Home Valley FoodWorks

Home Valley FoodWorks INTEGRATED FARMING, LIVESTOCK, FOODS & TRADING

02/01/2026
আল্লাহর রহমত, বরকত ও মাগফিরাতে পরিপূর্ণ হোক আপনার জীবন।এই ঈদ হোক ইমান, শান্তি ও ভালোবাসার এক নতুন সূচনা।ঈদ মোবারক! 🌙🤲
07/06/2025

আল্লাহর রহমত, বরকত ও মাগফিরাতে পরিপূর্ণ হোক আপনার জীবন।
এই ঈদ হোক ইমান, শান্তি ও ভালোবাসার এক নতুন সূচনা।
ঈদ মোবারক! 🌙🤲

14/09/2024

প্রখ্যাত মার্কিন লেখক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের লেখা শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হলো ‘দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি’। ১৯৫২ সালে প্রকাশিত বইটির জন্য লেখক নোবেল ও পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছেন। সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ বইটি বিভিন্ন ভাষায় পড়েছেন। এটি একটি উপন্যাস হলেও এর মধ্যে রয়েছে জীবনদর্শন ও নানা শিক্ষা। বইটি পড়ে শিক্ষাগুলো লিখেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন।
কখনো হাল ছাড়বেন না:
‘মানুষ পরাজয়ের জন্য সৃষ্টি হয়নি। তাকে ধ্বংস করা যায়, কিন্তু পরাজিত করা যায় না।’ এটাই বইটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। সারা জীবন পূর্ণ উদ্যমে স্বপ্ন নিয়ে বাঁচুন, কখনো হাল ছাড়বেন না, কখনো আত্মসমর্পণ করবেন না। সান্তিয়াগোর কাছে একটি পুরোনো ভাঙা নৌকা এবং বৃদ্ধ সান্তিয়াগোর ভাঙা দেহ ছাড়া আর কিছুই ছিল না। তিনি বৃদ্ধ হলেও হাল ছাড়েননি। টানা ৮৪ দিন কোনো মাছ ধরতে পারেননি, তবু প্রতিদিন সমুদ্রে মাছ ধরতে গেছেন। মনে একরাশ স্বপ্ন ছিল, তিনি একদিন সমুদ্রের সবচেয়ে বড় ও সুন্দর মাছটি ধরবেন। ৮৫তম দিনে তাঁর বড়শিতে ধরা পড়ল এক বিশাল আকৃতির মাছ।
সফলতা হলো দৃষ্টিভঙ্গি:
সফলতার প্রকৃত অর্থ কী, তা হেমিংওয়ে আমাদের ভাবতে বাধ্য করেন। সফলতা কি সমাজের উঁচু পদ–পদবি, অনেক টাকার মালিক হওয়া নাকি অন্য কিছু? সান্তিয়াগো সামাজিক মর্যাদার সর্বনিম্ন প্রান্তে ছিলেন। তিনি গরিব ছিলেন, কিন্তু তাঁর ছিল জীবনদর্শন। তাঁর কাছে সফলতার অর্থ ছিল মূল্যবোধ অনুযায়ী জীবন যাপন করা। তিনি সততা ও কঠোর পরিশ্রমের মতো গুণাবলি অনুসরণ করে জীবন যাপন করতে পছন্দ করতেন। তিনি সাফল্যের জন্য কারও কাছে হাত পাতেননি, বরং তিনি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি নিজের ব্যর্থতা ও ভুল স্বীকার করেছেন এবং সফলও হয়েছেন।
যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ হোন:
