Alhaya Mart

Alhaya Mart একটি নির্ভরযোগ্য অনলাইন বেইজ শপ যেখানে ক্রেতাদের জীবন যাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল পণ্য বিক্রয় করা হয়। আপনার আস্থার জায়গা ...

25/06/2025

The creator of the safety pin — this simple object present in almost every home — was a man named Walter Hunt. But his story goes far beyond a bent piece of brass.

Walter Hunt was born in 1796 and was one of the most prolific inventors in American history. Creator of various devices, like a primitive sewing machine model, Hunt had a restless mind — but, like so many geniuses, he lived surrounded by financial difficulties.

In 1849, in debt with a friend for 15 dollars, Hunt did the unthinkable: he took an 8-inch brass wire, began folding it with his fingers, and in a little while, one of the most useful objects ever created appeared — the safety pin.

But Hunt didn't just create a pin: he had the ingenious idea to include a spring and a protected tip, which would prevent accidental drilling. It was a small touch of genius with a giant impact.

He registered patent No. 6,281 on April 10, 1849 — and soon sold its rights for $400 to W.R. Grace and Company. Enough to pay off debt and, as always, continue your life as an anonymous inventor.

It wasn't just an ingenious creation. It was a definitive solution to an everyday problem. Before him, common pins were dangerous, loose, unstable. Hunt's model has radically changed it — with a design that endures to this day, almost unchanged.

While older versions exist, such as the Roman fibulaes, it was Hunt who created the model that is modern, functional, safe — and accessible.

Walter Hunt was not a millionaire But his little invention has become immortal. The safety pin is the perfect reminder that even the simplest idea, when done ingeniously, can transform the world.

A debt. A string of brass. A moment of brilliance
And the rest is history.

18/06/2025

পরকীয়া করছেন? অথচ বিয়েটা ভাঙতে চান না?

অথচ চাইছেন, দাম্পত্যে যেন কোনওভাবেই ফাটল না-ধরে ,আবার চাইছেন চুপিচুপি প্রেমের জোয়ারে গা ভাসাতে?

তা হলে, জানিয়ে রাখি ঠিক পথেই এগোচ্ছেন।

বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছেন বলেই যে সর্বনাশের পথে নেমেছেন, সেটা ঠিক নয়।

সাম্প্রতিক সমীক্ষায় উঠে এসে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য।

বিদেশে নয়, এই দেশেই সুখী দম্পতির মধ্যে শতকরা নব্বই শতাংশেরই বিবাহিত জীবনের বাইরে ছোট-বড় পরকীয়া রয়েছে।

কিন্তু প্রশ্ন এখানেই, পরকীয়াই যদি থাকে তো সংসার সুখের হয় কী করে?
আমাদের বস্তা পচা ধারণাকে বিসর্জন দিয়ে নতুন তথ্য জানাচ্ছে পরকীয়াই একমাত্র সুখী সংসারের রহস্য।

পরকীয়া করার যে বিশেষ কারন -----

অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে স্বাভাবিকভাবেই ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মানুষ সতর্ক হয়ে পড়েন। সব দিক সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। সেখান থেকেই সংসারে সুখ ফিরতে থাকে।
পরকীয়ার ফলে আপনার মন অনেক ভাল থাকে। যার প্রভাব পড়ে ব্যক্তিগত জীবনে। ছোটখাটো ভুলভ্রান্তিকে ক্ষমা করার প্রবণতা বাড়ে। ধৈর্য বাড়ে।

অন্য মানুষকে কাছে পাওয়ার পরে, জীবনসঙ্গীর প্রতিও একটু বেশি টান জন্মায়। সে অপরাধবোধ থেকেও হতে পারে।
দাম্পত্যের একঘেয়েমি থেকে মুক্তি ঘটে। সমানভাবে নিজের জীবনেও একটু বৈচিত্র্য আসে। নিজেকে ভালবাসতে শুরু করেন মানুষ।
সংসারের প্রতি দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছেটাই এমনিই চলে আসে। তখন আর কোনও চাপকেই বোঝা বলে মনে হয় না।

