RawahEshop

RawahEshop Welcome to visit our world to get affordable prices of any kind of Cloth,Cosmetics & otheres things.

01/11/2025
12/09/2021

***OPEN ME FOR MORE INFO***Curling your eyelashes the right way can do wonders for your look, even if you have no makeup on. If you are on the go....A good c...

20/06/2021
সজনে গাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষকরা সজনে পাতাকে বলে থাকেন, নিউট্রিশন্স সুপা...
25/04/2021

সজনে গাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষকরা সজনে পাতাকে বলে থাকেন, নিউট্রিশন্স সুপার ফুড এবং সজনে গাছকে বলা হয় মিরাক্কেল ট্রি।

করোনা মহামারির আতঙ্কে কাঁপছে সারাবিশ্ব। বাংলাদেশও বাদ নেই। সারাদেশে চলছে কঠোর লকডাউন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত সচেতনতা বাড়িয়ে তোলার পাশাপাশি প্রয়োজন শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। এ সময় খাবার তালিকা পরিবর্তন করে পুষ্টিকর খাবারকে প্রাধান্য দিতে হবে। এক্ষেত্রে সজনে পাতা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সজনে গাছের পাতা পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষকরা সজনে পাতাকে বলে থাকেন, নিউট্রিশন্স সুপার ফুড এবং সজনে গাছকে বলা হয় মিরাক্কেল ট্রি। এটি শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরকে করে পূর্বের থেকেও বেশি স্বাস্থ্যকর।

সজনা, সজনা পাতার গুনাগুণঃ

১। মুখে রুচি বাড়েঃ সজনে ডাঁটার মতো এর পাতারও রয়েছে যথেষ্ট গুণ। সজনে পাতা শাক হিসেবে, ভর্তা করেও খাওয়া যায়। এতে মুখের রুচি আসে।

২। শ্বাসকষ্ট কমাতেঃ সজনে পাতার রস খাওয়ালে শ্বাসকষ্ট সারে। তাছাড়া পাতাকে অনেকক্ষণ সিদ্ধ করে তা থেকে যেই ঘন রস পাওয়া যায় হিং (এক ধরনের বৃক্ষ বিশেষ) ও শুকনো আদার গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়ালে পেটের গ্যাস বেরিয়ে যায়।

৩। রক্ত চাপ কমাতেঃ বার্মিজ চিকিৎসকদের মতে সজনের পাকা পাতার টাটকা রস দু’বেলা খাবাবের ঠিক আগে ২-৩ চা চামচ করে খেলে উচ্চ রক্ত চাপ কমে যায়। তবে ডায়াবেটিস থাকলে তা খাওয়া নিষেধ।

৪। সজনে পাতার বেটে অল্প গরম করে ফোঁড়ার ওপর লাগালে ফোঁড়া ফেটে যায়।

৫। সজনে পাতার রস মাথায় ঘষলে খুসকি দূর হয়।

৬। সজনা পাতার রসে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার ক্ষমতাও রয়েছে।

৭। উচ্চ রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণেঃ সজনে ডাঁটা খাওয়া উচ্চ রক্ত চাপের রোগীদের জন্য বেশ উপকারী। সজনে দেহের কোলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া উচ্চ রক্ত চাপের চিকিৎসায় সজনের পাতাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সজনের পাতার (কচিনয়) রস প্রতিদিন নিয়ম করে ৪-৬ চা চামচ খেলে উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা অনেকাংশে কমে যায়।

৮। টিউমার বা আঘাত জনিত ফোলা উপশমেঃ টিউমার যখন একেবারে প্রাথমিক অবস্থায় থাকে তখন সজনের পাতা এই টিউমার নিরাময় করতে পারে। প্রাথমিক অবস্থায় টিউমার ধরা পরলে তাতে সজনে পাতা বেটে প্রলেপের মতো ব্যবহার করলে টিউমারের ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া ব্যথা বা আঘাত পেলে দেহের কোনো অংশ ফুলে উঠলে একই উপায়ে তা নিরাময় করা সম্ভব।

৯। বাতের ব্যথা উপশমেঃ বাতের ব্যথা উপশমে সজনে গাছের ছাল বেশ কার্যকর। এই পদ্ধতি বেশ প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে। সজনে গাছের ছাল তুলে তা বেটে রস চিপে নিয়ে এই রস নিয়মিত প্রতিদিন ৪-৬ চা চামচ খেলে বাতের ব্যথা প্রায় ৬৫% উপশম হয়।

