Mash Corporation

Mash Corporation Best Quality @ Reasonable Price
My Country My Products (আমার দেশ আমার পণ্য)
দেশীয় পণ্য কিনে হন ধন্য

কেন Mash Corporation অন্যদের থেকে আলাদা। এবং অনেক অনলাইন শপের ভিড়ে কেন আপনারা Mash Corporation থেকে পণ্য কিনবেন?? Mash Corporation সম্পূর্ণ একটি সুন্নাহ ভিত্তিক বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান। যেখানে আপনার প্রতারিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
Mash Corporation সব সময় অরিজিনাল ও গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য বিক্রয় করে থাকে। আর আমাদের ডেলিভারি চার্জ নেই। সারাদেশে আমরা REDX/Delivery Tiger এর মাধ্যমে হোম ডেলিভারি করে থা

কি।
পণ্য সবাই বিক্রি করে কিন্তু Mash Corporation পণ্য বিক্রির পর বিক্রয়োত্তর সেবা সবসময় নিশ্চিত করে থাকে। যেহেতু আমাদের নিজস্ব সম্পূর্ণ ডিজিটাল সার্ভিস সেন্টার আছে। তাই নিশ্চিন্তে প্রোডাক্ট এর ওয়ারেন্টি গুলো পেয়ে যাবেন। আমাদের যেই প্রোডাক্টগুলো ওয়ারেন্টি থাকে সেই প্রোডাক্টের কোন সমস্যা হলে আমরা তা নিজ খরচে ঠিক করে দেই বা পণ্য ঠিক না হলে নতুন পণ্য পৌঁছে দিয়ে থাকি।(শর্ত প্রযোজ্য)
কোন পণ্য অর্ডার এরপর আপনার হাতে পৌছালে তা ভালো না লাগলে আপনি তা পরিবর্তন করতে পারবেন। অথবা পণ্যের সম্পূর্ণ টাকা ফেরত নিতে পারবেন। কিন্তু এক্ষেত্রে কুরিয়ার চার্জ আপনার বহন করতে হবে।
আমরা তাল দেখিয়ে তিল বিক্রি করি না। আপনি যে প্রোডাক্টটির ছবি দেখে অর্ডার করবেন‌ সেই প্রোডাক্টটিই আপনার কাছে যাবে।
Mash Corporation এর প্রত্যেকটি ঘড়ি অরজিনাল ও খুবই সুন্দর বক্সে ডেলিভারি করা হয়ে থাকে। কিন্তু আপনারা যদি কাউকে গিফট করতে চান সেটা আমাদের বললে আমরা প্রোডাক্টটি কে গিফট পেপার এর রেপিং করে তারপর ডেলিভারি করে থাকি এটাও সম্পূর্ণ ফ্রি।
বাবা ,মা ও কোরআনের হাফেজ দের জন্য কেনা প্রত্যেকটি প্রোডাক্টে ডিসকাউন্ট থাকবে।
সর্বোপরি মহান আল্লাহতালার সন্তুষ্টির জন্যই Mash Corporation ব্যবসা করে। আল্লাহতায়ালা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন (বাকারা ২৭৫)।পরস্পরের সম্মতিক্রমে যে ব্যবসা করা হয় তা বৈধ।(নিসা ২৯)

30/03/2025
26/02/2025
— ইচ্ছেমাফিক নাপা খাওয়ার কুফল। (সচেতনতামূলক পোস্ট) আমাদের মাঝে যারা ব্যথা বা হালকা জ্বর হলে নাপা অথবা নাপা এক্সট্রা, প্য...
05/02/2025

— ইচ্ছেমাফিক নাপা খাওয়ার কুফল। (সচেতনতামূলক পোস্ট)

আমাদের মাঝে যারা ব্যথা বা হালকা জ্বর হলে নাপা অথবা নাপা এক্সট্রা, প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খায়। পোষ্টটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে শেয়ার করলাম। সবাই শেষ পর্যন্ত পড়বেন।

