ilm Books BD

Directions Website

ilm Books BD পড় তোমার প্রভুর নামে, যিনি তোমাকে সৃ?

পবিত্র আল কুরআনের প্রথম আয়াত হল ( ইকরা) মানে পড়ো। কিয়ামতের ময়দানেও আল্লাহ তাআলা আমাদের হাতে আমলনামা দিয়ে বলবেন (ইকরা) পড়ো।আরবরা ছিল অন্ধকারের যুগে জাহিলিয়াতের যুগে । মোহাম্মদ সাঃ এর উপরে যখন কুরআন নাযিল হয়, তখন থেকেই আরবরা অন্ধকার থেকে আলোর মুখ দেখে। আস্তে আস্তে তারা সারা বিশ্ব শাসন করে। এমনকি এই আরবরাই সারাবিশ্বে বিজ্ঞান এবং সাহিত্যে অনন্য অবদান রাখেন। এত দ্রুত আরবদের এই এগিয়ে যাওয়ার মূল রহস্য কি জানতে চান?
তারা কুরআনের প্রথম আয়াত ইকরা মানে পড়ো, তারা অনেক পড়াশোনা করেছে। পড়াশুনার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করেছে। মানে (ইলম)।আর এই পড়াশুনার মাধ্যমে তারা আধুনিক হয়েছে। পৃথিবীজুড়ে সেই আধুনিকতার ছোঁয়া পৌঁছে দিয়েছে। যারা ছিল একসময় রাখাল এক সময় যারা উট চড়িয়ে বেড়াতো সেই আরবরাই জ্ঞানের আলো দ্বারা সারা বিশ্বকে ইসলামের ছায়াতলে নিয়ে আসে। তাই আমাদের কি পড়তে হবে বুঝেছেন তো? al-Quran কুরআন। হ্যাঁ ভালো করে শুনে রাখুন এই মহিমান্বিত, আসমানী কিতাব কুরআন শুধু তেলাওয়াত করলে ই চলবে না। এই কুরআনের প্রতিটি আয়াতের অর্থ জানতে হবে। কেন? কি জন্য? কোথায়? কি অবস্থায়? এই আয়াত আল্লাহ তাআলা নাযিল করেছেন তার সম্পূর্ণ সারমর্ম জানতে হবে। আর এরই মাধ্যমে আমরা জ্ঞান অর্জন করতে পারব। নিজেরা আলোকিত হব এবং পরিবার ও অন্যান্যদের আলোকিত করতে পারব। আর পরকালে আল্লাহ যখন আমাদের হাতে আমলনামা তুলে দেবেন তখন আমরা সেই আমলনামা আল্লাহকে পড়ে শোনাতে পারবো।আল্লাহর কসম করে বলছি যার হাতে রয়েছে আমাদের প্রাণ। এই কুরআন ই আমাদের ইহকাল এবং পরকাল উভয় জায়গায় সম্মানিত করবে। কুরআন বুঝে পড়ার মাধ্যমে। ইনশাআল্লাহ।

#কুরআন #হাদিস #নবীরাসুলগনেরজীবনি #নামায #ইমান #হালালহারাম #আমল #আখলাক #চরিত্র #রিযিক #পাপপূর্ণ #মহাকাশ #কিতাব #সুন্নাহ #সাহাবিদেরজিবনি #হজ্জ #যাকাত #কালিমা #রোযা #নারীদেরজীবনী #হাদিয়া #তাফছির #তরজমা #ইবাদত #হাশর #মিযান #পরকাল #কবর #ইলম #জান্নাত #জাহান্নাম #তাকদির #ভাগ্য #কিয়ামত # # # #ফেরেস্তা #

27/11/2022

👉🏻পানি ছাড়া যেমন বাঁচা সম্ভব না। তেমনি কুরআন ছাড়াও জান্নাত সম্ভাব না। পানির মত কোরআন একটি জীবন্ত উদাহরণ মানবজাতির জন্য।
👉🏻 যে কুরআনকে পরিবর্তন কিংবা ধ্বংস করার মত ক্ষমতা কারো নেই কেয়ামত পর্যন্ত।সে কোরআন কে কি আল্লাহ তায়ালা এমনি ই নাজিল করেছেন ? কখনই না ।
আল্লাহ তাআলা কুরআন নাযিল করেছেন মানুষের হেদায়েতের জন্য। একমাত্র কুরআনী পারে মৃত বিবেককে জাগ্রত করতে। চেতনাকে ফিরিয়ে দিতে, এবং অন্তরকে আলোকিত করতে।
👉🏻তাই প্রত্যেকটি মুসলমানের ঘরে একটি ভাল মানের কুরআনের তাফসীর থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন। নিজে এবং পরিবারকে জাহান্নামের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য।
👉🏻প্রয়োজনে যুগাযোগ করুনঃ০১৩০৮৪৫১২৮৮

