TBazaars

TBazaars TBazaars is an online based shop aims at delivering the best quality imported and local items directly to the customer’s doorstep at a competitive prices.

Happy New Year 2023..!! Have a Blessed year with your family and friends..Team TBazaars
31/12/2022

Happy New Year 2023..!! Have a Blessed year with your family and friends..

Team TBazaars

01/10/2022

রাত ১.৪৫,
একটা কথা বলি শোনো মেয়েরা, জীবনে আর যাই করো, এটলিস্ট এতটুক সেল্ফ ডিপেন্ডেড হইয়ো, যেন তোমার নিজের মন ভালো করার ক্ষমতাটা তোমার থাকে। যেন নিজেকে নিজের পিরিয়ড এর সময় বিশাল বড় একটা আমুল এর ডার্ক চকলেট এনে দিতে পারো, যেন হুটহাট দু চারটে শপিং করে আইসক্রিম খেতে খেতে বাসায় চলে আসতে পারো। যেন এক্সস্টেড লাগলে ঘন্টাখানেক পার্লার এ গিয়ে ম্যাসাজ নিতে পারো। এর জন্যে যেন কারো আশায় বসে থাকতে না হয়। যেন মন খারাপ এর সময় কেউ কেন মন ভাল করার চেষ্টা করছেনা এটা নিয়ে পড়ে না থেকে নিজেই একটা ইন্টারেস্টিং কিছু করে ফেলতে পারো। পছন্দের মুভি/ ড্রামা দ্যাখো, নিজের শখের গার্ডেন করো, একুরিয়াম টেরারিয়াম বানাও, পেট এনিমেল রাখো, কিছু লেখো অথবা একটু গিটারই নাহয় বাজাও! মেয়ে তুমি রাতের আকাশ দ্যাখো, ভোরবেলা এক কাপ গ্রিন টি হাতে সান রাইজ দ্যাখো। একটা লম্বা শাওয়ার নাও। কনফিডেন্স বাড়বে। সেল্ফ কেয়ার ম্যাটার করে গার্লস। নয়তো আজীবন আমার ফ্যামিলি আমারে বুঝেনা, বয়ফ্রেন্ড কেয়ারলেস, হাসবেন্ড আমার ফিলিংস বুঝেনা ওয়ালা দুঃখবিলাস চলতেই থাকবে। তোমারে তোমার চেয়ে ভালো বুঝার ক্ষমতা কারোরই নাই!!!

১১ আশ্বিন, ১৪২৯

©মাসুমা আতিয়া খেয়া

  Previous price- 2,550/- tkDiscounted price- 2,450/- tkLast pieces available
25/09/2022


