TAZ BOOKS

TAZ BOOKS Books is the source of knowledge that can change human being to enlighten the world.

আপনার নিজের জন্য কিনুন। কিংবা শেয়ার বিক্রি করে বুঝে নিন আপনার কমিশন।Cherry Garden ApartmentsIman Nagar, Mirpur 13, Dhak...
03/04/2026

আপনার নিজের জন্য কিনুন। কিংবা শেয়ার বিক্রি করে বুঝে নিন আপনার কমিশন।
Cherry Garden Apartments
Iman Nagar, Mirpur 13, Dhaka
Building Height : B+G+13
Per Floor Unit: 4
Total units : 52
Flat Area : 1800+
Roads : East 30' South :20' North : 20'
Selling Units: 48
Additional Units: 4
Land Share Price: 32 Lac
Contact: 01678009555

14/09/2024

ফেসবুকে Unlike, Hate এবং সর্বোপরি গালি দেওয়া বাটন থাকা উচিত ছিল।

বাংলাদেশকে পাঁচটি প্রদেশে ভাগ করলে কিছু হোক আর না হোক, একটা কাজ ভাল হবে তা হল --ভারত শাসন করবে একটা, মায়ানমার শাসন করবে...
09/09/2024

বাংলাদেশকে পাঁচটি প্রদেশে ভাগ করলে কিছু হোক আর না হোক, একটা কাজ ভাল হবে তা হল --
ভারত শাসন করবে একটা, মায়ানমার শাসন করবে একটা, চীন শাসন করবে একটা, আমেরিকা শাসন করবে একটা আর মাঝখানে যে নামকা ওয়াস্তে একটা থাকল ঐটা হবে সোনার বাংলাদেশ । আকাশ ভরা তারা......

বিরাট জনগোষ্ঠীর কাছে সরকারকে নিয়ে যেতে হলে দেশকে ন্যূনতম পাঁচটি প্রদেশে ভাগ করে একটি ফেডারেল কাঠামোর রাষ্ট্র কর....

যারা ভবিষ্যতে রাজনীতি করতে চান, মনে রাখবেন দেশটা জনতার। আর তরুণরা পাহারাদার। অন্যায়-দূর্নীতির বিরুদ্ধে তাদের পাহারা জার...
05/08/2024

যারা ভবিষ্যতে রাজনীতি করতে চান, মনে রাখবেন দেশটা জনতার। আর তরুণরা পাহারাদার। অন্যায়-দূর্নীতির বিরুদ্ধে তাদের পাহারা জারি থাকবে। অন্যায়-দূর্নীতি বন্ধ করতে পারলেই আসল সংস্কার সম্পন্ন হবে।

14/04/2023

নাজাতের ১০ দিন যে কারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ--

নাজাত শব্দের অর্থ মুক্তি। পবিত্র রমজান মাসে টানা ২০দিন সিয়াম সাধনার পর রোজাদার পরম প্রাপ্তির পর্যায়ে পৌঁছে যান। বান্দার জন্য জাহান্নামের আগুন ও শাস্তি থেকে মুক্তির চেয়ে বড় পাওনা আর কিছু নেই। নবী করীম (সা.) বলেন, রমজানের প্রথম ১০দিন রহমতের, পরের ১০দিন মাগফিরাত লাভের ও শেষের ১০দিন হল জাহান্নাম থেকে নাজাত প্রাপ্তির।

শুরু হচ্ছে বান্দার পাপ মোচনের সময়। বান্দার কৃত পাপের ক্ষমা করার জন্য মহান রাব্বুল আলামীন রমজান মাসকে প্রতিবছর পাঠিয়ে দেন। আর এতে করে তারা স্রষ্টার নৈকট্য লাভ করে ধন্য হতে পারে। মুসলমানরা মাহে রমজানকে নিজের জীবন নিষ্পাপ পুণ্যময় করার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে।

রমজান মাস যখন শুরু হলে মহান রাব্বুল আলামীন এই মাসের প্রথম রাতেই দশ লক্ষ বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। যাদের জন্য জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে রয়েছে, এমন সব গুণাহগারদের মাফ করে দেন তিনি। আর নাজাতের সময়ে পবিত্র লাইলাতুল কদরের রাতে অগণিত বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। পবিত্র মাহে রমজানের ২৯তারিখ রাতে সারা মাসের যত মাফ করা হয়েছে তার দ্বিগুণ, আর ঈদের রাতে আরো দ্বিগুণ সংখ্যক বান্দার গুনাহ মাফ করে দেন। এমন সুসংবাদ জানা যায় হাদীস থেকে। সেইসাথে কবীরা গুনাহের জন্য তওবা করে ক্ষমা প্রার্থনার কথাও বলা হয়েছে।
মহান রাব্বুল আলামীন আমাদের জন্য গুনাহ মাফের এক সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