১০। দাঁতের মাড়ির সুরক্ষায়ঃ অনেক সময় দাঁতের মাড়ির সমসসায় ভুগে থাকেন অনেকে। দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়া এবং মাড়ি ফুলে যাওয়া সমস্যায় ইদানীং অনেককে পড়তে দেখা যায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে সজনে পাতা। সজনে পাতা ১/২ মগ পানিতে ফুটিয়ে নিয়ে সেই পানি দিয়ে ভালও করে প্রতিদিন কুলকুচা করতে হবে। এতে মাড়ির সকল সমস্যার সমাধান হয়।

১১। হেঁচকি ওঠা উপশমেঃ হেঁচকি ওঠা যে কতো কষ্টের তা যারা ভুক্তভোগী তারা ঠিকই জানেন। একবার হেঁচকি উঠা শুরু করলে তা বন্ধ হতে চায় না সহজে। কিন্তু সজনে এই সমস্যার সমাধান করতে পারে বেশ সহজে। সজনে পাতার রস ৯/১০ ফোঁটা আধ গ্লাস দুধের সাথে মিশিয়ে পান করে ফেলুন এক নিঃশ্বাসে। দেখবেন হেঁচকি ওঠা দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে।

১২। পেটের সমস্যা সমাধানেঃ বহুকাল আগে থেকে সজনে হজমের সহায়ক খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। পেটে গ্যাস হলে, বদহজম হলে এবং পেটে ব্যথা হলে সজনের তৈরি তরকারীর ঝোল খেয়ে নিন। দেখবেন পেটের গোলমাল অনেক উপশম হয়ে গিয়েছে।

১৩। শরীর ব্যাথাঃ শরীরের কোন স্থানে ব্যথা হলে বা ফুলে গেলে সজিনার শিকড় বেটে প্রলেপ দিলে ব্যথা এবং ফোলা সেরে যায়।

১৪। কান ব্যথাঃ শেকড়ের রস কানে দিলে কানের ব্যথা ভাল হয়ে যায়।

১৫। মাথা ব্যথাঃ সজিনার আঠা দুধের সাথে খেলে মাথা ব্যথা সেরে যায়। আঠা কপালে মালিশ করিলে মাথা ব্যথা সেরে যায়। ফোড়া হলে সাজিনার আঠা প্রলেপ দিলে সেরে যায়।

১৬। মুত্রপাথরীঃ সজিনা ফুলের রস দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে মুত্রপাথরী থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

১৭। শিশুদের পেটের গ্যাসঃ সজিনা পাতার রসের সাথে লবণ মিশিয়ে খেতে দিলে বাচ্চাদের পেটে জমা গ্যাস দূর হয়।

১৮। কুকুরে কামড়েঃ সজিনা পাতা পেষণ করে তাতে রসুন, হলুদ, লবণ ও গোল মরিচ মিশিয়ে সেবন করলে কুকুরের বিষ নষ্ট হয়।

১৯। জ্বর, সর্দিঃ পাতার শাক খেলে জ্বর ও যন্ত্রণাদায়ক সর্দি আরোগ্য হয়।

২০। গর্ভপাতকারকঃ সজিনা গর্ভপাত কারক। সজিনার ছাল গর্ভাশয়ের মুখে প্রবেশ করালে গর্ভাশয়ের মুখ প্রসারিত হয়ে যায় এবং গর্ভপাত ঘটে।

২১। সজিনা শরীরে কোলেস্টরেলের মাত্রা ঠিক রাখে।

২২। মানুষের শরীরে চিনির মাত্রা সমান রাখে ও ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। এতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যামিনো এসিড পাওয়া যায়।

২৩। হজমে সাহায্য করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

২৪। শরীরে পুষ্টি ও শক্তি জোগায়।

২৫। সজিনা লিভার ও কিডনি সুরক্ষিত রাখে।

২৬। শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে সাহায্য করে।

২৭। মায়ের দুধের পরিমাণ বাড়ায়।

২৮। ব্যাকটেরিয়াবিরোধী সজিনার পেস্ট ত্বকের জন্য উপকারী।

২৯। পুরুষের যৌনশক্তি বৃদ্ধি ও দীর্ঘস্থায়ী করে ।

৩০। মেয়েদের বিলুপ্ত যৌন বাসনাকে উজ্জীবিত ও দীর্ঘায়িত করে।

৩১। কৃমিনাশক হিসেবে সজিনা ব্যবহার করা যায়।

৩২। কুষ্ঠ রোগে বীজের তেল অথবা বীজের তেলের অভাবে বীজ বেটে প্রলেপ দিলে উপকার হয়।

৩৩। সজিনা মূল ও বীজ সাপে কামড়ানোর চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।

