Rizq - রিজক্

Rizq - রিজক্ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rizq - রিজক্, Gift Shop, Mirpur, Dhaka.

মুহুর্ত কিন্তু চলে যায়, থেকে যায় স্মৃতি।🌻
আর স্মৃতিকে ধরে রাখতে Rizq-রিজক্ পাবেন সাশ্রয়ী মূল্যে নিকাহনামা, জন্ম ও মৃত্যু স্মরণিকা, ফ্রেন্ডশিপ, ইসলামিক ইত্যাদি কাস্টমাইজড ডিজাইন ও ফ্রেম।
বিশ্বস্ততার সহিত কাস্টমারের সন্তুষ্টি অর্জনই আমাদের মূল লক্ষ্য!🥰

12/09/2026

প্রচন্ড পাগলামি করে পছন্দের মেয়েটাকে বিয়ে করার পরেই কি হয়ে যায় ছেলেদের? একটা মেয়ের লাইফে এইটা বোধহয় সবচেয়ে বড়ো স্ক্যাম!

তার জন্য বিয়ের আগে যেই ছেলেটা পাগলামি করলো, বিয়ের পরে সেই ছেলেটাই 'ডোন্ট কেয়ার' মুডে চলে গেলো। আমি এরকম কয়েকটা উদাহরণ দেখেছি। মেয়েটাকে বিয়ে করার জন্য ছেলেটা যতো রকমের পাগলামি আছে সব করে। নিজের মান ইজ্জত সব ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে সবাইকে হাতে-পায়ে ধরে তার পছন্দের মেয়েটাকে বিয়ে করে। বিয়ের পরেই সেই ছেলেটার 'পাগলামি' আর থাকেনা। একদম অচেনা কেউ হয়ে যায়। মেয়েটাকে আর ভালোবাসে না, কেয়ার করেনা, ঠিকঠাক কথাও বলেনা।
'সংসার করতে হবে তাই করতেছি' এই টাইপের মুডে চলে যায়। বিয়ের আগে যেমন কেয়ার দেখাইতো, সেইটার ছিটেফোঁটাও আর দেখা যায়না।
মেয়েটা এইসব আচরণ নিতেও পারেনা। একই মানুষের ডাবল ফেইস মেনে নেওয়া সম্ভব? সম্ভব না!
মেয়েদের সাথে সবচেয়ে বড়ো স্ক্যাম বোধহয় এইটাই হয়, সামনের মানুষটার 'অচেনা মানুষ' হয়ে যাওয়া!

©

07/09/2026

আপনি কি ইস্তিদরাজ সম্পর্কে জানেন? ভয়াবহ এই শাস্তি সম্পর্কে আপনি কি অবগত আছেন!

কি ভাবছেন? এটা কোনো রোগ? অভাব? প্রিয় মানুষকে হারানোর যন্ত্রনা?

না, আসলে কোনোটাই নয়।

কখনো কখনো সবচেয়ে ভয়ংকর শাস্তি হলো—
আপনি গুনাহ করেই যাচ্ছেন, অথচ আপনার জীবনে সবকিছু ঠিকঠাকই চলছে।

আপনি হারামে ডুবে আছেন, তবুও আপনার রিযিক বাড়ছে। সালাতে অবহেলা করছেন, তবুও ব্যবসা ভালো চলছে। গুনাহ ছাড়ছেন না, তবুও মানুষ সম্মান করছে। দোয়া করছেন না, তবুও দুনিয়ার সবকিছু যেন আপনার পক্ষেই যাচ্ছে।

আর তখনই আপনি ভাবলেন— আল্লাহ তো আমায় সবই দিচ্ছেন, তার মানে তিনি আমার ওপর খুব খুশি!

আহ্! যদি জানা যেত, ঠিক এই ভাবনাটাই কত ভয়ংকর হতে পারে!

