The Centrist Eye

The Centrist Eye সত্য সন্ধানে আমাদের পথচলা

12/06/2026

আদ-দ্বীন

লাকসাম থানা শহর থেকে কুমিল্লা জেলা শহরে নেওয়া হচ্ছে শিবিরের নেতা মোহাম্মাদ জিসান মিয়াকে। অজ্ঞান অবস্থায় আছে।লাকসাম থানা ...
12/06/2026

লাকসাম থানা শহর থেকে কুমিল্লা জেলা শহরে নেওয়া হচ্ছে শিবিরের নেতা মোহাম্মাদ জিসান মিয়াকে। অজ্ঞান অবস্থায় আছে।লাকসাম থানা শহর থেকে কুমিল্লা জেলা শহরে নেওয়া হচ্ছে শিবিরের নেতা মোহাম্মাদ জিসান মিয়াকে। অজ্ঞান অবস্থায় আছে।

10/06/2026

শালা উদ্দিন কে একদম ওয়াশ করে দিলো জামাতের এমপি,....😆🤭🤭

জামায়াতের নেতারা রাজনীতি শিখবে কোন দিন??গতকাল জামাতের একটা লোক সংসদে দাঁড়িয়ে বলতে পারেনি 'শিলং সালাউদ্দিন দেশে ফিরেই ...
10/06/2026

জামায়াতের নেতারা রাজনীতি শিখবে কোন দিন??
গতকাল জামাতের একটা লোক সংসদে দাঁড়িয়ে বলতে পারেনি 'শিলং সালাউদ্দিন দেশে ফিরেই এস আলমের গাড়িতে চড়ে ছিল'। যার জন্য বিএনপি থেকে শোকজ খাইছিল ।

এটা আজকের সালাউদ্দীন সাহেবের নিজের এলাকার ঘটনা। প্রতিদিন ২-৪টি কোন না কোন ধর্ষণের ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে। আজকে আমার মা বো আমার...
09/06/2026

এটা আজকের সালাউদ্দীন সাহেবের নিজের এলাকার ঘটনা। প্রতিদিন ২-৪টি কোন না কোন ধর্ষণের ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে। আজকে আমার মা বো আমার ঘরেও নিরাপদ নয়। খুবই উদ্বেগজনক। নিজের মা-বোন ধর্ষিত না হলে এই ক্ষত বুঝা যাবে না। অথচ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিকে জ্ঞান দিয়েই যাচ্ছে।

ছবির এই দৃশ্যটা ভিডিওতে দেখছেন হয়তো অনেকেই.....অদ্ভুত একটা দেশে বাস করি।ভেতরের লোকটা যেই সিটে বসে আছে, ওই সিটের টিকেট ক...
28/05/2026

ছবির এই দৃশ্যটা ভিডিওতে দেখছেন হয়তো অনেকেই.....
অদ্ভুত একটা দেশে বাস করি।
ভেতরের লোকটা যেই সিটে বসে আছে, ওই সিটের টিকেট কাটসে বাইরে যে দাঁড়িয়ে,সে।
বাইরের লোকটা গেইট দিয়ে উঠতে পারতেছে না দেখে কতবার যে ভেতরের লোককে জানালা খুলতে বললো হিসাব নাই।

অথচ ভিতরে বসা লোকটা একবার তাকিয়ে আর তাকাচ্ছে না।বাইরের লোকটা জানালায় ধাক্কা দিয়ে জানালা ভেঙ্গে ফেলার উপক্রম,তবুও ভেতরের লোক না শোনার ভান ধরে বসে আছে!

অথচ,সিট টা বাইরের লোকটার।
ভেতরের লোকটা জানে যে ভীড় ঠেলে এই লোক ভিতরে ঢুকতে পারবে না,তাই নির্লজ্জ বেহায়ার মতো সিট দখল করেই বসে আছে!

কি পরিমাণ নীচু আর বেহায়ার মতো কাজ ভাবতে পারেন!

আরেক লোক দেখলাম ৮ টা টিকেট কাটছেন।কিন্তু তার সিটে অন্য লোকজন দিব্বি বসে আছে।কেউ জানালা পর্যন্ত খুলতেছে না!

আমরা সবাই দেশের উন্নয়ন না হওয়ার পিছে বারবার সরকার,প্রশাসন এদের দোষ দেই।
বাস্তবতা হইলো,জাতি হিসেবে আমরা নিজেরাই মারাত্মক ছোটলোক আর বেহায়া।তাই আমাদের উন্নয়ন এর "উ' ও হয় না,হবেও না।

প্রথম ছবিটা উম্মে সাহেদীনা টুনি। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় কান্নার বন্যা বয়ে দেন।টুনি গণমাধ্যমের কাছ...
26/05/2026

প্রথম ছবিটা উম্মে সাহেদীনা টুনি। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় কান্নার বন্যা বয়ে দেন।

টুনি গণমাধ্যমের কাছে সাক্ষাৎকার দেন যে তার স্বামীকে (তারেক) নিজের কিডনি দিয়ে সুস্থ করার পর তাকে রেখে পরকীয়ায় জড়ায়।