চেম্বারে রুগী এসেছে....
আমিঃ জিজ্ঞাসা করলাম, কি সমস্যা?
রোগীঃ স্যার কিডনি ডেমেজ, সেরাম ক্রিয়েটিনিন ১৪, হিমোগ্লোবিন ৮.৪।
আমিঃ কবে থেকে সমস্যা?
রোগীঃ স্যার ১ মাস হলো ধরা পরছে।
আমিঃ ধরেই ১৪ হয়ে গেলো কি করে? আগে টের পান নি?
রোগীঃ না স্যার, বুমী ভাব,পা গুলা ফুলা লাগায় ডাক্তার এর কাছে গেলে , ডাক্তার সেরাম ক্রিয়েটিনিন লেভেল পরীক্ষা করে দেখে ১৪। এটা দেখে ডাক্তার সাহেব বলছে ডায়লাইসিস করার জন্য।

আমিঃ আচ্ছা আপনি কি কখনো নাপা, নাপা এক্সটা, পেরাসিট্যামল,ব্যাথার ঔষধ অনেক দিন খেয়েছেন?
রোগীঃ জি স্যার, নাপা খাইতাম একটু শরীর খারাপ লাগলেই।
আমিঃ অ্যাহ্, কি ক্ষতিটাই না করলেন। কে বলছে আপনাকে কথায় কথায় নাপা, নাপা এক্ট্রা খাইতে?
রোগীঃ স্যার, এগুলাতো অনেকেই খায়। তাই আমিও খাইতাম।
আমিঃ আমি আমার এইটুকু বয়সে যতো রুগী দেখেছি তার মধ্যে ৭০% কিডনী ডেমেজ এর রোগী এবং এই সকল কিডনি রোগীদের মধ্যে ৭০-৮০% হয় কিছু দিন ব্যাথার ঔষধ খেয়েছে , না হয় নাপা, নাপা এক্সট্রা , প্যারাসিটামল খেয়েছে , না হয় এলার্জির ঔষধ দীর্ঘ দিন খেয়েছে।
রোগীঃ আগে জানলে কি আর খাইতাম? স্যার এই কথা বলার মানুষ পাই নাই, তাই জানতাম ও না।

‘সময় থাকতে বুঝলে ভালো, না হয় যখন বুঝবেন তখন অনেক দেরি হয়ে যাবে’।

লেখা- Dr. Syed Golam Gous Ashrafi (কপি)

15/06/2024

ইলিশের উপকারিতা

ইলিশ বাঙালির খুব প্রিয় মাছ। ইলিশ শুধু আমাদের জাতীয় গৌরবের প্রতীক নয় অর্থনীতির সহায়ক শক্তিও বটে। এ মাছ যেমন সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিগুণে ভরপুর। ১০০ গ্রাম ইলিশে প্রায় ২১ দশমিক ৮ গ্রাম প্রোটিনের পাশাপাশি রয়েছে উচ্চ পরিমাণ ওমেগা তিন ফ্যাটি এসিড, নায়সিন, ট্রিপ্টোফ্যান, ভিটামিন বি ১২, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনে সিয়ামসহ অন্যান্য ভিটামিন ও মিনারেলস। শর্ষে ইলিশ, ভাপা, ইলিশ পাতুরি, দই ইলিশ, ইলিশের টক, ভাজা, ইলিশের ডিম আর কত কী যে বাঙালি ইলিশ দিয়ে রাঁধতে পারে তার তালিকা শেষ হবে না। পাঠক জেনে নিন ইলিশ মাছের উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ সম্পর্কে-

* হার্টের জন্য ভালো : ইলিশ মাছে প্রচুর পরিমাণ ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকায় রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম থাকে। সামুদ্রিক মাছ হিসেবে ইলিশে সম্পৃক্ত চর্বি কম থাকে। ফলে হার্ট থাকে সুস্থ।

* রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় : ইলিশ মাছ রক্তনালির স্বাস্থ্যরক্ষায় ভালো। এতে উচ্চ ও DHA নামক ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। তাই ইলিশ মাছ খেলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়।
* ত্বকের যত্নে : ত্বকের সৌন্দর্য রক্ষায় ও রোদ থেকে ত্বকের ক্ষতি হওয়া প্রতিরোধে ইলিশ মাছের ওমেগা ৩ ফ্যাট সাহায্য করে। তাছাড়া ইলিশ মাছে থাকা প্রোটিন কোলাজেনের অন্যতম উপাদান।

06/06/2024

স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং ফিটনেস ধরে রাখুন

সারা বিশ্বে মানুষের মাঝে কায়িক পরিশ্রমের প্রবণতা কমছে। আর রোগব্যাধির প্রবণতা বাড়ছে। যে কোনো বয়সের মানুষের শরীর ঠিক রাখতে ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই। তবে সব ব্যায়াম সব বয়সের জন্য উপযোগী নয় এবং সব বয়সে সব ধরনের ব্যায়াম সম্ভবও নয়।

