ছেলেvsমেয়ে

Call Directions

ছেলেvsমেয়ে Its a social community group for man & woman....so pls join with us

 #ভাই_গিরিশ_চন্দ্র_সেন_কোরআন_মাজিদের_প্রথমবাংলা_অনুবাদক_নন___তিনি_ছিলেন_প্রকাশক। একটি ভুল প্রচারের নিরসন।★★★+++++++++★★★...
01/10/2022

#ভাই_গিরিশ_চন্দ্র_সেন_কোরআন_মাজিদের_প্রথমবাংলা_অনুবাদক_নন___তিনি_ছিলেন_প্রকাশক।
একটি ভুল প্রচারের নিরসন।

★★★+++++++++★★★++++++++★★★.
সর্বপ্রথম ১৮০৮ সালে বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া।

এরপর বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ করেন মৌলভী নাঈমুদ্দীন ১৮৩৬ সালে।

গিরিশ চন্দ্র সেন শুধু উক্ত অনুবাদকে পুস্তক আকারে সন্নিবেশ করেছেন, গিরিশ চন্দ্র হচ্ছেন প্রকাশক। তাও অনেক পরে, ১৮৮৬ সালে।

সুতরাং কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক গিরিশ চন্দ্র নন, বরং মৌলভী নাঈমুদ্দীনই পূর্ণাঙ্গ কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক।

আর মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া হলেন বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদক।

গিরিশ চন্দ্র সেনের জন্ম ১৮৩৫ সালে এবং মৃত্যু ১৯১০ সালে। গিরিশ চন্দ্রের জন্মেরও আগে অর্থাৎ ১৮০৮ সালে কুরআন শরীফের বাংলায় অনুবাদের কাজ শুরু করেন মাওলানা আমীর উদ্দীন বসুনিয়া।

এরপর গিরিশ চন্দ্র সেনের জন্মের একবছর পরই অর্থাৎ ১৮৩৬ সনে মৌলভী নাঈমুদ্দীন পূর্ণাঙ্গ কুরআন শরীফের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন।

আরবি জানেননা,আরবি ব্যাকরণ জানেননা,
এমন ব্যাক্তি কুরআন অনুবাদ করেছে এমন প্রচার মুর্খতা।

বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত আছে যে, ভাই গিরীশ চন্দ্র সেন আল কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক। এ প্রচারণার কিছু কারণ ছিল। বৃটিশ আমলে এদেশে ব্রাহ্মধর্মের একটা জোয়ার এসেছিল।

গোঁড়া হিন্দু গিরীশ চন্দ্র সেন এক সময় হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ব্রহ্মধর্ম গ্রহণ করেন। ব্রাহ্মধর্ম এ দেশে ছিল একটি নতুন ধর্মমত।

তাই এ ধর্মমত আপামর জনসাধারণের মধ্যে প্রচারের জন্য গিরীশ চন্দ্র নিজে উদ্যোগী হলেন।

কিন্তু অর্থকড়ির তো প্রয়োজন। সেটা আসবে কোথেকে! তিনি ফারসী ভাষায় পন্ডিত ছিলেন।

মুসলমানদের পকেট থেকে টাকা বের করার জন্য বেশকিছু ইসলামী বই রচনা করলেন এবং সেই সাথে পবিত্র আল কুরআনের প্রকাশ করলেন প্রকাশক হয়ে। মুসলমানরা এ বই কিনলোও প্রচুর। ফলে বাংলা ভাষাভাষী যারাই কুরআন শরীফের বঙ্গানুবাদ হাতে পেতে চাইলো তাদের হাতে পৌঁছে গেল তার প্রকাশিত কুরআন শরীফ।

এ ব্যাপারে তাঁকে ব্রাহ্মসমাজ হিন্দু ব্যক্তিবর্গ এমন কি বৃটিশরাও যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে। ফলে মানুষ মনে করেছে পবিত্র কুরআন শরীফের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী হচ্ছেন ভাই গিরীশ চন্দ্র সেন।

আসলে পবিত্র কুরআনের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী যে মৌলবী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন সে কথা অল্প কিছু লোক জানলেও ব্যাপকভাবে প্রচার করার সুযোগ আসেনি।

গিরীশ চন্দ্র কুরআনের অনুবাদ বিক্রি করে যে অর্থ লাভ করতেন তা ব্যয় করতেন ব্রহ্মধর্ম প্রচার কাজে। ফলে ব্রাহ্মধর্ম প্রচারের মিশনের সাথে কুরআন বিক্রয়ের একটা গভীর সম্পর্ক ছিল।

