Ergo এরগো

Ergo এরগো এরগো একটি বহুজাতিক online shopping service

14/01/2023
 # নব্বইয়ের দশকের ছেলে মেয়েরা জানেন- একসময় একটি কথা প্রচলিত ছিল যে, শরীরে কোন কাটা থাকলে টক খেলে সেটা বেড়ে যায়। পরবর্তীত...
30/08/2020

# নব্বইয়ের দশকের ছেলে মেয়েরা জানেন- একসময় একটি কথা প্রচলিত ছিল যে, শরীরে কোন কাটা থাকলে টক খেলে সেটা বেড়ে যায়। পরবর্তীতে জানা গেল, টক বা ভিটামিন সি দ্রুত কাটা ঘা সারাতে সহায়ক।

# কিছুদিন আগেও মায়েরা সন্তানদের এক্সট্রা ফ্যাট এর ভয়ে ঘি থেকে দূরে রাখতেন। দিনে দিনে অনেক গবেষণার। ফলে ঘি এর উপকারিতা সম্পর্কে জানা গিয়েছে।

# ঘিতে উপস্থিত "অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট" শরীরে উপস্থিত ফ্রি রেডিকালদের ক্ষতি করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। ফলে কোষের বিন্যাসে পরিবর্তন হয়ে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

ঘি দুগ্বজাত খাবার। ভাতের সাথে ঘি মিশিয়ে খেলে শরীরে দীর্ঘক্ষণ শক্তি থাকে। ঘি এর ব্যবহার সেই প্রাচীন কাল থেকেই। বিশেষ কিছু খাবারের স্বাদ বাড়াতে যেমন পোলাও, কাচ্চি বিরিয়ানিতে ঘি একটি অত্যাবশ্যক উপকরণ।
তাছাড়াও নানা রকম ভর্তা ভাজি,মিষ্টান্ন, হালুয়া লাড্ডু ইত্যাদি খাবার প্রস্তুতে ঘি ব্যাবহার করে থাকি আমরা।

ঘি এর নানাবিধ উপকারিতা রয়েছে -

★★ ঘিয়ের ভিটামিন কে ক্যালসিয়ামের সঙ্গে যুক্ত মিলে হাড়ের স্বাস্থ্য ও গঠন ঠিক রাখে।
★★ ঘি স্মৃতি শক্তি বাড়ায়।
★★ ঘি ওজন কমায় ও এনার্জি বাড়ায়।

★★ হজম ক্ষমতা বাড়াতে ঘি খুবই উপকারী।
★★ ঘি এ প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

★★ ঘি এর ওমেগা ত্রি-ফয়াটি অ্যাসিড থাকায় এটি ক্ষিদে কমায়।
★★ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
★★ ঘি এ বিদ্যমান ভিটামিন -ই চোখ ভালো রাখে ও দৃস্টি শক্তি বাড়ায়।

★★ ক্যান্সার রোগ কে দূরে রাখে।
★★ ঘি সহজে নস্ট হয় না।প্রায় ১০০বছর পর্যন্ত ঠিক থাকে।
★★ কোস্ঠকাঠিন্য দূর করে।
★★ ভিটামিনের অন্যতম উৎস।

আমাদের প্রতিদিনের খাবারের মেন্যুতে রাখতে পারি খাটি গাওয়া ঘি। ৯ মাস থেকে ৫ বছরের ছোট বাচ্চারা প্রতিদিন এক চামচ ঘি এবং বড়রা দুই চামচ ঘি খাওয়ার অভ্যাস করলে তাদের প্রতিদিনের পুষ্টি চাহিদায় যে ভিটামিন এর প্রয়োজন তা পূরন হবে।

Owner of
Ergo এরগো
সেক্টর: ৬, উত্তরা, ঢাকা।

সচেতন হোন, বিশুদ্ধ খান।

চা এর ইতিহাস.... চা পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া প্রায় মুশকিল। অতিথি আপ্যায়নেও চায়ের জুড়ি নেই। চলুন আজ চা সম্পর্ক...
29/08/2020

চা এর ইতিহাস....