আমরা শুধু ব্যর্থতার হিসাব করি। আমার এটা নেই, সেটা নেই প্রভৃতি কথা বলি। কিন্তু যা আমাদের আছে, তা নিয়ে খুব একটা কৃতজ্ঞ হই না। আমাদের উচিত যা আছে, তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকা এবং সেগুলোর যথাযথ ব্যবহার করা। মুক্তিযুদ্ধের সময়ও আমাদের তেমন কিছু ছিল না। দৃঢ় মনোবল নিয়ে যা ছিল, তা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ায় বিজয় অর্জিত হয়েছে। ঠিক তেমনি উপন্যাসে সান্তিয়াগোর পৃথিবী খুবই কঠিন ছিল। তাঁর একমাত্র জীবিকার উৎস ছিল সমুদ্রে মাছ ধরা। তিনি অত্যন্ত গরিব ছিলেন, ঠিকমতো খাবার খেতে পারতেন না। তাঁর বন্ধু ম্যানোলিন মাঝেমধ্যে তাঁর জন্য খাবার নিয়ে আসতেন।
অন্যের কথায় কান না দেওয়া:
আপনি নিজেই নিজের বস হোন। আপনাকে নিয়ে অন্য কে কী ভাবল, এসব ভেবে সময় নষ্ট করবেন না। ছোট জেলেরা তাঁর দিকে তাকিয়ে হাসত এবং বড়রা তাঁর জন্য করুণ চোখে দুঃখ প্রকাশ করত, কিন্তু সান্তিয়াগো এতে কান দেননি। পাত্তা না দিয়ে আপন মনে নিজের কাজটি করে গেছেন। কেননা তিনি জানতেন, যা করছেন তা ঠিকই করছেন। তাঁর মনে ছিল স্বপ্ন। একদিন তিনি স্বপ্নকে স্পর্শ করেন।
শুধু ভাগ্যের আশায় বসে না থাকা:
ভাগ্যে বিশ্বাস করা উচিত। তবে কাজ না করে শুধু ভাগ্যের ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়। কঠোর পরিশ্রম করুন, অধ্যবসায়ী হোন। দেখবেন, ভাগ্য একদিন আপনার পদধূলি নেবে। সান্তিয়াগো ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে বসে ছিলেন না। তিনি কঠোর পরিশ্রম করেছেন। এরপর যখন সুযোগ আসে, তখন তার জন্য প্রস্তুত থেকে নিজের ভাগ্য নিজে তৈরি করেছেন। ৮৪ দিন মাছ ছাড়া থাকার পরও তিনি কঠোর পরিশ্রম করতে থাকেন এবং চেষ্টা চালিয়ে যান। সান্তিয়াগো সফলতার জন্য শর্টকাট পথ বেছে নেননি, বরং তিনি কঠোর পরিশ্রম করে গেছেন। তবে এটা ঠিক, শুধু কঠোর পরিশ্রম করলেই হবে না; স্মার্টলি কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।
অভিযোগ না করা:
সকালের ঠান্ডায় বুড়ো সান্তিয়াগো কাঁপছিলেন। কিন্তু তিনি জানতেন, তিনি নিজেকে উষ্ণ করে তুলবেন। সে জন্য তিনি শিগগির নৌকা চালাতে শুরু করবেন। তার আগপর্যন্ত সান্তিয়াগো ঠান্ডায় কষ্ট সহ্য করেছেন। কিন্তু তিনি প্রচেষ্টা থামাননি। এমনকি যখন তিনি ঠান্ডা, ক্ষুধা, তৃষ্ণায় মৃত্যুর মুখোমুখি হন, তখনো তিনি কেবল যা করা দরকার তা–ই করেছিলেন। তিনি কখনো অভিযোগ করেননি। নিজের প্রতি করুণা দেখাননি, তিনি কেবল ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। একবার মাছ ধরার লাইন থেকে তাঁর হাত কেটে যায়। কিন্তু তা তাকে দমাতে পারেনি। তিনি বসে বসে কান্না না করে নিজের কাজ করে গেছেন।