30/10/2022

শুধু কুরআন তিলাওয়াত নয়।আসমানি কিটাবকে জানার জন্য আল্লাহ কি বলেছেন দেখুন? 👇
👉(সূরা সোয়াদ আয়াত ২৯ ) এটি একটি অত্যন্ত বরক্তময় কিতাব যা আমি আপনার উপর নাযিল করেছি । যাতে এরা তার আয়াত সম্পর্কে চিন্তা ফিকির করে এবং জ্ঞানী ও চিন্তাশীলরা তা থেকে শিক্ষা নেয়
(সূরা রুম আয়াত ৫৮) আর আমি মানুষদের বোঝানোর জন্য এখানে সব ধরনের উদাহরণ পেশ করেছি।
👉 ( সূরা আম্বিয়া আয়াত ১০) হে লোক সকল । আমি তোমাদের প্রতি এমন একটি কিতাব অবতীর্ণ করেছি যার মধ্যে তোমাদেরই কথা আছে তোমরা কি তারপর ও বোঝনা ।

👉(সূরা কমার আয়াত ১৭) আমি এই কুরআনকে উপদেশ লাভের সহজ উৎস বানিয়ে দিয়েছি তো উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি।

👉(সূরা ইউনুস আয়াত ২৪) এভাবে আমি বিশেষভাবে আয়াতের বর্ণনা করে থাকি, তাদের জন্য ! যারা চিন্তাভাবনা করে ।

👉 (সূরা আরাফ আয়াত ১৭৯)কুরআন শিক্ষা না করার পরিণতি । ( এরা চতুষ্পদ জন্তুর নেয় বরং এরা তাদের চেয়েও আরো অধম ও নিকৃষ্ট এরাই হল গাফেল)

👉 (সূরা ত্বহা আয়াত ১২৪,১২৫) আর যে আমার (যিকর) কুরআন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় ! নিশ্চয়ই তাঁর জীবন যাপন হবে সংকুচিত এবং আমি কিয়ামতের দিন তাকে অন্ধ অবস্থায় উঠাবো ।সে বলবে হে আমার রব কেন আপনি আমাকে অন্ধ অবস্থায় উঠালেন অথচ আমি তো ছিলাম দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন। তিনিই আল্লাহ বলবেনঃ অনুরূপ ভাবে তোমার নিকট আমার আয়াত এসেছিল অতঃপর তুমি তা ভুলে গিয়েছিলে এবং সে ভাবেই আজ তোমাকে ভুলে যাওয়া হল ।

👉(সূরা ইউনুস আয়াত ২৪) এভাবে আমি বিশেষভাবে আয়াতের বর্ণনা করে থাকি তাদের জন্য যারা চিন্তাভাবনা করে ।

👉(বনী ইসরাইল আয়াত ১০৬) আর এই কুরআনকে আমি অল্প অল্প করে নাযিল করেছি যাতে করে তুমি যথা সময়ে তা লোকদেরকে পড়ে শোনাও এবং এই কারণে তাকে নাজিল করেছি।

👉 (সূরা নিসা আয়াত ৮২) তারা কি কুরআন সম্পর্কে চিন্তা ভাবনা করে না ।
===================
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ https://ilmbooksbd.com/
অথবা
☎️কল করুনঃ ০১৩০৮৪৫১২৮৮

👉 পৃথিবীতে মোট২২৮ টি দেশ নিয়ে পৃথিবী। পৃথিবী থেকে সুর্য ১৩ লক্ষ গুন বড়। ব্যাটেল জুইস একটা তারা আছে, যা সূর্যের চেয়ে ৩৩ ক...
19/10/2022

👉 পৃথিবীতে মোট
২২৮ টি দেশ নিয়ে পৃথিবী।
পৃথিবী থেকে সুর্য ১৩ লক্ষ গুন বড়।
ব্যাটেল জুইস একটা তারা আছে, যা সূর্যের চেয়ে ৩৩ কোটি গুণ বড়। আল্লাহু আকবর।

👉 প্রক্সিমা সেন্ট্রাই, আলফা সেন্ট্রাই,ব্যাটেল জুইস এরকম ৫০০ বিলিয়ন তারকা নিয়ে গঠিত গ্যালাক্সি।
আল্লাহ তায়ালা কোটি কোটি গ্যালাক্সি সৃষ্টি করেছেন।
পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রতগামী যান Apollo 11.
সেকেন্ডে চলে ১১ কিঃমিঃ বেগে।
মিনিটে চলে ৬৬০ কিঃ মিঃ বেগে
ঘন্টায় চলে ৩৯ হাজার কিঃমিঃ বেগে।

👉 যদি কেউ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের তারকা প্রক্সিমা সেন্ট্রাই Apollo 11 তে চড়ে যেতে চায়, সময় লাগবে ১ লক্ষ ১৫ হাজার বছর। যাহা কোন ক্রমেই সম্ভব নহে।
গ্যালাক্সি, সুপার নোভা,ব্লাক হোল এগুলো ১ম আকাশ নয়,