মৌলবী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন ছিলেন একজন মুসলমান। তিনি স্বত:প্রণোদিত হয়ে আল কুরআনের বঙ্গানুবাদ করেছিলেন। তা প্রচারের জন্য গিরীশ চন্দ্র সেনের মতো কোনো মিশন ছিল না। যার কারণে তার প্রচার প্রসার ছিল সীমিত।

এমনি করেই আল কুরআনের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী হয়েও মৌলবী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন ভাই গিরীশ চন্দ্র সেনের মতো প্রচার পেতে পারেন নাই।

★★★++++++++★★★++++++++★★★.

তথ্যসুত্রঃ
ইন্টারনেট ও অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন মিডিয়া।

১,,, দৈনিক সংগ্রামঃ ২১ শে জুলাই,২০১৮.

২,,,, দৈনিক ঢাকা পোস্টঃ ৭ই সেপ্টেম্বর,২০১৮.

৩,,, জিব্রাইলের ডানাঃ ১লা মার্চ,২০০৯.

৪,,, বিডি আল কোরআনঃ ৪ঠা এপ্রিল,২০১৩.

৫,,, সাইবার মোজাহিদঃ জানুয়ারি,২০১৮.

৬,,,, মাসিক মদিনাঃ আগস্ট,২০০৪.
প্রশ্নোত্তর পর্ব,পৃষ্ঠাঃ ৪৭.

10/07/2022

ঈদ মোবারক!ঈদ মোবারক! ঈদ মোবারক!
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ।
পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক সবার জীবন। ঈদ সকলের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ ও শান্তি।
শুভেচ্ছান্তে-
নূরতাজ মাহমুদ মন, ঢাকা।

06/06/2022
03/06/2022



অনেকেই ভাবছেন। এখানে মেম্বার এড করে কি হবে? আপনি যখন মেম্বার এড করবেন। তখন অনেকেই জানতে পারবে যে, এখানে অনেক বন্ধু পাওয়া যায়। সকল বন্ধুদের মাধ্যমে পেজটা বড় হলে এখানে সবাই সবার নিকটতম ব্যবসায়িক পন্য নিয়ে সবার মধ্যে ব্যবসা করতে পারবেন। তাই বেশি,বেশি বন্ধুদের ইনভাইট/এ্যাড করুন।
ধন্যবাদ সবাইকে।

07/05/2022


এই গ্রুপের সকল বন্ধুদের জানাই
আন্তরিক শুভেচ্ছা।

সকল বন্ধুদের কাছে দাবী জানাচ্ছি....
যেহেতু গ্রুপটা আপনার আমার সবার,
তাই সবাই নিজেদের বন্ধুত্বের সীমানা
আরো বিস্তারিত করতে.... বেশি বেশি
বন্ধুদের এই পেজে এ্যাড করবেন।

সবাইকে ধন্যবাদ।

03/03/2021

মাত্র দুটো হাদিস আমাদের চোখ খুলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হবে, ইনশাআল্লাহ্।
১. হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের বলছেন-
"হে আদম সন্তান, আমার ইবাদতের জন্য তুমি (অন্যান্য কাজ হতে) অবসর হও এবং ইবাদতে মন দাও, তাহলে আমি তোমার অন্তরকে প্রাচুর্য দিয়ে ভরে দেব এবং তোমার দারিদ্র ঘুচিয়ে দেব। আর যদি তা না কর, তবে তোমার হাতকে ব্যস্ততায় ভরে দেব এবং তোমার অভাব কখনোই দূর করব না।" [তিরমিযি: ২৬৫৪, ইবনে মাজাহ: ৪১০৭ (সহিহ)]
দুনিয়াতে এমন কোনো মানুষ পাওয়া যাবে না, যে এই জীবন নিয়ে পরিতৃপ্ত কিংবা যার মন সর্বদা প্রফুল্ল থাকে। প্রতিটি মানুষই জীবনের বিভিন্ন দিক থেকে ডিপ্রেশন ফেইস করছে, অনেকে নীরবে চোখের পানি ঝরাচ্ছে। সকল মানুষের মাঝে এমন একটা শ্রেণি আছে, যারা দুনিয়ার বিভিন্ন না-পাওয়ার বেদনার মাঝেও অন্তরে একপ্রকার প্রশান্তি নিয়ে জীবন কাটাচ্ছে। তারা কারা?
যারা আল্লাহর আনুগত্যে দিনাতিপাত করছে, সর্বাবস্থায় সবরের উপর অটল থাকছে এবং আখিরাতে উত্তম বিনিময়ের প্রত্যাশায় রয়েছে।

২. রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম বলেন, "যার জীবনের চিন্তা (লক্ষ্য) হবে আখিরাত আল্লাহ্ তার অন্তরে সচ্ছলতা দিবেন। তার কর্মকাণ্ড গুছিয়ে দিবেন এবং দুনিয়া (নেয়ামত) অনুগত ও বাধ্য হয়ে তার নিকট আসবে। আর যার চিন্তা (লক্ষ্য) হবে দুনিয়া, আল্লাহ্ তার দুচোখের মাঝে দারিদ্র রেখে দিবেন, তার কর্মকাণ্ড বিক্ষিপ্ত করে দিবেন (ফলে সে অস্থিরতায় কাতরাবে) এবং দুনিয়া থেকে সে ততটুকুই অর্জন করতে পারবে, যা তার জন্য পূর্বনির্ধারিত।" [তিরমিযি: ২৪৬৫, সিলসিলা সহিহাহ: ৯৪৯-৯৫০ (সহিহ)]
ডিপ্রেশনে আছেন? সুখ দরকার? এই নেন প্রেসক্রিপশন। উপরের দুটো হাদিসের উপর কিছুদিন আমল করে দেখুন। এরপর নিজেই বুঝতে পারবেন, আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল আমাদের জন্য কত সহজ সমাধান বাতলে দিয়েছেন।
খুব সহজ একটি হিসাব বুঝতে হবে। আমরা পণ্য ক্রয় করতে কোথায় যাই? যেখানে পণ্য পাওয়া যায়--দোকানে--যাই।
এবার বলুন, সুখ-শান্তির মালিক কে? আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা। সুতরাং শান্তির জন্য তাঁর কাছেই ফিরে আসতে হবে। এটিই চূড়ান্ত কথা। বাকি যত পথ ও পন্থাই অনুসরণ করুন-না কেন, সাময়িক ফূর্তি পেলেও দিনশেষে আপনি একাই হয়ে যাবেন। ডিপ্রেশন আপনাকে পাকড়াও করবেই। ফিরে আসুন আল্লাহর দিকে। তিনি ব্যতীত আমাদের সত্যিকারের আপন বলতে কেউ নেই।।

# সংগৃহীত

_____ #হাইরে_লুঙ্গি_র_আত্নকথা______বাবা যখন প্রথম লুঙ্গি কিনে এনেছিলো আমারজন্য তখন আমি খুব পিচ্চি।একদিন আম গাছে উঠে ছিলা...
27/02/2021