তবে হ্যাঁ, এ সবটাই ঠিকঠাক চলতে পারে যদি আপনি এই পরকীয়াকে ‘এক্সট্রা’ হিসেবেই রাখতে পারেন।
পরকীয়ার সঙ্গী মাঝেমধ্যে বদলাতে পারলে সোনায় সোহাগা।

বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, প্রেমে থাকুন। তবে সংসার ভাসিয়ে নয়।
এমন প্রেম আপনাকে সুখী করবে এবং আপনার দাম্পত্যকেও মজবুত করবে নিঃসন্দেহে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য কেউ ব্যক্তিগত ভাবে নেবেন না 🙏🤣
শুধুমাত্র মজা করেই লিখলাম। কারোর খারাপ লাগলে ignore করবেন প্লিজ 🙏
লেখা -তিয়াশা বসু❤️

(লেখাটা আমার নয় ! তিয়াশা বসুর । মজা লাগল তাই শেয়ার করলাম ।)

08/08/2024

La Hawla Wala Quwwata Illa Billah.

“There is no power or strength except with Allah”

অনিচ্ছাকৃত ভাবে বা শুধুমাত্র অভ্যাসবসত বিভিন্ন কারণে আমরা মাঝে মাঝে সৃষ্টিকর্তার সাথে শিরক করে ফেলি। আমাদের অবশ্যই সচেতন...
23/04/2024

অনিচ্ছাকৃত ভাবে বা শুধুমাত্র অভ্যাসবসত বিভিন্ন কারণে আমরা মাঝে মাঝে সৃষ্টিকর্তার সাথে শিরক করে ফেলি। আমাদের অবশ্যই সচেতন ভাবে এই সব কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত।

