্দিনা ভিটি” কাকে বলে?
হাট বাজারের স্থায়ী বা অস্থায়ী অকৃষি জমির যে অংশ প্রজার প্রতি বরাদ্ধদ দেওয়া হয় তাকে চান্দিনা ভিটি বলে।

২১!“ওয়াকফ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান অনুযায়ী কোন ভূমি তার মালিক কর্তৃক ধর্মীয় ও সমাজ কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের ব্যয় ভার বহন করার উদ্দেশ্যে কোন দান করাকে ওয়াকফ বলে।

২২!“মোতওয়াল্লী” কাকে বলে?
যিনি ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান করেন তাকে মোতওয়াল্লী বলে। ওয়াকফ প্রশাসকের অনুমতি ব্যতিত মোতওয়াল্লী ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে না।

২৩!“দেবোত্তর” সম্পত্তি কাকে বলে?
হিন্দুধর্ম মতে, ধর্মীয় কাজের জন্য উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি বলে।

২৪!“ফরায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফরায়েজ বলে।

২৫!“ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলে তার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
২৬! “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকস্তি বলে। সিকস্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকস্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।

২৭!“পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।

২৮!“দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবে তাকে দলিল বলে।

ভূমির পরিমাপঃ

ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতকঃ
***************************
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ শতাংশ =১০০০ বর্গ লিঙ্ক
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা = ২১৭৮ বর্গফুট
১০ শতাংশ = ৬ কাঠা = ৪৩৫৬ বর্গফুট
১০০ শতাংশ = ১ একর =৪৩৫৬০বর্গফুট

কাঠা পরিমাপঃ
****************
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট/৭২১.৪৬ বর্গফুট
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ/৮০.১৬ বর্গগজ
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০.৫ কাঠা =১ একর

একরের পরিমাপঃ
******************
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪৩,৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ৪,৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন = ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ শতক = ০.৫ গন্ডা বা ৪৩৫.৬০ বর্গফুট

বিঘা পরিমাপঃ
*************
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট /১৪৫২০বর্গফুট
১ বিঘা = ৩৩,০০০ বর্গলিঙ্ক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ/১৬১৩ বর্গগজ
১ বিঘা = ২০ কাঠা
৩ বিঘা ৮ ছটাক = ১.০০ একর

লিঙ্ক পরিমাপঃ
****************
১লিঙ্ক = ৭.৯ ইঞ্চি /৭.৯২ ইঞ্চি
১লিঙ্ক =০.৬৬ ফুট
১০০ লিঙ্ক = ৬৬ ফুট
১০০ লিঙ্ক = ১ গান্টার শিকল
১০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ শতক
১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ একর

কানি একর শতকে ভূমির পরিমাপঃ
*******************************
১ কানি = ২০ গন্ডা
১ গন্ডা = ২ শতক
১ শতক =২ কড়া
১ কড়া = ৩ কন্ট ১ কন্ট = ২০ তিল

ফুট এর হিসাবঃ
*****************
১ কানি = ১৭২৮০ বগফুট
১ গন্ডা = ৮৬৪ বফু
১ শতক= ৪৩৫.৬০ বফু
১ কড়া = ২১৭.৮ বফু
১ কন্ট = ৭২ বফু
১ তিল= ৩.৬ বফু

বর্গগজ/বর্গফুট অনুযায়ী শতাংশ ও একরের পরিমাণঃ
*********************************
৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর
৪৩৫৬০ বর্গফুট= ১ একর
১৬১৩ বর্গগজ= ১ বিঘা
১৪৫২০বর্গফুট = ১ বিঘা
৪৮.৪০ বর্গগজ = ০১ শতাংশ
৪৩৫.৬০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ
৮০.১৬ বর্গগজ= ১ কাঠা
৭২১.৪৬ বর্গফুট = ১ কাঠা
৫.০১ বর্গগজ = ১ ছটাক
৪৫.০৯ বর্গফুট= ১ কাঠা
২০ বর্গহাত = ১ ছটাকা
১৮ ইঞ্চি ফুট= ১ হাত

08/10/2022

বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা:

বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা বলতে সাধারণত রপ্তানিমূখী শিল্প প্রতিষ্ঠানকে শুল্ক-কর পরিশোধ ব্যতিরেকে উপকরণ/কাঁচামাল এবং প্যাকিং সামগ্রী আমদানির সুবিধা প্রদানকে বুঝায়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বন্ডেড ওয়্যারহাউসের এ সুবিধা বিভিন্ন ধরনের শিল্প প্রতিষ্ঠানকে রপ্তানিমূখী শিল্পায়ন ও রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার জন্য প্রদান করে থাকে।

