Mango Land BD

Mango Land BD রাজশাহী থেকে কেমিক্যাল মুক্ত, ফ্রেশ আ?

শুভ সকাল 🥰
28/06/2024

শুভ সকাল 🥰

রাজশাহীর আম ডেলিভারি দেওয়া শুরু হয়েছে রাজশাহীর সুস্বাদু গোপালভোগ হিমসাগর আম খেতে চাইলে দেরি না করে এখনি অর্ডার করে দিন...
26/05/2023

রাজশাহীর আম ডেলিভারি দেওয়া শুরু হয়েছে রাজশাহীর সুস্বাদু গোপালভোগ হিমসাগর আম খেতে চাইলে দেরি না করে এখনি অর্ডার করে দিন..!
ফোন: 01832986091

চলে এসেছে হিমসাগর আম। পরিপক্ব এবং মিষ্টি আম পেতে সাথে ই থাকুন । হিমসাগর প্রতি কেজি সকল খরচ সহ মাত্র ৯৫ টাকা । ১০ কেজি ৯৫...
30/05/2022

চলে এসেছে হিমসাগর আম।
পরিপক্ব এবং মিষ্টি আম পেতে সাথে ই থাকুন ।
হিমসাগর প্রতি কেজি সকল খরচ সহ মাত্র ৯৫ টাকা ।
১০ কেজি ৯৫০ টাকা
২০ কেজি ১৯০০ টাকা
৩০ কেজি ২৮৫০ টাকা
৪০ কেজি ৩৮০০ টাকা
৫০ কেজি ৪৭৫০ টাকা
৬০ কেজি ৫৭০০ টাকা ।

25/03/2022

জন্ম সনদ, জাতীয় পরিচয় পত্র(এনআইডি) কিংবা পাসপোর্ট; ভিন্ন ভিন্ন নাম হলেও কাজের ক্ষেত্র প্রায় অভিন্ন। জন্ম সনদ ও জাত.....

27/05/2021

🎷 মাত্র ৮৫ টাকা কেজিতে
📢 ১ম চালান! ১ম চালান! ১ম চালান!

গতবারের মত এবারও আগামী ৩জুন ২০২১ইং রোজ বৃহস্পতিবার, ঢাকাসহ সারাদেশে সুস্বাদু হিমসাগর/ক্ষীরসাপাত আমের ১ম চালানের প্রি অর্ডার নেওয়া হচ্ছে। আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সরাসরি বাগান থেকে আম পেড়ে সরবরাহ করা হয়।

আমের নামঃ হিমসাগর ( ক্ষীরসাপাত/খিরসাপাতি নামেও পরিচিত এই আম)

কুরিয়ার চার্জ সারাদেশে প্রতি কেজিতে ১৫ টাকা!

সর্বনিম্ন অর্ডার ১০ কেজি।

দেরি না করে অর্ডার করুন এখনই 📢

বিস্তারিত জানতে যুক্ত হোন আমাদের ফেইসবুক গ্রুপ Mango Land এ।

21/05/2021

এজেন্ট/প্রতিনিধি নিয়োগঃ করোনাকালীন সময়ে পুঁজি ছাড়াই আয় করুন!
বিস্তারিত জানতে মেসেজ করুন আমাদের পেইজের ইনবক্সে।

যুক্ত হোন আমাদের অফিসিয়াল গ্রুপঃ
Mango Land এ।

কেমিক্যাল মুক্ত এবং ফ্রেশ আম চেনার ৮টি উপায়ঃ 👉১>>প্রথমেই লক্ষ্য করুন যে আমের গায়ে মাছি বসছে কিনা। কেননা কেমিক্যাল যুক্ত...
13/05/2021

কেমিক্যাল মুক্ত এবং ফ্রেশ আম চেনার ৮টি উপায়ঃ

👉১>>প্রথমেই লক্ষ্য করুন যে আমের গায়ে মাছি বসছে কিনা। কেননা কেমিক্যাল যুক্ত আমে মাছি বসবে না।

👉২>>আম গাছে থাকা অবস্থায়, বা গাছ পাকা আম হলে লক্ষ্য করে দেখবেন যে আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ক্যামিক্যাল বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।

👉৩>>কারবাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আম গুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ফেলে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।

👉৪>>গাছপাকা আমের ত্বকের রঙে ভিন্নতা থাকবে। গোঁড়ার দিকে গাঢ় রঙ হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কারবাইড দেয়া আমের আগাগোড়া হলদেটে হয়ে যায়, কখনো কখনো বেশি দেয়া হলে সাদাটেও হয়ে যায়।