মনের অজান্তে কোন শিরক হয়ে গেলে তার থেকে মুক্তির দুয়া।

07/03/2024

বাংলাদেশের একটা প্রজন্মকে খুবই পরিকল্পিতভাবে পাকিস্তানপন্থী বানানো হয়েছে..... কারা বানিয়েছে ? এরা পাকিস্তানেরই পালা কুকুর, এই প্রজন্ম জানেইনা বা জানতে চায়না কত রক্ত আর জীবনের বিনিময়ে এই বাংলাদেশের অভ‍্যূদ‍য়, নতুন প্রজন্ম এসো সেই দুঃখজনক ইতিহাসের কিছুটা অংশ আজ জানার চেষ্টা করিঃ
বীভৎসতা১৯৭১......
পাকিস্তানের রাওয়ালপিণ্ডির সামরিক হাসপাতালে এক তরুণ পাকিস্তানী অফিসারকে আনা হয়েছিলো মানসিক চিকিৎসা করানোর জন্য। সেই তরুণ বাংলাদেশ থেকে যাওয়ার পর গুরুতর মানসিক সমস্যায় পড়ে।
মুক্তিযুদ্ধে সে একাই হত্যা করেছিলো ১৪ হাজারের বেশী মানুষ, জ্বি চৌদ্দ হাজার !!!
দিনের পর দিন ব্রাশফায়ারে হত্যা করতে করতে সে মানসিক বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলো। যুদ্ধের কথা মনে হলেই গোটা শরীরে তার ভয়ংকর খিঁচুনি শুরু হতো, আর ঘুমাতে গেলেই ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন দেখতো সে। কে যেন তাঁকে বলছে আবার ফিরে যেতে হবে বাংলাদেশে, আবার হিন্দুদের চিরতরে শেষ করে দিতে হবে। এছাড়া ওর মুক্তি নেই।
সূত্র- পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী গওহর আইয়ুবের লেখা বই "Glimpses into the corridors of power" তিনি এই লেখার সূত্র হিসেবে নিয়েছিলেন বাবা ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের ব্যক্তিগত ডায়েরি থেকে।
রাজারবাগ পুলিশ লাইনে শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ২৫ যে মার্চ রাত থেকেই স্কুল কলেজের মেয়েদের ধরে আনতো হানাদারেরা।
ট্রাকে তুলে এনে পছন্দ মত মেয়েদের টেনে হিঁচড়ে নামাতো! প্রকাশ্যে এদের পোশাক খুলে গাছের আড়ালে, দেয়ালের পাশে ধর্ষণ করতো!
ধর্ষণ করার পরে হেড কোয়ার্টারের চার তলায় নিয়ে উলঙ্গ অবস্থায় লোহার রডের সাথে চুল শক্ত করে বেঁধে পুনরায় শুরু করতো নির্যাতন!
শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ছেলেদের ধরে আনলো। কারো পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলা হতো, কারো মুখে গরম পানি ঢালা হতো!
কারো হাত পায়ে গিট মেরে গুড়িয়ে ফেলা হতো!
পরদেশী নামে একজন ডোম শাঁখারী পট্টির এক বাড়িতে যান। ঐ বাড়ি থেকে অপরূপ সুন্দরী একটি মেয়ের লাশ তুলে আনেন! মেয়েটির স্তন ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে! যৌনাঙ্গ সম্পূর্ণ রূপে থেতলানো!
মুখ বাহু উরুতে জমাট বাঁধা রক্ত! সমস্ত শরীরে কামড়ের চিহ্ন! তিনি আরো বলেন, আরমানিটোলার এক বাড়িতে দশ এগারো বছরের এক ফুটফুটে মেয়ের কথা! মেয়েটির সম্পূর্ণ শরীর ক্ষতবিক্ষত! নরপশুরা মেয়েটিকে ধর্ষণ শেষে দুদিক থেকে পা ধরে নাভি পর্যন্ত ছিঁড়ে ফেলেছে!
.
কদিন পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খবর আসে, এক মেজরের কাছে! মৃত মানুষের গন্ধে থাকা যাচ্ছেনা! অবিলম্বে লাশ তুলে ফেলা হোক!