দি কাস্টমস এ্যাক্ট, ১৯৬৯ এর ধারা ৮৪-১১৯ এর বিধান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক জারীকৃত বিধিমালা ও আদেশ-নির্দেশ অনুযায়ী এ সুবিধা প্রদান করা হয়।

সরাসরি ও প্রচ্ছন্ন উভয় প্রকৃতির রপ্তানিকারক বন্ডেড ওয়্যারহাউসের সুবিধা ভোগ করে।

( প্রচ্ছন্ন রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হলো সে সকল প্রতিষ্ঠান যারা প্রত্যক্ষভাবে রপ্তানি কার্যক্রমে জড়িত নয়, তবে প্রত্যক্ষভাবে রপ্তানি কার্যক্রমে জড়িত প্রতিষ্ঠানকে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির বিপরীতে পণ্য সরবরাহ করে পরোক্ষভাবে রপ্তানি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।)

বন্ডেড ওয়্যার হাউসের প্রকারভেদ:

ব্যবহৃত উপকরণ বা কাঁচামালের প্রকৃতি, ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা, ইত্যাদি বিবেচনায় বন্ডেড ওয়্যারহাউস দুই প্রকার।

(১) স্পেশাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস: শতভাগ রপ্তানিমূখী পোষাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে স্পেশাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্স ইস্যূ করা হয়ে থাকে। এ সকল প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ওভেন ও নীট গার্মেন্টস এবং সুয়েটার।

(২) জেনারেল বন্ডেড ওয়্যারহাউস: স্পেশাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস ছাড়া নিম্নে উল্লিখিত সকল প্রকার বন্ডেড ওয়্যারহাউস জেনারেল বন্ডেড ওয়্যারহাউসের আওতাভূক্ত।

(ক) শতভাগ (১০০%) প্রচ্ছন্ন রপ্তানিমূখী প্রতিষ্ঠানের (প্যাকিং/কার্টন, লেবেল, পলিব্যাগ, হ্যাংগার, জিপার, বাটন, প্যাডিং, ইত্যাদি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান) জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউস;

(খ) শতভাগ (১০০%) রপ্তানিমূখী ট্যানারী এবং চামড়াজাত দ্রব্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউস;

(গ) শতভাগ রপ্তানিমূখী জাহাজ নির্মান প্রতিষ্ঠানের জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউস;

(ঘ) হোম কনজাম্পশন বন্ডেড ওয়্যারহাউস;

(ঙ) ডিপ্লোমেটিক ও প্রিভিলেজ্ড ব্যক্তিবর্গের জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউস;

(চ) রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় (EPZ) শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউস;

(ছ) শতভাগ প্রচ্ছন্ন রপ্তানিমূখী প্রতিষ্ঠান যারা অন্য শতভাগ প্রচ্ছন্ন রপ্তানিমূখী প্রতিষ্ঠানের নিকট পণ্য প্রচ্ছন্ন রপ্তানি করে তাদের জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউস;

(জ) অর্থনৈতিক এলাকার জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউস।

রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় অবস্থিত বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য সুবিধাসমূহ দি কাস্টমস (এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনস) রুলস, ১৯৮৪ ধারা নির্ধারিত হয়েছে।

এই হলো বন্ডেড ওয়ার হাউজ সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা।

[বিঃদ্রঃ সমস্ত তথ্য ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত ]

10/09/2022

Back to Back LC Open, নিয়ে A To Z, আলোচনা।

Export L/C or Purchase Contract হাতে পাওয়ার পর যে বিষয় গুলি check করতে হবে

LC Irrecable/ Transferable
LC/PC Expiry date and Place
LC/PC Shipment date
LC document presentation days
LC Negotiation clause
LC/PC Tolerance
LC Partsial and Transshipment
LC/PC Quantity, Unit price and Amount
LC/PC Goods description and H.S. Code
LC/PC Payment Terms
LC/PC Delivery Terms
LC/PC Exporter’s Name, address and Bin /Vat No.
LC/PC Exporter’s Bank’s Name, address and SWIFT Code.
LC/PC Importer’s Name and Address
LC/PC Port of Loading
LC/PC Port of Discharge
LC/PC Country of Origin
LC Discrepancy charge
LC Export Bills Collection Cost

