Mitaly- BookShop

Mitaly- BookShop book

03/10/2024

মাষ্টারমাইন্ড --

(তিন)
১৫ আগষ্ট। শুক্রবার। মেজর ফারুকের জন্মবার।
তার জন্মের পরপরই ফজরের আজান হয়েছিলো।কাজেই এই দিনটি তার জন্য শুভ। তার চেয়ে বড় কথা, আন্ধা হাফেজ সিগন্যাল পাঠিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন মহেন্দ্রক্ষন এসেছে। এখন ফারুক ইচ্ছে করলে তার কার্য সমাধান করতে পারেন। আন্ধা হাফেজ তার মঙ্গলের জন্য একটি তাবিজ ও পাঠিয়েছেন।তাবিজ ফারুকের কাছে পৌছানো যায় নি। আল্লাহপাকের এক বিশেষ নাম ও তিনি ফারুককে জানিয়েছেন।সারাক্ষণ এই নাম জপলে ফারুক থাকবেন বিপদমুক্ত।
নামটি হল ইয়া মুয়াখখেরু' অর্থাৎ হে পরিবর্তনকারী।

ফারুকের স্ত্রী ফরিদা কোরআান শরীফ নিয়ে জায়নামাজে বসেছেন। শুভ সংবাদ না-পাওয়া পর্যন্ত তিনি কোরআান পাঠ করেই যাবেন।

ফজরের আজান হচ্ছে। মেজর ফারুকের ট্যাঙ্কবহর বের হয়েছে।

হরিদাসের চুল কাটার দোকান সোবহানবাগে।তার দোকানের একটু সামনেই ধানমন্ডি বত্রিশ নম্বর রোডের মাথা। সঙ্গতকারনেই হরিদাস তার দোকানের সাইনবোর্ড টানিয়ে রেখেছে ---

শেখের বাড়ী যেই পথে,
আমার সেলুন সেই পথে।

সাইনবোর্ডে লেখা পথচারীদের দৃষ্টি আকর্ষন করে। তবে হরিদাস পথচারীদের জন্য এই সাইনবোর্ড টাঙ্গায় নি। তার মনে ক্ষিন আশা, কোনো একদিন এই সাইনবোর্ড বঙ্গবন্ধুর নজরে আসবে। তিনি গাড়ী থেকে নেমে এগিয়ে আসবেন। গম্ভীর গলায় বলবেন,সাইনবোর্ডে কি সব ছাতা-মাথা লিখেছিস। নাম কি তোর? দে আমার চুল কেটে দে? চুল কাটার পর মালিশ।

বঙ্গবন্ধুর পক্ষে এ ধরনের কথা বলা মোটেই অস্বাভাবিক নয়, বরং স্বাভাবিক। সাধরন মানুষদের সাতে তিনি এমন আচরন করেন বলেই তিনি বঙ্গবন্ধু।

১৫ আগস্ট শেষ রাতে হরিদাস তার দোকানে ঘুমাচ্ছিলেন। হঠাৎ ঘুম ভাঙ্গলো -- মড়মড় শব্দ হচ্ছে -- দোকান ভেঙ্গে পড়ছে। হরিদাস ভুমিকম্প হচ্ছে ভেবে দোকান থেকে বের হয়ে হতভম্ভ।এটা আবার কি??

আলিশান এক ট্যাঙ্ক তার দোকানের সামনে ঘুরছে। ট্যাঙ্কের ধাক্কায় তার দোকান ভেঙ্গে পড়ে যাচ্ছে। ট্যাঙ্কের ঢাকনা খোলা। দুই জন কালো পোশাকের মানুষ দেখা যাচ্ছে। দোকান ভেঙ্গে ফেলার জন্য কঠিন কিছু কথা হরিদাসের মাথায় এসেছিলো। সে কোনো কথা বলার আগেই ট্যাংকের পেছনের ধাক্কায় পুরো দোকান তার তার মাথার উপর পড়ে গেলো। পনেরই আগষ্ট হত্যাকা্ডের সুচনা ঘটল হরিদাসের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে।

ঢাকা মসজিদের শহর।সব মসজিদে ফজরের আযান হচ্ছে। শহরের দিন শুরু হয় মধুর আযানের ধ্বনিতে। আজান হচ্ছে। আজানের ধ্বনির সাথে নিতান্তই বেমানান কিছু কথা বঙ্গবন্ধুকে বলছে এক মেজর, নাম তার মহিউদ্দিন। এই মেজরের হাতে স্ট্যানগান। শেখ মুজিবের হাতে পাইপ। তার পরনে সাদা পান্জাবী এবং ধুসর চেক লুঙ্গি।

শেখ মুজিব বললো তোমরা কি চাও? মেজর বিব্রত ভঙ্গিতে আমতা আমতা করতে লাগল। শেখ মুজিবের কঠিন ব্যক্তিত্বের সামনে দাড়িয়ে তার পক্ষে অসম্ভব। হয়ে পড়েছিলো। শেখ মুজিব আবার বললেন -তোমরা কি চাও?

মেজর মহিউদ্দিন বললেন স্যার একটু আসুন।
কোথায় আসব?

মেজর আবারো আমতা আমতা করে বলল, স্যার, একটু আসুন।

শেখ মুজিব বললেন তোমরা কি আমাকে খুন করতে চাও?
পাকিস্তান সেনাবাহিনী যে কাজ করতে পারে নাই, সে কাজ তোমরা করবা?