রমজানের প্রথম দশকে মহান রাব্বুল আলামীন তাঁর বান্দাকে রহমতের বারিধারা বর্ষণ, মাগফিরাত ও ক্ষমার উপযোগী করে তুলে। আর দ্বিতীয় দশকে ক্ষমা করে, শেষ দশকে বান্দার জন্য নাজাতের ফায়সালা করেন। হাদিস শরিফে নাজাতের এই সময়কে ‘ইতক্বুম মিনান নার’ বা জাহান্নাম থেকে মুক্তির দশক বলা হয়েছে।

হযরত আয়েশা (রা.) বর্ণিত একটি হাদীস থেকে জানা যায়, যখন রমজানের শেষ ১০ রাত আসত, তখন নবী করিম (সা.) কোমরে কাপড় বেঁধে নেমে পড়তেন (বেশি বেশি ইবাদতের প্রস্তুতি নিতেন) এবং রাত জেগে থাকতেন। আর পরিবার-পরিজনকেও তিনি জাগিয়ে দিতেন।

মুসলিম শরীফে হযরত আয়েশা (রা.) বর্ণিত অন্য একটি হাদীসেবলা হয়, ইন্তেকাল পর্যন্ত নবী করীম (সা.) রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করেছেন, এরপর তাঁর স্ত্রীরাও ইতিকাফ করেছেন। এ সময় তিনি আল্লাহর ইবাদতে মসজিদে নির্জন বাস করতেন। দুনিয়াবি সব ধরনের সম্পৃক্ততা থেকে মুক্ত হয়ে আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ করতেন, ইবাদতে মশগুল থাকতেন। তাঁর ইতিকাফের জন্য মসজিদে একটি তাঁবু পাতা হতো। ইতিকাফকালীন তিনি রোগী দেখতে বের হতেন না, জানাজায় যেতেন না এবং নারীদের সংস্রব ত্যাগ করতেন। প্রাকৃতিক প্রয়োজনে র মতো জরুরি কিছু ছাড়া তিনি তাঁর ইতিকাফস্থল ত্যাগ করতেন না।

10/04/2023

রমজান মাস কোরআনের মাস-

ইমাম মালেক রহমাতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে বর্ণিত আছে, রমজান মাসের আগমন হলে তিনি কিতাব বন্ধ করে দিতেন। অজু করে কোরআনে কারিম নিয়ে মসজিদে গমন করে বলতেন- ‘এ তো কোরআনের মাস। এ মাসে কোরআন ছাড়া আর কোনও কথা চলতে পারে না।’

রমজান মাস এলে ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহ.) ফতোয়া, মাসায়েল ইত্যাদি সব কিছু ছেড়ে দিয়ে বসে বসে তাসবিহ, তাহলিল, জিকির ও কোরআন তেলাওয়াতে মশগুল থাকতেন।

ইসলামের ইতিহাসে বহু মনীষী ও বুজুর্গ সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, রমজান মাস এলে তারা সব সময় মসজিদে বসে বসে কোরআন তেলাওয়াত ও জিকিরে মশগুল হতেন। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া তারা মসজিদ থেকে বাড়িতে আসতেন না।

রমজানে রোজা, নামাজ, অন্যান্য আমল, বিশেষ করে কোরআন তেলাওয়াত ও কোরআন নিয়ে গবেষণার বিষয়ে ব্যস্ত থাকাকে কর্তব্য মনে করেন সচেতন মুসলমানগণ। কারণ রমজানের মতো এমন মোবারক মাস আর নেই। এ মাসে আমলের সাওয়াব বা মূল্য যেমন বেড়ে যায়, তেমনি আমল কবুল হওয়ার নিশ্চয়তা পাওয়া যায়।