Proforma Invoice (PI) হাতে পাওয়ার পর যে বিষয় গুলি check করতে হবে

Proforma Invoice validity date check করতে হবে
H.S. Code
Goods Name, Goods Description
Payment Terms
Delivery Terms
Shipment and Expiry date
Exporter’s Name, address and Bin /Vat No.Exporter’s Bank’s Name, address and SWIFT Code
Importer’s Name and Address
PI No. and Date
Country of Origin
Port of Loading
Port of Discharge
Ship Mode
Quantity
Unite price
Total Amount

এর পর Insurance করার জন্য Insurance Company নিকট PI scan করে পাঠাতে হবে.

Back to Back LC Open করার পূর্বে যে সমস্ত কাগজ পত্র ব্যাংকে জমাদেওয়া লাগে ।

বাংলা ফন্ট পরিবর্তন হয়েছে
সেই কারনে দিতে পারলাম না

Back To Back LC Open করার জন্য ব্যাংকে যে সমস্ত কাগজ পত্র সরবরাহ করে ।

১। LC Application Form
2. PI/Indent/sales contract
২। LCA Form
৩। IMP Form
৪। 1 set Charge Document

এখান Back To Back LC Open করার জন্য যে ভাবে কাগজ পত্র Ready করবেন ।

1। Company’s letter had pad Export LC or PC submit Application. (with original export LC)

2. Company’s letter had pad Back to Back LC Open request letter.

3. পূরণ করা LC Application Form.

4. পূরণ করা LCA Form.

5. পূরণ করা IMP Form (পরে দিলেও হবে )

6. Insurance Cover Note.

Authorize person এর Signature এবং সীল নিয়ে Documents Bank এ Submit করতে হবে BBLC open করার জন্য.

BBLC এর Draft copy নিয়ে check করবেন এবং কোনও correction থাকলে correction করে LC Transmit করতে বলবেন Bank কে. Then LC transmits copy received from the bank and scans copy sent to the supplier.

21/10/2021

# WRAP কি?
# WRAP অডিট কি?
# WRAP সার্টিফিকেশন কেন গুরুত্বপূর্ণ?
# WRAP সার্টিফিকেশনের স্তর কয়টি?

প্রশ্নঃ ১) WRAP কি?

=WORLD WIDE RESPONSIBLE ACCREDITED PRODUCTION.(বিশ্বব্যাপী দায়িত্বশীল স্বীকৃত উৎপাদন)

WRAP হচ্ছে পোশাক, পাদুকা এবং অন্যান্য সেলাই পণ্য প্রস্তুতকারকদের জন্য বিশ্বের বৃহত্তম কারখানা ভিত্তিক সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম। ডাব্লুএআরএপি(WRAP) প্রোগ্রামটি 12 টি র‌্যাপ নীতিগুলির সাথে সম্মতির জন্য সুবিধাগুলি প্রত্যায়িত করে যা নিরাপদ, আইনী এবং নৈতিক উৎপাদন প্রক্রিয়ার আশ্বাস দেয়।

প্রশ্নঃ 2) WRAP অডিট কি?

একটি WRAP সার্টিফিকেশন অডিট আপনার সম্পূর্ণ উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিদর্শন করবে যাতে আপনি WRAP নীতিমালার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হন এবং আপনার গ্রাহকদের আশ্বাস দেন যে আপনার পণ্যগুলি নৈতিকভাবে উৎপাদিত হয়।
র‌্যাপ ১২টি নীতিমালা নিয়ে গঠিত।

WRAP-12 Principles:- (১২ টি নীতিগুলি হলো)ঃ

1. Freedom of Association and Collective Bargaining. (সমিতির স্বাধীনতা এবং যৌথ দরকষাকষি)
2. Compliance with Laws and Workplace Regulations. (আইন এবং কর্মক্ষেত্রের নিয়মাবলী মেনে চলা)
3. Prohibition of Forced Labor. (জোরপূর্বক শ্রম নিষিদ্ধকরণ)
4. Prohibition of Child Labor. (শিশুশ্রম নিষিদ্ধকরণ)
5. Prohibition of Discrimination. (বৈষম্য নিষেধ)
6. Prohibition of Harassment or Abuse. (হয়রানি বা অপব্যবহার নিষিদ্ধ)
7. Compensation and benefits as required by law. (আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ এবং সুবিধা)
8. Hours of Work. (কাজের সময় )
9. Health and Safety. (স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা)
10. Environment. (পরিবেশ)
11. Customs Compliance. (বহি:শুল্ক কমপ্লায়েন্স)
12. Security. (নিরাপত্তা)

প্রশ্নঃ ৩) WRAP সার্টিফিকেশন কেন গুরুত্বপূর্ণ?