👉৫>>হিমসাগর ছাড়াও আরও নানান জাতের আম আছে যারা পাকলেও সবুজ থাকে, কিন্তু অত্যন্ত মিষ্টি হয়। গাছপাকা হলে এইসব আমের ত্বকে বিচ্ছিরি দাগ পড়ে। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর।

👉৬>>আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছ পাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেয়া আম হলে কোনও গন্ধ থাকবে না, কিংবা বিচ্ছিরি বাজে গন্ধ থাকবে।

👉৭>>আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন যে কোনও সৌরভ নেই, কিংবা আমে টক/ মিষ্টি কোনও স্বাদই নেই, বুঝবেন যে আমে ওষুধ দেয়া।

👉৮>>আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছ পাকা আম হলে গন্ধে মৌ মৌ করে চারপাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই মিষ্টি গন্ধ হবেই না।

আমাদের কাছে অর্ডার করলে আপনার চাহিদা মত ১০০% ফরমালিন মুক্ত আম রাজশাহী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে কুরিয়ারের মাধ্যমে সরাসরি পৌঁছে যাবে আপনার কাছে।

এখনও আম পাকা শুরু হয়নি। বাজারে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো আমে সয়লাব। আম পাকা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, ভালো আম খান।

(নিচের ছবিগুলো গতবছরে সারাদেশে সরবরাহকৃত আমাদের আমের।)

Mango Land BD

27/04/2021

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পার্টির ছবি প্রকাশ করায় বসুন্ধরার এমডির সাথে মনোমালিন্যের জেরে এবং পরবর্তীতে মেয়েটিকে টাকা চুরির অভিযোগ দেয়াতে(ফাঁসকৃত কল রেকর্ড) মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে!

মেয়েটি মনে করেছিল এই লোকের সাথে সে কোনদিক দিয়ে পেরে উঠবে না; অর্থ-বিত্ত বৈভব- ক্ষমতা, প্রতিপত্তি কোনদিক দিয়েই সে লড়াই করতে পারবে না। তার উপরে তাকে কল করে রীতিমতো ৫০লক্ষ টাকা চুরির অভিযোগ, পুলিশ দিয়ে হেনস্তা করার হুমকি তো আছেই!

যেহেতু এই লোকের সাথে সে এতদিন সম্পর্ক করে এসেছে, আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় এবং সামাজিক দুদিক থেকেই সে হেনস্তার শিকার হবে। এই লোকের দেয়া ফ্লাটে সে থেকেছে, ফ্লাটও বিলাসবহুল, ১লক্ষ টাকা ভাড়া! এই সমাজ কোনভাবেই এটাকে জাস্টিফাই করবে না। এর থেকে মরে যাওয়াই ভালো!

ঘটনা এরকমই। আমাদের আবাল সাধারণ পাবলিকের মন্তব্য দেখছি।খুবই দুঃখজনক যে সিংহভাগ তীর্যক মন্তব্য মরে যাওয়া মেয়েটার দিকে, অথচ এই তীর্যক মন্তব্য গুলো হওয়া উচিত ছিল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তির্যক সমালোচনা করবে কতিপয় রাজনীতিবিদ। কারণ তারা একটা ইস্যু পেয়েছে। কেউ কেউ হয়তো ইতিমধ্যে এই শিল্পপতি পরিবারের সাথে যোগাযোগ শুরু করেছে, দিচ্ছে আন্দোলনের হুমকি! হয়তো হচ্ছে দর কষাকষি!

ডিয়ার আবাল ভাইসব,
একটা মরে যাওয়া মেয়েকে খারাপভাবে উপস্থাপন করার যে নোংরা প্রতিযোগিতা শুরু করেছেন, তা বন্ধ করুন,নয়তো আপনাদের এই পাকনামির জন্য সামাজিকভাবেই এই ইস্যুটা হয়ে যাবে মূল্যহীন!

ইস্যুকে টিস্যু হিসেবে ব্যবহার না করে, প্রতিবাদ করুন নিজের জায়গা থেকে। সচেতন করুন নিজের সন্তানকে, তুলে ধরুন ভয়াবহতা, জীবন একটাই, গেলে আর ফিরে পাবেন না! আর সঠিক বিচার চান যাতে সমাজের টাকাওয়ালারা আপনার আমার ভাই-বোন-স্ত্রীকে এভাবে ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলতে না পারে! এই টাকা ওয়ালাদের প্রায় অধিকাংশই ব্যাংক ঋণ নিয়েছে কোটি কোটি টাকা, আর সেই টাকা তারা এইভাবে উড়ায় যতসব আকাম কুকাম করে! আমার আপনার কষ্টের টাকা এরা এভাবেই লুটেপুটে খায়!