09/04/2023

দ্বিতীয় ১০ দিন মাগফিরাতের-

পবিত্র মাহে রমজান মাসকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম ১০ দিন রহমতের, দ্বিতীয় ১০ দিন মাগফিরাতের এবং তৃতীয় ১০ দিন নাজাতের। রহমতের দশ দিনের শেষে শুরু হয়েছে মাগফিরাতের দশ দিন। অর্থাৎ ১১ থেকে ২০ রোজা পর্যন্ত মাগফিরাত, যার অর্থ ক্ষমা।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘রমজানের প্রথম ১০ দিন রহমতের, দ্বিতীয় ১০ দিন মাগফিরাত লাভের এবং তৃতীয় ১০ দিন জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভের।’ (মিশকাত)
এই মাসে যখন একজন রোজাদার সারা বছরের নেকি ও পুণ্যের ঘাটতি পূরণের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা ও সাধনা চালিয়ে যান এবং মাগফিরাতের ১০ দিনও অতিবাহিত করেন, তখন আল্লাহ তার গুনাহ-খাতা মাফ করে দেন। মাহে রমজানে দিনরাতেই অনেক মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয় এবং দোয়া কবুল হয়।
রমজানের দ্বিতীয় ১০ দিন অর্থাৎ মাগফিরাতের ১০ দিন আমাদের করণীয় হলো সর্বোচ্চ ক্ষমা প্রদর্শন করা। মহানবী (সা.) আরও বলেছেন, ‘সকল মানুষ ভুলকারী। আর ভুলকারীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো যারা তওবাকারী।’ (বায়হাকি)

মহান আল্লাহ বলেন- ‘তুমি যদি পৃথিবী পরিমাণ গুনাহ নিয়ে আমার কাছে আসো এবং আমার সঙ্গে কোনো কিছুকে শরিক না করে থাকো, তাহলে আমিও সমপরিমাণ ক্ষমা নিয়ে তোমার কাছে আসব।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৩৫৪০)

এ মাসে আল্লাহর দরবারে মাগফিরাত কামনা করলে, গরিব-দুঃখীদের প্রতি দান-সদকার পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে, নিজে সব ধরনের খারাপ কাজ পরিহার করলে, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ইবাদত-বন্দেগি, জিকির-আসকার, তাসবিহ-তাহলিল, কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়া-ইস্তেগফার করলে, মহান আল্লাহ তা অবশ্যই কবুল করেন।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, এ মাসে চারটি কাজ অবশ্য করণীয়। দুটি কাজ এমন যে, তার দ্বারা তোমাদের প্রতিপালক সন্তুষ্ট হন। অবশিষ্ট দুটি এমন, যা ছাড়া তোমাদের কোনো গন্তব্যই নেই। এ চারটির মধ্যে একটি হলো কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করা, দ্বিতীয়টি হলো অধিক পরিমাণে ইস্তেগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করা। এ দুটি কাজ আল্লাহর দরবারে অতি পছন্দনীয়। তৃতীয় ও চতুর্থ হলো জান্নাত লাভের আশা করা ও জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণের প্রার্থনা করা। এ দুটি এমন বিষয়, যা তোমাদের জন্য একান্ত প্রয়োজন। (ইবনে খুজাইমা)

09/04/2023

রোজার পুরস্কার আল্লাহ নিজে দেবেন-

রাসূলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, মহান আল্লাহ বলেছেন- ‘আদম সন্তানের প্রতিটি সৎকর্ম তার জন্যই। কিন্তু রোজা স্বতন্ত্র। রোজা আমারই জন্য আর আমি তার প্রতিদান দেবো। সে পানাহার ও যৌনাচার ছেড়ে দেয় একমাত্র আমারই জন্য। রোজা ঢালস্বরূপ, কাজেই তোমাদের কেউ যেন অশ্লীল কথা না বলে এবং হৈ-হট্টগোল না করে। আর যদি কেউ তাকে গালিগালাজ করে অথবা তার সাথে লড়াই-ঝগড়া করে, তাহলে সে যেন বলে, আমি রোজা পালনকারী। সেই মহান সত্তার শপথ! যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, নিঃসন্দেহে রোজাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর নিকট মৃগনাভির সুগন্ধ অপেক্ষা অধিক উৎকৃষ্ট। রোজাদারের জন্য দু’টি আনন্দময় মুহূর্ত রয়েছে, তখন সে আনন্দিত হয়। একটি হলো, যখন সে ইফতার করে তখন সে আনন্দিত হয়। আর যখন সে আপন পালনকর্তার সাথে সাক্ষাত করবে, তখন সে স্বীয় রোজার জন্য আনন্দিত হবে।’