কুরআনে আল্লাহ তা'আলা বলেন—

অতঃপর যখন তারা তাদেরকে যে উপদেশ দেওয়া হয়েছিল তা ভুলে গেল, তখন আমি তাদের জন্য সবকিছুর দরজা খুলে দিলাম। অবশেষে যখন তারা তাদের প্রাপ্ত বস্তু নিয়ে উল্লসিত হলো, তখন হঠাৎ তাদেরকে পাকড়াও করলাম। তখন তারা সম্পূর্ণ নিরাশ হয়ে গেল। [— সূরা আল-আন'আম,৬:৪৪]

একটু থামুন এবং আয়াতটি আবার পড়ুন।

সবকিছুর দরজা খুলে দিলাম, এটা তো আমাদের কাছে সবসমই বিরাট নিয়ামত মনে হয় তাইনা! কিন্তু সব দরজা খুলে যাওয়া সবসময় রহমতের আলামত নয়।

কখনো কখনো সেটাই হয় ইস্তিদরাজ।

ইস্তিদরাজ...

অর্থাৎ, বান্দা আল্লাহর অবাধ্যতায় ডুবে আছে, তবুও আল্লাহ তাকে দুনিয়ার নিয়ামত দিয়ে যাচ্ছেন, অবকাশ দিয়ে যাচ্ছেন, যাতে সে নিজের অবস্থাকে নিরাপদ মনে করতে করতে আরও গভীরে চলে যায়—তারপর একসময় আসে পাকড়াও। আর আল্লহর পাকড়াও অত্যন্ত কঠিন।

এই কারণেই সালাফরা শুধু বিপদকে ভয় করতেন না, তারা স্বস্তিকেও ভয় করতেন, যদি সেই স্বস্তি তাদের আল্লাহ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়!

ভেবে দেখেছেন? গুনাহ করার পরও যদি আপনার অন্তরে কোনো ব্যথা না হয়, তাওবার প্রয়োজনই যদি অনুভব না করেন,হারামকে যদি স্বাভাবিক মনে হতে শুরু করে, ইবাদত যদি বোঝা হয়ে যায়,আর দুনিয়া যদি প্রতিদিন আরও সুন্দর হতে থাকে...

তাহলে ভয়টা ঠিক কোথায় হওয়া উচিত?

আমরা দুনিয়ার সফলতাকে আল্লাহর সন্তুষ্টির প্রমাণ ভেবে বসি। অথচ ফিরআউনেরও রাজত্ব ছিল। কারূনেরও সম্পদ ছিল। এগুলো কখনোই আল্লাহর সন্তুষ্টির প্রমাণ ছিল না।

তাই প্রতিটি প্রাচুর্যের আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করা দরকার— এই নিয়ামত কি আমাকে আল্লাহর আরও কাছে নিয়ে যাচ্ছে, নাকি আরও দূরে সরিয়ে দিচ্ছে? যদি কাছে নিয়ে যায়—তবে সেটি আপনার জন্য রহমত। আর যদি দূরে সরিয়ে দেয়—তবে সেই নিয়ামতকেই ভয় করুন তা যত বড়ই হোক।

কারণ, আল্লাহ যাকে কল্যাণ দিতে চান, তাকে তাওবার তাওফিক দান করেন এবং তার দিকে ফিরে আসার পথ খুলে দেন। আর বান্দা যখন বারবার গুনাহ করেও নিজের অবস্থাকে নিরাপদ মনে করতে শুরু করে— তখন তার সবচেয়ে বেশি ভয় পাওয়া উচিত নিজের হৃদয়কে।

তাই দুনিয়ার প্রাচুর্য দেখে কখনো নিশ্চিন্ত হয়ে যাবেন না। ভয় করুন সেই দিনকে, যেদিন গুনাহ করেও অন্তর কাঁদবে না, তাওবার প্রয়োজনও অনুভব হবে না, আর দুনিয়ার নিয়ামত আপনাকে ধীরে ধীরে আপনার রব থেকে দূরে সরিয়ে দেবে। কারণ বান্দার সবচেয়ে বড় বিপদ অভাব নয়—নিজেকে নিরাপদ মনে করা।

হে আল্লাহ! আমাদেরকে আপনার নিয়ামত দিয়ে প্রতারিত করবেন না। আমাদেরকে এমন অন্তর দান করুন, যা প্রতিটি নিয়ামতে আরও বিনয়ী হয়, প্রতিটি গুনাহের পর তাওবার দিকে ফিরে আসে এবং কখনোই আপনার রহমত ও আপনার পাকড়াও—উভয়কেই ভুলে না যায়।