কিন্তু হাঁটা এমন একটি ব্যায়াম, যা যে কোনো বয়সের নারী-পুরুষের জন্য সহজেই সম্ভব, মানানসই, উপযোগী এবং এর মতো সহজ, ভালো ব্যায়াম আর নাই। হাঁটার উপকারিতাও অনেক। উপযুক্ত পোশাক এবং এক জোড়া ভালো জুতা ছাড়া কোনো অতিরিক্ত খরচের প্রয়োজন পড়ে না, ঘরে বাইরে যে কোনো জায়গায় করা যায়। ব্যক্তির শারীরিক ক্ষমতা অনুযায়ী এর সময় এবং তীব্রতা বাড়ানো-কমানো যায়।

হাঁটা নিয়ে হয়েছে বিস্তর গবেষণা, যার ফলাফল চমকপ্রদ। যারা নিয়মিত হাঁটা-চলার মধ্যে থাকেন, তাদের আলাদা ব্যায়ামের দরকার হয় না, যদিও সম্ভব হলে অন্যান্য ব্যায়াম করা উচিত। যারা সারা দিন অনেকক্ষণ ধরে এক জায়গায় বসে বসে কাজ করেন এবং অলস জীবনযাপন করেন, তাদের অবশ্যই কিছু সময় হলেও একটু একটু করে হাঁটা-চলা এবং ব্যায়াম করা দরকার। এতে শরীরের রক্ত চলাচল বাড়ে, উচ্চ রক্তচাপ, শারীরিক স্থূলতা, ডায়াবেটিস, স্ট্রোক, এমনকি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও সহায়তা করে, শরীর থাকে সচল আর মন মেজাজ থাকে ফুরফুরে।

ডায়াবেটিস রোগীর উপকার

ডায়াবেটিস রোগীর ব্যায়ামের বিকল্প নেই। সকাল-সন্ধ্যা নিয়মিত হাঁটাচলা, হাট-বাজারে বা অল্প দূরত্বে রিকশা বা গাড়ি ব্যবহার না করা, অল্প কয়েক তলার জন্য লিফট ব্যবহার না করে হেঁটে ওঠা বা নামা ইত্যাদির মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে পাঁচ দিন বা সপ্তাহে মোট ১৫০ মিনিট হাঁটলে এবং শরীরের ওজন ৭ শতাংশ কমালে টাইপ টু ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা কমে প্রায় শতকরা ৫৮ ভাগ।

আর যদি ডায়াবেটিস হয়েই থাকে, তবে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও হাঁটা বিশেষ কার্যকর। হাঁটাহাঁটি করলে শরীরের পেশিতে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ে এবং শরীরে রক্তের সুগার কমে, ওষুধ লাগে কম।

ওজন নিয়ন্ত্রণ

নিয়মিত হাঁটলে শরীরে জমে থাকা মেদ কমে, ওজন কমাতে সহায়ক হয়। অনেকেই শরীরের ওজন কমাতে শুধু ডায়েটিং করেন। কিন্তু হাঁটাহাঁটি না করে বা অলস জীবনযাপন করে শুধু ডায়েট কন্ট্রোলের মাধ্যমে ওজন কমানো সম্ভব নয়, উচিতও নয়। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি ওজন নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির মূল চাবিকাঠি স্বাস্থ্যকর, সুষম খাবার এবং নিয়মিত হাঁটা-চলা ও ব্যায়াম।

হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা :

নিয়মিত হাঁটলে হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, ফলে স্বল্প চেষ্টায় শরীরে বেশি পরিমাণে রক্ত সরবরাহ করতে পারে এবং ধমনির ওপরও চাপ কম পড়ে। উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকে কম। এ ছাড়া রক্তনালির দেয়ালে চর্বি জমে কম। ফলে রক্তনালি সরু হয় না, সহজে ব্লক হয় না, রক্তনালির দেয়াল শক্ত হয় না। তাই হৃদরোগের কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি কমে প্রায় ৩৫ থেকে ৫০ শতাংশ। এছাড়া হাঁটা

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে নিয়মিত ব্যায়াম বা হাঁটা। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাঁটা-চলা অনেকটা উচ্চ রক্তচাপরোধী ওষুধের মতো কাজ করে। হাঁটার ফলে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে, আর আগে থেকেই থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

