Cordoba History desk

Cordoba History desk Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Cordoba History desk, Book shop, Savar Dhaka, Dhaka.

১৯৩৭ এর নির্বাচনে হিন্দু প্রধান ৬টি প্রদেশে কংগ্রেস মন্ত্রিসভা গঠিত হলো—সেসব প্রদেশে দু'বছর ধরে মুসলমানদের উপর চললো অমান...
13/08/2026

১৯৩৭ এর নির্বাচনে হিন্দু প্রধান ৬টি প্রদেশে কংগ্রেস মন্ত্রিসভা গঠিত হলো—সেসব প্রদেশে দু'বছর ধরে মুসলমানদের উপর চললো অমানুষিক ধর্মনিরপেক্ষ নির্যাতন। নির্যাতনের ​স্বরূপ সম্পর্কে তদন্তের জন্য মুসলিম লীগ কর্তৃক "পীরপুর কমিটি" ও "শরীফ কমিটি" নিয়োগ করা হয়। রিপোর্টে বর্ণহিন্দুর অত্যাচারের যে বিভৎসতা ফুটে ওঠে তাতে বিচলিত হয়ে ১৯৩৯ সালে বাংলার প্রধানমন্ত্রী মওলবী ফজলুল হক "কংগ্রেস শাসনে মুসলমানদের দুরবস্থা" বর্ণনা করে এক দীর্ঘ বিবৃতি প্রদান করেন এবং এই মর্মে হুমকি দেন যে, কংগ্রেস শাসিত প্রদেশগুলোতে 'এভাবে মুসলমানদের প্রতি জুলুমের ধারা বন্ধ করা না হলে বাংলাদেশে তিনি এর প্রতিশোধ গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন। [আব্দুর রহীম, প্রাগুক্ত, ২৫০; ব্রোমফিল্ড ড ২৬০-৬৩; কামরুদ্দিন ১৯, ১৮১, ১৯৫-২০০]। হক সাহেবের বিবৃতিটি পুস্তিকা আকারে সারা উপ-মহাদেশে ছড়ানো হয়। অন্যান্য মুসলমান প্রধান প্রদেশগুলোতেও এ আবেগ সঞ্চারিত হয়। তারই স্বাভাবিক পরিণতি মুসলিম লীগের ১৯৪০ সালের লাহোর অধিবেশনে মওলবী ফজলুল হক কর্তৃক উত্থাপিত পাকিস্তান প্রস্তাব [আব্দুর রহীম, প্রাগুক্ত ২৫০; ব্রোমফিল্ড, ২৬০-৬৩; কামরুদ্দিন ; ১৯, ১৮১, ১৯৫-২০০]।

বই : ইতিহাসের অন্তরালে, (পৃষ্ঠা ২৬-২৭)
লেখক : ফারুক মাহমুদ

📕: বাংলাদেশ ও ইসলাম আত্মপরিচয়ের ডিসকোর্স লেখক : মুসা আল হাফিজ একটি জাতির আত্মপরিচয় গঠনে ইতিহাসের রয়েছে বিশাল তাৎপর্য। ই...
12/08/2026

📕: বাংলাদেশ ও ইসলাম আত্মপরিচয়ের ডিসকোর্স

লেখক : মুসা আল হাফিজ

একটি জাতির আত্মপরিচয় গঠনে ইতিহাসের রয়েছে বিশাল তাৎপর্য। ইতিহাসের নানান পর্ব, ক্রিয়া -প্রতিক্রিয়া, ঘাত-প্রতিঘাতের ভিতর দিয়ে গড়ে উঠে একটি জনগোষ্ঠীর স্বতন্ত্র পরিচয়। কিন্ত সেই ইতিহাসকে যখন তুলে ধরা হয় বিকৃত বয়ানে তখন সেটা আত্মপরিচয়ের জন্য রীতিমতো হুমকিস্বরূপ। আমাদের জাতিসত্তা, ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে প্রচলিত আছে বিবিধ বয়ান যা আমাদের নিজস্ব পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি করে। সেইসব বয়ানকে দূরে সরিয়ে এই বইটিতে লেখক তুলে ধরেছেন এই ভূখন্ডের প্রকৃত ইতিহাস, বহিঃশত্রুদের বিরুদ্ধে এই ভূমিপুত্রদের প্রতিরোধ, বাংলায় ইসলামের আগমন এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ক্রমবিকাশককে।

ভারতবর্ষের ইতিহাসে নানা বিপরীত গুনের সমাবেশে ঔরঙ্গজেবের মতো সমৃদ্ধ ও জটিল চরিত্র খুব কমই আছে। তিনি ছিলেন অত্যন্ত রক্ষণশী...
17/07/2026

ভারতবর্ষের ইতিহাসে নানা বিপরীত গুনের সমাবেশে ঔরঙ্গজেবের মতো সমৃদ্ধ ও জটিল চরিত্র খুব কমই আছে। তিনি ছিলেন অত্যন্ত রক্ষণশীল সুন্নী মুসলিম এবং আপন ধর্মকে যেমনটি বুঝেছিলেন ঠিক তেমনি আচরণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। কোনো রকম ধর্মীয় উদারতা প্রতি, কোনো রকম বিলাসিতা বা প্রমোদের প্রতি তাঁর প্রশ্রয় ছিল না। ভাঙ, মদ, জুয়া, বেশ্যাবৃত্তি, নৃত্যগীতি ইত্যাদি তিনি নিষিদ্ধ করেছিলেন। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের দাড়ি ও পাজামার মাপ পর্যন্ত তিনি নির্দিষ্ট করে দিয়েছিলেন। ১৬৬৯ খ্রিস্টাব্দে মহরম পালন বন্ধ করার আদেশ জারি করেছিলেন এবং মহরম পালনের অপরাধে আহমদাবাদের শাসককে তাঁর পদ থেকে অপসারিত করেছিলেন। ঔরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য অভিযানের কারণ ছিল বিজাপুর ও গোলকুণ্ডার শিয়া সম্প্রদায়ভুক্ত মুসলিম শাসকদের ধ্বংস করা।মানুষকে পূজা করার শামিল একটি প্রথা হিসেবে ঝরোকা-দর্শনের প্রথা তিনি বন্ধ করে দেন। পক্ষান্তরে হিন্দু-মুসলিম ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকল প্রজাই তাঁর সাক্ষাতে উপস্থিত হয়ে বিচার প্রার্থনা করতে পারত।