এ সময় স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র হাতে ছুটে এল মেজর নুর। শেখ মুজিব ফিরে তাকানোর আগেই সে ব্রাশ ফায়ার করলো। সময় ভোর পাচটা চল্লিশ শেখ মুজিব সিড়িতে লুটিয়ে পড়লেন। তখনো বঙ্গবন্ধুর হাতে তার প্রিয় পাইপ।

বত্রিশ নম্বরের বাড়ীটিতে কিছুক্ষনের জন্য নরকের দরজা খুলে গেল। একের পর এক রক্তভেজা মানুষ লুটিয়ে পড়তে লাগল।

সকাল সাতটা

বাংলাদেশ বেতার ঘনঘন একটি বিজ্ঞপ্তি প্রচার করছে। উল্লসিত গলায় একজন বলছে, আমি মেজর ডালিম বলছি। স্বৈরাচারী মুজিব সরকারকে এক সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে উৎখাত করা হয়েছে। সারাদেশে মার্শাল " ল " জারী করা হলো।

দেশ থমকে দাড়িয়েছে।
কি হচ্ছে কেউ জানে না। কি হতে যাচ্ছে তাও কেউ জানে না। মানুষের আত্মার মতো দেশের ও আত্মা আছে।কিছু সময়ের জন্য বাংলাদেশের আত্মা দেশ ছেড়ে গেলো ------

পৃষ্টা: ১০০- ১০১ (,চুম্বক অংশ)
দেয়াল --
উপনয়াসিক হুমায়ুন আহমেদ।

03/10/2024

মাষ্টারমাইন্ড --
(দুই)

পরিকল্পনা নিয়ে কিকি কারনে জলে ভেসে যেতে পারে ফারুক তা ভাবার চেষ্টা করছেন। জীপ আবার চলা শুরু করলো। জিপের চাকা কখন বদল হয়েছে, কখন জিপ চলতে শুরু করেছ ফারুক তা কিছুই জানেন না।তিনি এতক্ষন ছিলেন ঘোরের মধ্যে। হঠাৎ ঘোর কেটেছে।

ফারুক আনন্দে অভিভূত হলেন। কারন, আকাশে বৃষ্টি নেমেছে।ঝুম বৃষ্টি। তার ইচ্ছে করছে জিপ থামিয়ে কিছুক্ষন সময় রাস্তায় নেমে বৃষ্টিতে ভিজবে। তিনি বৃষ্টি বিষয়ক একটি বিখ্যাত কবিতা মনে করার চেষ্টা করছেন। কিছুতেই মনে পড়ছে না। শুধু একটা লাইন মনে আসছে-- বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদের এল বান।

খন্দকার মোশতাকের আগামসি লেনের বাড়ীর দোতলায় মেজর রশীদ বসে আছেন।তার গায়ে সামরিক পোষাক নাই । তিনি আজ নকশিদার পান্জাবী পড়েছেন।মাথায় কিস্তির টুপি পড়েছেন। তাকে দেখে মনে হবে কিছুক্ষন আগে তিনি নামাজ শেষে বন্ধুর বাড়ীতে বেড়াতে এসেছেন।

মেজর রশীদ বললেন, দেশে যদি কখনো মহাবিপদ হয় তখন কি আমরা আপনাকে পাশে পাবো!!

খন্দকার মোস্তাক জবাব দিলেন না। ফরাসি হুক্কা টানতে লাগলেন।অতিরিক্ত গরমের কারনে খন্দকার মোস্তাকের গায়ে পাতলা স্যান্ডো গেন্জি।মাতায় নেহেরু টুপি। তার আশা ছিলো এই টুপি দেশে জনপ্রিয় হবে। তা হয় নি। মুজিবকোট জনপ্রিয় হয়েছে। কালো রঙের এই কোট পড়লে নিজেকে পেঙ্গুইন পাখীর মতো মনে হয়। তারপরও কপালের ফেরে পড়তে হয়।
মেজর রশীদ বললেন আমি আপনাকে একটি প্রশ্ন করেছিলাম। আপনি জবাব দেননি।প্রশ্নে জবাব জানা প্রয়োজন, প্রশ্নটা আবার করছি। দেশের চরম সংকটে আমরা কি আপনাকে পাবো!
খন্দকার মোস্তাক বললেন, আমরা মানে!
সেনাবাহিনী।
খন্দকার মোস্তাক মুল প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে বললেন গরম কি পড়েছে দেখছেন। কেমন জানি লু হাওয়া। রশীদ বললেন দেশে লু হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এতে দেশপ্রেমিকের কর্তব্য কি।
খন্দকার মোস্তাক বললেন খান খান, খানা দিতে বলেছি।
খানা খাব না। আমি আপনার সাথে খানা খেতে আসিনি।গুরুত্বপুর্ন আলোচনার জন্য এসেছি।

মোস্তাক বললেন বাড়ীতে আজ মোরগ পোলাও হয়েছে।খেয়ে দেখেন, মুখে অনেকদিন স্বাদ লেগে থাকবে। তাছাড়া আপনি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলতে এসেছেন।খেতে খেতে বলুন।আমি এখন হ্যাঁ না কিছু বলবো না, শুধু শুনে যাবো।

মেজর রশীদ বললেন আপনার সম্পর্কে একটি বিশেষ গল্প প্রচলিত আছে।গল্পটির সত্য মিথ্যা আপনার কাছে শুনতে চাই।
খন্দকার মোস্তাক শীতল গলায় বললেন, কি গল্প?
একবার নাকি আপনি পরিকল্পনা পরিষদের প্রধান ড; নুরুল ইসলাম এবং বঙ্গবন্ধু নাস্তা খাচ্চিলেন।হঠাৎ বঙ্গবন্ধু বললেন গতরাতে আমি এক অদ্ভুদ স্বপ্ন দেখেছি।আপনি জানতে চাইলেন কি স্বপ্ন???

