Petals

Petals Your trust My invest. Always try to serve with honesty.

14/05/2026

একটা জিনিস আমি খুব খেয়াল করেছি, মানুষ যেমনটা চায়, আল্লাহ ঠিক তেমনই মিলিয়ে দেন।

কয়টা উদাহরণ দেই। পরিচিত একজনকে দেখেছি, বাচ্চার বয়স কমিয়ে বলতো যেন পরিবহনের টিকিট কাটতে না হয়, বা হাফটিকিট কাটলেই হয়। কিছুদিন পর দেখা গেল, বাচ্চার গ্রোথ আটকে আছে। টিকিটের টাকা এখনো বেঁচে যাচ্ছে, কিন্তু এখন বাচ্চার ওষুধ আর সাপ্লিমেন্ট কিনতে টাকা বেশি খরচ হচ্ছে।

আরেকজনকে দেখেছি, ছেলের বয়স সার্টিফিকেটে অনেক কমিয়ে রেখেছে, যেন সরকারি চাকরিতে এপ্লাই করার জন্য বেশিদিন সুযোগ পায়। তার সরকারি চাকরি ঠিকই হয়েছে, তবে বহুবার পরীক্ষা দিয়ে, আর অরিজিনাল বয়স ৩০ বছর পার করে।

আরেকজনকে চিনি, বিয়ের আগে শ্বশুরবাড়ি খুব প্রভাবশালী হবে এমন চাইতো। এরকম আত্মীয়-স্বজন থাকলে নাকি বিপদে আপদে বহু কাজে লাগে। অতঃপর তার বিয়ে হয়েছে মনমতো, সাথে একের পর এক বিপদও লেগে আছে।

এরকম আরো বহু উদাহরণ দিতে পারবো। শুধু নেগেটিভ না, পজিটিভ অনেক ঘটনাও কিন্তু আছে।

যেমন, এক ভাই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সুদি ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন। মাঝে কয় বছর পরীক্ষার ভেতর দিয়ে গেলেও আজ তার আরো ভালো কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে, তার সন্তানেরা সবাই হাফেজ ও আলেম হওয়ার পথে।

আরেকজন নিজ ছেলেকে স্টুডেন্ট অবস্থায় বিয়ে দিয়েছিল। ছেলের পড়াশোনা ব্যাহত হবে, ছেলের বউকে পালতে হবে- এসব নিয়ে দুশ্চিন্তা করেননি। আজ তার ছেলে পুরো পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছে, আর তার ঘর জুড়ে অনেক নাতি-নাতনির মেলা।

আরেকজনের গল্প শুনেছি, গর্ভে থাকা কালীন তার বাচ্চার জটিল রোগ ধরা পড়ে। বিদেশের ডাক্তাররা এবর্শনের করা বললেও তিনি আল্লাহর উপর ভরসা করেন। পরবর্তীতে তার বাচ্চা সম্পূর্ণ সুস্থ জন্ম নেয়, সুবহানাল্লাহ! এরপর তিনি নিজেকে ও সন্তানকে আল্লাহর রাস্তায় সপে দেন।

আসলে, মানুষ যখন জীবন নিয়ে ইতিবাচক চিন্তা করে, আল্লাহ তাকে হুবহু এক না হলেও উত্তম কোন ব্যবস্থাই করে দেন। আর সে যদি আল্লাহর উপর ভরসা করে কিছু ছাড় দেয়, তখন তিনি আরও বারাকাহ দান করেন।

রিজিক ব্যাপারটা এমনই রহস্যময়! এর পিছনে ছুটলে ধরা যায় না; কিন্তু চোখ বন্ধ করে আল্লাহর উপর ছেড়ে দিলেই আপনাআপনি কাছে এসে ধর্না দিবে- কখনো কখনো কল্পনার থেকেও বহুগুণ বেশি হয়ে!

লেখিকা: বিনতে আবদুল্লাহ(আল্লাহ উনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন)
শেয়ার করুন আপনজনদের সাথে 🌻

#তালিমুন_নিসা

14/05/2026
07/05/2026

হযরত খাদিজাতুল কুবরা (রঃ) এর শানঃ-

রাসুল (সাঃ) এর প্রিয়তমা স্ত্রী খাদিজা (রাঃ) ইন্তেকালের আগে রাসুল (সাঃ) এর দুটো হাত ধরে বললেন.... হে রাসুল আমাকে কথা দিন যে আপনার গায়ের জোব্বা দিয়ে আমার কাফনের কাপড় বানাবেন,
আর নিজ হাতে আমাকে কবরে নামিয়ে দিয়ে আমার সওয়াল-জবাব শেষ না হওয়া পর্যন্ত আপনি কবরের পাশেই থাকবেন। আমাকে একা ফেলে যাবেন না।
রাসুল (সাঃ) অশ্রুসিক্ত নয়নে বললেন, “ হে আমার প্রিয়তমা স্ত্রী, আমি কথা দিচ্ছি।“ খাদিজা (রাঃ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন।

গোসল, জানাজা শেষ করে রাসুল (সাঃ) তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রীকে নিজেই কবরে শুইয়ে দিলেন এবং কবরের পাশে অশ্রুজল নয়নে দাড়িয়ে রইলেন। হাবীবের এমন বিমর্ষ মানসিক অবস্থা দেখে মহান আল্লাহ ফেরেস্তা জিবরাইল (আঃ) কে পাঠালেন।

জিবরাইল (আঃ) এসে সালাম দিয়ে জানতে চাইলেন, হে আল্লাহর রাসুল আপনি এভাবে আপনার স্ত্রীর কবরের পাশে দাড়িয়ে আছেন কেন?