Previous price- 2,550/- tk
Discounted price- 2,450/- tk

Last pieces available

22/08/2022

১. চা পাতা সংগ্রহে ৮/১০ ঘন্টা শ্রমঘন্টা ব্যয়।
২. দিনভর চা বাগানের কড়া রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে
একটি দুটি করে ২৪ কেজি চা পাতা সংগ্রহ।
৩. চা বাগানে থাকা বিষাক্ত সাপ, পোঁকা-মাকড়, বিছার কামড়ে মৃত্যু ঝুঁকি।
৪. দেশের সবচেয়ে বৃষ্টিপ্রবণ এলাকা বিধায় প্রতিনিয়ত বজ্রপাতে আক্রান্তের শঙ্কা!
৫. দিনভর সংগ্রহ করা ২৪ কেজি চা পাতার ভার বয়ে ৫/৬ কিঃমি পর্যন্ত হেঁটে সেই পাতা জমা দেয়া।
৬. প্রায়শই ওজনে আধা কেজি, এক কেজি কম থাকার অজুহাতে, পাতা জমা নেয়ার দায়িত্বে থাকা টিলা বাবুরা জরিমানা স্বরূপ ১২০ টাকা মজুরির ১০০ টাকাই কেটে রাখে!
৭. সাধারণ বুধবার / বৃহস্পতিবার তলব বসে অর্থাৎ টিলা বাবুরা সাধারণ শ্রমিকদের দৈনিক ১২০ টাকা মজুরি হিসেবে ৮৪০ টাকার মাঝে বিদ্যুৎ বিল বেশি, ফুল টাইম কাজ না করা সহ নানা টালবাহানায় ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা কম দেয়। বিশেষত নারী শ্রমিকদের ৬০-৭০% সাপ্তাহিক ৬০০ টাকার বেশি পায় নাহ।
৮. আনরেজিস্টার্ড শ্রমিকের জন্য মজুরী সাপ্তাহিক ৯০-১০০ টাকা।
বাগানের মালিকপক্ষ তথা ম্যানেজমেন্ট মজুরীর পাশাপাশি যে সকল সুযোগ সুবিধার কথা বলছে- অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তার নমুনা-
#মেডিকেল ট্রিটমেন্ট মানে- নাপা আর প্যারাসিটামল থেকে সর্বোচ্চ জিম্যাক্স, স্যালাইন।
#বাসস্থান মানে উপরে ছন/টিন দেয়া ১২/৮ সাইজের মাটির ঘর। কিছুক্ষেত্রে কাঠ ও কাঠমিস্ত্রী সাপোর্ট।
#রেশন মানে প্রতি বৃহস্পতিবার একজন শ্রমিক পরিবারের জন্য সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৪ কেজি, পরিবারে দুজন শ্রমিক থাকলে ৮ কেজি লাল আটা। চাল কিনেই খেতে হয়।
#চাষাবাদের_জমি মানে শ্রমিক পরিবারের চাষবাস করার জন্য দেড় থেকে দুই শতক জমি লিজ।
#বোনাস মানে বছরব দুইবার দুর্গাপূজা ও লাল পূজায় ৪ হাজার টাকা করে।
একজন চা শ্রমিকের জায়গায় এবার নিজেকে কল্পনা করুন! এটা আধুনিক দাসপ্রথা ছাড়া আর কি হতে পারে!!
চা শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবীর সাথে সংহতি প্রকাশ করে সহজসরল শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়বদ্ধতা।

© Ronjon Speedoo

16/08/2022

বাবা ছাড়া দুনিয়া টা আসলেই অচল..!!

26/07/2022

সম্ভবত এই পৃথিবীর সবচেয়ে কষ্টকর কাজ ধৈর্য্য ধরা৷ চোখের পানি চোখে রেখে, মুখ বুঝে কষ্টগুলো হাসিতে আড়াল করে, পাথর সমান এক শ্বাস কষ্ট অনুভব করতে থাকা মানুষগুলোই বলতে পারে কতটা কষ্ট এই ধৈর্য্যধারণ৷

যে ভাইবোনগুলো এই অসম্ভব কষ্টের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, হয়ত ব্যাক্তিগত কোনো ভুলে, হয়ত পারিবারিক চাপে, হয়ত সামাজিক কারণে ভুগতে হচ্ছে, তাদের জন্য কিছু আয়াত। হয়ত জীবনের এই কঠিন সময়ে আল্লাহর এই কথা গুলো কিছুটা হলেও সাহায্য করবে;

১. ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যধারণকারীদের সঙ্গে আছেন।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ৫৩)

২. ‘এবং আল্লাহ ধৈর্যধারণকারীকে ভালোবাসেন।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৪৬)

৩. ‘এবং যারা ধৈর্যধারণ করবে আমি অবশ্যই তাদেরকে তারা যে কাজ করে তার চেয়ে উত্তম প্রতিদান দেব।’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ৯৬)

৪. ‘যদি তোমরা ধৈর্য ধরো এবং আল্লাহকে ভয় করো তবে তাদের কোনো কৌশল তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১২০)

আল্লাহর এই পরীক্ষায় আমার আপনার জন্য ধৈর্য্যধারণ সহজ করে হোক, আমীন।
(Collected)