৩৪। মূলের ছালের প্রলেপে দাদ উপশম হয়।

পাইকারী ও খুচরা বিক্রি করা হয়।

08/01/2021

গাওয়া ঘি আসলে গব্য ঘৃত। অর্থাৎ গরুর দুধ থেকে যে খাঁটি ঘি প্রস্তুত হয় তাকেই গাওয়া ঘি বলে।

স্বাস্থ্যরক্ষায় ঘিয়ের উপকারিতা (Health Benefits of Ghee)

১| খাঁটি এবং উপকারি (Pure and Beneficial)

মাখন এবং চিজের মতো গাওয়া ঘিয়ে ট্রান্স ফ্যাট নেই। খাঁটি ঘিয়ে আর্দ্রতা কম থাকে বলে এটি দীর্ঘদিন রেখে দেওয়া যায়।

২| ক্যানসারের হাত থেকে রক্ষা করে (Prevents Cancer)

বেশি তাপমাত্রায় বেশরভাগ তেল ভেঙে যায় এবং তার থেকে কিছু অস্থির উপাদান বেরোয় যাকে ফ্রি বা মুক্ত র‍্যাডিক্যাল বলে। অতিরিক্ত মাত্রায় এই ফ্রি র‍্যাডিকাল যদি শরীরে প্রবেশ করে তাহলে সেটা খুব ক্ষতিকর। কারণ এই র‍্যাডিকাল শরীরের কোষ ভেঙে দিয়ে ক্যানসারের সংক্রমণ ত্বরান্বিত করে।তবে ঘিয়ে এই সমস্যা নেই। ৫০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটেও ঘি ভেঙে যায়না।

৩| ঘিয়ে আছে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট (Rich Source of Antioxidants)

ঘিয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। বিশেষ করে এর মধ্যে ভিটামিন ই উপস্থিত থাকায় এটি শরীর সুস্থ রাখতে কাজ দেয়।

৪| ঘিয়ে আছে সিএলএ’র সুরক্ষা কবচ (Contains Cancer-Fighting CLA)

গাওয়া ঘি তৈরি হয় গরুর দুধ দিয়ে। গরু খায় সবুজ ঘাস। এই সবুজ ঘাসে রয়েছে কনজুগেটেড লিনোলিক অ্যাসিড বা সিএলএ। প্রমাণিত হয়েছে ঘি এর উপকারিতা এত যে এই বস্তুটি ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম।

৫| হার্টের জন্য ঘি একদম সুরক্ষিত (Good For Heart)

আমরা অনেকেই মনে করি যে ঘি খেলে হার্টের ক্ষতি হয়। যারা হার্টের রোগী তাঁরা সেই ভয়েতেই ঘি খান না। এই ধারণা একদমই ভুল। কনজুগেটেড লিনোলিক অ্যাসিড বা সিএলএ শুধু হার্টের জন্য ভাল (Benefits of Ghee for Health) তাই নয়, এটি বিভিন্ন রকমের কারডিও ভাস্কুলার রোগ থেকে হার্টকে রক্ষা করে।

৬| পুষ্টিগুণে ভরপুর (Rich In Nutrition)

ঘিয়ে আছে ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে। এই সব কটি ভিটামিনই ফ্যাট সলিউবল অর্থাৎ এটি চট করে ফ্যাতে দ্রবীভূত হয়ে যায়। এই প্রত্যেকটি ভিটামিন শরীর সুস্থ রাখায়, মস্তিষ্ক সচল ও সক্রিয় রাখায় এবং শরীরের রোগ সংক্রমণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করায় সহায়তা করে।

৭| পেটের অসুখ কমায় (Reduces Stomach Problems)

ঘি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং পাচনতন্ত্র মজবুত করে। তাছাড়া এটি ব্যাকটিরিয়া বা জীবাণুও প্রতিরোধ করতে সক্ষম। ফলে যারা পেটের সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা ঘি খেলে অসুখ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।

