RK Prodhan

RK  Prodhan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from RK Prodhan, Shopping & retail, Dhaka.

13/07/2022
https://www.facebook.com/104526551548754/posts/109279161073493/?app=fbl
12/01/2021

https://www.facebook.com/104526551548754/posts/109279161073493/?app=fbl

©️
🇧🇩 তেলাপিয়া মাছের ব্যাক্টেরিয়াজনিত রোগসমূহ ও তার চিকিৎসা ।

1️⃣ রোগের নামঃ মোটাইল অ্যারোমোনাস সেপ্টিসেমিয়া
Disease Name: Motile Aeromonas Septicaemia(MAS)
ব্যাকটেরিয়ার প্রজাতিঃ Aeromonas hydrophila
রোগের লক্ষনঃ
🔴 মাছের চলাফেরায় ভারসাম্যহীনতা পরিলক্ষিত হয়। 🔴 মাছ দূর্বল ও মুমূর্ষুভাবে পানির উপরিভাগে সাতার কাটতে থাকে।
🔴 চক্ষু লাল হয়ে যায়।
🔴 চক্ষু বাইরের দিকে স্ফীত ও কর্ণিয়া অস্বচ্ছ হয়ে যায়।
🔴 মাছের আইশ উঠে যায়।
🔴 পেটের ভিতর কালচে অথবা লাল বর্নের তরল পদার্থ জমা হয়।
🔴 মাছের বৃক্ক, যকৃত ও প্লীহা ফুলে যা্য়।
🔴 প্রতিদিন কিছু কিছু মাছ মারা যায়।

চিকিৎসাঃ
🟢 প্রতি শতাংশে ৩ থেকে ৪ গ্রাম পটাশিয়াম পার ম্যাঙ্গানেট ও ৪০০-৫০০ গ্রাম লবন
প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানির সাথে মিশিয়ে পুকুরের সকল স্থানে প্রয়োগ করতে হবে।
🟢 উপরোক্ত পদ্ধতিতে মাছ মরা বন্ধ না হলে অথবা উক্ত রোগ ভাল না হলে
অবশ্যই খাদ্যের সাথে এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করতে হবে।
🟢 প্রতি কেজি খাদ্যের সাথে ১-২ গ্রাম যেকোন ব্রান্ডের অক্সিটেট্রাসাইক্লিন এর সাথে
মিশিয়ে দিনে দুই বার করে মোট ৩-৫ দিন খাওয়াতে হবে।
🟢 বাজারে বহুল পরিচিত এন্টিবায়োটিকের মধ্যে অক্সিসেন্টিন ২০% (নোভারটিস),
এস্কামাইসিন (এস.কে.এফ), ক্যাপটর (নোভারটিস), রেনামাইসিন (রেনাটা)

ইত্যাদির যেকোন একটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

2️⃣ রোগের নামঃ স্ট্রেপ্টোকক্কোসিস
Disease Name: Streptococcosis
ব্যাকটেরিয়ার প্রজাতিঃ Streptococcus iniae & Enterococcus sp.
রোগের লক্ষনঃ
🔴 মাছ অস্থির ও খাড়াভাবে পানির সাতার কাটতে থাকে।
🔴 চোখ বাইরের দিকে স্ফীত হওয়া ও কর্ণিয়া অস্বচ্ছ হয়ে যায়।
🔴 চোখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে লালচে দাগ প্রকট হয়।
🔴 মাছের প্লীহা ফুলে যায় ও কালচে বর্ণ হয়।
🔴 যকৃত বিবর্ণ হয় ও এতে ছোপ ছোপ দাগ দেখা যায়।
🔴 মাছের ফুলকার রঙ অতিরিক্ত লালচে অথবা ফ্যাকাশে হয়ে যায়।
🔴 মাছের ক্ষুধামন্দা হয়।
🔴 মাছের মৃত্যুর হার অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।