18/07/2022

** কাল থেকে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং: জ্বালানি উপদেষ্টা।

** লোকসান কমাতে ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

** অফিস সময় কমিয়ে আনার চিন্তাভাবনা: জ্বালানি উপদেষ্টা।

** সপ্তাহে একদিন পেট্রোল পাম্প বন্ধ থাকবে।

** রাত ৮টার পর বন্ধ থাকবে দোকানপাট।

** সরকারি-বেসরকারি সব বৈঠক ভার্চুয়ালি করার সিদ্ধান্ত।

** মসজিদ এবং অন্যান্য উপোসনালয়ে শুধুমাত্র প্রার্থনার সময় এসি চালু রাখা যাবে।

(Edited)

(১)আজ সম্ভবত পূর্ণিমা রাত। আজকের চাঁদের আকৃতি বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় খানিকটা বড় হবে।বাড়ির ছাদে বা উঠোনে বসে যদি আপন...
13/07/2022

(১)

আজ সম্ভবত পূর্ণিমা রাত। আজকের চাঁদের আকৃতি বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় খানিকটা বড় হবে।

বাড়ির ছাদে বা উঠোনে বসে যদি আপনি আকাশের দিকে তাকান, মেঘমুক্ত আকাশ হলে আপনি ঝকঝকে এক অপরূপ চাঁদের দেখা পাবেন আজ। ধূসার-শাদা জোছনায় প্লাবিত হবে আপনার চারিপাশ।

সুন্দর সেই ঝকঝকে আকাশে চাঁদের বাইরেও আপনি দেখতে পাবেন অসংখ্য অগণিত তারা যারা মিটিমিটি জ্বলছে পুরো আকাশজুড়ে। তাদের অবস্থান কিন্তু আমাদের জানাশোনা, নিকটবর্তী কোন স্থানে নয়। বহু বহু আলোকবর্ষ দূরের কোন মহাশূন্যে তারা অবস্থান করছে ধারণার উর্ধ্বেরও কোন সময়কাল থেকে। তাদের একেকটার আকার আর আকৃতি আমাদের ধারণার চাইতেও বহু বহু গুণ বড় হতে পারে অনায়াসে। হতে পারে— আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে বড় নক্ষত্র, যাকে আমরা সূর্য নামে ডাকি, সেই সুবিশাল সূর্য সেই তারকাগুলোর কাছে শস্যদানার মতোই ক্ষুদ্র!

ভাবছেন, সেই তারকাগুলোর তুলনায় সূর্য যদি এতো ছোট-ই হবে, তাহলে সূর্যের আলো এতো বেশি কেনো? আর, সেই তারকাগুলোকে কেনো দেখি একেবারে নিঁভু নিঁভু পিদিমের আলোর মতোন?

এর কারণ হলো— সেই তারকাগুলোর তুলনায় পৃথিবীর অবস্থান সূর্যের অধিক নিকটে। সূর্য থেকে আমাদের পৃথিবীতে আলো এসে পৌঁছাতে সময় লাগে মাত্র ৮ মিনিট ১৯ সেকেণ্ড। কিন্তু ওইসব তারকা, যেগুলোকে আমরা নিভতে থাকা পিদিমের আলোর মতো দেখি রাতের বেলা, সেগুলোর আলো আমাদের কাছে এসে পৌঁছাতে সময় লেগে যায় কয়েকশো থেকে কয়েক হাজার বছর! তাহলে ভাবুন সূর্য আমাদের কতো নিকটের প্রতিবেশী! এতো কাছের প্রতিবেশি বলেই সূর্যের নক্ষত্র-চরিত তেজস্বী রূপটা আমরা কিছুটা দেখতে পাই। কিন্তু— হতে পারে সূর্যের চাইতেও হাজারগুণ তেজস্বী কোন নক্ষত্রের আলোকে আমরা মৃদুমন্দ আলোকচ্ছটার মতো রাতের বেলা অবলোকন করি কারণ তারা আছে আমাদের ধারণাতীত দূরত্বে।

(২)

তার মানে কী?