রক্তের চর্বি বা কোলেস্টেরল

নিয়মিত হাঁটার ফলে ভালো কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বাড়ে। হাঁটা-চলা না করলে মন্দ কোলেস্টেরল বা এলডিএলের পরিমাণ বেড়ে, তা ধমনির গায়ে জমা হয়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। যারা সপ্তাহে অন্তত তিন ঘণ্টা অথবা দৈনিক আধা ঘণ্টা করে হাঁটেন, তাদের রক্তে এলডিএল কমে যায় এবং হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমে।

স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস

মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোকের অন্যতম একটি রিস্ক ফ্যাক্টর হচ্ছে অলস জীবনযাপন করা, স্থূলতা বা অতিরিক্ত মোটা হওয়া। হাঁটা-চলা বা ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরের মেদ কমে যায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে আসে। ফলে স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে আসে। দৈনিক এক ঘণ্টা করে সপ্তাহে পাঁচ দিন হাঁটার মাধ্যমে স্ট্রোকের ঝুঁকি শতকরা ৫০ ভাগ কমে যায়।

কর্মক্ষমতা : হাঁটার সময় হৃৎস্পন্দন ও শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি এবং রক্ত সরবরাহ বাড়ে, এগুলো বেশি কর্মক্ষম থাকে। হাঁটার ফলে পেশিতে রক্ত সরবরাহ বাড়ে এবং পেশির শক্তি বাড়ে। শরীরের ওজন কমে। শরীর থাকে ফিট। নিজেকে মনে হয় বেশি শক্তিশালী, মন থাকে প্রফুল এবং সার্বিকভাবে বেড়ে যায় শরীরের কর্মক্ষমতা।

ক্যান্সারের ঝুঁকি

কিছু কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি হাঁটা-চলার মাধ্যমে কমানো সম্ভব বলে অনেক গবেষণায় দেখা গেছে। ব্রিটিশ জার্নাল অব ক্যান্সার স্টাডিতে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাঁটার ফলে খাদ্যনালির নিম্নাংশের ক্যান্সারের ঝুঁকি ২৫ শতাংশ হ্রাস পায়, দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়, কমে যায় কোলন বা বৃহদান্ত্রের ক্যান্সারের আশঙ্কাও।

অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয়রোগ

বয়স্ক পুরুষদের এবং পোস্ট-মেনোপজাল বা মাসিক বন্ধের পর নারীদের সাধারণ রোগ হচ্ছে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয়রোগ। এই রোগে হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। সামান্য আঘাত বা অল্প উচ্চতা থেকে পড়ে গিয়ে ভেঙে যেতে পারে হাড়। নিয়মিত হাঁটা-চলা এ ক্ষেত্রে উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব পোস্ট-মেনোপজাল নারী প্রতিদিন অন্তত এক মাইল হাঁটেন, তাদের হাড়ের ঘনত্ব কম হাঁটা নারীদের তুলনায় বেশি। হাঁটার ফলে হাড় ক্ষয়ের প্রবণতা হ্রাস পায়, তেমনি আর্থ্রাইটিসসহ হাড়ের নানা রোগের আশঙ্কাও কমে যায়।

মানসিক স্বাস্থ্য

হাঁটলে মস্তিষ্কে ভালো লাগার কিছু পদার্থ যেমন এনডর্ফিন, ডোপামিন, সেরোটোনিন নিঃসরণ হয়। ফলে মনমেজাজ থাকে ভালো। হাঁটার ফলে মনে ভালো লাগার অনুভূতি জাগে, মানসিক চাপ বোধ কম হয়। এনডর্ফিন নামক রাসায়নিকের ক্রিয়া বেড়ে গেলে ঘুম আরামদায়ক হয়। প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে তিন থেকে পাঁচ দিন হাঁটার ফলে বিষণ্নতার উপসর্গ ৪৭ শতাংশ হ্রাস পায়। অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে, যে নারীরা সপ্তাহে অন্তত দেড় ঘণ্টা হাঁটেন, তাদের বোধশক্তি সপ্তাহে ৪০ মিনিটের কম হাঁটা নারীদের তুলনায় বেশি।

হাঁটার আরও কিছু উপকার :