👉 ১ম আকাশের মহাশুন্য।
তারপর ১ম আকাশ।

👉 তারপর ২য় আকাশের মহাশুন্য,
তারপর ২য় আকাশ।

👉 তারপর ৩য় আকাশের মহাশুন্য,
তারপর ৩য় আকাশ।

👉 তারপর ৪র্থ আকাশের মহাশুন্য,
তারপর ৪র্থ আকাশ।

👉 তারপর ৫ম আকাশের মহাশুন্য,
তারপর ৫ম আকাশ।

👉 ৬ষ্ঠ আসমানে একটা গাছ আছে।
গাছটির নাম সিদরাতুলমুনতাহা।

👉 বিশ্ব নবী( সাঃ) বলেছেন,তোমার আংটি যদি সাহারা মরুভূমিতে ফেলে দেওয়া হয়,বিশাল মরুভূমির তুলনায় আংটিটা যত ছোট, আল্লাহর ২য় আসমানের তুলনায় ১ম আসমান ততো ছোট। আল্লাহু আকবর।
৭ম আসমানে আছে বিশাল সমুদ্র জগৎ ও আল্লাহর আরশ।
আরশের ভিতর আছে আল্লাহর কুরশি, আল্লাহর সিংহাসন।

👉 আল্লাহর সিংহাসন কত বড়?
আল্লাহর সিংহাসনের উপর যদি সাত আসমান, সাত জমিন রাখা হয়, বিশাল মরুভূমিতে আংটি ফেলে দিলে যেমন হারিয়ে যাবে, সাত আসমান, সাত জমিনও তদ্রূপ হারিয়ে যাবে।
আল্লাহু আকবর।
মালিক তোমার সৃষ্টি সম্পর্কে জানা ও বোঝার তাওফিক নসিব করো। আমিন ।

সকল হতাশা ও ঋণ থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় আল্লাহর উপর ভরসা করুন এবং তার প্রতি সুধারণা রাখুন। কারণ বান্দা আল্লাহর প্রতি যে...
19/10/2022

সকল হতাশা ও ঋণ থেকে মুক্তির একমাত্র উপায়

আল্লাহর উপর ভরসা করুন এবং তার প্রতি সুধারণা রাখুন। কারণ বান্দা আল্লাহর প্রতি যেমনটা ধারণা করে ,আল্লাহ তার সাথে ঠিক তেমন ই ।আল্লাহর ব্যাপারে নিরাশ হবেন না তার দয়ার প্রতি আশা হারাবেন না ।একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি মসজিদে এসে আবু উমামা রাঃ কে বসে থাকতে দেখলেন ।তিনি তাকে বললেন হে আবু উমামা কোন ব্যাপার টি তোমাকে এই অসময়ে মসজিদে বসিয়ে রেখেছে, জবাবে তিনি বললেন হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঋণের বোঝা আর দুশ্চিন্তা আমাকে কাবু করে ফেলেছে ।রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন আমি কি তোমাকে এমন কিছু শব্দ শিখিয়ে দেবো যেগুলো বললে আল্লাহ তোমার সকল দুশ্চিন্তা দূর করে দেবেন এবং তোমার ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দিবেন اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَل وَأَعُوذُِ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি, ওয়া আউজুবিকা মিনাল আঝযি ওয়াল কাসালি, ওয়া আউজুবিকা মিনাল ঝুবনি ওয়াল বুখলি, ওয়া আউজুবিকা মিন গালাবাতিদ দাইনি ওয়া কাহরির রিঝালি।