ধরা যাক, আমি এখন আমার বাসার ছাদে বসে আছি। তাকিয়ে আছি আকাশের একটা কোণায় টিমটিম করে জ্বলতে থাকা একটা তারার দিকে। আরো ধরা যাক তারাটার নাম 'মনোহরা', এবং সেই তারাটা আছে পৃথিবী থেকে চারশো বছরের দূরত্বে।

এই যে আমি এখন মনোহরার দিকে তাকিয়ে আছি, তার টিমটিমে যে আলোকচ্ছটা আমি প্রানভরে উপভোগ করছি, এই আলোটা কি ঠিক আজকের? অর্থাৎ— ঠিক এই মুহূর্তেই মনোহরা তারকা থেকে নির্গত হয়ে সে আলো আমার চোখে এসে লাগছে?

মোটেও তা নয়। আমি এখন মনোহরার যে আলোটা দেখতে পাচ্ছি, মনোহরা থেকে তা যাত্রা শুরু করেছে আজ থেকে আরো চারশো বছর আগে! অর্থাৎ— বাংলায় যখন মুঘল বংশের শাসন চলছিলো, ঠিক ওই সময় এই আলোটুকু মনোহরা থেকে পৃথিবীর দিকে যাত্রা শুরু করে এবং এই এতোগুলো বছর পরে, সেই আলো পৃথিবীতে এসে পৌঁছেছে এবং আমার চোখে তা ধরা পড়েছে। পৃথিবীর দিকে যাত্রার সময়কালে, মনোহরা হয়তো পুঁড়িয়ে দিয়ে এসেছে তার নিকটবর্তী কোন গ্রহ কিংবা উপগ্রহের পৃষ্ঠদেশ! যে আলো পুঁড়িয়ে এসেছে একটা স্থানকে, অন্য স্থানে সে মোমের আলোর মতো নরম আর সফেদ! মজার না, ব্যাপারটা?

আরো মজার কি জানেন? এমনও হতে পারে— মনোহররা যে আলোটা এখন আমি উপভোগ করছি, চারশো বছর আগে সে আলো যাত্রা করার ঠিক পরেই হয়তো ধ্বংস হয়ে গেছে মনোহরা। বিলীন হয়ে গেছে মহাশুণ্যে। কিন্তু তার ধ্বংসের আগেই যেহেতু আলোটা যাত্রা করে ফেলেছে, তাই তারকা হিশেবে মহাশূণ্যের মহাখাতায় মনোহরা এখন অতীত হলেও, আমার চোখে সে দিব্যি বর্তমান!

(৩)

আচ্ছা, তাহলে আমি আসলে কী বলতে চাচ্ছি?

হুম, আমি আসলে বলতে চাচ্ছি— ছাদে বসে আমি এই মুহূর্তে মনোহরার মতো যেসকল তারকার আলো দেখতে পাচ্ছি, তাদের মিটিমিটি জ্বলা আর নিভে যাওয়াটাকে উপভোগ করছি— তার কোনোটাই বর্তমান নয়। এগুলো সব অতীতে যাত্রা করা আলো, কিন্তু বি-শা-ল দূরত্বের কারণে তা আজ, ২০২২ সালের ১৩ ই জুলাই আমি ছাদে বসে উপভোগ করছি। এমনকি— দিনের বেলা সূর্যের যে আলোটা আমার গায়ে এসে লাগে, সেটাও তৎক্ষনাৎ সূর্য থেকে এসে লাগে না। সেই আলোটা সূর্য থেকে রওনা করেছে আরো ৮ মিনিট আগে। অর্থাৎ— আমার কাছে সূর্যের যে আলোটা বর্তমান, সেই আলোটা সূর্যের কাছে আরো আট মিনিট অতীতের।

(৪)