05/09/2024

চাকরি না করে নিজের প্রতিষ্ঠান গড়তে চান? যে ৪ প্রশ্নের উত্তর জানতেই হবে
চাকরি চায় না বরং চাকরি দিতে চায়—বাড়ছে এমন মানুষের সংখ্যা। এই সময়ের তরুণ প্রজন্মের একটা অংশ প্রথাগত চাকরি প্রত্যাখ্যান করতে শুরু করেছে। রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে ‘ঢাকা মেকার্স’সহ বিভিন্ন মেলা ও উৎসবে গেলেই বোঝা যায়, ছোট–বড় কত কি–ই না করছে তরুণেরা। উদ্যোক্তা হওয়াটা এখন যেন এই সময়ের তরুণ বা জেন-জিয়েদের কল্যাণে ট্রেন্ডে উঠে এসেছে! উদ্যোক্তা হতে গেলে, নিজের প্রতিষ্ঠান গড়তে গেলে আপনার নিজের ইমেজ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি আপনার প্রতিষ্ঠানের ‘ইমেজ’ গড়াও সমান জরুরি। আপনার প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড ইমেজ তৈরি করার আগে আপনাকে কয়েকটা ধাপ পেরোতে হবে। জেনে নিতে হবে চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর। কী সেগুলো, চলুন জেনে নিই।

১. গ্রাহক কারা?

আপনার প্রতিষ্ঠান যে পণ্য বা সেবা দিতে চায়, তার সম্ভাব্য গ্রাহক কারা, সেটা সবার আগে খুঁজে বের করতে হবে। ‘টার্গেট অডিয়েন্স’ বা ‘টার্গেট কাস্টমার গ্রুপ’ বের করার পর সেটি কর্মীদের জানিয়ে দিন। তাতে দুই পক্ষের যোগাযোগ কৌশল তৈরি করতে সুবিধা হবে।

২. লক্ষ্য কী?

একটা প্রতিষ্ঠানের ‘মিশন, ভিশন, গোল’ নির্দিষ্ট করতে হবে। একটা নির্দিষ্ট সময়ের ভেতর ওই প্রতিষ্ঠান কী করতে চায়, বুঝতে হবে। স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যগুলো প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের ভেতর কতটা কী অর্জিত হলো, তা নিয়মিত বিশ্লেষণ করতে হবে।

৩. ব্র্যান্ডের ইমেজ ও ‘ব্যক্তিত্বের ধরন’ কেমন?

হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। ব্র্যান্ডেরও নির্দিষ্ট ‘ইমেজ’, ‘ব্যক্তিত্ব’ আছে। আর ব্র্যান্ডের গ্রাহক, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, ব্র্যান্ডের সঙ্গে গ্রাহকের সম্পর্ক ইত্যাদির ওপর সেটি নির্ভর করে।

৪. সম্ভাব্য ক্রেতা বা ভোক্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের কৌশল

ভোক্তাদের সঙ্গে আপনার প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগের সঙ্গে জড়িল মৌলিক বিষয়গুলো ঠিক করে ফেলতে হবে। এর ভেতর পড়ে ব্র্যান্ডের লোগো, স্লোগান, ট্যাগলাইন, বিভিন্ন পণ্য ও সেবার উপস্থাপন পদ্ধতি, যোগাযোগের মাধ্যম, ছবি, ভাষা, ইমেজ ইত্যাদি।

ওপরের চারটি প্রশ্নের উত্তর ঠিক করার পর প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড ইমেজ ডেভেলপমেন্টে আরও যা যা করতে হবে।

১. প্রতিষ্ঠানের একটা নিজস্ব নীতিমালা তৈরি করবেন। এই নীতিমালা হবে ওপরের চারটি বিষয়ের নিরিখে, সম্ভাব্য ক্রেতা বা ভোক্তাদের সুবিধা মাথায় রেখে।

২. ব্র্যান্ডিংয়ের কোনো বিকল্প নেই। অনেক প্রতিষ্ঠান কেবল ব্র্যান্ডিংয়ের জোড়েই ওপরে উঠে যায়। তাই ব্র্যান্ডিংকে কোনোভাবেই অগ্রাহ্য করার কোনো সুযোগ নেই।

৩. অনলাইন ও অফলাইনে প্রতিষ্ঠানের প্রচারণা চালিয়ে যেতে হবে।

৪. ব্র্যান্ডের ইমেজ প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য–উপাত্ত, ছবি এমনভাবে ব্যবহার করতে হবে, যাতে তা সবচেয়ে সহজে, অনায়াসে ভোক্তা বা গ্রাহকদের কাছে পৌঁছায়।