( হে আল্লাহ নিচ্ছই আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে , কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে , ঋণের ভার ও মানুষদের দমন-পীড়ন থেকে ) চমৎকার বরকতময় কিছু শব্দের দোয়া যেগুলো আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না । আল্লাহর যে বান্দাই পূর্ণ বিশ্বাসের সাথে এই কথাগুলো বলবে আল্লাহ অবশ্যই তার জন্য স্বস্তি আর মুক্তির পথ বের করে দেবেন । আবু উমামা বললেন আমি দোয়া গুলো পড়েছি, ফলে আল্লাহ আমার দুশ্চিন্তা দূর করে দিয়েছেন ও আমার ঋণ পরিশোধ করে দিয়েছেন । আরবিতে আলহাম হল ভবিষ্যৎ নিয়ে এমন চিন্তা যা আপনার মনকে ভাড়ি করে রাখে। আর হাযিন হলো অতীতে ঘটে যাওয়া কিছু নিয়ে ব্যথিত হওয়া। এই দোয়ায় দুটি ব্যাপার কে উল্লেখ করা হয়েছে অতীতের কষ্ট এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ ।মানুষ প্রকৃত পক্ষে খুবই দুর্বল তার ওপরে একটার পর একটা দুশ্চিন্তার ঝড় বয়ে যায় সে একটি চিন্তা থেকে বের হতে না হতেই আর একটি চিন্তা তাকে ঘিরে ফেলে। একটি বিপদ কাটতে না কাটতেই আরেকটি বিপদে পতিত হয় ।আল্লাহ বলেন لقد خلقنا الانسان في অথাদ নিশ্চয়ই আমরা মানুষকে কষ্টের মধ্যে সৃষ্টি করেছি এবং এই কষ্ট দুশ্চিন্তা দূর করতে পারেন একমাত্র সেই আল্লাহ যিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন । হে আমার ভাই আল্লাহ আপনার কল্যাণ চেয়েছেন যখন তিনি আপনাকে কোন বিপদ দিয়ে পরীক্ষা করেন এবং সেই বিপদে ধৈর্য ধারনের তৌফিক দান করেন।আল্লাহ আপনার কল্যাণ চেয়েছেন যখন তিনি আপনাকে পরীক্ষা করেন ফলে আপনার হৃদয় ভেঙে গিয়ে তার দিকেই ফিরে ।আল্লাহ আপনার কল্যাণ চেয়েছেন, যখন আপনি আপনার মনকে একমাত্র তাঁর দিকে ফিরিয়ে আপনার সকল দুঃখ-কষ্ট তার কাছে একান্ত ব্যক্ত করেন আর আপনার হৃদয় বলে ওঠে হে আমার মালিক আপনি কার কাছে আমাকে ছেড়ে দিচ্ছেন ,আপ্নার ই কোন এক দুর্বল বান্দার কাছে যে আমার প্রয়োজন শুনে বিরক্ত হয় ,নাকি এমন এক শত্রুর কাছে যাকে আপনি আমার উপর ক্ষমতা দিয়েছেন।হে আল্লাহ আপনি ছাড়া এই অসহায় বান্দার ডাকে কে সাড়া দিবে, আপনি তো আপনার নবী আইয়ুব আলাইহিস সালামকে তার রোগ থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন ।আপনিতো ইউনুস আলাইহিস সালামকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়েে এনেছিলেন ।আপনি ই তো আপনার বান্দাদের কে বিপদ আপদ থেকে উদ্ধার করেন ।হে আল্লাহ আমার কোন ক্রিত কর্মের কারণে আপনার রহমতের ভান্ডার থেকে আমাকে বঞ্চিত করবেন না ।তার কাছে দোয়া করতে থাকুন ,বিনয়ের সাথে মিনতি করুন ।কারণ আল্লাহর কসম- তিনি আপনার প্রতি আপনার নিজের থেকেও বেশি দয়ালু ।যখন বান্দা হৃদয় থেকে আল্লাহকে ডাকে আর তার অবস্থা এই যে নানা দুশ্চিন্তা তাকে ঘিরে রেখেছে তার শরীরে কোন রোগ হয়েছে কিন্তু কোন চিকিৎসা তার কাজে আসছে না অথবা সে তার স্ত্রী পরিবারের সন্তান সন্ততি দেখা কঠিন কোন পরীক্ষার সম্মুখীন হচ্ছে এমনকি তার এই অবস্থা হয়ে যায় যখন সে হাসে তখন ই কোন না কোন দুঃখ এসে তাকে কাঁদায় অথবা কোন দুশ্চিন্তা তার অন্তরকে মেঘাচ্ছন্ন করে দেয় ।বান্দা যখন এই অবস্থায় পৌঁছে,একাগ্রচিত্তে আল্লাহকে ডাকে এটাই হলো আল্লাহর পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য।কারণ এ পরীক্ষার লক্ষ্যই হলো আপনি আল্লাহর দিকে ফিরুন। পরীক্ষার লক্ষ্য হলো এই যে বান্দা একমাত্র আল্লাহর কাছেই তার কষ্টের অভিযোগ করবে এবং তার কাছেই ফিরবে। তার মহত্ব স্মরণ করবে । যদি আপনার ঋণের বোঝা অনেক বড় হয়ে থাকে তাহলে জেনে রাখুন যে, আল্লাহ আপনার ঋণের চাইতেও বড় এবং সকল কিছুর চেয়ে বড় । যদি আপনার পরিবার স্ত্রী সন্তান কন্যা নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা আপনাকে কাবু করে ফেলে ,তাহলে জেনে রাখুন আল্লাহ আপনাকে শুনছেন তিনি আপনাকে দেখেছেন । আর বলুন হে আল্লাহ আপনি আমার অবস্থা দেখছেন আপনি আমার দুর্বলতা ও জানেন আমার প্রয়োজন বোঝেন। হে আল্লাহ আমি আপনার কাছেই ফিরছি এবং আপনার কাছেই আমার কষ্টগুলো বলছি ।হে আল্লাহ আমি শুধুমাত্র আপনার সাহায্য চাচ্ছি এবং আমার সকল বিষয়ে একমাত্র আপনার উপরই আস্থা করছি, আপনার কাছে ই আত্মসমর্পণ করছি।