(১) যারা সকালে হাঁটতে অভ্যস্ত, তাদের শরীর ঝরঝরে হয়ে যায়। বেড়ে যায় শরীরের কর্মক্ষমতা। (২) শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, সাধারণ অসুখ বিসুখ কম হয়। অনেক সময় ইনফ্লেমেশন হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে। (৩) হাঁটার সময় হৃদস্পন্দন আর শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি বেড়ে এ দুটি ভাইটাল অঙ্গের রক্ত সরবরাহ বাড়ায়। (৪) হাঁটার ফলে পেশিতে রক্ত সরবরাহ বাড়ে, পেশির শক্তি বাড়ে, শরীরের ওজন থাকে গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে। (৫) দুশ্চিন্তা কমায় ও মানসিক প্রশান্তি বাড়ায়, শরীর মন চাঙ্গা রাখে। (৬) অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। (৭) ফুসফুসের অক্সিজেন ধারণ সক্ষমতা বৃদ্ধি।

জেনে রাখা ভালো :

হাঁটার উপকার পেতে প্রতিদিন, ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট ধরে হাঁটতে হবে। সম্ভব হলে হাঁটতে হবে যথেষ্ট দ্রুত গতিতে যেন শরীরটা একটু ঘামে। নিম্নে কিছু টিপস দেওয়া হলো :

(১) হাঁটা শুরু করার প্রথম ও শেষের ৫-১০ মিনিট আস্তে হেঁটে শরীরকে ওয়ার্মআপ এবং ওয়ার্ম ডাউন করা উচিত।

(২) হাঁটার আগে এবং পরে একটু পানি পান করুন। (৩) খাওয়ার পর পরই হাঁটবেন না। ৪৫ মিনিট থেকে ৬০ মিনিট অপেক্ষা করুন। (৪) দুপুরের ভরা রোদে হাঁটবেন না। সকাল বা বিকেলের একটি সময় বেছে নিন। (৫) হাঁটা শেষ করে এক থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যে কিছু খেয়ে নিন। (৬) অনেককে দেখা যায় অনেকক্ষণ হেঁটে বা ব্যায়াম করার পর ক্লান্ত হয়ে কোমল পানীয় বা মিষ্টি জাতীয় খাদ্য খেয়ে ফেলেন। এগুলো ওজন কমানোর সহায়ক কিছু হয় না।

কখন হাঁটবেন :

সকালে হাঁটবেন, নাকি বিকেলে বা সন্ধ্যায়, এ নিয়ে কিছুটা বিতর্ক আছে। কেউ বলেন, সকালের চেয়ে বিকেলে হাঁটা হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো। তবে কারও কারও মতে ভোরে খালি পেটে হাঁটা ওজন এবং রক্তে চর্বির মাত্রা কমাতে বেশি সহায়ক। তবে একটি বিষয়ে সবাই একমত, হাঁটার প্রকৃত সুফল পাওয়ার জন্য প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে পাঁচ দিন বা মোট ১৫০ মিনিট হাঁটতে হবে, তা সকালেই হোক বা বিকেলেই হোক। তবে নির্দিষ্ট করে প্রতিদিন একই সময় বেছে নিলেই ভালো। হাঁটার উপকারিতা অনেক এবং যে কোনোভাবে হাঁটা-চলা করলে কিছু না কিছু উপকার অবশ্যই হবে। তবে শারীরিক অসুস্থতা থাকলে কতটুকু হাঁটা যাবে, তা চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে জেনে নেওয়া উচিত। আমাদের সমাজের সব মানুষের শারীরিক, মানসিক সুস্থতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো, অসংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধ এবং মাদক ও স্মার্টফোন আসক্তি থেকে দূরে রাখতে হাঁটার কোনো বিকল্প নাই। তাই সব বয়সের, নারী-পুরুষ কম-বেশি হাঁটুন, সুস্থ থাকুন।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক।

