Rashid Corporation

Rashid Corporation Coming 100% original cosmetics products

11/01/2026

#বসন্তে_পেলাম_তার_দেখা
#পর্ব_১৯(হ্যাবিট অফ মাইন)
#লেখনীতে_শেখ_কামরুন_নাহার

❌কপি করা নিষিদ্ধ ❌

"কে তুমি হুম? হুটহাট এসে আমার মন বাগানে কাল-বৈশাখীর ঝড়ের ঝাপটা দিয়ে যাও। ঝড়িয়ে দিয়ে যাও আমার বাগানের ফুলগুলো।কেনো এতো লুকোচুরি খেলা, সামনে এলে দোষ কি?কে তুমি?কি তোমার পরিচয়? কোথায় তোমার বসবাস?"

এই প্রশ্ন গুলোর কোনো উত্তর নেই মাহ্জাবীনের কাছে। প্রশ্নগুলো খেলা করছে তার মস্তিষ্ক জুড়ে। কিন্তু উত্তর দেওয়ার মানুষের দেখা নেই।তার মন বলছে সে হয় তো এই ব্যক্তিকে চেনে। কিন্তু মস্তিষ্ক বলছে অন্য কথা।সে কারটা শুনবে?মন নাকি মস্তিষ্কের।তার অবচেতন মন হয় তো চাইছে কেউ আসুক আর এই প্রশ্ন গুলোর উত্তরে বলুক,

"আমি তোমার মন বাগানের ভ্রমর।আমি তোমার মন বাগানে কাল-বৈশাখীর ঝড়ের ঝাপটা দিতে নয় প্রণয়ের ঝড় তুলতে এসেছি।আমি তোমার মন বাগানের ফুল ঝড়াতে নয় নতুন ফুলের সুবাস ছড়িয়ে দিতে এসেছি।আমি তোমার প্রাণ সখা তুমি আমার প্রাণ সখি।"

কিন্তু তা আর হবার নয়।কেনো কেউ আড়ালে তাকে উপহার ও বেনামি চিরকুট ধরিয়ে চলে যায়।আর সে তা নিয়ে ভাবনায় বিভর হয়ে যায়।নাহ্!এভাবে আর চলে না।মাহ্জাবীন এর শেষ দেখেই ছাড়বে, কিন্তু এতে কারো সাহায্য লাগবে।কার সাহায্য নেওয়া যায়?ভাবতে বসল মাহ্জাবীন।কার সাহায্য নিবে সে?

দখিনা বাতাস বইছে,তীব্র ঝড়ের পূর্বাভাস দিচ্ছে।মাহ্জাবীন উদাস হয়ে বারান্দায় বাঁধা গোল আকৃতির দোলনায় বসে।কোলে তার সেই প্রিয় বন্ধু গুড্ডু।মালকিনের কোলে গাঁ গুটিয়ে বসে আছে। কিছুক্ষণ পর পর মিও মিও সুর তুলছে।মাহ্জাবীন গুড্ডুকে তুলে উঁচু করে নিজের মুখের সামনে খানিকটা দূরত্ব বজায় রেখে বলল,

"তুই বল!আমি কী করব?কাকে বলবো?কে আমার সাহায্য করবে?সবাই তো সবার মতো ব্যস্ত নিজেদের নিয়ে।ভাইকে এসব বলা যাবে না, ভাবীকে বলা মানে ভাইয়ের কানে দেওয়া। জেসমিন কিচ্ছু করতে পারবে না।আর বাবা-মাকে এসব বলা যায় না।মামা! মামাকে বলবো?নাহ্! ব্যপারটা ভালো দেখায় না‌।তবে?সাবা আপু?রুমান ভাই?নাহ্!ওরা জানা মানে ভাই জেনে যাওয়া।আআআ......ভাবতে পারছি না, গুড্ডুরেএএ....!আমি ঘুমোবো। হ্যাঁ একটা ঘুম প্রয়োজন মাথা ঠান্ডা করার জন্য।"