বঙ্গবন্ধু বললেন, আমি স্বপ্নে দেখলাম, আল্লাহ পাক আমাকে কোরবানীর নির্দেশ দিয়েছেন। তারপর ঘুম ভেঙ্গে গেলো।এখন আমি কোরবানী দিতে প্রস্তুত। কোরবানী দিতে হয় সবচেয়ে প্রিয়জনকে।এই মুহুর্তে আমার সবচেয়ে প্রিয়জন খন্দকার মোস্তাক। আমি তাকেই কোরবানী দেবো!!!

মেজর রশীদ কথা শেষ করে তাকিয়ে রইলেন। খন্দকার মোস্তাক বললেন,শেখ মুজিবের কোন রসবোধ নেই। ভুল সময়ে ভুল রসিকতা করে তিনি আনন্দ পান।আর আমরা পেঙ্গুইনরা তাকে আনন্দ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকি।এটা আমাদের নিয়তি।

মেজর রশিদ বললেন গল্পটার কি কোন সত্যতা আছে।!!
না;

চলবে ----
দেয়াল -- হুমায়ুন আহমেদ।
পৃষ্টা(৬১_৬৩)

03/10/2024

মাষ্টারমাইন্ড----
(এক)
টিনের বেড়া, টিনের চালা।
ছোট কামড়া,দড়ির চারপাইয়ের এক কোনায় প্রচন্ড গরমেও ওলের চাদর পড়ে বসে আছে আন্ধা পীর।চারপাইয়ের এক কোনায় হ্যারিক্যান। হ্যারিকেনের কাচঁ ভালভাবে লাগানো হয়নি বলে বুনকা বুনকা ধোয়া বের হচ্ছে। বাতাসের কারনে ধোঁয়া যাচ্ছে আন্ধা পীরের নাকে মুখে।তাতে তাকে বিব্রত মনে হচ্ছে না। চাদরের বাইরে তার ডান হাত বের হয়ে আছে। হাতে তার মোটা দানার তসবিহ। একেক দানা একেক রঙের।

মেজর ফারুকের হঠাৎ মনে হলো এরকম একটা তসবিহ ফরিদা পেলে খুশী হতো মালা বানিয়ে গলায় পড়তো। মেজর ফারুক পীর সাহেবকে সালাম দিলেন, আন্ধা হাফেজ সালামের জবাবে মাথা নাড়লেন। মুখে সালামের উত্তর দিলেন না। আন্ধা হাফেজ পরিস্কার শুদ্ধ উর্দুতে বললেন আপনি সৈনিক মানুষ। আপনি কষ্ট করে আমার কাছে এসেছেন।আমি আপনার জন্য কি করতে পারি বলুন।

হুজুর আমি সৈনিক মানুষ তা কিভাবে টের পেলেন। আন্ধা হাফেজ হাসতে হাসতে বললেন, আমি কোন আধ্যাত্মিক ক্ষমতায় বলিনি নি, বলেছি আপনার বুটের শব্দ শুনে।বুট জোড়া খুলে আমার পাশে বসুন।ফারুক তাই করলেন, আন্ধা হাফেজ বললেন, সৈনিকের সম্পর্কে একটি রসিকতা শুনবেন!! শুনব,বলা হয়ে থাকে সৈনিকের বুদ্ধি থাকে হাটুতে। এটা ঠিক না, তাদের বুদ্ধি থাকে বুটজুতায়। যখন তারা বুট পড়ে, তখন তারা বুদ্ধি শুন্য মানুষে পরিনত হয়। তাদের বুদ্ধি চলে যায় বুটজুতায়।এই কারনে কোন সৈনিক যখন আমার কাছে আসে আমি তাকে বুটজুতা খুলে আসতে বলি। এখন বলুন আমার কাছে কেন এসেছেন,

মেজর ফারুক বললেন আমি একটা কাজের পরিকল্পনা করেছি, আপনার দোয়া নিতে এসেছি। আন্ধা হাফেজ বললেন আপনার ডানহাতটা বাড়িয়ে দিন, আমি ধরে দেখি।ফারুক হাত বাড়ালেন.আন্ধা হাফেজ ূদুই হাতে তার হাত ধরলেন.।

সাংবাধিক এন্থনিও মাসকারেনহাসের কাছে দেওয়া বর্ননায় মেজর ফারুক হাত ধরাধরির এই অভিজ্ঞতা বর্ননা করেন।তিনি বলেছেন, হঠাৎ তার মনে হলো শরীরে যেন হাইভোল্টেজের বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলো।কিছুক্ষনের জন্য মনে হলো তার শরীর অবশ হয়ে গেলো।আন্ধা হাপেজ তার হাত ছেড়ে দিয়ে বললেন আপনার পরিকল্পনা অত্যন্ত বিপদজনক ও অতি ভয়ঙ্কর।কাজটি যদি আপনি নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য না করেন তাহলে সফলতা পাবেন, বিপদে ও পড়বেন না। তবে সময় এখনো আসেনি। প্রতিটি কাজের একটি নির্দিষ্ট সময় থাকে। ফারুক বললো সেই সময় সম্পর্কে আপনি আমাকে জানাবেন!!
জানাবো।