_____ #হাইরে_লুঙ্গি_র_আত্নকথা______
বাবা যখন প্রথম লুঙ্গি কিনে এনেছিলো আমার
জন্য তখন আমি খুব পিচ্চি।
একদিন আম গাছে উঠে ছিলাম আম পারতে।
কিন্তু গাছে উঠতেই লুঙ্গি কোমড় থেকে খুলে মাঠিতে
পরে যায়!
আমি তখন লজ্জায় মরি মরি।
পিছনের বাড়িতে আবার এক চাচা প্রাইভেট
পড়াতো।
সেখান থেকে আমাদের আম গাছ দেখা যেতো।
যে সময় আমার লুঙ্গি মাঠিতে
পরে গিয়েছিলো ঐ সময় মেয়েদের ব্যাচ পড়ছিলো।
এক মেয়ে আমাকে দেখে হেসে দিয়েছিলো!
কেমন পাজি মেয়ে ছিলো।
নিজে তো হেসেছিলো ই সাথে অন্য সব মেয়েদের
ও আমাকে দেখিয়ে দেয়।
আর সে কী হাসি সব মেয়েরা মিলে।
আমি কোনোরকম মাঠিতে জান নিয়ে নেমেছিলাম।
এর পরে আর কোনোদিন লুঙ্গি পরে আম গাছে
উঠিনি।
যে মেয়ে টা আমাকে প্রথম
দেখেছিলো সে মেয়েটাকে আমি চিনতাম।
নাম প্রিয়া।
এক নাম্বারের পাজি মেয়ে।
আমার এই করুণ কাহিনী সারা স্কুলে ছড়িয়ে
দিয়েছিলো!
এর পরে থেকে প্রাইমারি স্কুলে গেলে ই
মেয়েরা সব দল বেঁধে বলতো, লুঙ্গী লুঙ্গী।
আমি তখন বেকুবের মতো হয়ে যেতাম।
চোখ-মুখ লাল হয়ে যেতো।
আর প্রিয়া দেখে সবচেয়ে বেশি মজা পেতো।
সব মেয়েদের প্রিয়া ই
উস্কানি দিতো।
মাঝে মাঝে ইচ্ছে হতো থাপ্পড় দিয়ে দাঁতগুলো সব
ফেলে দিই।
______________________________
______________________
কদিন পর আমার মুসলমানি।
ছোটখাটো একটি অনুষ্ঠান ও হয় সে নিয়ে।
সেখানে অনেক অনেক লুঙ্গি আমন্ত্রণকারীরা
আমার জন্য উপহার হিসেবে এনেছিলেন।
এতো এতো লুঙ্গি ছিলো কিন্তু আমি একটা ও পরতাম
না।
কারণ হলো আমি কোনোভাবে ই লুঙ্গির গিট
ভালো করে দিতে পারতাম না।
আর যেখানে সেখানে সেই গিট খুলে গিয়ে আমার মান
ইজ্জত ছিনিমিনি হয়ে যায়।
______________________________
____________________
একবার আমার খুব জ্বর এসেছিলো।
প্রায় পনেরো দিন স্কুলে যেতে পারিনি।
স্কুলের এক শিক্ষিকা আমাকে দেখতে আসেন।
আমি বারান্দায় দাঁড়িয়ে উনার সাথে কথা বলছিলাম।
হঠাৎ দেখি উনি তড়িঘড়ি করে
দৌড়ে পালালো!
আমি অবাক হলাম! ম্যাম এভাবে দৌড় দিলো কেনো?
হঠাৎ নিচের দিকে তাকিয়ে দেখি
আমার লুঙ্গি খুলে মাঠিতে অবস্থান করছে! এই
লজ্জায় আরো পনেরো দিন স্কুলে যাইনি।
এরপর
থেকে ম্যাম আমাকে দেখলেই কেমন কেমন
করে মুচকি হাসতো।
ম্যামের ক্লাস ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করতাম।
আর প্রিয়া মেয়েটার জ্বালানি তো আমাকে
সহ্য করতে হতো ই।
উচ্চমাধ্যমিকে ও সে আমাকে তাঁর বান্ধবীদের দিয়ে
লুঙ্গি লুঙ্গি বলে আমাকে বেকুব বানাতো।
______________________________
______________________
বাবার বন্ধু একদিন আমাদের বাড়িতে
বেড়াতে এসেছিলো।
সাথে উনার এক মেয়ে এবং সহধর্মিণী।
মেয়ে টা আমার সমবয়সী।
ভালো ই পরিচয় ছিলো।
মাঝে মাঝে নির্দ্বিধায় আমরা কথা বলতাম।
পরেরদিন শুক্রবার ছিলো।
বেলা নয়টা বাজে তখন ও বিছানাতে শুয়ে ছিলাম।
আমাকে এতক্ষণ না দেখে বাবার বন্ধুর মেয়ে
ডাক দিতে এসেছিলো।
প্রায় আধঘুমন্ত অবস্থাতে ছিলাম আমি।
মেয়ে টা জানালা দিয়ে দুইবার ভাইয়া বলে ডাকলো।
আমি স্পষ্ট শুনিনি, দরজা খুলা ই ছিলো তখন।
মেয়ে টা দরজা দিয়ে ভিতরে এসে আমাকে ডাক দিবে
কিন্তু এসে ই দিলো.......
সেই জোরে চিৎকার!
আমি চিৎকারে উঠে একেবারে দাঁড়িয়ে
পরেছিলাম! মেয়ে টা আরো জোরে চিৎকার
করলো।
আমি মাত্র বলতে যাবো যে, কেনো চিৎকার করছো?
সে সময় নিচের দিকে তাকিয়ে দেখি আমার
পরনে লুঙ্গি নেই! আর খাটে ও নেই!
গরমের ঠেলায় লুঙ্গি খুলে রাতে মনে হয় নিচে
ফেলে দিয়েছিলাম কাঁথা মনে করে!
মেয়ে
টা এক চিৎকারে বাড়ির সব মানুষ একসাথে
করে ফেলেছিলো।
আমি লজ্জায় সেদিন কম্বল বের করেছিলাম।
কম্বলের তলে গুটিসুটি মেরে শুয়ে ছিলাম
সারাদিন।
উনারা যখন বাড়ি থেকে চলে যায়
তখন আমি কম্বল থেকে বের হয়েছিলাম।
মা