এ পর্যন্ত তারা শুধু শহরেই লাশ তোলার কাজ করে যাচ্ছিলো!
এ সংবাদ পাওয়ার পর চুন্নু, পরদেশী, রনজিৎ, মধুরাম, দুখিরাম সহ আরো কয়েকজন ডোম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যায়! প্রথমে তারা রোকেয়া হলে প্রবেশ করে! কিন্তু হলের কোনো কক্ষেই লাশ ছিলোনা! কেননা ২৫শে মার্চ রাতেই হলে অবস্থানরত ছাত্রীদের পাকিরা তুলে নিয়ে যায়!
.
এসময় তারা হলের চারতলার ছাদে গিয়ে দেখতে পান সেখানে অনেকগুলো ছাত্রীর লাশ ছড়ানো ছিটানো! তাদের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই! অথচ এরা মরলো কিভাবে?
এই প্রশ্নের জবাবে এক সৈন্য বলে, এদেরকে আমরা উপভোগ করেছি! তারপর যৌনাঙ্গে বেয়নেট ঢুকিয়ে হত্যা করেছি!
এদের কারো পরনে কোনো কাপড় ছিলোনা! তাদের আশেপাশে দুএকটা সেলোয়ার কামিজ ছিলো!
রাবেয়া খাতুন কাজ করতেন রাজারবাগ ক্যান্টিনে! তিনি বলেন, "তিনি দেখতে পান ট্রাকে এবং জিপে করে প্রায় পঞ্চাশ জন মেয়েকে আনা হয়েছে! এদেরকে একটি কক্ষে রাখা হলো! প্রায় প্রত্যেকের হাতে বই খাতা ছিলো!
একদল সেনা কুকুরের মতো হিংস্রতায় ঝাঁপিয়ে পড়লো তাদের উপর! প্রথমে জানোয়ার গুলো সমস্ত মেয়েদের পরনের কাপড় খুলে উলঙ্গ অবস্থায় সবাইকে মাটিতে শুয়ে পড়তে নির্দেশ দিলো! নির্দেশ অমান্য করলে লাথি মেরে ফেলে ধর্ষণ করেছিলো!
তিনি বলেন প্রতিটি মেয়ের শরীর থেকে রক্ত ঝরছিলো! যোনিপথে বেয়নেট ঢুকিয়ে তাদের হত্যা করা হয়!"
.
সূত্র- ডোম পরদেশী, চুন্নু, রনজিৎ, মধুরামের সাক্ষ্য/ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র।
সুসান ব্রাউনি মিলার নামের এক গবেষক লিখেছিলেন....
"কোনো কোনো মেয়েকে পাকসেনারা এক রাতে ৮০ বারও ধর্ষণ করেছে।"
"ধর্ষিতা মেয়েরা চিৎকার করে আমাদের বলতেন 'আমরা তো মরে যাব, আপনারা যদি কেউ বেঁচে যান তাহলে আমাদের কথা আমাদের বাড়িতে গিয়ে বলবেন।'... পাকিদের নির্যাতনের ধরন ছিল বীভৎস। তারা মেয়েদের স্তন কেটে ফেলত, যৌনাঙ্গে রাইফেল ঢুকিয়ে গুলি করত; এমনভাবে নির্যাতন করত যে সে প্রক্রিয়া আমি ভাষায় বর্ণনা করতে পারছি না, এসব আমি নিজের চোখে দেখেছি।"
- ফরিদপুরের মুক্তিযোদ্ধা একে এম আবু ইউসুফের ভাষ্য‌।
"পাকিস্তানী সেনারা প্রত্যেক মহিলাকে অবর্ণনীয় কষ্ট ও যন্ত্রণা দিয়ে ধর্ষণ করে। এরপর তাদের হত্যা করে। ধোপা যেভাবে কাপড় কাচে সেভাবে রেললাইনের ওপর মাথা আছড়ে, কখনও দু'পা ধরে টান দিয়ে ছিঁড়ে দু'টুকরা করে হত্যা করেছে শিশুদের। স্বাধীনতার অনেকদিন পরেও সেখানে মহিলাদের কাপড়, ক্লিপ, চুল, চুলের খোঁপা ইত্যাদি পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেখান থেকে আমি আমার ছোট বোনের ফ্রকের এক টুকরো কাপড় খুঁজে পাই।
সূত্র- নীলফামারীর বিনোদ কুমারের সাক্ষ্য।
টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরের ছাব্বিশা গ্রামের মানুষ বেগম বলেছিলেন, "আমাদের পাশের বাড়ির একটি মেয়ে। সদ্য মা হয়েছে, আট দিনের বাচ্চা কোলে। ঐ সময় সে বাচ্চাটিকে দুধ খাওয়াচ্ছিলো। এমন সময় বাড়িতে আক্রমণ। ঘরে তখন কেউ ছিলো না। এরপর যা হবার তাই হলো, মেয়েটির উপর চলল অমানসিক নির্যাতন। এরমধ্যেই দুপুর গড়িয়ে এল, পাকিরা খাবার খেতে চাইল। ঘরে কিছু না থাকায় ক্ষেত থেকে বেগুণ এনে দিতে বলল। ভীত মেয়েটি ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। মেয়েটির আসতে দেরি হচ্ছিলো দেখে পাকিরা তার বাচ্চাকে গরম ভাতের হাঁড়িতে ছুঁড়ে দিয়ে ঘর থেকে নেমে গেল।"
মুক্তিযুদ্ধের মার্চ মাসে মিরপুরের একটি বাড়ি থেকে পরিবারের সবাইকে ধরে আনা হয় এবং কাপড় খুলতে বলা হয়। তারা এতে রাজি না হলে বাবা ও ছেলেকে আদেশ করা হয় যথাক্রমে মেয়ে এবং মাকে ধর্ষণ করতে। এতেও রাজি না হলে প্রথমে বাবা এবং ছেলে কে টুকরো টুকরো করে হত্যা করা হয় এবং মা মেয়ে দুজনকে দুজনের চুলের সাথে বেঁধে উলঙ্গ অবস্থায় টানতে টানতে ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।"
নিয়াজী ধর্ষণে তার সেনাদের এতই চাপ দিতেন যে তা সামলে উঠতে না পেরে এক বাঙালি সেনা অফিসার নিজে আত্মহত্যা করেন।
সূত্র- পাকিস্তানী জেনারেল খাদিম হুসাইন রাজার লেখা "A Stranger in My Own Country"
খুলনার একটি ক্যাম্প থেকে কাচের জারে ফরমালিনে সংরক্ষিত রাখা মেয়েদের শরীরের বিভিন্ন অংশ পাওয়া যায় যা খুব নিখুঁতভাবে কাঁটা ছিলো। এটা পুরোটাই ছিলো পাকিস্তানি সেনাদের বিনোদনের উদ্দেশ্যে। তারা পরখ করতো মেয়েদের শরীরের বিভিন্ন অংশ কেমন!
আমাদের সংস্থায় আসা ধর্ষিত নারীদের প্রায় সবারই ছিল ক্ষত-বিক্ষত যৌনাঙ্গ। বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে ছিড়ে ফেলা রক্তাক্ত যোনিপথ, দাঁত দিয়ে ছিড়ে ফেলা স্তন, বেয়োনেট দিয়ে কেটে ফেলা স্তন-উরু এবং পশ্চাৎদেশে ছুরির আঘাত নিয়ে নারীরা পুনর্বাসন কেন্দ্রে আসতো।"
- মালেকা খান/ সমাজকর্মী।
এক টর্চার সেলের প্রায় ১০ হাজার বাঙ্গালীকে নির্যাতন করেছিলো পাকিস্তানীরা। যার ফলে সেই মেঝেতে ৩ ইঞ্চি উঁচু রক্তের জমাট বেঁধে গিয়েছিলো।
কর্ণেল নাদির আলী নামের এক পাকিস্তানী অফিসার লিখেছিলেন,
১৯৭৩ সালে আমি ছয় মাস পাগলাগারদে ছিলাম। আমি কেন পাগল হয়ে গেলাম? আসলে আমি সেনাবাহিনীর আগ্রাসনের সামষ্টিক অপরাধবোধে ভুগছিলাম, যে গণ-অপরাধ ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসের মধ্যেই বন্ধ করা উচিত ছিল।’
সূত্র - khaki dissident on 1971 by Colonel Nadir Ali.
বিজয় এতো সহজে আসেনি! বিজয় কেবল রণাঙ্গনে যুদ্ধ করে আসেনি! বিজয় এসেছে বহু ভয়ংকর অধ্যায়ের পরে। এমন লাখ লাখ ভয়াবহতার পর!
মুক্তিযুদ্ধ স্রেফ কেবল একটি যুদ্ধ না তো; মুক্তিযুদ্ধ একটা জাতির জন্ম পরিচয়, প্রতিটি মাধ্যম।
কি করে ভুলি এতো এতো আত্মত্যাগ? মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতম অধ্যায়গুলো কী এড়ানো আসলেই সম্ভব?
সবাই বলছি , মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস! মুক্তিযুদ্ধ তো কেবল ইতিহাসের মতো ক্ষুদ্র একটা জিনিষও না..!
লেখা- জাফর ওয়াজেদ