আপনি যদি এই দোয়া গুলো দিয়ে বিপদের মোকাবিলা করেন, আপনি অবশ্যই সেই বিপদ থেকে মুক্তি পাবেন। আপনার কঠিন বিপদ গুলো সহজ হয়ে যাবে। আল্লাহ যখন আপনার কষ্ট লাঘবের সিদ্ধান্ত দিবেন তখন আপনার বিপদ থেকে এমনভাবে মুক্তির পথ বের হয়ে যাবে যা আপনি কখনও কল্পনাও করেননি ।যখন কোন বান্দার জন্য দুনিয়া সংকীর্ণ হয়ে আসে বিশেষ করে যখন আপনাকে মানুষ পরিত্যাগ করে এবং বিশেষ করে এমন কেউ যার উপর আপনি আস্থা রাখতে্ন কিন্তু সে আপনাকে নিরাশ করেছে ।আপনি আল্লাহর পরেই তার উপরই আসা রাখতেন অথচ সে আপনাকে লাঞ্ছিত করেছে। সেই সময় জেনে রাখবেন আল্লাহ চাচ্ছেন আপনি তার শরণাপন্ন হন ।এই পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ সে যে আল্লাহর দিকে তার মুখ ফেরায়।এই পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ সে, যে আল্লাহর কাছে তার হৃদয় সমর্পণ করে । (তার চেয়ে উত্তম ধর্ম কার যে আল্লাহর নির্দেশের সামনে তার মস্তক অবনত করে এবং সৎ কাজে নিয়োজিত থাকে) যখন আপনাকে মানুষ লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করে তখন জেনে রাখুন যে সম্মান বা লাঞ্ছনা কোনটাই তাদের হাতে নেই আর মানুষের কাছে সাহায্য চেয়ে যখন আপনাকে অসম্মানিত হতে হয়, তখন জেনে রাখুন যে তারা তাদের নিজেদেরই কোন উপকার বা অপকা্রের কর্তৃত্ব রাখে না। যখন আপনার ্বিপদ কঠিন হয়ে যায়, যন্ত্রণা তীব্র হয়ে যায় , স্ত্রীর কারণে পরিবারের কারণে ভাই এর কারণে বোনের কারণে বা বন্ধুদের কারণে যখন মানুষের দেওয়া ব্যথায় আপনি দিশেহারা হয়ে যান ।তখন মনে রাখবেন যে আপনার একজন মালিক রয়েছেন জিনি আপনাকে কখনই নিরাশ করবেন না। আপনার একজন রব রয়েছেন যিনি সকল অভিযোগ শুনেন, যিনি সবচেয়ে লুকায়িত গোপন বিষয়গুলো জানেন এবং মনে রাখবেন যে আপনার একজন মালিক রয়েছেন যিনি আপনার প্রতি আপনার নিজের নফসের থেকেও দয়াবান। যিনি আপনাকে ভালোবাসেন এবং ভালবাসেন যে আপনি তার কাছেই আশ্রয়ের জন্য ছুটে যান ,আর তাকেই আপনার দোয়ায় ডাকেন। আল্লাহ আইয়ুব আলাইহিস সালামকে নেয়া কঠিন পরীক্ষার কথা উল্লেখ করে বলেন স্মরণ করুন আইয়ুবের কথা যখন তিনি তার পালনকর্তাকে আহবান করে বলেছিলেন আমি দুঃখ কষ্টে পতিত হয়েছে এবং আপনি দয়াবানদের চাইতেও সর্বশ্রেষ্ঠ দয়াবান। অতঃপর আল্লাহ বলেন আমি তার আহবানে সাড়া দিলাম এবং তার দুঃখ কষ্ট দূর করে দিলাম এবং তাঁর পরিবারবর্গ ফিরিয়ে দিলাম। আর তাদের সাথে তাদের সমপরিমান আর ও দিলাম আমার পক্ষ থেকে কৃপা বসত। আর এটা ইবাদতকারীদের স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য উপদেশ স্বরুপ .।পবিত্র কোরআনে এই কথাটি উল্লেখ করার উদ্দেশ্য হলো এই যে, আপনিও যদি আল্লাহকে ঠিক সেভাবে পূর্ণ বিশ্বাসের সাথে ডাকেন ঠিক যেভাবে আইয়ুব আলাইহিস সালাম ডেকেছিলেন। তবে আল্লাহ আপনার ডাকে ঠিক তেমনভাবেই সাড়া দিবেন যেভাবে তার নবী আইয়ুব আলাইহিস সালামের জবাব দিয়ে তার এবং তার পরিবারের সকল দুঃখ কষ্ট দূর করে দিয়েছিলেন। হতে পারে আপ্নি এখন সুখী জীবনযাপন করছেন, আপনি আপনার বাড়িতে নিরাপদে আছেন শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন, আপনার দৈনিক রিজিক নিয়ে চিন্তা করতে হয় না, আর এভাবে চলতে থাকতে থাকতেই কোন একসময়ে আল্লাহ আপনাকে পরীক্ষা করতে চান ফলে আপনি দেখেন যে আপনার উপর একটার পর একটা বিপদ মুসিবত এসে আপতিত হয়। ঋণের বোঝা চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলে। অবশেষে আপনার সুখের জীবন হয়ে ওঠে কষ্ট আর দুশ্চিন্তার সাথে এক দৈনন্দিন যুদ্ধ। আপনার স্ত্রী অভিযোগ করে, আপনার সন্তান অভিযোগ কর, নানান উদবেক বিষন্নতা আর দুঃখের মাঝে আপনি ডুবে যান। বিস্তৃত এই জমিন আপনার জন্য হয়ে যায় অত্যন্ত সঙ্কীর্ণ। আলোকিত এই পৃথিবী হয়ে যায় আপনার জন্য অন্ধকার। ঠিক তখনই জেনে রাখবেন যে একমাত্র আল্লাহর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস ই আপনার জীবনের সংকীর্ণতা দূর করে প্রাচুর্য এনে দিতে পারে, অন্ধকার দূর করে আবার আলোকিত করে দিতে পার, আপনি জেনে রাখবেন যে আল্লাহ আপনার প্রতি আপনার নিজের থেকেও বেশি দয়াবান। একমাত্র এই বিশ্বাসটাই আপনার সকল দুশ্চিন্তা বিষণ্নতা মুছে দেবে। কে আছে এমন যে আল্লাহর দরজায় দাঁড়িয়ে আছে কিন্তু আল্লাহ তাকে তাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি তো সবচাইতে উদার আপনি যখন মহা দয়ালু মায়ার সাগর।

