01/04/2025
এমন যদি হতো!!🤔
সময়টাকে লাগাম দিতাম--
ইচ্ছেঘুড়ির মতো!!😃😃
কিন্তু তা হওয়ার জো কি আছে?🙃
সময় সেতো দৌড়ে বেড়ায় পাগলা ঘোড়ার বেগে🏇
সময় আসলে আপেক্ষিক। মনে হলো একটু ঘুরে আসা যাক ফেসবুক বা ইউটিউব থেকে। দেখা গেলো নিজের অজান্তেই পেরিয়ে গেলো কতটা মিনিট ঘন্টা😥আবার এসব নিয়ে ভাবতে গেলেও খারাপ হয় যে মনটা🤔
ল্যাপটপে প্রাত্যহিক একঘেয়ে কাজ করতে করতে যেন লাঞ্চ টাইম আর আসে না। তাই সব মিলিয়ে দিনের ২৪ ঘণ্টাকে বুদ্ধি করে সাজিয়ে সঠিক সময় ব্যবস্থাপনা করতে পারলে জীবনে মিলবে সফলতা🎉🎉🎉
সময়ব্যবস্থাপনা কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ। চিন্তা করা, কথা বলা ও কাজ করা। আমরা সারা দিন যা–ই করি না কেন,এই তিনকে কন্ট্রোলে রাখলেই গুছানো যাবে দৈনন্দিন কাজের পুরো ছক।
🚩সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন সময় রেকর্ড করাঃ
কর্মক্ষেত্রে আলাপচারিতা,আর অন্যান্য কার্যক্রমে কতটুকু সময় লাগে,কতক্ষণ সময় বেখেয়ালে চলে গেছে,খুব সচেতনভাবে এই ব্যাপারগুলো খেয়াল রাখতে হবে।পুরো সপ্তাহজুড়ে একটা মনিটরিং করতে হবে।
🚩নিজের কাজের জন্য আলাদা সময় রাখাঃ
প্রয়োজনীয় কাজের বাইরে নিজেকে সময় দেয়াটাও জরুরী।তাই নির্দিষ্ট একটা সময় হোক শুধুমাত্র শৌখিনতার।সেটা হতে পারে নিজের পছন্দের যেকোনো সৃজনশীল কাজ।
🚩 চিন্তা করার জন্য সময় বরাদ্দঃ
কর্মক্ষেত্রে সাফল্য পেতে হলে যত কাজ করতে হয়, তার প্রতিটি পদক্ষেপ হওয়া উচিত সুচিন্তিত।নিজেকে একটা নির্দিষ্ট ছকে এগিয়ে নিতে ব্রেনস্টর্মিংয়ের জন্য আলাদ্য সময় অবশ্যই রাখতে হবে।
🚩কাজের বিঘ্ন ও বিরতিগুলোকে গোনায় ধরাঃ
কাজের পাশাপাশি অকাজকেও গুরুত্বের সাথে গোনায় ধরতে হবে।টানা কাজ করা কারোর পক্ষেই সম্ভব নয়।তাই মাঝেসাঝে একটু ব্রেক নিতেই হয়।এই একটু সময়টাকে কোনভাবেই লম্বা করা যাবে ন।
🚩দিনের শুরুতে অন্তত আধা ঘন্টা সময় নিন পুরোদিনের পরিকল্পনায়ঃ
কাজ শুরু করার আগে প্রথমে আধা ঘণ্টা দিনের পরিকল্পনা করার জন্য রাখা উচিত। এতে উল্টাপাল্টা সময় ব্যয় হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। পরিকল্পনা ছাড়া দিন শুরু করলে কাজের শৃঙ্খলা থাকে না।
🚩লক্ষ্য স্থির করাঃ
লক্ষ্যবিহীনভাবে কাজ করে কিছুই অর্জন করা যায় না। প্রতিটি কাজ, মিটিং বা ফোনালাপের আগে এর মূল লক্ষ্য বা এর থেকে কী ও কতটুকু পাওয়া যাবে, তা ঠিক করে নিতে হবে।
🚩সবকিছু ঊর্ধ্বে থাকুক নিজের ব্যস্ততা
‘ডু নট ডিস্টার্ব’ সাইন সব সময় লাগানো না গেলেও কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার আগে সবাইকে জানিয়ে দিলে ভালো। এতে এ সময় কেউ অযথা বিরক্ত করবে না। যেকোনো মেসেঞ্জার বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিরক্ত না করার সিগন্যাল সেট করা যায়।
🚩সারাক্ষণ অন্যদের মনোযোগ না দেওয়া
আপনাকে সব সময় চাইলেই পাওয়া যাবে, এ ধারণা থেকে সবাইকে বের করে আনুন। নয়তো কোনো কাজই ঠিকভাবে করা হবে না ফোন বাজলেই ধরতে হবে, ই–মেইল এলেই খুলে দেখতে হবে তা নয়। মেসেঞ্জারগুলোতেও আপনার সক্রিয় উপস্থিতির বেলায় একই কথা প্রযোজ্য।