চা পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া প্রায় মুশকিল। অতিথি আপ্যায়নেও চায়ের জুড়ি নেই।

চলুন আজ চা সম্পর্কিত কিছু কথা জেনে নেই।
চা কবে থেকে এলো, কেমন করে এলো কিংবা কোথা থেকে এলো? জানা যাক এর পথ পরিক্রমা।

আজ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগের কথা। চীনা সম্রাট শেন নাং তাঁর ভৃত্য পরিবেষ্টিত হয়ে জঙ্গলে গেছেন আনন্দ ভ্রমণে। ভৃত্যরা সম্রাটের জন্য খাদ্য প্রস্তুতে ব্যস্ত। হঠাৎ অজান্তে এক নাম না জানা অচেনা পাতা ফুটন্ত পানির মধ্যে পড়ে গেলো। সম্রাটকে যখন সেই পানীয় পরিবেশন করা হলো, সম্রাট তার স্বাদ পেয়ে তো মহা খুশী। নিজেকে অন্যদিনের চাইতে বেশি চনমনে লিগলো , ঘুম ঘুম ভাব কেটে গেল, ক্লান্তি দূর হয়ে গেলো। সম্রাট আদেশ দিলেন অধিকতর তদন্ত করার জন্য যে, এই পাতা কী? কোথায় মিলবে এবং আর কিভাবে এর ব্যবহার করা যাবে? এর পর খুজে পাওয়া গেলো পাতা টি উৎস " ক্যমেলিয়া সিনেনসিস"। জন্ম হলো এক নতুন পানীয়র। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই চা এর ঔষধী গুণাবলীর স্বীকৃতি পেলো যা পরবর্তীতে চীনা পন্ডিত কর্তৃক অমরত্বের স্পর্শমনি হিসাবে বর্ণিত হয়েছে।

সচেতন হোন, বিশুদ্ধ খান।

মেথির গুনাগুন জানেন কি?★★ মেথি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। ★★ ফ্যাট মেটাবলিজমে সহায়তা করে।★★ ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে আর হজম...
25/08/2020

মেথির গুনাগুন জানেন কি?

★★ মেথি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ।
★★ ফ্যাট মেটাবলিজমে সহায়তা করে।
★★ ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে আর হজমে সহায়তা করে ওজন কমাতে সহায়তা করে।

★★ ডায়াবেটিক বা প্রি-ডায়াবেটিক অবস্থায় মেথি ইনসুলিন হরমোনকে রেগুলেট করে ব্লাড গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে থাকে।

★★ এটি হজমজনিত যেকোনো সমস্যা ঠিক করে। মেটাবলিজম বাড়াতে এবং ইমিউনিটি বুস্ট করতে সহায়তা করে।
★★ মেথি শরীর থেকে টক্সিন শোষণ করে এবং বের করে দিতে সহায়তা করে।

★★ঠান্ডাজনিত যেকোনো সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
★★ ব্রেইন ফাংশনে কাজ করে এবং নার্ভ ভালো রাখতে সাহায্য করে।

★★ চুল ও স্কিন ভালো রাখে। চুল পড়া কমায়
ও চুলের গ্রোথ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
★★ স্কিনের গ্লো বাড়ায় এবং ব্রণের ওপর ভালো কাজ করে।
★★ পেইন ম্যানেজমেন্টে এটি খুবই ভালো কাজ করে।

★★ মেথির মধ্যে দ্রবণীয় ফাইবার থাকে যা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। সকালে খালি পেটে মেথি খান কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করুন।

★★ মেথির দানা ক্যান্সারের মতো রোগের প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে।
★★ অম্বল ও কোষ্ঠকাঠিন্যের হাত থেকেও রেহাই দেয়।
★★ নিয়মিত মেথি খেলে আপনার শরীর থেকে বিভিন্ন কালো দাগ ছোপ চলে যাবে।

★★ নিয়মিত মেথি খেলে আপনার শরীরের ওজন কমবে। পেটে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বির হাত থেকেও রেহাই পাবেন।

গোটা মেথি কিভাবে ভিজিয়ে খাবেন:
একটা বাটিতে পানি নিন। তাতে দুই চা চামচ মেথি দানা দিয়ে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে সবার আগে খালি পেটে জলটা ছেঁকে পান করুন।

সচেতন হোন, বিশুদ্ধ খান।

তিলের উপকারিতা......খাদ্য হিসেবে তিল খুবই জনপ্রিয়। নাড়ু, মোয়া ইত্যাদি মিষ্টি জাতীয় খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা হয় তিল। এছাড়...
24/08/2020

তিলের উপকারিতা......