একটি স্বাধীন, তৃতীয় পক্ষের WRAP সার্টিফিকেশন অডিট প্রতিষ্টানের জন্য একাধিক সুবিধা প্রদান করে। যেমনঃ

১. পোশাক, পাদুকা এবং অন্যান্য সেলাই-পণ্য শ্রমিকদের সাথে ন্যায্য এবং মানবিক আচরণ নিশ্চিত করে।

২. ন্যায্য নিয়োগকর্তা হিসেবে ভোক্তাদের মধ্যে প্রতিষ্টানের খ্যাতি উন্নত করে।

৩. কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার ঝুঁকি হ্রাস করে ।

৪. শিল্পকলা ও কর্মচারীদের সম্পৃক্ততা উন্নত করে এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ায়।

প্রশ্নঃ ৪) WRAP সার্টিফিকেশনের স্তর কয়টি?

WRAP একটি তিন স্তরের প্রোগ্রাম নিয়ে গঠিত, যা 12 টি WRAP নীতিমালার সাথে সম্মতিপূর্ণ ডিগ্রী অনুসারে সুবিধাগুলির জন্য প্রশংসাপত্র বা সার্টিফিকেট প্রদান করে। তা হলোঃ

১. PLATINUM-প্লাটিনাম (মেয়াদ ২ বছর) পরপর তিনটি সার্টিফিকেশন অডিটের জন্য সম্পূর্ণ সম্মতি প্রদর্শন করে ।

২. Gold-স্বর্ণ (মেয়াদ ১ বছর) WRAP এর 12 টি মূলনীতির সাথে সম্পূর্ণ সম্মতি প্রদর্শন করে ।

৩. Silver- রোপা (মেয়াদ ৬ মাস) ছোটখাট সমস্যাগুলির সাথে যথেষ্ট সম্মতি প্রদর্শন করে

 #আসুন জেনে নিই 👇FOB=Free on Board (রপ্তানীকারক দেশে পন্য জাহাজে উঠানোর আগ মূহুর্ত পর্যন্ত ভ্যালু)C&F=Cost & Freight( পন...
29/09/2021

