ঘরোয়া- Ghoroa

ঘরোয়া- Ghoroa Elevate your space with timeless elegance. Quality • Style • Comfort • Trust

ঘরোয়া আপনাদের জন্য কিন্তু প্রিমিয়াম জিনিসের খোজে আছে। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা বেতের ঝুড়ি সোর্স করতেসি আপনাদের জন্য। শহরের...
06/09/2026

ঘরোয়া আপনাদের জন্য কিন্তু প্রিমিয়াম জিনিসের খোজে আছে। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা বেতের ঝুড়ি সোর্স করতেসি আপনাদের জন্য। শহরের মানুষের এসব জিনিসের প্রতি আলাদা টান অনুভব করে । শুধু বেতের ঝুড়িই না , আরো বিভিন্ন বেতের তৈরি আইটে,ম আমরা সামনে আনবো। কাজ চলমান। সাথে থাকার অনুরোধ রইলো...

বারান্দা থাকলে ছিমছামভাবে সাজিয়ে ফেলুন, প্রতিদিন জমিয়ে পরিবারের সাথে চা খেতে ভালো লাগবে ☕ছোট্ট একটা বারান্দাও যদি একটু য...
27/08/2026

বারান্দা থাকলে ছিমছামভাবে সাজিয়ে ফেলুন, প্রতিদিন জমিয়ে পরিবারের সাথে চা খেতে ভালো লাগবে ☕

ছোট্ট একটা বারান্দাও যদি একটু যত্ন করে সাজানো যায়, সেটাই হয়ে উঠতে পারে সারাদিনের সবচেয়ে শান্তির জায়গা।

চলুন দেখি কীভাবে সহজেই বারান্দাকে বানাবেন আপনার "মিনি রিল্যাক্সেশন কর্নার"

একটা ছোট টেবিল আর মোড়া বা টুল রাখুন

বড় ফার্নিচারের দরকার নেই। একটা ছোট বেতের টেবিল বা টুল হলেই চায়ের কাপ রাখার আর বসার আরামদায়ক জায়গা তৈরি হয়ে যায়।

গাছ রাখুন, কিন্তু বেছে বেছে

মানিপ্ল্যান্ট, অ্যালোভেরা বা ছোট ফুলের টব । যত্ন কম লাগে এমন গাছ বেছে নিন। ২-৩টা গাছ থাকলেই বারান্দায় প্রাণ চলে আসে, অতিরিক্ত রাখলে জায়গা ছোট মনে হয়।

মেঝেতে একটা পাটি বা ছোট রাগ বিছান

খালি টাইলস বা মেঝের চেয়ে একটা রঙিন পাটি বিছিয়ে দিলে জায়গাটা তাৎক্ষণিক উষ্ণ আর আরামদায়ক লাগে। ভাড়া বাসাতেও কোনো সমস্যা নেই, বাসা ছাড়ার সময় শুধু গুটিয়ে নিলেই হলো।

এই ছোট ছোট পরিবর্তনগুলোই বারান্দাকে বানিয়ে দেয় দিনের সেই এক টুকরো শান্তির জায়গা ,যেখানে এক কাপ চা হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ শুধু নিজের জন্য সময় কাটানো যায়।

"বাসায় হুট করে মেহমান আসবে” এখন রান্নাঘরে ঢুকবো নাকি ঘর গুছাবো?আমাদের দেশে সাধারণত মেহমানদের কদর করা হয় যথেষ্ট। আমাদের ...
22/08/2026

"বাসায় হুট করে মেহমান আসবে” এখন রান্নাঘরে ঢুকবো নাকি ঘর গুছাবো?

আমাদের দেশে সাধারণত মেহমানদের কদর করা হয় যথেষ্ট। আমাদের একটা ঐতিহ্য ও বলা যায়।
তবে, ধরুন হুট করে বিকেলে শুনলেন আপনার বাসায় কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মেহমান আসছে । ১৫/২০ মিনিটের মধ্যে পৌঁছে যাবে। আপনি তখন কি করে থাকেন?
প্রথমে হয়তো কিছু সময়ের জন্য ফ্রিজ হয়ে যাবেন! 😂
ঘোর কেটে গেলে তড়িঘড়ি করে হয়তো রান্নাঘরে দৌড় দিবেন। ঘরের পুরুষ মানুষকে পাঠাবেন বাজারে সদাই কিনতে। আর আপনার এলোমেলো, অগোছালো ঘর?? সেটার কি হবে?
আপনি এখন রান্না করবেন নাকি ঘর গুছাবেন? কি মুশকিল তাই না?
দেখেন আপু! এই ভুলটা অনেকে করে থাকি। আমাদের অনেকের ঘর সবসময় অগোছালোই থাকে । সব জিনিস জায়গা মত থাকে না। আলসেমী লাগে গুছাতে। মনে করি পরে গুছাবো। কিন্তু আর গোছানো হয়ে উঠে না। কিন্তু যখন ঘরে মেহমান আসার খবর পাই তখন তাড়াহুড়ো করে ঘর গুছাতে লেগে যাই। কিন্তু যদি ঘর সবসময় ঘুছিয়ে রাখি তাহলে কিন্তু এই হ্যাসেলটা আমদের পোহাতে হয় না।
একটা বিষয় খেয়াল করবেন, অগোছালো থাকলে ঘরে অল্প মাল-সামানা থাকলেও সেটা দেখতে অনেক খারাপ দেখায়। কিন্তু সবকিছু গোছানো ও পরিপাটি থাকলে ঘরে বেশি মালামাল থাকলেও দেখতে খুব ভালো ও সুন্দর লাগবে। ঘরে কেউ বেড়াতে আসলেও সে দেখে মুগ্ধ হবে অবশ্যই।

