BoiBazar

BoiBazar Welcome to BoiBazar.com, Join us in our mission to cultivate a sympathetic, knowledgeable, and book-loving nation.
(321)

Welcome to BoiBazar.com, your go-to destination for all things books! We are proud to be one of the largest online bookstores in the country, offering a vast collection of books spanning various genres and topics. Our mission is to foster a culture of reading and learning, helping to shape a more knowledgeable and empathetic society. Join us in our journey to promote the love of books and reading across the nation!

কেন "কাইজেন" বইটি পড়া দরকার?"কাইজেন" শব্দটি জাপানি শব্দ যার অর্থ "ধারাবাহিক উন্নতি"। সারাহ হার্ভে এই বইতে কাইজেনের পদ্ধ...
17/06/2026

কেন "কাইজেন" বইটি পড়া দরকার?

"কাইজেন" শব্দটি জাপানি শব্দ যার অর্থ "ধারাবাহিক উন্নতি"। সারাহ হার্ভে এই বইতে কাইজেনের পদ্ধতিগুলোকে সহজ ও সাধারণ ভাবে উপস্থাপন করেছেন এবং আমাদের দৈনন্দিন জীবন ও কর্মক্ষেত্রে কীভাবে কাইজেনকে প্রয়োগ করা যায়, তা দেখিয়েছেন।

আমাদের জীবনের সবথেকে বড় ৬টি বিষয়ে আমাদের সমস্যা, সমাধান, উন্নতি, চিন্তা কিংবা সামনে এগিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে এই বইটিতে।
বিষয়গুলো হলোঃ
১। স্বাস্থ্য
২। কর্ম বা কাজ/পেশা
৩। অর্থ ও সম্পদ
৪। পরিবার/ঘরবাড়ি
৫। জীবনের সম্পর্কগুলো
৬। আমাদের জীবনের অভ্যাস

ছোট ছোট পরিবর্তন, বড় ফলাফল: কাইজেন পদ্ধতিটি শিখে আপনি বুঝতে পারবেন যে বড় বড় পরিবর্তনের করার চিন্তার পরিবর্তে, দৈনন্দিন কাজে ছোট ছোট উন্নতি আনলেই কীভাবে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা যায়।

সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বৃদ্ধি: সমস্যা সমাধানের জন্য সমস্যাটি ভালভাবে জানা ও বুঝতে পারা জরুরি। এই বইটি আপনাকে সমস্যাগুলোকে কিভাবে এনালাইসিস করতে হয়, বুঝতে হয় এবং তাদের সমাধানের জন্য নতুন উপায় কিভাবে খুঁজে বের করতে হয় তা দেয়া আছে।

দলবদ্ধ কাজের উন্নতি: কাইজেন পদ্ধতি দলবদ্ধ কাজকে উৎসাহিত করে। এই বইটি আপনাকে কীভাবে দলের সাথে মিলেমিশে কাজ করে উন্নতি আনতে হয়, তা শিখাবে।

সৃজনশীলতা বৃদ্ধি: কাইজেন আপনাকে নতুন চিন্তা, ধারণা ও সমাধান খুঁজে বের করার পদ্ধতিগুলো আলোচনা করা হয়েছে। বইটি আপনার সৃজনশীলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।

ব্যক্তিগত ও পেশাগত উন্নতি: কাইজেন শুধু ব্যবসার জন্যই নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও উন্নতি আনতে পারে। এই বইটি আপনাকে আপনার ব্যক্তিগত ও পেশাগত লক্ষ্য অর্জন করতে সাহায্য করবে।

আপনি কি এই বইটি পড়েছেন? আপনার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

বইয়ের নাম: চাঁদের পাহাড়লেখক: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়প্রকাশনী : বাংলাপ্রকাশ"চাঁদের পাহাড়" বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এ...
14/06/2026

বইয়ের নাম: চাঁদের পাহাড়
লেখক: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রকাশনী : বাংলাপ্রকাশ

"চাঁদের পাহাড়" বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক অনন্য অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস, যা বাঙালি সাহিত্যিক ঐতিহ্যের মধ্যে এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে। এই উপন্যাসটি পাঠককে আফ্রিকার বিস্তীর্ণ এবং বন্য পরিবেশে নিয়ে যায়, যেখানে সাহসিকতার এক অপূর্ব কাহিনি ফুটে ওঠে।