খাদ্য হিসেবে তিল খুবই জনপ্রিয়। নাড়ু, মোয়া ইত্যাদি মিষ্টি জাতীয় খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা হয় তিল। এছাড়া তিলের তেল আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী। তিলের তেল ব্যবহার করা হয় রূপচর্চার ক্ষেত্রেও। পুষ্টির সমস্যা নিরসনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই সুস্থ থাকার জন্য তিল ও তিলের প্রয়োজনীয়তা জেনে রাখা উচিত।

★★ প্রতিদিন ভোরে এক চামচ কালো তিল চিবিয়ে খেলে অতিরিক্ত মেদ কমাতে সাহায্য করে।

★★ যাদের শরীরের বৃদ্ধি কমে যায়, তাদের শারীরিক বৃদ্ধির জন্য তিল খুবই উপকারী।

★★ যদি কারও মাড়ি থেকে দাঁত দুর্বল হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে তিলের মাধ্যমে দুর্বল দাঁত মজবুত করা যায়।

★★ সর্দি, কাশি, বুকে কফ জমে যায়-এ জাতীয় অসুখে কালো তিলের তেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি সর্দি, কাশির জন্য দ্রুত কাজ করে এবং ফলাফলও খুব ভালো হয়।

★★ অনেকেরই অকালে চুল পেকে যায় এবং দুর্বল হয়ে চুল পড়ে যায়। তাদের এই সমস্যা নিরসনে কালো তিলের প্রয়োজন। এই তিলের তেল প্রয়োগ করলে খুব উপকার পাওয়া যায়। এমনকি চুল গজাতেও সাহায্য করে।

★★ শরীরের ক্লান্তি দূর করে এবং সব ইন্দ্রিয়ের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

★★ তিলের তেল শরীরের রং উজ্জ্বল করে।

★★ এটি মাথার যন্ত্রণা কমিয়ে দেয় এবং বুদ্ধিবৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

★★ যদি টাটকা ক্ষত বা ঘা না সারে তাহলে তিল পিষে নিয়ে মধু আর ঘি মিশিয়ে লাগালে অনেক ওষুধ বা মলমের চেয়ে বেশি কাজে দেয়।

সচেতন হোন, বিশুদ্ধ খান।

মসলার ইতিহাস ★★★★★★★খাবার ও মসলা যেমন একটি অপরটির সাথে সম্পর্কযুক্ত তেমনি খাবারের ইতিহাসের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই চলে আসে ...
24/08/2020

মসলার ইতিহাস
★★★★★★★

খাবার ও মসলা যেমন একটি অপরটির সাথে সম্পর্কযুক্ত তেমনি খাবারের ইতিহাসের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই চলে আসে মসলার ইতিহাসও। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মধ্যে বাণিজ্যের প্রথম ও প্রধান পণ্য ছিল মসলা।

খ্রিস্টপূর্বাব্দে প্রসাধনী হিসেবে মসলার ব্যবহার ছিল। একসময় বিশ্ববাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু ছিলো এই মসলা। মসলার খোঁজে বের হয়েই কলম্বাস ১৪৯২ সালে আমেরিকা আবিষ্কার করেন।

মসলাকে কেন্দ্র করে যুগে যুগে অনেক বড় বড় যুদ্ধও হয়েছে। মসলার জন্য প্রথম যুদ্ধ হয় ভারতবর্ষে। পর্তুগীজদের সাথে কালিকটের রাজার মধ্যে এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

এই মসলার খোঁজেই পর্তুগীজ নাবিক ভাস্কো দা গামা একদিন জাহাজ ভেড়ান ভারতের কেরালা উপকূলে। ভারতবর্ষে আরব বণিকদের এক সময় মসলার একচেটিয়া ব্যবসা ছিল। কিন্তু ভাস্কো দা গামার আগমনের পরে এক সময় শেষ হয়ে যায় আরব বণিকদের এই একচেটিয়া ব্যবসার দখল।