নাসার জেমসওয়েব টেলিস্কোপের কল্যাণে সম্প্রতি মহাকাশের এখন পর্যন্ত পাওয়া সুপ্রাচীন একটা ছবি আমরা দেখতে পেয়েছি। ছবিটা সারাবিশ্বে হৈচৈ ফেলেছে। নিঃসন্দেহে একটা দারুন মাইলফলক এটা জোতির্বিজ্ঞানের। তবে— যারা খুব হৈচৈ করছেন এই বলে যে— নাসা আমাদের অতীত দেখিয়েছে, জেমসওয়েব এই সময়ের টাইম ট্রাভেল মেশিন ইত্যাদি বলে, তাদের অবগতির জন্যেই উপরের লম্বা ফিরিস্তিটা— এমন অতীত তো আমরা প্রত্যেকদিন-ই দেখছি। হ্যাঁ, নাসা আমাদের এমন অতীত একটা দৃশ্য দেখিয়েছে যা কোনোদিনও আমরা খালি চোখে দেখতে পেতাম না।

(৫)

কতিপয় বিজ্ঞান-পূজারী, যারা অপেক্ষায় থাকেন বিজ্ঞানের যেকোন অবদানে বিশ্বাসীদের একহাত নেওয়ার, তাদেরও কিছু কাণ্ডকারখানা দেখলাম বটে।

জেমসওয়েবের এই আবিষ্কারের খবরে যারা 'সুবহান-আল্লাহ', 'আলহামদুলিল্লাহ' বলে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালার প্রশংসা করছে, তাদের নিয়ে তারা খুব হাসাহাসি করছেন। আমি বুঝতে পারলাম না এখানে হাসাহাসি করার কোন উপাদান তারা খুঁজে পেলেন!

যেকোন বিস্ময়কর বস্তু, আবিষ্কার আর জ্ঞানের দেখা মিললে মুসলমানরা আল্লাহর প্রশংসা করে থাকে। আমরা বিশ্বাস করি— এই আশ্চর্য সৃষ্টি অবশ্যই স্রষ্টার নৈপুণ্যের প্রমাণ বহন করে। এমন তো নয় যে— নাসা জেমসওয়েব টেলিস্কোপের সাহায্যে সেই নক্ষত্র, গ্যালাক্সিগুলোকে মহাকাশের ওই সু-বি-শা-ল দূরত্বে স্থাপন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এরকম অত্যাশ্চর্যের কিছু একটা আছে, জেমসওয়েব সেটা দেখিয়েছে, কেনো আছে, কে সেগুলোকে তৈরি করেছে তা তো জেমসওয়েব বলেনি এবং এটা জেমসওয়েবের কাজও না৷ হ্যাঁ— স্রষ্টাকে কৃতিত্ব না দিতে চাওয়া লোকেরা সেগুলো কীভাবে তৈরি হয়েছে তার কতিপয় ব্যাখ্যা দাঁড় যে করায় না তা নয়। এসবের পেছনে কোন এক বুদ্ধিমান সত্ত্বার হাত আছে সেটা তারা স্বীকার করবে না, তার স্থলে বলবেন— এগুলো বিগ ব্যাংয়ের ফলে তৈরি, কখনো বলবে এগুলো বিগ ক্রাঞ্চের কারণে সৃষ্ট, কখনো-বা বলবে এগুলো ট্রি অব লাইফের অংশ, আবার কখনো বলবে এগুলো স্টার ডাস্টের ব্যাপার স্যাপার। এসব দাবি তারা করতেই পারেন। কিন্তু এতো অনিন্দ্য সুন্দর ব্যবস্থাপনা, কারুকার্য আর কারিশমা দেখে আমরা যদি তাতে কোন বুদ্ধিমান সত্ত্বার অস্তিত্ব স্বীকার করে তৃপ্ত হতে চাই, এসব মুক্তচিন্তার পতাকাধারীরা তাতে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠবে কেনো?