চিকিৎসাঃ
🟢 প্রতি কেজি খাদ্যের সাথে ১-২ গ্রাম যেকোন ব্রান্ডের এরিথ্রোমাইসিন এর সাথে
মিশিয়ে দিনে দুই বার করে মোট ৩-৫ দিন খাওয়াতে হবে।

3️⃣ রোগের নামঃ ভাইব্রিয়োসিস
Disease Name: Vibriosis
ব্যাকটেরিয়ার প্রজাতিঃ Vibrio anguillarum

রোগের লক্ষনঃ
🔴 তেলাপিয়ার এই রোগের লক্ষণগুলো ও মোটাইল অ্যারোমোনাস সেপ্টিসেমিয়া
রোগের লক্ষণ প্রায় একই ধরনের যা প্রধানত পুকুরের প্রতিকূল পরিবেশ ও
পানির খারাপ অবস্থার কারনে হয়ে থাকে।

চিকিৎসাঃ
🟢 প্রতি কেজি খাদ্যের সাথে ১-২ গ্রাম যেকোন ব্রান্ডের অক্সিটেট্রাসাইক্লিন এর
সাথে মিশিয়ে দিনে দুই বার করে মোট ৩-৫ দিন খাওয়াতে হবে।

4️⃣ রোগের নামঃ সেপ্টিসেমিয়া
Disease Name: Motile Aeromonas Septicaemia(MAS)
ব্যাকটেরিয়ার প্রজাতিঃ Aeromonas hydrophila
রোগের লক্ষনঃ
🔴 মাছের চলাফেরায় ভারসাম্যহীনতা পরিলক্ষিত হয়।
🔴 মাছ দূর্বল ও মুমূর্ষুভাবে পানির উপরিভাগে সাতার কাটতে থাকে।
🔴 চক্ষু লাল হয়ে যায়।
🔴 চক্ষু বাইরের দিকে স্ফীত ও কর্ণিয়া অস্বচ্ছ হয়ে যায়।
🔴 মাছের আইশ উঠে যায়।
🔴 পেটের ভিতর কালচে অথবা লাল বর্নের তরল পদার্থ জমা হয়।
🔴 মাছের বৃক্ক, যকৃত ও প্লীহা ফুলে যা্য়।
🔴 প্রতিদিন কিছু কিছু মাছ মারা যায়।

চিকিৎসাঃ
🟢 প্রতি শতাংশে ৩ থেকে ৪ গ্রাম পটাশিয়াম পার ম্যাঙ্গানেট ও ৪০০-৫০০ গ্রাম লবন
প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানির সাথে মিশিয়ে পুকুরের সকল স্থানে প্রয়োগ করতে হবে।
🟢 উপরোক্ত পদ্ধতিতে মাছ মরা বন্ধ না হলে অথবা উক্ত রোগ ভাল না হলে
অবশ্যই খাদ্যের সাথে এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করতে হবে।
🟢 প্রতি কেজি খাদ্যের সাথে ১-২ গ্রাম যেকোন ব্রান্ডের অক্সিটেট্রাসাইক্লিন এর সাথে
মিশিয়ে দিনে দুই বার করে মোট ৩-৫ দিন খাওয়াতে হবে।
🟢 বাজারে বহুল পরিচিত এন্টিবায়োটিকের মধ্যে অক্সিসেন্টিন ২০% (নোভারটিস),
এস্কামাইসিন (এস.কে.এফ), ক্যাপটর (নোভারটিস), রেনামাইসিন (রেনাটা)

ইত্যাদির যেকোন একটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

©️ সংগৃহীত

10/12/2020

Bangla mas er j kono size er pona sell kora hoby,all kurf jatio mas acy, pukur par thyky nity hoby

Add:17 no imadpur union,Mithapukur,Rangpur

01727662906

02/07/2020

মাছ ভাসার সম্ভাব্য কারন এবং করনীয় -~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