মাহ্জাবীন গুড্ডুকে কোল থেকে নামিয়ে বিছানায় গিয়ে বালিশে মুখ গুঁজে দিল। মিনিট খানেক পর গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে গেল।তার ভারী নিঃশ্বাসের ছন্দ মিলিয়ে যাচ্ছে বাতাসের সাথে ফাঁকা রুম জুড়ে।

//////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////

"নায়রা!আই নিড আ হেল্প।"

নয়রা তালালের কথায় চোখ তুলে তাকাতেই দুজনের মধ্যে চোখাচোখি হয়ে গেল।নায়রা প্রশ্নাত্মক চাহনি দিয়ে তাকায় তালালের দিকে।তালাল নিজে থেকেই বলতে শুরু করল,

"আই’ম লুকিং ফর আ নিউ প্লেস বিকজ মাই কারেন্ট অ্যাপার্টমেন্ট ইজ টু স্মল। মাই প্যারেন্টস আর কামিং ওভার ইন আ কাপল অফ উইকস। আই’ভ বিন শেয়ারিং আ স্মল ফ্ল্যাট উইথ আ ফ্রেন্ড, বাট আই নিড আ বিগার হাউস বিফোর দে গেট হেয়ার।"

"ওকেহ্,ডু ইউ হ্যাভ এনি প্রেফার্ড এরিয়া অর কলোনি?"

"নো আই ডোন্ট! ইট উড বি কনভিনিয়েন্ট ইফ ইট ইজ ক্লোজ টু মাই ওয়ার্কপ্লেস।"

"হোয়াই ডোন্ট ইউ শিফট টু দ্য রেসিডেনসেস অ্যাট ওয়াহরুঙ্গা এস্টেট?উই অলসো লিভ দেয়ার, অ্যান্ড ইটস রাইট নেক্সট টু ইয়োর ওয়ার্কপ্লেস।"

"গুড আইডিয়া!বাট উইল আই বি এবল টু ফাইন্ড আ ভেকেন্ট হাউজ ইন দ্য মিডল অফ দ্য মান্থ?"

"ডেফিনেটলি! দ্য হাউজ অপোজিট আওয়ার্স ইজ এম্পটি। ইটস আপ ফর সেল,ইউ ক্যান ভিজিট অ্যান্ড বাই ইট,ইফ ইউ লাইক ইট। আই'ল লেট মাই বাবা নো ইফ ইউ নিড এনি অ্যাসিস্ট্যান্স।"

"থ্যাংক ইয়ু।"

"স্কিপ দ্য 'থ্যাঙ্ক ইউ' অ্যান্ড টিচ মি বেঙ্গলি সিন্স আই'ম স্ট্রাগলিং উইথ ইট। হোয়াট'স দ্য ম্যাটার? আরেন্ট ইউ গোয়িং টু টিচ মি?"

তালাল ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছে নায়রার পানে।তাকে কি বাংলা শিখাতে বলল মেয়েটা? কিন্তু কেন?নিজের প্রশ্ন নিজের মাঝে না রেখেই তা প্রকাশ করে ফেলল তালাল,

"হোয়াই ডু ইউ ওয়ান্ট টু লার্ন বেঙ্গলি?"

"বিকজ,অ্যাজ আ বেঙ্গলি, ইট ইজ এসেনশিয়াল ফর মি টু বি ফ্লুয়েন্ট ইন মাই মাদার টাং।"

"হোয়াই ডিন্ট ইউ থিঙ্ক অফ দিস বিফোর?"

"তালাল,লেট'স স্পিক ইন বেঙ্গলি ফ্রম নাউ অন। ইফ আই স্ট্রাগল অর মেক আ মিসটেক, প্লিজ কারেক্ট মি।"

"আচ্ছা,তবে আমার জন্যেই ভালো হলো। বিদেশিদের ভীড়ে বিদেশি ভাষা বলতে বলতে ত্যক্তবিরক্ত আমি।এবার তবে নিজের দেশের দেশী রমণীর সাথে বাংলায় ভাববিনিময় করব।"

"ওয়েট!এতো কঠিন বাংলা বলেন না।হুইচ ইজ ডিফিকাল্ট ফর মি টু আন্ডারস্ট্যান্ড।"

"আচ্ছা,আমরা কি তবে শুরু থেকে শুরু করব?"