এই দীর্ঘ হাদিসে রোজা ও রোজাদারের অনেকগুলো গুরুত্ব বা ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। তবে সবচেয়ে মূল্যবান কথা হলো, ‘আদম সন্তানের প্রতিটি সৎকর্ম তার জন্যই, কিন্তু রোজা স্বতন্ত্র, তা আমার (আল্লাহ) জন্য, আর আমি তার প্রতিদান দেবো’, যার অর্থ করা হয়েছে, রোজা বান্দা ও আল্লাহর মাঝে একটি গোপন বিষয়। বান্দা যে রোজাদার তা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জানার সুযোগ নেই। ফলে রোজা হলো বান্দা ও আল্লাহর মধ্যকার বিষয়। রোজা হলো আল্লাহর জন্য। এবং রোজার পুরস্কার আল্লাহ স্বয়ং নিজে দেবেন।
কারণ, কেউ মানুষকে ফাঁকি দিয়ে পানাহার বা ভক্ষণ করতে পারে। লুকিয়ে করা এসব কাজ মানুষের চোখকে ফাঁকি দিয়ে করা সম্ভব হলেও আল্লাহকে ফাঁকি দিয়ে করা সম্ভব নয়। এজন্য আল্লাহ রোজাকে নিজের কাছে রেখেছেন এবং বলেছেন, আদম সন্তানের প্রতিটি সৎকর্ম তার জন্যই। কিন্তু রোজা, আল্লাহ ও বান্দার মাঝে গোপন বিষয়। রোজা বান্দার সামনে মেলে ধরা হবে যেদিন বান্দা আল্লাহর কাছে আসবে।

আল্লাহ তার কাজের (রোজার) প্রতিদান নিজে দেবেন। যদি বান্দা আল্লাহর সাথে সত্যপন্থা অবলম্বন করে, অর্থাৎ রোজার আদব ও শর্তসমূহ পরিপূর্ণভাবে মান্য করে, তাহলে আল্লাহ রোজাদারকে পিপাসার বিনিময়ে দেবেন হাউজে কাউসারের সুপেয় ঠাণ্ডা পানি।

যে কঠিন দিনে সব মানুষ পিপাসায় কাতর থাকবে, যে দিন সব মানুষ এক ফোঁটা পানির জন্য হাহাকার করবে, সবাই থাকবে ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত, তখন তাকে পানি, আহার, ফল দেওয়া হবে। তাকে দেওয়া হবে পরিপূর্ণ পরিতৃপ্তি।

যেমনটি ঘোষণা করা হয়েছে পবিত্র কোরআনে সূরা যুমারের ১০ নম্বর আয়াতে: ‘ধৈর্যশীলদের অপরিমিত পুরস্কার প্রদান করা হবে।’

রমজানের রোজার মধ্যে ধৈর্যশীলতার সকল কিছুই রয়েছে। পানি, খাদ্য, সম্ভোগ ইত্যাদি সব কিছু পরিত্যাগের পাশাপাশি মন্দ কথা, মন্দ আচরণ, গিবত, শেকায়েত, বদগুমানি, কিনা ইত্যাদি থেকেও ধৈর্য ধারণ করতে হয় রোজাকে পবিত্র রাখার প্রয়োজনে। অতএব একমাত্র আল্লাহর জন্য ধৈর্য ও পবিত্রতার মাধ্যমে রমজান মাসের মূল আমল রোজা এবং অন্যান্য আমলের মাধ্যমে স্বয়ং মহান আল্লাহর কাছ থেকে অশেষ পুরস্কার ও কল্যাণ হাসিলের জন্য সচেষ্ট হওয়া প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর একান্ত কর্তব্য।

06/04/2023

যেসব কাজ থেকে বিরত থাকলে মিলবে রোজার পুরস্কার--

রমজান ও রোজা মহান আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার সুবর্ণ সুযোগ। এ জন্য রমজান ও রোজা হওয়া চাই হারাম, কবিরা গুনাহ ও নাফরমানি কাজ থেকে মুক্ত। রমজানে মিথ্যা, প্রতারণা, অন্যায়, অত্যাচার, পাপাচার, সুদ, ঘুষ ও দুর্নীতি মুক্ত হতে পারলেই রোজার পূর্ণাঙ্গ পুরস্কার গ্রহণ করতে পারবে রোজাদার। রমজানের সময়কে কাজে লাগিয়ে রোজার পুরস্কার পেতে রোজাদারের রয়েছে কিছু করণীয় ও বর্জনীয়।