৫. মূলনীতির বাইরে গিয়ে কোনো অবস্থায় কিছু করা যাবে না। একান্তই যদি কিছু করতে হয়, তাৎক্ষণিকভাবে ভোক্তাদের তার যথাযথ ব্যাখ্যাও দিতে হবে।

ইমেজ তৈরিতে আরও যা যা মনে রাখবেন

১. লোগো অনেক বড় বানাবেন না। লোগো তৈরির সময় ব্র্যান্ডের ইমেজ ও সেই ইমেজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রং ব্যবহার করুন।

২. কোনো প্রচারণা বা ব্র্যান্ডিং যদি ব্র্যান্ড ইমেজ বা নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়, সেটা তাৎক্ষণিকভাবে সুবিধাজনক হলেও বাদ দিন।

৩. মনে রাখবেন, আপনি যা–ই করেন না কেন, আপনার পণ্য বা সেবার মান–ই শেষ কথা। তাই কোন অবস্থায় মানে ছাড় দেওয়া যাবে না।

৪. মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেবেন না। তাতে প্রথমিকভাবে আপনার প্রতিষ্ঠান কিঞ্চিৎ লাভবান হলেও দীর্ঘ মেয়াদে তা ক্রেতা বা ভোক্তার আস্থা হারাবে।

৫. তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ফলাফল আশা করবেন না। ধৈর্য ধরে সময় দিন। ফল আসবেই।

অনেকের মাথায় দারুণ সব স্টার্টআপ আইডিয়া ঘুরপাক খায়। আর সেই আইডিয়া নিয়েই তড়িঘড়ি করে নেমে পড়েন ব্যবসায়। কিন্তু কিছুদিন যেতে...
04/09/2024

অনেকের মাথায় দারুণ সব স্টার্টআপ আইডিয়া ঘুরপাক খায়। আর সেই আইডিয়া নিয়েই তড়িঘড়ি করে নেমে পড়েন ব্যবসায়। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই মুখ থুবড়ে পড়ে তাদের সেই স্টার্টআপ বা উদ্যোগ। উদ্যোক্তা আগ্রহ হারিয়ে বসেন। নানা কারণে স্টার্টআপ উদ্যোগ ব্যর্থ হয়। টাকা শুধু একটা কারণ মাত্র। বিশ্বজুড়ে এই ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধান করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিবিআই ইনসাইডস সহ আরও কিছু গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ ব্যর্থতার কারণগুলো খতিয়ে দেখার চেষ্টা করেছে। অনেকগুলো কারণ বের হয়ে এসেছে সেইসব গবেষণায়। আমাদের মতো করে আমরা অনেক কারণের মধ্যে ২০টি নীচে বর্ণনা করছি।

১। বাজারের চাহিদার দিকটি সঠিকভাবে বিবেচনায় না নেওয়া

কোন ব্যবসায় উদ্যোগ বা স্টার্টআপ তৈরির আগে চিন্তা করতে হবে যে প্রোডাক্ট বা সেবা নিয়ে তারা বাজারে আসছে তা বাজারে চলবে কিনা। তার অর্থ হচ্ছে ওই প্রোডাক্ট বা সেবার বাজার চাহিদা আছে কিনা বা তৈরি হবে কিনা। আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস আপনার কাছে একদিকে অনেক আকর্ষণীয় মনে হতে পারে কিন্তু অন্যদিকে আবার বাজারে তার চাহিদা নাও থাকতে পারে। তাই শুরুর আগে বাজারে চাহিদা কেমন তা বিবেচনা করে ব্যবসায় উদ্যোগ নিতে হবে। অনেকেই বাজারে চাহিদার বিষয়টি বিবেচনা না করে ব্যবসায় ঝাঁপিয়ে পড়েন। আর শুধু এ কারণেই ৪২ শতাংশ স্টার্টআপ বাজারে ব্যর্থ হয়।