আন্ধা হাফেজ মাথা নাড়লেন, হাত বাড়িয়ে তসবিহ উপহার দিলেন। এই উপহার আপনার কোন কাজে আসবে না।তা জানি।তবে আপনার প্রিয় কাউকে উপহার দিতে পারেন। একই জিনিস নানান ব্যবহারে হয়ে থাকে। যে লাঠি দিয়ে অন্ধ মানুষ পথ চলতে পারে সে লাঠি দিয়ে মানুষ ও খুন করা যায়। হাতের তসবিহ গলার মালা ও হতে পারে। আন্ধা হাফেজের কথার মাঝখানে খাটের তলে থেকে দুটি বিড়াল বের হয়ে তার দুই পাশে বসলো। ফারুকের মনে হলো বিড়াল দুটিও অন্ধ।

জীপ শহরের দিকে ছুটছে ফারুক চোখ বন্ধ করে বসে আছে। তাকে খুবই ক্লান্ত মনে হচ্ছে। আকাশে ঘনঘন বিজলী চমকাচ্ছে। ঠান্ডা বাতাস ছেড়েছে, মনে হয় দুরে কোথাও বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টি কি দুরেই হতে থাকবে? না এগিয়ে আসবে? বড় ধরনের ঝাকি খেয়ে জীপ থেমে গেলো,। ফারুক বললো, সমস্যা কি। ড্রাইভার বললো চাকা পাংচার হয়ে গেছে।.স্পোর আছে, দশমিনিট সময় লাগবে।ফারুক সিগারেট ধরাতে বললেন, take your time ----

ইসতিয়াক বললো, স্যার কি জীপ থেকে নামবেন। ফারুক জবাব দিলো না। সিগারেট এ টান দিতে ফারুকের মাথায় আবারো পুরোনো পরিকল্পনা চলে আসলো।শেখ মুজিবকে হত্যা করে একনায়কতন্ত্রের অবসান ঘটাবো।

পরিকল্পনা এক ঈগল পাখী। পাখির দুটি ডানায় একটিতে হলো সামরিক। হত্যা কিভাবে করা হবে? কারা করবে? দ্বিতীয় ডানা হচ্ছে রাজনীতি। এত বড় ঘটনা কিভাবে রাজনৈতিকভাবে সামাল দেওয়া হবে? এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তার ভায়রা ভাই মেজর রশীদকে। সে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে। তার উপর ভরসা করা যায়। কাগজে কলমে করা নিখুঁত পরিকল্পনা বাস্তবে ভেস্তে যায় তুচ্ছ কারনেই তা ঘটে।
A kingdom is lost for a nail.----

চলবে---
দেয়াল, হুমায়ুন আহমেদ এর রাজনৈতিক উপন্যাস।
(পৃষ্টা ৫৮-৬১)

ফেইসবুকে ছবিটা পেয়ে অনেকক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম। কত সুন্দর মিনিংফুল একটি ছবি। ইগো, অহংকার, রাগ এসবের মধ্যে আমরা বন্দি। অথচ সবা...
13/04/2024

ফেইসবুকে ছবিটা পেয়ে অনেকক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম। কত সুন্দর মিনিংফুল একটি ছবি। ইগো, অহংকার, রাগ এসবের মধ্যে আমরা বন্দি। অথচ সবার ভেতরেই একটা শিশু সুলভ মন আছে। যে মিশতে চায়। মিলে মিশে থাকতে চায়। কম্প্রোমাইজ করতে চায়। শিশুর মতোই একটু পরেই ভুলে যায় সবকিছুই। কারণ এই পৃথিবীতে আমরা অনেক একা। বড় একা।

তারা ভরা রাতে ছাদে শুয়ে নিরিবিলি আকাশের দিকে তাকালে বুঝা যায় কত ছোট আমাদের পৃথিবী। তার মাঝে কত কত ক্ষুদ্র আমরা।

ওই দিন আমার এক ফ্রেন্ড খুব হাইথট একটা কথা বলল। ওর কথাটা আমাকে অনেকক্ষন ভাবিয়েছে।

বলল, তোর হাতের মোবাইলটার মালিক তুই, মানে এই মোবাইলটা তোর কিন্তু মোবাইলটা কিন্তু তুই না। তেমনি এটা তোর হাত কিন্তু হাতটা তুই না। তোর হাতটা কেটে ফেলেও তুই বেঁচে থাকবি। এই পা, মাথা সব কিছুই তোর কিন্তু কোনটাই তুই না। তাহলে তুই কে? হু আর ইউ? হয়ার আর ইউ?

আমি কিছুক্ষন টাসকি খেয়েছিলাম। আসলেইতো আমি কে? আমার পরিচয় কি? আমার দেহের ভেতর তন্ন তন্ন করে খুঁজে কোথাও আমাকে পাইনি। তার মানে জ্বীন ভুত মানুষের উপর যেভাবে ভর করে আমরাও এই দেহটার মধ্যে ভর করে আছি। ব্রেন আমাদের শরীরকে নিয়ন্ত্রন করে। আর ব্রেনকে নিয়ন্ত্রণ করি আমরা। কিন্তু আমি কে? কোথায় আমি? আমার পরিচয় কি? হাকিম তো আমার দেহটার নাম।
তাহলে আমার হৃদয় ও মনের নাম কি?

পৃথিবীর জন্ম থেকে শুরু করে মিলিয়ন মিলিয়ন বছর কেটে গেছে। সামনে আরো মিলিয়ন বছর হয়তো টিকে থাকবে। তার মাঝে আমরা মাত্র কয়েকটা বছর থাকব। পৃথিবীর হিসেবে মাত্র কয়েক ন্যানসেকেন্ড আমাদের স্থায়িত্ব।

তবুও কেন এতো মারামারি, এতো হানাহানি, এতো লোভ, এতো লালসা? এতো বিভেদ, এতো ভেদাভেদ, এতো দূরত্ব?