ঘর সাজানোর ৫টা সহজ টিপস, যা কেউ আপনাকে বলবে না।সুন্দর ঘরের জন্য বড় বাজেট বা দেয়াল ভাঙাগড়ার কিন্তু দরকার নেই। একটু মাথ...
15/08/2026

ঘর সাজানোর ৫টা সহজ টিপস, যা কেউ আপনাকে বলবে না।

সুন্দর ঘরের জন্য বড় বাজেট বা দেয়াল ভাঙাগড়ার কিন্তু দরকার নেই। একটু মাথা খাটালেই যে কোনো বাসাই হয়ে উঠতে পারে গোছানো আর প্রিমিয়াম।

চলুন ! আজকে “ঘরোয়া” থেকে আপনাদের ৫ টা ঘর সাজানোর টিপস দিয়ে দেই। দেখবেন ঘরে মেহমান এলে বলবে, মাশাল্লাহ! কি সুন্দর, পরিপাটি ঘর!

১/ আয়না রাখুন সঠিক জায়গায়

জানালার উল্টো দিকে একটা আয়না রাখলে দেখবেন ঘরে আলো দ্বিগুণ হয়ে যা্বে, এতে ছোট রুমও বড় দেখাবে। ভাড়া বাসায় যারা ছোট রুমে থাকেন, তারা এটা ট্রাই করতে পারেন!

২/ টেক্সটাইল দিয়েই বদলে ফেলুন লুক

দেয়ালের রঙ পাল্টাতে না পারলেও কুশন, কভার, পর্দা, বেড শিট ইত্যাদি আপনাদের পছন্দ ও রুচির সাথে মিলিয়ে কালার চয়েস করলে দেখবেন পুরো রুমের চিত্র বদলে গিয়েছে। এটা সবচেয়ে সাশ্রয়ী আর সবচেয়ে বেশি ইমপ্যাক্ট ফেলা টিপস ।

৩/খালি দেয়াল = হারানো সুযোগ

পেরেক ছাড়াই লাগানো যায় এমন “ওয়াল ডেকর” দিয়ে সাজাতে পারেন আপনার খালি দেয়াল। এতে ঘরে একটা "ফোকাল পয়েন্ট" তৈরি হয়, যা প্রথম দেখাতেই নজর কাড়ে । আর বাসা ছাড়ার সময় দেয়ালেরও কোনো ক্ষতি হয় না। বাড়িওয়ালার খেঁচ খেঁচ ও শুনতে হবে না! সেই না!

৪/ টেক্সচার মিক্স করুন

কাপড়, কাঠ, আর মেটালের ছোট ছোট জিনিস একসাথে রাখলেই ঘরে আসে গভীরতা। যেমন -একটা কটন কুশনের পাশে একটা কাঠের শোপিস রাখলেই তফাৎটা চোখে পড়ে। অথবা আপনি গাছ প্রেমী হলে “বনসাই” রাখতে পারেন। এসব জিনিসগুলা ছোট হলে ঘরটা বেশ ঘুছানো ও রিফ্রেশ ভাইব দেয়।

৫/ছোট জিনিসেই বড় পরিবর্তন

পুরো ঘর নতুন করে সাজাতে হবে না। খুব বড় বড় জিনিস ও কিনতে হবে না। একটা সুন্দর শোপিস, একটা প্ল্যান্ট, বা একটা ট্রে অর্গানাইজার এসকল জিনিসেও ঘর অনেক গোছানো ও ডিফ্রেন্ট লুক দিতে হেল্প করে।

একটা বিষয় দেখুন। ঘর হচ্ছে একজন মহিলার সংসারের মূল ঠিকানা। আর একজন পুরুষের স্বস্তির ঠিকানা। আপনার ঘর যখন গোছানো থাকবে তখন আপনার মন ও শান্ত থাকবে। অনেকে এটা বিশ্বাস করতে চান না! কেবল মেহমান আসলেই আমাদের ঘর গোছানোর কথা মনে হয়। এটা একদম সঠিক না। আবার অনেকে মনে করেন ঘর সাজাতে অনেক টাকা লাগে। আসলে তা না! আপনি আপনার বাজেটে ঘরকে দিতে পারেন অন্যরকম লুক। যা আপ্নাকেই বিস্মিত করবে। “ঘরোয়ার” সাথে থাকলে আপনিও ঘরোয়া হবেন ইনশাল্লাহ।