উপন্যাসটির মূল চরিত্র শঙ্কর, যিনি একজন তরুণ বাঙালি যুবক। তার মধ্যে রয়েছে এক অদম্য সাহস এবং অভিযানের প্রতি গভীর আকর্ষণ। জীবনের একঘেয়েমি থেকে বের হয়ে শঙ্কর আফ্রিকার অজানা জঙ্গলে অ্যাডভেঞ্চারে নামেন। সেখানকার রহস্যময় পর্বতমালা, ভয়ানক প্রাণী, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং বিপজ্জনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে শঙ্করের এই যাত্রা প্রতিটি পৃষ্ঠায় টানটান উত্তেজনা ধরে রাখে।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখার শক্তি তার প্রকৃতির বর্ণনা এবং চরিত্রগুলোর মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে। শঙ্করের ভেতরের সাহস এবং অন্বেষণপ্রবণতা পাঠকদের মাঝে একই ধরনের আবেগ সৃষ্টি করে। "চাঁদের পাহাড়" শুধু একটি অ্যাডভেঞ্চার নয়, এটি মানুষের ইচ্ছাশক্তি, অদম্য মনোবল, এবং অজানাকে জানার এক অসাধারণ কাহিনি।

এই বইটি প্রতিটি বাঙালি পাঠকের জন্য একটি অবশ্যপাঠ্য ক্লাসিক, যা প্রতিবার পড়ার পরেও নতুন অনুপ্রেরণা দেয়।

ঈশপ - একজন ক্রীতদাস যিনি (খ্রিস্টপূর্ব ৬২০-৫৬৪) প্রাচীন গ্রীসে বসবাস করতেন। ঈশপ মূলত ছিলেন একজন গল্পকথক। গল্পের পর গল্প ...
11/06/2026

ঈশপ - একজন ক্রীতদাস যিনি (খ্রিস্টপূর্ব ৬২০-৫৬৪) প্রাচীন গ্রীসে বসবাস করতেন। ঈশপ মূলত ছিলেন একজন গল্পকথক। গল্পের পর গল্প সাজিয়ে তিনি তার শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রাখতেন। তার গল্পগুলো অন্যান্য গল্পের থেকে একটু ব্যতিক্রম।
প্রতিটি গল্পের একটি উপদেশ বা নীতিকথা থাকে যার মাধ্যমে পাঠককে আদর্শ ও সত্যের শিক্ষা দেওয়াই মূল উদ্দেশ্য। আসুন ঈশপের একটি গল্প পড়িঃ

অতি চালাকের গলায় দড়ি
একদা এক বনে এক গাধা আর এক শেয়াল বাস করতো। ওদের মধ্যে খুবই বন্ধুত্ব হয়েছিল। দুই বন্ধু একদিন বেরোলো। কিছুদূর যাবার পর সামনে এক সিংহ দেখতে পেয়ে বিপদ বুঝে শেয়ালটা নিজেকে বাঁচাবার জন্য সিংহের একেবারে কাছে গিয়ে বললো মহারাজ যদি কিছু মনে না করেন তাহলে একটা কথা বলি। তবে তার আগে কথা দিতে হবে, আমাকে আপনি ছেড়ে দেবেন। তারপর ফিসফিস করে বললো ঐ গাধাটাকে আপনার একেবারে হাতের মুঠোয় এনে দিতে পারি।

সিংহ বলল বেশ তো তাই হবে। কথা দিলাম আমি। সিংহের এই কথা শুনে শেয়াল গাধাটাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে সিংহের কাছাকাছি একটা ফাঁদের মধ্যে ফেললো।

আর এদিকে সিংহ যখন দেখল গাধার আর পালাবার উপায় নেই, তখন প্রথমে শেয়ালটাকেই শেষ করলো, তারপর ধীরে সুস্থে গেল গাধাটার কাছে।

গল্পটির উপদেশ হল- “অপরের সর্বনাশ করার চেষ্টা করলে নিজেরই আগে ক্ষতি হয়।”

সাফল্য আর ব্যর্থতার মাঝে পার্থক্য নির্ধারণের বড় নিয়ামক হলো "সময়"।সবার দিন ২৪ ঘন্টায়, ঘন্টা ৬০ মিনিটে আর মিনিট ৬০ সেকেন্ড...
09/06/2026

সাফল্য আর ব্যর্থতার মাঝে পার্থক্য নির্ধারণের বড় নিয়ামক হলো "সময়"।

সবার দিন ২৪ ঘন্টায়, ঘন্টা ৬০ মিনিটে আর মিনিট ৬০ সেকেন্ডে। তবুও কেন কিভাবে কেউ এই সময়কে কাজে লাগিয়ে উঠে যাচ্ছে সাফল্যের সর্বোচ্চ শিখরে আর কারো জীবনে বেঁচে থাকাই চ্যালেঞ্জিং।
আসলে পুরো ব্যাপারটাই হচ্ছে 'টাইম ম্যানেজমেন্ট বা সময় ব্যবস্থাপনা"। আপনার হাতের ঘড়ি আপনাকে নিয়ন্ত্রন করার যে চক্কর, সেটিতে পরবেন নাকি আপনার সময় আপনি নিয়ন্ত্রন করবেন, এই পুরো ব্যাপারটাই টাইম ম্যানেজমেন্ট।