#আসুন জেনে নিই 👇
FOB=Free on Board (রপ্তানীকারক দেশে পন্য জাহাজে উঠানোর আগ মূহুর্ত পর্যন্ত ভ্যালু)
C&F=Cost & Freight( পন্যের উৎপাদন খরচ + বাহন ভাড়া)
C&F= Clearing, and Forwarding
CFR= Cost and Freight (পন্যের উৎপাদন ব্যয় + জাহাজ ভাড়া)
CIF=Cost Insurance Freight (পন্য উৎপাদন ব্যয়+ইন্সুইরেন্স + জাহাজ ভাড়া)
L/C=Letter of Credit (ঋণপত্র, ব্যাংকে পন্য আমদানি /রপ্তানির জন্য বৈদেশিক ব্যাংকে অর্থ পাওয়ার বা প্রেরনের নিশ্চয়তা পত্র)
LCA=Letter of Credit Authorization(ঋণপত্র খোলার ফর্ম)
B/L=Bill of Lading( পন্য জাহাজীকরনের চালান, পন্যের লোডিং পয়েন্ট থেকে শিপিং এজেন্ট এটা ইস্যু করেন )
AWB=Air Way bills (পন্য বিমানীকরনের চালান, পন্য যে দেশ থেকে বিমানে উঠানো হয় সেখানের ঐ বিমান সংস্থার এজেন্ট ইস্যু করেন )
P.I=Proforma Invoice (রপ্তানিকারক কর্তৃক পন্য বিক্রির মুল্য নির্দেশক প্রথমে ইস্যুকৃত চালান)
PSI=Pre Shipment Inspection (পন্য জাহাজীকরন সংস্থা)
CRF=Clean Reports of Finding(PSI সংস্থা কর্তৃক পন্যের গুনগত মান, মুল্য, HS CODE, বাণিজ্যিক বর্ণনা সম্বলিত সনদ)
NNRF=Non Negotiable Reports of Finding(CRF complaint না করলে এ সনদ জারী করা হয়)
CPC=Customs Procedure Code( পন্যের ডিউটি লাইন নির্দেশক কোড)
ASYCUDA=Automated Systems for Customs Data (কম্পিউটার এ এসেসমেন্ট ও কাস্টমস সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ সফটওয়্যার)
LCL(containers)=Least Cargo Load (কয়েকজন আমদানীকারকের একি কন্টেইনারে পন্য লোড করে আমদানি )
FCL(containers)=Full Cargo Load(একজন আমদানীকারকের পন্য এক কন্টেইনারে লোড করে আমদানি )
SOC=Shippers Owners Containers( পন্য সমেত কন্টেইনারের মালিক আমদানিককারক, এক্ষেত্রে পন্য এসেসমেন্ট সময় কন্টেইনারের শুল্ককর আদায় করে পন্য সমেত কন্টেইনার খালাস দিতে হয়)
SRO=Statutory Regularity Orders (প্রঞ্জাপন)
PRL=Post Retairedment leave(অবসর জনিত ছুটি)
ITC= Import Trade Control
SAFTA= South Asian Free Trade Agreement
HSCODE=Hermonaized Commudity description and coding system(আন্তর্জাতিক ভাবে সকল পন্য সনাক্তের কোডিং ব্যবস্থা)
TUES= Twenty equivalent units= 20 feet
Containers(একটি কন্টেইনারকে ২০ ফুট লম্বা ধরে মোট কন্টেইনার গণনা, যেমন : ৪০ ফুট লম্বা কন্টেইনার হলো ২ TUES)
ITC=Import Trade control(আমদানি বাণিজ্য নিয়ন্ত্রক)
IP=Import Permit (আমদানি অনুমতি পত্র, সাধারণত পন্য এলসি খুলে আমদানি করা না হলে সে ক্ষেত্রে বানিজ্য মন্ত্রণালয় এর অধীন CCI&E থেকে এটা ইস্যু করিয়ে আনতে হয়)
CCI&E= Chief Controler Imports and Exports (আমদানি রপ্তানির প্রধান নিয়ন্ত্রণ)
BIN=Business Identityfication Number (ব্যবসায়িক ইউনিক নং বা মুসক রেজিস্ট্রি নংবর্তমান নিয়মে ১১ ডিজিট ও অনলাইন নিয়মে ৯ ডিজিট সংখ্যার ইউনিক নম্বার )