নিজের পরিচয় জানিনা অথচ অন্যের জাত বংশ নিয়ে প্রশ্ন তুলি। হাস্যকর না?

মানুষের দেহের গতি খুব বেশি না। কিন্তু মানুষটার গতি বিদ্যুতের চাইতেও বেশি। মানুষ চাইলে মুহুর্তেই বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা চলে যেতে পারে সেখান ধাম করে মঙ্গলগ্রহে।

মানুষ চাইলে পৃথিবীটাকে মুহুর্তেই ধ্বংস করে ফেলতে পারে আবার চাইলে শান্তিতে ভরিয়ে দিতে পারে।

ভাল থাকুক মানুষ। ইগো, রাগ, হিংসার হাজতে বন্দি না থেকে চারিদিকে ছড়িয়ে পরুক। একে অপরের সাথে আঠার মত লেগে থাকুক জয় হউক মানবতার।

©

তাকাব্বালাল্লাহুমিন্না ওয়া মিনকুমMitaly- BookShop এর  পরিবারে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা❤️❤️❤️❤️❤️
10/04/2024

তাকাব্বালাল্লাহু
মিন্না ওয়া মিনকুম
Mitaly- BookShop এর পরিবারে
সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা❤️❤️❤️❤️❤️

কিছুদিন আগে পেন্সিল খুঁজতে গিয়ে ছোটো বোনের জ্যামিতি বক্সে দুইশো টাকা পাই।আম্মা আজকে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন টাকাটা আমি নিয়েছ...
07/10/2023

কিছুদিন আগে পেন্সিল খুঁজতে গিয়ে ছোটো বোনের জ্যামিতি বক্সে দুইশো টাকা পাই।
আম্মা আজকে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন টাকাটা আমি নিয়েছি কিনা। ওনার হাতে দেখলাম মোকসেদুল মুমিনের একটা বই! অস্বীকার করলে নিশ্চয় বই ছোঁয়ায়ে কসম খাওয়াবে!

আরবি বই ছুঁইয়া মিথ্যা বইলা কী ক্ষতি না হয় ভাইবা গম্ভীর হয়ে সত্য কথাই বললাম, হ্যাঁ আমি নিয়েছি! একটা গবেষণার কাজে খরচ করেছি টাকাটা।

আম্মা মুখ হা করে জিজ্ঞেস করেলন, গবেষণা? কী গবেষণা?

বললাম, গলির মুখে একটা তেহারির দোকান দিছে কয়দিন আগে। ওদের তেহারি কিনে খেয়ে গবেষণা করে দেখলাম কেমন তেহারির মান ! আপনারা কেউ না জেনে হুট করে একদিন এই তেহারি খেয়ে ক্ষতির মুখে পড়বেন তাই আমার নিজের উপর দিয়েই গবেষণা চালিয়েছি , ছবি তুলে নিয়ে আসছি বাসায়ে এসে গবেষণার জন্যে। এইটুকু ত্যাগ শুধু আপনাদের স্বার্থেই করা!

এরপরে কী হয়েছে আমার মনে নাই! আমি বলতেও চাই না! 🥺

(সংগৃহীত)

07/10/2023

আমি যখন কাজে বের হই, আমার স্ত্রী প্রতিদিন সকালে তখন মনে করিয়ে দেয়, আমি কিছু একটা ভু'লে গেছি..
কখনও গাড়ির চাবি, কখনও বা বাড়ির চাবি।
এবং বেশিরভাগ সময় সে আমাকে আমার মোবাইল ফোন, বা গাড়ির নথির কথা মনে করিয়ে দেয়.. এবং বলে যে আমি বু'ড়ো হয়ে যাচ্ছি এবং স্মৃ'তিশক্তি হ্রা'সে ভু-গছি!
আমি এই উ'পহাসের অবসান করার সিদ্ধান্ত নিলাম। তাই আমি যা ভুলে যাই তা লিখে রাখলাম।
সকালে ঘুম থেকে উঠে বাসা থেকে বের হওয়ার আগে কাগজটা হাতে নিয়ে সব চেক করতে লাগলাম।
মনে মনে খুশি হয়ে বাসা থেকে বের হলাম.. মনে হলো- আজকে আমি বিজয়ী!
আমি গাড়ির ইঞ্জিন চালু করে রওনা হয়ে গেলাম। মাত্র কয়েক সেকেন্ড পরেই বউয়ের ফোন বেজে উঠলো।
বললাম:
"আজ আমি ব্য'র্থ হইনি যে তোমার কাছে ল'জ্জা পেতে হবে। আমি আজ কিছুই ভু'লিনি!
বউ বলে উঠলো: "বাড়ি ফিরে এসো,আজ শুক্রবার🙂"

17/09/2023

রাতেরবেলা শুয়ে শুয়ে গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে ফেসবুকে চ্যাটিং করছিলাম। সেই মুহুর্তে মরতে মর আব্বু আমার রুমে এসে হাজির।

আমিঃ কিছু বলবে আব্বু?