টাইম ম্যানেজমেন্ট এর ধরাবাঁধা নিয়ম নেই, ব্যক্তি, পরিবেশ-পরিস্থিতির কারণে ভিন্নতা থাকে। নিচে কিছু সাধারণ টিপস দেয়া হলো যেগুলো দৈনন্দিন সময়কে নিয়ন্ত্রন করার ব্যাপারে আপনার সহায়ক হবে।

* দিনের শুরুতে সারাদিনের একটি সুন্দর পরিকল্পনা আপনার মাথায় অব্যশই থাকতে হবে।
* আপনি সারাদিনে যা যা করতে চান সেগুলোর অব্যশই একটি তালিকা প্রস্তুত করুন।
* তালিকা অব্যশই একটি কাগজে করুন, মাথায় রেখে রেখে করা বা মোবাইলে নোট রাখা নয়।
* যে কাজগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেগুলোতে ফোকাস করুন। ২০ ভাগ কাজ দিয়ে ৮০ ভাগ কাজের প্রভাব রাখা সম্ভব হবে।
* একসাথে অনেক ধরণের কাজ করা বন্ধ করুণ। এই কাজ থেকে সেই কাজ, সেই কাজ থেকে ওই কাজ করলে কার্যক্ষমতা কমে বই বাড়ে না।
* যে কাজটি সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সেই কাজটিতে পূর্ণ মনযোগ দিন।
* কাজের সময় যে বিষয়গুলো আপনার মনোযোগে বিঘ্ন ঘটায়, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন বা দূরে রাখুন।
* কাজ করতে করতে ক্লান্ত লাগলে, কিছুক্ষন বিশ্রাম নিন, হাঁটাহাঁটি করুণ কিংবা সুযোগ থাকলে একটু ঘুমিয়ে নিন।
* 'না' বলতে শিখুন। আপনি যদি না পারেন, সবকাজে হ্যাঁ বলেন, দেখবেন কোনো কাজই সুন্দর আর সঠিক ভাবে শেষ হয় না।
* সম্ভব হলে কম গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো অন্যদের উপর ছেড়ে দিন।
* সঠিক সময় বা পারফেক্ট টাইম বলতে কিছু নেই। এখনই শুরু করুন।
* যে কাজ করতে ৫ মিনিটের বেশি সময় লাগবে না, সেগুলো এখনই করে ফেলুন, ফেলে রাখবেন না।
* যে কাজ করতে পছন্দ করেন না কিন্তু করতে হবে, সেটা দিয়ে শুরু করুন, অনেক কিছু সহজ হয়ে যাবে।
* কাজের সময় নির্ধারন বা ডেডলাইন রাখুন। ডেডলাইন ছাড়া কাজ বেশিরভাগ কোনোদিনই শেষ হবে না।
* আপনার লক্ষ্য অর্জনের জন্য সহায়ক না, এরকম কাজে যুক্ত থাকলে তা থেকে বেরিয়ে আসুন। না হয় আপনার লক্ষ্য অর্জনে বাঁধা হবে।
* প্রয়োজনীয় না হলে পুঙ্খানুপুঙ্খতা বা পারফেকশন এর দিকে বেশি নজর না দেয়াই ভালো, এর থেকে কাজটি সমাপ্ত করার দিকে নজর বেশি দিন।
* ফোন, মেসেজ, ইমেইল বা অন্যান্য বিষয়গুলো চেক করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু সময় রাখুন, সেই সময়গুলোতে চেক করুন। সার্বক্ষনিক লক্ষ না রাখাই ভালো।
* অপ্রয়োজনীয় মিটিং, মেলামেশা এড়িয়ে চলুন।
* আপনার পরিচিত মানুষজনের মধ্যে যারা একটু নেগেটিভ মানসিকতার, তাদের কাছ থেকে দূরে থাকুন কিংবা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।
* পরিশেষে, যে কাজটি আপনার করতে ভালো লাগে সেটি করার চেষ্টা করুন।

ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট স্ট্র্যাটেজি: সফল এবং টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার পথজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সফলতা অর্জনের জন্য পরিকল্পনা...
08/06/2026

ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট স্ট্র্যাটেজি: সফল এবং টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার পথ
জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সফলতা অর্জনের জন্য পরিকল্পনা ও উদ্যোগের প্রয়োজন। ক্যারিয়ার গঠনের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়। ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের সঠিক স্ট্র্যাটেজি একজন মানুষকে শুধু চাকরির সুযোগ এনে দেয় না, বরং তাকে একটি সফল ও টেকসই জীবন গড়ার পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।

১. আত্মবিশ্বাস ও আত্মবিশ্লেষণঃ
ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের প্রথম ধাপ হলো নিজেকে ভালোভাবে জানা। আপনি কোন কাজে দক্ষ? আপনার কোন বিষয়গুলোতে আগ্রহ বেশি? এই প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর খুঁজে বের করতে পারলেই আপনি সঠিক পথে এগোতে পারবেন। নিজের শক্তি ও দুর্বলতাগুলো বিশ্লেষণ করুন এবং সেই অনুযায়ী নিজের উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরি করুন।