রাসুল (সাঃ) বললেন, “ হে জিবরাইল, আমি প্রিয়তমা স্ত্রীকে কথা দিয়েছি তাঁর সওয়াল-জবাব শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি এখান থেকে নড়বো না।“

জিবরাইল (আঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসুল, আপনি জেনে রাখুন আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন, খাদিজা (রাঃ) কে করা মুনকার-নাকীর এর সওয়ালের জওয়াব আল্লাহ আরশে আজীম থেকে নিজেই দিয়ে দিবেন। সুবহানাল্লাহ!!!!

এই সেই খাদিজা (রাঃ), যাকে মহান আল্লাহ সালাম দিয়েছেন। যেখানে তিঁনিই কবরের সওয়াল-জবাবকে ভয় পেয়েছেন সেখানে আমরা চিন্তাই করিনা কবরের জীবন নিয়ে।

আল্লাহ আকবর।

খাদিজা (রাঃ) এর মৃত্যুর পর প্রায় প্রতি রাতেই আয়িশা (রাঃ) এর ঘুম ভেঙে গেলে, উঠে এসে দেখতেন রাসুল (সাঃ) কান্নারত অবস্থায় আল্লাহর কাছে মিনতি করছেন, হে আল্লাহ! যখন শেষ বিচারের দিন ছেলে বাবাকে চিনবে না, বাবা ছেলেকে চিনবে না, স্বামী স্ত্রীকে আর স্ত্রী স্বামীর চেহারা দেখে বিস্তৃত হবে তখন যেনো আমি আমার প্রিয়তমা স্ত্রী খাদিজাকে চিনতে পারি এবং তাঁকে দেখে যেন বিস্তৃত না হই।

খাদিজা (রাঃ) গোশত খেতে পছন্দ করতেন। যদিও খুব কম সুযোগ হতো। কিন্তু কখনো হঠাৎ কোন উট, দুম্বা কিংবা খাসির গোশতের ব্যবস্থা হতো, তিনি তৃপ্তি করে খেতেন। উনার মৃত্যুর পর রাসুল (সাঃ) যখনি কোন গোশত হাদিয়া পেতেন কিংবা কোনোদিন হঠাৎ কোন পশু জবাই হতো, তখন রাসুল (সাঃ) খুব যত্নে এক ভাগ মাংস সরিয়ে রাখতেন। সেটা একটা পোটলায় ভরে মদীনার রাস্তায় চোখ মুছতে মুছতে হাটঁতেন আর খাদিজা (রা:) এর বান্ধবীদের বাসায় উপঢৌকন হিসেবে পাঠাতেন।

05/05/2026

🌸 অত্যন্ত ভারী ও ফজিলতপূর্ণ একটি দোয়া 🌸

এই দোয়াটি আল্লাহর রাসুল ﷺ উম্মুল মুমিনীন জুয়াইরিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহাকে শিখিয়েছিলেন। হাদিসটি সহিহ মুসলিমে বর্ণিত।
একদিন ফজরের নামাজের পর রাসুল ﷺ ঘর থেকে বেরিয়ে যান। তখন জুয়াইরিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহা তাঁর মুসাল্লায় বসে যিকর করছিলেন। কিছুক্ষণ পর, চাশতের সময়ের কাছাকাছি, রাসুল ﷺ ফিরে এসে দেখেন—তিনি এখনো যিকরেই আছেন।
তখন রাসুল ﷺ বললেন,
“আমি তোমার কাছ থেকে যাওয়ার পর চারটি বাক্য তিনবার পড়েছি। আজ তুমি এতক্ষণ যা পড়েছ, এর তুলনায় ওই চারটি বাক্যের ওজনই বেশি হবে।”
দোয়াটি হলো—
سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ
عَدَدَ خَلْقِهِ وَرِضَا نَفْسِهِ
وَزِنَةَ عَرْشِهِ وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ
উচ্চারণ:
সুবহানাল্লাহী ওয়া বিহামদিহি ‘আদাদা খালকিহি, ওয়া রিদ্বা নাফসিহি, ওয়া যিনাতা আরশিহি, ওয়া মিদাদা কালিমাতিহি।
অর্থ:
আমি আল্লাহর সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করছি—
তাঁর সৃষ্টির সংখ্যার সমান,
তাঁর সন্তুষ্টির পরিমাণ অনুযায়ী,
তাঁর আরশের ওজন সমান
এবং তাঁর বাণীর সংখ্যার সমান।
📖 (সহিহ মুসলিম: ৭০৮৮–৭০৮৯)

🕌 অল্প আমল, কিন্তু সওয়াবের ওজন পাহাড়সম।

Blue fabric
21/08/2025

Blue fabric

দারুন সব গাউন
24/07/2025

দারুন সব গাউন

24/07/2025

এই পাত্রে পানি খেয়েছেন এমন লোক খুজে পাওয়া মুশকিল।

Address

Mohammadpur
Dhaka
1207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Petals posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Petals:

Shortcuts

Share