AIN=Agent Identityfication Numbers(সিএন্ডএফ এজেন্ট ইউনিক পরিচয় নং,কাস্টমস এক্ট ১৯৬৯ এর সেকশন ২০৭ অনুযায়ী সিএন্ডএফ লাইসেন্স প্রদান করার সময় সংখ্যানুক্রমিক নম্বর )
CP= Clearance Permit( কোন পন্য চালান আমদানি নীতি আদেশ ভঙ্গ করে আমদানি হলে উক্ত চালান খালাসে CCI&E উক্ত পন্য খালাসে ইচ্ছা করলে CP Issue করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে Contravention পদ্ধতিতে জরিমানা আরোপ করে পন্য খালাস দেয়া যাবে)
IPO= Import Policy Orders(আমদানি নীতি আদেশ)
RCC= Registration Cancellation Certificate(গাড়ি রেজিস্ট্রেশন ক্যান্সেল করা হয়েছ এমন সনদ পুরাতন গাড়ি, মোটর সাইকেল আমদানিতে এ দলিল দাখিল অত্যাবশ্যকীয় )
LLDPE= Liner low Density Polyethyline(পলিথিন চিপস বা দানা ৩৯ চ্যাপ্টারের পন্য )
LDPE= Low Density Polyethyline(পলিথিন চিপস বা দানা ৩৯ চ্যাপ্টারের পন্য)
GSM= Grams Per Square Meters (paper) (কাগজ ওভেন ড্রাই করে আদ্রতা ছাড়িয়ে ওজন নিরনয়)
CFS= Container Freight Station(বন্দরে কন্টেইনার থেকে পন্য বাহির করে আমদানি ও রপ্তানির লক্ষ্যে সুরক্ষিত করে রাখা হয় এমন ওয়ারহাউজ)
ICD= Inland Container Depot (আভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো কাস্টমস এক্ট ১৯৬৯ এর ১৩ ধারা অনুযায়ী ICD License দেয়া হয়)
UD= Utilization Declaration ( Master LC এর বিপরীতে আমদানি কাম রপ্তানি পোষাক এর উপকরণ এর বর্ণনা সম্বলিত দলিল, এটি বিজিএমইএ ইস্যু করে থাকেন)
UP = Utilization Permission (রপ্তানিকৃত পন্য উৎপাদেন উপকরণ ব্যবহার এর বন্ড কমিশনার কতৃক জারীকৃত দলিল)
VDS= VAT Deduction at Sources ( বর্তমানে ৩৮ পন্য সরবরাহ কালে উৎসে কর্তিত মূসক)
TIN = Tax Identification number ( আয়কর বিভাগ থেকে কোন ব্যক্তি বা কোম্পানির আয়কর প্রদানের ইউনিক নম্বর)
BEPZA= Bangladesh Export Processing Zone Authority
BEZA= Bangladesh Economic Zone Authority
CRAD= Customs Revenue Audit Department.
BCT= Bangladesh Customs Tariffs (1st schedule)
IGM = Import General Manifest ( এটি পরিবহনে বাহিত পন্যের দলিল যা কাস্টমস এক্ট ১৯৬৯ সেকশন ৪৩ জাহাজের ক্ষেত্রে অন্য বাহনের ক্ষেত্রে সেকশন ৪৪ অনুযায়ী আগমনের পূর্বে অন লাইনে দাখিল করার বাধ্যবাধকতা আছে)
EGM= Export General Manifest
UTIN: Unique Tax Payer Identification No
ETIN: Electronic Tax Identification No
PRC= Proceed Realization Certificate (বৈদেশিক মুদ্রা প্রত্যাবসন সনদ)
AV= Assessable Value( CIF+ Landings charge একত্র করে পন্য চালানের শুল্ককর বাহির করার মুল্য)
ETA = Estimated Time of Arrival (জাহাজ, বিমান, যানের বন্দরে পৌঁছানোর সম্ভাব্য সময়)
ETD= Estimated Time of Departure (জাহাজ, বিমান, যানের বন্দর ত্যাগের সম্ভাব্য সময়)
P.C= Port Clearance (জাহাজ বন্দর ত্যাগের ছাড়পত্র সেকশন ৫২)
LDT= Light Displacement Weight( খালি জাহাজের ওজন)
DWT = Dead Weight Tonnage (পন্যসহ জাহাজের ওজন)
LOA= Length Over All (জাহাজের দৈর্ঘ্য)