২। পর্যাপ্ত মূলধন

ব্যবসায়ের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধনের সংস্থান করা ব্যবসায় সফলতার অন্যতম শর্ত। সুতরাং ব্যবসার সাফল্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদি এবং স্বল্পমেয়াদি উভয় ক্ষেত্রেই শিল্প প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত মূলধনের সংস্থান করা প্রয়োজন । পর্যাপ্ত মূলধনের অভাবে ব্যবসায় কার্য সঠিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয় না ।

৩। সঠিক ব্যবসা মডেল না থাকা

সঠিক ব্যবসা মডেল খুব জরুরী। স্টার্টআপ ব্যর্থতার আরেকটি মূল কারণ হচ্ছে ব্যবসায় সঠিক মডেল না থাকা। শুধু ব্যবসার একটি মডেল থাকলেই হবে না, তা টেকসই এবং ঠিকভাবে চলছে কিনা সেটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় ১৭ শতাংশ ব্যবসা ব্যর্থ হয় সঠিক মডেল না থাকার কারণে।

৪। সঠিক টিম গঠন করতে না পারা

স্টার্টআপ এ ব্যর্থতার আরেকটি কারণ হচ্ছে সঠিকভাবে টিম গঠন করতে না পারা। প্রায় ২৩ শতাংশ স্টার্টআপ ব্যর্থতার কারণ সঠিক দলের সমন্বয় না হওয়া। দক্ষ ও বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞ টিম না থাকলে স্টার্টআপ সফল হয় না। একটি উদ্যোগ নেয়ার সময় টিমের সদস্যদের মধ্যে যদি সমন্বয় না থাকে তবে সে স্টার্টআপ কোনভাবেই বেশি দূর এগোতে পারে না। টিম গঠন করা সহজ কাজ নয়। টিম মেম্বারদের দক্ষতার চেয়ে আন্তরিকতা ও নিবেদিতপ্রাণে কাজ করার সক্ষমতা বেশি দরকার। কাজের প্রতি মনোযোগ, একাগ্রতা এবং সমস্ত অন্তর দিয়ে কাজ করার ইচ্ছা থাকলে দক্ষতা বাধা হয়ে দাঁড়ায় না, দক্ষতা অর্জন করা যায়। টিম মেম্বারদের একত্র হয়ে একই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করাতে পারলে যেকোনো স্টার্টআপকে এগিয়ে নেওয়া সহজ হয়।

৫। দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার অভাব

উদ্যোক্তাকে দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার জ্ঞান অর্জন করতে হবে। ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা জ্ঞান ছাড়া প্রতিষ্ঠানকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। ব্যবস্থাপনার মৌলিক কাজ যেমন- পরিকল্পনা, সংগঠন, প্রেষণা ও নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা থাকা যে কোনো উদ্যোক্তার সফলতার জন্য অপরিহার্য। উদ্যোক্তার নিজস্ব নিয়মনীতি অনুযায়ী কাজ করলে ব্যর্থ হতে পারে।

৬। নেতৃত্ব ঠিক না করা

অনেক ক্ষেত্রে ভুল নেতৃত্বের কারণে স্টার্টআপ ব্যর্থ হতে পারে। দেখা গেছে ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে উদ্যোগের ব্যর্থতার জন্য মূলত নেতৃত্ব দায়ী। উদ্যোগ সফল করার প্রয়োজনে পরিবর্তন আনার বিষয়টি ভাবতে হবে।

৭। নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য না থাকা

স্টার্টআপ ব্যর্থ হওয়ার আরেকটি কারণ এর কোন সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য না থাকা। ব্যবসা শুরুর সময় মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়ে অন্য বিষয়ের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়লে ব্যবসার ক্ষতি হয়। ১৩ শতাংশ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য না থাকাকে স্টার্টআপে ব্যর্থ হওয়ার জন্য দায়ী করেন বিশেষজ্ঞরা।