পরবর্তীতে মসলার একচেটিয়া বাণিজ্য পর্তুগীজদের হাতে চলে আসে। প্রায় দেড়শ বছর পর্যন্ত মসলার বাণিজ্য তাদের হাতেই ছিল। এর ফলে সে সময় তারা ইউরোপে একচেটিয়া মসলার ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। একচেটিয়া বাণিজ্যের কারণে পর্তুগীজরা মসলার দাম তখন এতো বাড়িয়েছিল যে ডাচ বণিকদের মনে অসন্তোষ দানা বেঁধে উঠছিল। এর ফলশ্রুতিতে ডাচরা ১৫৯৫ খ্রিস্টাব্দে ভারতবর্ষে যাত্রা করে এবং ভারতবর্ষে মসলার ব্যবসার জন্য তারা ‘ইউনাইটেড ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ নামে একটি কোম্পানি গঠন করে।

পরবর্তীতে ১৬২৯ সালের দিকে এই কোম্পানি জাকার্তা অধিকার করে এবং মসলার দেশ ইন্দোনেশিয়ায় মসলা উৎপাদন শুরু করে। সেখানে চাষিদের নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে তারা। এক সময় পরিলক্ষিত হয় সেখানে চাষিদের নিজেদের জমি বলতে আর কিছু নেই এবং তারা কোম্পানির কাছ থেকে দাদন নিয়ে মসলা চাষ করছে। ফলে পরবর্তীতে নিজ ভূমিতে পরবাসী হয়ে পড়ে তারা।

মসলার খোঁজে প্রথমে পর্তুগীজ, তারপর ডাচ এবং সর্বশেষ ইংরেজরা ইন্দোনেশিয়ায় প্রবেশ করে। পর্তুগীজদের সরিয়ে ডাচরা মসলার উদপাদন শুরু করার পর তারা দাম কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। ইংল্যান্ডেও সে সময় মসলার প্রচুর চাহিদা থাকায় ১৫৯৯ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজরা প্রাচ্যের মসলার বাজারে ঢুকার সিদ্ধান্ত নেয়। উল্লেখ্য সপ্তদশ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ব্রিটেনে লবঙ্গের দাম ছিলো প্রায় সোনার দামের সমান।

যার ফলশ্রুতিতে ইংরেজদের বিখ্যাত 'ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' তখন মসলার বাণিজ্যে নেমে পড়ে। কোম্পানির প্রথম জাহাজ এই উদ্দেশে প্রাচ্যের দিকে যাত্রা করে ১৬০১ খ্রিস্টাব্দের ২৪ জানুয়ারি। তারা ১৬১২ খ্রিস্টাব্দে ভারতের সুরাটে মোঘল সম্রাটের কাছ থেকে অনুমতি আদায় করে নিয়ে প্রথম বাণিজ্য ঘাঁটি স্থাপন করে। তারা ঠিক করেছিল ভারতবর্ষে থেকে বস্ত্রের ব্যবসা করবে এবং তা থেকে যে মুনাফা হবে তাই দিয়ে মসলার ব্যবসা করবে।

'ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে মসলার বাণিজ্য শুরু করলেও ডাচদের চাপে তারা সেখানে বেশি দিন টিকতে পারেনি। মাত্র ১৪ বছর পরেই ইন্দোনেশিয়া ছেড়ে তাদের বেরিয়ে আসতে হয়। তারপর তাদের বাণিজ্যিক স্বার্থ সীমাবদ্ধ ছিল ভারতবর্ষের মধ্যেই। তাদের মসলার বাণিজ্য এখানেই শেষ হয়। এরপর ধীরে ধীরে তারা ভারতবর্ষে নিজেদের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে শুরু করেছিল। এক সময় মসলার বাণিজ্য করতে আসা কোম্পানি পরবর্তীতে এই ভারতবর্ষ রাজত্ব করে দু’শ’ বছর।

সচেতন হোন, বিশুদ্ধ খান।

বাঙালীর প্রতিদিনের রান্নায় ধনিয়া মসলা একটা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কিন্তু আমরা কি এই মসলা সম্পর্কে জানি ?  আসুন আজ জানবো ধন...
21/08/2020

বাঙালীর প্রতিদিনের রান্নায় ধনিয়া মসলা একটা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কিন্তু আমরা কি এই মসলা সম্পর্কে জানি ?