২. দক্ষতা উন্নয়নঃ
বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক সময়ে শুধুমাত্র শিক্ষাগত যোগ্যতা যথেষ্ট নয়। কর্মক্ষেত্রে সফল হতে হলে আপনাকে বিভিন্ন দক্ষতা অর্জন করতে হবে। কম্পিউটার, ডিজিটাল মার্কেটিং, যোগাযোগ দক্ষতা বা যে কোনো বিশেষায়িত দক্ষতা—এসবই আপনাকে অন্যান্যদের থেকে এগিয়ে রাখবে। নতুন নতুন বই পড়ার মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে আপনার জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়াতে পারেন।

৩. লক্ষ্যের জন্য নির্দিষ্ট পরিকল্পনাঃ
ক্যারিয়ারে সফল হতে হলে, আপনার কাছে স্পষ্ট লক্ষ্য থাকা জরুরি। দীর্ঘমেয়াদী ও স্বল্পমেয়াদী লক্ষ্যের ভিত্তিতে একটি পরিকল্পনা তৈরি করুন এবং ধাপে ধাপে সেই লক্ষ্য পূরণের জন্য কাজ করুন। এক্ষেত্রে সময় ব্যবস্থাপনাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে আপনার প্রতিদিনের কর্মপ্রবাহকে উন্নত করতে পারেন।

৪. নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাঃ
একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক আপনার ক্যারিয়ার উন্নয়নে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। বিভিন্ন পেশাজীবীদের সাথে সংযোগ স্থাপন করুন, তাদের কাছ থেকে শিখুন, এবং প্রয়োজন হলে পরামর্শ নিন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেমন লিংকডইন-এর মতো প্ল্যাটফর্মেও নিজেকে সক্রিয় রাখুন।

৫. জীবনব্যাপী শেখার মানসিকতাঃ
প্রযুক্তি ও সময়ের পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে নিয়মিত নিজেকে আপডেট রাখতে হবে। এক্ষেত্রে বই পড়া হতে পারে আপনার সবচেয়ে বড় বন্ধু। নতুন নতুন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করে আপনি আরও সমৃদ্ধ ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারেন। বইবাজার.কম আপনাকে বিভিন্ন ধরণের বইয়ের মাধ্যমে আপনার জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ এনে দেয়।

৬. ইতিবাচক মনোভাবঃ
ক্যারিয়ার গঠনের যাত্রা কখনোই মসৃণ হয় না। অনেক চ্যালেঞ্জ ও ব্যর্থতার মুখোমুখি হতে হয়। কিন্তু এসব পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধরতে হবে এবং ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখতে হবে। ব্যর্থতা থেকে শেখা এবং নিজেকে আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করা—এই মানসিকতা একজন সফল পেশাজীবী তৈরি করে।

৭. ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপনঃ
শুধুমাত্র ক্যারিয়ারেই নয়, জীবনকে সম্পূর্ণভাবে উপভোগ করতে হলে আপনার ব্যক্তিগত জীবনকেও গুরুত্ব দিতে হবে। কাজের চাপের বাইরে নিজের জন্য, পরিবার ও বন্ধুদের জন্য সময় বের করুন। নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাবার এবং মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

৮. বইয়ের মাধ্যমে অনুপ্রেরণাঃ
বই হচ্ছে জ্ঞানের অফুরন্ত ভাণ্ডার। সফল পেশাজীবীদের জীবন কাহিনী বা ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের ওপর লেখা বইগুলো আপনাকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও অনুপ্রেরণা যোগাতে পারে। বই পড়ে আপনি নিজের ক্যারিয়ার গঠনের জন্য নতুন নতুন আইডিয়া ও স্ট্র্যাটেজি পেতে পারেন।

ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট কেবল চাকরি পাওয়া বা পদোন্নতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি একটি টেকসই ও পূর্ণাঙ্গ জীবন গড়ার প্রক্রিয়া। সঠিক পরিকল্পনা, কঠোর পরিশ্রম, এবং জ্ঞানের সদ্ব্যবহার—এই তিনটি মূলভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আপনি আপনার পেশাগত জীবনে সাফল্য অর্জন করতে পারেন। বইবাজার.কম আপনাকে এই যাত্রায় সঙ্গ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা শুধু বই বিক্রেতা নই, বরং আপনার জীবনের পথপ্রদর্শক হতে চাই।

এই ধরনের আরো ব্লগ ও অনুপ্রেরণামূলক কনটেন্ট পেতে চোখ রাখুন আমাদের ফেসবুক পেজে এবং ব্লগ সেকশনে।

📚 বিশ্বের সেরা ১০০ উপন্যাসএকটি ভালো উপন্যাস শুধু গল্প বলে না, আমাদের ভাবতে শেখায়, অনুভব করতে শেখায়, কখনো কখনো জীবনকেও নত...
06/06/2026