25/01/2024

ধরুন, বাসের ভাড়া দিয়ে নেমে দেখলেন, ভাংতি হিসাবে হেল্পার আপনাকে যে বিশ টাকার নোটটা ধরিয়ে দিয়েছে সেটাতে তিনটা জোড়াতালি।
আপনাকে নিতান্তই অসাবধান এবং সরল পেয়ে বেচারা হাসতে হাসতেই তার 'চালাতে না পারা' নোটখানা ধরিয়ে দিয়ে হাওয়া হয়ে গেছে।
বাস থেকে নেমে আপনি রিক্সায় উঠলেন। রিক্সা ভাড়া চল্লিশ টাকা। মোক্ষম একটা সুযোগ এলো আপনার হাতে— হেল্পারের ধরিয়ে দিয়ে যাওয়া ছিঁড়ে-ফাঁড়া বিশ টাকার নোটটাকে অন্য একটা বিশ টাকার নোট, কিংবা দুটো দশ টাকার নোটের সাথে মিশিয়ে দিয়ে রিক্সাওয়ালার কাছে আপনি তা অনায়েশে চালিয়ে দিতে পারেন। বেচারা টের পেলে তো পেলোই, না পেলে নির্বিঘ্নে আপদটা অন্যের ঘাঁড়ে উঠিয়ে দেওয়া গেলো!
কিন্তু, সেই ছেঁড়া-ফাঁড়া বিশ টাকার নোট অন্য নোটের সাথে মিশিয়ে রিক্সাওয়ালাকে গছাতে গিয়েও শেষ পর্যন্ত পারলেন না।
আপনি ভাবলেন— কেউ একজন আমার সাথে অন্যায় করেছে বলে সেই একই অন্যায় আমি অন্য একজনের সাথে করতে পারি? এমনও তো হতে পারে, এই ছেঁড়া নোট রিক্সাওয়ালাটা কোথাও চালাতে পারলো না। এই নোট চলবে না বলে তাকে দোকানদার চাল না দিতে পারে, ওষুধের দোকানদার ওষুধ না দিতে পারে, এমনকি, নিজের মেয়ের জন্য একটা খেলনা কিনতে গেলেও এই নোটের কারণে তাকে ফেরত আসতে হতে পারে।
মানিব্যাগ থেকে নোটটা বের করতে গিয়েও শেষ পর্যন্ত বের করা হলো না আপনার। রিক্সাওয়ালাকে চকচকে দুটো বিশ টাকার নোট দিয়ে ছেঁড়া নোটটাকে মানিব্যাগের অবহেলিত কোণটায় গুঁজে রাখলেন।
এই যে শেষ মুহূর্তের এই বোধ— এটা হলো তাকওয়া। এই কাজটার সাক্ষী কেবল আপনি আর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা। দুনিয়ার আর কেউ এই ব্যাপারে জানে না। না আপনাকে ধোঁকা দিয়ে যাওয়া সেই বাসের হেল্পার, না ধোঁকায় ফেলতে গিয়েও ফেলতে না পারা রিক্সাওয়ালা— কেউ না।
হতে পারে, কেবল এমন একটা অতি-ক্ষুদ্র কাজের জন্য আখিরাতে আপনি জান্নাতে পৌঁছে যাবেন। হতে পারে আপনার সেদিনকার এই কাজটা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালার এতো পছন্দ হয়ে যায় যে— তিনি আপনার পূর্বের আর পরের সমস্ত গুনাহ হয়তো মাফ করে দেবেন।
কখনোই কোন ভালো কাজকে তুচ্ছ জ্ঞান করে এড়িয়ে যাবেন না সেটা যতো ক্ষুদ্র-ই হোক না কেনো। ওই কাজটাই হয়ে উঠতে পারে আখিরাতে আপনার নাজাতের চাবিকাঠি।

লেখা- আরিফ আজাদ

03/12/2023

১। বাকী রাজা খাজনা, মোটে ভাল কাজ না

২। ভরপেট না ও খাই, রাজকর দেওয়া চাই।

৩। যাই যদি যাক প্রান, হিরক এর রাজা ভগবান।

৪। যে করে খনি তে শ্রম, যেন তারে ডরে জম।

৫। অনাহারে নাহি খেদ, বেশি খেলে বাড়ে মেদ।

৬। লেখা পড়া করে যে, অনাহারে মরে সে।

৭। জানার কোন শেষ নাই,জানার চেষ্টা বৃথা তাই।

৮। বিদ্যা লাভে লোকসান, নাহি অর্থ নাহি মান।

৯। হীরক রাজা বুদ্ধিমান, করো সব ই তার জয়গান।

কমন পরছে

কাঠের ঘানি থেকে উৎপাদিত বিশুদ্ধ সরিষার তেল।সরিষারতেল কাঠের ঘানির (COLD PRESSED) থেকে তেল বের করা হয়। এই তেল হয় খুব ঘন এব...
09/03/2023

কাঠের ঘানি থেকে উৎপাদিত বিশুদ্ধ সরিষার তেল।

সরিষারতেল কাঠের ঘানির (COLD PRESSED) থেকে তেল বের করা হয়। এই তেল হয় খুব ঘন এবং ঝাঁঝযুক্ত।

এই তেল সবচেয়ে বেশী স্বাস্থ্য উপকারী। এটা হজম শক্তি বাড়ায়, হৃদপিন্ড ভাল রাখে, চুল গজানোয় সাহায্য করে এবং শরীরের মাংশ শক্ত হয়ে যাওয়া (MUSCLE STIFFNESS) রোধ করে।