বই : ভারতবর্ষ ও ইসলাম (পৃষ্ঠা ৭৪)
লেখক : সুরজিৎ দাসগুপ্ত

৭০৮ খ্রিস্টাব্দ। ওই সময় সিংহল হইতে এক জাহাজ মুসলিম রমণী ইরাকে যাওয়ার পথে দেবল নামক বন্দরের কাছে অপহৃত হয়। সিন্ধুর রাজ...
18/06/2026

৭০৮ খ্রিস্টাব্দ। ওই সময় সিংহল হইতে এক জাহাজ মুসলিম রমণী ইরাকে যাওয়ার পথে দেবল নামক বন্দরের কাছে অপহৃত হয়। সিন্ধুর রাজা দাহেরের কাছে ইরাকের শাসক হজ্জাজ অপহৃত রমণীদের প্রত্যর্পণের দাবি জানালে দাহের প্রত্যুত্তরে জানান যে অপহরণকারীরা যেহেতু তার নিয়ন্ত্রণ-বহির্ভূত, সুতরাং তাই হজ্জাজের দাবি পূরণে তিনি অক্ষম। ওই কৈফিয়তে হজ্জাজ তুষ্ট হইলেন না। দাহেরকে শায়েস্তা করার জন্য তিনি খলিফা ওয়ালিদের অনুমতি প্রার্থনা করিলেন। প্রথমটাতে রাজি না হইলেও ওয়ালিদ শেষ পর্যন্ত হজ্জাজের পীড়াপীড়িতে বিরক্তভাবে অনুমতি দিলেন। প্রথম দুটি অভিযান ব্যর্থ হইল।
অতঃপর ক্ষিপ্ত হজ্জাজ তৃতীয় অভিযান পাঠাইলেন নিকট আত্মীয় ও পরম প্রতিভাধর মুহাম্মদ ইবন-কাসিমের নেতৃত্বে। মুহাম্মদ যেমন অসাধারণ বীর তেমনি উদারচেতাও ছিলেন। তিনি শুধু দেবল নয়, একে একে নেরুন, সেহওয়ান, রাওর, ব্রাহ্মণাবাদ, আলোর ও মুলতান পর্যন্ত জয় করেন।

বই: ভারতবর্ষ ও ইসলাম
লেখক : সুরজিৎ দাশগুপ্ত
পৃষ্ঠা : ২৫-২৬

- বাংলার সেনবংশীয় বয়োঃবৃদ্ধ রাজা লক্ষণ সেন তখন নদীয়ায় অবস্থান করছিলেন। সেনদের আদি রাজধানী ছিল ঢাকার বিক্রমপুরে। নদীয়ায় ছ...
28/05/2026

- বাংলার সেনবংশীয় বয়োঃবৃদ্ধ রাজা লক্ষণ সেন তখন নদীয়ায় অবস্থান করছিলেন। সেনদের আদি রাজধানী ছিল ঢাকার বিক্রমপুরে। নদীয়ায় ছিল তাদের দ্বিতীয় রাজধানী। ১২০৩ বা ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে নদীয়া আক্রমণ করেন বখতিয়ার। দুর্গম ও অভাবনীয় এক পথ ধরে তিনি এগিয়ে আসেন। উড়িষ্যার ঝাড়খণ্ডের জঙ্গল দিয়ে তিনি এখানে আসবেন, কেউ ভাবেনি। তিনি এলেন ঘোড়া ব্যবসায়ীর ছদ্মবেশে, মাত্র ১৭ বা ১৮ জন অগ্রগামী অশ্বারোহী সৈন্য ছিলো সাথে। মূল সেনাবাহিনী রয়ে যায় পিছনে। দ্রুতগতিতে তিনি এসে পৌছান নদীয়ার দ্বারপ্রান্তে। রাজমহলের রক্ষীদের পরাজিত করেন প্রথম আক্রমণেই। রাজপ্রাসাদে যখন তিনি ঢুকে পড়েন, ততক্ষণে পিছনে পড়া সৈন্যরা এসে তার সাথে শামিল হয়ে গেছে। রাজা লক্ষণ সেন তখন ব্যস্ত ছিলেন মধ্যাহ্নভোজে। আকষ্মিক এ আক্রমণে তিনি ভীত হয়ে কোন প্রতিরোধ ছাড়াই পেছনের দরজা দিয়ে নৌকা যোগে পূর্ববঙ্গের বিক্রমপুরে পালিয়ে যান। অনেকটা বিনা বাঁধায় নদীয়া মুসলমানদের হস্তগত হয়। সেন রাজ্যের পতন ঘটে।

📕 বাংলাদেশ ও ইসলাম আত্মপরিচয়ের ডিসকোর্স
পৃষ্ঠা : ১০০-১০১

Address

Savar Dhaka
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cordoba History desk posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category