04/06/2024

Emergency Pocket Rain Card
এই বৃষ্টির দিনে ছাতা বা রেইনকোট ছাড়া কোনো গতি নেই ।কিন্তু ছাতা আর রেইনকোট হাতে নিয়ে ঘুরতে ভাল্লাগে না আবার বহন করাও ঝামেলা এত বড় জিনিস।আমাদের কথা ভেবেই চলে এসেছে রেইনকার্ড ।এটা ভাঁজ করলে একটা কার্ড এর সমান ছোট হয়ে যায়। যা আপনি খুব সহজেই ক্যারি কর‍তে পারবেন আপনার ব্যাগে বা মানিব্যাগে।এটা আপনি একাধিক বার ব্যবহার করতে পারবেন এবং পরিষ্কারও করতে পারবেন।যা পেয়ে যাচ্ছেন অনেক অনেক রিজন্যাবল প্রাইসে।
পাইকারি ও খচুরা পাওয়া যাবে
ঢাকার মধ্যে ক্যাশ অন ডেলিভারি ।
ডেলিভারির সময় - ঢাকার মধ্যে (১-২ দিন) , ঢাকার বাইরে (৩-৫ দিন
For Order inbox or
Contact:
Mobile 01913390341 or 09696690341
https://www.facebook.com/Mash-Corporation-109393730920672

08/02/2024

এই ফলের বীজ খেলে ক্যান্সার পালাবে যোজন দূরে
Orange Seeds Benefits: শরীরের যত্ন নিতে এই বীজের ভূমিকা অনবদ‍্য। শরীর যত্ন কী ভাবে নেয় এই বীজ? শরীরের ক্লান্তি কাটাতে এই বীজ খুব উপকারী। শরীর চাঙ্গা করে তুলতে ভরসা রাখতে পারেন বীজে। এই বীজে রয়েছে পালমিটিক, ওলেইক, লিনোলেইক অ‍্যাসিড। এই বীজ শরীরের প্রতিটি কোষ সচল রাখতে সাহায‍্য করে।
কমলালেবুর কোয়া খেতে খেতে হঠাৎ বীজে কামড় দিলে মুখ তেতো হয়ে যায়। কমলালেবুর খেতে মিষ্টি হলেও বীজ তেতো হয় এবং খাওয়া যায় না। কিন্তু এমন নয় যে কমলালেবুর বীজের কোনও গুণ নেই।
শরীরের যত্ন নিতে এই বীজের ভূমিকা অনবদ‍্য। শরীর যত্ন কী ভাবে নেয় এই বীজ? শরীরের ক্লান্তি কাটাতে কমলালেবুর বীজ খুব উপকারী। শরীর চাঙ্গা করে তুলতে ভরসা রাখতে পারেন কমলালেবুর বীজে।
এই বীজে রয়েছে পালমিটিক, ওলেইক, লিনোলেইক অ‍্যাসিড। এই বীজ শরীরের প্রতিটি কোষ সচল রাখতে সাহায‍্য করে। কমলালেবুতে তো বটেই, এর বীজেও রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট।
শীতকালে সর্দিকাশি, জ্বর লেগেই রয়েছে। প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকার কারণে এমন হয় মূলত। কমলালেবুর বীজ শীতকালীন সংক্রমণ ঠেকাতে পারে।
এতে রয়েছে ভিটামিন সি, ফাইবারের মতো প্রয়োজনীয় উপাদান। যা রোগের সঙ্গে লড়াই করার শক্তি জোগায় শরীরে। ব্রণ, দাগছোপ, র‌্যাশ— ত্বকের সমস্যার শেষ নেই।
কমলালেবুর বীজে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট আছে। তার ফলে আমাদের শরীর হাইড্রেটেড ও তাজা থাকে। সার্বিক সুস্থতা বজায় থাকে। কমলালেবুর যে মিষ্টি গন্ধ, সেটা থাকে এর বীজেই।
তাই বীজ থেকে নেওয়া এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার করতে পারেন কেকের মিক্সিংয়ে। এই এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিন স্নানের জলে। কাজে লাগাতে পারেন ঘরবাড়ি থেকে দুর্গন্ধ দূর করতেও।
শরীরে জমে থাকা যাবতীয় দূষিত পদার্থ বাইরে বার করে দিতে পারে এই বীজ। শরীরের এই টক্সিন ওজন বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। কমলালেবুর বীজের গুঁড়ো গরম জলে মিশিয়ে খেলে ওজন কমে দ্রুত।

05/02/2024

নিমপাতার গুণাগুণ
নিম একটি ঔষধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে নিম খুবই কার্যকর। আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার। আসুন জেনে নেওয়া যাক নিমের পকারিতাগুলো;
ত্বক : বহুদিন ধরে রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে।
চুল : উজ্জ্বল, সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন চুল পেতে নিমপাতার ব্যবহার বেশ কার্যকর। চুলের খুশকি দূর করতে শ্যাম্পু করার সময় নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে চুল ম্যাসেজ করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খুশকি দূর হয়ে যাবে।
দাঁতের রোগ : নিমের পাতা ও ছালের গুঁড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন রোগ থেকেও।