এই সংবাদ মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়লে সোশ্যাল মিডিয়ায় টুনির জন্য কান্না আর পুরুষবিদ্বেষী পোস্টের হিড়িক পড়ে। পুরুষ কত খারাপ — যে স্ত্রী নিজের কিডনি দিয়ে তাকে বাঁচিয়েছে, তাকে রেখেই পরকীয়া।

এই ঘটনা নিয়ে দেশের প্রথম সারির কিছু গণমাধ্যমের হেডলাইন ছিল এমন:

স্ত্রীর দেওয়া কিডনিতে প্রাণে বেঁচে পরকীয়ায় জড়ালেন স্বামী!
— দৈনিক যুগান্তর

স্ত্রীর কাছ থেকে কিডনি পেয়েই পরকীয়ায় জড়ালেন স্বামী!
— দৈনিক ইত্তেফাক

স্ত্রীর কিডনিতে জীবন ফিরে পেয়ে পরকীয়ায় জড়ালেন স্বামী!
— বাংলাদেশ প্রতিদিন

সাভারে স্ত্রীর কিডনিতে জীবন ফিরে পেয়ে স্বামী থাকছেন পরকীয়া প্রেমিকাকে নিয়ে!
— কালের কণ্ঠ

কিন্তু এই পুরুষবিদ্বেষী পোস্ট আর টুনির জন্য আলগা পিরিতে পানি ঢেলে দেন অভিযুক্ত তারেক নিজেই।

২০২৫ সালের জুলাইয়ের ২০ তারিখে অনলাইন গণমাধ্যম বাংলানিউজ ২৪- এর এক প্রতিবেদনে উঠে আসে আসল ঘটনা।

বাংলানিউজ ২৪- কে তারেক জানান, স্ত্রী তার কাছ থেকে এক শতাংশ জমিসহ তিনতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলার মালিকানা লিখে নিয়েই কিডনি দিয়েছেন। কেবল তাই নয়, পরকীয়ার সম্পর্ক ধরে ফেলায় স্ত্রী টুনির রোষানলে পড়ে শাস্তির শিকার হন তিনি নিজেই।

মালয়েশিয়া প্রবাসী তারেক বলেন, ২০০৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আমি টুনিকে না দেখেই বিয়ে করি। আমার বাসা তখন প্রস্তুত ছিল, ওরা কোয়ার্টারে থাকত। এখন ওদের অনেক টাকা।

প্রথমদিকে সংসার ভালোই চলছিল বলে জানান তিনি। একসময় তার শরীরে ধরা পড়ে কিডনি রোগ। ভারতে চিকিৎসা নিতে গেলে চিকিৎসক কিডনি প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দেন। কিন্তু অর্থাভাব দেখা দেয়। তখন স্ত্রী টুনি কিডনি দিতে রাজি হন, তবে শর্ত দেন — বাড়ির দ্বিতীয় তলার মালিকানা লিখে দিতে হবে।

তারেক বলেন, সম্পর্ক তখন ভালো ছিল, তাই আমি এক শতাংশ জমিসহ বাড়ির দ্বিতীয় তলার মালিকানা টুনির নামে লিখে দিই। এরপর সে তার মা-বোনের নিষেধ সত্ত্বেও ভারতে গিয়ে কিডনি দেয় আমাকে।

তবে সফল প্রতিস্থাপনের পরও সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন নি তারেক। ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় শারীরিক সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন বলে দাবি করেন তিনি। এ সময় থেকেই তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরে।

এরপর টুনি টিকটক জগতে জড়িয়ে পড়ে। তার চরিত্রগত পরিবর্তন আমি খেয়াল করি, যদিও দুই-তিন মাস সহ্য করি, বলেন তারেক। তিনি অভিযোগ করেন, একদিন আমার ভাড়াটিয়ার সঙ্গে একই ঘরে হাতেনাতে ধরার পর আর সহ্য করতে পারিনি। তাকে সেখান থেকে নিয়ে আসি। সবাই দেখেছে।

ঘটনার পর থেকেই তাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হয় বলে দাবি করেন তিনি। নারী নির্যাতন ও যৌতুক মামলায় জেল খাটেন তারেক। এরপর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে জানতে পারেন, টুনি উল্টো তার বিরুদ্ধে পরকীয়া ও অনলাইন জুয়ার মিথ্যা গল্প সাজিয়েছে।

---

এবার আসুন দ্বিতীয় ছবিতে, যার নাম উম্মে হাবিবা মিম।

গত কয়েক দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় আবারও হাউমাউ করে কান্নার হিড়িক আর পুরুষবিদ্বেষী পোস্ট। কারণ মিম ক্যান্সারে আক্রান্ত আর এই কথা জানার পর তার স্বামী তাকে ডিভোর্স দেয়।

মিমকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক আপডেট, মিমকে বাঁচানোর জন্য এগিয়ে এসেছেন শত শত মানুষ।