অনেক কারনেই পুকুরের মাছ ভেসে উঠতে পারে।

খাবার খাওয়ার জন্য মাছ ভেসে ওঠা কিংবা চলাচলের প্রশ্নে ভেসে ওঠাটা স্বাভাবিক ;

বাকী কারনগুলি অবশ্যই নিতান্ত অসুবিধা জনিত।

মাছের রোগ-বালাই ছাড়াও
বিভিন্ন অসুবিধায়ই মাছ সাধারনতঃ
'গভীর রাতেই' ভেসে উঠে।

> পানিতে যখন কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমান বেশী থাকে এবং অক্সিজেনের ঘাটতি থাকে;

করনীয় # এক্ষেত্রে শতকে ২০০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করতে পারেন। চুন প্রয়োগ করলে পানির মধ্যেকার দ্রবীভূত কার্বন ডাই-অক্সাইড কে চুন ধরে ক্যালশিয়াম কার্বনেট রুপে পুকুরের তলায় জমা করে;

সেই সাথে পানির মধ্যেকার আন্তঃআণবিক ক্ষেত্র গুলিকে ফাঁকা করে অক্সিজেনের প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করে।

পরবর্তীতে জমাকৃত ক্যালশিয়াম কার্বনেট আবার প্রয়োজন হলে বেরিয়ে এসে সালোক সংশ্লেষণের কাজে ব্যবহৃত হয়;

> পানিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড সেরকম নাই অথচ অক্সিজেনের উতপত্তির অভাবজনিত ঘাটতি;

করনীয় # এক্ষেত্রে পুকুরে পরিমিত পরিমানে জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ করে পানিকে সবুজ করে তুলে সালোক সংশ্লেষণের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহের সুযোগ সৃষ্টি করা যায়;

> মাছকে অতিরিক্ত খাবার দেয়া; যা মাছের সহজে হজম হয় না; মাছের এ অবস্থায় অস্থিরতা সৃষ্টি হয় ফলে মাছ ভেসে উঠতে পারে।
অতিভোজন সহ অতিরিক্ত খাদ্যের পচন জনিত কারনে অক্সিজেনের ঘাটতি;

করনীয় # মাছকে অতিরিক্ত খাবার দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে ; ডুবন্ত খাবার হলে খাদ্য দানীতে প্রয়োগ করে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রয়োগ কৃত খাবার এবং মাছের প্রয়োজনের মাঝে সমতা আনা যেতে পারে;

> অতিরিক্ত সার প্রয়োগ করার কারনে ফাইটোপ্লাংক্টন,জুওপ্লাংক্টন এবং তলাবাসী বিভিন্ন প্রানীর উপস্থিতিতে অক্সিজেনের বেশী ব্যয় হওয়ায় মাছের ভেসে ওঠা;

করনীয় # অতিরিক্ত সার প্রদান থেকে বিরত থাকতে হবে;

> অনেক সময় জুওপ্লাংক্টনের অতিরিক্ত উপস্থিতি এবং কিছু জুওপ্লাংক্টনের সাইজ বেশ বড় হওয়া জনিত কারনে মাছ এই গুলিকে খেতে পারে না ।
এই কারনেও ফাইটোপ্লাংক্টন শেষ হয়ে যাওয়ায় সালোক সংশ্লেষণ ব্যাহত হওয়ায় এক দিকে অপ্রতুল অক্সিজেন ;
অন্যদিকে অক্সিজেনের জুওপ্লাংক্টন কর্তৃক গ্রহনের কারনে ঘাটতি হওয়ায় মাছ ভেসে উঠতে পারে;

করনীয় # এক্ষেত্রে জুওপ্লাংক্টন নিয়ন্ত্রন করার জন্য রিপকর্ড/ক্রিপকর্ড/কর্ড -প্রতি ফুট /শতক পানিতে- ০'৮-০'৯ মিলিঃ অথবা সাইপার মেথ্রিন গ্রুপের ঔষধ ব্যবহার

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RK Prodhan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share