📣 মুসলিম হয়েও যে সকল মানুষ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না📣 👉👉 যারা অমুসলিম তাদের জন্য জাহান্নাম অবধারিত💯। কিন্তু কিছু মু...
07/10/2022

📣 মুসলিম হয়েও যে সকল মানুষ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না📣

👉👉 যারা অমুসলিম তাদের জন্য জাহান্নাম অবধারিত💯। কিন্তু কিছু মুসলমান আছে যারা তাদের কৃতকর্মের জন্য জান্নাতে যেতে পারবেনা ।মোহাম্মদ সাঃ এর বিভিন্ন হাদিস থেকে এই সকল মুসলমানদের ১৭টি শ্রেণীর কথা উল্লেখ করা হলো। যারা এই জান্নাতে সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত হবে। জেনে নেয়া যাক এই সমস্ত মুসলমান কারা।👈👈

✅ যারা হারাম পথে এবং অবৈধ ভাবে উপার্জন করে।তাদের দেহ
জান্নাতে প্রবেশ করবে না ।
✅ আত্মীয়তার সাথে সম্পর্ক ছিন্নকারী ব্যক্তি।
✅ যে মুসলিম তার প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়।
✅ যে মুসলিম তার বাবা-মাকে কষ্ট দেয়।
✅ যে মুসলিম অশ্লীল ভাষায় কথা বলে, গালিগালাজ করে উগ্র মেজাজি
✅ ঐ সমস্ত নেতা /শাসক যারা তাদের অধীনস্থ প্রজাদেরকে ধোঁকা দেয়।
✅ যে মুসলমান অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে।
✅ ঐ সকল মুসলিম যে উপকার করার পরে আবার খোটা দেয়।
✅ যে মুসলিম একজনের কথা আরেকজনের কাছে লাগায়। চোকলখর
ব্যক্তি।
✅ যে মুসলিম অন্যের পিতাকে নিজের পিতা হিসেবে পরিচয় দেয়।
✅ ঐ সকল মুসলিম যারা অহংকারী।
✅ ঐ সকল মুসলিম যারা মোহাম্মদ সাঃ এর নির্দেশ অমান্য করে।
✅ ঐ সকল নারী যারা অকারণে স্বামীর কাছে কথায় কথায় তালাক চায়।
✅ ওই সকল মুসলিম যারা দুনিয়ার উদ্দেশ্যে এলেম অর্জন করেন।শুধু
মাত্রধান্দা করা বা সম্পদ অর্জনের লক্ষ্যে।
✅ যে ব্যক্তি চুলে কিংবা দাড়িতে কালো কলপ ব্যবহার করে।
✅ যে সকল ব্যক্তি (রিয়া) করে মানে লোক দেখানো ইবাদত করে।
✅ ঐ সকল মুসলমান যারা এতিমদের হক ঠকায়, এবং ওয়ারিশদের হক
নষ্ট করে।