#উম্মে_উসমান

07/09/2026

আমি সেই রাস্তাতেও একা হেঁটেছি, যেখানে কাউকে আমার ভীষণ প্রয়োজন ছিল।

- মির্জা গালিব

আমি একজনকে চিনি, মানুষ হিসেবে অসাধারন! তবে তার বউ যাকে আপা বলি, খুব ক্যাট ক্যাট করে, সবকিছুতে সেনসিটিভ। ভাইজান অল্পতে তু...
06/09/2026

আমি একজনকে চিনি, মানুষ হিসেবে অসাধারন!
তবে তার বউ যাকে আপা বলি, খুব ক্যাট ক্যাট করে, সবকিছুতে সেনসিটিভ।
ভাইজান অল্পতে তুস্ট, একদম সবার জন্যে জান দিয়ে, খুবই হেল্পফুল।
আপার পরিবার ও তার উপরে বিরক্ত, নিজের সন্তানরাও বিরক্ত! সবাই একই কম্পলেইন করে যে, তার সবকিছু টিপটপ চাই।

তাদের সংসার জীবন ৩০ বছরের কাছাকাছি, তো একদিন আপাকে জিজ্ঞাসা করেই বসলাম, ভাই এতো ভালো একজন মানুষ, অথচ আপনার এতো সেনসিটিভিটি কেনো? আপনি রিল্যাক্স থাকলেই তো পারেন। সংসার তো পুরাই আপনার, সবাইকে নিয়ে ভালো থাকেন।

তো আপা যেটা বললো, তার সারমর্ম হলো- একদম বিয়ের পর থেকে ভাই তাকে ইন্টারনালি ম্যানিপুলেট করে। যা যা উনি চান তা বউ কে চাপ দিয়ে করান। প্রথম দিকে আপার এগুলা মানতে কস্ট হতো, তাই আর্গুমেন্ট হতো বেশ। এরপর সন্তান আসার পর সেগুলা আরো বাড়লো, কিন্তু সবাই মিলে আপাকে সহ্য করতে বললো, বাচ্চার স্বার্থে, সংসারের স্বার্থে!

আপা ঝগড়া থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছে, সাথে নিজের নিজস্বতা থেকেও। বছরের পর বছর ধরে একটা মানুষের পরিবর্তন হয়েছে, যা তার পরিবার জানেনি, সমাজ জানেনি।

ভাইকে চেইঞ্জ হতে হয়নি!
ফেরেসতা সেজে দুনিয়া, সমাজ পরিবার এমনকি শশুর বাড়ির পরিবারের কাছেও পারফেকশন হয়ে থেকেছে।

নিজের যে হিডেন চরিত্র তা বউ এর মাধ্যমে জিইয়ে রেখেছে।

আপা, তাই সবকিছু ওয়েল ডান রাখার চেস্টা করে, যাতে ঝামেলা না হয়। কিন্তু নিজের উপর এই প্রেসার টা অজান্তেই তাকে খিটখিটে করে দিয়েছে। শান্ত, লাজুক স্বভাবের মানুষ টাকে অশান্ত, ছঠফটে মানুষে পরিনত করেছে!

আমি থমকে গেলাম! ভাইকে নিয়ে এই কথাগুলো মনে মনে পুনরাবৃত্তি করলাম, কিন্তু কেনোজানি মেলেনা কিছুই।

অনেকদিন এটা নিয়ে ভেবে বুঝলাম, যে মানুষ এর গায়ে খারাপ আর ভালোটা লিখা থাকেনা। একই মানুষ সবার কাছে খারাপ হবে তা নয়, বরং সে হয় প্রয়োজন অনুযায়ী জায়গাভেদে খারাপ!

একারনেই হয়তো আল্লাহ্ বিবাহিত পুরুষকে জাজ করবেন তার ওয়াইফ এর মতামতের ভিত্তিতে!