(৬)

কুরআনে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা সাত আসমান সৃষ্টির কথা উল্লেখ করেছেন৷ আমি এমন অনেক ইসলাম বিদ্বেষীকে দেখেছি যারা এই সাত আসমানের কথা তুলে হাসাহাসি করে। তারা বলে— সাত আসমান আবার কী জিনিস? এমনটা হয় নাকি?

কিন্তু, নাসার জেমসওয়েব টেলিস্কোপ যখন মহাকাশের এই সুপ্রাচীন ছবিটা ছেড়ে বললো— ছবিতে অসংখ্য গ্যালাক্সি, নক্ষত্র যে জায়গা দখল করে আছে, তা মহাশূণ্যের তুলনায় একটা শস্যদানার সমান, এর বাইরে অজানা থেকে যাচ্ছে কল্পনাতীত একটা মহাশূন্য-জগত, তখন এসব অবিশ্বাসীর দল ব্যাপক বিস্ময়ের সহিত বলছে— Wow! What a mysterious universe we're living in!

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা বলেছেন— 'আমি নিকটবর্তী আসমানকে সুশোভিত করেছি প্রদীপমালা দিয়ে'- আল মুলক ০৫

এই আয়াত থেকে আমরা অনুমান করতে পারি— আমাদের দৃষ্টিসীমার মাঝে থাকা আকাশ, যেখান থেকে বিচ্ছুরিত হয় নক্ষত্রের আলো, এবং যা আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না, যা দেখার জন্য আমাদের সাহায্য নিতে হয় হাবল অথবা জেমসওয়েব টেলিস্কোপের— এসবগুলোই প্রথম আসমানে থাকা আল্লাহর সৃষ্টিরাজি। নাসা তার ক্যারিয়ারের সর্ববৃহৎ আবিষ্কারটাকেই যদি বলে— মহাশূন্যের মাঝে এটা একটা শস্যদানার মতো, তাহলে কতো বিস্তৃত হতে পারে শুধুমাত্র প্রথম আসমানের পরিধি যা মহান রব সাজিয়েছেন নক্ষত্রমালা দিয়ে?

এই যদি হয় প্রথম আসমানের ব্যাপার, তাহলে বাকি সাত আসমানে কী রহস্য লুকিয়ে আছে ভাবুন তাহলে!

সুবহানাল্লাহি ওয়া-বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আ-যীম!

আরিফ আজাদ
ছবি - নাসা
পোস্টেড বাই - লিপি সরকার

Have a very blessed Eid with your family and friends..!!!❤️ Eid-ul-Adha Mubarak ❤️
09/07/2022

Have a very blessed Eid with your family and friends..!!!
❤️ Eid-ul-Adha Mubarak ❤️

06/07/2022

আজকেই আমাদের পেজ এর লাস্ট অর্ডার এর সময় ছিল..!! কাল থেকে আমাদের ঈদ এর ছুটি শুরু আলহামদুলিল্লাহ..!!😊😊

05/07/2022

আগামীকাল ০৬/০৭/২২ তারিখ পর্যন্ত অর্ডার করার শেষ সময়..!!

02/07/2022

৩০/৪০ হাজার টাকা দিয়ে গরু নিবেন অথবা ছাগল দিয়ে কোরবান করবেন এতে মন ছোট করবেন না এই টাকা কামাতে আপনার বাবার মাথার ঘাম পায়ে ফেলেছে।।
ছোট -বড় পার্থক্য না করে,কুরবানী গ্রহণযোগ্য হচ্ছে কিনা সেদিকে নজর দেওয়া টা বেশি জরুরি।।

“আল্লাহর কাছে (কোরবানির পশুর) রক্ত-মাংস কিছুই পৌঁছে না। পৌঁছে কেবল তোমাদের তাক্বওয়া।”
(সুরা-২২ হজ, আয়াত: ৩৭)

(Collected)

Address

Khilgaon
Dhaka
1219

Telephone

+8801675362040

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TBazaars posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to TBazaars:

Share