তিল (/ˈsɛsəmiː/; Sesamum indicum) সেসিমাম (বাংলা উচ্চারণ: [তিল] (এই শব্দ সম্পর্কেশুনুন)) গণ অর্ন্তভূক্ত একটি সপুষ্পক উদ্...
31/10/2020

তিল (/ˈsɛsəmiː/; Sesamum indicum) সেসিমাম (বাংলা উচ্চারণ: [তিল] (এই শব্দ সম্পর্কেশুনুন)) গণ অর্ন্তভূক্ত একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। এর অনেকগুলো স্বজাতি আফ্রিকায় এবং কয়েকটি ভারতের বিভন্ন স্থানে পাওয়া যায়। এটি ব্যাপকভাবে বিশ্বের ক্রান্তীয় অঞ্চলে দেশীভূত এবং ভোজ্য বীজের জন্য চাষ করা হয়ে থাকে।

White Sesame (সাদা তিল)

সারা পৃথিবীর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা সাদা তিলকে সেরা পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য হিসেবে বিবেচনা করেন। এই সাদা তিলের রয়েছে অনেক গুণ ও উপকারিতা ।
তিলের গুণাগুণ সম্পর্কে বিভিন্ন চিকিৎসা শাস্ত্রে অনেক কিছু বলা আছে। কৃষ্ণ তিলের পাশাপাশি সাদা তিলেরও অজস্র উপকারিতা রয়েছে, যা অনেকের অজানা। তিল থেকে নিঃসৃত তেলের ব্যবহার বহু প্রাচীন কাল থেকে প্রচলিত। বহু বাঙালি রান্নার রেসিপিতেই সাদা তিলবাটা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। কিন্তু সাদা তিলের উপকারিতা যে কতদূর বিস্তৃত তা অনেকেই জানেন না। এখানে কয়েকটির সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

১. রক্তের উচ্চচাপ নিয়ন্ত্রণে প্রভূত কার্যকরী সাদা তিল। কারণ, এই তিলে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম যা রক্তচাপ হ্রাস করে।

২. সাদা তিলে একাধিক প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং মিনারেলস রয়েছে। তাই প্রতিদিনের খাবারে এই উপকরণটি ব্যবহার করলে শরীরের ক্যানসার প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়।

৩. ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণেও অত্যন্ত কার্যকরী এই তিল।

৪. সাদা তিলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস, যা হাড় মজবুত করে এবং অস্টিওপোরোসিসের সম্ভাবনা কমায়।

৫. ফাইবার-যুক্ত হওয়ার ফলে হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য-সংক্রান্ত সমস্যাও দূর করে।

৬. সাদা তিলে রয়েছে কপার বা তামা যা গাঁটের ব্যথা, ফুলে যাওয়া, মাসল পেইন বা বাতের ব্যথার উপশমে কার্যকরী।

৭. তেজস্ক্রিয়তার হাত থেকে ডিএনএ-কে রক্ষা করার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে সাদা তিলের। তাই যাদের কেমোথেরাপি নিতে হয় তাদের খাদ্যতালিকায় এই উপাদান রাখা খুব প্রয়োজনীয়।

৮. অনেকেই জানেন না যে, ওরাল হেলথের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ এই উপকরণ। মুখের ভিতরের ব্যাকটেরিয়া নিধনের জন্য মুখের ভিতর স্প্রে করা হয় সাদা তিলের তেল। এই পদ্ধতিকে বলা হয় অয়েল পুলিং।

৯.সকালবেলা এক মুঠো তিল চিবিয়ে খেলে বল ও পুষ্টি পাওয়া যায় সেইসঙ্গে দাঁত এতো মজবুত হয়ে যায় যে বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত নড়ে যায় না, ব্যথা করে না, পড়েও যায় না।

১০.যদি মেয়েদের ঋতুস্রাব ঠিক মতো না হয় এবং খুব ব্যথা-বেদনা হয় তাহলে তিলের তেল খাওয়া উচিত। দু চা চামচ তিল পিষে নিয়ে এক গ্লাস জলে ফুটিয়ে নিন। এক চতুর্থাংশ জল থেকে গেলে সেই জলটুকু পান করলে মাসিক ঠিক মতো হবে।

সতর্কতা ঃ
তিল বা তিল জাতীয় খাবার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হলেও অতিরিক্ত গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে তিল বা তিলের খাবার খাওয়া উচিত।

ধন্যবাদ।

Taqabalallahu minna wa minkumMay Allah accept it (good deeds) from us and you. Eid Mubarak. May Allah bless you and your...
24/05/2020

Taqabalallahu minna wa minkum
May Allah accept it (good deeds) from us and you.