বৈশাখী নিউজ ও সময়ের কণ্ঠস্বরের প্রতিবেদনে বলা হয়, উম্মে হাবিবা মিমের বয়স ১৯ বছর, রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার পৌর এলাকার পুঠিপাড়া গ্রামের এক অসহায় মেয়ে। যে বয়সে স্বপ্ন দেখার কথা ছিল, বন্ধুদের সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল, সেই বয়সেই ভালোবেসে সংসার শুরু করেছিলেন। ২০২১ সালের মে মাসে নবম শ্রেণিতে পড়াকালীন বিয়ে করেন মিম। ছোট্ট সংসার, হাজারো স্বপ্ন, প্রিয় মানুষকে নিয়ে নতুন জীবনের আশা — সবকিছুই যেন সুন্দরভাবে শুরু হয়েছিল।

কিন্তু সুখ যেন তার জীবনে বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। বিয়ের কয়েক মাস পর স্বামীর সঙ্গে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে ঘটে ভয়াবহ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার পর বাড়ি ফিরলেও সেই দুর্ঘটনাই হয়তো তার জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর অধ্যায়ের শুরু। দুর্ঘটনার প্রায় আড়াই মাস পর হঠাৎ একদিন মুখ দিয়ে প্রচুর রক্ত বমি হয় মিমের। রাজশাহী মেডিকেলের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে ডাক্তারদের ধারণা হয়, এটি হিমোফিলিয়া বা বিরল ধরনের রক্তজনিত রোগ হতে পারে। একটি কেমোও দেওয়া হয়। কিন্তু সেই কেমোর পর রক্তক্ষরণ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

অবশেষে তাকে ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে দীর্ঘ দুই মাস চিকিৎসা চলার পর চিকিৎসকরা পরিবারকে জানান, এই রোগের চিকিৎসা বাংলাদেশে সম্ভব নয়, যত দ্রুত সম্ভব ভারতে নিতে হবে, না হলে রক্তক্ষরণ দিন দিন আরও বাড়বে।

তবে আজও নিশ্চিতভাবে কেউ বলতে পারেনি মিম আসলে কোন রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতা বলছে, এটি হয়তো ব্লাড ক্যান্সারের বিরল কোনো ধরন। আর সেই চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা।

এই খবর শোনার পর থেকেই যেন মিমের জীবন আরও অন্ধকার হয়ে যায়। যে মানুষটিকে ভালোবেসে নিজের পড়াশোনা, নিজের স্বপ্ন সব ছেড়ে দিয়েছিলেন, সেই মানুষটি তাকে হাসপাতালে রেখে চলে আসে। কিছুদিন পর মিমের বাবার হাতে মিমকে ফিরিয়ে দিয়ে জানায়, সে আর এই সম্পর্ক রাখবে না।

তবে মিমের এই ঘটনায়ও পানি ঢেলে দেয় Hidden Truth Unveiled নামের একটি ফেসবুক পেজ। তারা একটি অডিও কল রেকর্ড পোস্ট করে ক্যাপশনে বলে, মিম পরপর দু'টো বিয়ে করেছে — কেন তার স্বামী ছেড়ে দিয়েছে, কেউ কি সেই তথ্য নিয়েছেন?

অডিও কল রেকর্ডের কথোপকথন অনুযায়ী, মিম দু'টো বিয়ে করেছিল এবং প্রথম স্বামীর সঙ্গে থাকাকালীন বিবাহবহির্ভূত নানা সম্পর্কে জড়ায়। ফলে প্রথম স্বামীর সঙ্গে সংসার ভাঙে। প্রথম স্বামী নাকি দুই লাখ টাকা খরচ করে মিমের চিকিৎসাও করিয়েছিলেন। এমনকি দ্বিতীয় বিয়ের সংসার ভেঙে সেখান থেকেও দেনমোহরের টাকা আদায় করে। তাছাড়া মানুষের কাছ থেকে সহায়তা পাওয়া সর্বমোট টাকার লেনদেনের সঠিক হিসাব নিয়েও মিম মিথ্যাচার করে চলছে বলে অভিযোগ। সহায়তার টাকা পেয়েই মেতেছে ভোগবিলাসে — মিম ও তার ভাই কিনেছে দামি ফোন।

এদিকে এই অডিও কল রেকর্ড ভাইরাল হওয়ার পর দৈনিক আজকের পত্রিকার ফেসবুক পেজে পোস্ট করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, মিম বলছেন তার ক্যান্সার হয়নি, বরং বিভিন্ন কনটেন্ট ক্রিয়েটররা বাড়িয়ে-চাড়িয়ে তার ক্যান্সারের কথা বলে টাকা কামাচ্ছেন। ভিডিওতে স্বামী-সংসার নিয়ে কথা না বললেও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হিমোফিলিয়া বা বিরল ধরনের রক্তজনিত রোগে আক্রান্ত বলে জানান তিনি।

Address

Mirpur 10
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Centrist Eye posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share