আব্বুঃ ইভান তোর ফোনে যে সবসময় দেখি পকিং পকিং আওয়াজ হয়, ওই আওয়াজ টা আমার খুব ভালো লাগে।

আমিঃ এ্যাহ।

আব্বুঃ কি এ্যাহ, আমার ফোনেও ওইটা করে দে না প্লিজ।

আমিঃ আব্বু ওইটা তো মেসেঞ্জারে মেসেজ আসার সাউন্ড।

আব্বুঃ যাইহোক না কেনো। আমাকেও ওমন করে দে, যাতে আমার ফোনেও সবসময় ওমন পকিং পকিং আওয়াজ হয়।

আমিঃ আব্বু ওটার জন্যে তো তোমার প্রথমে ফেসবুক একাউন্ট খুলতে হবে। তারপরে মেসেঞ্জারে লগইন করলে, তোমাকে কেউ মেসেজ দিলে ওমন সাউন্ড হবে।

আব্বুঃ তাহলে আগে কি মুখ বললি? ফেসমুখ ওইটাই খুলে দে।

আমিঃ আরে আব্বু ফেসমুখ নাহ ফেসবুক।

আব্বুঃ আরে একই হলো, খুলে দে তো বেশী কথা না বলে।

আমিঃ আচ্ছা আচ্ছা তোমার ফোন দাও।

অতঃপর আব্বুর জন্যে একটা ফেসবুক একাউন্ট খোলা শুরু করলাম।

আমিঃ আচ্ছা তোমার পুরো নামই দিবো নাকি ডাকনাম?

আব্বুঃ নাম দে - ডিজে কুল বয় মিঃ এমডি জাহিদ। ( একটু ভেবে)

আমিঃ হোয়াট? ( অবাক হয়ে)

আব্বুঃ আরে হাট বাজার দিবি কেনো, যা দিতে বললাম তাই দে।

অতঃপর আমি হাবলার মতো আব্বু যেমন যেমন বলে সেভাবেই একটা ফেসবুক একাউন্ট খুলে দিলাম।

আমিঃ আব্বু তোমার একাউন্ট খোলা শেষ। তোমার ডাকনাম কি দিবো? যেটা তোমার প্রোফাইলে শো করবে।

আব্বুঃ উমম ডাক নাম দিবি হলো - ৭৮ % ইনোসেন্ট, ৯৫ % সেক্সী, ৬৬ % কুল ডুড, ৪৪ % লাভার বয়...

আমিঃ আরে হয়েছে হয়েছে এতবড় নাম, নিকনেইমে দেওয়া যাবে না। অন্য কিছু বলো- তোমার নিজের নাম দিয়ে দেই?

আব্বুঃ হোপ ব্যাটা - ডাকনাম দে হার্ট হ্যাকার।

আমিঃ ওরে আল্লাহ এই বুড়ো বয়সে আব্বুর একি ভীমরতি ধরলো ( মনে মনে)

আব্বুঃ কিরে ইভান দেস না ক্যান।

আমিঃ আরে বাবা দিচ্ছি তো।

অবশেষে ফুল ফিল আব্বুর একটা ঝাকানাকা ফেসবুক একাউন্ট খুলে দিলাম, সাথে মেসেঞ্জারেও লগইন করে দিলাম। আর বুঝিয়ে দিলাম কিভাবে কিভাবে মেসেজ করতে হয়। বাপ তো আমার মহাখুশি। মনে হচ্ছিলো ফেসবুক কোম্পানিই তার নামে লিখে দিয়েছে এমন একটা ভাব। অতঃপর খুশী মনে ফোন নিয়ে তার রুমে চলে গেলো। আমিও আবার গার্লফ্রেন্ডের সাথে চ্যাটিংয়ে মনোযোগ দিলাম।

এভাবে দেখতে দেখতে প্রায় ১ সপ্তাহ চলে গেলো। আব্বু সারাক্ষণ তার ফোন নিয়েই ব্যস্ত থাকে। রুম থেকেই বের হয়না বলতে গেলে। সারাদিনই দেখি আব্বুর ফোনে মেসেজের পকিং পকিং সাউন্ড হয়। আমি ভেবে পাইনা আব্বু কার সাথে এত মেসেজ করছে। আমি যদি দেখতে চাই আমাকে দেখায়ও নাহ। এভাবে আরো দুইদিন পেরিয়ে যায়।

ঘুমিয়ে আছি হঠাৎই দেখি রাত তিনটার দিকে "কথা" মানে আমার গার্লফ্রেন্ডের কল। এত রাতে কল দেওয়ার কারণ ঠিক বুঝে উঠতে পারলাম নাহ। অতঃপর আমি কলটা রিসিভ করলাম।

আমিঃ এত রাতে কল দিলে হঠাৎ?

কথাঃ ছিহ ইভান তোমার বাবা এমন আমি ভাবতেও পারিনি।

আমিঃ আমার বাবা আবার তোমাকে কি করলো? ( অবাক হয়ে)

কথাঃ সেটা তোমার বাবাকেই জিজ্ঞেস করে নিয়ো। এটা বলার জন্যেই কল দিয়েছি যে - তুমি আর জীবনে আমার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করো না - ব্রেকআপ।

আমিঃ হ্যালো হ্যালো কথা শুনো।

কথা কিছু না বলেই লাইন কেটে দিলো। আমি বেশ অবাক হয়ে গেলাম, আব্বু কি এমন করলো যেটার জন্যে কথা আমার মুখের উপরে ব্রেকআপ বলে দিলো। সেদিন রাতে হাজার চেষ্টা করেও আর কথার সাথে কোনো যোগাযোগ করতে পারলাম নাহ। নাহ এখানে রহস্যের গন্ধ পাচ্ছি, এই রহস্য আমাকে সমাধান করতেই হবে। সেদিন রাতে আর চিন্তায় চিন্তায় ঘুমই আসলো নাহ।