আল্লাহ তাআলাকে সন্তুষ্ট করার জন্য, মুত্তাকি হওয়ার লক্ষ্য অর্জন করার জন্য রমজানের রোজা সবচেয়ে কার্যকরী। কেননা তাকওয়া অর্জনের জন্যই রোজার বিধান দেওয়া হয়েছে।। এ লক্ষে রমজান মাসে কিছু বিষয়ের প্রতি বিশেষভাবে খেয়াল রাখা দরকার। তাহলো-

১. অপ্রয়োজনীয় কথা বার্তা না বলা: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কত রোজা পালনকারী এমন আছে, (রোজা অবস্থায় অশ্লীল কথা ও কর্ম থেকে বিরত না থাকার ফলে) ক্ষুধা ও পিপাসা ছাড়া রোজা থেকে সে আর কিছু লাভ করতে পারে না। অনুরূপ অনেক রাত জাগরণকারী এমন আছে যে তার রাত্রিজাগরণ থেকে জেগে থাকার কষ্ট ছাড়া আর কিছু পায় না।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৬৯০)

২. মিথ্যা কথা না বলা: মিথ্যাকে সব পাপের জননী বলা হয়। একটি মিথ্যা থেকে শত শত পাপের সূত্রপাত হয়। তাই আল্লাহ ও রাসুলুল্লাহ (সা.) মিথ্যা কথা থেকে বিরত থাকার আদেশ দিয়েছেন।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন- ‘যে রোজা রেখেছে অথচ মিথ্যাচার পরিহার করেনি, তার এই কৃত্রিম পানাহার বর্জনের কোনো প্রয়োজন আল্লাহর নেই। (বুখারি: ১৯০৩)

৩. গীবত থেকে বিরত থাকা: গীবত আমল ধ্বংসের নিরব ঘাতক। গীবতের কারণে কখন যে আপনার আমল ধ্বংস হয়ে যাবে তা বুঝতেই পারবেন না। গীবত জিনার চেয়েও জঘন্যতম গুনাহ। তাই গীবত পরিহার উচিত।

মহান আল্লাহতায়ালা আমাদের সকলকে মাহে রমজানের অশেষ রহমত, বরকত হাসিল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

02/04/2023

মাগফিরাত বা ক্ষমার ১০ দিন --

রমজান মাসের মাঝের ১০ দিন মাগফিরাত বা ক্ষমার। এই ১০ দিন আমাদের করণীয় হবে আল্লাহ পাকের ক্ষমা সংক্রান্ত নামগুলো হৃদয়ঙ্গম করে এর ভাব-প্রভাব ও বৈশিষ্ট্য অর্জন এবং অধিকার করে নিজের মধ্যে আত্মস্থ করার চেষ্টা করা। আজীবন তার ধারক-বাহক হয়ে তা দান করা বা বিতরণ করা তথা আল্লাহর গুণাবলি নিজের মাধ্যমে তার সৃষ্টির কাছে পৌঁছে দেয়া।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'অপরাধ স্বীকারকারী নিরপরাধ ব্যক্তির মতো।'(বুখারি, মুসলিম ও তিরমিজি)। আপনি ক্ষমা লাভ করেছেন বা ক্ষমার অধিকারী হয়েছেন, তা বোঝা যাবে আপনার আচরণে যদি ক্ষমা প্রকাশিত হয়; নয়তো নয়।

অতএব, রমজানের দ্বিতীয় ১০ দিন অর্থাৎ মাগফিরাতের ১০ দিন আমাদের করণীয় হলো সর্বোচ্চ ক্ষমা প্রদর্শন করা। মহানবী (সা.) আরো বলেছেন- সকল মানুষ ভুলকারী। আর ভুলকারীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো যারা তওবাকারী (বায়হাকি)।

তিনি আরো বলেন- তুমি যদি পৃথিবী পরিমাণ গুনাহ নিয়ে আমার কাছে আসো এবং আমার সঙ্গে কোনো কিছুকে শরিক না করে থাকো, তাহলে আমিও সমপরিমাণ ক্ষমা নিয়ে তোমার কাছে আসব। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৩৫৪০)

