21/08/2026
একটা সময় প্রচুর বই পড়তাম। একাডেমিক বই না গল্পের বই। আমার মনে আছে আমি বই পড়া শেষ করে সেই বইয়ের নাম আর রাইটারের নাম লিখে রাখতাম। ৩০০+ নাম ছিলো হয়তো সেখানে। এতো বই আমার ছিলো না কিনা সম্ভব ও ছিলো না। কালেক্ট করতাম। ক্লাস ৮/৯ থেকে আমি লুকিয়ে গল্পের বই পড়তাম। ইন্টারমিডিয়েট এ যেসব ফ্রেন্ডরা বই পড়তো তাদের থেকে কালেক্ট করে পড়তাম। এক ফ্রেন্ড ছিলো তার রিলেটিভ ঢাকা থেকে প্রচুর হুমায়ুন আহমেদের বই পাঠাতো তাকে। আমি নিয়ে পড়ে তাকে আবার ফেরত দিতাম। সেখান থেকেই মূলত আমার হুমায়ূন ভক্ত হয়ে উঠা। এরপর ইডেনে পড়ার সময় নীলক্ষেত এ ফটোকপি বই পাওয়া যেতো অল্প দামে। তখন আমি নিজেই প্রচুর বই কিনেছি। সাবলেট বাসায় এতো বই কই রাখবো বাড়িতে নিয়ে গিয়ে রাখতাম। বাড়ি থেকে অনেক বই হারায় গেছে। বই এমন একটা জিনিস কেউ নিলে ফেরত দিতে চাইতো না। আমি নিজে বই পাগল বলে অন্যের বই আগলে রাখতাম। পড়া হলে সাথে সাথে ফেরত দিতাম। আজিমপুর ছাড়ার পর আমার আর নীলক্ষেত যাওয়াও হয় না বই কেনাও হয় না। আমার ইচ্ছে ছিলে নিজের যখন একটা সংসার হবে সেই সংসারে একটা রুম না হোক বড় বড় ২/৩ টা বুকসেলফ ভর্তি আমার বই থাকবে। এজন্য একাডেমিক বইগুলোও রেখে দিছিলাম। বিয়ের পর লাস্ট কবে গল্পের বই কিনেছি মনে পরে না। একাডেমিক বইগুলোও এবার বাসা চেন্জ করার সময় সেল করে দিয়েছি টানাটানির ঝামেলায়। এখন আর বই পড়া হয় না। মাঝেমধ্যে পুরনো বইগুলো পড়ি সেটাও ছেলে ছিঁড়ে ফেলে। কয়েকটা বই ছিঁড়ছে সে আমার। একজীবনে কত ছোট ছোট শখ হারিয়ে যায় সময়ের সাথে সাথে। কত সখ কখনোই পূরণ করা হয়ে উঠে না।একটা সময় প্রচুর বই পড়তাম। একাডেমিক বই না গল্পের বই। আমার মনে আছে আমি বই পড়া শেষ করে সেই বইয়ের নাম আর রাইটারের নাম লিখে রাখতাম। ৩০০+ নাম ছিলো হয়তো সেখানে। এতো বই আমার ছিলো না কিনা সম্ভব ও ছিলো না। কালেক্ট করতাম। ক্লাস ৮/৯ থেকে আমি লুকিয়ে গল্পের বই পড়তাম। ইন্টারমিডিয়েট এ যেসব ফ্রেন্ডরা বই পড়তো তাদের থেকে কালেক্ট করে পড়তাম। এক ফ্রেন্ড ছিলো তার রিলেটিভ ঢাকা থেকে প্রচুর হুমায়ুন আহমেদের বই পাঠাতো তাকে। আমি নিয়ে পড়ে তাকে আবার ফেরত দিতাম। সেখান থেকেই মূলত আমার হুমায়ূন ভক্ত হয়ে উঠা। এরপর ইডেনে পড়ার সময় নীলক্ষেত এ ফটোকপি বই পাওয়া যেতো অল্প দামে। তখন আমি নিজেই প্রচুর বই কিনেছি। সাবলেট বাসায় এতো বই কই রাখবো বাড়িতে নিয়ে গিয়ে রাখতাম। বাড়ি থেকে অনেক বই হারায় গেছে। বই এমন একটা জিনিস কেউ নিলে ফেরত দিতে চাইতো না। আমি নিজে বই পাগল বলে অন্যের বই আগলে রাখতাম। পড়া হলে সাথে সাথে ফেরত দিতাম। আজিমপুর ছাড়ার পর আমার আর নীলক্ষেত যাওয়াও হয় না বই কেনাও হয় না। আমার ইচ্ছে ছিলে নিজের যখন একটা সংসার হবে সেই সংসারে একটা রুম না হোক বড় বড় ২/৩ টা বুকসেলফ ভর্তি আমার বই থাকবে। এজন্য একাডেমিক বইগুলোও রেখে দিছিলাম। বিয়ের পর লাস্ট কবে গল্পের বই কিনেছি মনে পরে না। একাডেমিক বইগুলোও এবার বাসা চেন্জ করার সময় সেল করে দিয়েছি টানাটানির ঝামেলায়। এখন আর বই পড়া হয় না। মাঝেমধ্যে পুরনো বইগুলো পড়ি সেটাও ছেলে ছিঁড়ে ফেলে। কয়েকটা বই ছিঁড়ছে সে আমার। একজীবনে কত ছোট ছোট শখ হারিয়ে যায় সময়ের সাথে সাথে। কত সখ কখনোই পূরণ করা হয়ে উঠে না।