📚 বিশ্বের সেরা ১০০ উপন্যাস

একটি ভালো উপন্যাস শুধু গল্প বলে না, আমাদের ভাবতে শেখায়, অনুভব করতে শেখায়, কখনো কখনো জীবনকেও নতুনভাবে দেখতে শেখায়।

সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদপত্র The Guardian বিশ্বের সর্বকালের সেরা ১০০টি উপন্যাসের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকা তৈরিতে অংশ নিয়েছেন বিশ্বের ১৭০ জনেরও বেশি ঔপন্যাসিক, সাহিত্যসমালোচক ও গবেষক। স্টিফেন কিং, সালমান রুশদি, এলিফ শাফাকসহ অনেক খ্যাতিমান লেখক তাদের পছন্দের ১০টি উপন্যাস নির্বাচন করেছেন, আর সেই ভোটের ভিত্তিতেই তৈরি হয়েছে এই তালিকা।

তালিকার শীর্ষে রয়েছে George Eliot-এর Middlemarch। এরপর রয়েছে Toni Morrison-এর Beloved, James Joyce-এর Ulysses, Virginia Woolf-এর To the Lighthouse এবং Marcel Proust-এর In Search of Lost Time।

এবারের তালিকায় নারী লেখকদের উপস্থিতি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। এমন একটি সময়ে এই তালিকা প্রকাশিত হলো, যখন বই পড়ার অভ্যাস ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। তাই হয়তো এই তালিকাটি শুধু একটি র‍্যাংকিং নয়, বরং আমাদের আবার বইয়ের কাছে ফিরে যাওয়ার একটি আমন্ত্রণ।

তালিকাটি দেখে আপনার কোন উপন্যাসটি সবার আগে পড়তে ইচ্ছে করছে?

সেরা ১০০ উপন্যাসের তালিকা :