~Rabeya

01/09/2026

যে পুরুষ তার প্রিয়তমাকে মন থেকে ভালোবাসে সেই পুরুষ কখনো তাল|ক শব্দটা মুখে আনা তো দূর কি বাত ভাবতেও আঁতকে উঠে। যেই পুরুষের গায়রতবোধ আছে, দায়িত্ববোধ আছে, যে তার সহধর্মিণীর প্রতি সৎ থাকে সেই পুরুষকে তার সহধর্মিণীও ভালোবাসতে বাধ্য। কিন্তু কিছু আছে না ব্যতিক্রম। যাদের সুখে থাকতে ভু"তে কিল|য় তারা পার্টনারকে মূল্যায়ন করতে জানে না। এই মেয়েটা কেন এমন করেছে জানি না তবে এর পিছনে সঠিক কোনো ওজর না থাকলে মেয়েটা অনেক বড় ভুল করেছে। আর লোকটা যা বলছে তা যদি সত্যি হয়ে থাকে তবে বলতে হবে এমন জীবনসঙ্গী বর্তমান জামানায় হাজারে হয়তো ৫টা পাওয়া যাবে। বেশিরভাগ পুরুষদের মেইল ইগোর কারণে একটা সোনার সংসার জাহান্নাম হয়ে যায়। এদের বউ চালানোর মুরুদ নাই, হক্বের প্রতি উদাসীন, কেয়ারের ছিটেফোঁটাও নাই তারাই দেখা যায় ঘরের কোণে পড়া থাকা নারীর প্রতি ভালোই জুলুম করতে পারে। আমি মাঝে মাঝে ভাবি, মেয়েদের যদি "তাল|ক দেওয়ার ক্ষমতা থাকতো তাহলে হয়তো কোটি কোটি জ|লিম পুরুষ "ডিভোর্সি" ট্যাগ নিয়ে ঘুরতো!🙂

#এডমিন

26/08/2026

রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর একজন খালার কবর ইউরোপে! মদীনা থেকে তিনি ইউরোপ গেলেন কীভাবে?

বিয়ের পরে নিজের সব জিনিস পত্র নেয়ার সময়  পছন্দের বিড়াল টাও নিয়ে গেলেন শ্বশুর বাড়িতে একজন আপু। কিন্তু উনার শ্বশুর বাড়ির ক...
14/08/2026

বিয়ের পরে নিজের সব জিনিস পত্র নেয়ার সময় পছন্দের বিড়াল টাও নিয়ে গেলেন শ্বশুর বাড়িতে একজন আপু। কিন্তু উনার শ্বশুর বাড়ির কেউই বিড়াল টাকে পছন্দ করতো না,বলতো দেখলেই ঘেন্না লাগে।
আপু উনার রুম এবং বারান্দায় ই রাখতেন বিড়াল টাকে। কিন্তু মাঝেমধ্যে সে বের হয়ে যেতো,বের হলেই বাসার সবাই বিড়াল টাকে দৌড়ানি দিতো, যে কারনে ভয়ে বিড়াল টা রুমেই থাকতো।

এরকম কিছু দিন যাওয়ার পরে বিড়াল টা নিয়ে উনার শ্বাশুড়ির সাথে সামান্য একটু ঝগড়া লেগে গিয়েছিলো উনার,এরপরে উনি ভাবলেন থাক বিড়াল টাকে বাবার বাড়িতে রাখাই ভালো, মন চাইলে গিয়ে দেখে আসবেন জাস্ট। তাই বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দিলেন। কিন্তু উনার হাজবেন্ড উনার মন খারাপ দেখে বিড়াল টাকে নিয়ে আসলেন আবার বাসায়,উনার মাকে বললেন, এটা নিয়ে ঝামেলা না করতে।

এর কয়েকদিন পর আপু মার্কেটে গিয়েছিলেন বিড়াল টাকে বাসায় রেখে,রুমের মধ্যেই রেখে দরজা লাগিয়ে গিয়েছিলেন, বিড়াল রুমে থেকে অভ্যস্ত ছিলো, তার ছোট বিছানায় ঘুমিয়ে থাকতো।

তো আপু মার্কেট থেকে ফিরে এসে দেখলেন বিড়াল রুমে নেই, জানালা খোলা, অথচ আপুর খেয়াল আছে উনি জানালা লাগিয়ে গিয়েছিলেন। পরে বাসায় সবাইকে জিজ্ঞেস করলে কেউ ই কিছু জানে না জানায়। সেদিন অনেক খোঁজাখোজি করেও বিড়াল টাকে পাওয়া যায়নি৷