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশলনামাজের মধ্যে দুশ্চিন্তা করা, অন্যমনস্ক হওয়া, শয়তানের প্ররোচনায় মন পিছনে পড়ে থাকা এটা প্রা...
06/10/2022

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল

নামাজের মধ্যে দুশ্চিন্তা করা, অন্যমনস্ক হওয়া, শয়তানের প্ররোচনায় মন পিছনে পড়ে থাকা এটা প্রায় আমাদের সবার জীবনেই কম-বেশি হয়ে থাকে।এর মূল কারণ হলো ,একটাই মন দুই দিকে ঘোরাফেরা করে। একটা নামাজের মধ্যে আর অন্যটা নামাজের বাহিরে।এখন এই দুই দিকে ছুটে চলা মনকে এক জায়গায় স্থির করার একটি সেরা কৌশল যার মাধ্যমে আমরা আমাদের নামাজে মনোযোগী হতে পারি এবং আমরা এই নামাজের মাধ্যমে আল্লাহকে পেতে পারি ।এই কৌশলের মাধ্যমে আমরা একাগ্রচিত্তে নামাজ আদায় করতে পারি। আসুন তাহলে জেনে নেই সেই কৌশলটি।
আমরা যখন নামাজ আদায় করি তখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা সূরা গুলো পড়ি মেশিনের মতো রোবটের মতো দ্রুতগতিতে।একদিকে যেমন এটার আমরা অর্থ বুঝি না অন্যদিকে অর্থ না বোঝার কারণে নামাজের মধ্যে আমাদের মন থাকে না।আমরা নামাজের মধ্যে কুরআন তেলাওয়াত করার কারণে ৫0 পার্সেন্ট মন আমাদের নামাজে থাকে আর ৫0 পার্সেন্ট মন ছুটাছুটি করে বিভিন্ন দিক। আমরা যদি এই তিলাওয়াতের অর্থ বুঝতে পারতাম তাহলে পুরোপুরি নামাজের মধ্যে আমাদের 100% মনোযোগী হতে পারতাম। কারন তখন আমাদের মনের আর এই দুই দিকের বাহিরে ছুটাছুটি করার সুযোগ থাকত না । তিলাওয়াতের দিকে মন থাকতো ৫০ পার্সেন্ট আর নামাজের অর্থ বুঝতে গিয়ে তার ৫0 পার্সেন্ট ব্যয় হয়ে যেত ।বাড়তি কোন ফালতু চিন্তা করার মত আর সুযোগ আমাদের মনের থাকত না। তখন এই মন আর ছুটে যাওয়ার আলাদা কোন রাস্তা আলাদা কোনো সুযোগ কিংবা আলাদা কোনো রকম কোনো তার ভাবনা আসার মত অবস্থা থাকে না।যেহেতু মনের আর এর বেশি ক্ষমতা নাই তাই আমাদের মন ঐ নামাজের ভিতর ডুবে যায় আর নামাযে কুরআন তেলাওয়াতের পড়ে এর অর্থ বোঝার কারণে আমরা ওই নামাজে অত্যন্ত মনোযোগী হই এবং আল্লাহর ভয় আমাদের অন্তর কাঁপতে থাকে । আজ আপনাদেরকে কিভাবে সুরা ফাতিহাতে মনোযোগ রাখবেন সেই সম্পর্কে আলোচনা করব।
নামাযে সূরা ফাতিহা পড়ার সময় এ হাদীসটির কথা খেয়াল রাখলে এক একটি আয়াত পড়ার পর আল্লাহর প্রেমময় জওয়াবটা মনের কানে শুনবার জন্য বান্দাহকে থামতেই হবে ।আল্লাহর জওয়াবে যে তৃপ্তি ও শান্তি তা তারাই বোধ করতে পারে যারা আয়াতগুলো ধীরে ধীরে মজা নিয়ে পড়ে । এ হাদীসে মহব্বতের এমন অগ্নিকণা রয়েছে যে বান্দার দিলে ঈমানের বারুদ থাকলে এবং নামাযে সূরা ফাতিহা পড়ার সময় আল্লাহর আবেগময় কথার দিকে খেয়াল করলে আল্লাহর প্রতি ভালবাসার এমন আগুন জ্বলে উঠবে যে জযবায় বান্দাহ নিজেকে মনিবের অতি কাছে বলে অনুভব করবে আউযুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ পড়ে সূরা ফাতিহা তেলাওয়াত করতে হবে। হাদীসে আছে যে সূরা ফাতিহা এক এক অংশ তেলাওয়াত করার সাথে সাথে আল্লাহ এর জবাব দেন। এ হাদিসের কথাগুলো এমন আবেগময় ভাষায় বলা হয়েছে যা বান্দাহর মনে গভীর দোলা দেয়। তাহলে হাদীসটির সনদ হাদীসটির অর্থ হযরত আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি আল্লাহ তাআলা বলেন আমি নামাযকে আমার ও আমার বান্দাহর মধ্যে দু'ভাগে ভাগ করেছি। আর আমার বান্দাহ আমার নিকট যা চায় তাই পাবে। বান্দা যখন বলে আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন অর্থ যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা তখন আল্লাহ বলেন আমার বান্দা আমার প্রশংসা করল।যখন বান্দা বলে আর রাহমানির রাহিম অর্থ তিনি অত্যন্ত মেহেরবান ও দয়ালু। তখন আল্লাহ বলেন আমার বান্দা আমার গুন গাইল । যখন বান্দা বলে মালিকি ইয়াওমিদ্দিন অর্থ যিনি বিচার দিনের মালিক। তখন আল্লাহ বলেন আমার বান্দা আমার গৌরব বর্ণনা করলো। যখন বান্দা বলে ইয়া কানা বুদু ওইয়া কানাস্তাইন। অর্থ আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা কর…তখন আল্লাহ বলেন এই বিষয়টা আমার ও আমার বান্দাহর মাঝে রইলো আর আমার বান্দাহর জন্য তাই যা সে চাইল অর্থাৎ আমার ও আমার বান্দাহর মধ্যে এই চুক্তি হলো যে সে আমার কাছে চাইবে আর আমি তাকে দেব ।যখন বান্দা বলে এহদিনাছসিরাতাল মুস্তাকিম সিরাত ওয়াল্লাজিনা আনআমতা আলাইহিম গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালা দ লিন । অর্থ আমাদেরকে সরল পথ দেখাও সে সমস্ত লোকের পথ যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ তাদের পথ নয় যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে তখন আল্লাহ বলেন এটা আমার বান্দাহ জন্যই রইলো আর আমার বান্দাহ জন্য তাই যা সে চাইল। সুবহানাল্লাহ ।