এপিএম সুহেল।

আম্রপালী ছিলেন এমন একজন অনিন্দ্য সুন্দরী।প্রায় ২,৫০০ বছর আগে রাষ্ট্র যাকে বানিয়েছিল নগরবধূ বা পতিতা-স্বাদের দিক থেকে অনে...
11/08/2020

আম্রপালী ছিলেন এমন একজন অনিন্দ্য সুন্দরী।
প্রায় ২,৫০০ বছর আগে রাষ্ট্র যাকে বানিয়েছিল নগরবধূ বা পতিতা-
স্বাদের দিক থেকে অনেকের কাছেই 'আম্রপালী' আম খুবই প্রিয় । আকারে ছোট কিন্তু মিষ্টির দিক থেকে যেন সকল আমকে পিছনে ফেলে দিয়েছে 'আম্রপালী'।
কিন্তু এই আমটার নামকরণ কোথা থেকে হল জানেন ?

আম্রপালী জন্মেছিলেন আজ থেকে ২,৫০০ বছর আগে ভারতে। তিনি ছিলেন সে সময়ের শ্রেষ্ঠ সুন্দরী এবং নর্তকী। তার রুপে পাগল ছিল পুরো পৃথিবী আর এই রুপই তার জন্য কাল হয়ে ওঠে । যার কারণে তিনি ছিলেন ইতিহাসের এমন একজন নারী, যাকে রাষ্ট্রীয় আদেশে পতিতা বানানো হয়েছিল!

আম্রপালী বাস করতেন বৈশালী শহরে। বৈশালী ছিল প্রাচীন ভারতের গণতান্ত্রিক একটি শহর,
যেটি বর্তমানে ভারতের বিহার রাজ্যের অর্ন্তগত।

মাহানামন নামে এক ব্যক্তি শিশুকালে আম্রপালীকে আম গাছের নিচে খুঁজে পান। তার আসল বাবা-মা কে ইতিহাস ঘেঁটেও তা জানা যায়নি । যেহেতু তাকে আম গাছের নিচে পাওয়া যায় তাই তার নাম রাখা হয় আম্রপালী। সংস্কৃতে আম্র মানে আম এবং পল্লব হল পাতা। অর্থাৎ আমগাছের নবীন পাতা।

কিন্তু শৈশব পেরিয়ে কৈশোরে পা দিতেই আম্রপালীকে নিয়ে হইচই পড়ে যায়। তার রুপে চারপাশের সব মানুষ পাগল হয়ে যান। দেশ-বিদেশের রাজপুত্রসহ রাজা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ তার জন্য পাগলপ্রায় হয়ে যান। নানা জায়গায় থেকে তাকে নিয়ে দ্বন্দ, ঝগড়া আর বিবাদের খবরও আসতে থাকে। সবাই তাকে একনজর দেখতে চান, বিয়ে করতে চান। এ নিয়ে আম্রপালীর মা-বাবা খুব চিন্তিত হয়ে পড়েন। তারা তখন বৈশালীতে সকল গণমান্য ব্যক্তিকে এর একটি সমাধান করার জন্য বলেন। কারণ, সবাই আম্রপালীকে বিয়ে করতে চান। তখন বৈশালীর সকল ক্ষমতাবান ও ধনবান ব্যক্তি মিলে বৈঠকে বসে নানা আলোচনার পর যে সিদ্ধান্ত নেন তা হল, আম্রপালীকে কেউ বিয়ে করতে পারবেন না। কারণ তার রুপ। সে একা কারো হতে পারে না। আম্রপালী হবে সবার। সে হবে একজন নগরবধু, মানে সোজা বাংলায় পতিতা।

এটা ছিল একটা ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। ইতিহাসে এভাবে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে কাউকে পতিতা বানানো হয়েছে এমন সিদ্ধান্ত খুবই বিরল! আম্রপালী সে সভায় পাঁচটি শর্ত রাখেন-

(১) নগরের সবচেয়ে সুন্দর জায়গায় তার ঘর হবে।
(২) তার মুল্য হবে প্রতি রাত্রির জন্য পাঁচশত স্বর্ণমুদ্রা।
(৩) একবারে মাত্র একজন তার গৃহে প্রবেশ করতে পারবেন।
(৪ ) শক্র বা কোন অপরাধীর সন্ধানে প্রয়োজনে সপ্তাহে সর্বোচ্চ একবার তার গৃহে প্রবেশ করা যাবে।
(৫) তার গৃহে কে এলেন আর কে গেলেন- এ নিয়ে কোন অনুসন্ধান করা যাবে না।