31/01/2024

চুল পড়া বন্ধ করতে যে খাবার খাবেন
শীত এলেই বাড়ে চুল পড়ার বিড়ম্বনা। এছাড়া চুলের বৃদ্ধি কমে যাওয়ার মতো সমস্যাতেও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন অনেকে। অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যা, ঋতু পরিবর্তন, ক্ষতিগ্রস্ত চুলের ফলিকল বা সঠিক পুষ্টির অভাবে পড়তে পারে চুল। চুল পড়ারোধী শ্যাম্পু বা প্রসাধনী সাময়িক সমাধান দিতে পারলেও চুলের বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সঠিক পুষ্টি গ্রহণ করার বিকল্প নেই।
জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খেলে যেমন সুস্থ থাকবেন, তেমনি সম্ভব হবে চুল পড়া রোধ করাও। জিঙ্কের সাথে যুক্ত পুষ্টির মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, কারণ জিঙ্ক সাধারণত প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারে পাওয়া যায়। এছাড়া নির্দিষ্ট বি ভিটামিন (বি৬ এবং বি১২) চুলের সর্বোত্তম বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় জিঙ্কের সাথে কাজ করে।
চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে জিংক সমৃদ্ধ কোন কোন খাবার খাবেন?

১. পালং শাক এবং অন্যান্য গাঢ় পাতাযুক্ত সবুজ শাকসবজিতে জিঙ্কের সাথে বিভিন্ন ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান রয়েছে। চুলের বৃদ্ধি বাড়ানোর পাশাপাশি আপনাকে সুস্থ রাখবে এগুলো।
২. ডিমে প্রচুর জিঙ্ক, প্রোটিন এবং বায়োটিন থাকে। বায়োটিন একটি বি-ভিটামিন যা চুল, ত্বক এবং নখের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বায়োটিনের অভাব চুল পড়া বাড়াতে পারে। ডিমের মতো জিঙ্ক এবং বায়োটিন সমৃদ্ধ খাবার চুলের যত্নে দারুণ কার্যকরী।
৩. কুমড়োর বীজ জিঙ্ক সমৃদ্ধ। এগুলো সালাদ, দই বা স্ন্যাক হিসেবে যোগ করে ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।
৪. মসুর ডাল জিঙ্কের উদ্ভিদভিত্তিক উৎস। এগুলো প্রোটিন, আয়রন এবং অন্যান্য পুষ্টিতেো সমৃদ্ধ যা চুলের পাশাপাশি ভালো রাখে শরীরও।
৫. ছোলা জিঙ্কের আরেকটি উদ্ভিদভিত্তিক উৎস। এগুলো সালাদ, স্যুপে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। এছাড়া সাইড ডিশ হিসেবেও পরিবেশন করতে পারেন ছোলা।
৬. কাজু হলো এক ধরনের বাদাম যা জিঙ্ক সমৃদ্ধ। এগুলো আয়রন এবং বায়োটিনের মতো অন্যান্য পুষ্টিরও একটি ভালো উৎস।
৭. দইসহ দুগ্ধজাত পণ্যে জিঙ্ক থাকে। দই প্রোবায়োটিকও সরবরাহ করে, যা মাথার ত্বক ভালো রাখে।

29/01/2024

আনারসের পুষ্টিগুণ
মৌসুমি ফলের নানা গুণ। সেক্ষেত্রে আনারসের জুড়ি নেই। অসংখ্য গুণে গুণান্বিত এই ফল খেয়ে যেমন শরীরে পানির চাহিদা মেটানো যায় তেমনি বাড়তি পুষ্টিগুণ পেতে জুড়ি নেই এর। আনারস পুষ্টির বেশ বড় একটি উৎস। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। এসব উপাদান দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এছাড়া শুনতে অবাক লাগলেও আনারস আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ আনারসে প্রচুর ফাইবার এবং অনেক কম ফ্যাট রয়েছে। সকালে আনারস বা সালাদ হিসেবে এর ব্যবহার অথবা আনারসের জুস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ। ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনে ভূমিকা পালন করে এবং ম্যাঙ্গানিজ হাড়কে করে তোলে মজবুত। নিয়ম করে পরিমিত পরিমাণ আনারস খেলে হাড়ের সমস্যাজনিত রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। -হেলথ জার্নাল।