-- অতঃপর পরের দিন সকালবেলা --

এখন প্রায় সকাল ছয়টা বাজে। আমি চুপিচুপি আব্বুর রুমে ঢুকে গেলাম। গিয়ে দেখতে পেলাম আব্বু বেহুসের মত ঘুমোচ্ছে। আমার মা নেই তাই আব্বু একাই ঘুমোয়। আমি আর সুযোগ হাত ছাড়া করলাম নাহ, আব্বুর ফোনটা নিয়েই এক দৌড়ে সোজা আমার রুমে চলে এলাম। এসেই প্রথমে আব্বুর মেসেঞ্জার ওপেন করলাম। আর মেসেঞ্জার ওপেন করেই চ্যাট লিস্টের প্রথমেই আমার গার্লফ্রেন্ডের আইডি দেখতে পেলাম। এটা দেখে আমার মাথা ঘুরতে লাগলো। দেখতে পেলাম আরো বেশ কয়েকজনের সাথে চ্যাট কনভারসেশন রয়েছে। অতঃপর কথার টা দিয়েই পড়া শুরু করলাম।

( কথার সঙ্গে চ্যাট)
আব্বুঃ Kaman acha? (কেমন আছো?)

কথাঃ ঠিক বুঝতে পারলাম না আঙ্কেল?

আব্বুঃ Tamar kaman ache ( তুমি কেমন আছো)

কথাঃ বেশী ভালোনা আঙ্কেল একটু জ্বর। ( হয়তো বুঝতে পেরেছে লেখাটা)

আব্বুঃ Ahade tamar bichi acha? ( তোমার জ্বর বেশী আছে)

কথাঃ ছি ছি আঙ্কেল কি বলেন এগুলো।

আব্বুঃ Balam tamar jar bichi kay digiri? ( বললাম তোমার জ্বর বেশী, কয় ডিগ্রী)

কথাঃ ছিহ আঙ্কেল আপনার কাছ থেকে এমন কথা কখনোই আশা করিনি।

আব্বুঃ Acha tamar mar kaman acha? ( আচ্ছা তোমার মা কেমন আছে)

কনভারসেশন শেষ : You can't reply to this conversation. ( আব্বুকে কথা ব্লক করে দিয়েছে )

( পাশের বাসার আন্টির সঙ্গে চ্যাট)

আন্টিঃ কেমন আছেন ভাইয়া?

আব্বুঃ Ade bodoi karap, pachay karent nai. (আরে বড়ই খারাপ, বাসায় কারেন্ট নাই)

আন্টিঃ কি বলছেন এগুলো ওখানে কারেন্ট থাকবে কিভাবে?

আব্বুঃ Kano, apanar pachay ki karent acha? ( কেনো আপনার বাসায় কি কারেন্ট আছে)

কনভারসেশন শেষ (Block)

( এলাকার মুদির দোকানদারের সঙ্গে চ্যাট)

আব্বুঃ Bador Badare ki ekan valo magi acha ( বাবর, বাজারে কি এখন ভালো মাঝি আছে)

দোকানদারঃ নাহ ভাই মাঝিরা সকালে চলে গেছে। আপনার মাছ লাগবো?

আব্বুঃ Tala tak, ekn tui amar pachay ese choday deye ja ( তাহলে থাক, এখন তুই আমার বাসায় এসে সদাই দিয়ে যা)

আস্তাগফিরুল্লাহ, আমি যদি আর একমিনিট এই চ্যাট কন্টিনিউ করি - নির্ঘাত আমি হার্ট ফেইল করে মারা যাবো। কোন পাপে আমি আব্বুরে ফেসবুক খুলে দিতে গেলাম, আল্লাহ তুমি আমারে উঠাইয়া নাও। এইসব চ্যাট যদি কোনো নবজাতক শিশু দেখে, ও নির্ঘাত বাঁচার আশা ছেড়ে দিবে। অতঃপর আর এক মুহূর্তও দেরি করলাম নাহ, আব্বুর ফেসবুক একাউন্ট ডিলিট মাইরা দিলাম। না থাকবো ছালা আর না থাকবো আম।

পাপ করছি বহুত বড় পাপ করছি, আব্বুরে এই ফেসবুক একাউন্ট খুইলা দিয়া।
যার কারণে আমার এত সাধের গার্লফ্রেন্ড আমারে বিধবা বানাইয়া দিয়া চইলা গেলো। খোদা তুইলা নাও আমারে, আমার আর বাঁচার ইচ্ছা নাই ( সমাপ্ত)

_____________
#গল্পঃ আব্বুর ফেসবুক।

______________

11/08/2023

সবচে ভারি ইবাদত পরের উপকার করা
মিযানে সবচে ওজনদার আমল
উত্তম চরিত্র
সহজ না কঠিন ? নিঃসন্দেহে অসম্ভব কঠিন।

এখনও আমরা নামাজ রোজা হজ যাকাত এবং পর্দা জুব্বাকে ইসলামের সবটা জেনে ধোঁকার রাজ্যে বসবাস করছি। এখনও আমরা জানি না কাউকে কষ্ট না দেয়া কারো বিপদের কারণ না হওয়া, কারো উপকার করা, কারো হক নষ্ট না করা কত বড় আমল। অচিরেই রোজ হাশরে জুব্বা বোরকা আর সুরমা নিয়ে হাজির হয়ে জানতে পারব আমাদের বোরকার ঘের, ভারি জুব্বার লিবাস আর আতরের সুবাস আমাদের কতটক গাফেল করে রেখেছিল।