আসুন আজ জানবো ধনিয়া বীজ ও ধনিয়া গুঁড়া সম্পর্কে কিছু ঔষধি উপকারিতা ধনিয়া বীজে রয়েছে:
# প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম
# আয়রন
# ভিটামিন এ
# ভিটামিন কে
# ভিটামিন সি
# ফলিক অ্যাসিড
# ম্যাগনেসিয়াম
# ফাইবার
# ফসফরাস
# ক্যালসিয়ামের উপস্থিতি রয়েছে।

অনেক স্বাস্থ্য সম্পর্কীয় সমস্যার সমাধান করতে পারে ধনিয়া বীজ। আর চিকিৎসা শাস্ত্রে ধনিয়া বীজের বহুগুণ উল্লেখ্য রয়েছে।
ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আয়ুর্বেদিক গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় দেখা গেছে ত্বকের একাধিক সমস্যা সারাতে ধনিয়া অনেক উপকারী।

ধনিয়ার কিছু গুনাগুন সম্পর্কে জেনে নেই:

★★ ধনিয়াতে আছে লিনোলে নামক এক ধরনের এসিড যা কিনা যে কোন প্রকার ঘা এর যন্ত্রনা কমাতে সাহায‍্য করে।
★★ রক্তের শর্করা ঠিক রাখতে সাহায‍্য করে।

★★ ধনিয়াতে থাকা কোরিয়াটিস হজমে সাহায‍্য করে।
★★ ধনিয়া চুলের গোড়া থেকে নতুন চুল গজাতে সাহায‍্য করে। চুলের গোড়াকে মজবুত করে।

★★ ধনিয়া হরমোনের ভারসাম‍্যহীনতা, ডায়াবেটিস ও দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায‍্য করে।
★★ ধনিয়া মেয়েদের অতিরিক্ত রক্ত স্রাব হওয়া থেকে রক্ষা করে।

★★ ধনিয়াতে থাকা ভিটামিন এ, ফলিক এসিড, ভিটামিন সি - এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায‍্য করে।
★★ একজিমা, চুলকানি, ফোঁড়া, ব্রণ,ইত্যাদি কমাতে ধনিয়ার কোন বিকল্প নেই। এর মূল কারণ হলো বীজে প্রচুর পরিমাণে জীবানুনাশক উপাদান রয়েছে।

★★ মুখের ঘা ও জ্বর কমাতে ও ধনিয়া বীজ অনেক উপকারী।
★★ ধনিয়াতে অতিরিক্ত পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে লিভারের কাজ করে ও আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।

Owner of
Ergo এরগো
সেক্টর: ৬, উত্তরা, ঢাকা।

সচেতন হোন, বিশুদ্ধ খান।

আখের চিনির উপকারীতা -অনেকই  জানি না আখের লাল চিনির উপকারীতা। আজ তাদের জন্য এর উপকারীতা জানাবো: ★★ লাল চিনির মোলাসেস অ্যা...
20/08/2020

আখের চিনির উপকারীতা -

অনেকই জানি না আখের লাল চিনির উপকারীতা। আজ তাদের জন্য এর উপকারীতা জানাবো:

★★ লাল চিনির মোলাসেস অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।
★★এতে বিদ্যমান ফলিক এসিড দেহে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে।

★★ এ চিনি দেহে রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে।
★★ লাল চিনির খাদ্য উপাদান অন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখে এবং ক্ষুধামন্দা দূর করে।

★★ এ চিনির উপাদান হজমে সহায়তা করে।
★★ আয়রনসমৃদ্ধ হওয়ায় প্রসব-পরবর্তী সময়ে মায়েদের জন্য উপকারী।

★★ সর্দি-জ্বর হলে লাল চিনি এক কাপ গরম পানির সঙ্গে আদা কুচি ও লাল চিনি মিশিয়ে খেলে সর্দি-জ্বর দ্রুত ভালো হয়।
★★ এছাড়াও লাল চিনি ত্বক চর্চায় ব্যবহার হয়।