সবাই তার এসব শর্ত মেনে নেন । এভাবে দিনে দিনে আম্রপালী বিপুল ধন-সম্পদের মালিক হয়ে ওঠেন। তার রুপের কথাও দেশ-বিদেশে আরও বেশী করে ছড়িয়ে পড়তে থাকে।

প্রাচীন ভারতের মগধ রাজ্যের রাজা ছিলেন বিম্বিসার। শোনা যায়, তার স্ত্রীর সংখ্যা নাকি ৫০০ ছিল! নর্তকীদের নাচের এক অনুষ্ঠানে তিনি এক নর্তকীর নাচ দেখে বলেছিলেন, এ নর্তকী বিশ্বসেরা।
তখন তার একজন সভাসদ বলেন- মহারাজ, এই নর্তকী আম্রপালীর নখের যোগ্য নয়!
বিম্বিসারের এই কথাটি নজর এড়ায়নি। তিনি তার সেই সভাসদের থেকে আম্রপালী সম্পর্কে বিস্তারিত শুনে তাকে কাছে পাবার বাসনা করেন।
কিন্তু তার সভাসদ বলেন, সেটা সম্ভব নয়। কারণ, তাহলে আমাদের যুদ্ধ করে বৈশালী রাজ্য জয় করতে হবে আর আম্রপালীর দেখা পাওয়াও এত সহজ নয়। দেশ-বিদেশের বহু রাজাসহ রাজপুত্ররা আম্রপালীর প্রাসাদের সামনে তার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। কিন্তু মন না চাইলে তিনি কাউকে দেখা দেন না।

এত কথা শুনে বিম্বিসারের আগ্রহ আরও বেড়ে গেল। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, ছদ্মবেশে বৈশালী রাজ্যে গিয়ে আম্রপালীকে দেখে আসবেন। কি এমন আছে সেই নারীর মাঝে, যার জন্য পুরো পৃথিবী পাগল হয়ে আছে!
তারপর বহু চড়াই উৎরাই শেষে তার আম্রপালীর সাথে দেখা করার সুযোগ আসে। আম্রপালীর প্রাসাদ আম্রকুঞ্জে। কিন্তু দেখা করতে গিয়ে রাজা চমকে উঠেন, এত কোন নারী নয় ; যেন সাক্ষাৎ পরী! এ কোনভাবেই মানুষ হতে পারেন না। এত রুপ মানুষের কিভাবে হতে পারে!
কিন্তু অবাক রাজার জন্য আরও অবাক কিছু অপেক্ষা করছিল। কারণ, আম্রপালী প্রথম দেখাতেই তাকে মগধ রাজ্যের রাজা বলে চিনে ফেলেন এবং জানান- তিনি তার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন বহু আগে থেকেই।
এই কথা শুনে রাজার বিস্ময়ের সীমা থাকে না।
রাজা সাথে সাথে তাকে তার রাজ্যের রাজরাণী বানানোর প্রস্তাব দেন । কিন্তু আম্রপালী জানান, তার রাজ্যের মানুষ এটা কখনোই মেনে নেবেন না। উল্টো বহু মানুষের জীবন যাবে, রক্তপাত হবে। তাই রাজাকে দ্রুত এখান থেকে চলে যেতে বলেন।
কিন্তু বিম্বিসার বৈশালী আক্রমন করে আম্রপালীকে পেতে চান। ওদিকে আম্রপালী তার নিজের রাজ্যের কোন ক্ষতি চান না। তাই তিনি রাজাকে তার নিজ রাজ্যে ফেরত পাঠান এবং বৈশালীতে কোন আক্রমণ হলে তিনি তা মেনে নেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন।

এদিকে বিম্বিসারের সন্তান অজাতশত্রুও আম্রপালীর প্রেমে মগ্ন ছিলেন। তিনি বিম্বিসারকে আটক করে নিজে সিংহাসন দখল করে বসেন এবং আম্রপালীকে পাওয়ার জন্য বৈশালী রাজ্য আক্রমণ করে বসেন। কিন্তু দখল করতে সক্ষম হননি এবং খুব বাজেভাবে আহত হন। পরবর্তীতে আম্রপালীর সেবায় সুস্থ হয়ে গোপনে তার নিজের রাজ্যে ফেরত যান। সেদিনও আম্রপালী অজাতশত্রুর বিয়ের প্রস্তাব সবিনয়ে ফিরিয়ে দেন।