জিজ্ঞেস করলে বলেছিলাম, আমার জ্বর
এসেছিলো।
এরপর থেকে আর মেয়ে টা আমাদের বাড়িতে
আসে না।
______________________________
_____________________
প্রিয়ার সাথে এই লুঙ্গি নিয়ে একবার ঝগড়া
করেছিলাম। মেয়েটাকে সেদিন থাপ্পড় ও
দিয়েছিলাম।
ভেবেছিলাম....
বাড়িতে নালিশ আসবে কিন্তু আসেনি!
এরপর দুদিন কেনো যেনো কোনো কিছুতে ই
শান্তি পেতাম না।
সেজন্য প্রিয়ার কাছে গিয়ে মাফ চেয়েছিলাম।
এরপর থেকে....
আমাদের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিলো।
আর
সেখান থেকে প্রেম!
প্রায় দশ বছর প্রেম করার পর বিয়ে করেছি আজ।
বাসর ঘরে ঢুকার পরে ই প্রিয়া বললো, আগে
লুঙ্গি ঠিক করো। যেনো যখন তখন খুলে না পরে
যায়।
আমি বহু চেষ্টার পরে ও ভালো করে লুঙ্গির
গিট দিতে পারিনি।
শেষ পর্যন্ত প্রিয়াকে ই গিট দিয়ে দিতে হয়েছে।
শুধু একটা কথা ই দুঃখ
নিয়ে বলে, তুমি এখনো লুঙ্গি টা ই সামলাতে
পারো নাঠিক করে। আমাকে সামলাবে
কীভাবে?
আমি এই উত্তর জানি না। তাই চুপটি করে শুয়ে
পরলাম। সকালে উঠে দেখি প্রিয়া আমার সব
লুঙ্গি পুড়ে ফেলেছে! সে কী কাণ্ড! কেনো
এরকম টা করেছে জিজ্ঞেস করতে ই প্রিয়া
বললো,
জনাব.....
নিজের মান ইজ্জত রক্ষা করতে এই
কাজটি আমাকে করতে হয়েছে। এখন যে আপনার
মান ইজ্জতের সাথে আমার মান ইজ্জত ও বাঁধা।
কী আর বলবো......?
বেশি কিছু বলা যাবে না।
তাহলে আবার ছোট বেলার সেই আমগাছ উঠা
নিয়ে খোঁটা মারবে......তাই চুপ করে গেলাম।
কিন্তু লুঙ্গি ছাড়া কী আর আরামে প্রকৃতির
ডাকে সারা দেয়া যায়?
আরামে ঘুমানো যায়, না আরামে কোনো
কাজ করা যায়?
কিন্তু আমার লুঙ্গি পরা
একেবারে ই প্রিয়া বন্ধ করে দিয়েছে।
সারাদিন প্যান্ট পরে থাকতে হয়,প্যান্ট পরে ঘুমাতে
হয়। আমি কতো অজুহাত দেখাই, তবু ও
আমাকে লুঙ্গি পরতে দেয় না।
বলে, বারবার এতো বড় জোয়ান ছেলেকে
আমি লুঙ্গির গিট দিয়ে দিতে পারবো না।
আমি অসহায়ের মতো আর কোনো উত্তর দিতে
পারলাম না।
আমার গিট যে খুলে ই যায়।
______________________________
______________________
কয়েকদিন পর শ্বশুরবাড়িতে গেলাম।
আমি লুকিয়ে বাজার থেকে একটা লুঙ্গি কিনে
নিয়েছিলাম।
লুঙ্গি পরার পর প্রিয়া বললো, এই কিন্তু শেষবার।
দুপুরে লুঙ্গি টা খুলে দিয়ো,আমি পুড়িয়ে ফেলবো,
আর যদি বেশি...
তেড়িবেড়ি করো তাহলে আমার শ্বশুরবাড়ি
যেয়ে নেই, মজা দেখাবো......
বলে মহারাণী বহুদিন পর আমাকে লুঙ্গি পরতে
দিলেন। আহ অনেক আরাম লাগছে।
এই খুশিতে
সোজা পুকুরপাড়ে শালিকার কাছে চলে
গেলাম। শালিকা আমাকে দেখেই বললো, বাহ
দুলাভাই মনে হয় খুব আনন্দে আছেন?
আমি মাথা নাড়িয়ে বুঝালাম যে, হ্যাঁ আছি।
শালিকা মাথার উপরে তেতুল গাছ দেখিয়ে
বললো, সেই খুশিতে আমাকে তেতুল পেরে
দিবেন.........
আবার বলবেন না যে গাছে উঠতে
পারি না,আমি কিন্তু আপনার গাছে উঠার
ব্যাপারে জানি।
শালিকার মন রক্ষার্থে আমি তেতুল গাছে
উঠলাম।
কিন্তু উঠে আর আমার লুঙ্গি আমার
কোমরে রইলো না! খুলে সোজা মাঠিতে
শালিকার উপরে পরলো! শালিকা এক দৌড়ে
বাড়িতে চলে গেলো।
আমি এখন কী করি......
এখন তো
প্রিয়া আসবে।
আমাকে এই অবস্থায় দেখলে আমি শেষ।
সময় নষ্ট
না করে তেতুল গাছ থেকে ই পুকুরে লাফ
দিলাম।
লুঙ্গি টা ও শালিকা মাথায় করে
নিয়ে গিয়েছে, কী যে করি এই অবস্থায়।
সে কী?
প্রিয়ার হাতে দেখি ডাণ্ডা!
ডাণ্ডা নিয়ে এসে পুকুরপাড়ে বসে আছে।
আজকে উঠলেই উত্তম-মধ্যম হবে।
দুপুর পেরিয়ে সন্ধ্যা এলো।
আমি এখনো গলা পর্যন্ত পানিতে ডুবিয়ে পুকুরে বসে
আছি।
প্রিয়া ও
নাছোড়বান্দা।
সে ও হাতে ডাণ্ডা নিয়ে বসে ই আছে।
ক্ষুধায় পেট টা জ্বলছে।
এদিকে প্রিয়া বললো, আমি ও
আজকে নড়ছি না,একবার শুধু উঠো,লুঙ্গির
ব্যাপারে একটা দফারফা করে ই ছাড়বো আজ।
ভেবে পাচ্ছি না ঠিক, এই মুহূর্তে আমি কী
করবো?