পরের দিন ভোরে পাড়ায় উনার হাজবেন্ড এবং উনি বিড়াল এর খুঁজে বের হয়ে যান, কিন্তু কোনো খোঁজ ই পাননি।

কিন্তু বাসায় আসার পরেই দেখলেন বিড়াল টা উনাদের পেছন পেছন ঢুকতেসে মানে রাস্তায় কোনোভাবে সে হয়তোবা দেখতে পায় উনাদের, এবং ফলো করে চলে আসে। পরে বিড়াল কে উনি দৌড়ে গিয়ে কোলে নিলেন,খুশি হয়ে গেলেন, বিড়ালও মিউমিউ করতে লাগলো পাগলের মতো। এই সুন্দর মুহুর্ত টা উনার হাজবেন্ড ক্যাপচার করতে যাবেন তখন খেয়াল করলেন, বিড়াল এর মাথা একটা সাইড অস্বাভাবিক ভাবে ফোলা। সাথে সাথেই vet এর কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য বের হয়ে যান, কিন্তু রাস্তায়ই বিড়াল টা হাত পা ছেড়ে দেয় এবং মা রা যায়, পরে vet এর কাছে নিয়ে গেলে উনিই বলেন, বিড়াল টাকে কেউ শক্ত কিছু দিয়ে মাথায় আঘাত করেছিলো।

আপু বললেন, উনি এর প্রায় ১ বছর পরে জানতে পারেন,বিড়াল টাকে ক্রিকেট এর ব্যাট দিয়ে আঘাত করেন উনার ননাস, যেদিন উনি মার্কেটে যান ওইদিন উনার ননাস এসেছিলেন বাসায়, আর উনার শ্বাশুড়ি তখন কান্না করতে করতে আপুর হাজবেন্ড এর কথা বিচার দেন, বলেন একটা বিড়াল এর জন্য আমার মুখের ওপর কথা বলে আমার ছেলে, ঝামেলা করি আমি,এমনটা বলেছে।

তখন আপুর ননাস বলেন জেদের বশে কাজটা করেন উনি। বিড়াল টা মাথায় আঘাত পাওয়ার পরে উনিই জানালা খুলে রেখেছিলেন যাতে মনে হয় বিড়াল টা নিজেই বের হয়ে গেছে এবং বাহিরে কোনোভাবে সে আঘাত পেয়েছে। এসব কথা পরে উনার ননাস নিজ মুখে বলেন, এবং মাফ চান। কারন উনার ৫ বছরের ছেলের ব্রেইন টিউমার ধরা পরে, বাচ্চার অপারেশন হবে,পুরো টিউমার কেটে বের করা হবে,তাই সব স্বীকার করে মাফ চেয়ে নেন।

আপু বললেন, আমার আফসোস হয়৷ ওরে যদি আমার বাসায়ই রেখে যেতাম, তাহলে তো আজকে আমার কাছে সে থাকতো, তবে হ্যা আমি মাফ করে দিয়েছি উনাকে কারন ছোট বাচ্চাটার ক্ষতি হোক আমি চাইনা।

ইনবক্সে এই আপুর কথাগুলো পড়ে আমি ভাবলাম, "মানুষ কেনো ভাবে না, আল্লাহ একজন ওপরে থাকেন, উনি চাইলেই দুনিয়ার পাপ এর ফল দুনিয়াতেই ফিরিয়ে দিতে পারেন, আল্লাহ ছাড় দেন, কিন্তু ছেড়ে দেন না"।

বাই দ্যা ওয়ে, বিড়াল টার নাম ছিলো "Mimo"

পোস্ট টি The Real By Shifa পেইজ থেকে সংগৃহিত~

অথেনটিক মানসিক ঐক্য!🫥
11/08/2026

অথেনটিক মানসিক ঐক্য!🫥

07/08/2026

যিনি শুদ্ধ মিষ্টি ভাষায় কথা বলতেন,স্বভাবজাত হায়া যার দৃষ্টি সর্বদা জমিনের দিকে আবদ্ধ রাখতো! সেই প্রিয় রাসুলের প্রতি দরুদ ও সালাম।
صلِّ عَلى الحَبِيب(ﷺ)

- তাহমিনা তাহফিম

Address

Mirpur
Dhaka

Telephone

+8801887383455

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rizq - রিজক্ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category