19/09/2021

বেশিরভাগ সময়ে গর্ভবতী মায়েরা আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে আসেন ৮মাস/৯ মাসের সময়। এতো দেরিতে কেন আসলেন প্রশ্ন করলে উত্তর আসে,"কি বাবু সেটা তো এখনই ভালো বুঝা যাবে।"

নিয়মিত ফলোআপে আসা রোগীকে যদি ৩ মাসের সময় বলি একটা আল্ট্রা করে ফেলেন। উত্তর আসবে,"এখন না ।৭/৮ মাসের সময় করাবো।"

ব্যপারটা এমন হয়ে দাড়িয়েছে আল্ট্রাসনোগ্রামের একমাত্র লক্ষ্য গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ জানা। কিন্তু সত্যিই কি তাই? এতো কষ্ট করে এতো বছরের অক্লান্ত পরিশ্রম করে আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন তৈরি কি শুধুই ছেলে না মেয়ে জানার জন্য?

ডাক্তাররা যে কয়েকবার আল্ট্রা করায় সেটার কি সত্যিই দরকার আছে ?
নাকি সব টাকা খাওয়ার ধান্দা?!!!

আজকে জানবো গর্ভকালীন সময়ে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার উদ্দেশ্য। অন্তত ৩ বার আল্ট্রাসনোগ্রাম করা উচিত।

♦♦ ১ম আল্ট্রাসনোগ্রাম করাতে হবে ৩মাসের মধ্যে। ২য় মাসে করানোই সবচেয়ে ভালো। এসময় আমরা জানতে পারবো-

~রোগী আসলেই গর্ভবতী কিনা।
অনেক সময় দেখা যায় প্রস্রাব টেস্টে পজিটিভ দেখালেও আসলে গর্ভে সন্তান নেই। অনেক সময়ই শুধুমাত্র বাচ্চার থলি আসে কিন্তু বাচ্চা থাকেনা।

~বাচ্চা জরায়ুতে আছে নাকি অন্য কোথাও। জরায়ুতে না থেকে অন্য কোথাও থাকাকে বলে এক্টপিক প্রেগন্যান্সি। এ ক্ষেত্রেও প্রস্রাব টেস্ট পজিটিভ আসে। কিন্তু বাচ্চা বেশিদিন বাঁচে না।

~ বাচ্চা কি গর্ভে একটি নাকি একের অধিক;

~অনেকে মাসিকের তারিখ মনে রাখতে পারেনা। এসময়ই বাচ্চার বয়স জানা যায়।

~মায়ের জরায়ুতে কোন সমস্যা আছে কিনা। সমস্যা থাকলে অনেক সময় গর্ভপাত হয়ে যায়।

♦♦২য় বার করাতে হবে ৫ম মাসে। এসময় জানা যাবে-

~ বাচ্চার কোন জন্মগত ত্রুটি আছে কিনা। আগে থেকে জানা থাকলে সে অনুযায়ী বাচ্চার ডেলিভারির পরপরই চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যায়।

~ প্লাসেন্টা যেটা অনেকেই ফুল নামে জানে তার অবস্থান কোথায়। প্লাসেন্টার অবস্থানের উপর ডেলিভারি কতটা নিরাপদ হবে বুঝা যায়। অনেক মা ই ডেলিভারির পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা যায়। তার কারণ হলো আগে থেকে প্লাসেন্টার অবস্থান না জেনে ব্যবস্থা নিতে না পারা।

~ ডেলিভারির ডেট কবে তা জানা যায়।

~বাচ্চা জীবিত কিনা;

♦♦ শেষ আল্ট্রা করতে হয় ৮/৯ মাসে।এ সময় জানতে পারবে-

~ বাচ্চার ওজন;

~ জরায়ুতে পানি কতটা আছে। পানি কম থাকলে বাচ্চা প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও অক্সিজেন পায়না।এতে বাচ্চার নির্দিষ্ট ডেলিভারির তারিখ পর্যন্ত বেচে থাকা কঠিন। তাই বলে অতিরিক্ত পানি থাকাও ভালোনা।

~প্লাসেন্টাতে কোন সমস্যা আছে কিনা;

~ বাচ্চার পজিশন। সাধারণত মাথা নিচের দিকে থাকলে নরমাল ডেলিভারি করা সহজ।

দয়া করে শুধুমাত্র গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে জানার জন্য আল্ট্রাসনোগ্রাম করাবেন না। আল্লাহ যা দিয়েছেন তা তো আর বদলাতে পারবেন না। বরং যা জানতে পারলে মা ও সন্তানের সুস্থ থাকা আরেকটু নিশ্চিত করতে পারবেন তা জানুন।

মায়ের যত্ন নিন। একজন সুস্থ মা ই জন্ম দিবেন একজন সুস্থ বাচ্চা.....
বেশিরভাগ সময়ে গর্ভবতী মায়েরা আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে আসেন ৮মাস/৯ মাসের সময়। এতো দেরিতে কেন আসলেন প্রশ্ন করলে উত্তর আসে,"কি বাবু সেটা তো এখনই ভালো বুঝা যাবে।"

নিয়মিত ফলোআপে আসা রোগীকে যদি ৩ মাসের সময় বলি একটা আল্ট্রা করে ফেলেন। উত্তর আসবে,"এখন না ।৭/৮ মাসের সময় করাবো।"

ব্যপারটা এমন হয়ে দাড়িয়েছে আল্ট্রাসনোগ্রামের একমাত্র লক্ষ্য গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ জানা। কিন্তু সত্যিই কি তাই? এতো কষ্ট করে এতো বছরের অক্লান্ত পরিশ্রম করে আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন তৈরি কি শুধুই ছেলে না মেয়ে জানার জন্য?

ডাক্তাররা যে কয়েকবার আল্ট্রা করায় সেটার কি সত্যিই দরকার আছে ?
নাকি সব টাকা খাওয়ার ধান্দা?!!

মায়ের যত্ন নিন। একজন সুস্থ মা ই জন্ম দিবেন একজন সুস্থ বাচ্চা.....

Address

Dhaka-Bangladesh
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Knowledge Share posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category