12/01/2024

সেই আদি আমল থেকে কচ্ছপ আর খরগোশের গল্প আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা ১ম অধ্যায়টাই বেশি শুনেছি। কিন্তু এই গল্পের আরো ৩ টি অধ্যায় আছে। যা হয়তো আমরা কেউ শুনেছি, কেউ শুনিনি।

১ম অধ্যায়ঃ এই অধ্যায়ে খরগোশ ঘুমিয়ে যায়, আর কচ্ছপ জিতে যায়। প্রথমবার হেরে যাওয়ার পর খরগোশ বিশ্লেষণ করে দেখল তার পরাজয়ের মূল কারণ 'অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।' তার মানে অতি আত্মবিশ্বাস যে কারো জন্যই ক্ষতিকর। আর কচ্ছপ বুঝল, লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই!

২য় অধ্যায়ঃ হেরে যাওয়ার পর এবার খরগোশ আবারো কচ্ছপকে দৌড় প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ করল আর কচ্ছপও রাজী হল। এবার খরগোশ না ঘুমিয়ে দৌড় শেষ করল এবং জয়ী হল। খরগোশ বুঝল, মন দিয়ে নিজের সামর্থের পুরোটা দিয়ে কাজ করলে দ্রুত সফল হওয়া যায়। আর কচ্ছপ বুঝল, ধীর স্থিরভাবে চলা ভালো, তবে কাজে উপযুক্ত গতি না থাকলে প্রতিযোগীতামূলক পরিবেশে জয়ী হওয়া অসম্ভব!

৩য় অধ্যায়ঃ কচ্ছপ এবার খরগোশকে আরেকবার দৌড় প্রতিযোগিতার আমন্ত্রন জানালো। খরগোশও নির্দ্বিধায় রাজী হয়ে গেল। তখন কচ্ছপ বলল, "একই রাস্তায় আমরা ২ বার দৌড়েছি, এবার অন্য রাস্তায় হোক।" খরগোশও রাজী। অতএব নতুন রাস্তায় দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হল। যথারীতি খরগোশ জোরে দৌড় শুরু করে দিল। কচ্ছপও তার পিছন পিছন আসতে শুরু করল। কচ্ছপ যখন খরগোশ এর কাছে পৌঁছাল, দেখল খরগোশ দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দৌড়ের শেষ সীমানায় যেতে পারেনি। কারন দৌড়ের শেষ সীমানার আগে একটি খাল আছে। কচ্ছপ খরগোশ এর দিকে একবার তাকালো, তারপর তার সামনে দিয়ে পানিতে নেমে খাল পার হয়ে দৌড়ের শেষ সীমানায় পৌছে প্রতিযোগিতা জিতে গেল। খরগোশ বুঝল, শুধু নিজের শক্তির উপর নির্ভর করলেই হবে না, পরিস্থিতি আর বাস্তবতা অনুধাবন করাও ভীষণ প্রয়োজনীয়! আর কচ্ছপ বুঝল, প্রথমে প্রতিযোগীর দূর্বলতা খুজে বের করতে হবে, তারপর সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।
গল্প কিন্তু এখানেই শেষ নয়

চতুর্থ অধ্যায়ঃ এবার খরগোশ কচ্ছপকে আরেকটি দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য আহবান জানালো এই একই রাস্তায়। কচ্ছপ ও রাজী। কিন্তু এবার তারা ঠিক করল, প্রতিযোগী হিসেবে নয়, বরং এবারের দৌড়টা তারা দৌড়াবে সহযোগী হিসেবে!
শুরু হল প্রতিযোগিতা। খরগোশ কচ্ছপকে পিঠে তুলে দৌড়ে খালের সামনে গিয়ে থামলো। এবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠ থেকে নেমে খরগোশকে নিজের পিঠে নিয়ে খাল পার হল। তারপর আবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠে উঠে বাকী দৌড় শেষ করল আর এবার তার দু'জনই একসাথে জয়ী হল।
আমরা শিখলাম, ব্যক্তিগত দক্ষতা থাকা খুবই ভালো। কিন্তু দলবদ্ধ হয়ে একে অপরের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলেই আসে সত্যিকারের সাফল্য যেখানে সবাই বিজয়ীর হাসি হাসতে পারে।

Address

342/C/1 South Paikpara, Mirpur
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mash Corporation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category