★★ ত্বক পরিচর্যায় লাল চিনি লাল চিনি ও দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে ফেসিয়াল মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

Owner of
Ergo এরগো
সেক্টর: ৬, উত্তরা, ঢাকা।

সচেতন হোন, বিশুদ্ধ খান।

️গোলমরিচগোলমরিচ ফলটি গোলাকার। কাঁচা অবস্থায় গাঢ় সবুজ এবং পাকা অবস্থায় হলুদ থেকে লাল বর্ণের হয়। এর মধ্যে একটি মাত্র বীজ থ...
17/08/2020

️গোলমরিচ

গোলমরিচ ফলটি গোলাকার। কাঁচা অবস্থায় গাঢ় সবুজ এবং পাকা অবস্থায় হলুদ থেকে লাল বর্ণের হয়। এর মধ্যে একটি মাত্র বীজ থাকে। ভারতে গোলমরিচকে King of Spices হিসেবে অভিহিত করা হয়।
ভারত ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, শ্রীলংকা, ব্রাজিল, থাইল্যান্ড এবং অন্যান্য Tropical দেশে গোলমরিচ চাষ হয়। গোলমরিচের গুঁড়া ইউরোপীয় দেশে খাদ্যে মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয় প্রাচীনকাল থেকে।
এছাড়া ঔষধি গুণাগুণের জন্যও এটি সমাদৃত।

বাংলাদেশের সিলেট, চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে গোলমরিচ চাষ হয়।
একটি গাছ থেকে বছরে ৩-৫ কেজি পর্যন্ত গোলমরিচ পাওয়া যায়।

সারা পৃথিবীতে অন্যতম জনপ্রিয় একটি মশলা হলো গোলমরিচ। সাদা ও কালো গোলমরিচ দুটোই একই গাছ থেকে আসে। খাবারের সঠিক স্বাদ পেতে হলে জানতে হবে এই দুই গোলমরিচের পার্থক্য।

কালো ও সাদা গোলমরিচের পার্থক্য আসে প্রক্রিয়াজাতকরনের সময়ে।
গাছটির ফল যখন প্রায় পেকে আসে, তখন একে রোদে শুকিয়ে তৈরি করা হয় কালো গোলমরিচ। অন্যদিকে, এই একই ফলকে পেড়ে তারা ওপরের স্তরটাকে সরিয়ে ফেলে শুধু ভেতরের বীজটাকে শুকিয়ে তৈরি করে সাদা গোলমরিচ।

️আসুন গোলমরিচের উপকারিতা জেনে নেই:

★★ যাদের খাবারের রুচি কম তাদের উপকারে আসতে পারে সাদা গোলমরিচ।
★★ ️এছাড়া সর্দিও কমাতে সাহায্য করে এই মশলাটি। কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাদা গোলমরিচ খেতে পারেন।
★★ লিভারের রোগ দূরে রাখে কালো গোলমরিচ।
★★️ এছাড়া নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে।
★★ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।
★★ হৃদরোগ এবং ক্যান্সার নিরাময় করে।
★★ ওজন কমানো, হজমের সুবিধা, মেটাবোলিজম বাড়ানো, ত্বকের সমস্যা দূরে রাখতে সাহায্য করে মশলাটি।

♦♦ কালো গোলমরিচে ঝাল ও স্বাদ-গন্ধ দুটোই বেশি। একে গুঁড়ো করলে স্বাদ বেশি পাওয়া যায়। আবার যারা কম ঝাল খেতে চান, তাহলে সাদা গোলমরিচ বেছে নিতে পারেন।

♦♦ সব মশলাই কিছুদিন পর নষ্ট হয়ে যায়। তবে এয়ারটাইট কন্টেইনারে রাখলে কালো গোলমরিচ ভালো থাকে এক বছর পর্যন্ত।
সাদা গোলমরিচের আবার গন্ধ চলে যায় কয়েক মাসের মাঝেই।

Owner of
Ergo এরগো
সেক্টর: ৬, উত্তরা, ঢাকা।

সচেতন হোন, বিশুদ্ধ খান।

Address

Dhaka

Telephone

+8801515691592

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ergo এরগো posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share