১. জর্জ এলিয়টের Middlemarch (১৮৭১–১৮৭২)
২. টনি মরিসনের Beloved (১৯৮৭)
৩. জেমস জয়েসের Ulysses (১৯২২)
৪. ভার্জিনিয়া উলফের To the Lighthouse (১৯২৭)
৫. মার্সেল প্রুস্তের In Search of Lost Time (১৯১৩–১৯২৭)
৬. লিও টলস্টয়ের Anna Karenina (১৮৭৮)
৭. লিও টলস্টয়ের War and Peace (১৮৬৯)
৮. শার্লট ব্রন্টির Jane Eyre (১৮৪৭)
৯. জেন অস্টেনের Pride and Prejudice (১৮১৩)
১০. গুস্তাভ ফ্লবেয়ারের Madame Bovary (১৮৫৬)
১১. এফ. স্কট ফিটজেরাল্ডের The Great Gatsby (১৯২৫)
১২. চার্লস ডিকেন্সের Bleak House (১৮৫২–১৮৫৩)
১৩. জেন অস্টেনের Emma (১৮১৫)
১৪. ভার্জিনিয়া উলফের Mrs Dalloway (১৯২৫)
১৫. হারম্যান মেলভিলের Moby-Dick (১৮৫১)
১৬. জর্জ অরওয়েলের Nineteen Eighty-Four (১৯৪৯)
১৭. গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের One Hundred Years of Solitude (১৯৬৭)
১৮. জেন অস্টেনের Persuasion (১৮১৭)
১৯. লরেন্স স্টার্নের The Life and Opinions of Tristram Shandy, Gentleman (১৭৫৯–১৭৬৭)
২০. এমিলি ব্রন্টির Wuthering Heights (১৮৪৭)
২১. হেনরি জেমসের The Portrait of a Lady (১৮৮১)
২২. চিনুয়া আচেবের Things Fall Apart (১৯৫৮)
২৩. সালমান রুশদির Midnight’s Children (১৯৮১)
২৪. কাজুও ইশিগুরোর The Remains of the Day (১৯৮৯)
২৫. ভ্লাদিমির নাবোকভের Lo**ta (১৯৫৫)
২৬. মিগেল দে সের্ভান্তেসের Don Quixote (১৬০৫, ১৬১৫)
২৭. ফ্রাঞ্জ কাফকার The Trial (১৯২৫)
২৮. ফিওদর দস্তয়েভস্কির The Brothers Karamazov (১৮৮০)
২৯. ভ্লাদিমির নাবোকভের Pale Fire (১৯৬২)
৩০. মেরি শেলির Frankenstein (১৮১৮)
৩১. মুরিয়েল স্পার্কের The Prime of Miss Jean Brodie (১৯৬১)
৩২. অরুন্ধতী রায়ের The God of Small Things (১৯৯৭)
৩৩. চার্লস ডিকেন্সের David Copperfield (১৮৫০)
৩৪. হিলারি ম্যান্টেলের Wolf Hall (২০০৯)
৩৫. চার্লস ডিকেন্সের Great Expectations (১৮৬১)
৩৬. মার্গারেট অ্যাটউডের The Handmaid’s Tale (১৯৮৫)
৩৭. রাল্ফ এলিসনের Invisible Man (১৯৫২)
৩৮. এডিথ ওয়ার্টনের The Age of Innocence (১৯২০)
৩৯. জোরা নিল হার্স্টনের Their Eyes Were Watching God (১৯৩৭)
৪০. টনি মরিসনের Song of Solomon (১৯৭৭)
৪১. জোসেফ কনরাডের Heart of Darkness (১৮৯৯)
৪২. টমাস মানের The Magic Mountain (১৯২৪)
৪৩. মেরিলিন রবিনসনের Housekeeping (১৯৮০)
৪৪. জেমস বল্ডউইনের Giovanni’s Room (১৯৫৬)
৪৫. ডরিস লেসিংয়ের The Golden Notebook (১৯৬২)
৪৬. জুসেপ্পে তোমাসি দি লাম্পেদুসার The Leopard (১৯৫৮)
৪৭. উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারির Vanity Fair (১৮৪৭–১৮৪৮)
৪৮. ফ্রাঞ্জ কাফকার The Metamorphosis (১৯১৫)
৪৯. রোহিন্টন মিস্ত্রীর A Fine Balance (১৯৯৫)
৫০. জিন রাইসের Wide Sargasso Sea (১৯৬৬)
৫১. এলেনা ফেরান্তের My Brilliant Friend (২০১১)
৫২. হেনরি জেমসের The Golden Bowl (১৯০৪)
৫৩. শার্লি হ্যাজার্ডের The Transit of Venus (১৯৮০)
৫৪. ভার্জিনিয়া উলফের Orlando (১৯২৮)
৫৫. ভার্জিনিয়া উলফের The Waves (১৯৩১)
৫৬. জেন অস্টেনের Mansfield Park (১৮১৪)
৫৭. উইলিয়াম ফকনারের The Sound and the Fury (১৯২৯)
৫৮. জে. এম. কোয়েটজির Disgrace (১৯৯৯)
৫৯. কাজুও ইশিগুরোর Never Let Me Go (২০০৫)
৬০. ই. এম. ফরস্টারের Howards End (১৯১০)
৬১. ডব্লিউ. জি. সেবাল্ডের The Rings of Saturn (১৯৯৫)
৬২. চিমামান্ডা এনগোজি আদিচির Half of a Yellow Sun (২০০৬)
৬৩. জেডি স্মিথের White Teeth (২০০০)
৬৪. ফোর্ড ম্যাডক্স ফোর্ডের The Good Soldier (১৯১৫)
৬৫. অ্যালিস ওয়াকারের The Color Purple (১৯৮২)
৬৬. মিখাইল বুলগাকভের The Master and Margarita (১৯৬৭)
৬৭. রবার্ট মুসিলের The Man Without Qualities (১৯৩০–১৯৪৩)
৬৮. করম্যাক ম্যাককার্থির Blood Meridian (১৯৮৫)
৬৯. ফিওদর দস্তয়েভস্কির Crime and Punishment (১৮৬৬)
৭০. টমাস হার্ডির Jude the Obscure (১৮৯৫)
৭১. অক্টাভিয়া ই. বাটলারের Kindred (১৯৭৯)
৭২. চার্লস ডিকেন্সের Our Mutual Friend (১৮৬৪–১৮৬৫)
৭৩. ডব্লিউ. জি. সেবাল্ডের Austerlitz (২০০১)
৭৪. সিতসি ডাঙ্গারেম্বগার Nervous Conditions (১৯৮৮)
৭৫. টনি মরিসনের The Bluest Eye (১৯৭০)
৭৬. ব্রাম স্টোকারের Dracula (১৮৯৭)
৭৭. ডি. এইচ. লরেন্সের The Rainbow (১৯১৫)
৭৮. ভি. এস. নাইপলের A House for Mr Biswas (১৯৬১)
৭৯. জেমস বল্ডউইনের Go Tell It on the Mountain (১৯৫৩)
৮০. ড্যাফনি দ্যু মরিয়ের Rebecca (১৯৩৮)
৮১. টমাস মানের Buddenbrooks (১৯০১)
৮২. গ্রাহাম গ্রিনের The End of the Affair (১৯৫১)
৮৩. আর্নেস্ট হেমিংওয়ের A Farewell to Arms (১৯২৯)
৮৪. প্যাট্রিসিয়া হাইস্মিথের The Talented Mr Ripley (১৯৫৫)
৮৫. হান কাংয়ের The Vegetarian (২০০৭)
৮৬. হেনরি জেমসের The Turn of the Screw (১৮৯৮)
৮৭. অ্যালান হোলিংহার্স্টের The Line of Beauty (২০০৪)
৮৮. ই. এল. ডক্টোরোর Ragtime (১৯৭৫)
৮৯. উরসুলা কে. লে গুইনের The Left Hand of Darkness (১৯৬৯)
৯০. ভার্জিনিয়া উলফের Jacob’s Room (১৯২২)
৯১. ভাসিলি গ্রসম্যানের Life and Fate (১৯৮০)
৯২. গুস্তাভ ফ্লবেয়ারের Sentimental Education (১৮৬৯)
৯৩. ইতালো কালভিনোর Invisible Cities (১৯৭২)
৯৪. এডওয়ার্ড পি. জোনসের The Known World (২০০৩)
৯৫. টমাস হার্ডির The Return of the Native (১৮৭৮)
৯৬. হুয়ান রুলফোর Pedro Páramo (১৯৫৫)
৯৭. জোসেফ হেলারের Catch-22 (১৯৬১)
৯৮. করম্যাক ম্যাককার্থির The Road (২০০৬)
৯৯. এল. পি. হার্টলির The Go-Between (১৯৫৩)
১০০. উইলা ক্যাথারের My Ántonia (১৯১৮)