আপনার ঘরে এর মধ্যে কোনটা আগে থেকেই আছে? কমেন্টে জানান 👇

আমাদের শুরুটা হয়েছিলো “আবাবীল শপ” থেকে। করোনার সেই অন্ধকার সময়ে ঘরের এক কোনে বসে খুলেছিলাম স্বপ্নের সেই পেইজ। তখন ভাবি ন...
13/08/2026

আমাদের শুরুটা হয়েছিলো “আবাবীল শপ” থেকে। করোনার সেই অন্ধকার সময়ে ঘরের এক কোনে বসে খুলেছিলাম স্বপ্নের সেই পেইজ। তখন ভাবি নি যে আবাবীল শপে আলহামদুলিল্লাহ এত কাজ হবে! আপনারা অনেক সাড়া দিয়েছেন। যা প্রতিনিয়ত আমাদের আরো অনুপ্রাণিত করেছে।
আমাদের দই মেকার, গ্রাইন্ডার, ইলেক্ট্রিক চপার কয়েক হাজার পরিবারের কাছে পৌঁছাতে পেরেছি এটা আমাদের জন্য অনেক আনন্দের।
তাহলে আমরা আবাবীল শপ থেকে “ঘরোয়া” নামে কেন শিফট করলাম?
ছোট প্রশ্ন। তবে ব্যাখ্যা কিন্তু বিস্তর। অল্প কথায় বলতে গেলে আমরা চাচ্ছি যে “ঘরোয়ার “ মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারের ঘর সাজানোর, রান্নাঘর গোছানোর, আর দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সব জিনিস এক জায়গায় থেকে পৌঁছে দিতে চাই। যেখানে কোয়ালিটিতে কোন কম্প্রোমাইজ করা হবে না এবং গ্রাহকের ক্রয়ক্ষমতার কথা বিবেচনায় রেখে প্রাইসিং করা হবে।
”ঘরোয়া” আপনার ঘরকে আপন করে নিবে ইনশাল্লাহ। আপনারাও হবেন “ঘরোয়ার” ঘরের মানুষ।

তো! পাশে থাকবেন তো ইনশাল্লাহ!

দই মেকারে ধামাকা অফারদই পছন্দ করে না এমন মানুষ কমই আছে। তবে বেশিরভাগ সময় দই খেতে হলে দোকান থেকে এনে খেতে হয়। যা অনেক্ষেত...
24/07/2026

দই মেকারে ধামাকা অফার

দই পছন্দ করে না এমন মানুষ কমই আছে। তবে বেশিরভাগ সময় দই খেতে হলে দোকান থেকে এনে খেতে হয়। যা অনেক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর হয় না। আপনার ও আপনার পরিবারকে ফেলে দেয় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে। যদি বলি দোকান থেকে নয়! এখন দই বানাতে পারবেন ঘরে বসেই , সহজে, দ্রুত ও স্বাস্থ্যকর পদ্ধতিতে! তাহলে কি অবাক হবেন!

জি ! আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি “ দই মেকার” যেটা দিয়ে আপনি ঘরে বসেই খুব সহজেই দই বানিয়ে ফেলতে পারবেন খুব সহজেই।



**আমাদের দই মেকারের সুবিধা:**

✅ পারফেক্ট তাপমাত্রা – দই হবে ঘন, মোলায়েম।

✅ শীতে ৪–৬ ঘণ্টা / গরমে ৩–৪ ঘণ্টায় তৈরি

✅ মাত্র ১৫ ওয়াট – বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী

✅ ফুড গ্রেড যুক্ত সকল মাটেরিয়াল।

দই আসলে কেন খাবেন ! না জেনেই খেয়ে ফেলবেন! শুনেন তাহলে…

1️⃣ দই শরীর ঠান্ডা রাখে ❄️

2️⃣ দ্ই হজম শক্তি বাড়ায় 🌀

3️⃣ দই গরমে শরীর ডিহাইড্রেটেড হতে দেয় না 💧

4️⃣ দই ইমিউনিটি শক্ত করে 🛡️

5️⃣ দই ক্যালসিয়াম-প্রোটিনে ভরপুর।

সুতরাং দই নিজে খান এবং বাচ্চাকে হাবিজাবি না খাইয়ে দই খাওয়াতে পারেন।

১ লিটার ও ১.৭ লিটার দুইটা সাইজি পেয়ে যাবেন আমাদের কাছে। কোনটা লাগবে আপনার? জানিয়ে অর্ডার করে ফেলুন।

আমাদের কাছে হিউজ পরিমান দই মেকার স্টক আছে ।

🚚 সেই সাথে আমরা সারা দেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করে থাকি।

💬 ইনবক্স করতে পারবেন অথবা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে অর্ডার করতে পারেন।

✅কল করুন- 01631217626

Address

Address: Floor 1, House 22, Road 17, Block A, Hasanabad Housing, South Keraniganj
Dhaka
1204

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ঘরোয়া- Ghoroa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ঘরোয়া- Ghoroa:

Shortcuts

Share