আমাদের সরিষার তেলের বৈশিষ্ট্য:
🌴নিজস্ব তত্ত্বাবধায়নে উৎপাদিত
🌴দেশি সরিষার তেল
🌴কাঠের ঘানির প্রথম চাপের তেল
🌴সম্পূর্ণ কেমিক্যাল মুক্ত
🌴 তেলের ফিল্টারিং ব্যবস্থা আছে
🌴কোল্ড প্রেস সরিষার তেল
🛍️৫/২/১/০.৫ লিটার বোতল করে নিতে পারেন

#সরিষাফুলেরমধু
#সরিষা
#ঘি #ক্রিমেরঘি
#সরেরঘি
#শ্বেতীসরিষা
#মাঘীসরিষা
#কোল্ডপ্রসেস
#ঘানি




মধুর রয়েছে হরেক রকমের উপকারিতা। এটি দারুণ শক্তি প্রদায়ী, হজমে সহায়ক, পাকস্থলীর সুস্থতায়, যৌন দুর্বলতায়, হজম শক্তি বৃদ্ধি...
07/03/2023

মধুর রয়েছে হরেক রকমের উপকারিতা। এটি দারুণ শক্তি প্রদায়ী, হজমে সহায়ক, পাকস্থলীর সুস্থতায়, যৌন দুর্বলতায়, হজম শক্তি বৃদ্ধিতে, শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে দারুণ কাজ করে। প্রায় ৪৫ ধরণের খাদ্য উপাদান আছে মধুতে। তাই আমরা নিজেদের তত্বাবধায়নে বাগান থেকে সংগ্রহ করে কাঁচের জারে সংরক্ষণ করে থাকি যাতে খাদ্য উপাদান অক্ষুণ্ণ থাকে।

আমাদের কাছে সরিষা ফুলের মধু পাচ্ছেন এক কেজি, আধা কেজি এবং ২৫০ গ্রামের জারে।

১ কেজি সরিষা ফুলের মধুঃ টাকা ৭০০
আধা কেজি সরিষা ফুলের মধুঃ টাকা ৩৬০
২৫০ গ্রাম সরিষা ফুলের মধুঃ টাকা ১৯০


#সরিষাফুলেরমধু
#মধু

আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল রুজির মাধ্যম হিসাবে মনোনীত করেছেন আর সুদকে করেছেন হারাম অথচ মানুষ ব্যবসা কে হারাম পথে পরিচালিত করা...
22/02/2023

আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল রুজির মাধ্যম হিসাবে মনোনীত করেছেন আর সুদকে করেছেন হারাম অথচ মানুষ ব্যবসা কে হারাম পথে পরিচালিত করার মাধ্যমে অধিক মুনাফা অর্জন কে প্রাধান্য দিচ্ছে। পরিণামে মানুষ টাকার বিনিময়ে কিনছে বিষ। আফসোস।

এসব ভেজালের ভিড়ে সঠিক গুনগত মানের পণ্য যারা মানুষকে সরবরাহ করে যাচ্ছেন তাদের জন্য রইল শুভকামনা।

আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে আমরা ব্যবসায়ের সঠিক নীতি মাথায় রেখে শুরু করতে যাচ্ছি আমাদের প্রতিষ্ঠান আলহায়া। আমাদের উদ্দেশ্য হল ন্যায্য মূল্যে সঠিক পরিমাণের নির্ভেজাল পণ্য আমাদের কাস্টমারের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আমাদের লক্ষ্য পরিপূর্ণ কাস্টমার সেটিস্ফেকশন অর্জনের মাধ্যমে আমাদের পণ্য বিক্রয় করা, সঠিক সময়ে পণ্য ডেলিভারি নিশ্চিত করা, ইজি রিটার্ণ পলিসি (পণ্য পছন্দ না হলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পণ্য ফেরত পাঠাতে পারবেন, মূল্য ফেরত নিশ্চিত করা হবে)।

Address

530, West Shewrapara, Mirpur
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alhaya Mart posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Alhaya Mart:

Shortcuts

Share

Category