৮। মূল্য নির্ধারণ

কোন স্টার্টআপ এ তৈরি পণ্য বা সেবার জন্যে সঠিক দাম নির্ধারণ করা খুবই জরুরি। খুব বেশি বা খুব কম দাম স্টার্টআপ এ ক্ষতির কারণ হতে পারে। প্রায় ১৮ শতাংশ স্টার্টআপ ব্যর্থ হওয়ার কারণ মূলত এটি।

৯। দূর্বল বিপণন

বলা হয়, শুধু পণ্য বা সেবা তৈরি করা যথেষ্ট নয়। তার যথাযথ বিপণন করার কৌশলও জানা থাকতে হবে। সঠিক বিপণন করার অভাবে অনেক স্টার্টআপ ব্যর্থ হতে দেখা গেছে। ১৪ শতাংশ ক্ষেত্রে কোন উদ্যোগের ব্যর্থতার পেছনে তার দুর্বল বিপণনকে দায়ী করা হয়। কোন ব্যবসার গ্রাহককে বোঝা ও তাদের আকর্ষণের কৌশল সফলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

১০। বিনিয়োগযোগ্য অর্থ ফুরিয়ে যাওয়া

অনেকের হাতে যে নগদ অর্থ থাকে তা দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। যথোপযুক্ত পরিকল্পনা ছাড়াই শুরু হল কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই বিনিয়োগযোগ্য ফান্ড আর হাতে নেই। আর এই বিনিয়োগযোগ্য ফান্ড হাতে না থাকা বা অর্থ ফুরিয়ে যাওয়া, পরবর্তীতে বিনিয়োগযোগ্য ফান্ড যোগাড় করতে না পারা, এ কারণে প্রায় ২৯ শতাংশ স্টার্টআপ ব্যর্থ হয়। তাই ব্যবসা শুরুর আগে আপনি ভাবুন আপনার ব্যবসায়ে আয় শুরু হতে কেমন সময় লাগবে। যদি এক বছর হয় তখন আপনার ভাবতে হবে এই একবছর আপনার ব্যবসার এবং সংসারের খরচ কিভাবে চলবে। এর যদি এক বছরে আয় শুরু করতে না পারেন, যদি আরও ছয় মাস বেশি সময় লাগে তখন? বসে একটু ভাবুন, পথ পেয়ে যাবেন। তারপর শুরু করুন। যারা শুরু করে টাকার অভাবে ব্যর্থ হচ্ছেন তারা প্রয়োজনীয় চিন্তা ও পরিকল্পনা করেন নাই।

১১। সঠিক হিসাবরক্ষণ:

সুষ্ঠু ও যথাযথ হিসাবরক্ষণের উপর ব্যবসার সফলতা অনেকাংশে নির্ভরশীল। যথাযথভাবে হিসাব না করলে ব্যবসা ব্যর্থ হতে পারে।

১২। মনোযোগ ও দক্ষতার অভাব
৯ শতাংশ ক্ষেত্রে মনোযোগ ও দক্ষতার অভাবকে উদ্যোগ ব্যর্থতার কারণ হিসেবে ধরা হয়েছে।

১৩। সহপ্রতিষ্ঠাতাদের সঙ্গে বিবাদ

অনেক সময় বিনিয়োগকারী বা সহপ্রতিষ্ঠাতাদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে স্টার্টআপ। ১৩ শতাংশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপ ব্যর্থতার জন্য সহপ্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে বিবাদই দায়ী। স্টার্টআপকে সফল করতে হলে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া ভাল হতে হবে, স্বচ্ছ ও সঠিক হতে হবে।

১৪। ব্যবহারবান্ধব পণ্য না থাকা

স্টার্টআপ তৈরির পণ্য বা সেবা অবশ্যই ব্যবহারবান্ধব হতে হবে। তা না হলে সে স্টার্টআপ চলবে না। ১৭ শতাংশ ক্ষেত্রে ব্যবহারবান্ধব পণ্য না হওয়ায় স্টার্টআপ ব্যর্থ হয়। পণ্য তৈরির সময় ব্যবহারকারীর চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে ক্রেতাই রাজা।