নায়রা তালালের কথা না বুঝে প্রশ্নাত্মক চাহনি দিল।তালাল তা দেখে ঠোঁট টিপে হেসে বলল,"চলো শুরু থেকে শুরু করি।তো স্বরবর্ণ শেখবে?শিখাবো?"

"ওহ হো তালাল!আপনাকে বলেছি বাংলায় কথা শিখাতে।দ্যাট ডাজ নট মিন আই অ্যাম আ কমপ্লিট বিগিনার। আই টোল্ড ইউ বিফোর দ্যাট আই আন্ডারস্ট্যান্ড বেঙ্গলি, বাট আই স্ট্রাগল হোয়েন আই ট্রাই টু স্পিক। অ্যান্ড ইউ নো হোয়াট? দেয়ার ওয়াজ নো ওয়ান ফর মি টু টক টু। আই ওয়াজ রেইজড বাই ন্যানিস সিন্স চাইল্ডহুড। বোথ মাই পেরেন্টস ওয়ার বিজি অ্যাট দ্য অফিস। অ্যাজ আই গ্রিউ আপ, দে বিকেইম ইভেন বিজিয়ার, অ্যান্ড নাউ আই হ্যাভ ক্রসড দ্য বাউন্ডারিস অফ স্কুল অ্যান্ড কলেজ অ্যান্ড অ্যাম স্টাডিয়িং অ্যাট আ ইউনিভার্সিটি। আই ফাউন্ড মেনি ফ্রেন্ডস দেয়ার, বাট নো ওয়ান আই কুড টক টু ওপেনলি। ইউ আর দ্য ফার্স্ট ওয়ান হু স্পিকস টু মি সো বিউটিফুলি অ্যান্ড লিসেনস টু মি উইদাউট এনি অ্যানোয়েন্স। আননোয়িংলি, ইউ হ্যাভ বিকাম সো ক্লোজ টু মি। আই ডোন্ট নো হোয়েন অর হাউ, বাট টকিং টু ইউ হ্যাজ বিকাম আ হ্যাবিট অফ মাইন।"

তালাল মন্ত্রমুগ্ধের ন্যায় শুনে গেলো নায়রার প্রতিটা বাক্য।এগুলো শুধুই নায়রার মনের কথা নয় এগুলো হচ্ছে এক গুচ্ছ আবেগ।যা সে এতগুলো সময় নিজের মন পিঞ্জরে আটকে রেখে ছিল।আর এখন তা মুক্ত হয়ে প্রতি নিয়ত পাখির ন্যায় ডানা ঝাপটিয়ে তালালের নিকট প্রকাশিত হচ্ছে।আর তালাল তা সানন্দে গ্রহণ করে জমিয়ে নিচ্ছে আপন চিত্তে।

//////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////

"মাশরুর,আমি কিচ্ছু শুনতে চাই না।আমি বলেছি মানে তাই হবে।"

"আহা!এতো জেদ করছো কেন।বললাম তো আজ না কাল।"

"আমি কি দূরে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার কথা বলেছি? শুধু বললাম আশপাশে ঘুরিয়ে আনতে তাতেও আপনার যত বাহানা।আপনি সারাদিন বাহিরে ছিলেন আর আমি এই রুমে বন্দী ছিলাম। আপনার কথা মতো এই রুম থেকে বেরও হই নি।আর আমিও মানুষ আমারও ভালো খারাপ লাগতে পারে। আচ্ছা ফাইন যাবো না কোথাও আমি। আপনিই এখানে আপনার কাজ করুন।আর কাজ শেষে একা একা ঘুরে ফিরে আসবেন। দেশে ফিরার আগের দিন আমাকে বলে দিবেন।আমি সব রেডি রাখব।"

সায়্যরির ধৈর্য্যের বান খুলে নালিশের বন্যায় ভাসিয়ে দিল মাশরুরকে।আর মাশরুর সেই বন্যার জলে ভেসে ওঠে অবাক হয়ে বেকুব মার্কা প্রশ্ন করে বসলো,

"দেশে ফিরার আগে তোমাকে কেন বলতে হবে?তুমি কি কোথাও যাবে?"