এত নাটকীয়তার পর শেষের দিকে এসে কি হল ? গৌতম বুদ্ধর সময়কাল তখন । গৌতম বুদ্ধ তার কয়েকশ সঙ্গী নিয়ে বৈশালী রাজ্যে এলেন । একদিন বৈশালী রাজ্যের রাবান্দা থেকে এক বৌদ্ধ তরুণ সন্ন্যাসীকে দেখে আম্রপালীর মনে ধরে গেল। তিনি ভাবলেন, দেশ-বিদেশের রাজারা আমার পায়ের কাছে এসে বসে থাকেন আর এত সামান্য একজন মানুষ। তিনি সেই সন্ন্যাসীকে চার মাস তার কাছে রাখার জন্য গৌতম বুদ্ধকে অনুরোধ করলেন। সবাই ভাবলেন, বুদ্ধ কখনই রাজি হবেন না। কারণ, একজন সন্ন্যাসী এমন একজন পতিতার কাছে থাকবেন ; এটা হতেই পারে না। কিন্তু গৌতম বুদ্ধ তাকে রাখতে রাজি হলেন এবং এটাও বললেন, আমি শ্রমণের (তরুণ সে সন্ন্যাসীর নাম ছিল) চোখে কোন কামনা-বাসনা দেখছি না। সে চার মাস থাকলেও নিষ্পাপ হয়েই ফিরে আসবে- এটা আমি নিশ্চিত!

চার মাস শেষ হল। গৌতম বুদ্ধ তার সঙ্গীদের নিয়ে চলে যাবেন। তরুণ শ্রমণের কোন খবর নেই। তবে কি আম্রপালীর রুপের কাছেই হেরে গেলেন শ্রমণ? সেদিন সবাইকে অবাক করে দিয়ে তরুণ শ্রমণ ফিরে আসেন। তার পিছনে পিছনে আসেন একজন নারী। সেই নারীই ছিলেন আম্রপালী। আম্রপালী তখন বুদ্ধকে বলেন, তরুণ শ্রমণকে প্রলুব্ধ করতে কোনও চেষ্টা বাকি রাখেননি তিনি। কিন্তু এই প্রথম কোন পুরুষকে বশ করতে ব্যর্থ হয়েছেন বৈশালীর নগরবধূ আম্রপালী। তাই আজ সর্বস্ব ত্যাগ করে বুদ্ধের চরণে আশ্রয় চান তিনি।

পরে সব কিছু দান করে বাকী জীবন গৌতম বুদ্ধের চরণেই কাটিয়ে দেন ইতিহাস বিখ্যাত সেই রমণী আম্রপালী আর এই আম্রপালী নামেই ১৯৭৮ সালে ভারতের আম গবেষকরা 'দশোহরি' ও 'নিলাম'- এই দু'টি আমের মধ্যে সংকরায়ণের মাধ্যমে এক নতুন জাতের আম উদ্ভাবন করেন এবং নাম রাখেন 'আম্রপালী।

সংগৃহীত।

আম্রপালি আম গুলো পরিপূর্ণ পরিপুষ্ট এবং যত দিন যাচ্ছে ততই মিষ্টি হচ্ছে । এ বছরের মত আম্রপালি আমের শেষ অর্ডার নিচ্ছি । পরি...
17/07/2020

আম্রপালি আম গুলো পরিপূর্ণ পরিপুষ্ট এবং যত দিন যাচ্ছে ততই মিষ্টি হচ্ছে ।

এ বছরের মত আম্রপালি আমের শেষ অর্ডার নিচ্ছি ।
পরিবারের সদস্যদের মিষ্টি, রসালো,বিষ মুক্ত আম খাওয়াতে আজ ই অর্ডার কনফার্ম করুন ।
অর্ডারের জন্য যোগাযোগ করুন
01832986091 নাম্বারে অথবা পেজ এ ম্যাসেজ করুন ।
আম্রপালি আম
ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে দিচ্ছি ৯৫ টাকা কেজি ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের আসল মিষ্টি আম্রপালির মজা পেতে দ্রুত নিজের অর্ডার টা দিয়ে ফেলুন ☺

এবছরের মত আমের সর্বশেষ অর্ডার নিচ্ছি পরিবারের সদস্যদের মিষ্টি, রসালো,বিষ মুক্ত আম খাওয়াতে আজ ই অর্ডার কনফার্ম করুন,দেশের...
15/07/2020

এবছরের মত আমের সর্বশেষ অর্ডার নিচ্ছি

পরিবারের সদস্যদের মিষ্টি, রসালো,বিষ মুক্ত আম খাওয়াতে আজ ই অর্ডার কনফার্ম করুন,দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে।
অর্ডার দিতে এখনই ইনবক্সে নক দিন অথবা কল করুনঃ 01832986091 নাম্বারে।

Address

Dhaka
1236

Telephone

+8801832986091

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mango Land BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share