Eid Mubarak. May Allah bless you and your family. :)

Himalayan Pink Salt (সৈ‌‌‍ন্ধব লবন) #হিমালয়ান সল্ট বা  #পিঙ্ক হিমালয়ান  #ক্রিস্টাল সল্ট বা  #গোলাপী লবনএটি এক প্রকার খ...
16/05/2020

Himalayan Pink Salt (সৈ‌‌‍ন্ধব লবন)
#হিমালয়ান সল্ট বা #পিঙ্ক হিমালয়ান #ক্রিস্টাল সল্ট বা #গোলাপী লবন

এটি এক প্রকার খনিজ লবন। পৃথিবীর সবচেয়ে বিশুদ্ধ লবন এটি, যা টক্সিনমুক্ত। এই লবন ঠাণ্ডা, জ্বর, ফ্লু, অ্যালার্জির বেশ কিছু রোগের হাত থেকে বাঁচায়। মাংসপেশির ব্যথা কমাতে সাহায্য করে । সৈন্ধব লবন রক্ত চাপ কমায়, ওজন কমায়, ত্বকের সমস্যা কমায়।

হিমালয়ান সল্ট বা পিঙ্ক হিমালয়ান ক্রিস্টাল সল্ট বা গোলাপী লবনের কথা অনেকেই শুনে থাকবেন। এটি ভারত থেকে চীনের যে প্রসারিত পর্বতশ্রেণী রয়েছে তার মধ্যে পাওয়া যায়।। এর মধ্যে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত “হিমালায় পর্বত” ও অন্তভুক্ত আছে। হিমালয় পর্বতশ্রেণী থেকে এই লবণের দেখা পাওয়া যায় বলে একে হিমালয়ান সল্ট বলা হয়। হোয়াইট গোল্ড নামেও পরিচিত এটি, এই লবণটি গোলাপী রং-এর হয়ে থাকে। এতে গোলাপী,সাদা এবং লাল রং এর খনিজ উপাদান বিদ্যমান থাকায় এর রং গোলাপী দেখায়। এর পুষ্টিগুণ সাধারণ লবনের থেকে অনেক বেশী।
সাধারণ ব্যবহার ছাড়াও এই লবনের কিছু বিস্ময়কর ব্যবহার রয়েছে। চলুন, জেনে নিই হিমালয়ান লবনের উপকারিতা-
১। নিম্মমানের সোডিয়ামের পরিমানঃ
যদিও হিমালয় স্লট আর সাধারন লবন একই উপাদান দিয়ে তৈরি তবুও হিমালয়ের ক্রিস্টাল গঠন সাধারন লবনের তুলনায় বড়। এর মানে হল এতে ১/৪ টেবিল চামচ পরিমান কম সোডিয়াম থাকে সাধারণ লবনের তুলনায়।
২। উচ্চ পরিমানে খনিজঃ
হিমালয়ান সল্ট ৮০+ খনিজ নিয়ে গঠিত যা পৃথিবীর মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায়। এতে ৮৫% থাকে সোডিয়াম ক্লোরাইড আর ১৪% থাকে সালফেট, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, খাবার সোডা, বরিক অ্যাসিডের সল্ট, স্ট্রনশিয়াম এবং ফ্লোরাইড মত খনিজ পদার্থ। এই সকল খনিজ়ের নিজস্ব কিছু গুণ আছে যা হিমালয়ান সল্টের মধ্যে ও বিদ্যমান।

খনিজের গুণাবলী-
🔅হাড় শক্তিশালীকরন
🔅নিম্ন রক্তচাপ দূরীয়করন
🔅মাইগ্রেইনের ব্যথা দূরীকরন
🔅হজমশক্তী বাড়ানো
🔅পেশী ব্যাথারোধ
🔅কোষের ভিতর এবং বাইরের পানির ভারসাম্য বজায় রাখে
🔅শরীরে পানির পরিমাম ঠিক রাখে
🔅একটি ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য তৈরি
🔅ওজন হ্রাসে সাহায্য করে।