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন- 'মাহে রমজানের প্রতি রাতেই একজন ফেরেশতা ঘোষণা করতে থাকেন, 'হে পুণ্য অন্বেষণকারী! অগ্রসর হও। হে পাপাচারী! থামো, চোখ খোলো।' তিনি আবার ঘোষণা করেন, 'ক্ষমাপ্রার্থীকে ক্ষমা করা হবে। অনুতপ্তের অনুতাপ গ্রহণ করা হবে। প্রার্থনাকারীর প্রার্থনা কবুল করা হবে।'

29/03/2023

রমজানের প্রথম ১০ দিনে রোজাদারদের জন্য কী পুরস্কার রয়েছে--

আরবি বারো মাসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মাসের নাম রমজান। এ মাসে মুমিনের ওপর ফরজ করা হয়েছে পূর্ণ একমাস সিয়াম পালন। একজন মুসলিমের জন্য অন্যান্য ফরজ ইবাদতের মতো রোজা রেখে মহান প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জন করা আবশ্যক। ইসলামের মূল পাঁচটি ভিত্তির অন্যতম এটি। দ্বিতীয় হিজরিতে কোরআনের আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা উম্মতের ওপর রমজানের রোজা ফরজ করেছেন।
আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন—‘হে ইমানদারগণ! তোমাদের প্রতি রোজা (রমজানের রোজা) ফরজ করা হয়েছে, যেমন তোমাদের আগের লোকদের প্রতি ফরজ করা হয়েছিল, যাতে তোমরা মুত্তাকি হতে পারো।' (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৩)।
আরও বাধ্যবাধকতা বোঝাতে অন্য আয়াতে ইরশাদ করেন—‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তিই এ মাস পাবে, সে যেন অবশ্যই রোজা রাখে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৫)
বরকতময় এ মাসে রোজা পালনকারীর মর্যাদাই আলাদা। অন্যান্য মাসব্যাপী রোজা রাখলেও রমজান মাসের একটি রোজার সমতুল্য হবে না। আবশ্যিক এ ইবাদতের পূর্ণাঙ্গ গুরুত্ব বোঝাতে হাদিসে এসেছে—‘হযরত আলী (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত রমজান মাসের একটি রোজাভঙ্গ করবে, সে আজীবন সে-ই রোজা (ক্ষতিপূরণ) আদায় করতে পারবে না। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা, ৬ষ্ঠ খণ্ড ১৩১ পৃষ্ঠা, হাদিস : ১০০৪৭)।
রমজান মাসের এ রোজাগুলো মুমিন ব্যক্তিকে যাবতীয় ত্রুটি থেকে মুক্ত হয়ে রাখা বাঞ্ছনীয়। মহানবী (সা.) হাদিসে এ বিষয়ে ইরশাদ করেন। সুনানে নাসাঈ ও ইবনে খুযাইমা'র যৌথ বর্ণনায় এসেছে- 'হজরত আবু উবায়দা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাওম (রোজা) ঢালস্বরূপ যতক্ষণ পর্যন্ত সে তা ভেঙ্গে না ফেলে, আর তা হলো- মিথ্যা ও গিবত (বলা দ্বারা)। (সুনানে নাসাঈ ২২৩৫, সহিহ ইবনে খুযাইমা ১৮৯২)।
আল্লাহর পূর্ণ আদেশ পালন, রাসুল (সা.)-এর দেখানো পথ অনুসরণের মাধ্যমে রমজান মাসের রোজাদারকে আল্লাহ তায়ালা যেভাবে সহযোগিতা করবেন, তন্মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- 'রমজান মাসের প্রথম ১০ দিন রহমতের, দ্বিতীয় ১০ দিন মাগফিরাত লাভের এবং তৃতীয় ১০ দিন জাহান্নাম থেকে নাজাত প্রাপ্তির।’ (কানযুল উম্মাল, ৮ম খণ্ড ৪৬৩ পৃষ্ঠা, হাদিস : ২৩৬৬৮)।
হাদিস অনুযায়ী রমজান শুরু হওয়ার দিন থেকে অর্থাৎ প্রথম দশ দিনের প্রথম রোজা রাখার সাথে সাথে পেছনের সব পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। হাদিসের ভাষায়- 'হযরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুজুর (সা.) ইরশাদ করেন- ‘যখন কেউ রমজানের প্রথম দিন রোজা রাখে তখন তার পূর্বেকার সকল গোনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

Address

Plot/3449, Sagufta Housing, Pallabi, Mirpur
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TAZ BOOKS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category