(সংগৃহীত)

16/02/2021

🎯১৮ কোটি = কত মিলিয়ন.?. 🤔

💁‍♀️আমরা তো ছোট বেলা থেকেই গণনা করার পদ্ধতি বা রীতি সমূহ জানি এবং পড়ে এসেছি.!.
সাধারণত গণনা পদ্ধতি বা রীতি ২ প্রকার.!.
যথা-
👉দেশি গণনা পদ্ধতি.!. যেমনঃ-
কোটি◀️নিযুত◀️লক্ষ◀️অযুত◀️হাজার◀️শতক◀️দশক◀️একক

👉আন্তর্জাতিক গণনা পদ্ধতি.!. যেমনঃ-
ট্রিলিয়ন◀️বিলিয়ন◀️মিলিয়ন◀️হাজার◀️শতক◀️দশক◀️একক

📌কিন্তু এরপর ও আমরা অনেকে দেশি গণনা পদ্ধতি রপ্ত করে রাখলেও.!.
আন্তর্জাতিক গণনা পদ্ধতি সম্পর্কে অনেকেই ধারণা রাখিনা.!.
তবে অনলাইন হোক বা অফলাইন এই পদ্ধতিটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়.!.

খুব সহজেই আমরা যেভাবে একটি সংখ্যা দেখে ধরতে পারি তা কতো হাজার, মিলিয়ন, বিলিয়ন বা ট্রিলিয়ন এ আছে.!.
-হাজার=১,০০০ (একের পর তিনটি শূন্য)
-মিলিয়ন=১,০০০,০০০ (একের পর ছয়টি শূন্য)
-বিলিয়ন=১,০০০,০০০,০০০ (একের পর নয়টি শূন্য)
-ট্রিলিয়ন=১,০০০,০০০,০০০,০০০ (একের পর বারটি শূন্য)

🤔তাহলে তো এবার খুব সহজেই আমরা বলতে পারি,
১৮ কোটি বা ১৮০,০০০,০০০=কত মিলিয়ন.?.

💁‍♀️হ্যাঁ খুব সহজেই বলতে পারি,
১৮ কোটি=১৮০ মিলিয়ন
💙
💜
💚
❤️
💛
🤍
🧡
🤎

Address

Dhaka
1216

Telephone

+8801737686868

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ছেলেvsমেয়ে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share