"হ্যাঁ,যাবো তো।",সায়্যরি দাঁতে দাঁত চেপে বলল।

"কোথায়?",অবাক হয়ে মাশরুর জানতে চাইল।

"জান্নাতে।"

"অসম্ভব!"

"মানেহ্?"

"তুমি যেভাবে তোমার স্বামীর কথা অমান্য করছ‌ আর তর্ক করে তাকে নাখুশ করছ।আল্লাহ তোমাকে জান্নাতে যেতে দিবে,এতোই সহজ?"

"মাশরুর....আপনি একটা..আপনি একটা..",তীব্র রাগ ও দুঃখে সায়্যরি কথা বলতে না পেরে আটকে আটকে বলল।

"হ্যাঁ!আমি একটা ভালো মানুষ।আর তুমি একজন ভালো মানুষের বউ।খুশি?"

"আআ...পপ...নিইই...আআ...মা...র উপর নাখুশ...!উহুম... উহুমমম.......!"

হঠাৎ সায়্যরির কান্নায় মাশরুর তাজ্জব বনে গেল।সে তড়িঘড়ি করে সায়্যরির সামনে বসে।তার মুখখানা পরম যত্নে নিজের দু'হাতে আঁজলায় নিয়ে বলল,

"আরে আমি তো মজা করছিলাম তোমার সাথে।আর তুমি কিনা কাঁদছ?আমি আমার বসন্ত কন্যার উপর নাখুশ হতে পারি?তুমিই বলো?"

সায়্যরি কোনো প্রতিত্তর না করে কেঁদেই গেলো। মাশরুর এবার একটু বেশিই ব্যস্ত হয়ে গেল কান্নার কারণ জানতে।

"আরে কাঁদছ কেন? আচ্ছা আমি সরি।চলো রেডি হয়ে নাও আমরা এখনিই বের হবো।"

"থাক!যাবো না আমি কোথাও।আপনি নাখুশ হবেন।আর আমি আপনার কথা অমান্য করব না।",নাক টেনে বলল।

"নাহ্!আর কোনো কথা শুনব না‌।চলো রেডি হয়ে এসো আমরা এখনিই বের হবো।আর কে বলেছে আমি তোমার উপর নাখুশ।যে একথা বলেছে সে আস্ত একটা আঁতেল।"

বলেই মাশরুর জ্বীভ কাটল।কারণ কথাটা তো সেই বলেছিল।সায়্যরি এবার হেঁসে দিল,এরপর রেডি হতে ছুটে গেল। মাশরুর সায়্যরির তড়িঘড়ি দেখে আলতো হাসলো।তার মতো কাঠখোট্টা টাইপের লোক কিভাবে এতো নরম কোমল মেয়েটির মায়ায় জড়িয়ে গেল ভেবে পায় না।

আসলেই ভালোবাসা বলে কয়ে হয় না।এটা হলো একটি সংক্রামক ব্যাধি যা হুট করে এসে ফট করে আক্রান্ত করে যায়।এই ভালোবাসা নামক সংক্রামক ব্যাধিটিতে শুধু আক্রান্ত হওয়া যায় আর এর থেকে নিরাময় পাওয়া দুষ্কর।

//////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////

"শুনেন!"

"জ্বী বলেন।"

"আহা‌ এমন করেন‌ কেনো?"

"কেমন করি যেনো?"

"উফ্!"

"আহ্!"

"রুমান আপনি থামবেন?আমার জরুরী কথা আছে। এমন করলে কিন্তু ফোন কেটে ব্লক করে দিব।"

"আরে না না! একদম ব্লক করবে না। আচ্ছা বলো কী জরুরী কথা আছে তা বলো জলদি।"

"বলছি কি?কাল আপনি ফ্রী আছেন?"