১৫। অসময়ের পণ্য

বাজার চাহিদা অনুযায়ী পণ্য বাজারজাত করতে হবে। সঠিক পণ্য সময় বুঝে বাজারে ছাড়তে পারলে ব্যবসায় অবশ্যই লাভ আসবে। খুব তাড়াতাড়ি বা দেরিতে পণ্য বাজারে ছাড়লে তা গ্রাহকের কাছে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। স্টার্টআপ ব্যর্থতার দশম কারণ মনে হয় ভুল সময়ে বাজারে পণ্য ছাড়ার বিষয়টিকে।

১৬। অবস্থান

স্টার্টআপ বা উদ্যোগটি কোথায় নেয়া হচ্ছে, সে স্থানটিও সফলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পণ্য বা সেবা দেয়ার সঙ্গে স্টার্টআপের অবস্থান বড় প্রভাব ফেলে। অনেক সময় সঠিক জায়গায় উদ্যোগটির অবস্থান না হলে সেই ব্যবসা ব্যর্থ হয়। ৯ শতাংশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপের ব্যর্থতার জন্য বাজে অবস্থান দায়ী বলে সমীক্ষায় উঠে এসেছে।

১৭। চ্যালেন্জ না নেয়া

উদ্যোক্তাদের প্রতিদিনই নতুন চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়তে হয়। কিন্তু দেশের অনেক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা ঝুঁকি নিতে চান না। তাঁরা সব সময় সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে চান।ব্যবসা বাড়াতে চান না। তা ছাড়া অন্যের দেখাদেখি অনেকে ব্যবসায় নেমে পড়েন। ব্যবসা শুরুর আগে প্রস্তুতি নেন না। এ কারণে উদ্যোক্তারা ব্যর্থ হন।

১৮। গ্রাহকের প্রতিক্রিয়াকে মূল্যায়ন না করা

১৪ শতাংশ ক্ষেত্রে গ্রাহকের প্রতিক্রিয়াকে মূল্যায়ন না করার কারণে উদ্যোগ ব্যর্থ হয়। পণ্য বা সেবা সম্পর্কে গ্রাহক কী বলছেন সেটা বিবেচনায় নিতে হবে এবং সে অনুযায়ী সেবার মান বাড়াতে হবে। গ্রাহকের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী পরিবর্তন আনতে হবে তবেই সফলতা আসবে। তা না হলে উদ্যোগ শুরুতেই ব্যর্থ হবে।

১৯। প্রতিযোগিতায় টিকতে না পারা

প্রতিযোগিদের হালকাভাবে নিলে তা দ্রুত আপনার ব্যবসায় প্রভাব ফেলবে। প্রতিযোগিতার বাজারে অন্যদের হালকাভাবে নেয়ার কোন সুযোগ নেই। প্রায় ১৯ শতাংশ স্টার্টআপ এ কারণে ব্যর্থ হয়।

২০। শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা

শিক্ষা গ্রহণ ও অভিজ্ঞতা অর্জন ব্যবসার সফলতার পূর্বশর্ত । ব্যবসায়ে অতীত অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা থাকলে ব্যর্থতার চেয়ে সফলতার সম্ভাবনাই বেশি । গবেষণার ফলাফল থেকে দেখা যায় যে ব্যবসায় পূর্ব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন উদ্যোক্তাগণ সবচেয়ে বেশি সফল হন ।

তাই আপনারা যারা নতুন স্টার্টআপ শুরু করবেন তাদের জন্য এই ২০টি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। এই বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে আপনারা যদি স্টার্টআপ শুরু করেন তাহলে আপনারা সফল হবেন বলে দৃঢ়ভাবে আশা করা যায়।

24/08/2024

আমাদের দেশে বন্যার জন্য , খরা জন্য এবং গণতন্ত্র হরণের জন্য ইন্ডিয়া দায়ী !! ইন্ডিয়া কখনই আমাদের ভালো চায় না
-বয়কট ইন্ডিয়া-