একজন সৈনিক বা সেনাপতি কতটা ধোপদুরস্ত পোশাক পড়লেন কতটা নিয়মতান্ত্রিক কাজ করলেন তার উপর তার কৃতিত্ব জাহির হয়না বরং তিনি দেশের আর দশের জন্য কতটা আত্মত্যাগ করতে পারলেন তার উপরেই ঐ সৈনিক বা সেনাপতি বা কর্মচারী/ কর্মকর্তার বড়ত্ব বিবেচিত হয়। হিসাব সহজ।

মোর্শেদা হোসেন রুবি

06/08/2023

ইন্না-লিল্লাহ! কি ভয়ংকর সংবাদ দেখুন। আমার আত্মা কেঁপে উঠেছে। ভয়ে কাঁপছি! এটা এড়িয়ে যাবেন কিভাবে?
____________________________________________________________
গাইয়ুন !
আপনি কি জানেন গাইয়ুন কি ?
ইবনে মাসুদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন গাইয়ুন হল জাহান্নামের এক অত্যন্ত গভীর ও ভয়ংকর উপত্যকার নাম । কেন এই উপত্যকা এত ভয়ংকর এত জঘন্য ?
জাহান্নামে মানুষের আকার হবে অনেক বড় । বসা অবস্থায় এক জাহান্নামীর আকার হবে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার ! তার চামড়া এবং মাংস হবে অত্যন্ত পুরু । তার দেহে থাকবে অনেক মাংস । জাহান্নামের আগুনে এই মাংস পুড়ে যখন হাড় বেরিয়ে যাবে তখন তা আবার মাংস দিয়ে পূর্ণ করে দেওয়া হবে । দুনিয়াতে আমরা দেখছি মানুষ আগুনে পুড়ে গেলে সেখানে পুঁজ জমে।
জাহান্নামের মানুষ বারবার আগুনে পুড়বে আর বারবার পুঁজ জমা হবে । সেই পুঁজ কোথায় গিয়ে জমা হবে জানেন ? তা জমা হবে জাহান্নামের গাইয়ুন উপত্যকায় । কারা থাকবে গাইয়ুনে ? যারা সময় মতো, সঠিকভাবে, নিখুত ভাবে সালাত আদায় করেনি ! ________________________________________________________________
সাকার !
আপনি কি জানেন সাকার কি ?
সাকার হল জাহান্নামের আরেকটি জঘন্য উপত্যকার নাম ।
সাকার হলো তাদের অবস্থান যারা দুনিয়াতে সালাত আদায় করবে না ।
সাকারবাসীদের সম্পর্কে আল্লাহ সুবাহানুওতায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন,
'আমি দাখিল করব সাকারে । তুমি কি জানো সে সাকার কি ? যা জীবীতও রাখবে না আবার একেবারে মৃত করেও ছাড়বে না । গায়ের চামড়া ঝলসিয়ে দেবে । সেখানে নিয়োজিত আছে ১৯ জন ফেরেস্তা ।‌' (সূরা মুদ্দাসসির : ২৬-৩০)_____________________________________________________________
ওয়াইল !
আপনি কি জানেন ওয়াইল কি ?
ওয়াল জাহান্নামের আরেকটি ভয়ানক উপত্যকা ।
'অতএব ওয়াইল সেসব সালাত আদায়কারীর জন্য যারা তাদের সালাত সম্পর্কে বেখবর । (সূরা মাউন : ০৪-০৫)
সাহাবীদের মতে ওয়াইল এমন একটি জায়গা যেখানে জাহান্নামীদের সাপ আর জীবজন্তুরা খেয়ে ফেলবে । তারপর তাদের দেহ পূর্ব অবস্থায় ফিরে আসবে । পুনরায় সাপ আর জীবজন্তুরা তাদেরকে খেয়ে ফেলবে । পুনরায় দেহ ফিরে পাবে । এ চলতেই থাকবে ।
ওয়াইল সম্পর্কে আল্লাহ সুবহানাওতায়ালা আরও বলেছেন,
যখন তাদেরকে বলা হবে নত হও তখন তারা নত হয় না । সেদিন মিথ্যা আরোপকারীদের জন্য ওয়াইল হবে ।
(মুরসালাত : ৪৮-৪৯)__________________

©️

ঈদের ৩য় দিন!!!হেলিকপ্টারে ভ্রমন করতে ইচ্ছুক। এমন কেউ কি আছেন?  আমরা ৫ জন আছি কিন্তু টোটাল ৬ জন লাগবে। ভোর বেলা আমরা চট্র...
28/06/2023

ঈদের ৩য় দিন!!!
হেলিকপ্টারে ভ্রমন করতে ইচ্ছুক।
এমন কেউ কি আছেন?
আমরা ৫ জন আছি কিন্তু টোটাল ৬ জন লাগবে।
ভোর বেলা আমরা চট্রগ্রাম থেকে যাত্রা শুরু করে প্রথমে যাবো কক্সবাজার।
*কক্সবাজার ব্রেকফাস্ট করে ঘুরেফিরে লাঞ্চ করে যাবো সিলেট ।
**সিলেট বিকালে ঘুরেফিরে রাতে হোটেলে ঘুমাবো। সকালে ব্রেকফাস্ট করে বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে যাবো সুন্দরবন।
***সুন্দরবন ঘুরেফিরে সন্ধ্যা পদ্মাসেতু হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবো। যদি কেউ আগ্রহী হন শীঘ্রই যোগাযোগ করবেন।

বিঃদ্রঃ শুধু মাত্র একজন যেতে পারবেন এবং যিনি যাবেন তার অবশ্যই হেলিকপ্টার থাকতে হবে। অন্যথায় পুরো প্ল্যানটাই ক্যান্সেল।🙃👻🙏😂
©

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mitaly- BookShop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category