পবিত্র আল কুরআনের প্রথম আয়াত হল ( ইকরা) মানে পড়ো। কিয়ামতের ময়দানেও  আল্লাহ তাআলা আমাদের হাতে  আমলনামা  দিয়ে বলবেন (...
02/10/2022

পবিত্র আল কুরআনের প্রথম আয়াত হল ( ইকরা) মানে পড়ো। কিয়ামতের ময়দানেও আল্লাহ তাআলা আমাদের হাতে আমলনামা দিয়ে বলবেন (ইকরা) পড়ো।আরবরা ছিল অন্ধকারের যুগে জাহিলিয়াতের যুগে । মোহাম্মদ সাঃ এর উপরে যখন কুরআন নাযিল হয়, তখন থেকেই আরবরা অন্ধকার থেকে আলোর মুখ দেখে। আস্তে আস্তে তারা সারা বিশ্ব শাসন করে। এমনকি এই আরবরাই সারাবিশ্বে বিজ্ঞান এবং সাহিত্যে অনন্য অবদান রাখেন। এত দ্রুত আরবদের এই এগিয়ে যাওয়ার মূল রহস্য কি জানতে চান?
তারা কুরআনের প্রথম আয়াত ইকরা মানে পড়ো, তারা অনেক পড়াশোনা করেছে। পড়াশুনার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করেছে। মানে (ইলম)।আর এই পড়াশুনার মাধ্যমে তারা আধুনিক হয়েছে। পৃথিবীজুড়ে সেই আধুনিকতার ছোঁয়া পৌঁছে দিয়েছে। যারা ছিল একসময় রাখাল এক সময় যারা উট চড়িয়ে বেড়াতো সেই আরবরাই জ্ঞানের আলো দ্বারা সারা বিশ্বকে ইসলামের ছায়াতলে নিয়ে আসে। তাই আমাদের কি পড়তে হবে বুঝেছেন তো? al-quran কুরআন। হ্যাঁ ভালো করে শুনে রাখুন এই মহিমান্বিত, আসমানী কিতাব কুরআন শুধু তেলাওয়াত করলে ই চলবে না। এই কুরআনের প্রতিটি আয়াতের অর্থ জানতে হবে। কেন? কি জন্য? কোথায়? কি অবস্থায়? এই আয়াত আল্লাহ তাআলা নাযিল করেছেন তার সম্পূর্ণ সারমর্ম জানতে হবে। আর এরই মাধ্যমে আমরা জ্ঞান অর্জন করতে পারব। নিজেরা আলোকিত হব এবং পরিবার ও অন্যান্যদের আলোকিত করতে পারব। আর পরকালে আল্লাহ যখন আমাদের হাতে আমলনামা তুলে দেবেন তখন আমরা সেই আমলনামা আল্লাহকে পড়ে শোনাতে পারবো।আল্লাহর কসম করে বলছি যার হাতে রয়েছে আমাদের প্রাণ। এই কুরআন ই আমাদের ইহকাল এবং পরকাল উভয় জায়গায় সম্মানিত করবে। কুরআন বুঝে পড়ার মাধ্যমে। ইনশাআল্লাহ।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ilm Books BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category