সচেতনতা:বাংলাদেশে Mpox সনাক্ত করা হয়েছে; ডিজিএইচএস এবং বিমানবন্দর হাই অ্যালার্টে।আজ বাংলাদেশে Mpox সনাক্ত করা হয়েছে, স...
22/08/2024

সচেতনতা:
বাংলাদেশে Mpox সনাক্ত করা হয়েছে; ডিজিএইচএস এবং বিমানবন্দর হাই অ্যালার্টে।

আজ বাংলাদেশে Mpox সনাক্ত করা হয়েছে, স্বাস্থ্য পরিষেবার মহাপরিচালক (DGHS) এবং বিমানবন্দরগুলিকে উচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকতে অনুরোধ করেছে। বিমানবন্দরে এমপক্সের উপসর্গ দেখানো যাত্রীদের আরও পরীক্ষার জন্য কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল বা কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।

যদি কেউ বিদেশ থেকে আসার 21 দিনের মধ্যে Mpox-এর উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে তাদের DGHS হেলথ হটলাইন 16223 বা 11665 নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। Mpox-এর লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:

1. ফ্লুর মতো উপসর্গ যেমন শুরুতে সর্দি বা কাশি
2. শরীরে ফুসকুড়ি
3. ঠান্ডা লাগা এবং জ্বর
4. মাথাব্যথা
5. গলা ব্যাথা
6. পিঠে ব্যথা
7. পেশী ব্যথা, অন্যদের মধ্যে

এর আগে আফ্রিকার বাইরে সুইডেন এবং পাকিস্তানে কেস সনাক্ত করা হয়েছে এবং ভাইরাসটি বিশ্বব্যাপী দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

ঢাকা এভারকেয়ার হাসপাতালে Mpox কেস শনাক্ত হয়েছে।
একটি oxdrutbreak একটি সম্ভাবনা আছে.
ঢাকা এভারকেয়ার এড়িয়ে চলুন
জনসাধারণের এবং কর্মস্থলে মাস্ক পরুন 🥹

অস্থির, ধৈর্যচ্যুত জাতি অল্পতে সমালোচনা করি এবং মনোযোগ হারিয়ে ফেলি কোন কাজে যদি লং টাইম মনোবল এবং এটেনশন না থাকে ওই কাজ...
18/08/2024

অস্থির, ধৈর্যচ্যুত জাতি অল্পতে সমালোচনা করি এবং মনোযোগ হারিয়ে ফেলি কোন কাজে যদি লং টাইম মনোবল এবং এটেনশন না থাকে ওই কাজে কখনো সাকসেস হয় না, শেষটা দেখা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে……..ছোট ছোট ঘটনা কে বড় না মনে করি হাজার হাজার মানুষের জীবনের চেয়ে ছোট ছোট ঘটনা কখনো বড় কিছু না !ছোট ছোট scam দিয়ে কখনো বড় কিছু অর্জনকে নিগৃহীত করা উচিত না !!

একটা মানুষের সবচেয়ে নগণ্য চিন্তা-ভাবনা হল - প্রফেশনালি ভাবে মোকাবেলা না করতে পেরে / সমালোচনা না করে , তার ব্যক্তিগত বা ...
17/08/2024

একটা মানুষের সবচেয়ে নগণ্য চিন্তা-ভাবনা হল - প্রফেশনালি ভাবে মোকাবেলা না করতে পেরে / সমালোচনা না করে , তার ব্যক্তিগত বা পারিবারিক চরিত্র হনন করা. এটা একটা নগণ্য এবং বিকৃত মন মানসিকতার লক্ষণ.

14/08/2024
07/08/2024

দুর্নীতি মুক্ত, হয়রানি মুক্ত, নিরাপদ বাংলাদেশর জন্য সংস্কার প্রয়োজন তারপরে ইলেকশন। যাতে কোন সুবিধাভোগী ফায়দা না নিতে পারে।

Address

Uttara/6
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Home Valley FoodWorks posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Home Valley FoodWorks:

Share