"তোমার জন্য আমি অল টাইম ফ্রী,জান।"

"হুহ!ঢং বাদ দিন।আর বলুন কাল দেখা করতে পারবেন?"

"জান!তুমি আমার আবেগ অনুভূতিকে ঢং বলতে পারলে?"

"হ্যাঁ,পারলাম।আপনি বলুন কাল দেখা করতে পারবেন কিনা?"

"আচ্ছা। কোথায় আর কখন দেখা করতে হবে সেটা বলো।"

"আমি পড়ে টেক্সট করে দিবো।"

"জান!"

"হুম!"

"জান!"

"বলেন।"

"জান!"

"বলেন কী বলবেন।"

"জান...!"

"জ্বীইইই...বলেন।"

"জান...!

"ওই ব্যাটা তুই ফোন‌ রাখ!জান জান বলতে বলতে আমার জান বের করে দিলো, যত্তসব!"

কথাটা বলে অহনা তাৎক্ষণিক ফোন রেখে দিল।আর রুমান অবাক হয়ে বলল,"লে হালুয়া!রেগে গেল কেন?"

ক্রমশ...

05/09/2024

👉 এক শকুনের বাচ্চা তার বাপের কাছে বায়না ধরলো, -- "বাবা, আমি মানুষের মাংস খাব! "

শকুন বলল--"ঠিক আছে বেটা, সন্ধ্যার সময় এনে দেব। শকুন উড়ে গেল আর আসার সময় মুখে এক টুকরো শুকরের মাংস নিয়ে এসে বাসায় রাখলো ।

বাচ্চা বলল--"বাবা, এটা তো শুকরের মাংস, আমি মানুষের মাংস খেতে চাই।"

বাপ বলল --অপেক্ষা কর বাবা!

শকুনটা আবার উড়ে গেল আর আসার সময় এক মরা গরুর মাংস নিয়ে এলো।

বাচ্চা বলল --"আরে এটা তো গরুর মাংস নিয়ে এসেছ, মানুষের মাংস কোথায়?

এবার শকুনটা দুটো টুকরো একসাথে মুখে নিয়ে উড়াল দিল আর শুকরের মাংসটি একটা মসজিদের পাশে আর গরুর মাংস একটা মন্দিরের পাশে ফেলে দিয়ে চলে এলো!

কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে শুরু হলো দাঙ্গা! কয়েকশ মানুষের লাশ পড়ে গেল! তখন গাছের ডাল থেকে নেমে বাপ-বেটা মিলে খুব তৃপ্তিতে মানুষের মাংস খেল।

বাচ্চাটা খেতে খেতে জিজ্ঞেস করছে-- "বাবা, এত মানুষের মাংস এখানে কি করে এলো ?"

শকুন বললো -- "এই মানুষ জাতটাই এরকম। সৃষ্টিকর্তা এদেরকে সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ হিসাবে সৃষ্টি করেছেন, কিন্তু ধর্ম আর রাজনীতির নামে এদেরকে আমাদের থেকেও হিংস্র বানানো যেতে পারে! "

বাচ্চা বললো তুমি ধর্মকে ব্যবহার করলে কেন, কতগুলো নীরিহ লোক মারা গেল , রাজনীতি করলেই পারতে!

বাবা হেসে উত্তর দিল, তাতেও নিরীহ লোকগুলোই মারা পড়তো! ধর্মটা আবেগের যায়গা তাই ফলাফলটাও তাৎক্ষণিক! তুমি আজই খেতে চেয়েছিলে! রাজনীতি টা কুটিল এবং জটিল, এটি শুরু হতে সময় নেয় কিন্তু হলে আর থামেনা!

বাচ্চা বললো- "তোমার অনেক বুদ্ধি, বাবা"

শকুন -- "আরেহ, ধুর! এটা তো আমি মানুষের কাছ থেকেই শিখছি, এদের একটা অংশ যখনই কোন অনিষ্ট করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয় তখনই সহজ রাস্তা হিসেবে হয় ধর্মকে নয়তো রাজনীতিকে ব্যবহার করে!
©copypost

05/09/2024

Address

Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rashid Corporation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share