06/06/2026
বই কেন পড়বেন? বই পড়লে কি হয় আর না পড়লে কি হয়?বই পড়ার ১০টি কারণ যা বই সম্পর্কে আপনার ধারণা বদলে দিবে -১। মানসিক ব্যায়ামঃশ...
03/06/2026

বই কেন পড়বেন? বই পড়লে কি হয় আর না পড়লে কি হয়?

বই পড়ার ১০টি কারণ যা বই সম্পর্কে আপনার ধারণা বদলে দিবে -

১। মানসিক ব্যায়ামঃ
শরীরকে সুস্থ রাখতে যেমন ব্যায়াম এর বিকল্প নেই তেমনি একইভাবে, আপনার মস্তিষ্ক সচল রাখতে মানসিক ব্যায়াম জরুরি। মানসিক ব্যায়াম না করার ফলে আমাদের চিন্তাশক্তি লোপ পায়।
ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের এই ক্ষমতা নষ্ট হতে থাকে। ব্যবহার না করলে এই ক্ষমতা হারিয়ে যাবে। বই পড়া মানসিক ব্যায়াম এর একটি বড় মাধ্যম। আপনার মস্তিষ্ক সচল রাখার জন্য নিয়মিত বই পড়া জরুরি।

২। মানসিক চাপ কমানোঃ
আপনি ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন, একাডেমিক কিংবা চাকরিজীবনে যতই মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন, এই সকল চাপকে আপনি পাশে সরিয়ে রাখতে পারেন যখন আপনি একটি ভালো বইয়ের মধ্যে নিজেকে ডুবিয়ে ফেলেন।
একটি ভালো বই আপনার দুশ্চিন্তা ও অবসাদ্গুলোকে পাশে সরিয়ে আপনাকে একটি অন্য দুনিয়ায় নিয়ে যেতে পারবে, যার মাধ্যমে আপনি মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকতে পারবেন।

৩। জ্ঞানঃ
বই পড়লে জ্ঞান বাড়বে - একথা বলাই বাহুল্য। নতুন নতুন তথ্য যা অব্যশই কোন না কোনো দিন আপনার দরকারে আসবে। আপনার জ্ঞানের ভান্ডার যত সমৃদ্ধ হবে, আপনার জীবনের বাধা বিপত্তি গুলো অতিক্রমে আপনি ততটাই শক্তিশালী হবেন।
একটি কথা আমরা সবাই জানি - আপনার চাকরি/ব্যবসায়, আপনার সম্পত্তি, আপনার অর্থবিত্ত, আপনার স্বাস্থ্য - সবই হারিয়ে যেতে পারে, কিন্তু আপনার অর্জিত জ্ঞান সবসময়ই আপনার সাথে থাকবে।

৪। শব্দভান্ডার বৃদ্ধিঃ
আপনি যত পড়বেন, তত নতুন নতুন শব্দ শিখবেন। আর এতেই আপনার শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ হবে। পারস্পরিক কমিউনিকেশন বা যোগাযোগ আমাদের শিক্ষাজীবন, ব্যক্তিজীবন বা কর্মজীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কর্মজীবনে তো সুন্দর ভাষা বা ভালো যোগাযোগ দক্ষতার জন্য অনেকে বেশ সমাদৃত হন।
এই দক্ষতা বৃদ্ধিতে আপনাকে সব থেকে সাহায্য করবে, 'বই পড়া'। নতুন শব্দ, এর অর্থ ও প্রয়োগ আপনাকে অনেকের মধ্যে আলাদা করে তুলতে পারে।

৫। স্মৃতিশক্তির উন্নতিঃ
তীক্ষ্ণ স্মৃতিশক্তি আমরা কে না চাই! প্রায়ই আমরা বলে থাকি, স্মৃতিশক্তি কমে যাচ্ছে, অনেক কিছু মনে থাকে না। আবার ভালো স্মৃতিশক্তির মানুষকে আমরা শ্রদ্ধার চোখে দেখি।
আপনি যখন একটি বই পড়েন, আপনাকে বইয়ের চরিত্র ও তাদের ভূমিকা, তাদের পটভূমি, তাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা, তাদের ইতিহাস, সূক্ষ্মতা স্মরণে রাখতে হয়।
আর মজার ব্যাপার হলো, আপনি যখনই আপনার মস্তিষ্কে নতুন একটি স্মৃতি দেন, তা একটি নতুন পথ তৈরি করে আপনার ব্রেইনে এবং আগের স্মৃতিগুলোকেও শক্তিশালী করে তোলে।

