06/12/2022
১৮+ গল্প
-
-
-
-
-
-
-
-
-
নিউমার্কেটে শপিং করতে গিয়ে তিশার সাথে পরিচয় হলো। তিশা বিবাহিত মেয়ে হলেও বেশ ফ্রী। সামান্য পরিচয়েই মোবাইল নম্বর লেনদেন হয়ে গেল।
মাস খানেক পরে তিশার সাথে দেখা। দেখা হতেই বলল "ব্যাপার কী?
সেদিন ঘটা করে ফোন নম্বর নিলেন অথচ একবারও কল দিলেন না?"
মানে তিশা চায় আমি তাকে কল করি। ইশ, মিস হয়ে গেল। এক সুন্দরী মেয়ে চাচ্ছে আমি কল দেই কিন্তু কল কেন দিলাম না। আফসোস করতে করতেই তিশা বলল "একদিন বাসায় আসেন গরম লাগিয়ে দেবো ;) " ওর দুস্টু ইশারা বুঝতে অসুবিধা হলনা আমার।
মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি।
জিজ্ঞেস করলাম "বাসা কোথায়?"
"রাস্তার ওপারেই, সোনাডাংগা ১ নম্বর ফেজে। রাতে চলে আসুন একদিন।"
"অবশ্যই আসব"
সেই রাতে তিশাকে প্রথমবারের মত কল দিলাম।
জানতে পারলাম, স্বামী দেশের বাইরে থাকে। সে একাকীত্বে ভোগে। আমার সাথে কথা বলে তার খুব ভালো লাগছে। আমি মনে মনে উত্তেজিত হলাম। জানলাম সন্ধ্যায় তার বাসায় কেউ থাকে না।
আমি কবে যাব ভেবে উত্তেজিত হয়ে পড়ছি আবার চিন্তা করছি বেশি আগ্রহ দেখানো যাবে না।
একদিন সন্ধ্যায় সত্যি সত্যি আর বাসায় যাব। দুপুরে কল দিতেই বলল "বিকাল ৫ টার পরে শাশুড়ি বাইরে যাবেন। তারপরে আসেন।"
সে কী বলতে চাচ্ছে? মানে এই সময় সে একা থাকবে?
'প্রিপারেশন' নিয়ে সোনাডাংগা ১ নম্বর ফেজের সামনে এসে তিশাকে কল দিলাম।
"এই যে আমি" পেছন থেকে ওর কন্ঠ শুনলাম। আজ তাকে বেশি সুন্দর দেখাচ্ছে।
সিড়িতে উঠার সময় তিশার পারফিউমে ঘ্রাণ টের পেলাম। আমি সিড়িতে উঠার সময় কেলানত হেয় গেলাম।
তিশা ঘরে ডুকতেই আমাকে জালি ফেন ছেরে দিল। তার স্বামী ৪ বছর ধরে দেশের বাইরে আছে............ আমাদের কথাবার্তা ১৮+ এর দিকে এগোচ্ছে। তিশা উঠে তার বেড রুমের সামনে দাঁড়াল "আমার শাশুড়ীর আসতে এখনো ১ ঘন্টা বাকী" বলে সে বেড রুমের দরজা খুলল। আমি মন্ত্র মুদ্ধের মত বেড রুমে ঢুকলাম।
----
৭ দিন পর।
সোনাডাংগা থানা।
এসআই মামুন আমার অভিযোগের তদন্ত করছেন।
"আপনি এই বয়সে কেন ফাঁদে পড়লেন? দোষ তো আপনার। আপনি ফেইসবুকে এইসব ঘটনা পড়েন না? সুন্দরী মেয়েরা এভাবে মানুষকে ফাঁদে ফেলে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে। এছাড়া ব্ল্যাক মেইল তো কমন ঘটনা।"
"কী আর বলব ভাই? সুন্দরী দেখে মাথা নস্ট হয়ে গিয়েছিল। আমাকে বেঁধে রেখে ক্রেডিট কার্ড ডেবিট কার্ড এটিএম কার্ড সবগুলো পাসওয়ার্ড নেয়, টাকা ক্যাশ করার পরে ২ দিন পরে আমাকে ছেড়েছে। এছাড়া বিকাশে...
"এসব ঘটনা তো আপনার জিডিতে লেখা আছে। এর বাইরে কিছু জানেন কিনা, এই চক্রকে ধরার জন্য।" এসআই মামুন সাহেব বললেন।
"ওই চক্রকে ধরলে আমাকে ডাকবেন। আমি ওদেরকে......" আমাকে থামিয়ে মামুন সাহেব বললেন "আগে ধরি তারপর......"
----
১ মাস পর।
সোনাডাংগা থানা।
এক অফিসার এসে আমাকে ভিতরে যেতে বলল " আপনি নাকি মোমেনার সাথে দেখা করতে চান? তাকে নাকি কী জিজ্ঞাসা করবেন?"
"মোমেনা? সে আবার কে? আমিতো তিশাকে......"
"তার মূল নাম মোমেনা বেগম। একবার এক নামে ছদ্মবেশ ধরে প্রতারণা করে। আপনার সাথে বাটপারি করেছিল তিশা নামে। আপনি মাত্র ২ মিনিট সময় পাবেন কথা বলার জন্য। এরপরে আপনি আমার সাথে দেখা করবেন।"
----
টেবিলের এক মাথায় তিশা বসা। চেহারায় সেই লাবণ্যতা নেই। তখন যেরকম সুন্দরী মনে হচ্ছিল এখন সেরকম দেখা যাচ্ছে না। হাতে হ্যান্ডকাফ পরানো। কপালে একটা আঘাতের চিহ্ন। মহিলা এসআই সুজাতা আমাকে টেবিলের এই পাশে বসার ইশারা দিয়ে বলল "২ মিনিটের মধ্যে কথা শেষ করেন। আপনার সকল কথা রেকর্ড হচ্ছে আর আপনার সকল কার্যকলাপ সিসি ক্যামেরায় ধারন করা হচ্ছে।" বলে সে রুমের বাইরে চলে গেল।
"তোমাকে আমার একটা কথা বলার ছিল।"
ওপাশ থেকে তিশা ওরফে মোমেনা কোন উত্তর নেই।
"তোমাকে একটা প্রশ্ন করতে চাই। আশা করি তুমি সঠিকভাবে উত্তর দিবে?"
তিশা নিরুত্তর।
বাইরে থেকে এসআই সুজাতা বলল "আপনার হাতে আর মাত্র ১ মিনিট সময় আছে। যা বলার বলে ফেলুন।"
"প্লিজ তিশা, আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দেও। তাহলে তোমার বিরুদ্ধে আমি সব অভিযোগ তুলে ফেলব।"
তিশা এবার আমার মুখের দিকে তাকাল "কী জানতে চান আপনি?"
"সেদিন আমাকে যে জালি ফেন এর বাতাস খাইয়ে ছিলে সেই ফেন কোথা থেকে কিনেছ? এটার দাম কত?"
"ও এই কথা, আমি এই ফেন padda high speed fan( https://www.facebook.com/profile.php?id=100064361845688&mibextid=ZbWKwL) কিনেছি। সেখানে সব রকমের ফেন পাওয়া জায়
অতঃপর আমি মামলা তুলে নিলাম।
its best fan in our country like old is gold