রক্তচাপ কমায়: এই লবন টেবল সল্টের বদলে খেলে রক্তচাপ কমে।

ওজন কমায়: এই লবন দেহে ডাইজেস্টিভ জুস উৎপন্ন করে। যা খুব তাড়াতাড়ি খাবার হজম হতে সাহায্য করে। ফলে কমে অতিরিক্ত ওজন।

শ্বাসকষ্ট: শ্লেষ্মা কাটাতে সাহায্য করে। ফলে শ্বাসকষ্ট হলে উপশম দেয় সৈন্ধব লবন।

হৃদপিণ্ড: সৈন্ধব লবন রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে রক্তচাপ কমে এবং ভাল থাকে হার্ট।

ডায়াবেটিস: রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রিত রাখে সৈন্ধব লবন। ফলে ডায়াবেটিস কমাতে ডায়েটে টেবল সল্টের বদলে রাখতেই পারেন এই সি সল্ট।

অবসাদ: এই লবন দেহে সেরোটোনিন এবং মেলাটোনিন নামের দু’টি হরমোন ক্ষরণ করে। যা অবসাদ ও কাটাতে সাহায্য করে।

যেসব কাজে ব্যবহার করতে পারেন:
১| দৈনন্দিন রান্নার কাজেঃ
প্রতিদিনের রান্নায় সাদা লবনের পরিবর্তে এই লবন ব্যবহার করুন। তবে সাদা লবনের চেয়ে কিছুটা কম পরিমাণে ব্যবহার করুন।

২| খাবারের স্বাদ বৃদ্ধিকরনঃ
বিভিন্ন খাবারের উপর অল্প পরিমাণে এই লবণ ছিটিঁয়ে দিন এবং দেখুন খাবারের স্বাদের কি আমূল পরিবর্তন আসে। হিমালয়ান লবণ ফ্রুট সালাদ,সুশী, ভেজিটেবল সালাদ, বিভিন্ন খাবারে ব্যবহার করা যায়। লেবুর সরবত বা তেতুঁলের সরবতের মধ্যে ব্যবহার করুন এই লবন, এটি আপনার খাবার মজাদার করার সাথে সাথে খাবারকে করবে স্বাস্থ্যকর। সকালে খালিপেটে এই জলের উপকারিতা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

৩| গোসলেঃ
শুনে অবাক হলেও স্নানেও এই লবণ ব্যবহার হয়! বাথটব বা বালতির পানিতে এক টুকরো হিমালয়ান লবনের চাক ছেড়ে দিন। এটি মাংস পেশীকে রিল্যাক্স করে। প্রাকৃতিকভাবে এতে রয়েছে পুষ্টি উপাদান যা ত্বকের চামড়া কুঁচকানো দূর করার সাথে সাথে মন ও শরীরকে রাখে সজীব আর প্রাণবন্ত।

৪| মাইগ্রেইনের ব্যাথা দূর করার জন্যঃ
১ কাপ পানিতে ২ চা চামচ হিমালয়ান লবন, ২ চা চামচ লেবুর রস ও সামান্য কুড়ানো লেবুর খোসা একসাথে মিশিয়ে পান করুন এবং দেখুন কিভাবে এক নিমিষে দূর হয়ে যায় আপনার মাইগ্রেইনের ব্যাথা।

(সংগৃহীত)

USA এর CFI অনুমোদিত Kinoki Detox Pads আপনার শরীরের টক্সিন বের করে আনতে সাহায্য করে। টক্সিন হলো একধরনের বিষ, যা মানবদেহে ...
26/01/2020

USA এর CFI অনুমোদিত Kinoki Detox Pads আপনার শরীরের টক্সিন বের করে আনতে সাহায্য করে। টক্সিন হলো একধরনের বিষ, যা মানবদেহে খাবারের মাধ্যমে ও পরিবেশদুষনের মাধ্যমে প্রবেশ করে। এই টক্সিন গুলো আমাদের শরীরে জমে জমে একটা সময় বিভিন্ন রোগে পরিণত হয়। তাই আজই আপনার এবং আপনার পরিবারের জন্য সংগ্রহ করুন।
এই প্রোডাক্টির ফুল ব্যাবহার দেখতে লিঙ্কে ক্লিক করুনঃ https://www.youtube.com/watch?v=rxoHB6aayGY