৬। চিন্তাশক্তি দক্ষতা শক্তিশালীঃ
দিন দিন একটি শব্দ অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, Critical Thinking বা জটিল চিন্তাশক্তি। কর্ম বা ব্যক্তিজীবনে এই দক্ষতার কদর বেড়েই চলেছে। আমরা বই পড়ার সময় প্রায়ই জটিল কিছু ঘটনার কথা পড়ি, যেগুলো নিয়ে আমরা সচেতন বা অবচেতনভাবে চিন্তা করি। ঘটনাগুলোকে ধাপে ধাপে সাঁজাতে চেষ্টা করি, সমাধান করার চেষ্টা করি।
অনেক পাঠক তো রীতিমত কাগজ কলম নিয়ে বসে যায় রহস্য গল্প সমাধান করার জন্য। এছাড়াও বই গুলো নিয়ে আমরা অনেকের সাথে আলাপ করি, আমাদের চিন্তা, লেখকের চিন্তা ব্যক্ত করার চেষ্টা করি।
এইসবই কিন্তু আমাদের চিন্তাশক্তিকে বৃদ্ধি করে। এই দক্ষতাকে শক্তিশালী করে তোলে।

৭। একাগ্রতা বৃদ্ধিঃ
আপনি কি খেয়াল করেছেন, ফেসবুকে একসময় আমরা দীর্ঘ বা বড় ভিডিও দেখতাম, কিন্তু সেখান থেকে আমরা ছোট্ট রিলসে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি? আমরা সারাদিন ফেসবুক ব্যবহার করি, কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই দিন শেষে বলতে পারবে না, আজকে ফেসবুকে কি কি বিষয় আমরা দেখেছে? শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্যি, প্রযুক্তি আমাদের অনেক কিছু দিয়েছে।
আর আমাদের কাছ থেকে কেঁড়ে নিয়ে গেছে একাগ্রতার মত গুন। যেকোনো কাজে একাগ্রতা অত্যাবশক একটি ব্যাপার। একাগ্রতা দিয়ে অনেক বড় বড় কাজ অতীতে হয়েছে। যা দিন দিন আমাদের থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।
যখন আমরা বই পড়ি, তখন আমরা অন্যসব কিছু থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখতে পারি, একাগ্রভাবে গল্পের বা বইয়ের মধ্যে ডুবে যেতে পারি। যা আমাদের একাগ্রতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে ব্যাপকভাবে।

৮। ভালো লেখার দক্ষতাঃ
পড়া এবং লেখা একে অপরের সাথে পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত। পড়ার মাধ্যমে আমাদের ভাষা ও শব্দের জ্ঞান বাড়ে আর এই জ্ঞান আমাদের লেখনীশক্তিকে বৃদ্ধি করে। এই জন্যই বলে, লেখক হতে গেলে আগে অনেক অনেক পড়তে হবে, এরপর লিখতে হবে।

৯। প্রশান্তিঃ
বর্তমান সময়ে বই পড়ার সবথেকে বড় উপকার যদি চিন্তা করেন, বই পড়ার কারণে আমরা যে মানসিক প্রশান্তি পাই, সেটাই অনেক বড়। বই পড়ার সময়ে আমরা হয়তো ডিজিটাল ডিভাইসের পিছনে সময় নষ্ট করতাম, সেটা না করে আমরা যে ভালো কিছু পড়েছি, কিছু শিখেছি, এই চিন্তা এই প্রশান্তির কি অমূল্য নয়?

১০। বিনোদনঃ
বই পড়ে উপরের সবগুলো উপকার তো আমরা পাচ্ছিই, পাশাপাশি এটা আমাদের একটা বিনোদনের মাধ্যম। সবথেকে সস্তা কিন্তু কার্যকরী মাধ্যম। একটি ভাল গল্প, প্রবন্ধ বা উপন্যাস আমাদের মনকে বিনোদিত করে আর এটা বিনোদনের সর্বোত্তম পথ। নির্মল ও শান্তিময় বিনোদন হলো - বই পড়া।

বিঃদ্রঃ অনূদিত।

Address

28/1, Toyenbee Circular Road, Motijheel C/A
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 09:00 - 18:00
Tuesday 09:00 - 18:00
Wednesday 09:00 - 18:00
Thursday 09:00 - 18:00
Saturday 09:00 - 18:00
Sunday 09:00 - 18:00

Telephone

+8809611262020

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BoiBazar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BoiBazar:

Share

Category