14/06/2024
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।।
আল্লাহ তুমি আমাদের ক্ষমা করো আমিন।।
🔲 আরাফার দিনের রোজাটি মূলত কবে রাখতে হবে..??
🔸 আরাফার রোজা সম্পর্কে হাদীসে পাকে “ইয়াওমে আরাফাহ” অর্থাৎ আরাফার দিনের কথা বলা হয়েছে। আর ইয়াওমে আরাফাহ হচ্ছে যিলহজ্ব মাসের ৯ তারিখ। সুতরাং বাংলাদেশ অনুযায়ী আরাফার দিনের রোজাটি রাখতে হবে যিলহজ্ব মাসের ৯ তারিখ অর্থাৎ ১৬ ই জুন রোজ রবিবার।
🔹 তবে কিছু সংখ্যক আলেমগন বলে থাকেন আরাফার দিনের রোজাটি রাখতে হবে সৌদি আরব অনুযায়ী অর্থাৎ ০৯ ই যিলহজ্ব তথা ১৫ ই জুন শনিবার। কিন্তু অধিকাংশ মুহাক্কিক আলেমগনের ফতুয়া হচ্ছে, বাংলাদেশ অনুযায়ী আরাফার দিনের রোজাটি রাখতে হবে যিলহজ্ব মাসের ৯ তারিখ [অর্থাৎ ১৬ ই জুন রবিবার, ঈদের পূর্বের দিন]।
⭕ কারন রাসূল ﷺ বলেছেন, “তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখো এবং চাঁদ দেখে রোজা ভঙ্গ করো অর্থাৎ ঈদ পালন করো।” [সহীহ বুখারী ১৯০৬]
🔸 তাই এক্ষেত্রে সবচেয়ে বিশুদ্ধ মত হচ্ছে, চাঁদ অনুযায়ী আরাফার রোজা রাখা। কারন আমল করার ক্ষেত্রে রাসূল ﷺ চাঁদকে অনুসরণ করতে বলেছেন, সৌদি আরবকে নয়!
🔹 সৌদি আরবও তাদের দেশের চাঁদ অনুযায়ী রোজা এবং ঈদ পালন করে থাকে, সৌদি আরব আমাদের মতো অন্য কোনো দেশকে অনুসরণ করে রোজা এবং ঈদ পালন করে থাকে না। তাই বিশুদ্ধ মত অনুসারে, বাংলাদেশে ০৯ ই যিলহজ্ব তারিখেই আরাফার রোজাটি রাখা সর্বোত্তম হবে।
🔲 তবে কেউ যদি সৌদি আরব অনুযায়ী শনিবার দিন আরাফার রোজাটি রাখতে চান, তাহলেও কোনো সমস্যা নেই, আপনার রোজাটি আরাফার রোজা হিসেবে গন্য হয়ে যাবে ইন শা আল্লাহ। আর কারো পক্ষে যদি সম্ভব হয় তাহলে তিনি ৮ এবং ৯ ই যিলহজ্ব অর্থাৎ শনি এবং রবিবার উভয় দিনই রোজা রাখার চেষ্টা করবেন ইন শা আল্লাহ।
🔸 অর্থাৎ একদিন সাধারন নফল রোজার নিয়তে রোজা রাখবেন এবং অন্যদিন আরাফার রোজার নিয়তে রোজা রাখবেন। তাহলে একদিকে যেমন আরাফার রোজা রাখার ফজিলত লাভ করবেন, ঠিক অপরদিকে দুইটি নফল রোজা রাখারও সওয়াব লাভ করবেন ইন শা আল্লাহ.