অর্ডার করতে ফোন করুনঃ ☎ 01611812480, 01678142780

কেন ব্যাবহার করবেন।
==============
প্রতিদিন আমরা যা খাচ্ছি তা বিষাক্ত রাসায়নিক পর্দাথ যুক্ত। প্রতিদিন আমরা যে কসমেটিকস ব্যবহার করছি তা কতটুকু নিরাপদ? প্রতিদিন আপনার ব্যবহৃত মোবাইল, কম্পিউটার টেলিভিশন ইত্যাদি রেডিয়েশন এর ক্ষতিকর পর্দাথ মানবদেহে প্রবেশ করে এবং প্রতিদিন পরিবেশ দূষন হইতে মানবদেহে মারাত্নক স্বাস্থ্য হানিকর পদার্থের প্রবেশ ঘটছে।

মূল্য :-
রেগুলার ----------- ১ প্যাকেট /- টাকা।
ফুল কোর্স --------- ২ প্যাকেট /- টাকা।
ফ্যামিলিপ্যাক ----- ৪ প্যাকেট /- টাকা।

KINOKI কাদের জন্যঃ
==============
(১) ধূমপায়ীদের জন্য যারা সিগারেট থেকে দূষন দূরীভূত করতে চান।
(২) দূর্বল লোকদের জন্য,যারা দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায়,এবং শক্তি কম আছে।
(৩) যারা শরীরের ভিতরের বিষাক্ত টক্সিন দূর করতে চান।
(৪) যাদের জয়েন্টগুলোতে ব্যাথা,ঘাড় এবং ব্যাক পেইন আছে।
(৫) যারা ধূলাবালিতে কঠোর পরিশ্রম করেন।
(৬) যারা স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন।
(৭) যাদের শারিরীক যন্ত্রনায় ঘুম কম হয়।
(৮) বৃদ্ধ এবং অসুস্থ যারা।
(৯) যারা রাস্তায় চলাফেরা করে।
(১০) যারা শরীরে বিষাক্ত টক্সিন আছে কিনা যাচাই করতে চান।
উপকারিতাঃ
=======
KINOKI ব্যবহারে বাতের ব্যাথা, হাটু ব্যথা, কোমর ব্যথা এবং মাংসপেশীর ব্যথা কমিয়ে শরীরকে ঝরঝরে করে তুলে। শরীরের মধ্যে অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় পর্দাথ শোষন করে, রক্তের কোলেষ্টরেল কমাতে সাহায্য করে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে। চামড়ার কালো দাগ ও কুচকানো রোধ করে। এ্যাজমা ও ব্রংকাইটিসে বিশেষ উপকারী। ঘামের দূগর্ন্ধ ও পায়ের মোজার দূগর্ন্ধ দূর করে। পরিপাক যন্ত্রের কার্যকারীতা বাড়িয়ে দেয়। রক্ত পরিষ্কার ও রক্ত প্রবাহ রাড়িয়ে দেয়। শরীর সূস্থ ও সতেজ করে। তাই KINOKI ব্যবহার করুন সুস্থ সবল জীবন গড়ুন।
KINOKI ব্যবহার বিধিঃ
==============
KINOKI ডিটক্স প্যাড রাতে ঘুমানোর পূর্বে পায়ের তলায় ব্যবহার করতে হবে।৭-৮ঘন্টা ব্যবহারের পর সকালে খুলে ফেলতে হবে।

✪ বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ
========
এটি একটি Organic Health Product , শুধু মাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য তাই এর কোনো প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। ১৮ বছর বয়সের নিচের ও অন্তঃসত্বা অবস্থায় ব্যবহারের পূর্বে ডাক্তার এর পরামর্শ নিয়ে নিবেন।
এক প্যাকেটে ১০টি প্যাড থাকে, ৫ দিন ব্যবহার করা যাবে। ভালো ফলাফলের জন্য ২ প্যাকেট ১০ দিন ব্যবহার করতে হবে।

ডেলিভারিঃ
ডেলিভারি সারা বাংলাদেশ।
ডেলিভারি চার্জ- ঢাকা সিটি টাকা, ঢাকার বাইরে টাকা।
ঢাকা সিটির বাইরে ডেলিভারি চার্জ ১৫০ টাকা অগ্রিম প্রযোজ্য।
আমাদের বিকাশ নাম্বারঃ

Address

Shop No 93, 2rd Floor, New Market City Complex (Biswas Builders), New Market
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801678142780

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RawahEshop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to RawahEshop:

Share