12/01/2021
https://www.facebook.com/104526551548754/posts/109279161073493/?app=fbl
©️
🇧🇩 তেলাপিয়া মাছের ব্যাক্টেরিয়াজনিত রোগসমূহ ও তার চিকিৎসা ।
1️⃣ রোগের নামঃ মোটাইল অ্যারোমোনাস সেপ্টিসেমিয়া
Disease Name: Motile Aeromonas Septicaemia(MAS)
ব্যাকটেরিয়ার প্রজাতিঃ Aeromonas hydrophila
রোগের লক্ষনঃ
🔴 মাছের চলাফেরায় ভারসাম্যহীনতা পরিলক্ষিত হয়। 🔴 মাছ দূর্বল ও মুমূর্ষুভাবে পানির উপরিভাগে সাতার কাটতে থাকে।
🔴 চক্ষু লাল হয়ে যায়।
🔴 চক্ষু বাইরের দিকে স্ফীত ও কর্ণিয়া অস্বচ্ছ হয়ে যায়।
🔴 মাছের আইশ উঠে যায়।
🔴 পেটের ভিতর কালচে অথবা লাল বর্নের তরল পদার্থ জমা হয়।
🔴 মাছের বৃক্ক, যকৃত ও প্লীহা ফুলে যা্য়।
🔴 প্রতিদিন কিছু কিছু মাছ মারা যায়।
চিকিৎসাঃ
🟢 প্রতি শতাংশে ৩ থেকে ৪ গ্রাম পটাশিয়াম পার ম্যাঙ্গানেট ও ৪০০-৫০০ গ্রাম লবন
প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানির সাথে মিশিয়ে পুকুরের সকল স্থানে প্রয়োগ করতে হবে।
🟢 উপরোক্ত পদ্ধতিতে মাছ মরা বন্ধ না হলে অথবা উক্ত রোগ ভাল না হলে
অবশ্যই খাদ্যের সাথে এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করতে হবে।
🟢 প্রতি কেজি খাদ্যের সাথে ১-২ গ্রাম যেকোন ব্রান্ডের অক্সিটেট্রাসাইক্লিন এর সাথে
মিশিয়ে দিনে দুই বার করে মোট ৩-৫ দিন খাওয়াতে হবে।
🟢 বাজারে বহুল পরিচিত এন্টিবায়োটিকের মধ্যে অক্সিসেন্টিন ২০% (নোভারটিস),
এস্কামাইসিন (এস.কে.এফ), ক্যাপটর (নোভারটিস), রেনামাইসিন (রেনাটা)
ইত্যাদির যেকোন একটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
2️⃣ রোগের নামঃ স্ট্রেপ্টোকক্কোসিস
Disease Name: Streptococcosis
ব্যাকটেরিয়ার প্রজাতিঃ Streptococcus iniae & Enterococcus sp.
রোগের লক্ষনঃ
🔴 মাছ অস্থির ও খাড়াভাবে পানির সাতার কাটতে থাকে।
🔴 চোখ বাইরের দিকে স্ফীত হওয়া ও কর্ণিয়া অস্বচ্ছ হয়ে যায়।
🔴 চোখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে লালচে দাগ প্রকট হয়।
🔴 মাছের প্লীহা ফুলে যায় ও কালচে বর্ণ হয়।
🔴 যকৃত বিবর্ণ হয় ও এতে ছোপ ছোপ দাগ দেখা যায়।
🔴 মাছের ফুলকার রঙ অতিরিক্ত লালচে অথবা ফ্যাকাশে হয়ে যায়।
🔴 মাছের ক্ষুধামন্দা হয়।
🔴 মাছের মৃত্যুর হার অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।
চিকিৎসাঃ
🟢 প্রতি কেজি খাদ্যের সাথে ১-২ গ্রাম যেকোন ব্রান্ডের এরিথ্রোমাইসিন এর সাথে
মিশিয়ে দিনে দুই বার করে মোট ৩-৫ দিন খাওয়াতে হবে।
3️⃣ রোগের নামঃ ভাইব্রিয়োসিস
Disease Name: Vibriosis
ব্যাকটেরিয়ার প্রজাতিঃ Vibrio anguillarum
রোগের লক্ষনঃ
🔴 তেলাপিয়ার এই রোগের লক্ষণগুলো ও মোটাইল অ্যারোমোনাস সেপ্টিসেমিয়া
রোগের লক্ষণ প্রায় একই ধরনের যা প্রধানত পুকুরের প্রতিকূল পরিবেশ ও
পানির খারাপ অবস্থার কারনে হয়ে থাকে।
চিকিৎসাঃ
🟢 প্রতি কেজি খাদ্যের সাথে ১-২ গ্রাম যেকোন ব্রান্ডের অক্সিটেট্রাসাইক্লিন এর
সাথে মিশিয়ে দিনে দুই বার করে মোট ৩-৫ দিন খাওয়াতে হবে।
4️⃣ রোগের নামঃ সেপ্টিসেমিয়া
Disease Name: Motile Aeromonas Septicaemia(MAS)
ব্যাকটেরিয়ার প্রজাতিঃ Aeromonas hydrophila
রোগের লক্ষনঃ
🔴 মাছের চলাফেরায় ভারসাম্যহীনতা পরিলক্ষিত হয়।
🔴 মাছ দূর্বল ও মুমূর্ষুভাবে পানির উপরিভাগে সাতার কাটতে থাকে।
🔴 চক্ষু লাল হয়ে যায়।
🔴 চক্ষু বাইরের দিকে স্ফীত ও কর্ণিয়া অস্বচ্ছ হয়ে যায়।
🔴 মাছের আইশ উঠে যায়।
🔴 পেটের ভিতর কালচে অথবা লাল বর্নের তরল পদার্থ জমা হয়।
🔴 মাছের বৃক্ক, যকৃত ও প্লীহা ফুলে যা্য়।
🔴 প্রতিদিন কিছু কিছু মাছ মারা যায়।
চিকিৎসাঃ
🟢 প্রতি শতাংশে ৩ থেকে ৪ গ্রাম পটাশিয়াম পার ম্যাঙ্গানেট ও ৪০০-৫০০ গ্রাম লবন
প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানির সাথে মিশিয়ে পুকুরের সকল স্থানে প্রয়োগ করতে হবে।
🟢 উপরোক্ত পদ্ধতিতে মাছ মরা বন্ধ না হলে অথবা উক্ত রোগ ভাল না হলে
অবশ্যই খাদ্যের সাথে এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করতে হবে।
🟢 প্রতি কেজি খাদ্যের সাথে ১-২ গ্রাম যেকোন ব্রান্ডের অক্সিটেট্রাসাইক্লিন এর সাথে
মিশিয়ে দিনে দুই বার করে মোট ৩-৫ দিন খাওয়াতে হবে।
🟢 বাজারে বহুল পরিচিত এন্টিবায়োটিকের মধ্যে অক্সিসেন্টিন ২০% (নোভারটিস),
এস্কামাইসিন (এস.কে.এফ), ক্যাপটর (নোভারটিস), রেনামাইসিন (রেনাটা)
ইত্যাদির যেকোন একটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
©️ সংগৃহীত